Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালো বরফ – মাহমুদুল হক

    মাহমুদুল হক এক পাতা গল্প136 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৬. এই যে প্রফেসর

    এই যে প্রফেসর, দেখা নেই যে?

    আবদুল খালেক বললে, গত সন্ধ্যায় আপনি বসেন নি, আমি এসে ফিরে গিয়েছিলাম, দেখলাম বন্ধ।

    নরহরি ডাক্তার বললে, বলেছিলাম। সন্ধে দিয়েই আবার বন্ধ করে দিয়েছিলাম। কল ছিল। তা আপনি তো জানেনই। সেই যে। ক্রিমিন্যাল এ্যাবরশন কেসটা! বেশ কাজ হচ্ছিলো মেথারজিনে। গতকাল হঠাৎ দারুণভাবে ফল করলে টেমপারেচার। স্যালাইন ট্রানফিউশনের ব্যবস্থা করলাম। কোনো লাভ হলো না, মাঝরাতের দিকে টেঁসে গেল রুগী। চা খান। তা আপনাদের সব খবরাবখবর কি? কলেজের এ্যাফিলিয়েশনের কদ্দূর কি হলো? প্রিন্সিপ্যাল সাহেব ঢাকা থেকে ফিরেছেন দেখলাম। সকালে পুকুরঘাটে বসে বসে দাঁত ব্রাশ করছিলেন—

    আবদুল খালেক স্বললে, খবর খুব খারাপ। এ্যাফিলিয়েশনের এখন আর কোনো আশা নেই, সেই রকমই তো বললেন।

    বলেন কি?

    এদিকে কলেজের অবস্থা তো দেখতেই পাচ্ছেন, যেকোন সময় দপ্ করে নিভে যেতে পারে। এ বছরে পাসের হারটা কি ছিল, ছাত্র আসবে কোথেকে!

    তা বটে—

    গত বছরে মোটামুটি শদেড়েক নতুন ছাত্র ভর্তি হয়েছিল। এ বছরে গোটা নয়েক, শেষ পর্যন্ত হয়তো জোরজার করে টেনেটুনে জন পনেরোয় উঠবে, এই তো অবস্থা। খুববেশি হলে আর মাস দুয়েক, তারপরে টিচারদের বেতন বন্ধ হয়ে যাবে!

    নরহরি ডাক্তার বললে, আপনাদেরও কুড়েমি কি কম? সব কাজের একটা সময় আছে। সময়মতো চেষ্টা তদবিরটাই হলো বড় কথা। নতুন এ্যাফিলিয়েশন যেই বন্ধ করে দেবার কথা উঠেছে, অমনি আপনাদের ছোটাছুটি শুরু। কি দরকার ছিলো পুকুরটাকে ডাকে দেবার, কলেজ নিজের হাতেই তো রাখতে পারতো, মাছ ছাড়তে পারতো, কতকগুলো টাউটকে খুশি করা, এই তত? তা এখন সেই টাউটগুলোকে বলুন, বলুন কিছু ডোনার যোগাড় করে দাও——

    আবদুল খালেক বললে, পরিষ্কার বুঝতে পারছি এখানকার পাট তুলে দেবার দিন এসে গেছে!

    আরও দেখুন
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বইয়ের
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা ভাষার বই
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বইয়ের
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা কবিতা
    অনলাইন বুক

    চেষ্টা-ফেষ্টা করছেন নাকি অন্য চাকরির?

    কোথায় চেষ্টা করব, সে সোর্সও নেই, উদ্যমও নেই। তা, যা হবার একটা হয়ে যাক। তখন দেখা যাবে। এইসব নিয়ে মাথা ঘামাতে গেলে ভীষণ ভেঙে পড়ি।

    এক ফাঁকে একটা রুগী এসে বসেছিল। মাঝে মাঝে কাত হয়ে তার মুখের কাছে কান নিচ্ছিল নরহরি ডাক্তার। তারপর আবার সোজা হয়ে আবদুল খালেকের কথা শুনছিল। এক সময় ধমক মেরে উঠলো। অতো ব্যস্ত হয়ে পড়েছ কেন ছেলে ছেলে করে, ভাইডালিনটা চলুক না, আমি কি ভেল্কি জানি যে, রাতারাতি ভালো করে দেব?

    আবদুল খালেক জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকাতে বললে, হেপাটাইটিস, মানে যকৃতের ব্যাপার, প্রদাহের ব্যাপার, কি বুঝলেন! তাও আবার কিনা কনজেনিট্যাল, সারাতে সময় লাগবে না?

    রুগীটি বেরিয়ে যেতেই ইমান আলিকে দেখা গেল সামনে দাঁড়িয়ে। ইমান আলি ইউনিয়ন পরিষদের ইলেকশনে চেয়াম্যান পদের জন্য দাঁড়িয়েছিল, জিততে পারেনি।

    আরও দেখুন
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা কবিতা
    নতুন উপন্যাস
    Books
    পিডিএফ
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা ভাষা
    বাংলা বই
    অনলাইন বুক

    নরহরি ডাক্তার বললে, এই ডে ঢোলমার্কা ফেলুপট্টি, ভিতরে আসা হোক, ভিতরে আসা হোক!

    ইমান আলি বললে, খবরটবর কি ডাক্তারবাবু!

    আমদের আর খবর! দিন তো এখন তোমাদের।

    ইমান আলি আবদুল খালেকের দিকে তার স্টার সিগ্রেটের প্যাকেট বাড়িয়ে দিয়ে বললে, শুনলেন তো স্যার, ডাক্তারবাবুর কথা?

    নরহরি ডাক্তার বললে, উনি কি বলবেন, জানেনটা কি উনি! যে টাকা ঢেলেছিল ইলেকশানে, তার দ্বিগুণ-চতুগুণ ঘরে আসছে, খেলা কথা আর কি! আলুর দাম কতোয় উঠেছে, খেয়াল আছে?

    ইমান আলি বললে, তাই বলুন!

    বলবো আবার কি, এখনো সত্তরে গিয়ে থমকে আছে, শেষ পর্যন্ত ওই আশিতে গিয়ে ঠেকবে, তোমাদের আর পায় কে! তা ছেড়ে দিয়েছ নাকি আলু?

    আরও দেখুন
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা হেলথ টিপস ই-বুক
    বুক শেল্ফ
    পিডিএফ
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    Books
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা কবিতা
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ

    ইমান আলি বললে, পাঁচশো মণের মতো, এখন এই পর্যন্তই!

    প্রফেসর কি বুঝলেন? নরহরি ডাক্তার বললে, কেসটা বুঝলেন। মরলো কারা, বেচারা চাষীরা। একে তো বিষ্টিতে সব পচে নষ্ট হলো, তারপর দাম পেল মোটে তিরিশ টাকা। ওতে কোনোমতে খরচও ওঠে না, লাভ তো দূরের কথা। ওদিকে কর্তারা টাউনে বসে বসে স্বপ্ন দেখছেন গ্রামভিত্তিক অর্থনীতির, কৃষককে বাঁচাতে হবে, ভ্যারেণ্ডা ভাজতে হবে, সব বোগাস!

    ইমান আলি চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে বললে, স্যারকে তো বলেছিলাম, কিছু আলু ধরে রাখুন, বেধে গেলেও যেতে পারে, তখন শুনলেন না—

    আবদুল খালেক বললে, রাখবো যে তেমন সামর্থ্য কোথায়! আমার কিভাবে চলে ডাক্তারবাবু ভালো করেই জানেন!

    আপনার কোনো ঝামেলা পোহাতে হতো না— ইমান আলি বললে, আমার আলুর সঙ্গেই স্টোরেজে উঠতো,মধ্যে থেকে ঘরে বসে কিছু টাকা ফাও এসে যেতো আপনার হাতে–

    আরও দেখুন
    PDF
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা কমিকস
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা ইসলামিক বই

    নরহরি ডাক্তার বললে, কাজের কথায় এসো, কলেজের তো চাট্টিবাট্টি গোল অবস্থা! তোমরা কোনো উদ্যোগ-ব্যবস্থা নেবে, না এইভাবে ধুকে ধুকে ওষুধপথ্যের অভাবে চোখের সামনে কলেজটা পটল তুলবে—

    ইমান আলি বললে, মাঝে মাঝে এমন সব কথা বলেন!

    কেন, কি এমন খারাপ কথাটা বললাম! তোমাদের কি কিছুই করবার নেই? ইলেকশনে দাঁড়াবে, আবার অভিমানও করবে, টিকতে পারবে ভিলেজ পলিটিক্সে?

    লোকে যাকে চায় না, তার আবার কিসের দায়দায়িত্ব?

    দায়িত্বটা তারই–নরহরি ডাক্তার বললে, পলিটিক্সে আগে মার খেতে হয়, বুঝলে দাদা! গভর্নিং বডির মিটিং, কিছু খুচরো প্ল্যান-প্রোগ্রাম, আর লোক দেখানো ছোটাছুটি, এখনকার চেয়ারম্যানের দৌড় তো এ্যাদ্দুর। তোমারই উচিত কিছু করে দ্যাখানো। বড় বড় পার্টি সব ঢাকায় বসে থাকে। তারা মুততেও কখনও গ্রামে আসে না। তাদের সঙ্গে যারা যোগাযোগ রাখে, তারাই তাদের কাছের মানুষ। তাদের কাছে দৌড়বে, তাদের বোঝাবে, খুব কঠিন একটা ব্যাপার না–

    আরও দেখুন
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    গ্রন্থাগার সেবা
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা বই
    বই পড়ুন
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা

    ইমান আলি পা দোলাতে দোলাতে বললে, আগে দেখি, আমাদের চেয়ারম্যানসাব কি করে, তারপর ময়দানে নামবো—

    নরহরি ডাক্তার বললে, চেয়ারম্যানের চেষ্টা-তদবিরেই রাস্তা আর ব্রিজের কাজকম্মো রমিজ মুন্সী পেয়েছিল, কোনো একটা ব্যাপার নিয়ে রমিজ মুন্সী আর সিও ডেভের ভেতর নটখট বেধে গেছে। বাইরে রটেছে কলকাঠিটা তোমার নাড়া—

    অমন অনেক কথাই রটে। একটা কাজ সেরে আসি। আপনি থাকবেন— এই বলে উঠে যায় ইমান আলি।

    ইমান আলি বেরিয়ে যাবার পর নরহরি ডাক্তার বললে, কেমন একটা ডোজ দিলাম দেখলেন তো? ডোজটা ধরেছে মনে হলো। এখন আপনাদের কপাল—

    আবদুল খালেক গায়ের জড় ভেঙে বললে, টুকুর মায়ের শরীরটা একটু খারাপ যাচ্ছে–

    কি রকম?

    আরও দেখুন
    PDF
    অনলাইন বুক
    ই-বই ডাউনলোড
    গ্রন্থাগার সেবা
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা ভাষা
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা উপন্যাস
    বইয়ের
    বাংলা ভাষার বই

    এই অসময়ে আর কি–

    আগে হয়েছে আর, না এই প্রথম?

    আগেও হয়েছে মাঝে মাঝে। এতোদিন কিছু বলেনি। এবারই বললে–

    নরহরি ডাক্তার বললে, মেয়েদের ধরনটাই অমন। রোগটাকে পাকিয়ে ফেলে তারপর বলা। খুব বেশি কি?

    তাই তো বলছে—

    পিরিয়ড গেছে কতোদিন আগে?

    এই দিন পনেরো আগে!

    একটা স্লিপ টেনে খচ খচ করে ওষুধের নাম লিখে আবদুল খালেকের দিকে বাড়িয়ে দেয় নরহরি ডাক্তার। বললে, যাওয়ার পথে এটা নিয়ে যাবেন, আমার কাছ নেই, ট্রসটিন-এম। ঘরে ফেরার পথে ফুড়ে দিয়ে যাবোক্ষণ–

    আরও দেখুন
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা ভাষার বই
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা হেলথ টিপস ই-বুক
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    গ্রন্থাগার
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    Books
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    পিডিএফ

    স্লিপটা হাতে নিয়ে আবদুল খালেক বললে, কোনোদিকে বেরুবেন নাকি ডাক্তার একদিন না বললেন বেড়াতে বেরুবেন—

    ফুরসৎ কই! গেলে আপনাকে বলবো!

    আবদুল খালেক বললে, এখানে আর মন বসতে চাচ্ছে না, কি করি বলুন তো? সময় যেন আর কাটে না—

    সেদিন যেন বলছিলেন রাতে ঘুমের খুব ডিসটার্ব হয়?

    ঘুম হয় আমি ইচ্ছে করেই জেগে থাকি। ঐ সময়টা আমার ভালো লাগে–

    বেশ রোমান্টিক লোক আপনি—

    নরহরি ডাক্তারের ওখান থেকে বেরিয়ে কিছুদূর যেতেই বাজারের মুখে ওষুধের বড় দোকানটা দেখে তার মনে পড়লো, তার কাছে একটা স্লিপ আছে। স্লিপটা এগিয়ে দিল সে। ট্রসটিন-এম নেই। একবার ভাবলো, গিয়ে বলে। কিন্তু ইচ্ছা হলো না। যাক, পরে হবে। সে হাঁটা শুরু করে। কোথায় যাবে এখন! তার ইচ্ছে নেই এখন ঘরে ফেরার।।

    আরও দেখুন
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ
    বইয়ের
    Library
    বাংলা ভাষা
    গ্রন্থাগার
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা ইসলামিক বই

    এক হয় হোস্টেলের দিকে হাঁটা। আজ বন্ধের দিন। ইচ্ছে করে। আবদুল খালেক জানে ওখানে এখন ধুমসে কাচ্চু কি হাইড্রোজেনের আসর বসেছে। সে নিজে শিক্ষক, কিন্তু তাস পেটানো সহযোগীদের কাউকেই তার তেমন ভালো লাগে না। এরা কেউ কিছু শেখেনি, এদের কারো চোখ নেই, মন বলে কোনো পদার্থ নেই, কোনোমতে একটা ভঁজকরা ডিগ্রী বগলে পুরে মাছির মতো চাক বেঁধেছে এখানে; এই রকমই তার ধারণা। এরা স্কুল, পরশ্রীকাতর, লোভী, অসৎ।

    আবদুল খালেক নিজেকে আলাদাভাবে দ্যাখে। কারো সঙ্গেই তার কোনো রকমের অবনিবনা নেই। না থাকুক, তবু সে এদের একজন নিজেকে ভাবতে পারে না। বিরাট একটা ফাঁক, সে জানে না সে কখনও পার হতে পারবে না।

    তা ইচ্ছে নেই এখন ঘরে ফেরার। ক্রমশ বুঝতে পারে, শুধু যে ঘরে তা নয়, কোথাও ফেরার তার ইচ্ছে নেই। এমনকি তার কোনো ইচ্ছাই নেই।

    বাজারে বের হবার আগে একটা অদ্ভুত ব্যাপার তার চোখে পড়েছিল। সে জানতো না বলে হুড়মুড় করে ভিতরে ঢুকে পড়েছিল। ভেতরে থেকে দরোজাটাকে নিছক ঠেলে না দিয়ে খিল আটকানো উচিত ছিল রেখার। সে তখন শাড়ি বদলাচ্ছিল। এই ধরনের অমনোযোগিতা খুবই অপছন্দের। না কি নিছক অবহেলা, নিজের প্রতি অবহেলা।

    আরও দেখুন
    বাংলা উপন্যাস
    PDF
    বইয়ের
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    ই-বই ডাউনলোড
    Library
    বই পড়ুন
    বাংলা ইসলামিক বই
    সেবা প্রকাশনীর বই
    উপন্যাস সংগ্রহ

    অস্বচ্ছ হলেও, এইসব ব্যাপারে তার একটা ধারণা আছে, সব মেয়েরাই এমন অসাবধানী নয়।

    ট্রাসটিন-এম, নামটা ভারি সুন্দর।

    ডায়াল-এম ফর মার্ডার, এ্যালান পোর একটি গল্প। ফ্রান্টম অব দি রু্য মর্গ, সে ছবি দেখেছিল মুকুলে। একে একে অনেক ছবি আর বইয়ের কথা তা মনে পড়ে। এই অজ পাড়াগাঁয়ে দেখতে না দেখতে সে ভোঁতা মেরে গেল। কেমন একটু নুদির ভাব দেখতে পাচ্ছে পেটে। একজন নাদাপেট প্রফেসর গদাই লস্করে চালে চপর চপর পান চিবাতে চিবাতে বগলে একখানা বই নিয়ে চর্যাপদের ক্লাস নিতে যাচ্ছে, এই যদি হয় দুবছর পরের ছবি, তা কেমন হবে দেখতে।

    দুবছর অনেক দূর। প্রিন্সিপ্যাল সাহেব বলেছিলেন, কলেজ উঠিয়ে দিয়ে ওটাকে একটা কোল্ড স্টোরেজ করে দিলে কেমন হয়!

    তা উঠে গেলেই এক রকম ভালো। ঝক্কি চুকে যায়। পকেটে সিগ্রেটের প্যাকেট ঠেলে বেরুনো একরাশ ভ্যাদামার্কা ছেলে ঘাঁটাঘাঁটি করতে করতে এখন সেও হাঁপিয়ে পড়েছে। ছাত্র হলেও এদের অনেকেই পার্টটাইম ব্যবসায়ী, কেউ কেউ বিবাহিত, কারো কারো বয়সে কোনো গাছপাথর নেই। এছাড়াও কতো রকমের যে দুশ্চিন্তা। হাঁড়ির জিওল মাছের মতো অবস্থা, এই আছে এই নেই।

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    গ্রন্থাগার সেবা
    বইয়ের
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা কবিতা
    বাংলা লাইব্রেরী
    সেবা প্রকাশনীর বই
    Books

    রেখা আর টুকু, এই দুজনের জন্যে তার ভাবনা। নিজেকে সে বাদ দেয়; নিজেকে নিয়ে তার কোনো সমস্যা নেই, কোনো না কোনোভাবে তার চলে যাবে।

    এটাও একটা বাতুল চিন্তা ফালতু ধারণী। আবদুল খালেক শুধরে নেয় নিজেকে, তার ভাবনা-চিন্তায় ওদের ভূমিকা যেন নিছক বোঝার। এর ভেতরে আচ্ছন্নভাবে তার একটা অহমিকা আছে, সে চালাচ্ছে ওদের। কে ফাঁদের চালায়, আসলে তো যে যার নিজের জীবনকে নিজেই চালায়। চালানো মানে জীবনকে কোনোরকমে টেনে বেড়ানো। চেয়ে-চিন্তে, মেরে-কেটে, যেভাবেই হোক।

    পায়ে পায়ে কাঁঠালতলির দিকে হাঁটতে থাকে আবদুল খালেক; উদ্দেশ্যহীন। দুএকটি ছাত্রের সঙ্গে দেখা হয়। স্যার কোথায় চললেন? জিজ্ঞেস করে কেউ কেউ। যাই দেখি— এর বেশি আর কিছু তার বলার দরকার হয় না।

    একটা বিশাল অশথ গাছ আড়াআড়িভাবে পড়ে আছে। কোনোরকমে সে ডিঙিয়ে গেল। প্রথমে অবাক হলো। বিনা বিষ্টিবাদলাতেই এমনভাবে গাছ-গাছড়ার হুমড়ি খেয়ে পড়া সে আর কখনও দ্যাখেনি। খেয়াল করে দেখলো, গাছের গোড়াটা একেবারে ভোঁতা, শেকড়-বাকড় নেই। ক্ষয়া, পোকা খাওয়া। এই ভেবে কিছুটা অবাকও হলো, এতোদিন তাহলে গাছটা খাড়া দাড়িয়ে ছিল কিভাবেনিছক অভ্যাসবশত? না কি কোনো কিছুর অপেক্ষায়? এ পথে যতোবারই এসেছে, চোখে পড়েছে গাছটা; কেমন যেন ছন্নছাড়া চেহারা ছিল। মনমরা মনমরা। অনেক আগেই তার দিন শেষ হয়ে এসেছিল, এখন বুঝতে পারে, অনেক আগেই।।

    আরও দেখুন
    সেবা প্রকাশনীর বই
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা ই-বই
    বাংলা হেলথ টিপস ই-বুক
    বাংলা ভাষা

    দুপাশে ধানখেত, থৈ থৈ করছে বর্ষার পানি; হাঁসের খলবলে একটা বহর ডোবাডুবি শেষ করে খেতের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসে। আবদুল খালেকের ইচ্ছে কোথাও দু দণ্ড বসার। বাছাবাছির কিছু নেই, বসে পড়লেই হয়, ভয় ছাত্রদের নিয়ে। হাঁটাপথের একপাশে তাকে এইভাবে বসে থাকতে দেখে মাথামুণ্ডুহীন কতো কথাই তো তারা ছড়াতে পারে।

    কোথাও কোনো আড়াল নেই। খুঁজলে পেয়ে যেতে পারে সুবিধেমতো একটা জায়গা। কিন্তু বেশি একটা আগ্রহও তার নেই, এমন নয় যে, সে হই হই করে বেরিয়েছে দিগ্বিজয়ে।

    এই বর্ষা কালটা ভারি সুন্দর। প্রতি বছর চার পাশের কয়েকটা নদী পাল্লা দিয়ে ছাপিয়ে ওঠে। তারপর লোকচক্ষুকে প্রায় ফাঁকি দিয়ে আস্তে আস্তে ঢোকে গ্রামের ভেতর। এ গ্রাম, ও গ্রাম, এপাড়া, ওপাড়া, এই করতে করতে পুরো দেশটাকেই তারা ঢেকে দেয়। রুখু রুখু চেহারার গ্রামগুলো বন্য লাবণ্যে মায়াময় হয়ে ওঠে।

    আবদুল খালেকের মনে হয় এর আগে কোনোদিন সে এতো মনোযোগ দিয়ে এসব দ্যাখেনি। আধবোজা চোখে অলস ঘুমের ভেতর তার দিন কেটেছে। এক একটা লোকের চেহারার দিকে তাকিয়ে এখন তার মনে হয়, এরা জীবনের মুখোমুখি দাঁড়ানো মানুষ। হয়তো ক্লান্ত, ধসনামা, তবু অবিরাম যুদ্ধ করে চলেছে।

    ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে পাকার করেছে নিজের জীবনকে। কালঘুম। চেষ্টা করলেও এখন আর দেহের জড় ভাঙে না। পাথরের মতো নিরেট,কি অনড় এই মর্মান্তিক অবসন্নতা!

    একটা মাছরাঙা গলাপানিতে নামা হিজলের ডালে গিয়ে বসলো। এটা একটা সম্পর্ক, এই মুহূর্তে আবদুল খালেকের তাই মনে হয়,অলিখিত—তবু যুগ যুগ ধরে এইভাবে চলে আসছে সবকিছু। না বসলেও চলে মাছরাঙার, একটা আধডোবা খাড়া কঞ্চির ওপর গিয়ে বসলেও তার উদ্দেশ্য সিদ্ধ হয়। তবু হিজলের একটা শাখা,গোছা গোছা পাতার মনোরম একটা আড়াল সে যখন বেছে নেয়, তখন এক ধরনের নির্ভরশীলতা সত্য হয়ে ওঠে। বড় ক্ষণিকের এ সম্পর্ক, তবু দিব্যকান্তি।

    রেখা, টুকু, রেখাটুকু—

    কেবল এইটুকুই তার সামনে। দৌড়, দৌড়, লম্বা একটা দৌড়, তারপর সে পৌঁছেছে কেবল এইটুকুর সামনে।

    রেখা আমার বাড়িতে মানুষ। তার নিজের ভাষায় পরের বাড়িতে। মামীর অবহেলা আর অত্যাচারে তার সমস্ত অতীত ছেঁড়া, টুকরো-টুকরো, ফালা ফালা। নিজের মনকে তাই রঙচটা তালিমারা ছাড়া অন্য কিছু সে ভাবতে পারলো না কোনোদিন।

    রেখার ইচ্ছে ছিল মামীকে সে সবকিছু ফেরত দেবে; সব ঋণ–সব দেনা-পাওনা সে একদিন কড়ায়-ক্রান্তিতে শোধ দিয়ে দেবে। তার সব চিন্তা-ভাবনাকে সে এইভাবে ধারালো আর প্রতিশোধ-উন্মুখ। করে তুলেছিল। ফলে বিয়ের পরদিন থেকে এই একটা ব্যাপার আবিষ্কার করা তার পক্ষে অতি সহজ হয়ে পড়ে, যার নাম অক্ষমতা যতোই দিন গেছে, এই অক্ষমতা তার কাছে আরও প্রকট, আরো আরো নিরেট, আরো হীন হয়ে দেখা দিয়েছে। যতোবারই সে পা বাড়াতে গেছে, আশাভঙ্গের যন্ত্রণা তাকে তার নিজের কাছেই ফিরিয়ে দিয়েছে ততোবার। জীবনে এ এক ধরনের মার খাওয়া।

    আবদুল খালেক মার খাওয়া রেখার ভেতরের দৈন্যদশার কথা ভেবে কষ্ট পেল। তার নিজের অপরাধও বড় একটা কম নয়, সে জানে। এমন কিছুই নেই তার কাছে জোর গলায় সে যার প্রতিশ্রুতি দিতে পারে। যদি বলা হয় হতোদ্যম, নৈরাশ্যপীড়িত, তারপরও কিছু বাকি থাকে; আজন্মকাল সে মাথা নিচু করে সবকিছু মেনে নেয়ার পক্ষপাতী। এইভাবে মেনে নিতে নিতে আজ সে একেবারে তলানিতে এসে ঠেকেছে।

    ইচ্ছে ছিল মাকে কাছে রাখার। কোনোদিন সামান্য কোনো আগ্রহ দেখালো না রেখা। কথাটা সোজাসুজি কখনো না তুললেও, হাবেভাবে সবসময়ে সে বুঝিয়ে এসেছে। রেখা হয়তো দ্যাখে-একটা পেট; তার নিজের কাছে একটা প্রাণ। কতো রোগ, কতো শোক, কতো ঝড়বিষ্টিই না গেছে তার ওপর দিয়ে, রেখা তো আর সেসব কিছু দ্যাখেনি।

    মাঝে মাঝে সে দুঃখ পেয়েছে, ভেবেছে এতো অনীহা কেন রেখার, এতো অশ্রদ্ধা কেন। ভেতর থেকে ভাঙা, যথাসর্বস্ব খোয়ানো, আর কখনো কারও কাছে যার কোনো দাবি নেই, এমন একটা নিরাপদ মানুষকেও রেখা একদিনের জন্যে ঠাই দিতে পারলো না।

    কতো তফাৎ, আবদুল খালেক একটা বৌনাগাছের তলায় দাঁড়িয়ে এই কথা ভাবলো,-মা কি ছিল, আর রেখা কি; মাকে কিভাবে দেখেছে সে, রেখাকে কিভাবে দেখেছে। কাউকে না জানিয়ে,খুব গোপনে, টু-শব্দটি না করে, হাসিমুখে, কি অবিরল নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছিল মা। সংসারের সামান্য একটা ফাটা পিরিচ, কিংবা ডাঙ ভাঙা কাপ, কিংবা ক্ষয়ধরা পেতলের খুন্তির গায়েও চোখের পানি ছিল মার। এমন কিছুই ছিল না, যার কোনো প্রয়োজন নেই, যা কখনও সংসারের কোনো কাজে লাগবে না। সবকিছু ছিল আদরের। পুরনো পাড় থেকে তোলা সামান্য যে পচা সুতো তারও যে যত ছিল, তাতে জীবনের ভার অনেকখানি লাঘব হয়। তুচ্ছ কুটোগাচা থেকে হাত-বেড়ি-খুন্তিরও অভিমান ছিল, তারাও বোধহয় মা বলে ডাকতে শিখেছিল। মনে হতো অপরাধী, ঘটিবাটির কাছে, ঘরদোরের কাছে, বিছানা-বালিশ-লেপ-তোষকের কাছে। সামান্য যে ফেনফেলা গামলা, হাঁড়িধরা ন্যাতা, ঘরপোছা ন্যাতা, তিল তিল করে সে অপরাধের কথা তাদেরও বোধহয় এক সময় জানা হয়ে যেতো। সেই সে বছর, যে বছর উল্টোপাল্টা খুব ঝড় গেল, পুকুরপাড়ের বাতাবি নেবু গাছটা পড়ে যায়, টিন পড়ে সুকদেবের মার পা কেটে গিয়েছিল, রজনী ভেণ্ডারির অমন জোয়ান মেয়েটা কলেরায় মারা যায়, মনি আমার কোলে এলো–মা বলতো এইভাবে। তা, ও ছেলে তো আমার ধুলোয় ঘোঁটাকেটে মানুষ। না পেয়েছে আদর, না যত্ন। বছর না ঘুরতে কোলে এলো। টিপুর পিঠোপিঠি। কাকে দেখি, কাকে ধরি, একলা মানুষ। একটা গামছা বিড়ে পাকিয়ে মাথার নিচে দিয়ে মেঝেয় শুইয়ে রাখি, একা একা হাত-পা ছুঁড়ে খেলা করে, খিদে পেলে কাঁদে, পেট ভরা থাকলে ঘুমিয়ে থাকে, বড় অবহেলায় মানুষ হয়েছে ছেলেটা–

    মার সে বলা ছিল কতো সুন্দর! ও আমার কোলে এলো–একটা গানের কলি। আজ, এই ভরদুপুরে, গরিব বৌনাগাছের নিচে দাঁড়িয়ে, এক অস্থির আবদুল খালেক, রেখা যাকে তার স্বামী বলে জানে, টুকু যাকে তার আব্বা বলে চেনে, হু হু করে কেঁদে ফেললো। এতোদিন পর, কোনো এক অজ্ঞাত কারণে ঝিরঝির বিপর্যয়ের মাঝখানে দাঁড়িয়ে তার মনে হলো, গাজর ঐ কলিতে ভরদুপুরেও আকাশে চাঁদ ওঠে, সব রোগের নিরাময় ঘটে, সব পাপ ধুয়ে যায়, জগৎ-সংসার ভেসে যায়। কেবলই মনে হয়, কৈ, কোথাও তো কোনো দাগ লেগে নেই!

    স্যার, আপনি এখানে? আবদুল খালেকের এক ছাত্র রশিদুল বললে, কখন থেকে এখানে দাঁড়িয়ে আছেন—

    আবদুল খালেক ব্রিত হয়ে বললে, এই একটু দাঁড়িয়েছিলাম। তোমাদের গ্রামগুলো ভারি সুন্দর!

    রশিদুল খুশি হয়ে হাত কচলে বললে, চলুন না স্যার একদিন আমাদের বাড়িতে, আপনাকে ঘুরে ঘুরে সব দ্যাখাবো।

    তোমাকে নিয়ে একদিন বেরুবো। প্রায়ই ইচ্ছে হয় ঘুরে ঘুরে সব দেখি, হয়ে ওঠে না।

    আমাকে আগে থেকে বলে দেবেন। নৌকো ঠিক করে রাখবো–

    আবদুল খালেক বললে, এবার ফিরতে হয়।

    রশিদুল বললে, আমি বাজার থেকে আসছি। ভাবী আপনাকে ডাকার জন্যে লোক পাঠিয়েছিলেন বাজারে। খুঁজছিল—

    তাহলে তো তাড়াতাড়ি ফিরতে হয়।

    রশিদুল বললে, আমি কিছুদূর এগিয়ে দেবো, এই রোদে একা একা ফিরবেন–

    কোনো দরকার নেই–আবদুল খালেক বললে, তুমি বরং বাড়ি যাও, এ আর কতোটুকু পথ!

    ফেরার পথে আবদুল খালেকের কানে বাজে অদ্ভুত একটা বাজনা, জিনজার-গিনজার ট্রসটিন-এম!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজীবন আমার বোন – মাহমুদুল হক
    Next Article অনুর পাঠশালা – মাহমুদুল হক

    Related Articles

    মাহমুদুল হক

    অনুর পাঠশালা – মাহমুদুল হক

    November 8, 2025
    মাহমুদুল হক

    জীবন আমার বোন – মাহমুদুল হক

    November 8, 2025
    মাহমুদুল হক

    মাহমুদুল হকের গল্প

    November 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }