Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026

    আমার বাবা রবীন্দ্রনাথ – রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    March 23, 2026

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    সৌমিক দে এক পাতা গল্প168 Mins Read0
    ⤷

    রায়বাটীর পিশাচ

    আজ যে ঘটনাটার কথা বলতে চলেচি, সে কথাখানা কখনও বলবো ভাবিনি। দেবনগরের বাসুদেব রায়ের কাতর অনুরোধেই আমি এতগুলো বৎসর সে কথা নিজের মনেই চাপা দিয়ে রেখেচিলাম। একটা সময়ে এই নেবুতলার রাস্তার উপরের কোলাহল মুখর পাড়ার বাড়িতে বসেও কখনও আকাশে বাজ পড়লে চমকে উঠেচি! মনে পড়ে যেত একদিনের একটা আকাশ কাঁপানো বজ্রপাতের কথা! কখনও কোনো টিন ব্যবসায়ী মাথায় করে টিনের তোরঙ্গ নিয়ে ‘এইই ট্রাঙ্ক কিনবে… তোরঙ কিনবে…’ করে হাঁক দিলে আমার বুকটা ধড়াস্ করে উঠেচে! আমি বাইরে জানালার গরাদ দিয়ে উঁকি দিয়ে তবে আশ্বস্ত হয়েচি। সবচেয়ে বড়ো কথা, রাতবিরেতে কোনো চেনা মুখ এসে বাইরে থেকে আকূল হয়ে ডাক দিলেও আমি পরপর তিনবার পরিচয় জিজ্ঞেস না করে দোর খুলিনি, যা আমার পেশার পক্ষে বেমানান। সেসব অবিশ্যি অনেককাল আগের কথা। আজ সকালটা একটু গড়াতেই দোরের বাইরে কিড়িং কিড়িং পরিচিত শব্দ শুনে কপাট খুলেই দেখি পরিচিত পোস্টম্যান মানোয়া দাঁড়িয়ে হাসচে। বললে, “রেজিস্টারি চিঠি আছে ডাগদারবাবু।”

    আমি চশমাটা নাকে তুলে একটু হেসে শুধালাম, “এই বুড়োকে এখন আর কে রেজিস্টারি চিঠি পাঠাবে রে! ঠিক বরাবর দেখেচিস তো?”

    মানোয়া হেসে কইলো, “কুনো ভুল নাই ডাগদারবাবু, আপনারই বরাবর।”

    আমি অশক্ত হাতে সহি করে চিঠিখানা গ্রহণ করে দোর দিলাম। শোবার ঘরে ঢুকে লেফাফার উপরে চোখ রাখতে ঠিকানাটা চোখে পড়লো— ‘রায়বাটী, দেবনগর, সুন্দরবন’।

    চিঠি বহু রকমের হয়। কোনো চিঠি পড়ে চক্ষে জল আসে, কোনো চিঠি হাসি ফোটায়, কোনো চিঠি বা উদাস করে দেয়। এই চিঠিখানার ঠিকানাটুকু পড়ে আমার স্মৃতির সমুদ্রের অতল থেকে যে মন্থন-সারটুকু ভেসে উঠলো, তা অমৃত নয়, কালকূট বিষ। এককালের হারিয়ে যাওয়া ঘটনাটা আবার পরতে পরতে মনের মধ্যে ভেসে উঠলো! একটা প্রকাণ্ড জমিদার বাড়ি, কয়েকটা হারিয়ে যাওয়া চেনা মুখ, আর… আর একটা প্রকাণ্ড গোখুরোর মুখওয়ালা সিন্দুক! আরও একটা ভয়ঙ্কর মুখ মনে পড়লো, যে মুখ কেউ চরম দুঃস্বপ্নেও কল্পনা করে না! আমার শরীরটা সামান্য কেঁপে উঠলো। চিঠির সারমর্ম অধিক কিছু নয়, রায়বাটীর এক সদস্যের পরলোক গমনের সংবাদ। তাঁর পরিবার কতকটা কৃতজ্ঞতাবশেই হয়তো আমাকে চিঠি লিখে সংবাদ দিয়েচে আজ, কিন্তু এই সংবাদে আমার মন থেকে একখানা বহু বৎসরের জমে থাকা গুরুভার বোঝা যেন নেমে গেল। বাসুদেব রায় আর ইহলোকে নাই, তাই তাঁর শর্তমতো সেই রায় পরিবারে ঘটে যাওয়া দুর্দান্ত ছলনার নৃশংস ঘটনা আর বলতে বাধা নাই আজ। সেই কথাই বলচি, মন দিয়ে শোনো।

    ঘটনাটা যেদিন প্রথম ঘটে, দিনটা ছিল ভাদ্র মাসের শেষ হপ্তা নাগাদ দেবনগরের রায়বাড়িতে সেদিন অন্যান্য দিনের তুলনায় কর্মব্যস্ততা কিঞ্চিত অধিক। রাধামাধব মন্দির পরিষ্কার করা, কলি ফেরানো, অর্চ্চনা আর সেই সঙ্গে সাতপুরুষ ধরে পূজিত বাড়ির এই রাধামাধব বিগ্রহের প্রজা দর্শনে বাইরে বেরোনোর দিন। প্রজা দর্শনটা হল এইরকম— রায়বাড়ির দেবতা রাধামাধব হলেন এই তালুকের আসল মালিক। এই গোটা গাঁ তাঁর নামেই দেবত্র করা। ভাদ্রের শেষ হপ্তায় তাঁকে প্রকাণ্ড বেদী-সহ মন্দিরের বাইরে প্রতিষ্ঠা করা হয় মাত্র একটি দিনের জন্য। তাঁকে প্রথমে তৈলস্নান করিয়ে তারপর রৌদ্রস্নান করানো হয়। রায়ত-রা নিজ নিজ সমস্যা জানিয়ে যান দেবতার কানে।

    এই তালুককে দেবত্র করে যান বর্তমান মালিক বাসুদেব রায়ের প্রপিতামহ ধূর্জ্জটি রায় স্বয়ং। শোনা যায়, রায় পরিবার বহুপুরুষ ধরে শাক্ত হলেও তাঁদের পূর্বপুরুষ ধূর্জ্জটি ছিলেন মনেপ্রাণে বৈষ্ণব, তাই ধূর্জ্জটি দুইরকম পূজাঅর্চ্চনা করতে কার্পণ্য বা ত্রুটি করতেন না। বেহার লাগোয়া দেবীগ্রামে তাঁদের আদি বাড়িতে এখনও বংশের দুই শাখাই দুর্গাপূজার টাকা পাঠায় পালা করে। রাধামাধবের বিগ্রহটিও তাঁদের দেবীগ্রামের দুর্গামন্দিরেরই একপাশে নিত্যপূজিত হতো। ধূর্জ্জটি সেই পারিবারিক বিগ্রহই দেবনগরে তুলে এনে স্থাপন করেন এই অপূর্ব মন্দিরের। রাধামাধবের মন্দিরের উঠানে শাক্ত প্রতীক হিসেবে ধূর্জ্জটি রায় পেতলের মাঝারি কামান বসিয়েচিলেন দেবীগ্রাম থেকেই এনে, কিন্তু তাতে বাহারি কাজ করিয়েচিলেন নিজে শিল্পী এনে। অসামান্য রুচিবোধ আর খাগড়াই শিল্পের অপূর্ব এক নিদর্শন এই কামানটির গায়ে নানান রঙ্গের মিনে করা কারুকার্য। গোলাবর্ষী মুখের কাছের পরিধি বরাবর চওড়া নীল রঙ্গের ময়ূরকণ্ঠী কাজ। মনেপ্রাণে বৈষ্ণব ধূর্জ্জটি রায় বিধ্বংসী কামানের ভয়ঙ্করতাকে নিজের শৈল্পিক রুচি দিয়ে যে কোমল রূপ দান করেচেন, তাতেই তার শাক্তোপাসক থেকে বৈষ্ণব হবার সঙ্গত মনোভাব পাওয়া যায়। দুর্গাষ্টমীর সন্ধিপূজাতে এই কামান থেকে ক্ষুদ্র নকল গোলা দাগা হয় দেবীর সম্মানে। ধূর্জ্জটিও পরিবারের প্রথা মতো নিয়ম করে টাকা পাঠান দেবীগ্রামের পূজায়। এইভাবে দেবনগরে বৈষ্ণব এবং দেবীগ্রামে শাক্ত সংস্কৃতিকে সমানভাবে লালন করতেন তিনি।

    তো, এইবছর এই কর্মব্যস্ত দিনটাতেই ঘটে গেল দুর্ঘটনাটা! একটু খুলেই বলি। রায় পরিবারের বর্তমানে দুই শাখা। দ্বিতীয় শাখাটির প্রধান পুরুষ হলেন বাসুদেবের খুড়ামশাই রাধাকান্ত রায় (আমরা তাঁকে একটুর জন্য জীবিত অবস্থায় পাইনি সেবার)। তাঁর পরিবারের সঙ্গে এই শাখার হরদম মেলামেশা না-হলেও পালাপার্বণে সৌজন্য বিনিময় হয়। বাসুদেব রায়ের তিন পুত্র, বড়ো শ্যামাচরণ, মধ্যম কানাইচরণ এবং ছোটো মঙ্গলকান্ত। এই ছোটো ছেলে মঙ্গলকে নিয়েই রায়বাড়ির দোর্দণ্ড প্রতিপত্তি কিছুটা বিঘ্নিত।

    এই মঙ্গলকান্ত জমিদার বংশের সন্তান হয়েও বুর্জোয়া জমিদার পরিবারকে ভালো চোখে দেখে না। কলকাতায় পড়ালেখা করার সময়েই আর দশটা যুবকের মতো ভাবাদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সে সমস্ত পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে। রায় পরিবার এমন কিছু অর্থপিশাচ বা অত্যাচারী, তা নয়। গাঁয়ের লোকেরা বাসুদেব রায়কে যথেষ্ট সম্মান করেন, কিন্তু ভবি ভোলার নয়। মঙ্গলকান্ত একদিন বাপের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়লে পর বাসুদেব ক্ষিপ্ত হয়ে দিলে তার মাসোহারা বন্ধ করে। মনে মনে বললে, ‘রোসো বাপু, এই বুর্জোয়া বাপের মাসোহারা ছাড়া শহর কলকেতায় তোমাকে কে পুষ্যিপুত্তুর নেয় দেখি।’ বাসুদেবের বুড়ি পিসি মানদা তার এই নাতিটিকে স্নেহ করত সবচাইতে বেশি। মঙ্গলের জন্মের সময়ে তার মা সূতিকা রোগে দীর্ঘকাল আক্রান্ত হওয়ায় মঙ্গল একরকম বাসুদেবের পিসিমার কোলেই মানুষ, কাজেই এই বচসার পর মানদা ভেঙে পড়ল।

    মঙ্গল কিন্তু হার মানলো না, উলটে কী এক পুলিশি ঝামেলায় জড়িয়ে পড়ে একদিন ফেরার হয়ে গেল। বাসুদেবের স্ত্রী আর তার চেয়েও বেশি মানদা পুরোপুরি ভেঙে পড়লেও বাসুদেব মনকে বোঝালে, ছেলে ক-দিন পর ঠিকই গুটিগুটি ফিরে আসবেখন। এভাবেই দিনপাত হচ্চিল। তাল কাটলো বিগ্রহের প্রজাদর্শনের দিনটায়!

    বৃদ্ধা মানদা মন্দির লাগোয়া ঘরখানায় শোয়। সকালে উঠে মন্দিরের দেউড়ি ধৌত করা, ফুল তোলার দায়িত্ব তারই উপরে। মানদা কানে কম শোনে আর ভারী দুর্মুখ। সকালে উঠেই গজগজ করতে করতে ফুল তুলচে দেখে, ঝি কাত্যায়নী হেসে পিসিমা শুনতে পায় এমন স্বরগ্রামে একট চিৎকার করে কইলো, “কী হয়েছে গো পিসিমা? সক্কাল সক্কাল কাকে এত গাল পাড়চো?’

    মানদা ক্রুদ্ধ হয়ে বললো, “তোর তাতে কী রে? তুই শুধোবার কে? রাজ্যের প্রতিপাল্যি অপোগন্ডো পুষে রেখেচে বাসুটা, চোখ থেকেও নাই। তোরা আছিস শুধু অন্নধ্বংস করতে, এদিকে মন্দিরটা যে একটু সাফসুতরো রাখি, সে বেলায় ঢুঢু। ইঁদুরের জ্বালায় রাতে ঘুম নাই, তোদের জ্বালায় দিনে, ভালোই আছি।”

    মানদার এসব কথা কেউই গায়ে মাখে না। কাত্যায়নীও মাখলো না। “সে কী কথা গো পিসিমা? রাধামাধবের মন্দিরে ইঁদুর? প্রসাদ খেয়ে গেছে, না তোমার থান কেটে গেছে? অবিশ্যি তুমিও কি আর মিছে কথা কইবে? তেমন লোকই তুমি নও।”

    মানদা স্তোকে একটু নরম হয়ে বললে, “সে তোরা তো জানবিই বাছা, তোরা হলি ভালোমানুষের ঝিয়ারী। ক-দিন ধরে রোজ রাতেই শুনচি ভিতরে কুটুর কুটুর করে ইঁদুর কাটে, তা কে বা সেঁকেবিষ আনে, কে বা দেয়। থাকতো আমার মঙ্গল, দেখতি এক বাক্যিতে….”

    “তাকে দরকার নেই এ বাড়িতে, আমি আনিয়ে দেবোখন পিসিমা।” বাসুদেব রায়ের গম্ভীর কণ্ঠস্বর পেয়ে কাত্যায়নী জিভ কেটে দ্রুত পায়ে চলে গেল।

    “একটু পরে শামিয়ানা আর ফুলের লোকজন এসে পড়বে পিসিমা, দেখে শুনে নিও ওদিকটা। আমি প্রজাদের নিয়ে ব্যাস্ত থাকবো।”

    মানদা একটু হেসে বললে, “সে সব নিয়ে ভাবনা নাই তোর। আমি দেখে নেবো। আগের তিন তিনটে বচ্ছর ভাদ্দরের শুরুতেই জ্ঞাতি মরলো, তেলস্নান সূয্যিস্নান হল না রাধামাধবের অশৌচে। প্রথমে গেল দেবীগাঁয়ের রঙ্গলালের বাপ হরলাল, তারপরের বছর শ্রীমন্তর বাপটা, কী যেন নামটা বল না…”

    “আহ পিসিমা, আজকের দিনে থাক ওসব অলুক্ষুণে আলোচনা। ভালোয় ভালোয় সবটা কাটুক এইবছর। তিনটে বছর অশৌচ পড়ে গেল। রাধামাধব.. রাধামাধব…”

    কথা চাপা পড়ে গেল। পূজার তোড়জোড় আরম্ভ হতে লাগলো বেলা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে, কিন্তু অন্তরীক্ষে বসে রায়বাড়ির নিয়তি বোধহয় তখন কুটিল হাসি হাসচিলো, কারণ এই বছর কেন, আর কোনোদিনই যে এই বাড়িতে রাধামাধবের বিগ্রহের পূজা হবে না, তা বাসুদেব রায় অথবা বৃদ্ধা মানদা জানতো না। জানা সম্ভব ছিল না।

    পুরোহিত ভটচায্যি মশায় তৈরি, পুরস্ত্রীরা তৈরি, বাড়ির পুরুষরা আর প্রজারাও প্রস্তুত, এইবার বেদী সমেত রাধামাধব সস্ত্রীক দেউলের বাইরে আসবেন সবাইকে দেখা দিতে। বাসুদেবের দুই ছেলে আর পুরোহিতের দুই নাতি ভিতরে গিয়েচে গুরুভার বিগ্রহকে বয়ে আনতে। ফটকের কাছে গাঁয়ের মেয়ে বৌ-রা ঘনঘন শাঁখ ফুকচে আর হুলুধ্বনি দিচ্চে, হঠাতই সব সমবেত কলরব এক লহমায় নিশ্চুপ হয়ে গেল দেখে বাসুদেব পিছন ঘুরে চমকে উঠলো!

    ফটকের কাছ থেকে পুলিশের একটা বড়ো বাহিনী বন্দুক উঁচিয়ে এগিয়ে আসচে ভিতরে। কানাকানি আর ফিসফিসের মধ্যে পুলিশের দারোগা এগিয়ে এসে বাসুদেবকে শুধালো, “মঙ্গলকান্ত রায় কে চেনেন?”

    বাসুদেবের মনটা ছ্যাৎ করে উঠলো!

    “হাঁ, আমি তার বাপ, বাসুদেব রায়। কী হয়েচে দারোগা সাহেব?”

    “ন্যাকা সাজা হচ্চে? লুঠের হাতিয়ার কোথায় লুকানো আছে সোজাভাবে না বললে গোটা বাড়ি তছনছ করে মেয়ে পুরুষ সবক-টাকে গারদে পুরে দেবো।”

    বাসুদেবের মাথায় বাজ পড়লো! ক্রমে ক্রমে জানা গেল মঙ্গল কলকাতার এক গোপন দলের সদস্য এবং গতকাল তারা লালবাজার সদর থেকে ব্যারাকপুর যাওয়ার পথে একখানা অস্ত্রবোঝাই গাড়ি ডাকাইতি করেছে। এখন সব পুলিশ তাদের পাগলের মতো খুঁজে বেড়াচ্চে। দেখতে দেখতে গোটা বাড়ির আনাচে কানাচে পুলিশ ছেয়ে গেল। ধানের গোলা ফেড়ে সব ওলট পালট করে সন্ধান করেও যখন বিকেলের মুখেও কিছু পাওয়া গেল না, তখন দারোগার রোখ চেপে গেল। এদিক ওদিক তাকিয়ে বুটজুতা পরেই সোজা মন্দিরের বেদীর দিকে চললো। বৃদ্ধ পুরোহিত বাধা দিতে গেলে তাকে দারোগা এমন ধাক্কা দিলে যে ভটচায ছিটকে পড়লো মাটিতে! পুরোহিতের নাতি চিৎকার করে এই জুলুমের প্রতিবাদ করতে যাচ্চে, হঠাৎ ভটচায শশব্যস্ত হয়ে তার মুখ চাপা দিয়ে বললে, “কিছু বলিস না হারাণ, কথায় আছে, বাঘের সুমুখে হাতজোড় করে প্রাণভিক্ষা করলে প্রাণটাও যাবে, অপমানও উপরি পাওনা হবে। বিনাশ কালে বিপরীত বুদ্ধি রে দাদুভাই। দারোগার পিছনে ছায়া রয়েচে!”

    বাসুদেব শুনে অবাক হয়ে ফিসফিস করে বললো, “কীসের ছায়া ঠাকুরমশায়?”

    ভটচায ক্লিষ্ট হেসে বললে, “দারোগার পরমায়ু অতি ক্ষীণ রায়মশাই। দেখেই টের পেয়েচি। হয়তো দুই একদিনের…. কিমবা… কিমবা আরও অনেক কম…”

    দারোগার নাম শিবনাথ ঘোড়ুই। পুলিশ মহলে নিষ্ঠুরতা আর শৃগালের ন্যায় ধূর্ত বুদ্ধির জন্য খ্যাত। শিবনাথ মন্দিরে একাই ঢুকেচিলো। এইবারে কয়েক ধাপ সিঁড়ি ভেঙে উঠলো উঁচু গর্ভগৃহের ভিতরে। এদিক সেদিক দেখতে দেখতে, অনেকগুলি অস্ত্র লুকানো যায় এমন স্থান নিরীক্ষণ করতে করতে তার চোখ পড়লো রাধামাধব বিগ্রহের নীচের বেদীটার উপর।

    বেদীটা প্রায় সাত হাত লম্বা আর হাত চারেক বহরে। উচ্চতাও আড়াই হাতের ওদিক নয়। এটা যদি ফাঁপা হয় তবে গোটা তোরঙ্গও ভরে রাখা যাবে। অনেকক্ষণ নিষ্ফল টানাটানি করতে করতে হঠাৎ বিগ্রহটা প্রচণ্ড টানে যেন একটু ঘুরে বসলো! শিবনাথের হিংস্র মুখে কুটিল হাসি ফুটে উঠলো! বটে? বিগ্রহটা বেদীর উপরে প্যাঁচ এঁটে বসানো! কিছুটা ঘুরাতে ঘুরাতে পুরো দশাসই ভারী বিগ্রহটাই বেদীর থেকে উঠে এলো দারোগার হাতে! কিন্তু প্যাঁচ খুলে বিগ্রহ তুলে নেবার পরেও কোনো ছিদ্র দেখা দিল না বেদীর উপরিভাগে! মূর্তির নীচের বেড় মোটামুটি ব্যাসে এক হাত মতো। ঠিক হুবহু সেই বেড়ের একটা গোলাকৃতি পেতলের চাকতি যেন ভিতর থেকে ঠেলে এসে মূর্তির শূন্য ছিদ্রটা পূরণ করে বেদীর উপরিভাগকে আবার সমান করে দিয়েচে, শুধু একটা গোলাকার চাকতির দাগের মতো বোঝা যাচ্ছে! এ স্প্রিং-এর কারসাজি না হয়ে যায় না!

    এবার শিবনাথ ভালো করে বেদীটার পানে চাইলো। ধাতব প্রকাণ্ড তোরঙ্গের মতো বেদীটার গায়ে একজোড়া গোখুরো সাপ একে অপরকে পেঁচিয়ে রয়েচে! তাদের চূনীখচিত চোখ ধিকিধিকি জ্বলচে গর্ভগৃহের স্বল্প আলোতেও! আর ভিতর থেকে কেমন যেন খুট খুট শব্দ হচ্চে, বেশ জোরেও মাঝেমধ্যে! দারোগা আক্রোশে টানাটানি করতে লাগলো বেদীটা খোলার জন্য! মাথার উপরে ছাত থাকায় দারোগা প্রথমটা খেয়াল করেনি, এখন দেওয়ালের বড় গবাক্ষটা দিয়ে চেয়ে দেখলো, বাইরের পড়ন্ত বেলার আকাশ হঠাৎই ঘোর কৃষ্ণবর্ণ মেঘে একেবারে ঢেকে গিয়েচে!

    শিবনাথ আবার ডালাটায় হাত দিতেই আকাশে মেঘ গর্জন করে উঠলো! শিবনাথ চেয়ে দেখলে, আকাশ যেন হঠাৎই ফুঁসে উঠেচে কোনো দানবের ফুৎকারে! হঠাৎই শিবনাথকে ভয়ানক চমকে দিয়ে বেদীর ভিতর থেকে নড়াচড়ার শব্দ কানে এলো! কে যেন ধাতব বাক্সের ভিতরে পাশ ফিরলো! শিবনাথ সাহস করে নীচু হতেই বাইরের গাছপালার সমস্ত পাখপাখালীর দল হঠাৎ প্রচণ্ড আতঙ্কে একসাথে উড়তে আরম্ভ করলো মন্দিরের আকাশ জুড়ে! ওরা কী যেন দেখেচে! কী যেন অশুভর সংকেত পেয়েচে! বাইরে থেকে একটা তীব্র ঝোড়ো বাতাস নক্ষত্রবেগে ধেয়ে গেল মন্দিরের ভিতরে! শিবনাথ সেই দিকে চেয়ে তার দাম্ভিক স্বভাবোচিত এক চিলতে বিদ্রুপের হাসি ঠোঁটের কোণে আনতে যাচ্চে, হঠাৎ মনে হলো পিছনে ‘ক্যাঁচচচ’ শব্দে ভারী ধাতব ডালাটা কেউ এক ধাক্কায় খুলে ফেললো, আর একটা ধাতব ভারী কিছু ছিটকে পড়লো মেঝেতে! পিছনে ঘুরেই শিবনাথ এক পলকের জন হতরিস্মিত হয়ে দাঁড়িয়ে রইল! মেঝেতে একটা ধাতুর তৈরি দুই হাত প্রমাণ বস্তু পড়ে রয়েচে, অনেকটা কোনো প্রাণীর পাঁজরের মতো দেখতে, কিন্তু… কিন্তু তার সামনে এ কী বিভীষিকা দাঁড়িয়ে রয়েচে? এ কোথা থেকে এলো? কী ভয়ঙ্কর তার চাহনি! শিবনাথ স্থূলবুদ্ধি নয়, সে অতি ধুরন্ধর দারোগা। এই বিপদের মধ্যেও কী যেন একটা টের পেয়ে শিবনাথ তার দুই চোখ বন্ধ করে অন্ধের মতো ছুটলো বাইরের দিকে। প্রথমে ভারী কপাটে ধাক্কা খেয়ে টাল সামলে গর্ভগৃহের সিঁড়ি থেকে নামতে গিয়ে ভুল করে বেপথু হয়ে সিঁড়ির পাশ দিয়ে পা হড়কে আছাড় খেয়ে পড়লো মেঝেতে। আর চোখ বন্ধ রাখতে পারলো না দারোগা। চোখ খুলেই আবার কেঁপে উঠলো শিবনাথ! মৃত্যু বুঝি এভাবেই শিয়রে এসে দাঁড়ায়! কীসের মায়ায় কে জানে, একবারের জন্যও শিবুর মনে পড়লো না যে বাইরে তার বিরাট বাহিনী দাঁড়িয়ে রয়েচে ওৎ পেতে, তার একটা চিৎকারে সেই পুরো ফৌজ তাকে বাঁচাতে ছুটে আসতে পারে। যখন মনে পড়লো, তখন দেরি হয়ে গিয়েচে। অভ্যাস বশে কোমরে হাতটা নিয়ে চোখ বন্ধ অবস্থাতেই এদিকে ওদিকে এলোমেলো তিনটি গুলি ছোঁড়ার সঙ্গে সঙ্গেই সেই কালান্তক যম ঝাঁপিয়ে পড়লো শিকারের উপর।

    বাইরে দাঁড়িয়ে বাকি পুলিশগুলোও ধৈর্য্য হারাচ্চে। এমনিতেই দারোগার বদমেজাজ আর শয়তানি প্রতিহিংসা প্রবণতার কথা তাদের অবিদিত নয়, তাই কোনো প্রমাণ না-পাওয়া গেলেও এই বুনিয়াদী পরিবারটিকে নাকাল করতে সে যে কোনো কসুরই রাখবে না তা তারা বেশ টের পাচ্চে। কিন্তু এভাবে কতক্ষণ? সাঁঝ নেমে আসচে। হঠাৎ ক্ষীণভাবে একটা কপাটের আঘাত আর একটা ভারী বস্তু পতনের সঙ্গে তিনটে গুলির শব্দ কানে এলো সকলের! দারোগার খাস চেলা রাধিকাচরণ মাস্কেট্রি বন্দুক বাগিয়ে দৌড়ে মন্দিরের ভিতরে গিয়ে ঢুকলো, আর একটু পরেই তার চেঁচামেচিতে বাকি বাহিনী, এমনকী এতক্ষণ অপমানে পাষাণবৎ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা বাসুদেবও ভটচায্যিদের সঙ্গে নিয়ে ধড়মড় করে ছুটে গেল ভিতরে। ব্যাপার যা ঘটেচে, তা বড়ো ভয়ানক!

    দারোগার আগ্নেয়াস্ত্রটা পড়ে রয়েচে মেঝেতে। শিবনাথ পাশেই উপুড় হয়ে ছড়িয়ে পড়ে আছে এলোমেলোভাবে, কিন্তু তার চেয়েও সর্বনাশা দৃশ্য দেখে বাসুদেব অবধি টলে উঠলো! শিবু দারোগার মুণ্ডুটা পুরোপুরি উলটোদিকে ঘোরানো! তার চোখ দুটো ঠেলে বেরিয়ে আসচে আতঙ্কে! নাকে এবং ঠোঁটের কষে সামান্য রক্ত। বাসুদেবের মনে হলো দারোগা কিছু দেখে মনে হয় দিশাহারা হয়ে অন্ধের মতো ছুটেচিল। গর্ভগৃহের কপাটে ধাক্কা খেয়েই দিগভ্রান্ত হয়ে সিঁড়ি ভুল করে উপর থেকে নীচে পড়েই এই মৃত্যু। কিন্তু ভটচাযের চিৎকারে হুঁশ ফিরে দেখলো বেদীর উপরে এতকালের উপাস্য রাধামাধবের ভারী বিগ্রহটা আর নেই! নেই মানে নেইই, গোটা মন্দির আর আশপাশ পাতিপাতি করে খুঁজেও দেখা মিললো না আর! পুলিশ কোনো হদিশ না পেয়ে ফিরে গেল, বাসুদেব পারিবারিক বিগ্রহের খোয়া যাওয়ায় বিষণ্ন হয়ে পড়লো এবং প্রজাদের মধ্যে রাষ্ট্র হলো যে, জাগ্রত রাধামাধব অনাচার সহ্য করতে না পেরে নরসিংহ রূপ নিয়ে দারোগাকে বধ করে বিলীন হয়ে গিয়েচেন।

    গাঁয়ের প্রান্তের শ্মশানে বাস করা বৃদ্ধ ডোম মংলু বিড়বিড় করে কয়েকজনকে কইলো যে, সে সাঁঝের আঁধারে খুব বড়ো কিছু একটা কালো জিনিসকে এই গাছ থেকে ওই গাছে লাফিয়ে পালাতে দেখেচে!

    লোকজন কইলো, “ধুরোঃ, তুই এমনিতেই চোখের বৃহস্পতি, তায় আবার সাঁজের আঁধার, হনুমান টনুমান দেখে থাকবি….”

    মংলু চারদিকের বিদ্রুপে অপ্রতিভ হয়ে আপন মনে কইলো, “হনুমান বানর নয়… কক্ষণও নয়! আরও জবর কিছু জিনিস গো…”

    বৃদ্ধ একবার গাছগুলোর পানে চাইলো। একটার থেকে অপরটার দূরত্ব প্রায় পঞ্চাশ পঞ্চান্ন হাত, এই দূরত্ব এক লাফে অতিক্রম করা কোন্ প্রাণীর সাধ্যি? তার হাতে আবার বড়োসড়ো কী একটা যেন ছিল! সাঁঝের তারার আলোতেও সেটা চকচকিয়ে উঠেচিলো একবার! মংলু নিজেই শিউরে উঠে কালীস্মরণ করলে।

    আশপাশের দশটা গাঁয়ের লোকেরা পরম ভক্তিভরে রাধামাধবের আখ্যানই বিশ্বাস করলে, কিন্তু তারা যদি ঘুণাক্ষরেও টের পেতো যে বৃদ্ধ মংলু একতিলও ভুল দেখেনি, সত্যিই বেদীর কারাগার থেকে কোনো লোলুপ নরঘাতক রাক্ষস মুক্তি পেয়েচে বহু যুগ পর, তাহলে তাদের এই নিরাপদ নিদ্রা আতঙ্কের নৈশ জাগরণে পরিণত হতো।

    ক্রমে রাত হল। গোটা দেবনগর নিদ্রা গেল। ঘুম নেই কেবল বাসুদেব আর মানদার চোখে। কী যেন একটা ঘটতে চলেচে, কী যেন একটা আছড়ে পড়তে চলেচে! মংলু কি সত্যিই ভুল দেখেচে? হঠাৎ বাসুদেবের তন্দ্রা ছুটে গেল! বাইরে ভয়ানক ঝড় উঠেচে হঠাৎ! প্রলয়ঙ্কর ঝড়! সেই দাপটে শয়নকক্ষের জানালার কপাটগুলো থরথর করে কাঁপচে, কেউ যেন দুই বলশালী হাতে উপড়ে ফেলতে চাইচে তার অনুপ্রবেশের বাধাগুলোকে! কেউ যেন তীব্র আক্রোশে ছুটে এসে বারংবার আছাড় খাচ্চে প্রাচীরগাত্রে! বাইরে কুকুরের দল ভীষণ সুরে কেঁদে উঠলো একসঙ্গে! সেই সুরে কারুণ্য নেই, আছে ভীষণ আতঙ্ক! কুকুর জীবটাই প্রকৃতির এক অদ্ভুত সৃষ্টি। এদের ক্ষমতা সীমিত, ভাষা সীমিত, কিন্তু সাহস আর আনুগত্য দুর্জয়! চোখের সামনে নিজের থেকে সহস্রগুণ বলশালী কাউকে দেখেও তারা সমস্বরে চিৎকার করে সাবধান করে দিচ্চে রায়বাড়িকে। বলচে, ‘খুব সাবধান, বাইরে বেরিও না। বাইরে দানব ওৎ পেতে রয়েচে মরণফাঁদ বিছিয়ে।’ মানদা ভয়ে ভয়ে ঠাকুর দালানের পাশে নিজের কক্ষের খড়খড়ি একটু নামিয়ে ভয়ে কাঠ হয়ে গেল! আশপাশে কোথাও ঝড় নাই, শুধু তাদের বাড়িটাকে বেষ্টন করে এক ধূলার ঘূর্ণীঝড় উঠেচে আকাশ ঠেলে! তার ভিতর থেকে আবছা হিংস্র গর্জন কানে আসচে! কোনো রাক্ষস যেন কিছুতে বিফল, নিষ্ফল হয়ে তীব্র আক্ষেপে হাহাকার করচে!

    ধীরে ধীরে ঘূর্ণীঝড় মিলিয়ে গেল। মানদা আর বাসুদেব রাধামাধবের উদ্দেশে প্রণাম জানালো কাঁপা হাতে। কিন্তু বিপদ তো সবে আরম্ভ হয়েচিল। ঝড় তখন ভেক বদলে, তার সহজাত কুটিলতার পরিচয় দিয়ে ছুটে গেল অন্যত্র… নূতন শিকারের সন্ধানে।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমার বাবা রবীন্দ্রনাথ – রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    Related Articles

    সৌমিক দে

    কালীগুণীন ত্রাহিমাম – সৌমিক দে

    March 20, 2026
    সৌমিক দে

    সর্বংসহ কালীগুণীন – সৌমিক দে

    March 20, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Our Picks

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026

    আমার বাবা রবীন্দ্রনাথ – রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    March 23, 2026

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }