Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কিরীটী অমনিবাস ১৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত এক পাতা গল্প337 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৬. সে রাত্রে ছাড়া পেতে পেতে

    সে রাত্রে ছাড়া পেতে পেতে প্রায় রাত সোয়া এগারোটা বেজে গিয়েছিল সকলের। শ্রান্ত-অবসন্ন হয়ে ফিরেছিল যে যার গৃহে। ফিরতে ওরা সকলে পারত না হয়, যদি থানার একজন সেপাই কলকাতার দিকে ফিরতি একটা খালি ট্যাক্সি থামিয়ে ওদের ফিরে যাবার ব্যবস্থা করে না দিত।

    থানা-অফিসার সুশীল নন্দী একটা কথা বিশেষ করে ওদের বলে দিয়েছিলেন, কলকাতা থেকে কেউ যেন অন্যত্র কোথাও না যায়—তাকে না জানিয়ে।

    মিত্রানীর প্রৌঢ় বাপ অবিনাশ ঘোষালকে তার কন্যার মৃত্যু-সংবাদটা ওরা কেউই দিতে সম্মত হয়নি–তাই অগত্যা সুশীল নন্দী স্থির করেছিলেন পরের দিন সকালে তিনিই অবিনাশ ঘোষালকে সংবাদটা দেবেন। কিন্তু তা আর তাকে দিতে হয়নি—তার আগেই অর্থাৎ সেই রাত্রেই–

    রাত একটা নাগাদ বিদ্যুতের কাছ থেকেই সংবাদটা পেয়েছিল মিত্রানীর দাদা ডাঃ প্রণবেশ ঘোষাল।

    কি একটা সরকারী কাজে প্রণবেশ কলকাতায় একদিনের জন্য এসেছিল।

    রাত্রি নয়টা নাগাদও যখন মিত্রানী ফিরে এলো না—অবিনাশ ঘোষাল ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন, ছেলেকে ডেকে বলেছিলেন, প্রণব, খুকী তো এখনো ফিরল না-বলেছিল সন্ধ্যার মধ্যেই ফিরে আসবে—

    প্রণবেশ বলেছিল, বন্ধুবান্ধবরা মিলে বটানিকসে হৈ চৈ করতে গিয়েছে—একা তো নয়-ভাবছেন কেন?

    রাত নটা বাজে, তুমি বরং এক কাজ করো—বিদ্যুতের বাড়িতে একটা ফোন কর—

    প্রণবেশ ফোন করে জানলো, তখনও বিদ্যুৎ ফেরেনি—

    তারপর রাত সাড়ে নয়টা, পৌনে দশটা—পৌনে এগারোটা-পনেরো মিনিট অন্তরঅন্তর ফোন করে গিয়েছে প্রণবেশ।

    কিন্তু ঐ একই জবাব—বিদ্যুৎ এখনো ফেরেনি—-

    শেষটায় কিন্তু প্রণবেশ নিজেও বেশ চিন্তিত হয়ে উঠেছিল। এত রাত হয়ে গেল, এখনো না ফেরার কারণটা কি? পথে কোন দুর্ঘটনা কিছু ঘটেনি তো? ঘটাটা এমন কিছু আশ্চর্যও নয়। সে একবার ঘর একবার বাইরে করতে থাকে।

    সাড়ে এগারোটা—বারোটা-সাড়ে বারোটা না তখনো ফেরেনি বিদ্যুৎ। অবশেষে প্রণবেশই লালবাজারে ফোন করে তারা কোন সংবাদ জানে না–তারা বলে শিবপুর থানায় ফোন করতে।

    রাত তখন একটা প্রায়।

    হঠাৎ ঐসময় ফোন ক্রিং ক্রিং করে বেজে উঠলো।

    হ্যালো-ডাঃ প্রণবেশ ঘোষাল—

    প্রণবেশবাবু—আপনি তো মিত্রানীর দাদা?

    হ্যাঁ—

    শুনুন—একটা স্যাড নিউজ আছে।

    স্যাড নিউজ–কি?

    মিত্রানী ইজ ডেড।

    কি-কি বললেন—চিৎকার করে ওঠে প্রণবেশ—প্রৌঢ় অবিনাশ ঘোষাল ঐ সময় পুত্রের পাশেই দাঁড়িয়ে।

    হ্যাঁ-মিত্রানীকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয়েছে—

    না, না—এ আপনি কি বলছেন—মিতু-মিতু। কিন্তু কে-কে আপনি! কি আপনার নাম?

    বিদ্যুৎ সরকার—

    তারপরই অপর প্রান্তে একটা ঠং করে শব্দ ও ফোনটা ডিসকানেকটেড হয়ে গেল।

    হ্যালো হ্যালো—অধীরভাবে ট্যাপ করে প্রণবেশ–কিন্তু না, অন্য প্রান্ত ফোন ছেড়ে দিয়েছে ততক্ষণে।

    কি! কি হয়েছে প্রণব! অবিনাশ ঘোষাল আশঙ্কায় যেন একেবারে ভেঙে পড়ল।

    বিদ্যুৎ বিদ্যুৎ সরকার কে বাবা? প্রণবেশ বলে উঠল।

    মিতুর ক্লাস-ফ্রেণ্ড—

    প্রণবেশ তখুনি আবার ফোন করল। কিছুক্ষণ রিং হবার পর অপর প্রান্ত থেকে সাড়া এলো—কে!

    বিদ্যুৎ সরকার আছেন?

    কথা বলছি—

    আমি মিত্রানীর দাদা কথা বলছি একটু আগে আপনি ফোন করেছিলেন—

    ফোন করেছিলাম, আমি!—বিস্ময় বিদ্যুতের কণ্ঠে।

    হ্যাঁ—একটু আগে আপনিই তো আমাদের বাড়িতে ফোন করে বললেন—

    আমি তো এইমাত্র—নট ইভন টু মিনিটস-ফিরছি—

    আপনি আমাকে ফোন করেননি?

    না—

    মিত্রানী-মিত্রানীর মানে আমার বোন মিত্রানীর কোন খবর কিছু জানেন? আপনারা তো একসঙ্গে আজ সকালে বটানিকসে গিয়েছিলেন?

    কিন্তু অপর প্রান্ত থেকে কোন সাড়া এলো না।

    বিদ্যুৎবাবু—শুনছে–বিন্দুবাবু-হ্যালো—হ্যালো–

    কোনো সাড়া নেই—অথচ প্রণবেশ বুঝতে পারছে অপর প্রান্ত তখনো ফোন ছেড়ে দেয়নি!

    কি হলো প্রণবেশ? অবিনাশ ঘোষাল আবার প্রশ্ন করেন অধৈর্য কণ্ঠে।

    প্রণবেশ ফোনটা নামিয়ে আবার ডায়েল করে—রিং হয়ে যাচ্ছে–কেউ ধরছে না।

    প্রণবেশ শেষ পর্যন্ত ফোনটা নামিয়ে রাখল।

    একটু আগে কে ফোন করেছিল প্রণব?

    বিদ্যুৎ সরকার—অথচ বিদ্যুৎ সরকার এইমাত্র বললে সে ফোন করেনি—এই নাকি ফিরছে–

    মিতুর খবর

    সে কিছু বলল না—অথচ–আমি আসছি বাবা—প্রণবেশ কোনমতে শার্টটা গায়ে চাপিয়ে যেন ঝড়ের মত বের হয়ে গেল।

    স্থাণুর মত দাঁড়িয়ে রইলেন অবিনাশ ঘোষাল।

    কালীঘাট থেকে শ্যামবাজার অনেকটা পথ-প্রণবেশ রাস্তায় বের হয়ে দেখলো— জনহীন রাস্তা খাঁ খাঁ করছে–কোনরকম যানবাহনের চিহ্নমাত্রও নেই–যতদূর দৃষ্টি চলে। রাস্তার এ-প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত। এত রাত্রে যে ট্যাক্সি পাওয়া যাবে না তা জানত প্রণবেশ। একটু এগিয়ে গেলেই হালদার-পাড়ায় একটা ট্যাক্সির আড্ডা আছে—অনেক বছর পাঞ্জাবীদের ঐ পাড়ায় বসবাস করার জন্য প্রণবেশের সেটা জানা ছিল, আর বুড়ো ট্যাক্সি ড্রাইভার কর্তার সিংকে চিনতে প্রণবেশ-প্রণবেশ হাঁটতে লাগলো।

    প্রণবেশের ভাগ্য ভাল, কর্তার সিং দূরপাল্লার এক সওয়ারীকে মাত্র কিছুক্ষণ পূর্বে পৌঁছে দিয়ে আস্তানায় ফিরে খাটিয়া পেতে শয়নের উদ্যোগ করছিল।

    প্রণবেশ এসে সামনে দাঁড়াল। সর্দারজী!

    প্রণববাবু–ইতনি রাত মে কেয়া বাৎ হ্যায়—

    বড় বিপদে পড়েছি সর্দারজী, একবার এখুনি শ্যামবাজার যেতে হবে—অথচ কোন ট্যাক্সি এত রাত্রে পাচ্ছি না–

    ঠিক হ্যায়, চলিয়ে—

     

    শ্যামবাজারে অ্যাডভোকেট সমর সরকারের বাড়িটা খুঁজে বের করতে বিশেষ বেগ পেতে হয়নি প্রণবেশের। বিদ্যুৎ তখনো জেগেই ছিল।

    ফোনে প্রণবেশের প্রশ্নের জবাবে সে কোন কথা বলতে পারেনি। কেমন করে দেবে সে অত বড় দুঃসংবাদটা

    গলা যেন কেউ তার চেপে ধরেছিল। দোতলায় নিজের ঘরের মধ্যে একটা ইজিচেয়ারের উপরে বিদ্যুৎ জেগে বসে ছিল। গাড়ির শব্দে জানলায় উঁকি দিয়ে দেখতে পেল তাদের বাড়ির সামনে ট্যাক্সিটা থেমেছে–

    কে একজন তাদের সদরে দাঁড়িয়ে।

     

    দুর্ঘটনার সংবাদটা ছোট্ট করে সংবাদপত্রে তৃতীয় পৃষ্ঠায় নীচের দিকে প্রকাশিত হয়েছিল ঘটনার পরের পরের দিন।

    বটানিক্যাল গার্ডেনে গত পরশু পিকনিক করতে গিয়ে দলের মধ্যে একটি তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু। মৃত্যু ঘটেছে রুমালের ফাসে। উক্ত তরুণীর নাম মিত্ৰানী ঘোষাল। পরে ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ।

    কিরীটী সকালবেলা তৃতীয় কাপ চায়ের সঙ্গে ঐ দিনকার সংবা ত্রের পাতা ওলটাচ্ছিল—অন্যমনস্কভাবে–তরুণীর বাড়ি যে কালীঘাট অঞ্চলেই কিরীটী বুঝতে পারেনি এবং শুধু তাই নয়—তারই পরিচিত মাস্টারমশাইয়ের মেয়ে ঐ মিত্রানী তাও বুঝতে পারেনি। পিরবার কথাও নয়—সংবাদটার মধ্যে এমন কিছু বিশেষত্ব ছিল না, যেটা তার মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারে। যেমন প্রত্যহ সংবাদটা খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পড়ে তেমনি পড়তে থাকে কিরীটী!

    ঘণ্টাখানেক বাদে কৃষ্ণা এসে ঘরে ঢুকলো,—শুনছো, তোমার মাস্টারমশাই—

    কার কথা বলছো? কিরীটী স্ত্রীর মুখের দিকে তাকাল।

    কালীঘাটে তোমার সেই পুরনো মাস্টারমশাই থাকেন না!

    অবিনাশবাবু–

    হ্যাঁ—তার মেয়ে নাকি গত পরশু বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে বটানিক্যাল গার্ডেনে পিকনিক করতে গিয়েছিল—

    সঙ্গে সঙ্গে কিরীটী সজাগ হয়ে বসে, কি হয়েছে তার?

    গলায় রুমালের ফাঁস দিয়ে কে যেন তাকে হত্যা করেছে—

    তুমি—তুমি কার কাছে শুনলে?

    এই তো একটু আগে আমাদের পাশের বাড়ির যশোদাবাবু বলছিলেন–যশোদাবাবু আর অবিনাশবাবু তো শালা-ভগ্নীপতি।

    কিরীটী তাড়াতাড়ি আবার সংবাদপত্রের পাতা উল্টে সংবাদটা খুঁজে বের করে বার দুই ভাল করে সংবাদটা পড়লো, তারপর উঠে দাঁড়াল।

    একটু বেরুচ্ছি কৃষ্ণা।

    এই সকালে আবার কোথায় বেরুবে। সকালে তো হেঁটে এসেছো—

    একবার মাস্টারমশাইয়ের ওখানে যাবো।

    অবিনাশবাবুর ওখানে?

    হ্যাঁ–ব্যাপারটা আমাকে একটু জানাতে হচ্ছে–

    অবিনাশ ঘোষালের সঙ্গে কিরীটীর পরিচয় সেই যখন সে ম্যাট্রিক পরীক্ষা দেবে– ফার্স্ট ক্লাসের ছাত্র—অবিনাশবাবু সেই সময়েই স্কুলে সেকেন্ড টীচার হয়ে আসেন–অঙ্ক করাতেন ক্লাসে—পরে, বৎসর চারেক পরে, ঐ স্কুলেরই প্রধান শিক্ষক হন।

    সবে তখন এম, এস-সি. পাস করে অবিনাশ ঘোষাল স্কুলের শিক্ষকতার চাকরি নিয়ে এসেছিলেন–

    কতই বা বয়স তখন তাঁর, বছর আটাশ-ঊনত্রিশ হবে।

    মাত্র মাস আষ্টেক পড়েছিল কিরীটী অবিনাশবাবুর কাছে–গণিতশাস্ত্রের প্রতি তিনিই কিরীটীর মনের মধ্যে একটা আকর্ষণ ও প্রীতি জাগিয়ে তোলেন।

    যার ফলে শিক্ষা সমাপ্ত করেছিল কিরীটী পরবর্তীকালে রসায়ন-শাস্ত্রে শেষ ডিগ্রী নিয়ে এবং যে শ্রদ্ধা ও প্রীতির সম্পর্ক সেদিন শিক্ষক ও ছাত্রের মধ্যে গড়ে উঠেছিল সেটা সেদিন পর্যন্তও অক্ষুন্ন ছিল। সময় পেলেই কিরীটী যেতো অবিনাশবাবুর ওখানে। সহজ সরল আত্মভোলা মানুষটিকে ওর বড় ভাল লাগে।

    অবিনাশবাবু খুব খুশি হতেন কিরীটীকে দেখলে।

    এসো–এসো, কিরীটী রায় যে—-

    পায়ের ধুলো নিয়ে প্রণাম করে কিরীটী বলেছে, ভাল আছেন তো মাস্টারমশাই?

    হ্যাঁ-বাবা, ভালই তো আছি। তার পরই বলতেন, তোমার নতুন রহস্য উদঘাটনের কাহিনী কিছু শোনাও।

    কিরীটী হাসতে হাসতে বলতো, আমার চাইতে সুব্রতই ভাল বলতে পারে মাস্টারমশাই-একদিন তাকে নিয়ে আসবো, শুনবেন।

    মধ্যে মধ্যে সুব্রতও কিরীটীর সঙ্গে আসততা—সে তখন বেশ জমিয়ে বসে কিরীটীকাহিনী শোনাত।

    কি শ্রদ্ধা–কি আগ্রহ নিয়েই যে শুনতেন অবিনাশ ঘোষাল সেসব কাহিনী—শোনা নয় যেন গিলতেন।

    একদিন বলেছিলেন সুব্রতকে অবিনাশ ঘোষাল–-বুঝলে সুব্রত, প্রবলেম সলভ করবার অদ্ভুত এক ন্যাক ছিল কিরীটীর–কঠিন কঠিন প্রবলেম ও অনায়াসেই সলভ করে দিত—রহস্য উদঘাটনের ব্যাপারেও তার সেই প্রতিভার স্ফুরণ–

    কিরীটীর প্রশংসায় যেন একেবারে শিশুর মত উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠতেন।

    মিত্রানীকে কিরীটী কয়েকবার দেখেছে, বেশ স্থির বুদ্ধিমতী মেয়েটি, মনে হয়েছে।

    কিরীটী যখন অবিনাশ ঘোষালের ওখানে পৌঁছাল বেলা তখন প্রায় সাড়ে আটটা হবে। ইতিমধ্যে রৌদ্রের তাপ বেড়েছে–আর একটা রৌদ্রতাপ-দগ্ধ দিন।

    প্রথমেই প্রণবেশের সঙ্গে দেখা হয়ে গেল। আকস্মিক বিপর্যয়ে প্রণবেশ আর কর্মস্থলে ফিরে যায়নিকটা দিন ছুটি নিয়েছে।

    কিরীটীর সঙ্গে প্রণবেশেরও পরিচয় ছিল।

    এই যে কিরীটীবাবু, আপনার কথাই ভাবছিলাম, প্রণবেশ বললে।

    মাস্টারমশাই কোথায় প্রণবেশবাবুঃ কিরীটী শুধাল।

    বাবা উপরের ঘরে—আমাদের বাড়িতে গত পরশু একটা দুর্ঘটনা ঘটে গিয়েছে কিরীটীবাবু-আমার বোন মিতু–

    আমি জানি—

    জানেন! কার কাছে শুনলেন—

    সংবাদটা আজকের সংবাদপত্রেও ছাপা হয়েছে, তাছাড়া আমার স্ত্রীকে আপনার মামা যশোদাবাবু

    কি করে যে হলো এখনো যেন কিছুই মাথায় আসছে না। কিরীটীবাবু, মিতুর মত মেয়েকে—কথাটা আর শেষ করতে পারে না প্রণবেশ—তার গলার স্বর যেন বুজে আসে–চোখের কোণ দুটো জলে ভরে ওঠে।

    সমস্ত ব্যাপারটা আপনি বোধ হয় জানেন?

    হ্যাঁ-মোটামুটি শুনেছি ওর বন্ধু বিদ্যুৎ সরকারের মুখে আর বাকিটা শিবপুর থানার ও. সি. সুশীল নন্দীর মুখ থেকে গতকাল দ্বিপ্রহরে। বাবার সঙ্গে দেখা করবেন?

    হ্যাঁ—

    কেমন যেন হঠাৎ স্তব্ধ হয়ে গিয়েছেন বাবা। বড় ভালবাসতেন মিতুকে—

    চলুন মাস্টারমশাইয়ের সঙ্গে দেখা করে আসি।

    দুজনে দোতলায় এলো।

    বাড়িতে সর্বক্ষণ লেখাপড়া নিয়েই ব্যস্ত থাকেন অবিনাশ ঘোষাল–একটা চৌকির উপরে মাদুর বিছানো—একটা বালিশ শিয়রের দিকে-গ্রীষ্মকালে ঐ মাদুর আর বালিশটিই তার শয্যা—আর শীতকালে একটি চাদর।

    চারিদিকে ছোট বড় আলমারীতে একেবারে ঠাসা-গণিতশাস্ত্রের বইতে-চৌকির অর্ধেকটায়ও খাতাপত্র বই সব ছড়ানো

    ঘরের মধ্যে পায়চারি করছিলেন অবিনাশ ঘোষাল। পরনে একখানি মোটা খদ্দরের ধুতি—বক্ষে মোটা উপবীত।

    মাথাভর্তি কাঁচাপাকা চুল অবিন্যস্ত। একমুখ কাঁচাপাকা দাড়িও।

    চোখে মোটা কালো সেলুলয়েডের ফ্রেমে পুরু লেন্সের চশমা। পায়চারি করতে করতে মধ্যে মধ্যে অবিনাশ ঘোষাল বাঁ হাতে আঙুলগুলো দিয়ে অবিন্যস্ত চুলগুলো যেন টানছেন।

    ওরা যে দুজন ঘরে ঢুকেছে সেটা টেরও পান না অবিনাশ ঘোষাল। একমাত্র আদরিণী কন্যার আকস্মিক মৃত্যু যেন প্রচণ্ড আঘাত হেনেছে মানুষটার ওপরে।

    মাস্টারমশাই।

    পায়চারি থামিয়ে ফিরে তাকালেন অবিনাশ ঘোষাল। কে?

    মাস্টারমশাই আমি কিরীটী।

    ওঃ কিরীটী—ও, তুমি এসেছো। জানো, জানো কিরীটী, আমার মিতু মা—

    সব শুনেছি মাস্টারমশাই—

    কিন্তু কেন এমন হলো বল তো! আমার মিতু মাকে কে এমন করে খুন করলো! তুমি তো জানো, তুমি তো দেখেছো আমার মিতু মাকে—এত নিরীহ, এত সরল, এত পবিত্র—আচ্ছা কিরীটী, তুমি তো অনেক কঠিন রহস্য উদ্ঘাটন করেছে—তুমি–তুমি পারবে না কিরীটী তাকে খুঁজে বের করতে, যে আমার মিতু মাকে—

    পারবো মাস্টারমশাই—

    পারবে!

    হ্যাঁ—আপনার আশীর্বাদে নিশ্চয়ই পারবো।

    জানি, জানি, তুমি পারবে—কেউ যদি তাকে খুঁজে বের করতে পারে সে একমাত্র তুমিই পারবে–আমি, তাকে শুধু একটা প্রশ্ন করবো–কেন, কি জন্য সে আমার মিতু মাকে এমন করে খুন করলো। একবারও কি হাত দুটো তার কাঁপলো না! অমন করে শ্বাসরোধ করে—না জানি মা আমার কত কষ্ট পেয়েছে। উঃ, কি নৃশংস! আমার কি মনে হয় জানো কিরীটী—

    বলুন—

    সেদিন যারা গার্ডেনে পিকনিকে উপস্থিত ছিল সেই বন্ধুদের মধ্যেই কেউ একজন

    বাধা দিল প্রণবেশ। বললে, না, না—এ আপনি কি বলছেন বাবা, ওদের পরস্পরের মধ্যে কত দিনের বন্ধুত্ব–সেই কলেজ লাইফ থেকে। তা ছাড়া ওদের পরস্পরের প্রতি ভালবাসা–

    প্রণবেশবাবু—কিরীটী বলে, মাস্টারমশাইয়ের কথাটা হয়তো একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। একজনকে দেখে বা কিছু সময়ের জন্য মিশে তার ভিতরের কতটুকুই বা আমরা জানতে পারি, তার সত্যিকারের বা আসল চেহারার কতটুকুই বা আমাদের চোখের সামনে ধরা দেয়। তাছাড়া একটা কথা ভুলে যাবেন না, ওদের সকলেরই বয়স অল্প–ঐ বয়সে সাধারণত মানুষ যতটা সেন্টিমেন্টালস্পর্শকাতর ও ভাবপ্রবণ। হয়–বয়েসটা একটু বেশী হলে ততটা হয়ত হয় না। ইমোশান বা ঝোকের মাথায় কোন বিশেষ এক মুহূর্তে এমন অনেক কিছুই হয়ত তারা করে বা করতে পারে যেটা বয়সের সঙ্গে সঙ্গে ক্রমশ থিতিয়ে আসে।

    কিরীটী—

    বলুন মাস্টারমশাই। অবিনাশ ঘোষালের ডাকে ফিরে তাকিয়ে কিরীটী সাড়া দিল।

    দোষ হয়ত আমারও আছে, সন্তানের প্রতি বাপের কর্তব্য পালনের ত্রুটি আমারও আছে। মেয়েটার বিয়ে হয়ে গেলে বোধ হয় এমন একটা দুর্ঘটনা ঘটতো না—

    মাস্টারমশাই, একটা কথা বলবো।

    বলো।

    মিত্রানী কাউকে ভালবাসতো কিনা আপনি জানেন?

    তুমি তো জানো কিরীটী, আমার সন্তানদের ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় কখনো আমি বাধা দিইনি—আমার কাছে সেটা অপরাধ বলেই বরাবর মনে হয়েছে–তাছাড়া আমাদের বাপ ও মেয়ের মধ্যে সব কথাই খোলাখুলি হতো–সে রকম কিছু থাকলে বোধ হয় আমি জানতাম।

    আর একটা কথা মাস্টারমশাই, কখনো তার বিয়ের চেষ্টা করেছেন বা সে সম্পর্কে তার সঙ্গে কোন আলোচনা করেছেন?

    করেছি বৈকি। কিছুদিন আগেও বিয়ের কথাটা তার কাছে তুলেছিলাম, সে তখন বলেছিল

    কি বলেছিল মিত্রানী?

    সময় হলেই সে আমাকে জানাবে।

    কি জানাবে?

    তা তো কিছু বলেনি, ঐটুকুই কেবল বলেছিল আর আমিও কিছু বলিনি।

    কিরীটী কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে আবার মৃদু কণ্ঠে বললে, আচ্ছা তার পুরুষ বন্ধুদের মধ্যে কারোর প্রতি

    যতদূর জানি-বন্ধুদের মধ্যে সে সুহাস ছেলেটিকে একটু বেশী বোধ হয় পছন্দ করতো।

    সুহাস!

    ঐ যে সুহাস মিত্র। ওর কলেজের সহপাঠী। ছেলেটি শুনেছি—লেখাপড়ায় খুব ভাল ছিল বরাবরই—বি.এ.-তে ইকনমিকসে অনার্স পেয়েও আর নাকি পড়েনি, একটা বড় ফার্মে চাকরি করছে। মধ্যে মধ্যে আসতোও এখানে বেশ স্মার্ট ও ভদ্র ছেলেটি, মনে হত মিতু যেন সুহাসকে একটু বেশী পছন্দ করতো।

    আর কে আসতো এখানে?

    বিদ্যুৎ আসতো।

    আর কেউ?

    সতীন্দ্র আর সজলও কয়েকবার এসেছে। তবে ইদানীং আর সজলকে এখানে গত দুবৎসর হতে আসতে দেখিনি—তবে দিন চারেক আগে হঠাৎ এসেছিল।

    অবিনাশ ঘোষালের দুচোখের কোণ বেয়ে দুফোটা জল গড়িয়ে পড়ল।

    মাস্টারমশাই, যা হয়ে গিয়েছে তা তো আর ফিরবে না। আপনি যদি এভাবে ভেঙে পড়েন—

    না, না—আমার জন্য ভেবো না কিরীটী, আমি ঠিক আছি—ঠিক আছি, বলতে বলতে অবিনাশ ঘোষাল চোখের জল মুছে নিলেন।

    অতঃপর কিরীটী সেদিনকার মত প্রণাম জানিয়ে বিদায় নিল।

    নীচে এসে প্রণবেশের সঙ্গে তারপর অনেকক্ষণ কথা বলেছিল এবং প্রণবেশ বিদ্যুতের মুখে ও থানায় সুশীল নন্দীর কাছে যা শুনেছিল সব বললে।

    প্রণবেশই একসময় অতঃপর প্রশ্ন করে, আচ্ছা কিরীটীবাবু, আপনারও কি সত্যি মনে হয় যে—

    কি?

    ঐ মানে মিতুর বন্ধুদের মধ্যে কেউ একজন—

    নিশ্চিত হয়ে এই মুহূর্তে তা বলতে পারি না, তবে এটা ঠিক, সমস্ত ঘটনা শোনার পর যা মনে হয়—

    কি! কি মনে হয় আপনার?

    কিরীটী নিজেকে যেন হঠাৎ সামলে নিল। বললে, কি জানেন প্রণবেশবাবু–ইট ইজ টু আরলি টু সে এনিথিং। আচ্ছা আমি এখন চলি-মাস্টারমশাইয়ের দিকে একটু নজর রাখবেন—মিত্রানীর মৃত্যুতে একটু বেশী রকমই আঘাত পেয়েছেন বলে যেন মনে হলো—

    ভাবছি কিছুদিনের জন্য বাবাকে আমি সঙ্গেই নিয়ে যাবো।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিরীটী অমনিবাস ২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    Next Article কিরীটী অমনিবাস ১ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    Related Articles

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৪ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৫ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }