Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026

    আমার বাবা রবীন্দ্রনাথ – রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    সৌমিক দে এক পাতা গল্প168 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    টেক্কা

    আসার দিনের থেকেও ফেরার দিন ঝড়ের বেগে, বিনা বিরতিতেই গাড়ি হাঁকানো হলো। আমরা দেবনগরের রায়বাড়ি এসে ঢুকলাম সন্ধ্যা হবার মুখে, তখন অমন তেজী ঘোড়াগুলোও হাপরের মতো শ্বাস টানচে। রায়বাটীতে প্রবেশের মুখেই কালীপদ আমার সাধের ট্যাঁকঘড়িটা চেয়ে নিজের কামিজের পকেটে ভরে রাখলো। ঘরে ঢুকেই কালীপদ মানদাকে খুঁজে বের করে তার কানের কাছে মুখ নিয়ে কী যেন একটা কাজ করতে বললে, মানদা ভ্রু কুঁচকে কিছুক্ষণ নিজের কক্ষে ঢুকে গিয়ে তারপর বেরিয়ে এসে একটু রাগতঃ স্বরে বললে, “এসব কাজ আমার পক্ষে সম্ভব নয় ঠাকুরমশায়। আমি ধর্মপ্রাণ বিধবা মানুষ, কারুর সাতে পাঁচে থাকি না। আপনার কিছু অভিসন্ধি আছে। এ আমি পারবো না।”

    কালীপদ হতাশ হয়ে একটা শ্বাস ফেলে বললে, “বেশ। আমিই দেখচি। আপনারা অন্ধভক্তি নিয়েই বসে থাকুন।” একবার ট্যাঁকঘড়িটা দেখে নিয়ে কালীপদ ব্যস্ত হয়ে বললে, “আর দেরি নয়, কানাই, ইন্দ্র, তোমরা সিন্দুকটা বের করে আনো মন্দিরের বাইরে।”

    আমি শুধালাম, “কিন্তু গণ্ডী দিয়ে নিলে ভালো হত না দাদা?”

    কালীপদ কইলো, “কেন? আমার এই কবচ থাকতে গণ্ডীর প্রয়োজন কীসে? সে পিশাচ চৌহদ্দির আশপাশেও পা রাখতে পারবে না জেনে রেখো।” পিশাচ লম্ববেগা মন্দিরের পাশেই আমগাছের ডালে বসে সে কথা শুনে মনে মনে হাসলো। কানাই আর ইন্দ্র সেই মহাকায় সিন্দুককে টেনে বার করলে মন্দিরের বাইরে। কালীপদ একটা কয়লাভাঙা হাতুড়ি আনতে হুকুম দিলো। ভিতর থেকে একটা বড় হাতুড়ি এলে পর কালীপদ বললে, “এই সিন্দুকটা ভাঙামাত্র পিশাচটা তো মারা পড়বে, কিন্তু অন্য কোনো উপদ্রব যাতে না হয় সেজন্য এটা ভেঙেই সঙ্গে সঙ্গে গণ্ডীটা দিয়ে রাখবো। একটা তামার ঘটি আর আমের পল্লব রাখো এইখানে।”

    লম্ববেগা মনে মনে হিসাব করে নিলো, কালীপদর সিন্দুক ভাঙা আর গণ্ডী দেওয়ার মাঝেই সবক-টাকে নিকেশ করতে হবে। সে আমগাছে অদৃশ্য হয়ে থাবা পেতে তৈরি হয়ে রইলো। কালীপদ হাতুড়ি তুলে সিন্দুকে আঘাত করলো।

    শব্দ শুনেই বেশ বোঝা গেল যে গ্রামের সবচেয়ে বড় হাতুড়িটা আনলেও এই স্থূল পেতলের পাতওয়ালা সিন্দুকের গায়ে একটা আঁচড়ও বসবে না! কালীপদ উন্মত্ত হয়ে হাতের সামনে হলুদছেঁচা শিলনোড়া, ইট, পাথর যা পেলো তাই দিয়েই পাগলের মতো আঘাত করতে থাকলো সিন্দুকের ওপর কিন্তু সেসব চূর্ণ হয়ে গেলেও বজ্রসিন্দুক নড়লো না। হতাশায় কালীপদর চক্ষে জল এলো। বাতুলের ন্যায় ঘোলাটে চোখে এদিক ওদিক তাকিয়ে হঠাৎ তার চোখ একটু উজ্বল হয়ে উঠলো! সে চিৎকার করে বললো, “এইবার দেখি এই আপদ সিন্দুকের কত জোর! কানাই…

    কানাই তার প্রভুর কোনো একটা আদেশের জন্য উদগ্রীব হয়েই ছিল, এখন ডাক শোনামাত্র কালীপদর চোখের দিকে চেয়েই বুঝতে পারলো সে কী উপায়ে বজ্রকঠিন সিন্দুকটা ভাঙতে চাইচে! পেতলের কামানটার দিকে চোখ রেখেই বাসুদেবকে চিৎকার করে কানাই বললো, “রায়মশাই… গোলা… কামানের গোলা আনুন…”

    বাসুদেব হতাশার স্বরে বললো, “এ গোলায় সিন্দুক ভাঙবে না কানাই…. এ শুধু দাগবার গোলা… নিয়মরক্ষার জন্য…”

    কালীপদকে দেখে মনে হলো সে নিজের হাত কামড়ে ছিঁড়ে ফেলবে হতাশায়! মরিয়া হয়ে কানাইকে বললো, “তবে এই কামানকেই উপড়ে নে। এর আঘাতেই আজ ওই রাক্ষসকে শেষ করবো চিরকালের মতো।” কানাই আর কালীপদ মিলে ওই গুরুভার কামানকে চাকার পাত থেকে তুলে নিলো কোনোমতে আর বাগিয়ে ধরে একটা ভয়ানক আঘাতের জন্য তুলে ধরলো মাথার উপরে। পিশাচ লম্ববেগা আসন্ন মুক্তির আনন্দে গাছের থেকে প্রথমেই বাসুদেবের উপর লাফ দেবে বলে তৈরি হচ্চে, হঠাৎ কামানটা দিয়ে চূড়ান্ত আঘাত হানার বদলে যেন খুব আলতো হাতে নামিয়ে এনে তার ময়ূরকণ্ঠী কাজ করা মুখটাকে দুইজনে মিলে বসিয়ে দিলো বিগ্রহ রাখার এক হাত ব্যাসের ছিদ্রটায়!

    একটা যান্ত্রিক শব্দের সঙ্গে সঙ্গে নলটা এঁটে বসে গেল বিগ্রহের স্থানটা দখল করে! সিন্দুকের ভিতরে কয়েকটা কলকবজার অস্পষ্ট শব্দ কানে এলো। পিশাচ লম্ববেগা ওৎ পেতে লাফ দেবে বলে তৈরি হয়েচিলো, হঠাৎ আকাশে কানফাটানো বাজের শব্দ শুনে চমকে উঠে দেখলো পরিষ্কার আকাশের সব নক্ষত্র এক পলকে ঢাকা পড়ে গিয়েচে কুণ্ডলীকৃত ফুঁসে ওঠা মেঘে! হিংস্র পিশাচ এক লাফে শূন্যে উঠতে গিয়ে টের পেলো, চারদিকের পালানোর পথ রুদ্ধ! যেন কাচের ঘেরাটোপ ফেলেচে কেউ। পলকের মধ্যে ধুরন্ধর কুটিল পিশাচ টের পেলো যে তার চেয়েও অধিক ধূর্ত গুণীনের ফাঁদে পা দিয়েচে সে! ক্ষোভে, আক্রোশে স্বমূর্তি ধরা মাত্র কান বধির করা শব্দে কড়াৎ করে বজ্র নেমে এলো সহস্র রসনা বিস্তার করে! পিশাচ ঝুপ করে অচৈতন্য হয়ে আছড়ে পড়লো কালীপদর ঠিক সামনে।

    কেউই ঠাহর করতে পারলো না কোথা থেকে কী হচ্চে, কিন্তু পিশাচটা যে কালীপদর কাছে হেরে গিয়েচে এ যাত্রা, তা অনুমান করতে কারোর দ্বিধা ছিল না। কানাই বলিষ্ঠ হাতে বজ্রসিন্দুকের ডালা খুলে ধরলো কামানের নল বসানো অবস্থাতেই। এতদিনের ভয়ঙ্কর নরঘাতক পিশাচ, গোটা দেবীগ্রামের এককালের ত্রাস লম্ববেগাকে লেঠেল কানাই অবহেলায় ইঁদুরের মতো তুলে ছুঁড়ে ফেললো সিন্দুকের ভিতরে। কালীপদ তার বুকের উপর ধাতব পাঁজরের ন্যায় হিমনিদ্রার অমোঘ অস্ত্রটা রেখে দিয়ে ডালা বন্ধ করে দিলো আরও কয়েকশত বৎসরের জন্য।

    আমি এগিয়ে যেতেই কালীপদ একটু হেসে হাত নেড়ে বললো, “আহহ জ্বালালে, পিপাসা পেয়েচে। একটু জল পান করে সব বলচি।”

    *****

    রাতে রায়বাটীর প্রকাণ্ড ছাতে শতরঞ্জি পেতে বসেচি সকলে। কালীপদর দিকে বহু জোড়া চোখ উৎসুক হয়ে চেয়ে রয়েচে দেখে সে ধীরে ধীরে বললো, “কিছু বলার আগে আপনার কাছে একটা কথার জন্য ক্ষমা চেয়ে নিচ্চি বড়ো রায়মশায়, আপনার প্রপিতামহ ধূর্জ্জটি রায় অর্থপিশাচ ছিলেন না। আপনার বংশের সবাইই দেখচি বেশ বুদ্ধিধর। উনি ঐ কুলমন্ত্রটা না লিখে গেলে এই পিশাচটাকে কাবু করা যেতো কিনা সন্দেহ।”

    বাসুদেব বিস্মিত হয়ে বললে, “আমাদের কুলমন্ত্রে কীসের সন্ধান পেলেন?”

    “বলচি, কিন্তু আরেকটা কথাও বলি, একটা খুব খুব জরুরি প্রশ্ন কিন্তু দেবীগ্রামে গিয়েও আপনাদের মনে পড়েনি, কিন্তু ধূর্জ্জটি রায়ের মনে পড়েচিল। পিশাচটাকে রাজমাতা ইন্দুমতী বন্দী করার পর তার উপরে ষষ্ঠ যন্ত্র হিসেবে রাধামাধবের বিগ্রহ বসিয়ে দেন, কিন্তু তার আগে যে পিতলের দণ্ডটা বসানো থাকতো, যেটা লম্ববেগাকে কাবু করার পর রাজা সম্বুদ্ধ আর রাজা অপারশক্তি এই বজ্রসিন্দুকে এঁটে দিয়েচিলেন এবং যেটা খুলে নিয়ে বিশ্বাসঘাতক রাজবর্মার অনুচর পিশাচটাকে মুক্ত করেচিলো, ঘটনার পর সেই দণ্ডটা গেল কোথায়? সেটা তো রাধামাধব বিগ্রহের মতো লম্ববেগা চুরি করেনি, কারণ সেটা ওই নিহত অনুচরের পাশেই পাওয়া গিয়েচিলো বলেই লেখা ছিল। সেই পিতলের দণ্ডটাকেই উদ্ধার করেন ধূর্জ্জটি রায়। তিনি সম্ভবত অনেক কিছুই খোঁজ রাখতেন। পিশাচের হিমনিদ্রার কথাও জানতেন। তিনি পিশাচ সমেত রাধামাধবকে নিজের হেফাজতে নিয়ে সুরক্ষিত রেখেচিলেন। সেই সঙ্গে ভেবেচিলেন, যদি কখনও এই রাধামাধব রূপী চাবিকাঠিটা খোয়া যায় এবং পিশাচটা মুক্তি পায় তবে বিকল্প উপায় কী হবে? ধূর্জ্জটি রায় নিজের অসামান্য চাতুর্য্যের পরিচয় দিয়ে সেই পিত্তলের দণ্ড, অর্থাৎ সাবেক চাবিকাঠিটা খুঁজে বের করেন এবং সবার চোখ থেকে লুকিয়ে রাখতে তার উপর নানাবিধ কাজ করিয়ে কামানের রূপ দেন। এইভাবে সবার সামনেই সেটা এতদিন পড়েচিলো।

    “এবার বলি, এই যে রাধামাধবের বিগ্রহ এবং এই কামানের নলটা, এদের মধ্যে চাবিকাঠি হবার কী গুণ আছে? শুধুই কি সম-আকারের প্যাঁচ? তা হলে তো যে কোনো দণ্ডকেই একই প্যাঁচমুখ তৈরি করে চাবি হিসেবে ব্যবহার করা যায়? তা নয়, বজ্রসিন্দুকের ষষ্ঠ যন্ত্র হতে গেলে যে দুটি অব্যর্থ শর্ত পূরণ করতে হবে তা হল, সমান প্যাঁচওয়ালা মাথা এবং একটা নির্দিষ্ট ওজন। ওজনের বেশি হেরফের হলে যতই সিন্দুকে এঁটে বসুক, ভিতরের কলকবজা প্রাণ পাবে না।”

    ইন্দ্র বিহ্বল হয়ে বললে, “মানে, রাধামাধবের বিগ্রহ আর এই কামানের নলটার ওজন এক? এটা কেমন করে ধরলেন?”

    “ধরলাম ধূর্জটিরই লেখা কুলমন্ত্র থেকে। যত তদন্ত এগোতে লাগলো, আমার মনে ধূর্জ্জটি লোকটির প্রতি ধারণা বদলে চলেচিলো, তাই ভাবলুম এইরকম একজন মানুষ কি শুধুমাত্র লোক দেখানোর জন্যই কুলমন্ত্রে ওসব কথা লিখেচিলেন? তখনই অন্ধকার সরে গেল! উনি গোটা মন্ত্রে রাধামাধবের বিগ্রহর নিখুঁত ওজনটাই বুঝিয়ে গিয়েচেন ইন্দ্ৰ!

    “—আধা মনে শ্রীমাধব, আধা মনে রাই, পূর্ণমনে ভর করে প্রতিষ্ঠি তাই; মাধব এবং রাধার ওজন আধ-মণ করে মোট এক মণ।

    “—এক ভরির বংশী দিলা, পাঁচ ভরির চূড়া, শতেক ভরি রত্নাদিতে রহিলেক ভরা— অর্থাৎ পুরো বিগ্রহটার ওজন দাঁড়ালো এক মণ-একশো ছয় ভরি। এটাই চাবিকাঠির নিখুঁত ওজন। বহুদিনে যৎসামান্য ক্ষয় হতে পারে ধরেই হয়তো ভরির হিসাবটাও ধরা হয়েছিল। ঠিক এই ওজনই ছিল মন্দিরের কামানটারও।

    “–তোমা হেন গুরু যদি থাকে কেহ হেন, রুদ্রনাদী নীলকণ্ঠ একমাত্র জেনো; এই গুরু অর্থ গুরুদেব নয়, গুরুত্ব অর্থাৎ ওজন। রাধামাধবের সমান গুরুভার যদি একমাত্র কেউ থাকে, সে হচ্চে ওই গলার কাছে ময়ূরকণ্ঠী কাজ করা নীলকণ্ঠ কামানটাই। যেটা এককালে সিন্দুকের চাবি ছিল।”

    আমি হতবাক হয়ে থেকে শুষ্ক কণ্ঠে শুধালাম, “কিন্তু তুমি মানদা পিসিমাকে কী করার কথা বলচিলে যা শুনে উনি রেগে গেলেন?”

    কালীপদ হেসে বললে, “রাগবেন কেন? উনিও ভীষণ ভালো অভিনয় করলেন। এই যে, সিন্দুকের মধ্যে চাবি আঁটার বিষয়টা কিন্তু যখন তখন করলেই আকাশ থেকে পিশাচের জন্য বজ্র নামবে না। গোটা বচ্ছরের মধ্যে এক এবং একমাত্র একটা সময়েই এটা করা যায়।”

    “কখন?” বলরাম কইলো।

    কালীপদ মুখে হাসি এনে বললো, “যখন যুদ্ধের মাঝে সন্ধি হয়। যুদ্ধবিগ্রহের মানে যদি যুদ্ধরতা দুর্গা হয় তবে তার যুদ্ধের মাঝে সন্ধি কখন হয়? সন্ধিপূজার সময়ে। তাও আবার কেবলমাত্র দুর্গাষ্টমীর সন্ধিলগ্নেই। যে নকলিকৃত নথিটায় পিশাচটার পরপর দুইবারের বন্দী হবার তারিখ লেখা ছিল বলেচিলাম, সেই দুটোই ছিল দুর্গাষ্টমীর সন্ধিক্ষণ। আমি পিসিমাকে কানে কানে বলেচিলাম আজ সন্ধি কখন লাগচে সেটা আমাকে কানেকানেই জানাতে, কিন্তু পিসিমা বোধহয় বুঝতে পেরেচিল যে এত গোপনীয়তা যখন করচি তখন পিশাচটা কাছাকাছিই ঘাপটি মেরে রয়েচে নিশ্চয়ই। পরপর দুইবার কানাকানি হলে সে সন্দেহ করবে। যা কুটিল মনের রাক্ষস, কিছুই বলা যায় না। পিসিমা ভিতর থেকে পাঁজি দেখে এসে ওইসব রাগের কথাগুলোর মধ্যে ‘অভিসন্ধি’ আর ‘সাতেপাঁচে’ শব্দদুটো দিয়েই ইঙ্গিতে জানিয়ে গেল যে আজকের সন্ধিপূজা আরম্ভ হবে ঠিক সন্ধ্যা সাতটা পাঁচে। আমি ডাক্তারের ট্যাঁকঘড়িটা এইজন্যই সঙ্গে রেখেচিলাম।”

    বাসুদেব রুদ্ধস্বরে কইলো, “বাপ রে বাপ! কী ভয়ঙ্কর! কিন্তু মন্দিরের দেওয়ালে যে পিশাচটাকে চিরতরে বধের জন্য সত্যিই সিন্দুক ভাঙার কথা লেখা ছিল ঠাকুরমশায়? তাহলে ভাঙলেন না কেন?”

    কালীপদ বহুদিন পর প্রাণখোলা হেসে উঠে বললে, “কারণ ততোটা পাগল আমি এখনও হইনি। শূন্য সিন্দুক ভাঙলেই যদি পিশাচটা মরতো, তবে রাজমাতা বা অপারশক্তি-সম্বুদ্ধ অত লড়াই করলেন কেন শয়তানটার সঙ্গে? সিন্দুক ভাঙলেই তো যেতো ল্যাঠা চুকে। তাছাড়া পিশাচটাকে হত্যা করা যায় না বলেই তো হিমনিদ্রার এত আয়োজন। সিন্দুক ভাঙলেই যদি বধ হয়ে যায় তবে তো কথাই ছিল না। তখনই বধ করতেন তাঁরা। আসলে নিজেকে সবচেয়ে বুদ্ধিমান ভাবা অপজীবরা বাকি সবাইকেই মূর্খ ভাবে। লম্ববেগারও এই অহঙ্কার ছিল। সে হতভাগা নিজেই ওসব লেখা লিখেছিল আমাকে বিপথে চালনা করার জন্য।”

    “কিন্তু ঠাকুর, আপনার কবচ থাকতে সে মন্দিরে ঢুকলো কী করে?”

    “কবচ আর ছিল কোথা? প্রণাম করার নাম করে ও কবচ হাত থেকে খুলে রেখে আমিই তাকে সুযোগ দিয়েছিলাম কিছু একটা ভুল করার। হতভাগাটা এতবড়ো শয়তান, আমার কবচ খুলে শেকড় বের করে আবার কী সব হাবিজাবি ভরে রেখেচে তাতে। পেটে পেটে কম শয়তানি তার? আনন্দে ডগমগ হয়ে আমাদের কথাবার্তা শুনতে শুনতে সে আসচিল সঙ্গে সঙ্গে। ভেবেচে গুণীনটাকে বোকা বানিয়ে সিন্দুকটা ভাঙাবে। আমিও তাকে তুষ্ট করার জন্য সে কথাই বলতে বলতে এলুম। যতক্ষণে সে সব টের পেলো ততক্ষণে সে ফাঁদে পড়েই গিয়েচে।”

    সবাই কালীপদর কথা বলার ধরনে হেসে উঠলো, শুধু বাসুদেব বাদে। তার চোখে জল। সে আমাদের দু-জনের হাত চেপে ধরে আবেগের স্বরে বললো, “আপনারা নিজের জীবন তুচ্ছ করে আমাদের জন্য যা করলেন, আমি যতদিন জীবিত থাকবো ততদিন বিস্মৃত হবো না। কিন্তু মুখুজ্জেমশায়, আমার গাঁয়ে রাধামাধবকে সকলে দেবজ্ঞানে ভক্তি করে। যদি তারা জানতে পারে যে এতদিন পূজা করা রাধামাধব আসলে একটা চাবিকাঠিমাত্র ছিল, তবে আমি তাদের মুখ দেখাতে পারবো না।”

    আমি তার হাতে চাপ দিয়ে কইলাম, “কথা দিলাম, এ কথা কেউ কখনও জানবে না।”

    বাসুদেব কৃতজ্ঞতার দৃষ্টিতে চেয়ে কইলো, “আমি যেদিন জীবিত থাকবো না, সেদিন যদি আপনারা জীবিত থাকেন, তবে এ কথা কাউকে বলতে বাধা থাকবে না। আমি অনুমতি দিয়ে গেলাম ডাক্তারবাবু।”

    আমরা ছাতের থেকে উঠে পড়লাম। কানাই আর ইন্দু মিলে সেই তোরঙ্গটা আবার মন্দিরের গর্ভগৃহে ঠেলে দিলে পর রাতেই মিস্ত্রি এনে বাসুদেব সেই বজ্রসিন্দুককে গেঁথে দিলো মেঝের সঙ্গে। শুধু কামানের নলটা সামান্য জেগে রইলো বৎসরে একবার তৈলস্নান করানোর জন্য। আমি ফিসফিস করে কালীপদকে কইলাম, “কিন্তু যদি সত্য সত্যই কখনও পিশাচ লম্ববেগা আবার মুক্তি পায়, তবে তাকে পরাস্ত করার বিধি ভবিষ্যতের মানুষ পাবে কোথা দাদা? ততোদিনে মানুষের বুদ্ধির ধার কেমন থাকবে, তা কে বলতে পারে? এইবারই তো হেঁয়ালির বহর দেখে ভয় পেয়ে ভেবেচিলাম পৃথিবীতে বোধহয় আর কেউই তেমনটি নাই, কিন্তু তুমি ছিলে বলেই এ যাত্রা রায়পরিবার রক্ষা পেল। কিন্তু অদূর ভবিষ্যতে?”

    “সে চিন্তা আমারও আছে ডাক্তার। হোক তারা ভবিষ্যতের মানুষ, তাদের রক্ষার্থে আমি কিছু সংকেত, কিছু নিশানা তৈরি করে যাবো। ভবাণীর তৈরি সংসারে সে যুগেও নিশ্চয়ই এমন কেউ থাকবে যে নিজের ক্ষুরধার বুদ্ধি দিয়ে সে সব সংকেত ভেদ করতে পারবে? নিশ্চয়ই পারবে।” কথাটা শেষ হতেই আকাশের এ মাথা, ও মাথা জুড়ে বজ্রের রেখা চলে গেল। সেই আলোতে একপলক তাকিয়ে মনে হলো যেন আকাশজুড়ে একজন বৃদ্ধা, পরণে মহার্ঘ্য পট্টবস্ত্র আর চোখে উন্নত চাহনি নিয়ে বিজয়িনীর হাসি হেসেই আকাশের আঁধারে মিলিয়ে গেল। কালীপদ সেদিকে চেয়ে হাত জোড় করে আত্মগত স্বরে বললো, “প্রণাম রাজমাতা।”

    ***

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমার বাবা রবীন্দ্রনাথ – রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    Next Article তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    Related Articles

    সৌমিক দে

    কালীগুণীন ত্রাহিমাম – সৌমিক দে

    March 20, 2026
    সৌমিক দে

    সর্বংসহ কালীগুণীন – সৌমিক দে

    March 20, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Our Picks

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026

    আমার বাবা রবীন্দ্রনাথ – রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }