Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালিকা পুরাণ (কালিকাপুরাণম্‌) – পঞ্চানন তর্করত্ন সম্পাদিত

    পঞ্চানন তর্করত্ন এক পাতা গল্প667 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৬৯. বস্ত্রাদি উপচারাষ্টক

    একোনসপ্ততিতম অধ্যায় – বস্ত্রাদি উপচারাষ্টক

    ভগবান্ বলিলেন,–কার্পাস, কম্বল, বাল্ক এবং কৌষেয় এই চারি প্রকার বস্ত্র। এই সকল প্রথমে মন্ত্র দ্বারা অর্চনা করিয়াই দেবতাকে দান করিবে।

    দশাশূন্য, মলিন, জীর্ণ, ছিন্ন, পূর্বে গাত্রসংস, পরকীয়, আখুদষ্ট, সূচিবিদ্ধ, পরিহিত, উপ্তকেশ, বিধৌত, শ্লেষ্ম ও মূত্ৰাদিদূষিত এইরূপ বস্ত্র দেবতার দানে দৈব ও পৈত্রকর্মে এবং যজ্ঞাদি কার্যে বর্জন করিবে। ২-৪

    উত্তরীয়, উত্তরীয়াসঙ্গ, নিচোল প্রভৃতি কয় প্রকার বস্ত্র অ-সেলাই করাই দান করিবে। ৫

    শণবস্ত্র, নিসার, ছত্র, চন্দ্রাতপ এবং অদৃশ্য এই পাঁচপ্রকার বস্ত্র সেলাই করা দূষণীয় নহে। ৬

    পতাকা, ধ্বজ এবং দণ্ডাদিতে সেলাইকরা বস্ত্রই দান করিবে। অন্যত্র আবরণাদিতে সেলাইকরা বা অ-সেলাইকরা দুই প্রকার বস্ত্রই দান করিবে। ৭

    রক্তবর্ণ কৌষেয়বস্তু মহাদেবীকে দান করিবার নিমিত্ত প্রশস্ত এবং পীতবর্ণ কৌষেয় বস্ত্র বিষ্ণুকে দান করিবার জন্য প্রশস্ত। ৮

    পরমাত্মা শিবকে রক্ত কম্বল দান করিবে এবং সমুদয় দেব ও দেবীকে বিচিত্র বস্ত্র দান করিবে। ৯

    সৰ্ব্বতোভদ্র (সকল প্রকারের বিশুদ্ধ) কার্পাসবস্ত্র সকল দেবতাকে দান করিতে পারে। ১০

    কেবল রক্তবর্ণ চেলির কাপড় বিষ্ণুকে দান করিবে না এবং কোন নীলবর্ণ বস্ত্র শিবকে দান করিবে না। ১১

    যে বস্ত্রের রঙ নীল ও লালে মিশ্রিত, তাহা সকল কার্যেই বর্জনীয়, বিচক্ষণ ব্যক্তি ঐরূপ বস্তুকে দৈব পৈত্র্য অথবা নিজের ব্যবহার কার্যে পরিত্যাগ করিবে। ১২

    হে ভৈরব! যে ব্যক্তি প্রমাদবশতঃ ঐরূপ নীল-রক্ত বস্ত্র বিষ্ণুকে অপ্ররপণ করে, তাহার সেই পূজা একেবারে নিষ্ফল হয়। ১৩।

    নীল ও রক্তরঙে রঞ্জিত বিচিত্র বসন কেবল মহাদেবীকে দান করিতে পারে, অন্য দেবতাকে কখনই দান করিতে পারে না। ১৪

    মনুষ্যদিগের মধ্যে ব্রাহ্মণ যেমন এবং দেবতাদিগের মধ্যে ইন্দ্র যেমন, সেইরূপ ভূষণসমূহের মধ্যে বস্ত্র, সকলের শ্রেষ্ঠ। ১৫

    বস্ত্রদ্বারা লজ্জা নিবারণ হয়, পাপও বস্ত্রদ্বারা জিত হয় এবং বস্ত্রদ্বারা সকল প্রকার সিদ্ধি লাভ হয়, এই নিমিত্ত বস্ত্র চতুৰ্বর্গপ্রদ বলিয়া কীৰ্ত্তিত হইয়াছে। ১৬

    হে পুত্র! সর্বপ্রকার সিদ্ধিপ্রদ এবং ভোগ্যবস্তুর মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ বস্ত্রের বিষয় তোমার নিকট কীৰ্ত্তন করিলাম, এক্ষণে অলঙ্কারের কথা শুন। ১৭

    কিরীট, শিরোরত্ন, কুণ্ডল, ললাটিকা, তালপত্র হার, গ্রৈবেয়ক, উৰ্মিকা, প্রালম্বিকা, রত্নসূত্র, উত্তঙ্গ, অক্ষমালিকা, পার্শ্বদ্যোত, নখদ্যোত, অঙ্গুলীচ্ছাদক। ১৮-১৯

    কুটুম্বক, মানবক, মূর্দ্ধাতারা, খলন্তিকা, অঙ্গদ,বাহুবলয়, শিখাভূষণ, ইঙ্গিকা, প্রাগদণ্ডবন্ধ, উদ্ভাস, নাভিপুর, মালিকা, সপ্তকী, শৃঙ্খল, দন্তপত্র, কর্ণক, ঊরুসূত্র, নীবী, মুষ্টিবন্ধ, প্রকীর্ণক, পাদাঙ্গদ, হংসক, নূপুর, ক্ষুদ্রঘণ্টিকা এবং সুখপট্ট, -এই সুশোভন অলঙ্কার সকল উক্ত হইল। এই চল্লিশপ্রকার অলঙ্কার উক্ত হইল, ইহারা লোক ও বেদে সুখপ্রদ। ২০-২৩।

    অলঙ্কার সকল দাতার চতুৰ্ব্বর্গের সাধক, ইহাদিগকে প্রথমে অর্চিত করিয়া দেবতার উদ্দেশে দান করিবে। ২৪

    বিচক্ষণ সাধক অলঙ্কারের অচ্চনের সময় দেবতারও উল্লেখ করিবে। ২৫

    হে ভৈরব! চুড়ারত্নাদি মস্তকের ভূষণ সকল সুবর্ণনিম্মিত করিয়া অর্পণ করিবে। গ্রৈবেয়ক হইতে হংস পর্যন্ত যে সকল ভূষণ উক্ত হইয়াছে, উহা বর্গ ও রজতনিৰ্মিত করিয়াই দেবতাদিগকে অর্পণ করিবে, অন্য ধাতুনির্মিত নয়। ২৬-২৭

    লৌহভিন্ন পিতল বা রঙ্গাদিজাত পাত্রের উপকরণ দেবতাকে দান করিতে পারে কিন্তু ভূষণ কখনই পারে না। ২৮

    ঘন্টা চামর এবং কুম্ভ প্রভৃতি পাত্রোপকরণ-ইহারা যে যে অঙ্গে ধৃত হয়, সেই সেই অঙ্গের অলঙ্কারের সহিত ইহাদিগকে দান করিবে, কারণ ইহারা সেই অঙ্গের উপভূষণ। ২৯

    সকল প্রকার ভূষণ তাম্রময় করিয়াও দান করিতে পারা যায়। সকল স্থলেই তাম্র সুবর্ণের সদৃশ, কিন্তু অর্ঘ্যপত্রে সুবর্ণ অপেক্ষাও ফলপ্রদ। ৩০

    পূজাৰ্ঘ্যপাত্র, নৈবেদ্যের আধারপত্র, পানপাত্র যদি উদুম্বরনির্মিত হয়, তাহা হইলে বিষ্ণুর অধিক প্রীতি এবং তোষপ্রদ হয়। ৩১

    তাম্রলাভ করিয়া দেবতারা আমোদ করেন, তাম্রেই দেবগণ সর্বদা অবস্থিতি করেন। তা সকলের প্রীতিকর, এই তাম্রের অধিক ব্যবহার করিবে। ৩২।

    হে ভৈরব! মনুষ্যেরা আপনার সাধ্যমত ভূষণ সকল নিৰ্মাণ করিবে, কিন্তু গ্রীবার উৰ্দ্ধদেশে কখন রৌপ্য ভূষণ ব্যবহার করিবে না। ৩৩

    প্রাবার, পানপাত্র, গেণ্ডুক, গৃহ, পর্য্যঙ্ক প্রভৃতির ব্যবহারের বস্তু সকল উপভূষণ বলিয়া বিখ্যাত। ৩৪

    স্বর্ণ এবং রৌপ্যের অভাবে লৌহময় এবং কাংস্যময় ব্যতীত অন্যপ্রকার ভূষণ অধঃশরীরে ধারণ করিবে। ৫

    এই সকল ভুষণের মধ্যে যাহার যেরূপ শক্তি হইবে, সে তত পরিমাণে ভূষণ দান করিবে। সম্ভব হইলে সকল প্রকার ভূষণই দান করিবে। ৩৬

    ভূষণ সর্বদা চতুব্বর্গপ্রদ সৌখ্যদানকারী এবং নিত্য তুষ্টি ও পুষ্টিদায়ক, অতএব যথাশক্তি ভূষণ দান করিবে। ৩৭

    সকল দেবতার তুষ্টিপ্রদ ভূষণের বিষয় তোমাদের নিকট বলা হইল। এক্ষণে হে পুত্র বেতাল ও ভৈরব! চন্দনের বিষয় সম্যক্ শ্রবণ কর। চূণীকৃত, ঘৃষ্ট, দাহাকর্ষিত, সম্মর্দ্দজ রস অথবা প্রাণীর অঙ্গ সমূদ্ভব–এই পাঁচ প্রকার গন্ধ দেবতাদিগের প্রতিদায়ক। ৩৮-৩৯

    গন্ধদ্রব্যের চূর্ণ, গন্ধপত্র বা পুষ্পের চূর্ণ এবং প্রশস্ত গন্ধযুক্ত বৃক্ষের পত্রচূর্ণ এই সকল প্রকার গন্ধ প্রথমজাতীয় গন্ধের অনুগত। ৪০

    চন্দন সরল ও চমেরুর ঘর্ষণ জন্য গন্ধ এবং অগুরু প্রভৃতি ঘর্ষণদ্বারা যাহার পঙ্ক নির্গত করিয়া দেবতাকে অর্পণ করা যায়, তাহা ঘৃষ্ট ও দ্বিতীয় প্রকারের গন্ধ। ৪১

    দেবদারু, অগুরু, পত্র, গন্ধসার, চন্দনপ্রিয়া চোয়াইয়া যে সুগন্ধি রস নির্গত করা হয়, উহার নাম দাহজ গন্ধ; উহা তৃতীয় প্রকার গন্ধের অন্তর্গত। ৪২

    সুগন্ধ করবীর, বিল্ব, গন্ধিনী এবং তিলক প্রভৃতি নিপীড়ন করিয়া যে রস গৃহীত হয়, সেই সম্মর্দজন্য গন্ধের নাম সম্মর্দজ গন্ধ। ৪৩

    মৃগনাভি বা তাহার কোষ হইতে যে গন্ধ উৎপন্ন হয়, তাহার নাম প্রাণ্যঙ্গজ গন্ধ, উহা স্বর্গবাসিদের অত্যন্ত মনোহর। ৪৪

    কর্পূর এবং গন্ধসারাদি চূর্ণ এবং ঘৃষ্ট এই উভয়ের অন্তর্গত চন্দ্রভাগাদি রস এবং পঙ্কের অন্তর্গত। ৪৫

    সকল প্রকার সম্মর্দাদিতে গন্ধসারের প্রয়োগ হয়; অপরের যোগে মৃগনাভি কখন ঘৃষ্ট কখন বা চূর্ণ হয়। ৪৬

    এইরূপ সকল প্রকারেই গন্ধ পাঁচ প্রকারের অধিক হয় না। পরস্পরের দৃষ্টাদি ভাব থাকাতে গন্ধ সকল অত্যন্ত প্রীতিকর। ৪৭

    কালীয়কাদি নানাপ্রকার ভেদ কথিত হইয়াছে। ঐ সকল প্রকার গন্ধই পাঁচ প্রকারের অন্তর্গত। ৪৮

    মলয়জ গন্ধ দৈব এবং পৈত্ৰকাৰ্যে সম্মত, তাহার পঙ্কই হউক, রসই হউক অথবা চুর্ণই হউক, বিষ্ণুর তুষ্টিপ্রদ সকল প্রকার গন্ধের মধ্যে মলয়োদ্ভব অত্যন্ত প্রশস্ত; এই নিমিত্ত অতি যত্নপূর্বক মলয়জদান করিবে। ৪৯

    হে ভৈরব! কৃষ্ণ অগুরু, কর্পূর এবং মলয়োদ্ভব একত্র মিশ্রিত হইয়া যে গন্ধ উৎপাদন করে, তাহা বৈষ্ণবী দেবীর এবং কামাখ্যার প্রীতিপ্রদ হয়। ৫০

    কুঙ্কুম, অগুরু এবং কস্তূরী ইহার সমানাংশ চন্দ্রভাগের সহিত মিলিত হইয়া যে গন্ধ উৎপাদন করে, তাহা ত্রিপুরা দেবীর এবং শম্ভু ও চণ্ডিকাদেবীর প্রীতিপ্রদ হয়। সাধক দেবতোদ্দেশপূর্বক গন্ধ অর্চনা করিয়া ইষ্টদেবকে অৰ্পণ করিলে সকল প্রকার ফলপ্রাপ্ত হয়। ৫১-৫২

    গন্ধ দ্বারা কাম লাভ হয়, গন্ধ সর্বদা ধৰ্মপ্ৰদ, গন্ধ অর্থের সাধক এবং গন্ধ মোক্ষেরও কারণ। ৫৩

    হে পুত্র বেতাল ও ভৈরব! তোমাদিগকে গন্ধের কথা বলিলাম, এক্ষণে বৈষ্ণবী দেবীর প্রিয় পুষ্পের কথা শ্রবণ কর। ৫৪

    বকুল, মন্দার, কুল, কুরুন্টক, করবীর, অর্কপুস্প, শাশ্মল, অপরাজিতা, মদন, সিন্ধুবার, সুরভি কুরুবক, লতা, বৃক্ষ, কোমল দূর্বাঙ্কুর, কুশের মঞ্জরী, শোভন এই সকল পুষ্পাদি দ্বারা বৈষ্ণবী দেবী কামাখ্যা এবং ত্রিপুরাকে পূজা করিবে। ৫৫-৫৭

    এতদ্ভিন্ন আরও পুষ্পজাতি অন্যান্য দেবীরও প্রীতির নিমিত্ত হয়। হে বেতাল ভৈরব! আমি সেই সকল পুষ্পের বিষয় কীৰ্ত্তন করিতেছি, শ্রবণ কর। ৫৮

    মালতী, মল্লিকা, জাতি, যূথিকা, মাধবী, পাটলা, করবীর, জবা নর্কারিকা, কুব্জ, তগর, কর্ণিকার, রোচন, আতাম্র, চম্পক, বাণ, বৰ্ব্বরা, অশোক, তিলক, লোধ্র, অটরূষ, শিরীষ, শমীপুষ্প, দ্রোণ, পদ্ম, উৎপল, করুন, শোভাঞ্জন, পলাশ, খাদির, বনমালা সীমন্তী, কুমুদ, কদম্ব, চক্র, কোকনদ, ভণ্ডিল, গিরিকর্ণিকা, নাগেশ্বর, পুন্নাগ, কেতকী, অঞ্জলিকা, দোহদা, বীজপুর, নমেরু, শাল, ত্রপুষী, চণ্ডবিল্ব, পঞ্চবিধ ঝিণ্টী ইত্যাদি সকল প্রকার কুসুম দ্বারা বরদায়িনী শিবার পূজা করিবে। ৫৯-৬৫

    অপামার্গপত্র, ভৃঙ্গারকপত্র, গন্ধিনী-পত্র, বলাহকপত্র, খদিরপত্র, বঞ্জুলস্তবক, আম্র-স্তবক, জম্বুপত্ৰ, বীজপুর পত্র, কুশপত্র, দূর্বাঙ্কুর, শমীপত্র, আমলকপত্র, আম্রপত্র, ইহারা যথাক্রমে দেবীর অধিক প্রীতিকর এবং সকলের অপেক্ষা বিল্ব পত্র প্রীতিকর। ৬৬-৬৯

    কোকনদ, পুষ্প, জবা, বন্ধুক এবং বিল্বপত্র ইহা সর্বাপেক্ষা দেবীর অধিক তুষ্টিপ্রদ বলিয়া প্রসিদ্ধ। ৭০

    সকল প্রকার পুষ্পের মধ্যে রক্তপদ্মই দেবীপূজায় সর্বশ্রেষ্ঠ বলিয়া গণ্য। ৭১

    যে ব্যক্তি ভক্তিযুক্ত হইয়া সহস্র রক্তপদ্ম দ্বারা মালা নির্মাণ করিয়া মহাদেবীকে অর্পণ করে তাহার ফলের বিষয় শ্রবণ কর। ৭২

    সে আমার নগরে শতাধিক সহস্র কল্প বাস করিয়া অন্তে পৃথিবীতে রাজা হইয়া জন্মগ্রহণ করে। ৭৩

    পত্রের মধ্যে বিল্বপত্র দেবীর অধিক প্রীতিকর, এই বিল্বপত্রসহস্ৰদ্বারা মালা নির্মাণ করিয়া দেবীকে অর্পণ করিলে পূর্বোক্ত ফললাভ হয়। ৭৪

    অধিক কথা বলিয়া আর ফল কি, সামান্যতঃ এই কথা বলিলেই যথেষ্ট যে, উক্তই হউক আর অনুক্তই হউক; জলজাত হউক বা স্থলজাত হউক, সকল প্রকার পদ্ম, তথা সকল প্রকার ঔষধি, বনজ সকল প্রকার পুষ্প এবং পত্ৰদ্বারা দুর্গা দেবীর পূজা করিবে। ৭৫-৭৬

    পুষ্পের অভাবে সেই পরমেশ্বরী দেবীর পত্রের দ্বারা পূজা করিবে, পত্রের অভাবে তৃণ, গুল্ম এবং ওষধী দ্বারা, ওষধীর অভাবে তাহাদের ফল-দ্বারা, তাহার অভাবে আতপ তণ্ডুল বা জল দ্বারা, তাহার অভাবে শ্বেত সর্ষপ দ্বারা, তাহারও অভাব হইলে মানসিক ভক্তি করিবে। ৭৭-৭৯

    বাজিদন্তক পত্ৰ বা পুষ্প অথবা তুলসীর পত্র ও পুষ্প দ্বারা শ্ৰীর বৃদ্ধি কামনায় চণ্ডিকাদেবীর পূজা করিবে। ৮০

    পুরশ্চরণ কার্যে তিলযুক্ত বিল্বপত্র দ্বারা কামনার বৃদ্ধির নিমিত্ত প্রজ্বলিত এবং সংস্কৃত অগ্নিতে হোম করিবে। ৮১

    কামনার বৃদ্ধির নিমিত্ত সঙ্কল্পপূর্বক গণনা করিয়া যে জপ করা হয়, সেই জপের অন্তে ব্রাহ্মণগণ যে পূজা করেন, ব্রাহ্মণগণ তাহাকে পুরশ্চরণ বলিয়া অভিহিত করেন। ৮২

    সেই পুরশ্চরণ কার্যে পূর্বোক্ত বিধি দ্বারা কামাখ্যা এবং বৈষ্ণবী দেবীর পূজা করিবে। সাধক এই পূজাতেও যথাসম্ভব ষোড়শ প্রকার উপচার দান করিবে, বিধি বিহিত কার্যের লঙ্ঘন করিবে না। ৮৩-৮৪

    কল্পোক্ত পূজা সম্পূর্ণ করিয়া দশবার মূলমন্ত্র জপ করিবে, জপের পর হোম করিবে, তদনন্তর তিনটি বলিপ্রদান করিবে। ৮৫

    তদনন্তর তিন প্রকার তৌৰ্য্যত্রিকের প্রয়োগ করিবে এবং পত্নী স্বয়ং ভ্রাতা অথবা গুরু অথবা স্বপুত্র কিংবা শিষ্য নৈবেদ্য আদির যোজনা করিবে। ৮৬

    যজ্ঞের অবসানে গুরুকে শুভ দক্ষিণা দান করিবে। ৮৭

    ঐ দক্ষিণার দ্রব্য সুবর্ণ তিল এবং গাভী। ইহাতে অশক্ত হইলে চেলীয় ষোড় দক্ষিণা দিবে। শুক্লপক্ষের অষ্টমী, নবমী অথবা চতুর্দশীতে জিতেন্দ্রিয় এবং ব্রহ্মচারী হইয়া মহাদেবীর পুরশ্চরণ করিবে। ৮৮

    হে ভৈরব! এই সকল তিথিতে কল্পোদিত বিস্তৃত বিধি অনুসারে পূজা করিয়া গুরুবক্ত্র হইতে মন্ত্র গ্রহণ করিবে। ৮৯

    সম্পূর্ণ পূজা না করিয়া অভীপ্সিত মন্ত্র গ্রহণ করিবে না এবং পুরশ্চরণও করিবে না, যদি করে তাহা হইলে অবসাদ প্রাপ্ত হইবে। ১০

    নিত্য পূজাতেও যদি কল্পোদিত সম্পূর্ণ করিতে সক্ষম হয়, তাহা হইলে আলস্য ত্যাগ করিয়া তাহা করিবে। ৯১

    হে ভৈরব! যদি দেবীর বা অন্য দেবতার কল্পোক্ত বিস্তর পূজা করিতে সক্ষম না হয়, তাহা হইলে বক্ষ্যমাণ বিধির অনুসরণ করিবে। ৯২

    মার্জনাদি দ্বারা সংস্কার করিয়া স্থণ্ডিলে মণ্ডল অঙ্কিত করিবে এবং পাত্রের প্রতিপত্তি দাহ এবং প্লব করিবে। ১৩

    তদনন্তর আত্মার অনুরূপ সংস্কার করিয়া ধ্যান করিবে। অনন্তর শুদ্ধির নিমিত্ত অঙ্গুষ্ঠাদি হইতে অস্ত্র পর্যন্ত দ্বাদশ প্রকার ন্যাস করিয়া অর্ঘ্যপাত্রে আট বার মূলমন্ত্র জপ করিয়া উপচার সকল ঐ জল দ্বারা সিঞ্চন করিয়া আধারশক্তি আদি সুমেরু পর্যন্ত পীঠদেবতার পূজা করিবে। ৯৪

    অনন্তর হৃদয়স্থিত দেবতার ধ্যান করিয়া এবং বায়ুর সহিত হৃদয় হইতে তাহাকে বাহির করিয়া মণ্ডলে আরোপ করিয়া যথাশক্তি উপচার প্রদান কমিবে। ১৫

    তাহার পর ষড়ঙ্গ পূজা, অষ্টদল দেবতার পূজা, জপ, স্তব এবং প্রণাম করিয়া তিন বার পুস্পাঞ্জলি দান করিবে। ১৬।

    তদনন্তর দেবতার সম্মুখে মুদ্রা প্রদর্শন করিয়া বিসৰ্জন করিবে। সকল প্রকার দেবতারই এইরূপ পূজাবিধি জানিবে। ১৭।

    যদি কল্পোক্ত সম্যক্ পূজা করিতে অক্ষম হয় এবং সকল প্রকার উপচার দান করিতে অক্ষম হয়, তাহা হইলে বক্ষ্যমাণ পাঁচ উপচার দান করিবে। ১৮

    গন্ধ, পুষ্প, ধূপ, দীপ এবং নৈবেদ্য এই পাঁচ প্রকার উপচারের অভাবে পুষ্প এবং জল দিয়া পূজা করিবে এবং তাহারও অভাব হইলে কেবল ভক্তি দ্বারা পূজা করিবে। ১৯

    হে ভৈরব! সংক্ষেপ পূজা, বস্ত্রাদি এবং পুরশ্চরণ কার্যের বিষয় বলা হইল। এক্ষণে দীপের কথা শুন। ১০০

    দীপ দ্বারা লোক জয় হয়, এই দীপ তেজোময় এবং চতুৰ্বর্গপ্রদ, এই নিমিত্ত দীপ দ্বারা পূজা করা বিধেয়। ১০১

    যে সর্বদা পুষ্প দীপ দ্বারা দেবতার পূজা করে, তাহা দ্বারাই সে স্বর্গগামী হয়, সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নাই। ১০২

    পুষ্প দ্বারা দেবতা প্রসন্ন হন, পুষ্পেই দেবতাদিগের স্থিতি এবং চরাচর সকল পুষ্পরস বলিয়া অভিহিত হয়। ১০৩

    পুষ্পের অতি প্রশস্ততার বিষয় আর কত বলিব? সেই পরম জ্যোতিঃ স্বরূপ পরমাত্মা পুষ্পে বাস করেন এবং পুষ্প দ্বারাই প্রসন্ন হন। ১০৪

    পুষ্প ত্রিবর্গের সাধন এবং তুষ্টি, পুষ্টি ও প্রমোদদায়ক। ১০৫

    পুষ্পের মূলে ব্ৰহ্মা বাস করেন, পুষ্পের মধ্যে কেশব এবং অগ্রভাগে মহাদেব বাস করেন, পুষ্পের দলে সকল দেবতা অবস্থান করেন। ১০৬

    এই হেতু মনুষ্য ভক্তি যুক্ত হইয়া পুষ্প দ্বারা দেবতাদিগের পূজা করিবে। পুষ্পের নাম মাত্র উচ্চারণে সকল প্রকার বিভূতি লাভ হয়। ১০৭

    প্রদীপ সাত প্রকার;-ঘৃত প্রদীপ, তিলতৈলযুক্ত প্রদীপ, সর্ষপ-তৈলযুক্ত প্রদীপ, নির্যাসজাত প্রদীপ, রাজিকাজাত প্রদীপ, দধিজাত প্রদীপ এবং অন্ন জাত প্রদীপ। ১০৮

    পদ্মসূত্র ভব, দর্ভ, গর্ভসূত্র ভব, শণজা, বাদরী ফলকোষোদ্ভবা এই পাঁচ প্রকার বাতি দীপকাৰ্যে ব্যবহৃত হয়। ১০৯

    তৈজস, দারুময়, লৌহনির্মিত, মৃন্ময় এবং নারিকেলজাত এই কয় প্রকার দীপই প্রশস্ত। ১১০

    হে ভৈরব! প্রদীপের আধার ও তৈজসাদির নিৰ্মাণ করিবে, অথবা বৃক্ষের উপরে দীপ দান করিবে, কদাচ ভূমিতে দীপ দান করিবে না। ১১১

    বসুমতী সকলই সহ্য করেন বটে কিন্তু দুইটি সহ্য করিতে পারেন না; অকাৰ্য্যের নিমিত্ত পদাঘাত এবং প্রদীপের তাপ। ১১২

    অতএব যাহাতে পৃথিবী তাপ না পান সেইরূপে, হে ভৈরব! মহাদেবী এবং অন্য দেবতাদিগকে দীপ দান করিবে। ১১৩

    পৃথিবীকে তাপ দান করে, সে ব্যক্তি তাম্ৰতাপ নরক প্রাপ্ত হয়, সে বিষয়ে সন্দেহ নাই। ১১৪

    শোভন বৃত্তাকার বৰ্তিযুক্ত, সুস্নেহ, অভগ্নপাত্রে স্থিত, সুদৃশ্য সূচ্ছ্রায় এইরূপ বৃক্ষকোষে যত্নপূর্বক দীপ দান করিবে। ১১৫

    যে দীপের তাপ চতুরঙ্গুলি দূর হইতে পাওয়া যায়, তাহা দীপ নয়, তাহা পাপবহ্নি বলিয়া অভিহিত হয়। ১১৬।

    নেত্রাদির আহ্লাদকর, শোভন অর্চিযুক্ত, ভূমি তাপ বিবর্জিত সুশিখ, শব্দ শূন্য, নির্ধূম অতিহ্রস্ব এবং দক্ষিণাবর্ত বৰ্তিযুক্ত প্রদীপই শ্রীবৃদ্ধিকারক। ১১৭

    দীপ যদি বৃক্ষে স্থিত হয় এবং পাত্র স্নেহদ্বারা পরিপূরিত থাকে, বৰ্ত্তী (সলিতা) যদি দক্ষিণাবর্ভে অবস্থিত হইয়া উজ্জ্বলভাবে জ্বলে তাহা হইলে হে পুত্র। সেই দীপই সর্বোত্তম এবং সকলের তুষ্টি প্রদ। ১১৮

    যদি ঐরূপ দীপ বৃক্ষে না থাকে তাহা হইলে উহা মধ্যম বলিয়া কীর্তিত হয়। ১১১

    যদি দীপপাত্র তৈলদ্বারা হীন হয়, তাহা হইলে উহা অধম বলিয়া গণিত হয়। ১২০

    সাধক সূত্র বা বৃক্ষের ত্বক নির্মিত কিম্বা জীর্ণ অথবা শক্ত অথচ মলিন বস্ত্র সলিতা নির্মাণের নিমিত্ত গ্রহণ করিবে না। ১২১

    শ্রীবৃদ্ধির নিমিত্ত সর্বদা নূতনের দ্বারাই সলিতা পাকাইবে, কোষজ বা রোমজ বস্ত্রও সলিতার নিমিত্ত গ্রহণ করিবে না। ১২২

    ধৃত তৈলাদি মিশাইয়া দীপের স্নেহ করিবে না, যে ব্যক্তি ঘৃত তৈলাদি মিলাইয়া প্রদীপে স্নেহ দান করে, সে তামিস্র নরকে গমন করে। ১২৩

    বসা, মজ্জা এবং অস্থি নিৰ্যাস প্রভৃতি প্রাণীর অঙ্গ-সমুদ্ভব স্নেহ দ্বারা প্রদীপ জ্বালিবে না। ঐরূপ স্নেহ দ্বারা প্রদীপ জ্বালিলে নরকে গমন করে। ১২৪

    জ্ঞানবান সাধক শ্রীবৃদ্ধির অভিলাষী হইয়া অস্থি নির্মিত পাত্রে অথবা পচা দুর্গন্ধাদি যুক্ত পাত্রে প্রদীপ স্থাপন করিবে না। ১২৫

    যত্নপূর্বক কখনও লক্ষণযুক্ত এবং দেবতার নিমিত্ত উপকল্পিত প্রদীপ নির্বাণ করিবে না। ১২৬

    জ্ঞানপূর্বক অথবা লোভাদির বশীভূত হইয়া কখনও প্রদীপ হরণ করিবে না, কারণ দীপহরণকারী অন্ধ হয় এবং নির্বাপক কাণা হয়। ১২৭

    দেবতার প্রসন্নার্থ অপর উপচার হইতে পৃথক দীপ দান করিবে। এই ত দীপের বিষয় বলা হইল, এক্ষণে ধূপের বিষয় শ্রবণ কর। ১২৮-১২৯

    নাসা এবং অক্ষিরন্ধ্রের সুখদ সুগন্ধ অতি মনোহর দহনশীল কাষ্ঠের অথবা অপর কোনরূপ পবিত্র চূর্ণ দ্রব্যের যে তাপশূন্য ধূপ উৎপন্ন হয়, তাহার নামই ধূপ, উহা দেবতাদিগের তুষ্টিপ্রদ। ১৩০-৩১

    তুষাগ্নির ন্যায় ঐ সকল দ্রব্য রাশীকৃত করিয়া প্রধূপিত করিবে না, কারণ ঐরূপ করিলে তাহার ফল প্রাপ্ত হয় না। ১৩২

    শ্রীচন্দন, সরল, সাল, কৃষ্ণাগুরু, উদয়, সুরথ, স্কন্দী, রক্তবিদ্রুম, পীতশাল, পরিমল, বিমর্দী, কাশন, নমেরু, দেবদারু, বিল্বশাখা, দাড়িম, সন্তান, পারিজাত, হরিচন্দন, বল্লভ, এই সকল বৃক্ষের ধূপ সকলের প্রীতিপ্রদ বলিয়া কীর্তিত হইয়াছে ১৩৩-৩৫

    সূত্রের সহিত অরাল, শ্রীবাস, অমল, সর্বৌষধিরজঃ, জাতিবারাহ চূর্ণ, তাহার কণা জাতীকোষের চূর্ণ, গন্ধ এবং কস্তুরিকা ইহাদের চূর্ণ করিলেও ইহারা ধূপ বলিয়া কথিত হয়। ১৩৬-১৩৭

    যক্ষধূপ, বৃক্ষধূপ, শ্রীপিষ্ঠ, নির্জর, পরিবাহ, পিণ্ডধূপ, সুগোলকণ্ঠ পরস্পর যুক্ত নিৰ্যাস ধূপের এই কয়টি ভেদ কীৰ্তিত হইয়াছে। ১৩৮

    ইহাদের অগ্নির ধুম দ্বারা দেবতা সকলকে ধূপিত করিবে, কারণ ইহাদিগের ধূমোদ্ভব গন্ধ আঘ্রাণ করিয়া প্রাণিগণ তৃপ্তি লাভ করে। ১৩৯

    নিৰ্য্যাস (আটারূপ), পরাগ (গুড়াদ্রব্য) কাষ্ঠ, গন্ধ এবং এই পাঁচ প্রকার ধূপের আকার, ইহার শুভদায়ক এবং প্রীতিকর। ১৪০

    যক্ষধূপ এবং কাশন ইহা মাধবকে দান করিবে না এবং রক্তবিদ্রুম সুরথ বা কদ্রিল আমাকে দিবে না। ১৪১

    যক্ষধূপ, পত্রিবাহ, পিণ্ডধূপ, সুগোলক, কৃষ্ণাগুরু এবং সুকর্পূর ইহারা মহামায়ার প্রিয়। ১৪২।

    অথবা মহামায়া দেবীকে বৃক্ষধূপ দ্বারা পূজা করিবে। মেদ ও মজ্জাযুক্ত পরকীয়, পূৰ্ব আঘ্রাত, অপহরণ করিয়া আনীত অথবা যাচিত ধূপ কখনই দান করিবে না। ১৪৩

    মনুষ্য দ্বারা পুষ্প, ধূপ, গন্ধ এবং উপচার যদি আঘ্রাত হয়, তাহা হইলে দেবতাকে দিবে না, ঐ আঘ্রাত বস্তু দান করিলে নরকে গমন করে। ১৪৪

    মৃত্তিকার আসনে অথবা ঘটে রাখিয়া ধূপ দান করিবে না, যেরূপ হউক, কোন প্রকার আসনে রাখিয়া উহা দান করিবে। ১৪৫

    রক্তবিদ্রুম, শাল, সুরথ, সুরল, সন্তানক, নমেরু, কালাগুরু এই কয় প্রকার বৃক্ষসংসক্ত জাতীকোষ জন্য ধূপ কামেশ্বরী দেবীর প্রিয়। ১৪৬

    হে পুত্রদ্বয়। এই ধূপ ত্রিপুরা দেবীর মাতৃগণের এবং কান্তাদি পীঠদেবতা সকলের নিত্য প্রিয়। ১৪৭

    হে পুত্রদ্বয়। এই ধূপের বিষয় তোমাদের নিকট বলিলাম, এক্ষণে যেরূপ মহাদেবী কামাখ্যা, ত্রিপুরা ও বৈষ্ণবীর অঞ্জনের সৃষ্টি হয়, সেই অঞ্জনের বিষয় শ্রবণ কর। ১৪৮

    সৌবীর, যামুন, তুত্থ, ময়ূর শ্রীবক, দৰ্ব্বিকা এবং মেঘনীল এই ছয় প্রকার অঞ্জন প্রসিদ্ধ। ১৪৯

    হে পুত্র। সৌবীর স্ৰবদদ্রুম, যামুন প্রস্তর, ময়ূরগ্রীবক রত্ন, মেঘনীল তৈজস ইহাদিগকে শিলাপট্টে অথবা তৈজসপাত্রে ঘসিয়া ঘসিয়া রস বাহির করিয়া সকল দেব ও দেবীকে দান করিবে। ১৫০-১৫১

    তাম্ৰাদি পাত্রে ঘৃত ও তৈলাদি লিপ্ত করিয়া অগ্নিতে তাতাইলে যে অঞ্জন উৎপন্ন হয়, তাহার নাম দর্বিকা। ১৫২

    অপর সকল প্রকার অঞ্জনের অভাবে দেবীগণকে দাহাঞ্জন দান করিবে। জগদ্ধাত্রী, মহামায়া, কামাখ্যা এবং ত্রিপুরা ইহারা ছয় প্রকার অঞ্জন দ্বারাই সর্বদা তৃপ্তি লাভ করেন। ১৫৩

    মহামায়ার নিমিত্ত বিধবা উত্তম অঞ্জন প্রস্তুত করিবে না। বৈষ্ণবীদেবী বিধবাকৃত অঞ্জন গ্রহণ করেন না। ১৫৪

    সাধক মৃৎপাত্রে নেত্ৰাঞ্জনের যোগ করিবে না, কারণ মৃৎপাত্রনিহিত অঞ্জন দান করিলে পূজার ফল প্রাপ্ত হয় না। ১৫৫

    ধূপ চতুৰ্বর্গপ্রদ এবং নেত্রের অঞ্জন কামনার ফলদান করে। এজন্য লোকে ভক্তিতে এই দুইটি দেবতাকে দান করিবে। এই তোমাদিগের নিকট ধূপ এবং নেত্রের অঞ্জনের বিষয় বলা হইল, এক্ষণে একাগ্রমনে নৈবেদ্যের বিষয় শ্রবণ কর। ১৫৬-১৫৭

    উনসপ্ততিতম অধ্যায় সমাপ্ত। ৬৯

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশ্রীশ্রীচণ্ডী – অনুবাদ : পঞ্চানন তর্করত্ন
    Next Article ওয়ারলক – উইলবার স্মিথ

    Related Articles

    পঞ্চানন তর্করত্ন

    শ্রীশ্রীচণ্ডী – অনুবাদ : পঞ্চানন তর্করত্ন

    September 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }