Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026

    আমার বাবা রবীন্দ্রনাথ – রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    সৌমিক দে এক পাতা গল্প168 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ফস্কাগেরোর গণ্ডী

    ইন্দ্র ওষুধের মোড়কটা খুলে অবধি বিস্ময়ে নির্বাক হয়ে গিয়েচিল!

    মোড়কটায় একখানা কালো সূতোয় বাঁধা তাবিজ রয়েচে! নূতন নয়, বহু ব্যবহৃত বলেই মনে হচ্চে! ইন্দ্র হতবাক হয়ে চিন্তা করতে করতে ফটকের থেকে বেরোতে যেতেই ফটকে ভারী শিকলের আওয়াজ হল। কে যেন শিকল নাড়চে বাইরে থেকে। ইন্দ্র ফটকের ছোটো কপাটের লোহার অর্গলটা খুলে দিয়েই বিস্ময়ে বলে উঠলো, “এ কী! ডাক্তারবাবু, আপনি? এ সময়ে? আরে ভিতরে আসুন। কী আশ্চর্য কথা বলুন তো, আমি সদরে গিয়ে টেলিফোন করতুম আপনাকে আজই। একটা ওষুধের মোড়কের ভিতরে ওষুধের জায়গায় ভুল করে অন্য জিনিস চলে এসেচে! ওষুধ ছিল না!”

    “ওইটেও ওষুধই ছিল। যে রোগের যে ওষুধ।”

    গম্ভীর, ভরাট স্বরের এই উত্তর শুনে ইন্দ্র অবাক হয়ে তাকাতেই ডাক্তারবাবু মুচকি হেসে একটু সরে যেতে তার পিছনের ছোটো ফটক থেকে ভিতরে পা রাখলো এক দীর্ঘদেহী, বলিষ্ঠ প্রৌঢ় মানুষ। পরণে শ্বেতশুভ্র কামিজ আর ধুতি, গলায় গুটিকতক রুদ্রাক্ষের মালা, কবজিতে কালো পুঁতির মালা জড়ানো। চোখে দৃঢ় আত্মবিশ্বাস আর সরলতার যুগপৎ দৃষ্টি!

    ইন্দ্ৰ আগন্তুককে দেখে মনে মনে বিস্মিত হয়ে মুখে শুধালো, “আজ্ঞে আপনি?”

    “ব্রাহ্মণ। নাম কালীপদ মুখুজ্জে। নিবাস রায়দীঘড়া। গতকাল যখন তুমি এঁকে সব কথা বলচিলে, তখন আমি আর কানাই ভিতরে বসেচিলাম। সব শুনে আমার হাতের মণিবন্ধের কবচখানা ডাক্তারকে বলে তোমার ওষুধের মোড়কে ভরে দিয়েচিলাম। এ কবচ আমি এখনই আর ধারণ করতে পারবো না যদিও। কানাই এইটে যত্ন করে তোর ট্যাঁকে রেখে দে এখন। আমার মন বলচিল শয়তানটা তখনই নিষ্ক্রিয় থাকলেও ফেরার সময়েই তোমার প্রাণবধ করবে।”

    “ফেরার সময়ে মানে? সে কি আমার সঙ্গে শহরেও গিয়েচিল নাকি?”

    “হাঁ, শুধু শহরে নয়, হাসপাতালে ডাক্তারের ঘরের বাইরেই একটা গাংশালিখ হয়ে বসেচিল ওৎ পেতে। আমি জানালা দিয়ে দেখেচি তাকে। কলকাতার গাছে গাংশালিখ, যত্তোসব অনাসৃষ্টি কারবার।”

    যৌবনের নিয়ম হলো, সে ভূতের কথা শুনতে ভালোবাসে, কিন্তু ভূতে বিশ্বাস করে না। তন্ত্রমন্ত্রের কাহিনী শুনতে ভালোবাসে, কিন্তু তাবিজ, কবচ, গুণীনে বিশ্বাস করে না। কালীপদকে দেখে ইন্দ্র প্রথম দর্শনেই কেন যেন মুগ্ধ হয়ে গিয়েচিল। তার মনে হলো, এই লোক বড়ো যেমন তেমন লোক নন। তার দেওয়া কবচটা থাকার কারণেই যে অমন ভয়ঙ্কর রাক্ষসটা আপাতঃ রণে ভঙ্গ দিয়েচে, সে কথাও তো ঠিক। ইন্দ্রর পিছু পিছু কালীপদ, আমি আর কানাই সর্দার ভিতরে প্রবেশ করলাম। খবর পেয়ে বলরাম এসে আমার সঙ্গে কুশল বিনিময় করলো, তারপর কালীপদর পরিচয় পেয়ে তার মুখে সম্ভ্রম আর অপার ভরসার একটা ভাব ফুটে উঠলো। সে সম্ভ্রম কেবল কালীপদ ডাকসাইটে গুণীন বলেই নয়, একজন এতবড় জমিদার তার গৃহে অতিথি হয়েচেন বলেও বটে। বলরাম লোকটা যে শৌখিন এবং পরিশ্রমী মানুষের যুগপৎ সহাবস্থান, তা কালীপদর চোখ আর নাকে ধরা পড়লো। হাতের পেশী আর বুকের পাটা বেশ মজবুত আবার মাথা থেকে শৌখিন লক্ষ্মীবিলাস তৈলের আঘ্রাণ আসচে। প্রথম আলাপেই বলরাম বিস্মিত হয়ে বলেচিল, “রায়দীঘড়ার জমিদার? আপনি তবে বিষ্ণুচরণ মুখুজ্জের ভাই? কী আশ্চর্য! তাঁর সঙ্গে আমার বিলক্ষণ আলাপ রয়েচে। তিনি এ বাড়িতেও একবার এসেচেন সরযূদেবীকে নিয়ে। আপনার বহু কথা শুনেচি তার মুখে। কী কী সে বলেচিল শুনবেন?”

    কালীপদ শশব্যস্ত হয়ে বললো, “কে বলেচিল? দাদা না বৌদিদি?”

    “সরযূ, আপনার বৌদিদি।”

    কালীপদ অনেকটা নিশ্চিন্ত হয়ে বললো, “ওহহ। বলুন তবে।” আমি অতি কষ্টে হাসি সংবরণ করে মুখ তুলতেই দেখি কালীপদ কটমট করে চেয়ে রয়েচে আমার দিকেই। কিছুক্ষণ পর বলরামের থেকেও বহু আনুপূর্বিক তথ্য সংগ্রহ করে আমরা আমাদের জন্য নির্দিষ্ট করা কক্ষে প্রবেশের জন্য উঠে দাঁড়ালাম। মার্বেলের কারুকাজ করা মেঝেযুক্ত প্রশস্ত বারান্দায় দাঁড়িয়ে নীচের দিকে চেয়ে উঠানের কালীমন্দিরের পাশের শাণ বাঁধানো মেঝেটার দিকে একটা জায়গায় তাকিয়ে কালীপদ সামান্য ভ্রু কুঞ্চিত করলো দেখে ইন্দ্র কইলো, “ওই জায়গাটাতেই দাদাইকে ছুঁড়ে ফেলেচিল শয়তান খুনীটা। আমি ছাতে তাকিয়েও কিছু দেখতে পাইনি জানেন?”

    কালীপদ শ্বাস ফেলে বলল, “তার আর আশ্চয্যি কি বাবা, একে ছিল অমাবস্যা, তায় ঝুপসি গাছের ঝাড়, দেখা কি আর যায়?’

    ইন্দ্র আক্ষেপের সুরে বললে, “তা ঠিক ঠাকুরমশায়, দাদাই মুখের কথাটুকু ছাড়াও কী যেন ইশারাতেও দেখাতে চেয়েচিলেন ছাতের দিকে তাকিয়ে, কিন্তু আমি চকিতে তাকিয়েও গাছের পাতার রাশির মধ্যে দিয়ে কয়েকটা নক্ষত্র ছাড়া কিছুই দেখতে পাইনি। কিছু থাকলে তো দ্বারবান দু-জনও দেখতো নিশ্চয়ই, কারণ তারা সে সময়ে আততায়ীর সন্ধানে ছাতেই উঠেচিল।”

    কালীপদ আত্মগত স্বরে বললে, “সে কথা নিশ্চয় করে বলা যায় না যে দ্বারবানরা বা তুমি দেখোনি বলে কেউ ছিল না ছাতে। এই পিশাচ যা অসম্ভব ধুরন্ধর বুঝচি, সে নিজেকে ওভাবে ধরা দেবে ভেবেচো? এর খলবুদ্ধির সঙ্গে কতখানি এঁটে উঠবে তাই-ই শুধু ভাবচি।”

    আমাদের বিশ্রাম নিতে দিয়ে ইন্দ্র আগেই বলে রাখা জলযোগের তদারক করতে নীচে গেলে পর কালীপদ কপালের রগ টিপে কী যেন চিন্তা করতে থাকলো। কানাই নিজের পেতলে বাঁধানো সড়কিটা দরজার পাশে জোব্বা ঝোলানোর আলনাতে ঠেস দিয়ে রেখে কৌচের উপরে বসলো। আমরা বসলাম প্রকাণ্ড পালঙ্কের একাংশে। আমি কইলাম, “সবে সবে তো এলুম। এখনই এত পাহাড় প্রমাণ রণকৌশল চিন্তা না করে ঠিক হয়ে বসো দাদা।” কালীপদ একটু ক্ষুণ্ণ হয়ে বললে, “তোমার যেমন কথা ডাক্তার! ওসব পরের কথা, আমি ভাবচি অন্য কথা। বলরাম রায় আর তার ছেলের কথার মাঝে কী একটা জরুরি কথা যেন হারিয়ে গেল! ধরেও ধরতে পারলুম না হে।”

    বিভা অলৌকিক সিরিজ

    “কী কথা? মৃত্যুগুলোর যা বৃত্তান্ত শুনলাম, সেই সম্বন্ধীয়?”

    “নাহ।”

    “তবে? দেবনগরের রায়বাড়ির সম্বন্ধে?”

    “আহহ, সে বাড়ি তো দেখিইনি, তার ফাঁকফোকর আমি ধরবো কেমন করে? ওসব নয়।”

    ইতিমধ্যে নীচ থেকে বলরাম এসে জলযোগের জন্য অনুরোধ করলে পর আমরা গাত্রোত্থান করলাম। কালীপদ কইলো, “রায়মশাই, কানাইয়ের জন্য নীচে ঘর দেবার আবশ্যকতা নাই, ও আমাদের কক্ষেই বেশ থাকবে।”

    “যে আজ্ঞা ঠাকুরমশাই। আপনার আপত্তি না থাকলে আমার কী? আমার দ্বারবানেরা এমনিই বাইরে প্রহরা দেয়, আপনার ঘরেও একজন রইলে ভালোই হবে।”

    কালীপদ ভ্রু তুলে কইলো, “মাপ করবেন রায়মশাই, আমার কানাই দ্বারবান বা প্রহরী নয়। কানাই কী জানেন? লেঠেল… লেঠেল। যে লেঠেলদের লাঠির ভয়ে মোগল সেনাপতি মীর জুমলাও আতঙ্কিত থাকতো। দুটো বিষয়কে এক করবেন না।”

    বলরাম অত্যন্ত লজ্জিত হয়ে বললে, “আপনি বরং আমাকে মাপ করুন ঠাকুর। আমার ভুল হয়েচে।”

    আমি পরিস্থিতি সামাল দেবার জন্য অকারণেই হোঃ হোঃ করে একগাল হেসে কইলাম, “আরে ঠিক আছে রায়মশাই। কানাই থাকুক উপরেই। ওর জোর তো জানেন না, ওই পেতলের সড়কির ঘা ব্রহ্মতালুতে খেলে ওই পিশাচ অবধি দিনের আলোয় আকাশের তারা দেখবে। অশরীরী হলে আলাদা, কিন্তু শরীরধারী হলে রক্ষা নাই তার। পা খামচে যখন তাকে স্পর্শ করা গিয়েচে, তখন শরীর তো একটা রয়েচেই তারও। হাঃ হাঃ হাঃ।” বলরাম প্রায় লাফিয়ে উঠে চিৎকার করে উঠলো, “কী সর্বনাশ! কার পা? কে ধরলে?”

    আমি তাড়াতাড়ি প্রসঙ্গ বদলে ফেললাম। বলরাম এগিয়ে গেলে পর কালীপদ আমার কানে ফিসফিস করে বললো, “অমন হ্যা হ্যা করে হাসচো কেন কথায় কথায়? তুমি না একজন চিকিৎসক? শোকের বাড়ি, রোগীর বাড়ি যা হোক। এসেচো পর থেকে শুধু গল্পই করে চলেচো হাঁ করে রোগীনির কাছে তো একবার গেলে না কৈ? আর ভালো কথা, তোমার শেষ কথাটাতেই ওই হারিয়ে যাওয়া কথাটা আবার মনে পড়ে গিয়েচে। ধন্যবাদ। চলো, খেতে খেতে বলচি।”

    আমি বিরক্ত হয়ে একটাও কথা না বলে আহার-কক্ষে গিয়ে ঢুকলাম। কানাই নিজের জলখাবার নিয়ে রোয়াকে আরাম করে বসলো। দুই চারজন দ্বারবান তার সঙ্গে আলাপ জমানোর জন্য উশখুশ করতে লাগলো। আমরা খাওয়ার জলচৌকিতে বসলাম। খাঁটি গাওয়া ঘিয়ের সুবাসে মনটা হালকা হয়ে গেল। বিরাট বড় কাঁসার ফুলকাটা নকশী বগিথালা জুড়ে ঈষৎ স্বর্ণাভ বর্ণের ঘৃতপক্ক লুচির দিস্তা। থালার এক কোণে আট-দশ টুকরো বেগুনভাজা। থালার বাইরে দুইখানি বড় পদ্মবাটিতে নারিকেল কুচি দেওয়া হিংগন্ধী ছোলার ডাল আর অপরটিতে নৈনিতাল আলু আর কড়াইশুঁটি দিয়ে সদ্য ওঠা ফুলকপির ডালনা। সঙ্গে তিনটি করে ঘরে বানানো ছানার সন্দেশ।

    সেসব গলাধঃকরণ করতে করতে কালীপদ ইন্দ্রকে কইলো, “তুমি যে বললে রাধাকান্ত রায় মুখের কথা ছাড়াও ইশারাতে কিছু দেখাতে চেয়েচিলেন, তো তার মুখের কথাটা কী ছিল তা তো বললে না?”

    “সে আর কী বলি ঠাকুরমশায়, নিজেই তো কিছু বুঝলাম না। উনি ফিসফিস করে বললেন— ‘তারা, পাতা, জল / কোথা পাবি বল?/ চোখ ছলছল?’, ছাতে ঝুঁকে পড়া গাছে পাতাও ছিল এবং তার ফাঁক দিয়ে গুটিকতক তারাও দেখা গিয়েচিল বটে, কিন্তু জল কোথা?”

    কালীপদ আত্মমগ্ন হয়ে বললে, “ভাবতে হবে। মৃত্যুপথযাত্রী মানুষ কখনও অবান্তর কথা কয় না। আমরা বুঝতে পারিনে, সে আমাদের দোষ।”

    বলরাম হাতজোড় করে কইলো, “কিন্তু ঠাকুর, একটা বড় ধন্ধ রয়েচে। শয়তানটা আদৌ কোনো পিশাচ, নাকি রুষ্ট হওয়া রাধামাধব স্বয়ং, তাও বুঝচি নে। ও বাড়ির বৌঠান যেদিন কূয়ার কাছে মারা যান, তিনি রাধামাধবের ভোগের প্রসাদ নিয়ে গিয়েচিলেন কেন? কার জন্য?”

    কালীপদ একটু ভেবে বললে, “তা বলতে পারিনে, তবে দেবতাকে উৎসর্গ করা প্রসাদ আবার কেউ সেই দেবতার জন্যই নিয়ে যায় শুনিনি কখনও।

    জলযোগান্তে আমরা তিনজন এবং ইন্দ্র প্রশস্ত ছাতে উঠে ঘুরে ঘুরে দেখচি, কালীপদ ছাতস্পর্শী গাছের কাছে আততায়ীর দাঁড়ানোর সম্ভাব্য জায়গাটা অনুমান করে বিড়বিড় করে নিজের মনে বললে, “তারা, পাতা, জল / কোথা পাবি বল?/ চোখ ছলছল?”

    এর অর্থ কী?

    কানাই তার কর্তাবাবার মুখের দিকে অবাক হয়ে চেয়ে ফিক্ করে হেসে আমাকে নীচু স্বরে কইলো, “কর্তাবাবাকে এর আগে কখনও এসব বলতে শুনিনি ডাক্তারবাবু।”

    আমি ললাটে ভাঁজ ফেলে বললাম, “বুঝলাম না কানাই, কী বলতে শুনিসনি?”

    “এইসব জামাই ঠকানো রহস্য।”

    কালীপদ আনমনা থাকলেও আমাদের কথা কিছু কিছু শুনেচে। সে প্রশ্ন করতে কানাই অপ্রতিভ হয়ে বললো, “আজ্ঞে কর্তাবাবা, আপনি এখুনি যেটা কইলেন, সেইটে নূতন জামাইকে ঠকানোর বহু পুরোনো প্রশ্ন। শেষের কথাটা শুনিনি কখনও, তবে আসল প্রশ্নটা হবে— কোন জায়গায় পাতা আছে কিন্তু গাছ নাই, জল আছে কিন্তু মেঘ নাই, আর তারা আছে কিন্তু আকাশ নাই?”

    কথাটা বলে কানাই তার কর্তাবাবার দিকে উত্তরের আশায় থেকেই পরক্ষণে পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে তড়িঘড়ি বললে, “উত্তরটা হবে চোখ।” কালীপদর ললাট একটু কুঞ্চিত হয়েই নিপাট হয়ে গেল! তার মুখে খুশির আভাস। কানাইয়ের পিঠে চাপড় দিয়ে কইলো, “শাবাস কানাই, শাবাস।”, আর তারপরই মুখে সামান্য দুশ্চিন্তার ছায়া এনে বললো, “শেষের অংশটার মানেটাও বুঝতে পেরেচি এতক্ষণে ডাক্তার। বুঝেচি কার চোখ ছলছল করেচিল সে রাতে। সতর্ক না থাকলেই বড়ো বিপদ!”

    আমি এরপর শত চেষ্টা করেও কালীপদর মুখ থেকে একটা রা কাড়তে পারলাম না। অপরাহ্নে কালীপদ গোটা রায়বাটীর চৌহদ্দিতে বাঁধন দিয়ে দিলো, সঙ্গে নিলো বলরামকে। একটি বড় তাম্রপাত্রে মন্তরপড়া জল নিয়ে, আঙুলে কুশ বেঁধে, শেষ বেলার সূর্যের দিকে চেয়ে জলছড়া দিতে দিতে পশ্চিমের দিকে বিড়বিড় করে বলতে থাকলো-

    “ওঁ শ্রীভাস্করায়া সবিতায়া বিদ্যহে,
    বন্ধনম রক্ষঃ মহাদ্যুতিকরায়াঃ
    ধীমহি তমো আদিত্য প্রচেদয়াৎ।”

    দক্ষিণে জলছড়া দিয়ে বললে, “ওঁ শমনায় ধর্মাধিকরায় কালাকাল বিদ্যহে, বন্ধনম রক্ষঃ আদিত্যসূতায় প্রচেদয়াদ।”

    একইভাবে পূর্বের বাঁধনে, “ওঁ ধরণীদেহা দিব্যশঙ্খ তুষারাভম্ বিদ্যহে, বন্ধনম রক্ষঃ শন্তোমুকুটভূষণম প্রচেদয়াৎ”, এবং উত্তরে অনুরূপ পবনকে রক্ষাকর্তা মেনে বাঁধন দেওয়া হল। আমি প্রথমে পশ্চিমে সূর্য এবং পূর্বে চন্দ্রকে রাখতে দেখে অবাক হলেও পরে অনুমান করলাম, তাদের অপরাহ্নিক অবস্থান দেখেই বাঁধন কাটা হয়েচে, এবং চাঁদকে ধরণীদেহা বলার কারণ শুনলাম, তন্ত্রমতের একটা ধারায় নাকি বলা হয় যে চাঁদ একসময়ে পৃথিবীরই অংশ ছিল, পরে কোনো মহাজাগতিক অভিঘাতে তা ছিটকে যায় অন্তরীক্ষ্যে।

    কালীপদ বাঁধন দেবার পর সকলকে ডেকে সতর্ক করে দিলো, “শোনো, এ বাড়ির এই বাঁধনের বাইরে সায়ংকালের পর কেউ বেরোবে না। এই গণ্ডীর ভিতরে পিশাচটা প্রবেশ করতে পারবে না সূর্যোদয় অবধি। আর একটা কথা, গণ্ডীর মধ্যে থাকলে আলাদা কথা, কিন্তু গণ্ডীর বাইরে মনভুলান্তে বেরোলেও সামনে যত চেনা মানুষই ডাকুক, তার চোখের দিকে চাইবে না। ভালো করে মনে রাখবে আমার কথা।”

    বাড়ির সকলে সে কথা একবাক্যে মেনে নিয়ে পণ স্বীকার করলো।

    সন্ধ্যায় রায়বাটীর দ্বিতলের টানা বারান্দায় দু-খানা বঙ্গলক্ষ্মীর হারিকেনবাতি জ্বেলে দিয়ে গিয়েচে ভৃত্যরা। রাজ্যির শ্যামাপোকা এসে ধুঁয়া নির্গমনের ফাঁকা দিয়ে ঢুকে পুড়ে মরচে তাতে। বাইরে কারোর গরু পথ হারিয়ে ওম্মা ওম্মা করে ডাকচে। উঠোনেও কতকগুলো হ্যাজাকবাতি রয়েচে, তাতে গৃহ প্রাঙ্গণ ভালোই আলো হয়েচে, কিন্তু সেই আলোর পরিধির বাইরে চোখ অন্ধ করা আঁধারের পানে চাইলে বুকটা ছ্যাঁৎ করে ওঠে! যেন কোনো হিংস্র অপশক্তি আঁধারের ভেক ধরে গিলে খেতে চাইচে বাড়িটাকে, কিন্তু এক লৌহচিত্ত বজ্রকঠিন মানুষের ভয়ে ওৎ পাতা অবস্থা থেকে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারচে না! ঝিঁঝিঁপোকার আওয়াজে কান পাতা দায়। আমি বললুম, “দাদা, গণ্ডীর বাইরে চেনা মানুষেরও চোখের দিকে চাইতে নিষেধ করলে কেন?”

    “কারণ তার চোখের পানে চাইলেই সম্ভবত শিকারকে বশবর্তী করে ফেলার বিদ্যা তার রয়েচে। এই ধরনের পিশাচদের অনেকগুলি জাত রয়েচে। কখনও বেতাল, কখনও বুড়া, কখনও ভুলো, নিশি বা আরও কিছু। কোনো অপশক্তির মোকাবেলা করতে সেই শয়তানটার সঠিক জাত চেনাটা বড় জরুরী। তবেই তার ক্ষমতা আর দুর্বলতাগুলো জানা যায়। তবে যে জাতের পিশাচই হোক, কেউ যদি তার মায়াজাল সৃষ্টির আগেই তাকে পিশাচ বলে চিনে নেয়, তবে তার উপরে মায়ার জারিজুরি আর কাজ করে না। এ একেবারে ধ্রুব সত্য।”— একটু থেমে কালীপদ বলরামের দিকে চেয়ে আবার বললো, “আপনার পিতৃদেব মরণকালে সেই ইশারাই দিয়ে গিয়েচিল রায়মশাই। সেই পিশাচকে সে হয়তো ছাতে দেখতে পাচ্চিলো, তাই ঘুরিয়ে বলা ছাড়া তার উপায়ান্তর ছিল না।

    “তারা, পাতা আর জল দিয়ে সে চোখের কথা বলতে চেয়েচে, কিন্তু খটকা ছিল শেষের কথাটা নিয়ে, কিন্তু এখন আর নেই। চোখ ছলছল অৰ্থ, ওই শয়তানের চোখের দৃষ্টিতে ছল রয়েচে। হয়তো কোনো চেনা মানুষের ছদ্মবেশে তাকে ভুলিয়ে ছাতে নিয়ে গেছিল শয়তানটা এবং সেটা রাধাকান্ত রায়ের মতো বিচক্ষণ মানুষ মৃত্যুর আগের মুহূর্তে ধরে ফেলেচিল, কিন্তু ততক্ষণে বড় দেরি হয়ে গিয়েচে।”

    ইন্দ্র হতভম্ব হয়ে বললে, “এই কথাই বলতে চেয়েচিল দাদাই? আমাদের সতর্ক করার জন্য? হা ঈশ্বর! এখন আমারও মনে হচ্চে আপনার কথাই সম্ভবত ঠিক।”

    কালীপদ বিমনা স্বরে বললো, “সম্ভবত নয় ইন্দু, অভ্রান্ত। আরও প্রমাণ দিচ্চি। শঙ্কর লেঠেল যখন খুন হয় এবং তোমরা তার শেষাবস্থায় ছুটে যাও, তখন সে তোমার বাপকে দেখিয়ে জল চায় এবং পরমুহূর্তেই তাকে ঠেলে সরিয়ে দেয় ক্ষোভে। অসহায় অবস্থায় যার কাছে জল চাওয়া হয়, তাকে কি কেউ দূরদূর করে বাছা? কৈ আর কারুকে তো সে সরিয়ে দেয়নি? আসলে রায়মশাইয়ের উপর তার ভরসা ছিল না। তার কারণ এই নয় যে রায়মশাই ঘর ছেড়ে সাহস করে বেরোননি। শঙ্কর নিজেই তো নিষেধ করেচিল বেরোতে। আমার মনে হয় ঐ ভেকধারী পাষণ্ডটা রায়মশাইয়ের রূপ ধরেই শঙ্করকে ভুলিয়ে নিয়ে গিয়েচিল বধ্যভূমিতে।” বলরাম কেঁপে উঠে মুখ ঢাকলো আর শিশুর মতো ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠলো। কালীপদ নরম কণ্ঠে কইলো, “উতলা হবেন না রায়মশাই, সে আপনার রূপ ধরে নরবধ করেচে, তাতে আপনার কী দোষ? কাল আমার রূপও নিতে পারে। এতে কোনো গ্লানি নেই।”

    বলরাম চোখ মুছে ধরা গলায় কইলো, “শেষ সময়ে আমার কাছে জল চেয়েচিল হতভাগা। সেটুকু দেবারও সময় দিল না। বুকে তেষ্টা নিয়ে চলে গেল।”

    ইন্দ্র মাথা নীচু করলো। কালীপদও বিষণ্ণ স্বরে বললো, “শঙ্কর নিঃসন্দেহে বড়ো কষ্ট পেয়ে মরেচে, কিন্তু মরার আগেও নিজের কর্তব্য করে গিয়েচে রায়মশাই। সে আপনার কাছে জল চায়নি। সে মরার আগে আপনার দিকে আঙুল দেখিয়ে জড়ানো গলায় বলে গিয়েচে ছল, ছল। ঠিক যেমনটি রাধাকান্ত বলেচিলেন। শঙ্কর তখনও ধন্ধে ছিল আপনিই আসল বলরাম রায় কিনা। তাই বলচি, আমার অনুমান বোধহয় মিছে নয়।”

    নীচ থেকে সান্ধ্য জলপানের ডাক এলে পর সকলে উঠলাম। কালীপদ কইলো, “তোমরা যাও, আমি স্তব সেরে আসচি।”

    বসামাত্র রাঁধুনি তড়িঘড়ি ছুটে এলো আহার্য্য নিয়ে, আর সেসব সাজিয়ে দিয়ে চলে গেল। জলপানের ব্যাবস্থা আহামরি না হলেও মন্দ নয়। জামবাটি ভর্তি আমতেল দিয়ে মাখা মুড়ি, গরম গরম বেগুনী আর গোটাকতক ফুলুরী, কাঁচালঙ্কা, ডালবড়া আর আখের গুড়ের চা। কালীপদর জন্য খুব বেশিক্ষণ অপেক্ষা না করে গরম গরম সদ্ব্যবহার করার লোভে আমি একটু পরেই একখানা বেগুনী তুলে নিতে বলরাম হেসে বললো, “শুরু করুন, দ্বিধা করবেন না। ঠাকুর এলে গরম ভেজে দেবেখন দুলাল।” কালীপদ তিনবার গুরুমন্ত্র জপ করে, প্রণাম সেরে নীচে নামতেই দেখলো একজন পরিচারক উঠান পেরিয়ে চলেচে। তার চলার দিকে তাকিয়ে কালীপদ হাঁকলো, “এইও, শোনো একবার।”

    সে শুনতে পেলো না দেখে কালীপদ ছুটে গিয়ে তাকে ধরে মুখের দিকে চেয়েই চমকে বললো, “কী সর্বনাশ!”

    নিজের তর্জনীটা তার কপালে চেপে ধরতেই লোকটা ছটফট করে সুপ্তোত্থিতের মতো যেন জেগে উঠে বললো, “ধলি কোথা?”

    “কে ধলি? অ্যাঁ? ধলিটা কে?”

    “ঠাউরমশায়, ধলি আমাদের গোহালের গাই। একটু আগেই দ্যাখলাম কলাবনের কাছে কী করে যেন ছাড়া পেইয়ে চলি গিয়েচে। আপনি উঠানের বাইরে যাতি মানা করিচেন, আমি ভাবলাম ধলিরে নিয়া আসি, কেউ ডাকলি না তাকালিই হইলো। ধলিরে আনতি গিয়া দেখি সে নড়চড়ে না, শুধু ডাকতিচে। আমি তার মুখির পানে তাকাতি সে ডাক বন্ধ করলে পর দ্যাখলাম, ও ভগমান! তার চোখ দুইটা ভাঁটির মতো জ্বলতিচে। তারপর আর কিছু মনে নাই ঠাউর।”

    কালীপদ তাকে মরিয়া হয়ে ঝাঁকিয়ে চাপা গলায় বললো, “সে শয়তান যাদু করেচিল তোকে হতভাগা। এই সময়ের মধ্যে কী কী করেচিস তুই বল শিগগির?”

    “আমি কী করবো ঠাউর? এই তো এখুনি ঘটলো হেইডা।”

    “হতভাগা, এখুনি নয়, আমরা যখন উপরে বসে কথা কইচি তখনই কলাবন থেকে গরু ডাকচিল। এতক্ষণ সময় সম্মোহিত করে তোকে দিয়ে নিশ্চয়ই কিছু করিয়েচে রাক্ষসটা। তুই এ বাড়িতে কী কী কাজ করিস?”

    “ঠাউর আমি পাচক।”

    “রাঁধুনি! হা ভগবান!”; কালীপদ ঝড়ের মতো ছুটে এসে ঢুকলো খাবার ঘরে আর আমার হাতে তোলা বেগুনীটা এক টানে ছিনিয়ে নিয়ে ছুঁড়ে ফেলে দিল মেঝেতে! আমরা কিছু বলার আগেই ইন্দ্ৰ বোধহয় কতকটা বুঝতে পেরেছিল ঘটনাটা। সে লাফিয়ে উঠে বললে, “রান্নাঘর এইদিকে ঠাকুর।”— কালীপদ তার পিছন পিছন গিয়ে ঢুকলো রান্নাঘরে আর খুঁজে খুঁজে পেতলের জলের বালতিগুলোর পাশ থেকে কয়েক টুকরো জড়িবুটির মতো জিনিস তুলে নিরীক্ষণ করে এতক্ষণ ধরে রাখা শ্বাসটা ফেলে ক্লান্ত স্বরে কইলো, “প্রাণমুগরোর কাঁচা শেকড়! নাহহ, এ সর্বনাশা পিশাচের পাল্লা নেওয়া আমার কর্ম নয় ডাক্তার। একটু হলে কানাই আর তোমাকেও হারাতে বসেচিলাম আজ। প্রতিটা মুহূর্তে সজাগ না থাকলেই দানবটা ঠিক বাসরঘরের ছিদ্র খুঁজে ছোবল মারচে! এই দেখো না, গণ্ডীর বাইরে থেকেও ঠিক একটু হলেই তোমাদের বধের আয়োজন করেচিল সে।”

    একটু থেমে বললে, “কাল একবার রাধাকান্তর ঘরটা আর তার পুঁথিপত্তরগুলো দেখবো রায়মশাই। তিনি নাকি আপনার পরিবারের প্রাচীন ইতিহাস নিয়ে গবেষণা করতেন? দেখি সেখানে কিছু পাওয়া যায় কিনা। আর বেলাবেলি আহারের পর একবার দেবনগর যাওয়া দরকার। আপনারাও সঙ্গে যাবেন। দেখি কার কথায় কী সূত্র পাই আদৌ। বাকি ভবাণীই ভরসা।”

    রাতে একবার ইন্দ্রর মাকে দেখে এলাম। ওষুধ খেয়ে এখন অনেকটাই সুস্থ। নূতন ঔষধ না দিয়ে এক ফাইল রক্তশোধক সারিবাদি-সালসা আর কুমারেশের লিভার টনিক একখানা আনিয়ে নিতে বললাম। রাতে শুয়ে সম্ভব-অসম্ভব এটা-সেটা ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে পড়লাম অবশেষে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমার বাবা রবীন্দ্রনাথ – রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    Next Article তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    Related Articles

    সৌমিক দে

    কালীগুণীন ত্রাহিমাম – সৌমিক দে

    March 20, 2026
    সৌমিক দে

    সর্বংসহ কালীগুণীন – সৌমিক দে

    March 20, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Our Picks

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026

    আমার বাবা রবীন্দ্রনাথ – রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }