Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কিরীটী অমনিবাস ১ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত এক পাতা গল্প656 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৩. হিরন্ময়ী দেবীই প্রথমে কথা বললেন

    হিরন্ময়ী দেবীই প্রথমে কথা বললেন, সীতার কুকুর টাইগারটা অমন করে চেঁচাচ্ছে কেন?

    কিরীটী ততক্ষণে চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়েছে। হরবিলাসবাবুর দিকে তাকিয়ে বললে, আজ এবার তাহলে আমরা উঠি মিঃ ঘোষ!

    উঠবেন? এখনি উঠবেন? হিরন্ময়ী দেবী প্রশ্ন করলেন।

    হ্যাঁ, রাত হয়ে গেল। আবার কাল-পরশু আসব। শতদলবাবুকে তাহলে বলবেন আমরা এসেছিলাম।

    বলব, দেখা হলে বলব। হরবিলাস জবাব দিলেন।

    কেন, আপনাদের সঙ্গে কি দেখা-সাক্ষাৎ হয় না? এক বাড়িতেই তো—

    এক বাড়ি হলে কি হয়? বাইরের মহলের সঙ্গে ভিতরের মহলের কোন যোগাযোগ নেই, সম্পূর্ণ পৃথক। আমরা থাকি বাইরের মহলে, তাই বড় একটা দেখা-সাক্ষাৎ হয় না। জবাব দিলেন হিরন্ময়ী দেবী।

    হরবিলাসই আমাদের দোরগোড়া পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে গেলেন। এবং কিরীটীই তাঁকে অনুরোধ জানাল আর বেশী দূর না আসবার জন্যে।

    আপনাকে আর গেট পর্যন্ত কষ্ট করে আসতে হবে না, মিঃ ঘোষ। এবারে আমরা নিজেরাই যেতে পারব।

    না না, তাতে কি, চলুন না গেট পর্যন্ত।

    না, আপনি যান।

    হরবিলাস ফিরে গেলেন। পাশাপাশি আমরা দুজনে হাঁটতে হাঁটতে এগিয়ে চললাম।

    গেটের কাছাকাছি প্রায় এসেছি, হঠাৎ একটা চাপা ক্রুদ্ধ গর-র শব্দ শুনে দুজনেই থমকে দাঁড়াই।

    শব্দটা লক্ষ্য করে সামনের অন্ধকারে গেটের ঠিক পাশেই চামেলী-ঝাড়টার দিকে তাকিয়ে চোখের দৃষ্টি আমার পাথরের মতই স্থির হয়ে গেল। অন্ধকারে দুটো আগুনের ভাঁটা যেন ক্রুদ্ধ জিঘাংসায় ধকধক জ্বলছে। অশরীরী কোন প্রেত যেন হিংস্রলোলুপ হয়ে আমাদের পথরোধ করে দাঁড়িয়েছে।

    গোঁ-গর-র একটা চাপা ক্রুদ্ধ গর্জন।

    আঃ Tiger, stop! Stop! চাপা মেয়েলী কণ্ঠের একটা নির্দেশ শোনা গেল।

    সীতার গলা।

    অন্ধকারে চামেলী-ঝোপটার নিচু থেকে ছায়ার মত নিঃশব্দে সামনের দিকে এগিয়ে এল সীতা এবং তার পাশে এগিয়ে এল প্রকাণ্ড একটা কালো আলসেসিয়ান কুকুর তো নয় যেন একটা বাঘ!

    কিন্তু আশ্চর্য, কুকুরটা তার মনিবের নির্দেশে তখন একেবারে চুপ করে গিয়েছে—শান্ত, স্থির!

    চলে যাচ্ছেন বুঝি? সীতা আবার প্রশ্ন করল।

    হ্যাঁ। আপনার ঐ টাইগারের ডাকই বুঝি একটু আগে শোনা গিয়েছিল! প্রশ্ন করল কিরীটী।

    হ্যাঁ। অচেনা কারো সাড়া পেলে টাইগারটা যেন একেবারে ক্ষেপে ওঠে। বোধ হয় কোনমতে আপনাদের সাড়া পেয়েছিল। হাসতে হাসতে জবাব দেয়।

    কিন্তু একটু দেরিতে পেয়েছিল বোধ হয় মিস ঘোষ! প্রত্যুত্তরে হাসতে হাসতে কিরীটী জবাব দেয়।

    কিরীটীর ইঙ্গিতটা সীতা বুঝতে পারল কিনা বোঝা গেল না, কারণ জবাবে সে বললে, আর কখনো আপনাদের দেখলে ও গোলমাল করবে না। টাইগার, চিনে রাখ, এরা আমাদের বন্ধু। ভাল লোক।

    কুকুরুটি আপনার কী খায় মিস ঘোষ? কিরীটী আবার প্রশ্ন করে।

    মাংস আর রুটি। জবাব দেয় সীতা।

    আচ্ছা চলি, মিস ঘোষ, নমস্কার। কিরীটী হাত তুলে নমস্কার জানিয়ে এগিয়ে গেল।

    চলুন, নিচু পর্যন্ত আপনাদের এগিয়ে দিয়ে আসি কিরীটীবাবু। এ পাহাড়টার উপর বেজায় সাপের উৎপাত।

    তাই নাকি? কিরীটী চলতে চলতেই বলে।

    হ্যাঁ। সব একেবারে ভয়ঙ্কর বিষধর গোখরো।

    সাপকে বুঝি আপনার ভয় করে না? কিরীটী প্রশ্ন করে।

    না, সঙ্গে টাইগার থাকলে এ জগতে কিছুকেই আমি ভয় করি না।

    মিস ঘোষ, তার আর প্রয়োজন হবে না। আপনি ফিরে যান। আয় সুব্রত। কিরীটী বেশ দ্রুতপদেই গেট অতিক্রম করে পাহাড়ের গা দিয়ে ঢালু পথ বেয়ে এগিয়ে চলল। আমি কতকটা একপ্রকার বাধ্য হয়েই অতঃপর কিরীটীকে অনুসরণ করি।

    এগিয়ে চলেছি অন্ধকার পথ ধরে আবার হোটেলের দিকে।

    শীতের কৃষ্ণপক্ষের রাত্রি হলেও কালো আকাশটা তারায় তারায় যেন ঝকঝক করছে। বাঁয়ে কালো কালির মত গর্জন-উদ্বেলিত সমুদ্র।

    মাঝামাঝি পথ আসতেই দূরে হোটেলের আলোগুলো অন্ধকার আকাশপটে ক্ৰমে ফুটে উঠতে লাগল। কিরীটী নিঃশব্দে পথ অতিক্রম করছিল, এতক্ষণ একটি কথাও বলেনি। কিন্তু কিরীটীর নিস্তব্ধতা আমাকে যেন কেমন পীড়ন করছিল। আমিই কথা বললাম, হিরন্ময়ী দেবীকে কেমন লাগল, কিরীটী?

    কেন, ভদ্রমহিলা বেশ ভালই তো!

    হরবিলাসের উপরে একটা অসাধারণ হোল্ড রয়েছে বলে যেন মনে হল!

    স্বাভাবিক। ধনীর কন্যা বিবাহ করলে স্বামীকে বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই স্ত্রীর মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে হয় ও মধ্যে মধ্যে স্ত্রীর আজ্ঞাবহুও হতে হয়। বিশেষ করে আবার এক্ষেত্রে শ্রীমতী হিরন্ময়ী দেবীর মত প্রখর বুদ্ধিমতী নারীর কাছে হরবিলাসের একটা inferiority complx থাকাটাই তো স্বাভাবিক।

    কিন্তু তা তুই ভাবছিস না, অন্য কিছু ভাবছিস! আমি আবার কিরীটীর চিন্তান্বিত মনটাকে একটা খোঁচা দিয়ে আমার প্রতি সজাগ করে তোলবার চেষ্টা করি।

    এবং কিরীটীর পরবর্তী জবাব শুনে বুঝলাম প্রচেষ্টা আমার একেবারে নিষ্ফল হয় নি। কিরীটী মৃদু হাস্যসহকারে জবাব দিল, শতদলবাবু যে আজ সকালবেলাতে বললেন এই বাড়ির একমাত্র উত্তরাধিকারী এখন তিনিই, তা তো কই মনে হচ্ছে না। তিনি নাতি এবং হিরন্ময়ী দেবী বোন। সেদিক দিয়ে শ্রীমতী সীতাও তো মালিকের নাতনী। আরো আছে কিনা তাই বা কে জানে!

    এতক্ষণে বুঝতে পারি কিরীটীর বর্তমান চিন্তাধারাটা ঠিক কোন পথ ধরে চলেছে। সকালবেলাকার আকস্মিক দুর্ঘটনা থেকে শতদলের রহস্যটাই তার সমস্ত চিন্তাকে আচ্ছন্ন করে রেখেছে। এবং এও বুঝতে পারলাম, শতদলরহস্য মীমাংসিত না হওয়া পর্যন্ত এখান থেকে কিরীটী নড়বে না। সঙ্গে সঙ্গে আমারও নড়া চলবে না। অতএব অনির্দিষ্ট কালের জন্য এখন এখানেই অবস্থানও হবে অবধারিত।

    বস্তুতঃ শতদলের রহস্যটা যে আমার মনকেও বেশ কিছুটা চঞ্চল করে তোলেনি তা নয়। কিন্তু কোন কিছুরই যেন হদিস পাচ্ছিলাম না। সকাল হতে কতকগুলো ছিন্ন ছিন্ন ঘটনা ও কয়েকটি বিভিন্ন চরিত্রের নর-নারী যার সংস্পর্শে আমরা এসেছি, কোন কিছুর মধ্যেই যেন একটা পূর্ণ যোগসূত্র খুঁজে পাচ্ছিলাম না। সহসা একটা প্রশ্ন আমার মনের অন্ধকারে বিদ্যুৎ-চমকের মতই যেন ঝিলিক হেনে গেল, কিন্তু কিরীটীকে সে প্রশ্নটা করবার পূর্বেই সে আমাকে বললে, রাত আটটা বাজে প্রায়, একটু পা চালিয়ে চল সুব্রত, হোটেলের ক্লাব-ঘরে বহু জনসমাগম হয়, দেখা যাক আজ তাদের মধ্যে কারো সঙ্গে একটু-আধটু আলাপ-পরিচয় করা যায় কিনা। এতদিন এখানে এসেছি, হোটেলে আছি, অথচ কারো সঙ্গে আলাপ হল না! এ অন্যায়। চল।

    হোটেলে এসে যখন পৌঁছলাম রাত তখন প্রায় সাড়ে আটটা।

    কিরীটী ও আমি সোজা একেবারে হোটেলের নিচের তলায় যে হলঘরটি স্থানীয় ক্লাব-ঘর বলে এখানে পরিচিত, সেই ঘরে এসে প্রবেশ করলাম।

    প্রশস্ত হলঘরটি তখন হোটেলের ও স্থানীয় অধিবাসী নরনারীতে গমগম করছে। বলতে গেলে হোটেলে আসবার পর এই সর্বপ্রথম ঐ ঘরে আমাদের পদার্পণ।

    হলঘরের একধারে কাউন্টার। সেখানে উর্দি-পরা হোটেলের ওয়েটার নানাজাতীয় কড়া ও নরম পানীয়ের বোতলগুলো সাজিয়ে তৃষিতজনদের পানীয় পরিবেশন করছে। মধ্যে মধ্যে ছোট-বড় সব চৌকো ও গোলাকর টেবিল ও চেয়ার পাতা। সেই চেয়ারগুলো অধিকার করে নানাবয়সী নরনারীর ভিড় জমেছে। উচ্চ ও চাপা হাসির গুঞ্জন ও তর্কাতর্কির শব্দে সমগ্র হলঘরটি মুখরিত। চারদিকেই সর্বত্র একটা আনন্দঘন উচ্ছাসের সাড়া। কেউ গল্প করছে, কেউ তাস খেলছে, কেউ দাবা, কেউ টেবিল-টেনিসু আবার কেউ কেউ বা পানীয়ের ক্লাসে নিয়ে বসে আছে ও মধ্যে মধ্যে এক-আধ সিপ ড্রিংক করে স্বপ্নালু দৃষ্টিতে আশেপাশে চেয়ে দেখছে।

    ঘরের এক কোণে একটা গোলাকার খালি টেবিলের পাশে খানতিনেক খালি চেয়ার পড়েছিল। কিরীটী আমাকে আকর্ষণ করে সেই দিকে নিয়ে গেল। এবং নিজে একটা চেয়ারে বসে আমাকে বললে, বোস।

    পকেট থেকে চামড়ার সিগারের কেসটা বের করে একটা সিগার কেস থেকে নিয়ে অগ্নিসংযোগ করতে করতে বললে, যস্মিন দেশে যদাচারঃ-কী খাবি বল?

    চেয়ে দেখি ইতিমধ্যে আমাদের চেয়ারে বসতে দেখে একসময় একজন উর্দিপরিহিত ওয়েটার আমাদের সামনে জার্মান-সিলভারের একটা ট্রে নিয়ে এসে দাঁড়িয়েছে।

    একঠো ছোটা বিয়ার অ্যান্ড জিন—তুই কী খাবি বল সুব্রত?

    আমি—মানে ওসব আমার চলবে না ভাই।

    এক যাত্রায় পৃথক ফল নেই, you must keep company! আর দেখো, এ সাবকে লিয়ে একঠো ছোটো জিন অ্যাণ্ড লাইম লাও!

    ওয়েটার সেলাম জানিয়ে কাউন্টারের দিকে চলে গেল।

    কিন্তু ভাই, ওসব খেয়ে যদি মাতাল হই? ভয়ে ভয়ে কিরীটীর মুখের দিকে তাকিয়ে বললাম।

    একটা ছোট জিন অ্যাণ্ড লাইম খেয়েই মাতাল হবি? Rubbish!

    অভ্যাস নেই যে ভাই।

    আমার যেন কতকালের অভ্যাস আছে! থাম।

    একটু পরে ওয়েটার ট্রেতে করে দুটো পেগ গ্লাস এনে টেবিলের উপরে নামিয়ে রাখল, আউর কুছ সাব?

    হ্যাঁ, দোনোমে থোড়া করকে পানি মিলা দো।

    ওয়েটার একটু একটু করে দুটো পেগ গ্লাসে জল ঢেলে দিয়ে চলে গেল।

    সন্তর্পণের সঙ্গে একটু একটু করে সিপ করছি আর অনুভব করবার চেষ্টা করছি নেশা ধরল কিনা। হঠাৎ এমন সময় খোলা দরজার দিকে নজর পড়তেই চমকে উঠলাম, শ্রীমতী রাণু ও শতদল হাসতে হাসতে প্রবেশ করল ঘরের মধ্যে।

    এবং তারা আমাদের দুটো টেবিলের পরের টেবিলে এসে বসল। ওরা আমাদের দুজনকে লক্ষ্য করেনি।

    বোয়—বোয়? শতদলের কণ্ঠস্বর শোনা গেল।

    বয় এসে ওদের সামনে দাঁড়াল।

    একঠো হুইস্কি সোডা, আউর একঠো অরেঞ্জ স্কোয়াসু শতদল অর্ডার দিল।

    কিরীটীর দিকে তাকালাম। সে দেখি অন্যদিকে তাকিয়ে একমনে সিগার টেনে যাচ্ছে, শতদল বা রাণুর দিকে তার দৃষ্টি নেই।

    কিন্তু তোমার মা, simply I cant stand her রাণু! তিনি যে আমাকে খুব বেশী পছন্দ করেন তা বলে মনে হয় না, শতদল রাণুকে বলছে কানে এল।

    ওটা তোমার ভুল ধারণা দল

    না, ভুল ধারণা নয়। কুমারেশের প্রতিই তাঁর একটু– কথাটা শতদল শেষ করে না।

    Dont be silly, দল! রাণু জবাব দেয়।

    একটু বোধ হয় অন্যমনস্ক হয়ে পড়েছিলাম। কাউন্টারের পাশে কনসার্ট বাজানো শুরু হয়েছিল। বেহালা, পিয়ানো ও ফ্লুট—মাত্র তিনটি যন্ত্রের সহযোগে চমৎকার ঐকতান বাদ্য। সুরটা একটা পরিচিত বাংলা গানের। কনসার্ট-বিরতি কয়েক মিনিটের জন্য হতেই আবার শতদলের কণ্ঠ শোনা গেল, কুমারেশের আজ পর্যন্ত কোনো সংবাদুই আর পাওয়া যায়নি?

    না। রাণু জবাব দেয়।

    কিন্তু এবারও কুমারেশের অলিম্পিকে যোগ দেবার কথা। সারা ভারতবর্ষ থেকে তো ওই একা সাঁতারে সিলেকটেড হয়েছে।

    এতক্ষণে বুঝতে পারি কুমারেশ মানে বিখ্যাত সাঁতারু কুমারেশ সরকারের কথা হচ্ছে। নামটা তাই প্রথম থেকেই কেমন যেন চেনা-চেনা মনে হচ্ছিল।

    এখানে আসবার দিন পনেরো আগে সংবাদপত্রে একটা সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল, বিখ্যাত সাঁতারু কুমারেশ সরকার তার কলকাতার বাসভবন থেকে হঠাৎ কাউকে কিছু না জানিয়ে নিরুদ্দেশ হয়েছে। সংসারে তার আপনার বলতে একমাত্র বৃদ্ধ বাপ অধ্যাপক ডঃ শ্যামাচরাণু সরকার। বছর পাঁচেক হল ডঃ সরকার চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করেছেন। কুমারেশ সরকার শুধু একজন বিখ্যাত সাঁতারুই নয়, কণ্ঠসংগীতেও আধুনিক গায়কদের মধ্যে সে অন্যতম। গায়কদের মধ্যেও কুমারেশ রেডিও গ্রামোফোন জগতে একচ্ছত্র সম্রাট। সেইজন্যই কুমারেশ সরকারের নিরুদ্দেশের সংবাদ যথেষ্ট আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল এবং এ-ও জানি, এখন পর্যন্ত সেই নিরদিষ্ট কুমারেশের কোন সংবাদুই পাওয়া যায়নি। ব্যাপারটা সত্যিই যেমন রহস্যপূর্ণ তেমনি চাঞ্চল্যকর।

    আবার রাণুর গলা শোনা গেল, সত্যিই শতদল তুমি জান না কুমারেশ কোথায় গিয়েছে?

    সকালবেলাতেই তো বলেছি জানি না।

    কিন্তু আমি কি ভেবেছিলাম, জান?

    কি

    তুমিই তার সবচাইতে প্রিয় বন্ধু, অন্ততঃ তুমি বোধ হয় জান সে কোথায়!

    শুধু তোমার কেন, সকলেরই তাই ধারণা। অথচ এরা কেউ বিশ্বাস করে না যে, তার সংবাদ জানা সত্ত্বেও গোপন করে রাখার কী আমার স্বার্থ থাকতে পারে! জগতে কুমারেশের চাইতে প্রিয় বন্ধু আর আমার নেই। সেই স্কুলের জীবন থেকে আমাদের বন্ধুত্ব, তার প্রতিটি কাজে চিরদিন আমিই সর্বাগ্রে তাকে উৎসাহ দিয়েছি, তার জীবনের প্রতিটি success-এ আমিই তাকে এগিয়ে দিয়েছি। সে শুধু আমার বন্ধুই নয়, সহোদরের চাইতেও অধিক।

    জানি। মৃদুকণ্ঠে রাণু কেবল জবাব দেয়।

    আবার বাজনা শুরু হয়, এবারে কিন্তু আর ঐকতান নয়, কেবল বেহালাবাদক বেহালা বাজাতে শুরু করে। চমৎকার বাজনার হাত লোকটির। আমার মনটা বাজনার প্রতি আবার আকৃষ্ট হয়ে পড়ে।

    হঠাৎ কিরীটী চেয়ার থেকে উঠে পড়ল। চেয়ে দেখি, রাণু আর শতদলও চেয়ার ছেড়ে উঠে খোলা দরজার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। কিরীটী দূর থেকে ওদেরই অনুসরণ করে, আমিও কিরীটীর পিছনে চললাম।

    মাথাটা একটু হালকা হালকা বোধ হয়। বুঝলাম জিন ও লাইমের কার্য শুরু হয়েছে আমার মস্তিষ্কের স্নায়ুকোষগুলোতে।

    শতদলবাবু? কিরীটীর ডাকে চমকে শতদল ফিরে তাকাল, কে? ও মিঃ রায়, our detective! Hallow! মনে আছে স্যার, আপনার সেই সাবধান বাণী। আর বলতে হবে না।

    ব্যাপার কি শতদল? বিস্মিতা রাণু প্রশ্ন করে শতদলের মুখের দিকে তাকিয়ে।

    মিঃ রায়ের ধারণা, আমার জীবনের উপরে কেউ না কেউ attempt নিচ্ছে, উনি আমাকে তাই আজ সকালে সাবধান করে দিয়েছেন, মৃদু হাস্যসহকারে বলে শতদল।

    তোমার life-এর ওপরে attempt! বিস্মিত সপ্রশ্ন দৃষ্টিতে আবার তাকাল রাণু শতদলের মুখের দিকে।

    কিন্তু আমি অন্য কথা বলবার জন্য আপনাকে ডেকেছিলাম শতদলবাবু কিরীটী বললে।

    কী বলুন তো?

    আপনার বাড়িতে আজ সন্ধ্যায় গিয়েছিলাম। হরবিলাসবাবু, তাঁর স্ত্রী ও মেয়ের সঙ্গে আলাপ হল।

    Really! তিনটে পাগল—তিন শ্রেণীর। কেমন লাগল পাগলগুলোকে? হাসতে হাসতে শতদল বলে।

    কিন্তু আপনার নিরালা দেখা হল না, তাই ভাবছি কাল সকালের দিকে যাব।

    নিশ্চয় নিশ্চয়। আসবেন। তুমিও এস না রাণু। রাণুর দিকে ফিরে তাকিয়ে শতদল বলে।

    কোথায়, তোমার ওখানে?

    হ্যাঁ। সকালে চা-পর্বটা আমার ওখানেই না হয় হবে সকলের, কী বলেন মিঃ রায়!

    বেশ তো। তাহলে রাণু দেবী যাবেন নাকি!

    কখন যাবেন? রাণু প্রশ্ন করে।

    একটু সকাল-সকালই না হয় বের হওয়া যাবে। কিরীটী জবাব দেয়।

    হঠাৎ একটা ভারিক্কী মেয়েলী কণ্ঠে সামনের দিকে তাকালাম। এই যে রাণু, কোথায় ছিলি এতক্ষণ? সেই কখন বের হয়েছিস–

    একটি বিধবার বেশ পরিহিতা মধ্যবয়সী মহিলা। পরিধানে বিধবার বেশ থাকলেও ঐশ্বর্য ও আভিজাত্যের চিহ্ন যেন তাঁর চোখ-মুখ হাব-ভাব, এমন কি দাঁড়াবার ভঙ্গীটকু থেকে পর্যন্ত ফুটে বের হচ্ছে। পরিপাটি চুল আঁচড়ানো। হাতে একগাছি করে সোনার চুড়ি। চোখে সোনার ফ্রেমের চশমা।

    কোথায় ছিলি এতক্ষণ? আবার মহিলা প্রশ্ন করলেন।

    এই—মানে, বলতে বলতে এদিক-ওদিক তাকায় রাণু।

    চেয়ে দেখি, আমাদের ধারে-কাছে কোথাও শতদলের চিহ্ন পর্যন্ত নেই। কখন একসময় ইতিমধ্যেই নিঃশব্দে অত্যন্ত ক্ষিপ্রগতিতে সে গা-ঢাকা দিয়েছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিরীটী অমনিবাস ১৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    Next Article বাঙালী হিন্দুর বর্ণভেদ – নীহাররঞ্জন রায়

    Related Articles

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৪ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৫ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }