Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কিরীটী অমনিবাস ১২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত এক পাতা গল্প478 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৩. সিংহাসনটি চুরি যাবার আনুপূর্বিক ঘটনা

    কিরীটীর অনুরোধে রাজাবাহাদুর সিংহাসনটি চুরি যাবার আনুপূর্বিক ঘটনা বললেন।

    সেদিন শনিবার, অমাবস্যা। তার উপরে সকাল থেকেই আকাশটা ছিল মেঘাচ্ছন্ন। সারাটা দিন লাইব্রেরী ঘরে কাটিয়ে ত্ৰিদীপনাথ সন্ধ্যার দিকে অন্দরমহলে যাবেন বলে উঠেছেন, এমন সময় হঠাৎ যেন তঁর মাথাটা ঘুরে উঠল। তাড়াতাড়ি সোফার ওপরে বসে পড়লেন। শরীরটার মধ্যে কেমন যেন অস্থির-অস্থির করছিল। ঐ দিনই সকালের ট্রেনে তার শ্যালক মেডিক্যাল কলেজের পাস-করা ডাক্তার শশাঙ্ক তার দিদিকে নিতে এসেছিল। সে সংবাদ পেয়ে ছুটে আসে এবং সকলে মিলে তাঁকে নিয়ে গিয়ে তাঁর শয্যার ওপরে শুইয়ে দেয়। শশাঙ্ক তাঁকে পূর্ণ বিশ্রাম নিতে বলে। রাত্রে আর অন্য কিছু না খেয়ে এক গ্লাস গরম দুধ খেয়েই শুয়ে পড়েন; মাঝরাত্রে একবার ঘুম ভেঙেছিল, তাঁর মনে আছে যে রাজবাড়ির পেটা ঘড়িতে তখন রাত দুটো ঘোষণা করছে। বাকি রাতটা আর তঁর ঘুম হয়নি। পরের দিন তাঁকে একটু সুস্থ দেখে তাঁর স্ত্রী ও শ্যালক দুপুরের গাড়িতে কলকাতায় চলে গেলেন। বেলা চারটের সময় যে স্বর্ণকার সোনার গোপাল নির্মাণ করছিল, সে এসে সিংহাসনের মাপটা জানতে চায়। কেননা যে মাপ সে পূর্বে নিয়ে গিয়েছিল, সেটা সে হারিয়ে ফেলেছে। তাঁর ধরণা হচ্ছে, সোনার মূর্তির নীচেকার অংশ যেন একটু বড় হয়ে গেছে। সেই সময় রাজাবাহাদুর আয়রন সেফ খুলে ঝাপি তুলে দেখেন ঝাপি শূন্য; সিংহাসন তার মধ্যে নেই অথচ তাঁর স্পষ্ট মনে আছে, মাত্র দুদিন আগেও একবার যখন তিনি সেফ খোলেন, ঝাপি খুলে দেখেছিলেন সিংহাসন ঝাঁপির মধ্যে আছে।

    সেফের মধ্যে যে ঝাঁপিতে সিংহাসন আছে সকলেই তা জানত, না?

    হ্যাঁ, কিংবদন্তীর মতই সিংহাসনের অস্তিত্বটা কারো কাছেই গোপন ছিল না।

    তবে ঝাঁপির মধ্যে যে ঐ সেফে সেটে থাকত, সেটা আমি, আমার স্ত্রী ও মা ছাড়া আর চতুর্থ ব্যক্তি কেউই জানত না।

    আর কেউ জানত না। আপনি ঠিক জানেন?

    নিশ্চয়ই।

    আপনার মা বাইরের কারো কাছে কোনদিন গল্পচ্ছলেও কি বলে থাকতে পারেন না?

    পারেন, কিন্তু আমি আমার স্ত্রী ও মাকে ভালভাবেই চিনি, তাঁদের কেউ অন্যের কাছে সে কথা বলতে পারেন না।

    কথায় বলে স্ত্রীলোকের মন, গোপনকে গোপন না রাখাটাই তাদের ধর্ম। জানেন না মহাভারতে যুধিষ্ঠির তাঁর মা কুন্তী দেবীকে কি অভিসম্পাত দিয়েছিলেন!। কিন্তু যাক সে কথা। ওটা সামান্য একটা কিংবদন্তী মাত্র। হ্যাঁ ভাল কথা, আপনার ভৃত্য ভজু তো শুনেছি। এ বাড়িতে বহুকাল আছে, সেও জানত না?

    না। তবে সে এ ঘরে প্রায়ই আসে।

    কখনও কি মনে হয়েছে, আপনি সিন্দুক খুলেছেন সে এসে পড়েছে?

    না, সিন্দুক খোলবার আগে বরাবরই আমি ঘরের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ করে দিই।

    আচ্ছা, আপনার ঘরের এই গুপ্তদ্বারের কথা। আপনি ছাড়া আর কেউ জানে?

    আমার মা আর আমার স্ত্রী।

    হুঁ, আমার মনে পড়ছে সেই কিংবদন্তী। মনে মনেই কিরীটী কথাগুলো উচ্চারণ করলে।

    আপনি যখন ঘুমোন, তখন আপনার সেফের চাবি কোথায় থাকে?

    আমার লেখবার ড্রয়ারে।

    ঘুমোবার সময় আপনার শয়নকক্ষের দরজা তো বন্ধই থাকে, না?

    হ্যাঁ।

    সে রাত্রেও ছিল? মানে যেদিন আপনি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন?

    হ্যাঁ। ঘুম ভেঙে উঠে তাই দেখেছিলাম, দরজা ভিতর থেকে বন্ধই ছিল।

    আচ্ছা, এই গুপ্ত দ্বারের কথা তাপনার কাকামশাই জ্ঞানদাশঙ্করবাবুও জানতেন না?

    না, আমার বাবাই জানতেন এবং মৃত্যুশয্যায় আমাকে বলে যান।

    আপনার খুড়োমশাইয়ের সঙ্গে তো কই পরিচয় হল না? তিনি কি এখানে নেই?

    আছেন। কাল পরিচয় করিয়ে দেব। চমৎকার লোক। আলাপ করে সুখী হবেন। আমায় অত্যন্ত স্নেহ করেন।

    পরের দিন সকালে ঘরের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ করে কিরীটী গত রাত্রের সেই ঝাঁপিটি কোলের ওপর নিয়ে দেখেছিল।

    ঝাঁপির ভিতরটা দেখতে দেখতে হঠাৎ একটা জিনিস তার দৃষ্টি আকর্ষণ করল। সূক্ষ্ম রুপাের তারের সঙ্গে সেটা আটকে আছে। আনন্দে উত্তেজনায় তার চোখের দৃষ্টি জ্বলজ্বল করে উঠল। জিনিসটা সে ঝাঁপির মধ্যে থেকে বের করে পকেটে রেখে দিল।

    এমন সময় দরজায় করাঘাত শোনা গেল। কিরীটী উঠে দরজা খুলে দিল। ঘরে প্রবেশ করলেন রাজাবাহাদুর এবং তাঁরই মত সুশ্ৰীগড়ন আর একজন প্রৌঢ়। প্রৌঢ়ের পরিধানে দামী মিহি ঢাকাই ধুতি, গায়ে দামী শাল।

    ইনি আমার কাকা, জ্ঞানদাশঙ্কর রায়। রাজাবাহাদুর বললেন।

    নমস্কার। কিরীটী হাত তুলে নমস্কার জানাল।

    এ-কথা সে কথার পর কিরীটী সহসা প্রশ্ন করল, শেষরাত্রের দিকে সেতারের বাজনা শুনছিলাম, রাজাবাহাদুর!

    হ্যাঁ, রাজাবাহাদুরই ভোররাত্রের দিকে সেতার বাজাচ্ছিলেন। উনি একজন নামকরা সেতার-বাজিয়ে। কথাটা বললেন জ্ঞানদাশঙ্কর।

    সত্যি, চমৎকার হাত আপনার রাজাবাহাদুর!

    হ্যাঁ, লক্ষ্মেীতে শিক্ষণ করেছিলাম। আমীর খাঁর কাছে। শুনেছেন বোধ হয় তার নাম?

    হ্যাঁ, ওদিকটায় আমারও একটু ঝোক আছে কিনা। আমি কিছু কিছু চর্চা করি।

    বটে! কি বাজান আপনি?

    এস্রাজ ও ব্যাঞ্জো। সামান্যই শিখেছি।

    রাজাবাহাদুর অত্যন্ত খুশী হয়ে উঠলেন। ঠিক হল সন্ধ্যার দিকে একটু গান-বাজনা করা যাবে। এরপর রাজাবাহাদুর ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন। কিরীটী খুড়োমশায়ের সঙ্গে গল্প করতে লাগল। অনেকক্ষণ ধরে। খুড়োমশায়ের কাছে রাজাবাহাদুর বলেছিলেন, কিরীটী তার পরিচিত বন্ধু! শ্ৰীনগরে বেড়াতে এসেছেন দু-চার দিনের জন্য।

    রাজাবাহাদুরের মুখেই কিরীটী শুনেছেন, সিংহাসনটার ওজন প্রায় তিন পোয়া হবে। খুব একটা ভারী জিনিস নয়। তার ইচ্ছা ছিল, বাড়ির অন্যান্য সকলকে ডেকে সে দু-চারটা কথাবার্তা বলে, কিন্তু রাজাবাহাদুর বলেছেন, আর দু-একদিন বাদে কৌশলে তাকে সে কাজ করতে হবে। ঘৃণাক্ষরে যেন কেউ তার এখানে উপস্থিতির উদ্দেশ্য না টের পায়। তা হলেই সমস্ত ব্যাপারটা জানাজানি হয়ে যাবে।

    পরের দিন দ্বিপ্রহরে রাণীসাহেবা শ্ৰীনগরে ফিরে এলেন। রাজাবাহাদুরের মুখে সেকথা শুনে কিরীটী তার নিকট এক অদ্ভুত প্রস্তাব উত্থাপন করল। সে বলল, সিংহাসন চুরি যাওয়ার ব্যাপারটা রাণীসাহেবকে বলতে হবে এবং সেটা আমারই সামনে।

    অনুরোধটা যেন কেমন! কিন্তু এই কদিনের আলাপেই রাজাবাহাদুরের কেমন একটা শ্ৰদ্ধা জন্মে গিয়েছিল কিরীটীর ওপরে। তিনি চিন্তা করতে লাগলেন।

    রাজাবাহাদুরের চিন্তান্বিত মুখের দিকে তাকিয়ে সহাস্যে কিরীটী বললে, আমি বুঝতে পারছি, আপনার কোথায় সঙ্কোচ হচ্ছে রাজাবাহাদুর! কিন্তু অনুসন্ধানের ব্যাপারে ওটা অপরিহার্য। তাছাড়া ভেবে দেখুন, আপনার উৎসবের দিন সমাগত, যেমন ভাবেই হোক আমাদের মিলিত চেষ্টা করতেই হবে হাত সিংহাসনটি পুনুরুদ্ধারের জন্য।

    রহস্যের কোন সূত্র কি আপনি পেয়েছেন মিঃ রায়?

    সামান্য কয়েকটা সূত্র ধরে একটা অসম্পূর্ণ মীমাংসায় পৌঁছেছি মাত্র।

    ঐদিনই সন্ধ্যায় রাজাবাহাদুর কিরীটীর প্রস্তাবমত রাণীসাহেবার কাছে কিরীটীর সামনেই ঘটনাটি প্রকাশ করবেন।

    ***

    সন্ধ্যার অল্প পরেই কিরীটীর কক্ষে সকলে মিলিত হলেন।

    রাণীসাহেবকে দেখে কিরীটী মুগ্ধ হয়েছিল, শুধু দৈহিক সৌন্দর্যের দিক দিয়েই নয়, তীক্ষবুদ্ধির সংযতস্বভাবা রাণীসাহেবা সত্যিই একটা রত্ন-বিশেষ। রাজকীয় সম্মানের উপযুক্তা।

    দু-চার মিনিট সাধারণ আলাপ-আলোচনার পর সহসা কিরীটী তীক্ষ অনুসন্ধানী দৃষ্টিতে রাণীসাহেবার মুখের দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করল, রাণীসাহেবা, আপনি এখনও শোনেননি, কেন আমি আপনাদের প্রাসাদে আমন্ত্রিত হয়ে এসেছি?

    রাণীসাহেবা তাঁর পরিপূর্ণ দৃষ্টি কিরীটীর প্রতি তুলে ধরেন।

    আপনি জানেন, আপনাদের গৃহদেবতার প্রতিষ্ঠার উৎসব সমাগত, কিন্তু একথা এখনও জানেন না যে, সেই উৎসবে কত বড় বিষ্ম এসে দাঁড়িয়েছে। আপনাদের পূর্বপুরুষের তৈরী আসন্ন উৎসবের প্রধান অঙ্গ মূল্যবান বত্ৰিশসিংহাসনটি আপনাদের শয়নকক্ষের আয়রন সেফ থেকে অপহৃত হয়েছে।

    কিরীটী দেখলে, সংবাদটি শুনে রাণীসাহেবার সমগ্র শরীর যেন মূহুর্তে বংশপত্রের মত সহসা বারেকের জন্য কেঁপে উঠে পরীক্ষণেই আবার স্থির হয়ে গেল। সহসা তিনি যেন ঘটনার আকস্মিকতায় পাথরের মত স্তব্ধ অনড় হয়ে গেছেন! অন্তর্ভেদী দৃষ্টিতে ক্ষণকাল তিনি কিরীচীর সপ্রশ্ন কঠিন দৃষ্টির দিকে তাকিয়ে রইলেন, তার পর পার্শ্বে উপবিষ্ট স্বামীর দিকে তাকিয়ে ক্ষীণ অথচ দৃঢ়স্বরে প্রশ্ন করলেন, একথা তো তুমি আমায় বলেনি? কণ্ঠস্বরের ভিতর দিয়ে যেন একটি কঠিন ভৎসনার সুর মূর্ত হয়ে উঠল। বললেন, একথা কি সত্যি?

    হ্যাঁ মালতী, এ ঘটনায় আমি একেবারে দিশেহারা হয়ে পড়েছি।

    কবে এ দুর্ঘটনা ঘটল?

    সম্ভবত যেদিন তুমি তোমার বাপের বাড়ি যাও, তার আগের দিন রাত্রে।

    মানে যে রাত্ৰে তুমি অসুস্থ হয়েছিলে?

    হ্যাঁ।

    সে রাত্রের কথা আপনার সব মনে আছে। রাণীসাহেবা? প্রশ্ন করল এবারে কিরীটী।

    কি আপনি জানতে চান বলুন?

    সে রাত্রের আনুপূর্বিক ঘটনা সব আমায় বলুন, যতটা আপনার মনে আছে।

    সন্ধ্যার দিকে উনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। আমার ভাই শশাঙ্ক সেদিন এখানে ছিল, তারই সাহায্যে ওঁকে আমরা ওঁর শয়নকক্ষে নিয়ে যাই। শয্যায় শুইয়ে দেওয়ার পর উনি যেন কেমন অজ্ঞানের মত রইলেন, ডাকলে সাড়া দেন না, চোখ দুটো বোজা, ক্ষীণ শ্বাস-প্রশ্বাস।

    কতক্ষণ আমন অবস্থায় ছিলেন?

    রাত্রি একটার পর আমি ঘুমাই, তখন পর্যন্ত ওই অবস্থায়ই ছিলেন। শেষের দিকে ঘুমের ওষুধ দেওয়ায় বোধ করি ঘুমিয়ে পড়েছিলেন।

    কে ঘুমের ওষুধ দিয়েছিল?

    আমার ভাই শশাঙ্ক ডাক্তার। সে-ই দিয়েছিল।

    রাত্ৰি কটা পর্যন্ত আপনার ভাই আপনাদের শয়নকক্ষে ছিলেন?

    তীব্র দৃষ্টিতে রাণীসাহেবা কিরীটীর দিকে তাকালেন, পরে শান্ত স্বরে বললেন, তা রাত্রি প্রায় সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত হবে। তার পর তাকে আমি একপ্রকার ঠেলোঁঠুলে শুতে পাঠাই।

    সে রাত্রে আপনার ভাই শুতে যাওয়ার পর, যতক্ষণ আপনি জেগে ছিলেন, আপনাদের শয়নকক্ষে কোনরকম অস্বাভাবিক বা সন্দেহজনক কিছু দেখেছিলেন বলে আপনার মনে হয়?

    না।

    সে রাত্রে কখন আপনার ঘুম ভাঙে?

    শেষ রাত্ৰে।

    তখন রাজবাহাদুর জেগে ছিলেন?

    হ্যাঁ, জেগে ঘরের মধ্যে পায়চারি করছিলেন।

    হঠাৎ কিরীটী রাজাবাহাদুরের দিকে তাকিয়ে একটি অদ্ভুত অনুরোধ জানাল, রাজাবাহাদুর, আর একটি অনুরোধ আপনার কাছে আমার আছে।

    বলুন।

    আমি রাণীসাহেবকে একাকী কয়েকটি প্রশ্ন করতে চাই অর্থাৎ এ ঘরে আমি ও রাণীসাহেবা ছাড়া আর তৃতীয় কেউ থাকবে না।

    বেশ তো, করুন। রাজাবাহাদুর উঠে ঘর থেকে নিষ্ক্রান্ত হয়ে গেলেন।

    কিছুক্ষণ নিস্তব্ধ ভাবে কিরীটী বসে রইল। ঘরের মধ্যে অখণ্ড স্তব্ধতা। ইতিমধ্যে সন্ধ্যার ঘনায়মান অন্ধকারে ঘরখানি অবলুপ্ত হয়েছিল। কিরীটী উঠে পকেট থেকে দেশলাই বের করে ফস করে সামনের শ্বেতপাথরের টেবিলের ওপরে রক্ষিত মোমবাতিটা জ্বালাল। নিমেষে। ঘরের অন্ধকার দূরীভূত হল।

    রাণীসাহেবা মাথা নীচু করে বসে ছিলেন। কিরীটী রাণীসাহেবার দিকে একবার তাকিয়ে প্রশ্ন করল, রাণীসাহেবা, আপনার স্বামী কি সেদিনকার মত আর কখনও পূর্বে অসুস্থ হয়েছিলেন?

    রাণীসাহেবা কিরীটীর দিকে চোখ তুলে চেয়েই, আবার দৃষ্টি নামিয়ে নিলেন।

    না।

    এর আগে কখনও কোনদিনও আমনি অসুস্থ হন নি?

    না।

    আপনার ভাইয়ের পুরো নাম কি?

    শশাঙ্কশেখর সান্যাল।

    ডাঃ শশাঙ্কশেখর সান্যাল-আমি এক সান্যালকে জানি নামকরা ম্যাজিসিয়ান!

    সেই ম্যাজিসিয়ানই আমার ভাই। আপনি তাকে চেনেন?

    চিনি না, তবে দু-চারবার তাঁর মেসমেরিজম দেখেছি ইউনিভারসিটি ইনষ্টিটিউটে। তিনি একজন নামকরা বীণাবাদকও বটে, তাই না?

    হ্যাঁ।

    আপনার স্বামীও শুনেছি চমৎকার সেতার বাজান!

    হ্যাঁ।

    আচ্ছা, আপনি এবার যেতে পারেন রাণীসাহেবা।

    ***

    পরের দিন সন্ধ্যার দিকে কিরীটী কলকাতায় চলে গেল। বলে গেল, দিন দুয়েকের মধ্যেই ফিরবে, এবং সত্যি-সত্যিই দিন দুই বাদে আবার ফিরে এল। মূর্তি প্রতিষ্ঠার আর মাত্র দুদিন বাকি আছে।

    এসে শুনল রাণীসাহেবার ভাই ডাঃ সান্যালও এসেছেন।

    দ্বিপ্রহরের দিকে রাজাবাহাদুরই স্বয়ং রাণীসাহেবার ভাইকে কিরীটীর ঘরে এনে আলাপ করিয়ে দিলেন। সুশ্ৰী চেহারা, দাড়িগোঁফ নিখুঁতভাবে কামানো। গায়ের রং উজ্জ্বল গৌরবর্ণ। বেজায় হাসি-খুশী ও আমুদে। কিরীটী ডাঃ সান্যালের সঙ্গে আলাপ করে মুগ্ধ হল।

    কথায় কথায় কিরীটী ডাঃ সান্যালকে বললে, আপনার মেসমেরিজম করা দু-একবার আমি দেখেছি ডাঃ সান্যাল, আজ একবার দেখান না!

    ডাঃ সান্যাল হাসতে হাসতে বললেন, বেশ তো, খাওয়াদাওয়ার পর হবে’খন আজি রাত্রেই। জামাইবাবু চমৎকার মিডিয়াম। চট্ট করে ওঁকে মেসমেরাইজ করা যায়।

    তাই নাকি, রাজাসাহেব! আমিও এককালে যখন ফোর্থ ইয়ারে পড়ি যাদুকর গণপতির কাছে মেসমেরিজম বিদ্যা শিক্ষা করেছিলাম।

    সত্যি? আপনিও জানেন নাকি?

    সামান্যই, তবে ভাল মিডিয়াম হলে কখনও কখনও কৃতকার্য হয়েছি।

    ***

    রাত্রি তখন বোধ করি নটা সাড়ে নটা হবে।

    ঠিক হল আগে কিছুক্ষণ গান-বাজনা হবার পর ম্যাজিক শুরু করা যাবে।

    কিরীটীর ঘরেই সকলে সমবেত হয়েছেন; কিরীটী, রাজাবাহাদুর জ্ঞানদাশঙ্কর, ডাঃ সান্যাল ও রাণীসাহেবা মালতী দেবী।

    প্রথমে সকলের অনুরোধে কিরীটী ব্যাঞ্জো বাজালে। সকলেই মুগ্ধ হল। তার পর রাজাবাহাদুর। তাঁরও বাজনার হাত চমৎকার।

    সর্বশেষ পড়ল ডাঃ সান্যালের পালা। কিন্তু তিনি তার পার্শ্বস্থিত খাপে মোড়া প্রকাণ্ড বীণাখনির দিকে সন্দেহে একবার দৃষ্টিপাত করে সখেদে বললেন, আমার বীণার একটা অংশ গাড়িতে আসবার সময় ফেটে গেছে। আজ বীণা থাক। আপনাদের আজ আমি বঁশের বাঁশী শোনাব। ডাঃ বাঁশীতে সুর দিলেন। বাঁশীতেও তাঁর শক্তি অদ্ভুত। মূহুর্তের মধ্যে তিনি ঘরের মধ্যে অপূর্ব সুরের জাল সৃষ্টি করলেন সামান্য সেই বাঁশের বাঁশীতেই, বীণাখনি পাশেই পড়ে রইল। বাজানা থামবার পর আবার সকলের অনুরোধে ডাঃ সান্যাল বাঁশী তুলে নিলেন। এবার তিনি বাজালেন জয়-জয়ন্তী সুর। নিশীথের নিস্তব্ধতায় সামান্য বাঁশের বাঁশী থেকে যে সুরের ঝর্ণ প্রবাহিত হল তা সত্যই অপূর্ব।

    বাজনা শেষ হতেই কিরীটী আচমকা উঠে দাঁড়াল, রাজাবাহাদুর, এবারে আমি আমার ম্যাজিক দেখাব। কিন্তু তার আগে আমি ঘরের মধ্যে উপস্থিত সকলের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে রাখি। ঘরের মধ্যে এখন যাঁরা উপস্থিত আছেন, তাদের মধ্যে দুজন, কাকাবাবু ও ডাঃ সান্যাল, আপনাদের কাছেই বিশেষ করে আমার ক্ষমা চাওয়া; কেন যে ক্ষমা চেয়ে রাখছি, এর পর যা ঘটবে, সেটা থেকেই আপনারা দুজনে সহজেই বুঝতে পারবেন। কিন্তু যাক সে কথা। রাজাবাহাদুর, আপনি আমার সামনে এসে বসে, আমার চোখের দিকে একদৃষ্টি তাকিয়ে থাকুন তো। আমার চোখে একটা অদ্ভুত নীল আলো লুকানো আছে। ম্যাজিকের প্রভাবে সেটা সকলের দৃষ্টিগোচর করতে পারি। একে একে আমি সকলকেই দেখােব। শুরু হোক রাজাবাহাদুর থেকে।

    মৃদু হেসে রাজাবাহাদুর কিরীটীর সামনে এসে বসলেন, তাকালেন কিরীটীর চোখের দিতে।

    ভালো করে আনন্যমনা হয়ে একদৃষ্টি তাকান। দেখতে পাবেন। শুধু ভাবুন আমার চোখ দুটি।-ভুলে যান জগৎ সংসার সব কিছু। ভুলে যান। আপনি কে, কোথায়, কেন? শুধু আমার চোখ-হ্যাঁ, আমার চোখ…

    এক মিনিট, দু মিনিট করে মিনিট দশেক কেটে গেল। রাজাবাহাদুর ও কিরীটী পরস্পর চোখের দিকে তাকিয়ে। ঘরের সব কটি প্রাণী বাক্যাহারা।

    সহসা কিরীটীর কণ্ঠস্বর শোনা গেল। এ যেন সে কিরীটীর একটু আগে শোনা কণ্ঠস্বর নয়। বৰ্জগভীর নির্দেশ বের হয়ে আসে কিরীটীর কণ্ঠস্বরে, রাজাবাহাদুর।

    মন্ত্ৰমুগ্ধ রাজাবাহাদুরের কণ্ঠস্বরে শোনা গেল, বলুন! যেন বহু বহু দূর হতে ভেসে আসছে।

    আমার কথা শুনতে পাচ্ছেন?

    হ্যাঁ। ক্ষীণ উত্তর।

    আপনাদের পূর্বপুরুষের বত্রিশ সিংহাসনটি চুরি গেছে না?

    হ্যাঁ ঘরের একমাত্র জ্ঞানদাশঙ্কর চমকে উঠলেন, কিরীটীর ইঙ্গিতে চুপ করে রইলেন।

    আপনি জানেন সেটা কোথায় আছে?

    না তো।

    নিশ্চয়ই জানেন। আজ থেকে ঠিক তেরো দিন আগে এমনি একটি রাত্রির কথা মনে করুন। মনে করে দেখুন। নিশ্চয়ই মনে করতে পারবেন। সে রাতের কথা মনে পড়ছে এখন?

    হ্যাঁ, পড়ছে। সহসা এমন সময় অতর্কিতে দপ করে ঘরের মধ্যের একটিমাত্র মোমবাতি নিভে গিয়ে নিশ্চিদ্র আঁধারে সমগ্র ঘরখানি যেন দৃষ্টি থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেল! মালতী দেবী অর্ধস্ফুট কণ্ঠে চিৎকার করে উঠলেন। আলো জ্বালাতেও বেশ কিছুক্ষণ সময় লাগল।

    রাজাবাহাদুর তেমনি ভাবেই স্থাণুর মত দাঁড়িয়ে আছেন, মাথাটা নীচের দিকে ঝুলে পড়েছে, চোখ দুটি অর্ধনিমীলিত, যেন দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েই ঘুমুচ্ছেন।

    অখণ্ড নিস্তব্ধতা ভঙ্গ করে কিরাটাই আবার সর্বপ্রথম বললে রাজাবাহাদুরকে সম্বোধন করে, আপনিই রুপোর ঝাঁপিটা আপনার শয়নঘরের আয়রন সেফ থেকে সে রাত্রে বের করে নিয়ে আসেন, কেমন তাই না? বলুন, কোথায় রেখেছেন সেটা?

    হ্যাঁ—কিন্তু আমার মনে পড়ছে না কোথায় রেখেছি সেটা! না, মনে পড়ছে না।

    এরপর ধীরে ধীরে কিরীটী রাজাবাহাদুরের মোহনিদ্রা ভাঙিয়ে দিল। ঘরের সব কয়টি প্রাণীই নির্বাক। কারো মুখে কোন কথা নেই। যাদুমন্ত্ৰে যেন সকলেই বাক্যহীন হয়েছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিরীটী অমনিবাস ৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    Next Article কিরীটী অমনিবাস ২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    Related Articles

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৪ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৫ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }