Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালিকা পুরাণ (কালিকাপুরাণম্‌) – পঞ্চানন তর্করত্ন সম্পাদিত

    পঞ্চানন তর্করত্ন এক পাতা গল্প667 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৭৮. নৈর্ঋতাদিভাগের নির্ণয়

    অষ্টসপ্ততিতম অধ্যায় – নৈর্ঋতাদিভাগের নির্ণয়

    মহারাজ সগর মহাত্মা বেতাল ভৈরব ও শঙ্করের পরস্পর এই কথোপকথন শ্রবণ করিয়া অত্যন্ত সন্তুষ্টচিত্তে পুনর্বার মহাদ্যুতি ও ঔর্ব মুনিকে অতিশয় প্রিয় বচনে জিজ্ঞাসা করিলেন। ১-২

    হে ভগবন মুনিসত্তম! আপনি কামরূপপীঠের সংস্থান ও নির্ণয় বিষয়ে অতি বিচিত্র কথা বলিলেন। ৩

    হে মহামতে! আমি পুনৰ্বার বায়ব্য মধ্য এবং পূৰ্বভাগের নির্ণয় শ্রবণ করিতে ইচ্ছা করি। ৪

    হে মুনিশার্দূল! সেখানে মহাদেব এবং অম্বিকা কি ভাবে অবস্থিত, তাহা আমাকে বিস্তারপূর্বক কীৰ্ত্তন করুন, আমার শুনিতে বড় উৎসাহ হইতেছে। ৫

    ঔর্ব বলিলেন,–হে নৃপসত্তম! বায়ব্য ভাগেরও নির্ণয় উক্ত হইয়াছে, এক্ষণে নৈর্ঋত, উত্তর এবং মধ্যাদির নির্ণয় শ্রবণ কর। ৬

    বহুরোকা করতোয়া নামে উত্তরস্রাবিণী যেখানে প্রদক্ষিণ ভাবে আছে, সেই সকল ক্ষেত্ৰ কামরূপের অন্তর্গত। ৭

    কামরূপের মধ্যে সুরস নামে পৰ্বত আছে, তাহা হইতে এই ধৰ্মপ্ৰদা বহুরোকা নামে নদী নিঃসৃত হইয়াছে। ৮

    সুরসের সমীপে মহাবৃষ নামে একটি শিবলিঙ্গ আছে, সেই স্থানে যোনিমণ্ডলরূপিণী মহেশ্বরী দেবীও অবস্থান করেন। ৯

    বহুরোকা নদীতে স্নান ও সুরথ পৰ্বতে আরোহণ করিয়া মহাবৃষ এবং মহেশ্বরী দেবীকে পূজা করিলে সকল পাপ বিনষ্ট হয়। ১০

    স্বর্গ প্রাপ্তি হয়, পুনর্বার আর যোনিমণ্ডলে জন্ম হয় না এবং সেই মহাবৃষ দেব চতুর্ভুজ, বৃষারূঢ়, বর, অভয় এবং শূলধারী। তাঁহার শরীরকান্তি শুদ্ধ স্ফটিকের মত, পরিধানে চৰ্ম্ম এবং মস্তক জটাভারে মণ্ডিত। ১১

    অঘোর মন্ত্রদ্বারাই ইহার পূজা পরিকীর্তিত হইয়াছে। ১২

    মাহেশ্বরী ও কামেশ্বরীর স্বরূপ একই প্রকার। তাহাদের উভয়ের পূজাও একরূপ এবং উভয়েই সমান ফল প্রদান করেন। ১৩

    সেই স্থানে বসিষ্ঠমুনি নির্মিত একটি বসিষ্ঠ কুণ্ড আছে, যে স্থানে বসিঠঋষি নরককর্তৃক কামরূপ গমনে অবরুদ্ধ হইয়াছিলেন। ১৪

    বসিষ্ঠ নীল পর্বতে যাইতে না পারিয়া সেই নরককে শাপ দিয়াছিলেন। ১৫

    তিনি আপনার স্নানের নিমিত্ত সেই স্থানেই দেবগণের পূজ্য একটী কুণ্ড নির্মাণ করিয়াছিলেন। এই কুণ্ডে যথেচ্ছাক্রমে স্নান করিলেও মনুষ্য স্বর্গে গমন করে। ১৬

    সুরসের পূর্বদিকে কৃত্তিবাসা নামে একটি পর্বত আছে। সেস্থানে পূর্বে কৃত্তিবাস সতীর সহিত বাস করিয়াছিলেন। ১৭

    সেই স্থানে চন্দ্রিকা নামে একটি নদী আছে। ১৮

    মনুষ্য ভাদ্রমাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিতে চন্দ্রিকা নদীতে স্নান করিয়া কৃত্তিবাস মহাদেবকে পূজা করিলে কলঙ্কশূন্য হয়। ১৯

    সেই সরিৎশ্রেষ্ঠা চন্দ্রিকা সৰ্ব্বদা উত্তর স্রাবিণী। ২০

    চন্দ্রিকার অনতিদূরে পূর্বদিকে শতানন্দা নামে একটি নদী আছে। ২১

    ঐ নদী ব্রহ্মার দুহিতা এবং গঙ্গা পৰ্বত হইতে উৎপন্ন হইয়াছে। ২২

    মনুষ্য ফেনিলায় ফাল্গুনমাসে পূর্ণিমার দিন স্নান করিলে নরক জয় করিয়া স্বর্গ প্রাপ্ত হয়। ২৩

    তাঁহার পূর্বদিকে উত্তরগামিনী সিতা নামে নদী আছে, যেখানে মনুষ্য চৈত্রমাসে পূর্ণিমায় স্নান করিয়া গঙ্গাস্নানের ফল লাভ করে। ২৪

    তাঁহার পূর্বে যোজনদ্বয়ের মধ্যে সুমদনা নামে নদী আছে, মহারাজ জনক বৃষভধ্বজের আরাধনা করিয়া ভৈরবের হিতের নিমিত্ত সুতীক্ষ্ণ পৰ্বত হইতে এই নদীকে অবতারিত করিয়াছেন। ২৫-২৬

    মাঘ মাসে শুক্ল চতুর্থীর দিন সুতীক্ষ্ণ পৰ্বতে আরোহণ এবং সুমদনার জলে স্নান করিয়া মনুষ্য সকল কাম প্রাপ্ত হইয়া শিবলোকে গমন করে। ২৭

    কামরূপের নৈর্ঋত কোণে এই সকল উত্তরবাহিনী নদী আছে, ত্রিপুরা দেবীর পূজার পীঠ তাঁহার পূর্বদিকে। ২৮

    হে রাজন্! যেখানে শম্ভু এবং অম্বিকা সর্বদা অবস্থিত, কামরূপের সেই পুণ্যপ্রদ নৈর্ঋত প্রদেশের বিষয় বলিলাম। ২৯

    হে ভূপতে! হে মহারাজ! হিমালয় হইতে প্রসূত যে সকল দক্ষিণবাহিনী নদী কামরূপে বর্তমান আছে, ক্রমশঃ তাহাদের বিষয় শ্রবণ কর। ৩০

    অগদনামক নদের উর্দ্ধে ভদ্রা নামে একটি মহানদী আছে, যে নদীতে ভাদ্র মাসের শুক্লচতুর্দশীতে স্নান করিলে মনুষ্য স্বর্গে গমন করে। ৩১

    তাঁহার পূর্বদিকে সর্বদা পুণ্যতমা সুভদ্রা নামে নদী আছে, যাহাতে বৈশাখমাসের শুক্লতৃতীয়া তিথিতে স্নান করিলে স্বর্গ প্রাপ্তি হয়। ৩২

    তাঁহার পর মানসা নামে আর একটী পুণ্যতমা নদী আছে। ঐ নদীকে তৃণবিন্দু ঋষি মানস সরোবর হইতে অবতারিত করেন। ৩৩

    সমস্ত বৈশাখ মাস ঐ নদীতে স্নান করিলে মনুষ্য স্বর্গে গমন করে। তাঁহার পর বিষ্ণুলোক প্রাপ্ত হইয়া মোক্ষ প্রাপ্ত হয়। ৩৪

    হিমালয় পর্বতের নিকট বিভ্রাট নামে একটি বড় পর্বত আছে, যে স্থানে ভূতনাথ মহাদেব সৰ্ব্বদা ভৈরবরূপে বাস করেন। ৩৫

    সেই পৰ্বত হইতে শুভরূপ ভৈরবী নামে নদী মানসার পূর্বদিকে প্রবাহিত হইতেছে, ইহা গঙ্গার মত ফলপ্রদা। ৩৬

    ঐ নদীতে বসন্ত সময়ে স্নান করিলে স্বর্গ লাভ হয়। যেখানে কামাখ্যা দেবীর পূজা করিয়া আপনার অভিলষিত বস্তু প্রাপ্ত হয়, সেই স্থানে মহামায়ার পূজা করিয়া দ্বিগুণ ফল লাভ করে। ৩৭

    সেই দেবগঙ্গার উর্ধ্বে হিমালয় প্রসূত বর্ণ নামে একটা নদী আছে, উহা নিত্য মানসাবীর তুল্য ফল প্রদান করে। ৩৮

    সুভদ্রাদি বর্ণান্ত যে সকল নদী কথিত হইল, ইহারা সকলে হিমালয় হইতে প্রসূত এবং উত্তরবাহিনী সুমদনার পূর্বে এবং ব্রহ্মক্ষেত্রের পশ্চিমে মহাক্ষেত্র নামে একটী ক্ষেত্র আছে, সেই স্থানে আদিত্য দেব সর্বদা বাস করেন। ৩৯-৪১

    তাঁহার পূর্বদিকে ত্রিস্রোতা নামে নদী আছে, পশ্চাদ্ভাগে কাপোত এবং করুন নামে দুইটী কুণ্ড আছে। ৪২

    কাপোত এবং করণ কুণ্ডে স্নান ও সেই পৰ্বতে আরোহণপূর্বক দিবাকর সূৰ্যের একবারমাত্র পূজা করিলে মনুষ্য সূৰ্য্যলোকে গমন করে। ৪৩

    হে কাপোত ও করণ! তোমরা সূৰ্য্যরশ্মি হইতে সমুদ্ভূত এবং অমৃত। তোমাদের জল অতি পবিত্র। ‘আমার পাপ নাশ কর’। ৪৪

    এই মন্ত্র পাঠ করিয়া কাপোতপুষ্করে স্নান এবং করণের জলে আচমন করিয়া পৰ্বতোপরি সূৰ্য্যদেবের পূজা করিবে। ৪৫

    প্রথমে ত্রিবিধ ব্ৰহ্মবীজ, তাঁহার পর চতুর্থ্যন্ত ‘সহস্র রশ্মি’ এই পদ, তাঁহার পর ‘দেবী জয়া’ ইহা আদিত্যের অঙ্গবীজ এবং কামপ্রদ। ৪৬

    সূৰ্য্য সদা পদ্মাসনে উপবিষ্ট, হস্তে পদ্মধারী, পদ্মের গর্ভের মত দীপ্তিমান, সপ্তাশ্ব সপ্তরজ্জু এবং দ্বিভুজ। ৪৭

    সূর্যের মণ্ডল বর্তুলাকার এবং অষ্ট দলযুক্ত। অঙ্গুষ্ঠাদি অঙ্গুলীর হৃদয়াদি ষট অঙ্গের অঙ্গ মন্ত্র দ্বারা ন্যাস করিবে। ৪৮

    উপান্তে বহ্নিসংযুক্ত অঙ্গমন্ত্র (শ্র এই রূপ মন্ত্রই অঙ্গ মন্ত্র) সকল প্রকার ন্যাসে বিহিত হইয়াছে, ইহা সকল প্রকার ফল দান করে। ৪৯

    হৃদয়, মস্তক, শিখা, কবচ, নেত্র। আস্য, উদর, পৃষ্ঠ, বাহুদ্বয়, করতলদ্বয়, জঙ্ঘাদ্বয়, পাদদ্বয় এবং জঘন–এই সমস্ত অঙ্গে যথাক্রমে মন্ত্রের অক্ষর ন্যাস করিবে। উত্তর-তন্ত্রে পূজার যে ক্রম উক্ত হইয়াছে, সূর্যের পূজাতেও সেইরূপ ক্রম জানিবে। ৫০-৫১

    ঈশানকোণে সূর্যের বিসৰ্জন করিবে এবং বিদ্যা আদি আটটি সূর্যের শক্তি, ইহার নির্মাল্যধারিণী উগ্রচণ্ডা এবং মাঠর আদি পার্ষ্ণি। ৫২

    উত্তর তন্ত্রে ইহার বীজ পূর্বেই প্রতিপাদিত হইয়াছে। হে পুত্র! যে নরোত্তম, এইরূপ বিধানে সূর্যের পূজা করে, সেই শ্রেষ্ঠ মনুষ্য ইহলোকে সমুদয় অভিলষিত প্রাপ্ত হইয়া সুখী হয় এবং মরণান্তে ভাস্করের উদয়স্থানে গমন করে। ৫৩-৫৪

    ভাস্করের অনতিদূরে শুভাচল অবস্থান করে, তাঁহার উৰ্দ্ধ সানূতে একটি উত্তম শিবলিঙ্গ আছে। ৫৫

    অত্যন্ত বীৰ্য্যশালী মহাত্মা মানব সকল সেই শিবলিঙ্গকে বেষ্টন করিয়া অবস্থান করত পূজা করে। ৫৬

    ত্রিস্রোতা নদীতে স্নান করিয়া যে মনুষ্য সেই শুভাচলস্থিত মহাত্মা শঙ্করকে অবলোকন করে, সে আপনার ইষ্টকাম প্রাপ্ত হয়। ৫৭

    তাঁহার পূর্বে কুসুমমালিনী নামে দেবনদী, তাঁহার পর ক্ষীরোদাখ্যা নদী; এই উভয় নদীই দক্ষিণবাহিনী। ৫৮

    এই নদীদ্বয়ে স্নান করিয়া মনুষ্য শঙ্করের আলয়ে গমন করে। তাঁহারও পূর্বদিকে নীলা নামে আর একটি নদী আছে। মনুষ্য মহামাঘীতে ঐ স্থানে স্নান করিয়া শিবলোক প্রাপ্ত হয়। ৫৯-৬০

    তাঁহার পূর্বে শিবাচণ্ডী বা চণ্ডিকা নামে একটী মহানদী আছে। মনোহর ধবলনামক পৰ্বত হইতে উহা নির্গত হইয়াছে। ৬১

    তাঁহার অনতিদুরে দুইটি শিবলিঙ্গ অবস্থিত। তাঁহার মধ্যে একটির নাম গোলোক, অপরটির নাম শৃঙ্গী, ইহাদের উভয়ের মধ্যে এক ক্রোশ ব্যবধান মাত্র। ৬২

    মনুষ্য, চণ্ডিকা নদীতে স্নান ও ধবলেশ্বর পর্বতের উপর আরোহণ করিয়া দক্ষিণ সাগর, গোলোক নামক শিবলিঙ্গ দর্শন করিবে। ৬৩

    তাঁহার পর সেই স্থান হইতে অবতীর্ণ হইয়া ভূমিতলস্থ শৃঙ্গী নামক মহেশ্বরে শিবপূজা বিধানানুসারে পূজা করিবে। ৬৪

    এইরূপ করিলে মনুষ্য অশ্বমেধ যজ্ঞের ফল এবং সকল প্রকার অভীষ্ট প্রাপ্ত হইয়া মরণান্তে শিবত্ব প্রাপ্ত হয়। ৬৫

    এই যে সকল নদী কথিত হইল, ইহারা সকলে দক্ষিণবাহিনী। ঈশানকোণে গন্ধমাদন নামে যে পৰ্বত আছে, সেই স্থানে ভৃঙ্গেশ নামে শিবের একটি মহৎ লিঙ্গ আছে। ৬৬-৬৭

    ক্ষেত্রের পশ্চিমে যে প্রান্ত নামে পৰ্বত আছে, সেই স্থানে দেবী কুলগামিনী হইয়া ব্ৰহ্মশিলা ধারণ করিয়াছিলেন। ৬৮

    গন্ধমাদনের অন্তে ভৃঙ্গেশের দুইটি পদ আছে, উহা হইতে গঙ্গাজল নিঃসৃত হইতেছে, সেই স্থানে অন্তরালক নামে একটি কুণ্ড আছে। ৬৯

    অন্তরালক কুণ্ডে স্নান ও তাঁহার জলপান পূর্বক ভৃঙ্গেশের পদযুগল দর্শন করিয়া মহাভৃঙ্গকে পূজা করিলে গণাধিপত্য লাভ হয়। ৭০

    হে অন্তরাল! তুমি শম্ভুপাদ হইতে উদ্ভুত এবং ধৰ্ম্মের আকর। হে মহা বৃষ! তুমি বৃষধ্বজ পদদ্বয়কে সংযোজিত কর। ৭১

    এই মন্ত্র পাঠপূৰ্ব্বক অন্তরালজলে স্নান করিয়া কুজ-পীঠবাসী ভৃঙ্গদেবের দর্শন করিবে। ৭২

    মণিকুট এবং গন্ধমাদন পৰ্ব্বতের মধ্যে ব্ৰহ্মপুত্ৰ লৌহিত্যনদ বহন করিতেছে। ৭৩

    বর্ণাশা নদীর দক্ষিণদিকে লৌহিত্য নামে সাগর আছে। তাঁহার পূর্বে মণিকূট পর্বত, এইখানে হয়গ্রীব বিষ্ণুর প্রতিমূর্তি আছে। ৭৪

    বিষ্ণু হয়গ্রীবরূপে জরাসুরকে এবং হয়গ্রীবকেও হত করিয়া ক্রীড়ার নিমিত্ত সেই স্থানে অবস্থিত হইয়াছেন। ৭৫

    জরাসুরকে বিনাশ করিয়া সুরাসুর মনূজদিগের হিতের নিমিত্ত বিষ্ণু সেই স্থানে অবস্থান করিতেছেন। ৭৬

    বিষ্ণু জ্বর কর্তৃক পীড়িত হইয়া এবং জরাসুরকে বধ করিয়া সৰ্বলোকের হিতের নিমিত্ত সেই স্থলে অগদস্নান করিয়াছিলেন। ৭৭

    সেই অগদস্নান হইতে একটি বৃহৎ শব্দ উত্থিত হইয়াছিল। এই জন্য হয়গ্রীব বিষ্ণু সেই তীর্থের নাম অপুনর্ভব রাখিলেন। ৭৮

    যেহেতু সেই স্থানে স্নান করিলে মনুষ্যের আর পুনর্বার জন্ম হয় না, এই নিমিত্ত উহা অপুনর্ভব নামে কীর্তিত হয়। ৭৯

    মণিকুট পৰ্বতে বিষ্ণু, হয়গ্রীবরূপে অবস্থান করিতেছেন, ঐ তীর্থের বিস্তার শত ব্যাম। ৮০

    তাঁহার পূর্বে ভদ্রকাম, উহা সকল প্রকারে ত্রিকোণ; এই স্থানে কালহয় নামে শিবলিঙ্গ অবস্থিত। ৮১

    তাঁহার দক্ষিণে অপুনর্ভব নামে একটা কুণ্ডও দৃষ্ট হয়। সেই অপূনর্ভব কুণ্ডের তীরে ভদ্রকাম নামক পৰ্বতে হয়গ্রীবা নামে ব্ৰহ্মস্বরূপিণী একখানি শিলা আছে। সেই স্থানে যোগজ্ঞ যোগী মহাদেব ধ্যানাসক্ত হইয়া অবস্থান করেন। ৮২-৮৩

    ইহাকে দেখিয়া মনুষ্য মরণান্তে মোক্ষপ্রাপ্ত হয়। ৮৪

    সেই শিলাতেই গোকর্ণনামক একটি শিবমূর্তি আছে; কারণ ঐ স্থানে মহাদেব অন্ধকের বন্ধু গোকর্ণনামক অসুরকে নিহত করেন। ৮৫

    গোকর্ণের ঈশানকোণে কেদার নামে মহাদেব আছেন। তিনি কমলাকার স্বরূপধারী। ৮৬

    যে পৰ্বতে কেদার বাস করেন, তাঁহার নাম মদন। সেই স্থানেই লয়প্রদ মহাত্মা কমলও অবস্থিত। ৮৭

    অপুনর্ভবের জলে স্নান করিয়া এবং গোকর্ণ পৰ্বতস্থিত কেদার ও কমলকে দেখিয়া পরে মাধবকে দেখিয়া মুক্ত হইবে। ৮৮

    তাঁহার পর কামদেবকে দর্শন করিবে। কাম দর্শন করিয়া পুনৰ্বার অপুনর্ভবকে দর্শন করিবে। ৮৯

    এইরূপ নিয়মে পূর্বোক্তক্রমে পীঠযাত্রা করিয়া উর্ধ্বতন সপ্ত, অধস্তন সপ্ত, এবং আপনাকে উদ্ধার করিয়া স্বর্গে লইয়া যায়। ৯০

    ‘হে মহোদধি! তুমি বিষ্ণুর স্নান হইতে উদ্ভূত অপুনর্ভব হরি এবং ঈশ্বর স্বরূপ। ৯১

    তুমি স্বর্গের হেতু, আমাকে স্বর্গ দান কর।’ এই মন্ত্র পাঠ করিয়া পণ্ডিত অপুনর্ভবে স্নান করিবে। ৯২

    হয়গ্রীবের তন্ত্ৰ পূৰ্বেই প্রতিপাদিত হইয়াছে। এক্ষণে যে স্বরূপে তাঁহার ধ্যান করা হয়, সেই স্বরূপ শ্রবণ কর। ৯৩

    তাঁহার বর্ণ, কর্পূর এবং কুন্দের ন্যায় ধবল, তিনি শ্বেতপদ্মের উপর উপবিষ্ট, চতুর্ভুজ, কুণ্ডলাদি নানা অলঙ্কারে অলঙ্কত। ৯৪

    বামদিকের হস্তদ্বয়ে বর এবং অভয়দানকারী দক্ষিণ হস্তদ্বয়ে পুস্তক এবং শ্বেত-পদ্ম-ধারী। ৯৫

    বক্ষঃস্থলে শ্রীবৎস এবং কৌস্তুভদ্বারা সমুজ্জ্বল, শোভাশালী এবং কখন কখনও বা গরুড়াসনে উপবিষ্ট। উত্তরতন্ত্রে যেরূপ পূজার ক্রম উক্ত হইয়াছে, এই স্থানে তাহাই গ্রহণ করিবে। ৯৬

    তাঁহার নির্মাল্যধারী হয়ারি জানিবে এবং বিসর্জনও ঐ নিয়মে করিবে। গরুড়ধ্বজ শ্রীকৃষ্ণ গন্ধৰ্ব্বদিগের সহিত ক্রীড়াচ্ছলে লোকের হিতের নিমিত্ত সৰ্ব্বদা শিলারূপে প্রতিচ্ছন্ন হইয়া রহিয়াছেন। ৯৭

    হয়গ্ৰীবের মন্ত্র দ্বিলক্ষবার জপ করিলেই সিদ্ধি হয়। আজ্য এবং যাবক পায়স দ্বারা হোম করিয়া ইহার পুরশ্চরণ করিতে হয়। ৯৮

    হে রাজেন্দ্র! একবার মাত্র পুরশ্চরণ করিলেই ইহলোকে যাবৎ অভিলষিত বস্তুর লাভ এবং অন্তে বিষ্ণুলোক প্রাপ্তি হয়। ৯৯

    পূজক ব্রাহ্মণ পূর্বোক্ত মন্ত্রের দ্বারা তৎপুরুষাদি পঞ্চবক্ত্রের কামাদিপঞ্চ মূর্তির পূজা করিবে। কাম ও তৎপুরুষ এক, যোগী ও ঈশান এক। ১০০-১০১

    অঘোর গোকর্ণরূপী, বামদেব কেদারস্বরূপ এবং সদ্যোজাতই কমলরূপে অবতীর্ণ। ইহাদিগকে পূর্বোক্ত মন্ত্ৰচতুষ্টয়দ্বারা পূজা করিবে। ১০২

    উহাই কৈলাসপৰ্বত এবং কালিকাই শিব-গঙ্গা। হয়গ্ৰীবের পূৰ্বে এবং কেদারের পশ্চিমে ছায়াভোগ নামক স্থান আছে। ১০৩

    সেই স্থানে ভোগবতী নামে একটি পুরী আছে। যে ব্যক্তি কৌতুকবশতঃ অপুনর্ভব মণিকুটে গমন করে, সে সকল তীর্থযাত্রার ফল লাভ করে। ১০৪-১০৫

    জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্লপক্ষের পূর্ণিমা বা অষ্টমীতেই অপুনর্ভব জলে স্নান করিয়া যে বিধিপূৰ্ব্বক নারায়ণকে দর্শন করে, সে সমুদয় কুশল লাভ করিয়া বিষ্ণুলোকে বিষ্ণুর সাযুজ্য প্রাপ্ত হয়। ১০৬

    যে, সমস্ত জ্যৈষ্ঠ মাস নারায়ণকে দর্শন করে, সে নিজের নিখিলকুল-জনের সহিত বিষ্ণুতে লীন হয়। ১০৭

    এই মণিকুটনামক স্থান অতি পবিত্র, ইহা বারাণসী হইতেও অধিক পবিত্র, সিদ্ধ এবং বিদ্যাধরগণ কর্তৃক অর্চিত। ১০৮

    যে ব্রাহ্মণ মণিকূট নির্ণয়ের কথা শ্রবণ করে, সে সমুদয় বেদ শ্রবণের ফল প্রাপ্ত হয়, এ বিষয়ে কোন সংশয় নাই। ১০৯ অষ্টসপ্ততিতম অধ্যায় সমাপ্ত। ৭৮

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশ্রীশ্রীচণ্ডী – অনুবাদ : পঞ্চানন তর্করত্ন
    Next Article ওয়ারলক – উইলবার স্মিথ

    Related Articles

    পঞ্চানন তর্করত্ন

    শ্রীশ্রীচণ্ডী – অনুবাদ : পঞ্চানন তর্করত্ন

    September 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }