Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালো ঘুড়ি – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প402 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    তিউমা

    নাথুলা পাস থেকে গ্যাংটকে ফেরার জন্য রওনা হতেই নতুন মার্শাল জিপটা যে হঠাৎ বিগড়ে যাবে, তা আমরা কেউ ভাবিনি৷ তিন বন্ধু কলকাতা থেকে সিকিম বেড়াতে এসেছি৷ পাহাড়ি রাস্তা বলে গ্যাংটকের স্ট্যান্ড থেকে বেশি ভাড়া দিয়ে ঝকঝকে গাড়ি ভাড়া নিয়েছিলাম৷ তবু বিপত্তিটা হল! ড্রাইভার ছেলেটা সিকিমিজ, নাম তাশি৷ আমাদেরই সমবয়সি৷ অর্থাৎ তারও বয়স চবিবশ-পঁচিশ হবে৷ সেও বেশ বিব্রত ব্যাপারটাতে৷

    ‘নতুন গাড়ি৷ তেমন কিছু বড়ো গণ্ডগোল হওয়ার নয়৷ কিছুক্ষণের মধ্যেই নিশ্চয়ই ঠিক হয়ে যাবে,’ এই আশ্বাস দিয়ে রাস্তার একপাশে গাড়ি রেখে বনেট খুলে সে চেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকল গাড়িটা ঠিক করার৷ দুপুর গড়িয়ে গিয়েছে৷ গাড়ির পাশে দাঁড়িয়ে আমরা দেখতে লাগলাম অন্যান্য টুরিস্ট গাড়িগুলো আমাদের পাশ কাটিয়ে গিরিবর্ত্ম বেয়ে নীচে নেমে যাচ্ছে৷ তখনও আমাদের মনে কোনো শঙ্কা দেখা দেয়নি৷ গাড়িটা নিশ্চয়ই ঠিক হয়ে যাবে৷ তারপর আর ফিরতে কতক্ষণ লাগবে, এই ভেবে আমরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে সিকিম হিমালয়ের অপার সৌন্দর্য উপভোগ করতে লাগলাম৷ সময় এগিয়ে যাচ্ছে৷ প্রায় বিকেল হয়ে গেল৷ আর আসল বিপদটা এল ঠিক তারপরই৷ হঠাৎ মেঘে ঢেকে গেল আকাশ৷ তার আড়ালে দৃশ্যপট থেকে অদৃশ্য হয়ে গেল পাহাড়ের চুড়োগুলো৷ তারপরই শুরু হল ঝিরঝির বৃষ্টি, তার সঙ্গে প্রবল ঠাণ্ডা বাতাস৷ বনেট বন্ধ করে আমরা জিপের ভিতরে উঠে বসলেও কনকনে বাতাস যেন হাড়ে কাঁপন ধরিয়ে দিচ্ছে৷ অন্ধকার আরও যেন ঘন হয়ে আসছে৷ এবার বেশ ভয় পেয়ে গেলাম আমরা৷ কৌশিক আমাকে বলল, ‘বিজন, এভাবে ঠাণ্ডার মধ্যে যদি জিপে রাতে কাটাতে হয়, তবে তো জমে হিম হয়ে যাব৷ সকাল পর্যন্ত বাঁচব কি না কে জানে!’

    তাশির মুখও গম্ভীর৷ সে বাইরের আকাশটা দেখার চেষ্টা করছে৷ অর্ণব বলল, ‘বিকল্প কিছু করা যায় না? যদি রাতটা কোথাও কাটানো যায়?’

    তাশি আকাশের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘আকাশটা সুবিধের নয়৷ সম্ভবত তুষারপাত শুরু হবে৷ এখানে হোটেল না থাকলেও বর্ডার ফোর্সের ক্যাম্প রয়েছে৷ কিন্তু সেখানে বাইরের লোককে ঢুকতে দেবে না৷ টুরিস্টদের শেষ গাড়িটাও নীচে নেমে গেল৷’

    আমি অর্ণবের সুরে বললাম, ‘অন্য কোনো উপায়?’

    তাশি মুহূর্তখানেক চিন্তা করে বলল, ‘একটা উপায় আছে৷ কিছু দূরে একটা বৌদ্ধ মঠ আছে৷ পরিত্যক্ত গুম্ফা৷ মিনিটদশেকের পথ৷ ওখানে গেলে ঠাণ্ডার হাত থেকে কিছুটা বাঁচা যাবে৷’ বাইরে ঝিরিঝিরি তুষারপাত শুরু হল৷

    তাশি বলল, ‘জলদি ঠিক করুন, তুষারপাত বাড়লে ওখানে আর যেতে পারব না৷’

    আমরা ওখানে যাব ঠিক করলাম৷ রুকস্যাক সঙ্গে নিয়ে জিপ থেকে নেমে পড়লাম৷

    অন্ধকার যেন আরও গাঢ় হয়ে আসছে! তার সঙ্গে বৃষ্টি আর তুষারপাত৷ প্রথমে পাথুরে রাস্তা দিয়ে বেশ কিছুটা নীচে নামার পর সে রাস্তা ছেড়ে একটা পায়ে চলা শুঁড়িপথ ধরলাম৷ সে পথ কিছুটা এগিয়ে প্রবেশ করেছে পাহাড়ি বাঁশবনের ভিতর৷ তেমন আলো না থাকায় পায়ের নীচে জমে থাকা পচা পাতার রাশি পেরিয়ে শুধুমাত্র অনুমান করে তাশি আমাদের নিয়ে সামনে এগোতে লাগল৷ বৃষ্টি-বাতাস আর ঝিঁঝি পোকার কলতান মিলিয়ে এক অপার্থিব পরিবেশ খেলা করছে জঙ্গলের মধ্যে৷ সকলে নিশ্চুপ৷ আমি একবার শুধু তাশিকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘জায়গাটার নাম কী?’

    ‘তিউমা গুম্ফা,’ সংক্ষিপ্ত জবাব দিল তাশি৷

    দশ মিনিটের পথ, অথচ আধঘণ্টা ধরে চললাম আমরা৷ তারপর বাঁশবন ফাঁকা হয়ে গেল৷ আমরা এসে দাঁড়ালাম ছোটো একটা সমতল জায়গায়, সেখানে খাদের কিনারে দাঁড়িয়ে আছে ঢালু ছাদওয়ালা, কাঠের তৈরি মনাস্ট্রি, ‘তিউমা গুম্ফা’৷ প্রচণ্ড জোরে কয়েকবার বিদ্যুৎ চমকাল৷ কিছুক্ষণের জন্য আলোকিত হয়ে উঠল চারপাশ৷ দৃশ্যমান হয়ে উঠল অতি প্রাচীন, বিবর্ণ হয়ে যাওয়া মনাস্ট্রির প্রবেশতোরণের দু’পাশের মাথায় বসানো কাঠের তৈরি তিববতি অপদেবতার মুখ৷ বৃষ্টিও শুরু হল প্রচণ্ড জোরে৷ নিজেদের বাঁচাতে তাড়াতাড়ি উঠে পড়লাম মঠের সামনের বারান্দায়৷ মনে হল, যাক, রক্ষা পাওয়া গেল৷ কিন্তু সে ধারণা যে ভুল, তা কিছুক্ষণের মধ্যেই টের পেলাম৷ পোশাক ভিজে গিয়েছে৷ তাতে ঠাণ্ডা বাতাসের ঝাপটে ঠকঠক করে কাঁপতে লাগলাম৷ বাতাস আরও বাড়ছে৷

    হঠাৎ অর্ণব বলল, ‘আরে ভিতরে একটা আলো জ্বলছে না?’

    তাশি বলল, ‘কোথায় আলো? এখানে তো কোনো মানুষ থাকে না৷’

    কিন্তু সত্যিই মঠের ভিতরের নিশ্ছিদ্র অন্ধকারের মধ্যে থেকে ক্ষীণ একটা আলোর রেশ যেন ভেসে আসছে! এগোলাম সেদিকে৷ দুটো ঘর পেরিয়ে আমরা পৌঁছলাম একটা বড়ো ঘরে৷ সম্ভবত মঠের প্রেয়ার রুম৷ আর সেখানেই আমরা দেখতে পেলাম তাকে৷ ঘরের একপ্রান্তে প্রদীপ জ্বলছে৷ পাশে উঁচু একটা বেদির উপর বসে আছেন মুণ্ডিতমস্তক এক লামা৷ তাঁর ঊর্ধ্বাঙ্গ সম্পূর্ণ উন্মুক্ত৷ পরনে শুধু লাল রঙের একটা সারং বা লুঙ্গির মতো পোশাক৷ ধ্যানস্থ ভঙ্গিতে তিনি বসে আছেন৷

    আমরা পায়ে-পায়ে গিয়ে দাঁড়ালাম তাঁর সামনে৷ ভালো করে তাঁর দিকে তাকাতেই বুঝতে পারলাম, লোকটার অনেক বয়স৷ অতি বৃদ্ধ৷ ভ্রূ-চোখের পাতায় রোমের কোনো চিহ্ন নেই৷ উন্মুক্ত ঊর্ধ্বাঙ্গে বক্ষপিঞ্জরের সব কটা হাড় যেন গোনা যাচ্ছে৷ দেহকাঠামোর উপর চামড়াটা কোনোভাবে যেন আটকে আছে চোখের পাতা বোজা৷ এক ঝলক দেখলে মনে হবে, প্রাণের কোনো অস্তিত্ব নেই এই শরীরে৷

    তিনি চোখ না খুললেও তাশি তাঁকে প্রণাম জানিয়ে বলল, ‘আমরা টুরিস্ট৷ রাস্তায় গাড়ি খারাপ হয়ে গিয়েছে৷ বৃষ্টি হচ্ছে, খুব ঠাণ্ডা৷ তাই এখানে এসেছি৷ রাতটা থাকব৷’

    কিছুক্ষণের নিস্তব্ধতা৷ তারপর চোখ বন্ধ অবস্থাতেই আমাদের বসতে বললেন তিনি৷ সামনে থাকা কাঠের মেঝেয় বসে পড়লাম আমরা৷ স্থানীয় মানুষরা লামাদের খুব ভক্তি-শ্রদ্ধা করে৷ পাছে সন্ন্যাসী বিরক্ত হন, তাই তাশি ইশারায় আমাদের চুপ থাকতে বলল৷ প্রদীপের ম্লান আলোয় অস্পষ্ট ঘরের চারপাশ৷ শুধু চোখে পড়ল বেদির কাছাকাছি থাকা রংচটা, বিবর্ণ হয়ে যাওয়া কিছু কাঠের থাম৷ গায়ে খোদিত অদ্ভুত সব মুখ৷ কোনটা ড্রাগনের, কোনটা ভয়ংকর তিববতি অপদেবতার, কোনোটা বা হিংস্র অজানা কোনো প্রাণীর৷ ধ্যানস্থ ভঙ্গিতে একইভাবে বসে আছেন লামা৷ কিছুক্ষণের মধ্যেই যেন শীত ভাবটা কেটে গিয়ে বেশ স্বাচ্ছন্দ্য অনুভূত হতে লাগল৷ সময় এগিয়ে চলল৷ আস্তে-আস্তে ঠাণ্ডার পরিবর্তে গরম লাগতে লাগল৷ ঘরটা বদ্ধ বলেই কি এরকম মনে হচ্ছে? তাকিয়ে দেখি, কৌশিক তার উইন্ডচিটারের চেনটা খুলল৷ অনির্বাণের কপালেও বিন্দু-বিন্দু ঘাম৷ অর্থাৎ ওদেরও গরম লাগছে৷ অথচ মাত্র আধঘণ্টা আগে এই ঘরে ঢুকেছি৷ গরমের জন্য আমাদের একটা অস্বস্তি শুরু হল ভিতরে৷ ঠিক এসময় লামা আবার হাত নেড়ে ইশারা করলেন৷ স্পষ্ট ইঙ্গিত৷ এবার বেরিয়ে যাও!

    বাইরের ঝড়বৃষ্টির শব্দ যেন আর কানে আসছে না৷ ঘরটা গুমোট লাগছে৷ সন্ন্যাসীকে আর বিরক্ত না করে বাইরে বেরিয়ে এলাম আমরা৷ দেখলাম, সত্যি ঝড়বৃষ্টি থেমে গিয়েছে৷ অন্ধকার পুরোপুরি নেমে গিয়েছে৷ তাশি বলল, ‘আর বোধ হয় ঝড়বৃষ্টি হবে না৷ দুর্যোগ কেটে গিয়েছে৷ তবে রাতটা বারান্দাতেই কাটাতে হবে৷’

    অর্ণব বলল, ‘তাতে কোনো সমস্যা নেই৷ ওই প্রেয়ার রুমের চেয়ে এই জায়গা ভালো৷ যা গরম ওখানে, আমি তো ঘেমে গিয়েছি৷’

    কৌশিক বলল, ‘আমারও তো হাঁসফাঁস লাগছিল৷ বাতাস ঢোকে না বলেই মনে হয় ঘরটা ওরকম’ আমিও সায় দিলাম তার কথায়৷

    বারান্দায় থাকা কিছু ভাঙা কাঠের তক্তার উপরই বসার ব্যবস্থা করলাম৷ রুকস্যাকে থাকা বিস্কিট আর জলের বোতলের সদ্ব্যবহার করলাম আমরা৷ এক সময় আকাশে মেঘ কেটে গিয়ে চাঁদ উঠল৷ চাঁদের আলোয় জেগে উঠল তুষারধবল পর্বতশ্রেণি৷ এক অপূর্ব দৃশ্য!

    অর্ণব সেদিকে তাকিয়ে বলল, ‘ভাগ্যিস এখানে এলাম৷ না হলে এই দৃশ্য থেকে বঞ্চিত হতাম৷ আচ্ছা তাশি, এই গুম্ফার নাম তো তিউমা! মানে কী?

    তাশি জবাব দিল, ‘শব্দটা সিকিমিজ নয়, তিববতি৷ আমি শব্দের মানে জানি না৷ ছোটোবেলা থেকে শুনছি, এর নাম তিউমা গুম্ফা৷’

    আমি বললাম, ‘শব্দের মানে নিশ্চয়ই কিছু একটা আছে৷’

    ‘হ্যাঁ, অবশ্যই আছে,’ কথাটা কানে এল আমার কথা শেষ হওয়ার প্রায় সঙ্গে-সঙ্গেই এবং স্পষ্ট বাংলায়৷ চমকে উঠে তাকিয়ে দেখি আমাদের কিছুটা তফাতেই কাঠের পাটাতনের উপর বসে আছেন একজন৷ পরনে পুরোদস্তুর সামরিক পোশাক৷ এতক্ষণ চাঁদ ওঠেনি বলে তাঁর অস্তিত্ব আমরা খেয়াল করিনি৷ মুখ বোঝা যাচ্ছে না৷ সামরিক টুপিতে তাঁর মুখ ঢেকে আছে৷

    বিস্ময়ের ঘোর কাটার পর বিজন তাঁর উদ্দেশে বলল, ‘আপনি বাঙালি? এখানেই থাকেন?’

    লোকটা বলল, ‘হ্যাঁ, বাঙালি৷ এখানেই বহুবছর ধরে আছি৷ সামরিক বাহিনীর লোক৷ আপনারা?’

    আমরা এরপর নিজেদের পরিচয় দিয়ে গুম্ফায় রাত কাটানোর কারণ জানালাম৷

    লোকটা শুনে বলল, ‘আমি কর্নেল মজুমদার৷ আপনাদের চিন্তা নেই৷ চোর-ডাকাতের উপদ্রব নেই এখানে৷ নিশ্চিন্তে রাত কাটান৷ সামরিক বাহিনীর লোক ছাড়া বর্ডার অঞ্চলে রাতে কেউ থাকে না৷’

    কিছুক্ষণের নিস্তব্ধতা৷ তারপর তার সঙ্গে কথা বলা শুরু করার উদ্দেশ্যেই কৌশিক বলল, ‘তিউমা শব্দের মানে আপনি জানেন?’

    কর্নেল মিত্র বললেন, ‘হ্যাঁ, জানি৷ আপনারা অতীন্দ্রিয়বাদ শব্দের অর্থ বোঝেন? তিববতি অতীন্দ্রিয়বাদ শাস্ত্রে ‘‘তিউমা’’ শব্দের মানে হল, কোনো বিশেষ শক্তির সঞ্চার করা৷ কোনো-কোনো তিববতি লামা ধ্যানের মাধ্যমে নিজের শরীরে যা সৃষ্টি করতে পারেন বা পারতেন৷’

    আমি তাঁর কথা শুনে বললাম, ‘অতীন্দ্রিয়বাদ বলতে আপনি কি কোনো অতিপ্রাকৃতিক বিষয়ের কথা বলছেন? কোনো একটা বইয়ে আমি যেন পড়েছিলাম যে, কোনো-কোনো লামাদের মধ্যে অদ্ভুত শক্তি থাকে৷ তারা চোখ বন্ধ অবস্থায় অনেক দূরের দৃশ্য প্রত্যক্ষ করতে পারেন৷ দেহকে পালকের মতো হালকা করে বাতাসে ভাসতে পারেন! এমনকী, প্রকৃতিকেও যোগবলে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন৷ তিউমা সেরকম কিছু?’

    ভদ্রলোক জবাব দিলেন, ‘অনেকটা তাই বলতে পারেন৷’

    আমি সঙ্গে-সঙ্গে বললাম, ‘আচ্ছা, আপনি তো এই অঞ্চলে বহুদিন রয়েছেন৷ অনেক বৌদ্ধ সন্ন্যাসীও নিশ্চয়ই দেখেছেন৷ আপনি বিশ্বাস করেন এসব?’

    মুহূর্তখানেক চুপ করে কর্নেল মজুমদার বললেন, ‘হ্যাঁ, করি৷ কারণ সেরকম এক ঘটনা আমি প্রত্যক্ষ করেছি৷’

    ‘করেছেন? কী সেই ঘটনা?’ সাগ্রহে জানাতে চাইলাম আমি৷

    গল্প শুনে সময় কাটানোর জন্য কৌশিক আর অর্ণবও বলল, ‘গল্পটা কি আমরা জানতে পারি!’

    দূরে জ্যোৎস্নালোকিত পাহাড়ের দিকে তাকিয়ে কী যেন ভাবার পর কর্নেল মজুমদার বললেন, ‘গল্প নয়, সত্যি ঘটনা৷ তবে খুব বড়ো কাহিনি নয়, আসলে তার অন্তর্নিহিত ব্যাপারটাই আসল৷ শুনতে চাইছেন যখন বলি৷’

    শুরু করলেন তিনি, ‘ওই যে পাহাড় দেখছেন, ওটাই আমাদের দেশের সীমান্ত৷ এখানে ছোটোখাটো গণ্ডগোল সবসময়ই লেগে থাকে৷ স্ট্র্যাটেজিক কারণে দু-দেশের সেনা অন্যের উপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করার জন্য এসব করে৷ অনেকটা মক ফাইটিংয়ের মতো৷ হয়তো কোনো রাতে সীমান্তের ওপাশ থেকে দুটো মর্টার শেল উড়ে এল৷ আমাদের রকেট লঞ্চারও তার জবাব দিল৷ এরকম একটা ব্যাপার৷ আমি বহুদিন আগের ঘটনা বলছি৷ তখন আমি কর্নেল হইনি৷ আমি লেফটেন্যান্ট৷ ওই পাহাড়ের মাথায় এক জায়গায় আমাদের একটা অ্যামিউনিশন রুম ছিল৷ আমরা বলতাম, বারুদ ঘর৷ তার দায়িত্বে ছিলাম আমি৷

    এরকমই মে-জুন মাস৷ প্রবল বর্ষা নামল৷ সাধারণত বর্ষা আর শীতে প্রাকৃতিক অসুবিধের কারণেই সীমান্তে উত্তেজনা স্তিমিত হয়ে আসে৷ সেবারও তার ব্যতিক্রম ঘটল না৷ সীমান্তে বেশ শান্তির পরিবেশ৷ হঠাৎ খবর এল, গ্যাংটক থেকে পাহাড়ে ওঠার মুখে ধস নেমে রাস্তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে৷ নীচে থেকে তলব আসায় বিগ্রেডিয়ার ব্যাটেলিয়ান নিয়ে ছুটলেন রাস্তা ঠিক করতে৷ বারুদ ঘর আগলানোর জন্য আমি আর কয়েকজন উপরেই রইলাম, আর রইল ওয়াচটাওয়ার থেকে নজরদারির জন্য কিছু লোক৷

    ‘সেদিন প্রচণ্ড বৃষ্টি৷ তার সঙ্গে প্রবল ঝোড়ো বাতাস৷ পাঁচহাত দূরের কিছুই দেখা যাচ্ছে না৷ যে সময়ের কথা, সেসময় এখনকার মতো স্যাটেলাইটের মাধ্যমে নজরদারির কোনো ব্যাপারই ছিল না৷ ওয়াচটাওয়ার আর দূরবিনই ভরসা৷ বৃষ্টি বা তুষাঝড় হলে কোনোপক্ষই কারও গতিবিধি বুঝতে পারে না৷ আর এই ব্যাপারটাই কাজে লাগাল শত্রুসেনা৷ আমাদের লোকবল যে কমে গিয়েছে দুদিনের জন্য, সেখবরও মনে হয় পেয়েছিল তারা৷ দুর্যোগের সুযোগ নিয়ে ওপাশের ঢাল বেয়ে উঠে এসে বর্ষণসিক্ত সন্ধ্যার অন্ধকারে এক বিশাল বাহিনী আক্রমণ করল আমাদের৷ গুটিকয়মাত্র লোক আমরা৷ লড়াই একটা হল ঠিকই৷ কিন্তু মুহূর্তের মধ্যে ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলাম আমরা৷ তাদের লক্ষ করে গুলি চালাতে-চালাতে আমাদের অংশের ঢাল বেয়ে নীচে নামতে লাগলাম৷ সেই অন্ধকার রাতে কে কোথায় ছিটকে গেলাম, খেয়াল নেই৷ এক সময় আমি বেশ কিছুটা নীচে নেমে এলাম৷ পাহাড়ের ঢালে কিছুটা সমতল মতো জায়গা৷ তার চারপাশ জঙ্গলে ঘেরা৷ আর তার ঠিক মাঝে দাঁড়িয়ে আছে একটা অস্পষ্ট কাঠামো৷ একটা বৌদ্ধ মঠ৷ যদি কোনো সাহায্য পাওয়া যায় সেখান থেকে, যদি লোক মারফত গ্যাংটকের পথে আরও নীচে যেখানে বিগ্রেডিয়ার আছেন, সেখানে খবর পাঠানো যায়, এই আশায় ছুটলাম সেদিকে৷

    দরজা খুললেন একজন বৃদ্ধ লামা৷ তিনি মঠাধ্যক্ষ৷ সংক্ষেপে ব্যাপারটা বলতেই তিনি মঠের ভিতর ঢুকিয়ে নিলেন আমাকে৷ মঠটা আসলে একটা আশ্রয় শিবির, যদিও আমি সেখানে আগে পা রাখিনি৷ সীমান্তের ওপাশ থেকে কিছুদিন হল একদল তিববতি শরণার্থী এসে আশ্রয় নিয়েছে সেখানে৷ তার মধ্যে অধিকাংশই শিশু৷ যাই হোক, আমি তখন ক্লান্ত, প্রবল ঠান্ডায় প্রায় অবসন্ন৷ সেই বৃদ্ধ লামা আমাকে মঠের ভিতর নিয়ে গিয়ে সুস্থ করে তুললেন৷ তিনি বললেন, ‘আলো না ফুটলে কিছু করা যাবে না,’ এই বলে প্রার্থনা করতে বসলেন তিনি৷ আমি আলো ফোটার প্রতীক্ষা করতে লাগলাম৷

    ভোর হল৷ বৃষ্টিও কিছুটা ধরল৷ বৃদ্ধ লামা একজন সন্ন্যাসীকে নীচে পাঠিয়ে দিলেন বিগ্রেডিয়ারের কাছে খবর পৌঁছনোর জন্য৷ কিন্তু বেলা বাড়ার সঙ্গে-সঙ্গে অন্য বিপত্তি শুরু হল৷ পাহাড়ের মাথার উপর থেকে মঠের আশপাশে আছড়ে পড়তে লাগল মর্টার শেল৷ বুঝতে অসুবিধে হল না, মঠটাকে ওরা উপর থেকে কোনোভাবে চিহ্নিত করতে পেরেছে৷ এইসব বৌদ্ধ মঠ বা তিববতি শরণার্থীদের উপর ওদের খুব রাগ৷ তাই মঠটাকে ধ্বংস করতে চায় ওরা৷ মঠের বাচচাগুলো তখন জেগে উঠেছে৷ আতঙ্কে তারা ছোটাছুটি শুরু করল৷ যে শেলগুলো আশপাশে এসে পড়েছিল, সেগুলো দেখেই আমি বুঝতে পারলাম, এগুলো আমাদেরই শেল৷ অর্থাৎ বারুদঘর দখল করে শত্রুরা আমাদের অস্ত্রেই আমাদের ঘায়েল করছে৷ একটা শেল মঠের একদম গায়ে এসে পড়ল৷ ছোটো একটা ঘর ছিল সেখানে৷ সঙ্গে-সঙ্গে তা ছাই হয়ে গেল৷ কিন্তু এরপরই ভাগ্যক্রমে আবার প্রচণ্ড বৃষ্টি শুরু হল৷ আকাশ ঢেকে গেল মেঘে৷ উপর থেকে মঠের অবস্থান অস্পষ্ট হয়ে যাওয়ায় শেল ফাটাও বন্ধ হল৷

    ‘সময় এগোতে লাগল৷ দুপুর হল৷ বৃষ্টি মৃদু হতেই আবার শেল উড়ে এল৷ মঠের সামনের জঙ্গলটা ছারখার হয়ে গেল৷ কিন্তু আবারও প্রবল বৃষ্টি আমাদের বাঁচাল৷ তবে এভাবে তো ভাগ্যের উপর নির্ভর করে বেশিক্ষণ বাঁচা যাবে না৷ মেঘ যদি কেটে যায়, ওরা ধ্বংস করে দেবে মঠ৷ আমরা হিসেব করে দেখলাম, মঠের লোক নীচে গিয়ে খবর দিয়ে যখন লোক আনবে, তখন মাঝরাত হয়ে যাবে৷ তার মধ্যে একটা না-একটা গোলা ধ্বংস করে দেবে মঠ৷ এতগুলো শিশুর প্রাণ যাবে! স্পষ্ট দুশ্চিন্তার ছাপ মঠাধ্যক্ষর মুখে৷ তিনি বললেন, ‘কী করা যায় বলুন তো?’

    আমি বললাম, ‘যদি কেউ বারুদঘরে গিয়ে ওটা উড়িয়ে দিয়ে আসতে পারত৷ অস্ত্র আর বারুদ ঠাসা একটাই ঘর৷’

    বৃদ্ধ লামা বললেন, ‘আমি যাব৷ কোনোভাবে যদি বারুদ-ঘরে ঢোকার সুযোগ পাই, তবে উড়িয়ে দেব সেটা৷ আত্মসমর্পণের অছিলায় আমি সেখানে যাব৷ দেখি যদি ঢুকতে পারি৷’

    আমি বললাম, ‘কী বলছেন আপনি! কিন্তু সে ঘরে কোনো অস্ত্র নিয়ে ওরা আপনাকে ঢুকতে দেবে না৷ একটা দেশলাই পর্যন্ত নিয়ে নয়৷ তা ছাড়া ঘটনাটা ঘটাবেন কীভাবে? আর আপনিও তো ফিরবেন না!’

    লামা শুধু হাসলেন৷ তারপর বললেন, যেখানে এতগুলো প্রাণের ব্যাপার, সেখানে আমার প্রাণটা বড়ো কথা নয়৷ আমার কোনোকিছুর দরকার নেই, শুধু ঢুকতে পারলেই হল৷ আমি ধ্বংস করে দেব বারুদ ঘর,’ এই বলে সেই লামা প্রার্থনা কক্ষে গিয়ে কিছুক্ষণের জন্য ধ্যানে বসলেন৷ তারপর মঠ ছেড়ে বেরিয়ে রওনা দিলেন ওই পাহাড়ের উপর শত্রুসেনা পরিবৃত বারুদ ঘরের দিকে৷ তার সঙ্গে অস্ত্র দূরের কথা, পরনের সারং ছাড়া একটা কুটো পর্যন্ত নেই৷ তিনি পৌঁছে গেলেন সেখানে৷ শত্রুসেনারা তাঁকে বন্দি করে হাত-পা বেঁধে তাকে বারুদ ঘরে নিয়ে গেল জেরার করার জন্য৷ তারপর মাত্র কিছু সময়৷ প্রচণ্ড বিস্ফোরণে শত্রুসেনা সমেত উড়ে গেল বারুদ ঘর৷ রক্ষা পেল এই তিউমা মঠ,’ কথা শেষ করলেন কর্নেল৷

    আমি জিজ্ঞেস করলাম, ‘আসল ব্যাপারটাই তো বুঝলাম না৷ বারুদ ঘরটা তিনি ওড়ালেন কীভাবে?’

    কর্নেল শুধু জবাব দিলেন, ‘তিউমা!’ তারপরই যেন ভোজবাজির মতো মিলিয়ে গেলেন৷

    কোথায় গেল লোকটা? প্রার্থনা কক্ষে নাকি? তার খোঁজে আমরা গেলাম সেখানে৷ অদ্ভুত ব্যাপার! সেখানে কর্নেল বা সেই লামা কেউ নেই! শুধু বেদির সামনে সেই প্রদীপটা জ্বলছে৷ আর বাতাসে একটা গরম ভাব এখনও আছে ঘরের মধ্যে৷ সারারাত আর সেই লামা বা কর্নেলের দেখা পেলাম না আমরা৷

    পরদিন গাড়ি ঠিক করে ফেরার সময় আমাদের কাছে লিফট চাইলেন ইন্দো-টিবেটান ফোর্সের এক সেনা অফিসার৷ ভদ্রলোকের বাবা নাকি এক সময় তিববতি শরণার্থী হয়ে এই দেশে এসেছিলেন৷ গ্যাংটকের পথে জিপে ফিরতে-ফিরতে কথা হচ্ছিল তাঁর সঙ্গে৷ আমরা আগের রাতে গাড়ি বিভ্রাটের কারণে তিউমা মঠে রাত কাটিয়েছি শুনে তিনি বললেন, ‘জানেন, ওই মঠ নিয়ে একটা গল্প আছে৷ বহুকাল আগে একবার সীমান্তের ওপাশের সেনারা নাথুলা পাসে আমাদের একটা আর্টিলারি অ্যামিনিউশন রুম দখল করে নিয়েছিল৷ তিউমা মঠের প্রধান লামা ওই বারুদ ঘরে গিয়ে সেটা ধ্বংস করে এই এলাকাটাকে বাঁচায়৷’

    তার কথা শুনে অর্ণব বলল, ‘হ্যাঁ, সে গল্প আমরা শুনেছি৷ কিন্তু কীভাবে ধ্বংস করলেন?’

    ভদ্রলোক জবাব দিলেন, ‘তিউমা! আপনার বিশ্বাস করবেন কি না জানি না৷ কিছু-কিছু বৌদ্ধ সন্ন্যাসী যোগবলে দেহের উত্তাপ প্রচণ্ড বাড়িয়ে তুলতে পারেন, যার প্রভাব বাতাসেও পড়ে৷ সেই মঠাধ্যক্ষ নিজের দেহের উষ্ণতা এত বাড়িয়ে ফেলেছিলেন যে, আগুন লেগে যায় ঘরে৷ মজুদ বারুদে বিস্ফোরণ হয়ে উড়ে যায় ঘর৷’

    আমি বিস্মিত কণ্ঠে বললাম, ‘সত্যি এরকম হতে পারে?’

    তিনি বললেন, ‘হ্যাঁ হয়৷ ব্যাপারটা পরীক্ষা করার জন্য ১৮৯১ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বৈজ্ঞানিক এই দেশে আসেন তিববতি ধর্মগুরুর আমন্ত্রণে৷ বিজ্ঞানী দলের নেতা ডক্টর বেনসনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করানো হয় তিনজন প্রাচীন লামার৷ তিনি দ্যাখেন, ওই তিন লামা ধ্যানে বসে তাদের হাত-পায়ের আঙুলের তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড বাড়িয়ে ফেলেছিলেন৷ অতীন্দ্রিয়বাদ সম্মিলিত তিববতি শাস্ত্রেও এই ব্যাপারে লেখা আছে৷ বারুদ ঘরে গিয়ে নিজের দেহে ‘‘তিউমা’’ উৎপাদন করেছিলেন সেই লামা৷’

    বিস্মিত আমরা৷ ভদ্রলোক এর পর বললেন, ‘তবে আর-একটা কথা৷ সেদিন সেই বারুদ ঘর অভিযানে লামার সঙ্গী ছিলেন আরও একজন৷ তিনি ছিলেন বাঙালি৷ মজুমদার ছিল তাঁর পদবি৷ তিউমা লামার সঙ্গে আত্মত্যাগের জন্য তাঁকে মরণোত্তর ‘‘কর্নেল’’ উপাধি প্রদান করা হয়৷ কেউ-কেউ বলে, দুর্যোগের রাতে আজও নাকি দেখা যায় সেই কর্নেল আর বৃদ্ধ লামাকে৷’

    ভদ্রলোকের কথা শুনে চমকে উঠলাম আমরা৷ বুঝতে পারলাম, গতকাল রাতে সেই প্রার্থনা কক্ষে ঢুকে কেন প্রবল ঠাণ্ডা থেকে মুক্তি পেয়েছিলাম আমরা৷ আর কেনই বা হঠাৎ উধাও হয়ে গিয়েছিলেন সেই কর্নেল আর সেই যোগী পুরুষ!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকর্ণসুবর্ণর কড়ি – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article একদা এক পানশালাতে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026
    Our Picks

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }