Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – স্টিফেন হকিং

    স্টিফেন হকিং এক পাতা গল্প258 Mins Read0
    ⤶

    ১১. উপসংহার

    ১১. উপসংহার (Conclusion)

    আমরা দেখতে পাই একটি বিভ্রান্তিকর জগতে আমাদের বাস। আমাদের সবদিকে আমরা যা দেখতে পাই আমরা চাই তার একটি অর্থ খুঁজতে আর প্রশ্ন করতে চাই : এই মহাবিশ্বের ধর্ম (nature) কি? এখানে আমাদের স্থান কি? কোথা থেকে এটা এল? আমরাই বা এলাম কোথা থেকে? পৃথিবীটা যেমন, কেন তেমন হল?

    ।এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দেয়ার জন্য আমরা একটি বিশ্বচিত্র” (world picture) গ্রহণ করি। বহু কচ্ছপ দিয়ে তৈরি অসীম উচ্চ একটি স্তম্ভের উপর সমতল পৃথিবী স্থাপিত রয়েছে যেমন, সেরকম একটি চিত্র, অতিতন্তু (super string তত্ত্বও তেমনি একটি চিত্র। দুটিই মহাবিশ্ব বিষয়ক তত্ত্ব তবে প্রথম তত্ত্বটির তুলনায় শেষেরটি অনেক বেশি গাণিতিক এবং স্পষ্টরূপে নির্দিষ্ট (precise)। দুটি তত্ত্বের কোনটির সপক্ষেই পর্যবেক্ষণলব্ধ সাক্ষ্য নেই; বিরাট একটি কচ্ছপ পৃথিবীকে পিঠে করে রয়েছে এরকম কেউ কখনো দেখেনি কিন্তু একটি অতিতন্তুও কেউ দেখেনি। তবে কচ্ছপতত্ত্ব একটি উত্তম বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব হয়ে উঠতে পারেনি, তার কারণ এ তত্ত্বের ভবিষ্যদ্বাণী অনুসারে পৃথিবীর কিনারা থেকে পড়ে যাওয়া সম্ভব। এ ভবিষ্যদ্বাণীর সঙ্গে অভিজ্ঞতা মেলেনি অবশ্য যারা বারমুডা ত্রিভুজে (Bermuda Triangle) অদৃশ্য হয়েছেন বলে অনুমান করা হয় তাদের সেই অদৃশ্য হওয়ার ব্যাখ্যা যদি পৃথিবীর কিনারা থেকে পড়ে যাওয়া না হয়।

    মহাবিশ্বের বিবরণ দেয়া এবং মহাবিশ্বকে ব্যাখ্যা করার প্রাচীনতম প্রচেষ্টা ছিল যে চিন্তাধারা সে চিন্তাধারা অনুসারে ঘটনাবলি এবং স্বাভাবিক পরিঘটনা কয়েকটি সত্তার (spirit) নিয়ন্ত্রণে। তাদের ভাবাবেগ ছিল মানুষেরই মত এবং মানুষেরই মত ছিল তাদের ক্রিয়াকর্ম। তাদের সে ক্রিয়াকর্ম সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী করা ছিল অসম্ভব। এই সত্তাগুলো নদী, পাহাড়, অন্তরীক্ষের বস্তুপিণ্ড (celestial bodies) ইত্যাদি স্বাভাবিক বস্তুতে অধিষ্ঠান করতেন– এর ভিতরে চন্দ্র সূর্যও ছিল। ঋতুর আবর্তন এবং জমির উর্বরতা নিশ্চিত করার জন্য তাদের শান্ত করা এবং তাদের আনুকূল্য ভিক্ষা করা প্রয়োজন ছিল। কিন্তু ক্রমশ নিশ্চয়ই লক্ষ্য করা গিয়েছিল কিছু কিছু নিয়মের অস্তিত্ব। যেমন : সূর্য সবসময়ই পূর্ব দিকে ওঠে এবং পশ্চিম দিকে অস্ত যায়। সূর্যদেবতাকে পূজা করা হোক কি না হোক তাতে কিছু এসে যায় না। তাছাড়া সূর্য, চন্দ্র এবং বিভিন্ন গ্রহ আকাশে স্পষ্টরূপে নির্দিষ্ট পথে চলে এবং তাদের চলন সম্পর্কে যথেষ্ট নির্ভুলভাবে ভবিষ্যদ্বাণী করা সম্ভব। তা সত্ত্বেও চন্দ্র, সূর্য দেবতা হতে পারেন কিন্তু সে দেবতার কঠোর নিয়মানুবর্তী বিধি মেনে চলেন– মেনে চলেন আপাতদৃষ্টিতে কোন রকম ব্যতিক্রম ছাড়াই। অবশ্য যদি জোসুয়ার Joshua) জন্য সূর্যের থেমে যাওয়ার কাহিনী বিশ্বাস না করা যায়।

    প্রথমে এই নিয়ম এবং বিধিগুলো শুধুমাত্র জ্যোতিবিজ্ঞান এবং অন্যান্য কয়েকটি পরিস্থিতিতে সুস্পষ্ট ছিল। কিন্তু সভ্যতার অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে, বিশেষ করে গত তিনশ বছরে, ক্রমশ বেশি বেশি নিয়ম আবিষ্কৃত হয়েছে। এই সমস্ত বিধির সাফল্যের ফলে ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে লাপ্লাস (Laplace) বৈজ্ঞানিক নিমিত্তবাদ (scientific determinism)(১) নামক স্বীকার্য (postulate) মেনে নেন। তাঁর বক্তব্যের ইঙ্গিত ছিল : যে কোন এক সময়ে মহাবিশ্বের গঠন জানা থাকলে মহাবিশ্বের বিবর্তন নির্দিষ্ট স্পষ্টরূপে (precisely) নির্ধারণ করে এরকম এক কেতা বিধির (set of laws) অস্তিত্ব থাকবে।

    লাপ্লাসের নিমিত্তবাদের দুটি অসম্পূর্ণতা ছিল। এই নিমিত্তবাদ বলেনি কিভাবে বিধিগুলো বেছে নেয়া হবে, তাছাড়া পৃথিবীর প্রাথমিক গঠন (configuration) কি রকম ছিল সেটাও নির্দিষ্টভাবে বলেনি। এগুলো ছেড়ে দেয়া হয়েছিল ঈশ্বরের উপর । ঈশ্বরই ঠিক করবেন পৃথিবী কিভাবে শুরু হয়েছিল এবং কি কি বিধি মহাবিশ্ব মেনে নিয়েছিল কিন্তু মহাবিশ্ব একবার শুরু হওয়ার পর তিনি আর হস্তক্ষেপ করবেন না। কার্যত যে সমস্ত অঞ্চল ঊনবিংশ শতাব্দীর বিজ্ঞানের বোঝার ক্ষমতার অতীত ছিল সেই সমস্ত অঞ্চলেই ঈশ্বরকে বন্দী করে রাখা হয়েছিল।

    আমরা এখন জানি লাপ্লাসের নিমিত্তবাদের আশা বাস্তবায়িত হতে পারে না। অন্ততপক্ষে যে শর্তাবলি তার মনে মনে ছিল সে শর্তাবলি অনুসারে তা নয়ই! কণাবাদী বলবিদ্যার অনিশ্চয়তার নীতি নিহিতার্থ হল : একটি কণার অবস্থান এবং গতিবেগের মত কয়েকটি সংখ্যা জোড়ের (pairs of quantities) দুটি সম্পর্কে সম্পূর্ণ নির্ভুল ভবিষ্যদ্বাণী করা সম্ভব নয়।

    কণাবাদী বলবিদ্যা এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করে এক শ্রেণীর কণাবাদী তত্ত্বের মাধ্যমে। এই তত্ত্বগুলোতে কণাগুলোর যথাযথভাবে নির্ধারিত অবস্থান এবং গতিবেগ থাকে না, এগুলোর প্রতিনিধিত্ব করে একটি তরঙ্গ। এই কণাবাদী তত্ত্বগুলো নিমিত্তবাদী (deterministic) অর্থাৎ তারা কালের সঙ্গে তরঙ্গের বিবর্তনের বিধি প্রদান করে। সুতরাং একটি কালে তরঙ্গটিকে জানা থাকলে অন্য একটি কালে সেটিকে গণনা করা যেতে পারে। ভবিষ্যদ্বাণীর অতীত এলোমেলো উপাদান তখনই আসে যখন আমরা চেষ্টা করি কণিকার অবস্থান এবং গতিবেগের বাগ্বিধিতে তরঙ্গকে ব্যাখ্যা করতে। হয়ত সেটা আমাদেরই ভুল : হয়ত কণিকার অবস্থান এবং গতিবেগ বলে কিছু নেই, আছে শুধু তরঙ্গ। আমরা তরঙ্গগুলোকে শুধুমাত্র আমাদের পূর্বকল্পিত অবস্থান এবং গতিবেগের ধারণার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে চেষ্টা করি। তার ফলে খাপ খাওয়ানোতে যে গোলমাল হয় সেটাই ভবিষ্যদ্বাণীর অতীত হওয়ার আপাতদৃষ্ট কারণ।

    কার্যত আমরা বিজ্ঞানের কর্তব্য পুনর্নিধারণ করেছি। সে কর্তব্য হল এমন বিধি আবিষ্কার করা যার সাহায্যে আমরা অনিশ্চয়তার বিধি দ্বারা নির্ধারিত সীমান্ত পর্যন্ত ঘটনাবলি সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারব। কিন্তু প্রশ্নটি থেকে যায় : মহাবিশ্বের প্রাথমিক অবস্থা এবং বিধিগুলো বেছে নেয়া হয়েছিল কি করে এবং কেন?

    যে বিধিগুলো মহাকর্ষ নিয়ন্ত্রণ করে এই বইয়ে সেই বিধিগুলোর উপর আমি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছি। তার কারণ, চার জাতীয় বলের ভিতরে মহাকর্ষ সবচাইতে দুর্বল হলেও মহাকর্ষই বৃহৎ মনে (large scale) মহাবিশ্বের গঠন নির্ধারণ করে। প্রায় আধুনিক কাল পর্যন্ত ধারণা ছিল কালের সঙ্গে মহাবিশ্বের কোন পরিবর্তন হয় না। এই চিন্তাধারার সঙ্গে মহাকর্ষীয় বিধি খাপ খায় না। মহাকর্ষ যে সবসময়ই আকর্ষণ করে এই ঘটনার অর্থ : মহাবিশ্ব হয় প্রসারিত হচ্ছে নয়ত সঙ্কুচিত হচ্ছে। ব্যাপক অপেক্ষবাদ অনুসারে অতীতে একটি অসীম ঘনত্বের অবস্থা নিশ্চয়ই ছিল এবং ছিল বৃহৎ বিস্ফোরণ (Big Bang)। সেটা হত কালের কার্যকর আরম্ভ। একইভাবে বলা যায় সমগ্র মহাবিশ্ব আবার চুপসে গেলে ভবিষ্যতে আর একটি অসীম ঘনত্বের অবস্থা আসবে। সেটা হবে বৃহৎ সঙ্কোচন (big crunch) এবং সেটাই হবে সময়ের অন্ত। যদি সমগ্র বিশ্ব আবার নাও চুপসে যায় তাহলে যে কোন স্থানিক অঞ্চলে অনন্যতা দেখা দেবে এবং সেটা চুপসে গিয়ে কৃষ্ণঘর সৃষ্টি করবে। এই কৃষ্ণগহ্বরগুলোর ভিতরে যারা পড়বে তাদের ক্ষেত্রে সেই পতন হবে কালের অন্তিম। বৃহৎ বিস্ফোরণে এবং অন্যান্য অনন্যতাগুলোতে সমস্ত বিধি ভেঙে পড়ে সুতরাং কি ঘটেছিল এবং কিভাবে মহাবিশ্ব শুরু হয়েছিল সে ব্যাপারে ঈশ্বরের তখনো সম্পূর্ণ স্বাধীনতা থাকে।

    কণাবাদী বলবিদ্যার সঙ্গে ব্যাপক অপেক্ষবাদ সংযুক্ত করলে এমন একটি সম্ভাবনা মনে আসে যে সম্ভাবনা আগে ছিল না। যেমন : স্থান এবং কাল একত্রে অনন্যতাবিহীন এবং সীমানাবিহীন অথচ সীমিত এবং চারমাত্রিক স্থান গঠন করতে পারে। সেটা হবে পৃথিবী পৃষ্ঠের মত কিন্তু তার মাত্রা (dimension) হবে বেশি। মহাবিশ্বে যে সমস্ত অবয়ব পর্যবেক্ষণ করা যায় তার অনেকগুলোই মনে হয় সেই চিন্তন দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায়। যেমন- বৃহৎ মাত্রায় (large seale) সমরূপত্ব এবং স্বল্পতর মাত্রায় (small Scale) সমরূপত্ব থেকে বিচ্যুতি। যেমন– নীহারিকা, তারকা এবং মানুষ। আমরা যে কালের তীর দেখতে পাই সেটাও হয়ত এই চিন্তন ব্যাখ্যা করতে পারে। কিন্তু মহাবিশ্ব যদি সম্পূর্ণ স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়, যদি কোন অনন্যতা (singularities) কিম্বা সীমানা না থাকে এবং যদি একটি ঐক্যবদ্ধ তত্ত্বের সাহায্যে তার বিবরণ দেয়া যায়, তাহলে স্রষ্টা ঈশ্বরের ভূমিকা সম্পর্কে তার নিহিতার্থ হয় গভীর।

    আইনস্টাইন একবার প্রশ্ন করেছিলেন– “মহাবিশ্ব গঠনে ঈশ্বরের কতটুকু স্বাধীনতা (choice) ছিল?” যদি সীমানাহীতার প্রস্তাব নির্ভুল হয় তাহলে প্রাথমিক অবস্থা নির্বাচনে প্রায় কোন স্বাধীনতাই তার ছিল না। তা সত্ত্বেও অবশ্য যে বিধিগুলো মহাবিশ্ব মেনে চলবে সে বিধিগুলো নির্বাচনের স্বাধীনতা তার থাকত কিন্তু বাস্তবে বেছে নেয়ার এ স্বাধীনতাও হয়ত খুব বেশি একটা কিছু হত না। হয়ত হেটারোটিক (Heterotic) অন্ততত্ত্বের মত শুধুমাত্র একটি কিম্বা সামান্য কয়েকটি সম্পূর্ণ ঐক্যবদ্ধ তত্ত্ব থাকত, সেগুলোর হয়ত অন্তর্নিহিত সামঞ্জস্য থাকত এবং সে তত্ত্ব হয়ত মানুষের মত জটিল গঠনের জীবের অস্তিত্ব অনুমোদন করত। সে মানুষ এমন জীব যে তারা মহাবিশ্বের বিধি অনুসন্ধান করতে পারে এবং ঈশ্বরের ধর্ম (nature of God) নিয়ে প্রশ্ন করতে পারে।

    যদি একটিই সম্পূর্ণ ঐক্যবদ্ধ তত্ত্ব থাকে তাহলে সেটাও হবে কয়েক কেতা নিয়ম এবং সমীকরণ (set of rules and equations)। কি এই সমীকরণগুলোকে জীবনদান করে এবং তাদের জীবন দান করার জন্য মহাবিশ্ব সৃষ্টি করে? বিজ্ঞানের সাধারণ পদ্ধতি হল একটি গাণিতিক প্রতিরূপ গঠন করা। কিন্তু সে প্রতিরূপ এ প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে না : প্রতিরূপ বিবরণ দেবে সেজন্য একটি মহাবিশ্ব থাকবে কেন? অস্তিত্বের ঝামেলা মহাবিশ্ব কেন নিতে গেল? ঐক্যবদ্ধ তত্ত্ব কি এমনই ক্ষমতাশালী (com;elling) যে সে নিজেরই অস্তিত্ব নিয়ে আসতে পারে? না কি এর জন্য একটি স্রষ্টা দরকার? তাই যদি সে নিজেরই মহাবিশ্বের তার আর কি অভিক্রিয়া থাকতে পারে? তাছাড়া তাঁকে কে সৃষ্টি করেছিল?

    এখন পর্যন্ত অধিকাংশ বৈজ্ঞানিকরা মহাবিশ্বের প্রকৃতি নিয়ে তত্ত্ব গঠনে ব্যস্ত ছিলেন, কিন্তু কেন এই মহাবিশ্ব এ প্রশ্ন করার সময় তাদের হয়নি। অন্যদিকে এ প্রশ্ন করা যাদের কাজ সেই দার্শনিকরা বৈজ্ঞানিক তত্ত্বের অগ্রগতির সঙ্গে তাল রাখতে পারেননি। অষ্টাদশ শতাব্দীতে দার্শনিকরা ভাবতেন বিজ্ঞান তথা সমগ্র মানব জ্ঞান ভাণ্ডারই তাদের কর্মক্ষেত্র। তারা এই ধরনের প্রশ্ন করতেন : মহাবিশ্বের কি কোন আরম্ভ ছিল? কিন্তু ঊনবিংশ ও বিংশ শতাব্দীতে বিজ্ঞান হয়ে দাঁড়াল অতিরিক্ত গাণিতিক এবং বিশেষ রকম প্রযুক্তিবিদ্যা ভিত্তিক। সেজন্য কয়েকজন বিশেষজ্ঞ ছাড়া দার্শনিক কিম্বা অন্য যে কোন মানুষের কাছেই সে বিজ্ঞান হয়ে দাঁড়াল অনধিগম্য। দার্শনিকরা তাদের অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে এতই কমিয়ে আনলেন যে এই শতাব্দীর সবচাইতে বিখ্যাত দার্শনিক উইটগেনস্টাইন (Wittgenstein) বলছেন– “দর্শনের কর্মক্ষেত্রের ভিতরে একমাত্র অবশিষ্ট ক্ষেত্র ভাষা বিশ্লেষণ”। অ্যারিস্টটল ও কান্টের বিরাট ঐতিহ্যের কি অধঃপতন!

    কিন্তু আমরা যদি সম্পূর্ণ একটি তত্ত্ব আবিষ্কার করি তাহলে শুধুমাত্র কয়েকজন বৈজ্ঞানিকেরই নয়, কালে কালে সে তত্ত্ব বোধগম্য হওয়া উচিত সবার, অন্ততপক্ষে বোধগম্য হওয়া উচিত সে তত্ত্বের মূল রেখাগুলো। তাহলে আমরা, দার্শনিকরা, বৈজ্ঞানিকরা, এমন কি সাধারণ মানুষরাও এই আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে পারব : আমাদের এবং মহাবিশ্বের অস্তিত্বের কারণ কি? আমরা যদি এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাই তাহলে সেটাই হবে মানবিক যুক্তির চূড়ান্ত জয়–তার কারণ তখন আমরা জানতে পারব ঈশ্বরের মন।

    ———-
    ১. Scientific Determinism: সব ঘটনাই মানুষের ইচ্ছাবহির্ভুত কোন না কোন নিমিত্ত হইতে উদ্ভূত–এই দার্শনিক মতবাদ।–অনুবাদক

    অ্যালবার্ট আইনস্টাইন (Albert Einstein)

    পারমাণবিক বোমার রাজনীতির সঙ্গে আইনস্টাইনের সম্পর্ক সুবিদিত। ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট (Franklim Roosevelt) কে লেখা যে বিখ্যাত চিঠি যুক্তরাষ্ট্রকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করতে প্ররোচিত করেছিল, সে চিঠিতে স্বাক্ষর করেছিলেন আইনস্টাইন এবং যুদ্ধপরবর্তী যুগে পারমাণবিক যুদ্ধে বাধা দেয়ার প্রচেষ্টার সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন। কিন্তু এগুলো শুধুমাত্র একটি বৈজ্ঞানিককে রাজনৈতিক জগতে জোর করে টেনে আনার ফলস্বরূপ কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ক্রিয়াকর্ম নয়। আইনস্টাইনের নিজের ভাষায় বলা যায়। আসলে তার জীবনটা ছিল “রাজনীতি আর সমীকরণে বিভক্ত”।

    আইনস্টাইন সর্বপ্রথম রাজনৈতিক কাজ করেছিলেন প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়। তখন তিনি বার্লিনে অধ্যাপক। মানব জীবনের অপচয় তাঁর কাছে ন্যাক্কারজনক মনে হয়েছিল। তিনি যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভমিছিলে জড়িত হয়ে পড়েছিলেন। তাঁর অহিংস আইন অমান্য সমর্থন এবং জনসাধারণকে বাধ্যতামূলক সামরিক বাহিনীতে যোগদান করতে অস্বীকার করতে প্রকাশ্যে উৎসাহ দানের ফলে তিনি তার সহকর্মীদের ভালবাসা খুব সামান্যই অর্জন করতে পেরেছিলেন। যুদ্ধের পর তিনি চেষ্টা করেছেন দ্বন্দ্ব মেটাতে এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উন্নতি করতে। এর ফলেও তিনি জনপ্রিয় হননি। রাজনীতির জন্য অনতিবিলম্বে তাঁর যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়াও কঠিন হয়ে গেল। এমনকি অসুবিধা হতে লাগল বক্তৃতা দিতে যাওয়ারও।

    আইনস্টাইনের জীবনের দ্বিতীয় প্রধান উদ্দেশ্য ছিল জাইয়নিজম (Zionism ইহুদিদের জাতীয় স্বার্থ এবং জাতীয় বাসভূমির সপক্ষে আন্দোলন)। ইহুদিবংশে জন্মানো সত্ত্বেও আইনস্টাইন বাইবেলের ঈশ্বর সম্পর্কীয় ধারণা পরিত্যাগ করেন। কিন্তু যুদ্ধের আগে এবং যুদ্ধের সময় বর্ধমান ইহুদি বিরোধিতা সম্পর্কে চেতনা তাঁকে ধীরে ধীরে ইহুদি সমাজের সঙ্গে একাত্ম করেছিল এবং শেষে তিনি জাইয়নিজমের সোচ্চার সমর্থন হয়েছিলেন। এবারও জনপ্রিয়তার অধিকতর অভাবের জন্যও তিনি নিজের মনের কথা বলা বন্ধ করেননি। তাঁর তত্ত্বগুলোকেও আক্রমণ করা হয় : এমনকি আইনস্টাইন বিরোধী একটি সংগঠনও তৈরি হয়। আইনস্টাইনকে হত্যা করার জন্য অন্য লোককে প্ররোচিত করার অপরাধে একজনের শাস্তিও হয় (এবং মোটে ৬ ডলার জরিমানা হয়)। কিন্তু আইনস্টাইন সহজে রাগ করতেন না। “আইনস্টাইন বিরোধী একশত লেখক” নামে বইটি যখন প্রকাশিত হয় তখন বলেছিলেন– “আমি ভুল করে থাকলে একজন লেখকই তো যথেষ্ট।”

    ১৯৩৩ সালে হিটলার ক্ষমতায় আসেন। আইনস্টাইন তখন আমেরিকাতে। তিনি ঘোষণা করলেন জার্মানীতে আর ফিরবেন না। যখন নাজি মিলিশিয়া তাঁর বাড়িতে হামলা করে এবং তাঁর ব্যাঙ্কের টাকা বাজেয়াপ্ত করে তখন বার্লিনের একটি সংবাদপত্রের শীর্ষে লেখা হয়- “আইনস্টাইনের কাছ থেকে সুখবর, তিনি আর জার্মানীতে ফিরছেন না।” নাজি সন্ত্রাসের মুখে তিনি যুদ্ধবিরোধিতা পরিত্যাগ করেন। জার্মান বৈজ্ঞানিকরা পারমাণবিক বোমা তৈরি করতে পারে এই ভয়ে তিনি প্রস্তাব করেন যুক্তরাষ্ট্র তার নিজস্ব পারমাণবিক বোমা তৈরি করুক। কিন্তু প্রথম আণবিক বোমা বিস্ফোরণের আগেই তিনি প্রকাশ্যে আণবিক যুদ্ধের বিপদ সম্পর্কে সাবধানবাণী ঘোষণা করেছেন এবং আণবিক অস্ত্রের আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রণ প্রস্তাব করেছেন।

    আইনস্টাইনের সারাজীবনের শান্তি প্রচেষ্টায় কোন দীর্ঘস্থায়ী ফল হয়েছে বলে মনে হয় না এবং খুব বেশি বন্ধুলাভও তার হয়নি। জাইয়নিস্ট দাবির প্রতি তার সোচ্চার সমর্থন কিন্তু ১৯৫২ সালে বিধিমত স্বীকৃতি পায়। তাঁকে ইজরায়েলের রাষ্ট্রপতি পদ গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়। তিনি অস্বীকার করেন, বলেছিলেন তাঁর ধারণা রাজনীতিতে তিনি অপরিপক্ক (naive)। কিন্তু বোধ হয় আসল কারণ ছিল অন্য। আবার তাঁর ভাষাতেই বলা যায়– “আমার কাছে সমীকরণের গুরুত্ব বেশি। কারণ রাজনীতি শুধু বর্তমানের জন্য, কিন্তু সমীকরণ চিরকালের জন্য।”

    .

    গ্যালিলিও গ্যালিলি (Galileo Galilei)

    আধুনিক বিজ্ঞানের জন্মের জন্য যে কোন একক ব্যক্তির চাইতে বোধ হয় গ্যালিলিওই সবচাইতে বেশি দায়ী। ক্যাথলিক চার্চের সঙ্গে বিখ্যাত দ্বন্দ্ব ছিল তাঁর দর্শনের কেন্দ্রে। এর কারণ গ্যালিলিওই প্রথম বলেন, বিশ্বের ক্রিয়াকর্ম বোঝার আশা মানুষের রয়েছে। এবং আমরা এ আশা পূর্ণ করতে পারি শুধুমাত্র বাস্তব জগৎ পর্যবেক্ষণ করে।

    প্রথম থেকেই গ্যালিলিও কোপারনিকাসের তত্ত্বে (গ্রহগুলো সূর্যকে পরিক্রমণ করে) বিশ্বাসী ছিলেন। কিন্তু এই চিন্তাধারার সমর্থনে প্রয়োজনীয় সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়ার পরই তিনি জনসাধারণের সমক্ষে এই চিন্তাধারা সমর্থন করা শুরু করেন। কোপারনিকাসের তত্ত্ব সম্পর্কে তিনি লেখেন ইতালীর ভাষায় (সাধারণ পণ্ডিতি (academic) লাতিনে নয়]। অল্পদিনের ভিতরেই তাঁর মতবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরেও বিরাট সমর্থন লাভ করে। এর ফলে অ্যারিস্টটলবাদী অধ্যাপকরা বিরক্ত হয়ে তার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হন এবং কোপারনিকাসবাদ নিষিদ্ধ করার জন্য ক্যাথলিক চার্চকে প্ররোচিত করতে থাকেন।

    গ্যালিলিও দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে রোমে যান ধর্মীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলতে। তার যুক্তি ছিল বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব সম্পর্কে কিছু বলার উদ্দেশ্য বাইবেলের ছিল না। যেখানে বাইবেলের সঙ্গে সাধারণ বুদ্ধির দ্বন্দ্ব, বাইবেল সেখানে রূপক (allegory)। কিন্তু চার্চের নিন্দার ভয় ছিল এ নিন্দায় প্রোটেস্টান্টবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামে ক্ষতি হতে পারত। সুতরাং তারা দমন নীতি গ্রহণ করেন। ১৬১৬ সালে তারা কোপারনিকাসবাদকে “মিথ্যা এবং ভ্রমাত্মক” বলে ঘোষণা করেন এবং গ্যালিলিওকে কখনও এ মতবাদ “মেনে না চলতে কিম্বা এর সপক্ষে প্রচার না করতে আদেশ দেয়া হয়। গ্যালিলিও এ আদেশ মেনে নেন।

    ১৬২৩ সালে গ্যালিলিওর বহুদিনের এক বন্ধু পোপ নির্বাচিত হন। গ্যালিলিও তৎক্ষণাৎ ১৬১৬ সালের আদেশ নাকচ করানোর চেষ্টা করেন। তিনি বিফল হন কিন্তু অ্যারিস্টটল এবং কোপারনিকাস দুজনেরই তত্ত্ব আলোচনা করে একটি বই লেখার অনুমতি সংগ্রহ করেন। তবে দুটি শর্ত ছিল– তিনি কোন পক্ষ নেবেন না এবং তাঁকে সিদ্ধান্তে আসতে হবে : মানুষ কোনক্রমেই বুঝতে পারবে না পৃথিবীর ক্রিয়াকর্ম কি করে চলে তার কারণ ঈশ্বর একই ক্রিয়া মানুষের অকল্পনীয় উপায়ে করতে পারেন। ঈশ্বরের সর্বশক্তিমত্তার কোন সীমা মানুষ বেঁধে দিতে পারে না।

    “বিশ্বের দুটি প্রধান তন্ত্র বিষয়ে কথোপকথন (Dialogue Concerning the Two Chief World Systems)” বইটি সম্পূর্ণ হয়ে প্রকাশিত হয় ১৬৩২ সালে। এ বিষয়ে সরকারি আধিকারিকদের (censor) পূর্ণ পৃষ্ঠপোষকতা ছিল। বইটি অবিলম্বে সাহিত্য এবং দর্শন বিষয়ে সমগ্র ইউরোপে মুখ্য রচনারূপে (masterpiece) অভিনন্দিত হয়। অনতিবিলম্বে পোপ বুঝতে পারলেন বইটিকে লোকে কোপারনিকাসবাদ সমর্থনের যুক্তিরূপে গ্রহণ করছে। এই বইটি প্রকাশনার অনুমতি দেয়ার জন্য তাদের অনুশোচনা হল। পোপের যুক্তি ছিল যদিও বইটি সরকারি আধিকারিকের আশীর্বাদ পেয়েছে তবুও গ্যালিলিও ১৬১৬ সালের আদেশ অমান্য করেছেন। গ্যালিলিওকে তিনি বিচারসভায় পাঠালেন। বিচারকরা গ্যালিলিওকে যাবজ্জীবন গৃহবন্দী থাকার আদেশ দিলেন এবং আদেশ দিলেন জনগণের সামনে প্রকাশে কোপারনিকাসের মতবাদ পরিত্যাগ করতে। দ্বিতীয়বারও গ্যালিলিও রাজি হয়ে গেলেন।

    গ্যালিলিও বিশ্বাসী ক্যাথলিকই থেকে গিয়েছিলেন কিন্তু তাঁর বিজ্ঞানের স্বাধীনতায় বিশ্বাস চূর্ণ করা যায়নি। ১৬৪২ সালে তাঁর মৃত্যুর চার বছর আগে গৃহবন্দী অবস্থাতেই তাঁর দ্বিতীয় প্রধান বই হল্যান্ডের এক প্রকাশকের কাছে চোরাপথে পাঠিয়ে দেয়া হয়। “দুটি নতুন বিজ্ঞান” (Two New Sciences) নামে এই বইটিই আধুনিক বিজ্ঞানের জনক। এ বিষয়ে এই বইটির গুরুত্ব কোপারনিকাসকে তার সমর্থনের গুরুত্বের চাইতে বেশি।

    .

    আইজাক নিউটন (Isaac Newton)

    আইজাক নিউটন মিষ্ট স্বভাবের মানুষ ছিলেন না। পণ্ডিত সমাজের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কে ছিল কুখ্যাত। তার শেষ জবিনের অধিকাংশই জড়িত ছিল তপ্ত কলহে। তাঁর ‘প্রিন্সিপিয়া ম্যাথমেটিকা’ (Principia Mathematica) নিঃসন্দেহে এ পর্যন্ত পদার্থবিদ্যার যত বই লেখা হয়েছে তার ভিতরে সবচাইতে প্রভাবশালী। এই বই প্রকাশের পর তিনি দ্রুত খ্যাতি লাভ করেন। তাকে রয়্যাল সোসাইটির প্রেসিডেন্ট পদে নিয়োগ করা হয় এবং বৈজ্ঞানিক হিসেবে তিনিই প্রথম নাইট (Knight) উপাধি লাভ করেন।

    অনতিবিলম্বে নিউটনের দ্বন্দ্ব শুরু হয় রাজকীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানী জন ফ্ল্যামস্টীডের John Flamsteed) সঙ্গে। ফ্ল্যামস্টীড এর আগে প্রিন্সিপিয়ার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উপাত্ত জোগাড় করে দিয়েছিলেন কিন্তু সেবার তিনি নিউটনের কাছে। প্রয়োজনীয় সংবাদ আটকে দিয়েছিলেন। নিউটন অস্বীকৃতি মেনে নিতে রাজি হননি। তিনি নিজেকে রয়্যাল অবজারভেটরীর পরিচালকমণ্ডলীতে নিযুক্ত করার ব্যবস্থা করেন এবং তার পর চেষ্টা করেন উপাত্তগুলো তৎক্ষণাৎ প্রকাশ করতে বাধ্য করতে। শেষ পর্যন্ত তিনি ফ্ল্যামস্টীডের গবেষণাফল অধিগ্রহণ (seize) করে ফ্ল্যামস্টীডের পরম শত্রু এডমন্ড হ্যাঁলি (Edmond Halley) কে দিয়ে সেগুলো প্রকাশের ব্যবস্থা কনের। কিন্তু ফ্ল্যামস্টীড আদালতের শরণাপন্ন হন এবং শেষ মুহূর্তে আদালতের আদেশে চুরি করা গবেষণাপত্রগুলো বণ্টন বন্ধ করেন। নিউটন রেগে যান এবং প্রতিশোধ নেয়ার জন্য প্রিন্সিপিয়ার পরবর্তী সংস্করণগুলো থেকে ফ্ল্যামস্টীড সম্পর্কিত সমস্ত উল্লেখ বাদ দিয়ে দেন।

    আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বন্দ্ব হয়েছিল জার্মান দার্শনিক গটফ্রীড লীবনিজের (Gottfried Leibniz) সঙ্গে। লীবনিজ এবং নিউটন দুজনেই স্বতন্ত্রভাবে ক্যালকুলাস নামে গণিতশাস্ত্রের একটি শাখা আবিষ্কার করেন (developed)। ক্যালকুলাস আধুনিক পদার্থবিদ্যার অধিকাংশের ভিত্তি স্বরূপ। যদিও আমরা এখন জানি নিউটন লীবনিজের বহু বছর আগে ক্যালকুলাস আবিষ্কার করেছিলেন তবুও তার গবেষণাকর্ম প্রকাশিত হয়েছিল অনেক পরে। কে প্রথম– তাই নিয়ে এক বিরাট দ্বন্দ্ব শুরু হয়। বৈজ্ঞানিকরা সক্রিয়ভাবে দুই প্রতিযোগীরই পক্ষ সমর্থন করতে থাকেন। কিন্তু একটি ব্যাপার লক্ষণীয় : নিউটনের সপক্ষে লেখা অধিকাংশ প্রবন্ধই ছিল আসলে নিউটনের নিজের হাতে লেখা। শুধুমাত্র প্রকাশিত হয়েছিল বিভিন্ন বন্ধুর নামে। ঝগড়া বেড়ে চলছিল। সেই সময় লীবনিজ একটি ভুল করলেন। তিনি ঝগড়া মেটানোর জন্য অ্যাপীল করলেন রয়্যাল সোসাইটির কাছে। প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিউটন অনুসন্ধানের জন্য একটি নিরপেক্ষ’ কমিটি গঠন করেন। ঘটনাচক্রে কমিটির সবাই ছিলেন নিউটনের বন্ধু। কিন্তু এটাই সব নয়। তারপর নিউটন কমিটির রিপোর্টটি নিজেই লেখেন এবং রয়্যাল সোসাইটিকে দিয়ে প্রকাশ করান। সরকারিভাবে লীবনিজকে কুম্ভীলক(১) (plagiarist) বলে অপরাধী সাব্যস্ত করা হয়। এতেও খুশি না হয়ে নিউটন রয়্যাল সোসাইটির নিজস্ব পত্রিকায় লেখকের নাম না দিয়ে ঐ রিপোর্টের একটি সমালোচনা প্রকাশ করেন। শোনা যায়, লীবনিজের মৃত্যুর পর নিউটন বলেছিলেন–”লীবনিজের মন ভেঙে দিয়ে (breaking his heart) তিনি খুব খুশি হয়েছেন।”

    এই দুটি দ্বন্দ্বের আগেই নিউটন কেম্ব্রিজ এবং পণ্ডিত সমাজ ত্যাগ করেছেন। তিনি কেম্ব্রিজে এবং পরবর্তীকালে পার্লামেন্টে ক্যাথলিক বিরোধী রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। পুরস্কারস্বরূপ তাঁকে রাজকীয় টাকশালের (Royal Mint) ওয়ার্ডেন (Warden) পদ দেয়া হয়। এই পদে প্রচুর অর্থাগমের সুযোগ ছিল। এই পদে থাকার সময় তিনি তার কুটিলতা এবং তীব্র বিদ্বেষের প্রতিভা সামাজিকভাবে অনেক গ্রহণীয় কর্মে নিয়োগ করেন। এখানে তিনি সাফল্যের সঙ্গে জালিয়াতির বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেন এবং বেশ কয়েকজনকে প্রাণদণ্ড দেয়ার ব্যবস্থা করেন।

    ———-

    ১. কুম্বীলক– যে অন্যের লেখা নিজের নামে চালায়, Plagiarist.

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleব্ল্যাকহোল – স্টিফেন হকিং
    Next Article কৃষ্ণগহ্বর, শিশু মহাবিশ্ব ও অন্যান্য রচনা – স্টিফেন হকিং

    Related Articles

    স্টিফেন হকিং

    কৃষ্ণগহ্বর, শিশু মহাবিশ্ব ও অন্যান্য রচনা – স্টিফেন হকিং

    December 8, 2025
    স্টিফেন হকিং

    ব্ল্যাকহোল – স্টিফেন হকিং

    December 8, 2025
    স্টিফেন হকিং

    মাই ব্রিফ হিস্ট্রি (আত্মস্মৃতি) – স্টিফেন হকিং

    December 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }