Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালো ঘুড়ি – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প402 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সাইক্লিস্ট

    ময়ূখের বেশ পছন্দ হয়ে গেল বাড়িটা৷ চারপাশটা ছায়াময়৷ শালগাছে ঘেরা৷ বাড়ির সামনে থেকে একটা রাস্তা শালবনের গা ঘেঁষে এগিয়ে হারিয়ে গেছে একটা বাঁকের আড়ালে৷ বাঁকের ওপাশে মনে হয় একটা নদী আছে, দূর থেকে চিকচিক করছে জায়গাটা৷ নিঝুম দুপুরে শালের বন থেকে ভেসে আসছে পাতা খসার অস্পষ্ট সরসর শব্দ, কখনো বা নাম-না-জানা পাখির ডাক৷ এর মধ্যেই একলা দাঁড়িয়ে আছে ঢালু ছাদঅলা ছিমছাম ছোট্ট বাড়িটা৷

    ভাড়া সংক্রান্ত প্রাথমিক কথাবার্তা মিটে যাবার পর বাড়ির বৃদ্ধা মালকিন ময়ূখকে তার থাকার জন্য যে ঘরটা দেওয়া হচ্ছে সেখানে ঢুকতে ঢুকতে বললেন, ‘আমি কোনোদিন ঘর ভাড়া দিইনি৷ আসলে আমার স্বামী দীর্ঘদিন অসুস্থ৷ বিছানা ছেড়ে উঠতে পারেন না, কথাবার্তাও বলতে পারেন না৷ আমাদের সঞ্চয় শেষ হয়ে এসেছে৷ তাঁর ওষুধপত্রের জন্য টাকার প্রয়োজন৷ সেজন্যই ভাড়া দিতে হচ্ছে৷ উনি ওপাশের একটা ঘরে থাকেন৷’

    বৃদ্ধার সঙ্গে ঘরে ঢুকল ময়ূখ৷ সুন্দরভাবে সাজানো ঘরটা৷ খাট, আলমারি, লেখার জন্য টেবিল, সবকিছুই আছে৷ বেশ বড়ো একটা জানলাও আছে রাস্তার দিকে৷ আর সেই জানলার পাশে দেওয়ালের গায়ে টাঙানো আছে তেলরঙে আঁকা একটা বড়ো ছবি৷ সে ছবিটা ভালো করে দেখার পর বেশ অবাক হয়ে গেল ময়ূখ৷ আরে জানলা দিয়ে যা দেখা যাচ্ছে তা সব কিছুই তো দেখা যাচ্ছে ছবিটাতে৷ যেন এই জানলার সামনে বসেই কেউ এঁকেছিলেন ছবিটা৷ ওই তো কম্পাউন্ডের বাইরে গেটের বাঁপাশে অন্যদের থেকে কিছুটা তফাতে একলা দাঁড়িয়ে থাকা বিরাট শালগাছটা! ওই তো আরও কিছুটা এগিয়ে পথের ডানপাশে উঁচু ঢিবি মতো জায়গাটা! লাল কাঁকর বিছানো রাস্তা, ওই তো বাঁকটা! ছবির চাঁদের আলোয় সবকিছু স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে! শালবনের মাথার ওপর সোনার থালার মতো চাঁদ উঠেছে৷ সে আলোতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে শালের বাগান, আর তার মধ্যে নিয়ে এগিয়ে চলা রাস্তাটা৷ শুধু একটা জিনিস বাড়তি আছে ছবিটাতে৷ দূরে বাঁকের মুখে দাঁড়িয়ে আছে একজন সাইক্লিস্ট৷ তার ছবিটা এত ছোটো যে তার মুখ বোঝা যাচ্ছে না, তাছাড়া মাথায় একটা টুপিও সম্ভবত আছে৷ তবে তার দাঁড়াবার ভঙ্গি দেখে মনে হয় চন্দ্রালোকিত রাস্তা ধরে সে যেন এ বাড়ির দিকেই আসছে!

    ময়ূখ অবাক হয়ে বৃদ্ধাকে জিগ্যেস করল, ‘ছবিটা কার আঁকা?’

    বৃদ্ধা মৃদু হেসে বললেন, ‘আমার স্বামীর৷ অনেক পুরোনো ছবি৷ আসলে পঞ্চাশ বছর আগে উনি আর্ট কলেজের যখন ছাত্র ছিলেন তখন উনি আর তাঁর এক বন্ধু এখানে এসেছিলেন ছবি আঁকার জন্য৷ এ জায়গা দুজনেরই ভালো লেগে গেল৷ কাজ জুটিয়ে এখানেই থেকে গেলেন তাঁরা৷ সাইকেল নিয়ে দুই বন্ধু মিলে ঘুরে বেড়াতেন এই রাস্তায়, শালের জঙ্গলে…৷’ একথা বলার পর ভদ্রমহিলা প্রসঙ্গ পাল্টে বললেন, ‘আপনার ঘর পছন্দ হয়েছে তো?’

    ময়ূখের ঘর পছন্দ না হবার মতো ব্যাপার নেই৷ তাছাড়া সে তো মাত্র তিনরাত কাটাবে এ ঘরে৷ এখানে একটা সরকারি অফিসে অডিট অর্থাৎ হিসাব পরীক্ষার জন্য সে এসেছে৷ সারাদিন তার সেখানেই কাটবে৷ শুধু রাতটুকু শোবার জন্যই তার এ ঘরের ব্যবস্থা৷ রান্নারও কোনো পাট নেই তার৷ যেখানে সে কাজ করবে সেখানেই খাওয়ার ব্যবস্থা করা হবে৷ এ ঘরের লাগোয়া একটা বাথরুমও আছে৷ আর কী চাই? সে জবাব দিল, ‘না, আমার কোনো অসুবিধা হবে না৷’

    বৃদ্ধা এরপর মামুলি কিছু কথাবার্তা বলে নিজের ঘরে চলে গেলেন৷ অফিসের যে লোকটা তাকে এ বাড়িতে এনেছিল সে এতক্ষণ বাড়ির বাইরে দাঁড়িয়েছিল৷ সঙ্গের সামান্য কিছু জিনিসপত্র ঘরে রেখে কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই লোকের সঙ্গে ময়ূখ রওনা হয়ে গেল তার কাজের জায়গাতে৷

    রাত আটটা নাগাদ বাড়িটাতে ফিরল ময়ূখ৷ বাড়ির চারপাশে কাঠের তৈরি নিচু বেড়া দেওয়া আছে৷ তার দরজা খোলার শব্দ শুনেই মনে হয় একবার বাড়ির কোনো একটা ঘর থেকে বারান্দায় এসে দাঁড়ালন ভদ্রমহিলা, তারপর ময়ূখকে দেখে আবার ভিতরে ঢুকে গেলেন৷ অফিসেই খাওয়া সেরে এসেছে ময়ূখ৷ সারাদিন নানা ধকল গেছে তার৷ ঘরে ঢুকে কিছুক্ষণের মধ্যেই বাতি নিবিয়ে ঘুমিয়ে পড়ল সে৷

    তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়ার জন্যই হয়তো মাঝরাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেল তার৷ সামনে খোলা জানলা দিয়ে বাইরে চাঁদের আলোতে শালবন, রাস্তা সব, কিছু দেখা যাচ্ছে৷ ময়ূখের খাটের মাথার ওপর জাফরিবিহীন বেশ বড়ো গোলাকার ঘুলঘুলিটা দিয়ে বাইরের চাঁদের আলো এসে পড়েছে ছবিটার ওপর৷ স্পষ্ট ফুটে উঠেছে ছবিটা৷ সে দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে ময়ূখের একটা অদ্ভুত ব্যাপার হঠাৎ মনে হল৷ ছবির সেই সাইক্লিস্টের চাকা দুটো যেন ধীর গতিতে ঘুরছে! তাছাড়া সে যেন তার আগের জায়গাতে নেই৷ সেই বাঁকের মুখ থেকে অনেকটা এগিয়ে সে এসে দাঁড়িয়েছে রাস্তার পাশে সেই ঢিবি মতো জায়গাটার কাছে৷ আকারেও যেন একটু বড়ো হয়েছে সেই সাইকেল আরোহী৷ দূর থেকে কাছে এলে যেমন হয়৷ এ ব্যাপারটা কি ময়ূখের দৃষ্টিবিভ্রম? নাকি আলো-ছায়ার খেলা? ব্যাপারটা ঠিক ধরতে না পেরে সেই ছবির দিকে তাকিয়েই আবার ঘুমিয়ে পড়ল ময়ূখ৷ শেষ রাতের দিকে আবারও একবার ঘুম ভেঙে গেল তার৷ একটা অস্পষ্ট গোঁগোঁ শব্দ যেন কোথা থেকে ভেসে আসছে৷ শব্দটা অবশ্য কিছুক্ষণের মধ্যেই থেমে গেল৷ তার কিছুক্ষণের মধ্যেই শালবনের মাথার আকাশ লাল হতে শুরু করল৷ ধীরে ধীরে শোনা যেতে লাগল পাখির কলকাকলি৷

    দুই

    সকালবেলা ঘর ছেড়ে বাইরে বেরোবার আগে ছবিটার দিকে তাকিয়ে নিজের মনে হাসল ময়ূখ৷ গত রাতের ব্যাপারটা মনে পড়ে গেল তার৷ না, ছবিতে কোনো পরিবর্তন হয়নি৷ সেই ছোট্ট সাইক্লিস্ট বাঁকের মুখে একই জায়গাতে আছে৷ আর তার চাকাও ঘুরছে না৷ ছবির সাইক্লিস্টের কি সাইকেল চালানো সম্ভব?

    দরজা খুলে বাইরে বেরোতেই ময়ূখ দেখল বৃদ্ধা বাইরের বারান্দায় দাঁড়িয়ে আছেন৷ ময়ূখের সঙ্গে চোখাচোখি হতেই তিনি জানতে চাইলেন, ‘কী, ঘুম হল রাতে? কোনো অসুবিধা হয়নি তো?’

    ময়ূখ হেসে বলল, ‘অসুবিধা হয়নি৷ তবে ভোর রাতে কীরকম একটা শব্দ শুনলাম৷ মনে হল মানুষের গলা…৷’

    বৃদ্ধা একটু বিষণ্ণ ভাবে বললেন, ‘ওটা ওঁর গলা৷ আসলে পূর্ণিমা-অমাবস্যা এলে ওঁর অসুস্থতা একটু বাড়ে৷ উনি তো কথা বলতে পারেন না৷ পক্ষাঘাতগ্রস্ত৷ মুখ দিয়ে ওরকম শব্দ করেন৷ আগামীকাল আবার পূর্ণিমা৷ ওঁর কষ্ট বাড়ছে৷’

    তাঁর কথা শুনে ময়ূখ সৌজন্যর খাতিরে বলল, ‘ওঁকে একবার দেখা যাবে?’

    ভদ্রমহিলা কয়েক মুহূর্ত চুপ করে থেকে যেন একটু ইতস্তত করেই বললেন, ‘আসুন আমার সঙ্গে৷’

    ময়ূখকে নিয়ে ভদ্রমহিলা একটা ঘরে ঢুকলেন প্রথমে, তারপর সে ঘর পেরিয়ে ঢুকলেন অন্য একটা ঘরে৷ একটা বাতি জ্বলছে ঘরে৷ ঘরটাতে কোনো জানলা নেই৷ ঘরের মাঝখানে একটু উঁচু সেকেলে পালঙ্কে শুয়ে আছেন একজন বৃদ্ধ৷ মাথায় সাদা শনের মতো চুল, চোখের পাতা বোজা৷ সম্ভবত ঘুমাচ্ছেন তিনি৷ খাটের পাশে গিয়ে দাঁড়ালেন তাঁরা দু-জন৷ বৃদ্ধা পরম মমতায় শুয়ে থাকা মানুষটার মাথায় হাত বোলাতে বোলাতে বললেন, ‘আপনি যে ঘরটায় আছেন, সেখানেই উনি থাকতেন৷’

    ময়ূখ বলল, ‘ও ঘরটা তো বেশ ভালো৷ বড়ো জানলা দিয়ে আলো-বাতাস খেলে৷ ওনাকে এ ঘরে আনলেন কেন?’

    কয়েক মুহূর্ত চুপ করে থেকে বৃদ্ধা জবাব দিলেন, ‘ওই জানলাটা নিয়েই তো সমস্যা৷ শীত-বর্ষা কিছুতেই ওই জানলা বন্ধ করতে দিতে চাইতেন না উনি৷ গতবার শীতে জানলা খোলা রেখে শরীরটা আরও খারাপ হয়ে গেল৷ আর তারপর থেকেই বাধ্য হয়ে ওনাকে এ ঘরে এনে রাখতে হয়েছে৷’

    মিনিটখানেক সে ঘরে থাকল ময়ূখ৷ তারপর সে ঘর, সে বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে রওনা হল তা কাজের জায়গাতে৷

    সারাদিনটা কাজের চাপে কী ভাবে কেটে গেল তা বুঝতে পারল না ময়ূখ৷ অফিসের একটা গাড়ি যখন বাড়িটার সামনে নামিয়ে দিয়ে গেল তখন বেশ রাত৷ প্রায় দশটা বাজে৷ চাঁদের আলোয় দাঁড়িয়ে আছে বাড়িটা৷ শালবনের দিক থেকে ভেসে আসছে পাতার ফিসফিসানি আর ঝিঁঝির কলতান৷ বাড়িতে পা দিতেই সেই গোঁ গোঁ শব্দটা শুনতে পেল ময়ূখ৷ বেশ জোরেই হচ্ছে শব্দটা৷ এমনকী ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করার পরও কানে আসতে লাগল সে শব্দ৷ সম্ভবত সেই ভদ্রলোকের অসুস্থতা আরও বেড়েছে৷ কিছুক্ষণের মধ্যেই বিছানায় শুয়ে পড়ল ময়ূখ৷ বৃদ্ধর আর্তনাদ থেমে গেল একসময়৷ ঘুম নেমে এল তার চোখে৷

    মাঝরাতে সম্ভবত আবারও কারও আর্তনাদে ঘুম ভেঙে গেল ময়ূখের৷ ঘুম ভাঙার পর অবশ্য আর কোনো শব্দ শুনতে পেল না সে৷ খাটের সামনে তার পায়ের দিকে খোলা জানালা৷ আগামীকাল পূর্ণিমা৷ আকাশে প্রায় পূর্ণচাঁদ৷ সেই আলোতে আরও স্পষ্ট আজ বাইরেটা৷ শালের বন, তার মধ্যে দিয়ে এগিয়ে যাওয়া পথ, পথের পাশে সেই উঁচু মতো জায়গা বা ঢিবিটা, রাস্তা শেষে বাঁকটা, সবকিছুই আজ আরও স্পষ্ট৷ আর এরপরই আধো ঘুম চোখে তাকাল দেওয়ালের গায়ের ছবিটার দিকে৷ ছবিটাও যেন আরও বেশি স্পষ্ট৷ ছবির চাঁদের আলো যেন আজ ছড়িয়ে পড়েছে ফ্রেমের আনাচে-কানাচে৷ আর সেই ছবির দিকে তাকিয়ে আজ আরও বেশি অবাক হয়ে গেল ময়ূখ৷ সেই সাইকেল আরোহী তার নিজের জায়গাতে নেই৷ দূরের সেই বাঁক থেকে আরও অনেকটা এগিয়ে এমন কী রাস্তার মাঝপথে সেই ঢিবিটাকেও পিছনে ফেলে অনেকটা পথ অতিক্রম করে এসে দাঁড়িয়েছে সে৷ তাকে কালকের থেকেও বড়ো দেখাচ্ছে৷ তার অবয়ব, সাইকেলের গড়ন, সবকিছুই আজ অনেক বেশি স্পষ্ট৷ লোকটার ছিপছিপে চেহারা, পরনে সম্ভবত একটা ব্রিচেস, পায়ে শু, মাথায় একটা টুপি৷ টুপির আড়ালে তার মুখ বোঝা না গেলেও সম্ভবত সে তাকিয়ে আছে এ বাড়িটার দিকেই৷ ময়ূখের আরও মনে হল, তার সাইকেলের চাকা দুটো যেন খুব ধীর গতিতে ঘুরছে! চাঁদের আলোতে কাঁকর বিছানো রাস্তা ধরে খুব ধীরগতিতে এ বাড়ির দিকে এগোচ্ছে৷

    ব্যাপারটা দেখতে পেয়েই বিস্ময়ে ঘুম ভাবটা কেটে গেল ময়ূখের৷ সে আর আগের দিনের মতো শুয়ে থাকতে পারল না৷ বেডসুইচ থেকে আলো জ্বালিয়ে খাট থেকে নেমে সে গিয়ে দাঁড়াল ছবিটার একদম কাছে৷ কী আশ্চর্য ছবির সবকিছু তো ঠিকই আছে৷ সেই সাইক্লিস্ট তো রাস্তার দূর প্রান্তে বাঁকের মুখেই দাঁড়িয়ে! সাইক্লিস্টের একটা ছোট্ট অস্পষ্ট অবয়ব৷ তাহলে এতক্ষণ কী দেখল ময়ূখ? নিশ্চয়ই ব্যাপারটা আলোছায়ার খেলা৷ নিজের মনে হাসল সে৷ তবুও ব্যাপারটা সম্বন্ধে নিঃসন্দেহ হবার জন্য বেশ কিছুক্ষণ ছবিটা খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখল সে৷ ছবিটা অনেক পুরোনো৷ জায়গায় জায়গায় ক্যানভাসটা পোকায় কেটেছে, অনেকটা অংশ বিশেষত রাস্তার শেষে যে জায়গাতে সাইক্লিস্ট দাঁড়িয়ে আছে সে জায়গায় কাপড়টা বেশ ঝুরঝুরে হয়ে গেছে৷ আঙুল দিয়ে টোকা দিলেই হয়তো জায়গাটা খসে পড়বে৷ কিছুক্ষণ ছবিটা দেখার পর বাতি নিভিয়ে ময়ূখ বিছানায় শুয়ে পড়ল৷

    তিন

    সকালবেলা সেই বৃদ্ধ ভদ্রলোকের গোঙানির শব্দেই ময়ূখের ঘুম ভাঙল৷ বেশ জোরে জোরে আর্তনাদ করছেন ভদ্রলোক৷ ময়ূখ ঘর থেকে বেরিয়েই দেখতে পেল বৃদ্ধা ভদ্রমহিলাকে৷ বারান্দায় দাঁড়িয়ে আছেন তিনি৷ তাঁর চোখেমুখে স্পষ্ট ক্লান্তি আর বিষণ্ণতার ছাপ৷ ভোরের নতুন আলোও ধুয়ে দিতে পারছে না তাঁর ক্লান্তিকে৷ ময়ূখ তাঁর কাছে এগিয়ে গিয়ে বলল, ‘ওনার অসুস্থতা কি আরও বেড়েছে?’

    ভদ্রমহিলা জবাব দিলেন, ‘হ্যাঁ, কাল থেকে আরও বেড়েছে৷’

    ‘ডাক্তার ডেকেছিলেন?’

    বৃদ্ধা এবার অসহায় ভাবে বললেন, ‘ডাক্তার ডেকে তেমন কোনো লাভ হবে না৷ তারা আগেই দেখে বলে গেছেন, নতুন কোনো ওষুধ দেবার ব্যাপার নেই৷ আজ রাতটা যদি কোনোভাবে…৷’ কথা শেষ না করে তিনি মুখে আঁচল চাপা দিয়ে ঘরের ভিতর ঢুকে গেলেন৷ সকালবেলা ময়ূখ যতক্ষণ বাড়িটাতে থাকল ততক্ষণই তার কানে আসতে লাগল সেই ভদ্রলাকের গোঙানির শব্দ৷ প্রচণ্ড কষ্ট পাচ্ছেন ভদ্রলোক৷

    অফিসে গিয়ে শেষদিনের যাবতীয় কাজ মিটিয়ে এদিন বাড়িটাতে পৌঁছতে রাত নটা বাজল ময়ূখের৷ আজ পূর্ণিমা৷ চাঁদের আলোয় উদ্ভাসিত বাড়ির পাশের শালের বন, তাঁর মাঝখান দিয়ে এঁকে-বেঁকে দূরে বাঁকের দিকে হারিয়ে যাওয়া রাস্তাটা৷ কিন্তু চাঁদের আলোতে দাঁড়িয়ে থাকা ঢালু ছাদ আর বারান্দাঅলা বাড়িটা আজ কেমন যেন নিঝুম বলে মনে হল ময়ূখের৷ কোথাও কোনো শব্দ নেই৷ সেই বৃদ্ধর আর্তনাদও আর শোনা যাচ্ছে না৷ ময়ূখ একবার ভাবল ভদ্রমহিলার সঙ্গে দেখা করে বৃদ্ধ কেমন আছেন সে ব্যাপারে খোঁজ নেয়৷ কিন্তু পরক্ষণেই তার মনে হল কাল রাত জাগার পর আজ হয়তো তাঁরা ঘুমিয়ে পড়েছেন৷ বৃদ্ধাকে এখন আর বিরক্ত করা ঠিক হবে না৷ কাল সকালে চলে যাবার সময় একবার তো তাঁর সঙ্গে দেখা করতেই হবে৷ তখন কথা হবে৷ এই ভেবে সে নিজের ঘরে গিয়ে ঢুকল৷

    পরদিন ভোরবেলা এ বাড়ি ছেড়ে কলকাতায় ফিরবে ময়ূখ৷ একটা গাড়ির ব্যবস্থা হয়েছে৷ সকালে সে গাড়ি তাকে নিতে আসবে৷ সামান্য গোছগাছ সেরে নিয়ে জানলার সামনে এসে দাঁড়াল ময়ূখ৷ চন্দ্রালোকে উদ্ভাসিত বাইরের পৃথিবী৷ মুগ্ধভাবে ময়ূখ কিছুক্ষণ চেয়ে রইল শালের বন, রাস্তার দিকে৷ তারপর বিছানায় যাবার আগে ইচ্ছা করেই আজ জানলার পাল্লা দুটো ভেজিয়ে দিল৷ ময়ূখের মনে হল খোলা জানলা দিয়ে চাঁদের আলো তার মুখে এসে পড়ে বলেই তার ঘুম ভেঙে যায়৷ পাল্লা বন্ধ করে শুয়ে পড়ল সে৷

    কিন্তু এদিন রাতেও আগের দু-দিনের মতোই ঘুম ভেঙে গেল তার৷ প্রথমে তার চোখ পড়ল খাটের পাশে টেবিলে রাখা টাইমপিসের ওপর৷ ঘড়িটার রেডিয়ামের কাঁটা জানান দিচ্ছে রাত প্রায় তিনটে বাজে৷ সোজা হয়ে শুল ময়ূখ৷ আর এরপরই অন্যদিনের মতো চোখ গেল তার সামনাসামনি দেওয়ালের গায়ে ঝুলতে থাকা ছবিটার ওপর৷ ঘুলঘুলি দিয়ে আজও চাঁদের আলো এসে পড়েছে ছবির ওপর৷ তাছাড়া ছবির চাঁদটা যেন আজ উজ্জ্বল আলো ছড়াচ্ছে ক্যানভাসে৷ সেই আলোতে ময়ূখ স্পষ্ট দেখল সেই সাইক্লিস্ট নিজের জায়গাতে নেই৷ রাস্তার দূরবর্তী বাঁকে, রাস্তার মাঝমাঝি দূরত্বে পথের পাশের সেই ঢিবি অতিক্রম করে সে বাড়িটার অনেক কাছে, গতরাতের চেয়েও অনেক কাছে চলে এসেছে! চাঁদের আলোতে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে তার পায়ের সঞ্চালন, চাকা ঘূর্ণন! তবে সবকিছুই বেশ ধীর গতিতে৷ এক সুতো এক সুতো করে ছবির রাস্তাটা অতিক্রম করছে লোকটা! না, এরকম দৃষ্টিবিভ্রম হতে পারে না৷ ময়ূখ স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছে, ধীরে ধীরে লোকটা রাস্তা অতিক্রম করে ছবির ফ্রেমের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে পৌঁছে যাচ্ছে৷ বিছানায় শুয়ে ময়ূখ দেখতে লাগল সেই অবিশ্বাস্য দৃশ্য৷ হ্যাঁ, চাকাটা ঘুরছে! প্যাডেল করছে লোকটা! হ্যাঁ, ক্রমশ বড়ো হচ্ছে তার অবয়ব!

    সাইক্লিস্ট একসময় এসে দাঁড়িয়ে পড়ল বাড়ির একদম কাছে একলা দাঁড়ানো সেই বিরাট শালগাছটার নীচে৷ চাঁদের আলোয় স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে তাকে৷ মাথায় টুপি, পরনে ব্রিচেস, পায়ে শু্য৷ এমনকী সাইকেলের ঘণ্টি, চাকার স্পোকগুলোও দেখা যাচ্ছে৷ গাছের তলায় দাঁড়িয়ে বাড়িটার দিকে তাকিয়ে কয়েকবার যেন মাথাও নাড়ল লোকটা৷ আর এরপরই যেন জানলার বাইরে থেকে অস্পষ্ট একটা শব্দ বেশ কয়েকবার কানে এসে লাগল ময়ূখের৷ সাইকেলের ঘণ্টির মৃদু টিং টিং শব্দ! হ্যাঁ, সে স্পষ্ট শুনতে পাচ্ছে ঘণ্টির শব্দ!

    ব্যাপারটা কী ঘটছে আজ তাকে বুঝতেই হবে৷ বিছানা ছেড়ে উঠে ময়ূখ এগিয়ে গেল জানলার দিকে৷ পাল্লাটা একটু ফাঁক করে তাকাল বাইরের দিকে৷ চমকে উঠল ময়ূখ৷ চাঁদের আলোতে সেই শালগাছের নীচে সত্যিই এসে দাঁড়িয়েছে একজন সাইক্লিস্ট! মাথায় টুপি, পরনে ব্রিচেস, পায়ে শু্য৷ সে তাকিয়ে আছে বাড়িটার দিকে৷ হুবহু দেওয়ালের ছবিটার মতো! সাইকেলের ঘণ্টিটা মাঝে মাঝে আস্তে আস্তে বাজাচ্ছে সে৷ টিং-টিং-টিং-টিং… কিছুক্ষণের মধ্যেই আরও এক অদ্ভুত দৃশ্য দেখতে পেল ময়ূখ৷ তাদের বাড়ি থেকে একটা মানুষ ধীর পায়ে বেরিয়ে এগিয়ে গেল সাইক্লিস্টের দিকে৷ কে ও? তবে কি বৃদ্ধ-বৃদ্ধা ছাড়াও এ বাড়িতে অন্য কেউ থাকেন! ময়ূখের দিকে পিছন ফিরে হাঁটছে বলে তার মুখ দেখতে পাচ্ছে না ময়ূখ৷ দ্বিতীয় লোকটা কাছে যেতেই তাকে দেখে সম্ভবত সম্ভাষণসূচক মাথা নাড়ল সাইক্লিস্ট৷ তারপর সে সাইকেলের মুখ ঘুরিয়ে নিল৷ দ্বিতীয় লোকটা নিঃশব্দে চেপে বসল তার সাইকেলের পিছনের কেরিয়ারে৷ শালবনের মাঝখান দিয়ে চন্দ্রালোকিত পথ ধরে যেখান থেকে সে এসেছে সেদিকে লোকটাকে নিয়ে যাত্রা শুরু করল সাইক্লিস্ট৷ বিস্মিত, হতভম্ব ময়ূখ চেয়ে রইল সেই অদ্ভুত দৃশ্যর দিকে৷ একসময় লোকটাকে নিয়ে দূরে পথের বাঁকে হারিয়ে গেল সেই সাইক্লিস্ট৷

    চার

    ঘরের বাইরে বারান্দায় কাদের কথাবার্তার শব্দে যেন ময়ূখের ঘুম ভাঙল৷ ময়ূখের সঙ্গে সঙ্গে মনে পড়ে গেল গত রাতের স্মৃতি৷ তাড়াতাড়ি দরজা খুলে বাইরে বেরিয়ে এল সে৷ শালবনের মাথার ওপর সূর্য উঠে গেছে তখন৷ বারান্দায় বেশ কয়েকজন লোক৷ এক ভদ্রলোকের গলায় স্টেথিসকোপ ঝুলছে, সম্ভবত তিনি ডাক্তার হবেন৷ সেই বৃদ্ধাও আছেন তাঁদের সঙ্গে৷ লোকজনের টুকরো টুকরো সংলাপ শুনে ময়ূখ অনুমান করল সেই অসুস্থ বৃদ্ধ আর নেই৷ ময়ূখ এগিয়ে গিয়ে দাঁড়াল বৃদ্ধার সামনে৷ তাকে দেখে বিষণ্ণ হেসে বৃদ্ধা বললেন, ‘এ বাড়ির মানুষটা আর নেই৷ ভালোই হল, অনেকদিন ধরে কষ্ট পাচ্ছিলেন৷ আসলে কি জানেন? যৌবনে তিনি তাঁর যে বন্ধুর সঙ্গে এ জায়গাতে পা রেখেছিলেন, যার সঙ্গে সাইকেল চেপে ঘুরে বেড়াতেন এই শালের বনে, বছরখানেক আগে তার মৃত্যু হয়৷ শেষ বয়সে বন্ধুবিচ্ছেদ আর সইতে পারেননি তিনি৷ তারপর থেকেই ওঁর শরীরটা ভেঙে পড়ল৷ একদিন পূর্ণিমার রাতে উনি নাকি দেখেছিলেন ওই যে ওই শালগাছের নীচে সাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে তাঁকে নাকি ডাকছেন তাঁর বন্ধু৷ এরপরই আমি ওনাকে ভিতরের ঘরে নিয়ে যাই৷ কিন্তু পূর্ণিমা এলেই তারপর থেকে কেমন যেন করতেন উনি৷ কাল তো পূর্ণিমা ছিল…৷’ ঠিকমতো কথা শেষ করতে পারলেন না ভদ্রমহিলা৷

    ময়ূখ শুধু তাঁকে জিগ্যেস করল, ‘কখন ঘটল ব্যাপারটা?’

    ‘ডাক্তারবাবু তো বললেন রাত তিনটে নাগাদ হবে৷’ কান্নাভেজা গলায় জবাব দিলেন বৃদ্ধা৷

    ময়ূখ ঘরে ফিরে এসে ছবিটার সামনে দাঁড়াল৷ প্রায় সবকিছু ঠিকই আছে ছবিটাতে৷ চন্দ্রালোকিত শালের বন, সেই রাস্তা, রাস্তার পাশেই ঢিবি, পথের শেষের বাঁকটা৷ শুধু নেই সেই সাইক্লিস্ট! পোকায় কাটা ক্যানভাসের সেই ছোট্ট অংশটা কোথায় যেন খসে পড়েছে৷ চাঁদের আলোতে শালবনের মধ্যে দিয়ে সঙ্গীকে নিয়ে দূরে ওই পথের বাঁকে কোথায় যেন হারিয়ে গেছে সেই সাইক্লিস্ট৷

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকর্ণসুবর্ণর কড়ি – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article একদা এক পানশালাতে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026
    Our Picks

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }