Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কিরীটী অমনিবাস ১ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত এক পাতা গল্প656 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৪. ভদ্রমহিলা রাণুর দিকে তাকিয়ে

    এরা কে রাণু? ভদ্রমহিলা রাণুর দিকে তাকিয়ে আমাদের ইঙ্গিত করে প্রশ্ন করলেন।

    রাণু যেন শতদলের আকস্মিক অন্তর্ধানে কতকটা আরাম অনুভব করে এবং একটা স্বস্তির নিঃশ্বাস নিয়ে আমাদের দিকে তাকিয়ে বলে, আমার মা। ইনি মিঃ কিরীটী রায়, ইনি মিঃ সুব্রত রায়। মিঃ কিরীটী রায়ের নাম তুমি নিশ্চয়ই শুনে থাকবে মামি– বিখ্যাত রহস্যভেদী।

    নমস্কার, মিঃ রায়—আমার স্বামীর নাম নিশ্চয়ই আপনি শুনে থাকবেন–স্যার আর. এন. মিত্র–

    কোন স্যার আর, এন.? বিখ্যাত মার্চেন্ট, গত বৎসর সুইজারল্যান্ডে যিনি অপারেশন হতে গিয়ে মারা যান?

    হ্যাঁ। পৃথিবীবিখ্যাত সার্জেনদের দিয়ে অপারেশন করানো হল এখান থেকে ফ্লাই করে গিয়ে…কিন্তু oh dear! He could not be saved– লেডি মিত্র হাতের দামী সুগন্ধযুক্ত রেশমী রুমালটা চোখের উপরে একবার বুলিয়ে নিলেন এবং মনে হল গলার স্বরটা যেন একটু অশ্রুসিক্ত হয়ে উঠেছে।

    হ্যাঁ, সংবাদপত্রে ঘটনাটা পড়েছিলাম। কিরীটী মৃদুকণ্ঠে জবাব দেয়।

    শ্ৰীমতী রাণু তাহলে ক্রোড়পতি স্যার আর. এন.-এর সমস্ত সম্পত্তির একমাত্র উত্তরাধিকারিণী এবং শ্রীমান শতদল তাহলে বেশ উঁচু ডালের দিকে হস্ত প্রসারিত করছে!

    আসুন না, আমাদের ঘরে চলুন না। আপনারাও তো এই হোটেলে এসেই উঠেছেন? লেডি মিত্র তাঁর ঘরে আমন্ত্রণ জানালেন।

    হ্যাঁ। আজ থাক মিসেস মিত্র, রাত হয়েছে। কিরীটী মৃদু প্রতিবাদ জানায়।

    রাত আর এমন বেশী কি হয়েছে? লেডি মিত্র তাঁর সুডোল মণিবন্ধ চোখের সামনে তুলে ধরে দামী রিস্টওয়াচটার দিকে তাকিয়ে বললেন, এই তো সবে রাত পৌনে দশটা। আসুন আসুন, তিন-চার দিন হল এই হোটেলটায় এসে উঠেছি, তা একটা লোক পেলাম না যার সঙ্গে দু-দণ্ড আলাপ করা যেতে পারে। ও হোটেলটায় জায়গা পেলাম না, তাই কতকটা বাধ্য হয়েই এসে এই হোটেলটায় উঠতে হল। এত ভাল ভাল সী-সাইড থাকতে কেন যে রাণুর এই হতচ্ছাড়া নাস্টি জায়গাটাতে আসবার জন্যেই এত জেদ চাপল! আসুন মিঃ রায়, মিঃ সুব্রত, আপনিও আসুন।

    তরল পানীয়ের প্রভাবে পেটের মধ্যে তখন আমার ক্ষুধার প্রচণ্ড আলোড়ন চলেছে। বাধা দিতে যাচ্ছিলাম, কিন্তু কিরীটীকে মিসেস মিত্রকে অনুসরণ করতে দেখে একপ্রকার বাধ্য হয়েই আমাকেও ওঁদের পশ্চাতে অনুসরণ করতে হল।

    হোটেলের দোতলায় কোণের একটু বড় ঘর নিয়ে মাতা ও পুত্রী আছেন। এবং সঙ্গে এসেছে ওঁদের একজন বয়, একজন আয়া ও একজন দাই। এও দেখলাম ঘরে প্রবেশ করে যে, হোটেলের আসবাবপত্রের উপরেই ওঁরা একবারে নির্ভর করেননি, কিছু কিছু শয্যাদ্রব্য ও অন্যান্য আবশ্যকীয় জিনিসপত্র যা হয়তা তাঁরা সঙ্গে করেই নিয়ে এসেছিলেন, তারই সাহায্যে নিজেদের বাসের কক্ষটি যথাসাধ্য রুচিসম্মতভাবে সাজিয়েগুছিয়ে নিয়েছেন। ধনের প্রাচুর্য ও আভিজাত্যের চিহ্ন সর্বত্রই ঘরের মধ্যে পরিস্ফুট।

    ঘরের মধ্যে প্রবেশ করে লেডি মিত্র বললেন, আসুন। May I offer you a drink Mr. Roy? লেডি মিত্র কিরীটীর মুখের দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করলেন।

    No, thanks! Just now we had one!

    What about you Mr. Subrata Roy? এবারে আমার প্রতি প্রশ্ন বর্ষিত হল।

    No, thanks!

    বেশ, ড্রিঙ্ক না চান, চা-কোকো-কফি অর ওভালটিন?

    বুঝলাম লেডি মিত্র নাছোড়বান্দা। অতিথিদের অন্ততঃ কিছু না পান করিয়ে সুস্থির হতে পারছেন না।

    বেশ, তাহলে চা আনতে বলুন। কিরীটী জবাব দেয়।

    বয়, চা লাও। বয়কে চায়ের আদেশ দিয়ে সোফাটার উপরে নিজে একটু ভাল করে গুছিয়ে বসে লেডি মিত্র আমাদের দিকে তাকিয়ে বললেন, বসে বসে আলাপ করবার সময় কোন একটা ডিঙ্ক সঙ্গে না থাকলে আমি চিরদিনই যেন কেমন bored feel করি। আমার বহুদিনকার habit। মেয়ের দিকে তাকিয়ে বললেন, রাণু, দাঁড়িয়ে আছ কেন, বোসো!

    রাণু এতক্ষণ একপাশে দাঁড়িয়েই ছিল, মায়ের আদেশ পেয়ে আমাদেরই পাশের খালি চেয়ারটার ওপরে উপবেশন করল।

    আমার only child এই, মিঃ রায়। লরেটো থেকে এবার সিনিয়ার কেমব্রীজ পাস করেছে। Oh dear, রণেনের ইচ্ছে ছিল রাণু বিলেত যায়, ওকে তার ব্যারিস্টারি পড়াবার কী ইচ্ছেই ছিল! But where is he now? সব আমার ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়ে দেখুন না—how cruel! আবার কণ্ঠস্বর তাঁর অশ্রুতে গদগদ হয়ে উঠেছিল, কিন্তু কিরীটী কথার মোড়টা পালটে দিল।

    সে বললে, আপনারা তাহলে কিছুদিন এখানেই থাকবেন, লেডি মিত্র?

    হ্যাঁ, যতদিন না ওর আবার ইচ্ছে হয় ফিরে যাবার! বড্ড জেদী আর একগুঁয়ে মেয়ে আমার।

    কিরীটী হাসতে হাসতে বলে, কিন্তু সামান্য ওঁর সঙ্গে আমার যা আলাপ হয়েছে, তাতে মনে হয় she is really charming!

    আপনিই বলুন তো মিঃ রায়, জায়গাটি really চমৎকার নয়? মামির ধারণা, এমন বিশ্রী জায়গা নাকি আর ভূ-ভারতে নেই! রাণুই এবারে জবাব দেয়।

    বয় সুদৃশ্য চায়ের ট্রের ওপরে চায়ের সরঞ্জাম নিয়ে এসে সামনের টেবিলের উপরে নামিয়ে রাখল।

    চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে কিরীটী বললে, আপনি বোধ হয় হোটেলের বাইরে যাননি লেডি মিত্র, গেলে দেখতেন বাইরের দৃশ্য এখানকার সত্যিই চমৎকার!

    আমার আবার পায়ে হেঁটে বেড়াতে এমন বিশ্রী লাগে! লেডি মিত্র জবাব দিলেন।

    তা অবশ্য ঠিক, পায় হেঁটে বেড়ানোও আপনার অভ্যাস নেই, ভালো তো লাগবেই না আপনার। কিরীটী লেডি মিত্রের কথায় সায় দিয়েই কতকটা যেন বলে ওঠে।

    এমন চমৎকার সী-সাইডে কেউ আবার গাড়িতে চেপে বেড়ায় নাকি, মামির যেমন উদ্ভট সব, রাণু প্রতিবাদ জানায়।

    শুনছেন মিঃ রায় আমার মেয়েটির কথা?

    তা তো সত্যি, অভ্যাস না থাকলেও, কিরীটী আবার বলে।

    অভ্যাস! অভ্যাস আবার কী? দুদিন হেঁটে বেড়ালেই অভ্যাস হয়ে যায়। মেয়ে বলে উঠে।

    না মিস মিত্র, তারও একটা বয়স আছে। কিরীটী মৃদু হাস্যসহকারে বলে।

    সে রাত্রে আমাদের আহার শেষ করতে করতে প্রায় রাত সাড়ে এগারোটা বেজে গেল।

    দুজনে এসে হোটেলের বারান্দায় দুটো চেয়ার টেনে নিয়ে পাশাপাশি বসলাম। হোটেলটি ইতিমধ্যেই যেন নিস্তব্ধ হয়ে গিয়েছে। ঘরে ঘরে যে যার শয্যা নিয়েছে রাত্রের মত। বোধ হয় কেবল আমরা দুজনেই জেগে এখনও।

    বালুবেলার উপর অদূরে গর্জমান সমুদ্রের ঢেউগুলো ভেঙে ভেঙে পড়ছে কলচ্ছাসে। ভাঙা ঢেউইয়ের চূর্ণগুলোতে মধ্যে মধ্যে ফসফরাসের সোনালী চমকি ঝিলমিল করে ওঠে। দিবারাত্র একটানা ঢেউ ভেঙে-গড়েই চলেছে যেন

    সমুদ্রের খেলা। ওর চোখে কি ঘুম নেই!

    আমিই নিস্তব্ধতা ভঙ্গ করলাম, ব্যাপার কী বল তো কিরীটী, লেডি মিত্রকে হঠাৎ অত তোষামোদ করতে শুরু করলি কেন?

    ভদ্রমহিলাকে যখন একটু তোষামোদপ্রিয়ই দেখলাম, আগে থাকতেই খানিকটা তোষামোদ করে ভবিষ্যতের জন্য হাতের মধ্যে রেখে দিলাম, প্রয়োজন হলে কাজে লাগানো যাবে।

    তোর মতলবটা কি সত্যি করে বলবি? সত্যিই কি তুই সকালবেলাকার কী একটা accident হয়ে গিয়েছে, সেটার ভূতকে এখনো কাঁধে করে বেড়াচ্ছিস?

    হ্যাঁ রে, কতকটা সেই সিন্দবাদ নাবিকের অবস্থা। কিন্তু আমার কথা যদি বিশ্বাস করিস তাহলে বলতে পারি, সকালবেলাকার ব্যাপারটা যোগসূত্রহীন সামান্য একটা এলোমেলো দুর্ঘটনাই নয়। পর পর কতকগুলো দুর্ঘটনা, যেগুলো একসূত্রে গাঁথলে শেষ পর্যন্ত হয়তো গিয়ে দাঁড়াবে একটা মার্ডার বা নিষ্ঠুর হত্যায়!

    You mean

    হ্যাঁ I mean শীঘ্রই যদি আমার পূর্বে দূরদৃষ্টির ক্ষমতা না নিঃশেষ হয়ে গিয়ে থাকে, অমি নিশ্চয় করে বলতে পারি, I can hear the footsteps! হ্যাঁ সুব্রত, আমি স্পষ্ট শুনতে পাচ্ছি নিষ্ঠুর মত্যু নিঃশব্দে ফেলে এগিয়ে আসছে অবশ্যম্ভাবী অবধারিত। কিরীটীর কণ্ঠস্বরে উত্তেজনার সুস্পষ্ট আভাস। কিরীটী তখনও তার বক্তব্য শেষ করেনি, কিন্তু আমার চোখে যখন ব্যাপারটা পড়েছে, আমি চেষ্টা করব to my last to stop it! প্রতিরোধ করতে আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করব।

    তোর কি স্থির বিশ্বাস তাহলে something is going to happen? কোনো একটা কিছু শীঘ্রই ঘটবে?

    হ্যাঁ, যদি আমার ক্যালকুলেশন ভুল না হয়, চব্বিশ থেকে আটচল্লিশ ঘণ্টার মধ্যেই আবার একটা চেষ্টা হবে। বার বার চারবার।

    কিরীটীর অনুমান যে কতখানি নির্ভুল, পরের দিন সকালেই সেটা জানা গেল।

    খুব ভোরে উঠেই আমি, কিরীটী ও রাণু নিরালার উদ্দেশে রওনা হয়েছিলাম।

    ভোরের আলো তখনও স্পষ্ট হয়ে ওঠেনি। সমুদ্রের বুকে একটা আলোছায়ার পর্দা যেন থির থির করে কাঁপছে। শীতের সকাল হলেও কোথাও কুয়াশার লেশমাত্র ছিল না। আকাশের প্রান্তে শুকতারাটা নিভে যায়নি তখনও।

    নিরালার লৌহফটকের সামনে এসে আমরা যখন পৌঁছলাম, পূর্ব দিগন্ত যেখানে জলকে আলিঙ্গনের মধ্যে টেনে নিয়েছে, সেখানটা সূৰ্য-সারথির রথচক্রের ঘর্ষণে ঘর্ষণে ও সপ্ত অশ্বের খুরের আঘাতে যেন রক্তবর্ণ হয়ে উঠেছে।

    গতকাল সন্ধ্যার মত লৌহফটক খোলাই ছিল, ফটক ঠেলে তিনজনে আমরা কম্পাউণ্ডের ভিতরে প্রবেশ করলাম।

    একটু অগ্রসর হতেই হরবিলাসের সঙ্গে চোখাচোখি হয়ে গেল। কালো রঙের একটা ওভারকোট গায়ে, হাত দুটো পকেটের মধ্যে প্রবিষ্ট করে হাঁটতে হাঁটতে হরবিলাস গেটের দিকেই এগিয়ে আসছিলেন।

    এই যে মিঃ ঘোষ, সুপ্রভাত! কিরীটীই প্রথমে সুপ্রভাত জানাল।

    হরবিলাসও আমাদের শুভ প্রভাত জানালেন প্রত্যুত্তরে, সুপ্রভাত। খুব সকালেই এসেছেন দেখছি! যান, শতদল বোধ হয় বসেই আছে। সারাটা রাত বেচারা শোবার ঘরে খিল তুলে বসে আছে, পাশে একটা লোডেড রিভলভার নিয়ে।

    ব্যাপার কী? কোন দুর্ঘটনা? উদ্বিগ্ন কণ্ঠে কিরীটী প্রশ্ন করে।

    কী জানি মশাই, রাত দুটো-আড়াইটের সময় হঠাৎ পর পর দুটো বন্দুকের গুলির শব্দে চমকে উঠে—

    বন্দুকের গুলির শব্দ! প্রশ্নটা এবারে করলাম আমি।

    হ্যাঁ। চট করে রাত্রে ঘুম আসে না, তাই অনেক রাত পর্যন্ত জেগে জেগে বই পড়ি। কালও রাত্রে বসে বসে নিজের ঘরে একটা বই পড়ছিলাম, হঠাৎ বন্দুকের গুলির আওয়াজ, তারই কিছুক্ষণ পরে শতদল ও অবিনাশের চেঁচামেচি শুনে অন্দরের দিকে ছুটে যাই। শতদলের ঘরে গিয়ে দেখি, বেচারী অত্যত নার্ভাস হয়ে পড়েছে। ঘুম আসছিল না বলে জেগে টেবিলের আলোয় বসে কী একটা বই পড়ছিল, এমন সময় হঠাৎ বন্দুকের গুলির আওয়াজ ও সঙ্গে সঙ্গে টেবিলল্যাম্পের চিমনিটা ভেঙে চুরমার হয়ে ঘর আঁধার হয়ে যায়। ও কিছু বোঝবার আগেই অন্ধকারেই আবার একটা গুলি এসে ঘরের মধ্যে প্রবেশ করে। কী ভয়ানক ব্যাপার বলুন তো মিঃ রায়! ও বলে, কেউ ওকে হত্যা করার চেষ্টা করছে। কিন্তু হঠাৎ কে আবার শতদলকে হত্যা করবার চেষ্টা করবে বলুন তো? আমি তো মাথামুন্ডু কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না। ও নিজেও এমন ঘাবড়ে গিয়েছে যে, বাকি রাতটকু বোধ হয় শোয়ওনি। চলুন, আপনি এসেছেন ভালই হল, ওকে একটু সাহস দিয়ে যান।

    হরবিলাস গতরাত্রের ব্যাপারটায় যে বেশ একটু উত্তেজিতই হয়ে উঠেছেন, ওঁর কথাবার্তাতেই সেটা বোঝা গেল এবং ব্যাপারটার মধ্যে যথেষ্ট উত্তেজনার খোরাক থাকা সত্ত্বেও কিরীটীকে কিন্তু একান্ত নির্বিকার বলেই মনে হতে লাগল। অস্বাভাবিক বা অত্যাশ্চর্য কিছুই তেমন ঘটেনি, শান্ত ও নির্বিকার কণ্ঠেই সে এবারে হরবিলাসবাবু কে প্রশ্ন করল, তা এত সকালে আপনি কোথায় যাচ্ছিলেন?

    সত্যি কথা বলতে কি মিঃ রায়, আমি আপনার কাছেই যাচ্ছিলাম। গতরাত্রে আপনারা চলে যাবার পর আমার স্ত্রীর মুখে আপনাদের অনেক কীর্তিকাহিনীই শুনেছি, তাতে করে আমার মনে হল এ ব্যাপারে আপনিই যোগ্য ব্যক্তি বেচারীকে একটা পরামর্শ দেবার।

    কেন, শতদলবাবু কি বলেননি আজ সকালে আমাদের তিনি চায়ের নেমন্তন্ন করেছেন, আমরা আসব? কিরীটী দ্বিতীয় প্রশ্ন করল।

    কই, না তো! সবিস্ময়ে জবাব দিলেন হরবিলাস।

    ও, আচ্ছা চলুন দেখি।

    হরবিলাসবাবুকে অনুসরণ করে আমরা তিনজন অগ্রসর হলাম। সংবাদটা শোনা অবধিই লক্ষ্য করছিলাম, রাণুর মুখের পরিবর্তন। রাণু যেন সত্যিই বিস্মিত ও হতচকিত হয়ে গিয়েছে। রাণু, আমার ও কিরীটীর মধ্যবর্তিনী হয়ে পথ চলছিল, সহসা একসময় চাপা কণ্ঠে কিরীটীকে সে প্রশ্ন করল, আপনি শতদলকে সাবধান করে দিয়েছেন, কালই সকালে আমাকে বলছিল! আপনার নাকি ধারণা, ওকে মারবার জন্য কেউ attempt নিচ্ছে! শতদল তো বিশ্বাস করেইনি, সত্যি কথা বলতে কি মিঃ রায়, আমিও করিনি। কিন্তু এ-সব কী শুনছি—how horrible!

    বিশ্বাস করেননি ভুলই করেছেন, এবারে বোধ হয় বিশ্বাস করবেন! কিরীটী মৃদুকণ্ঠে জবাব দেয়।

    অন্দর ও বহির্মহলের মধ্যে যোগাযোগের দ্বারটা, সেটা অন্দর থেকে বন্ধই ছিল। বাইরের দরজায় একটা দড়ি ঝুলছিল, হরবিলাসবাবু, সেটা ধরে বার-দুই টান দিতেই অন্দর থেকে একটা অস্পষ্ট ঘণ্টাধনি শোনা গেল এবং অল্পক্ষণ পরেই দরজাটা খুলে গেল। দরজাটা খুলতেই চোখে পড়ল খোলা দ্বারপথে দাঁড়িয়ে একজন বৃদ্ধগোছের লোক। লোকটার বয়স পঞ্চাশের ঊর্ধ্বে তো নিশ্চয়ই। রোগা ও বেটেমত চেহারা। দেহের সমস্ত মাংসপেশীগুলো যেন একেবারে শণের দড়ির মত পাকিয়ে গিয়েছে। মাথার চুলগুলো কাঁচায়-পাকায় মেশানো। লোকটার পরিধানে একটা ধোপদুরস্ত ধুতি ও হাতকাটা গরম বেনিয়ান। বেনিয়ানের উপরে একটা চাদর জড়ানো।

    অবিনাশ, শতদল কোথায়? প্রশ্ন করলেন হরবিলাসই।

    বাবু তাঁর ঘরেই আছেন। এখনো দরজা খোলেননি। বাবুর কাছেই যাচ্ছিলাম, আপনাদের ঘণ্টা শুনে

    এদের বাবুর ঘরে নিয়ে যাও।

    আসুন—আজ্ঞে, অবিনাশ আমাদের আহ্বান জানাল।

    একটা দীর্ঘ টানা বারান্দা পার হয়ে আমরা অবিনাশকে অনুসরণ করে প্রশস্ত শ্বেতপাথরের সিঁড়ি বেয়ে উপরে গিয়ে উঠলাম সকলে। উপরের তলাতেও ঠিক নিচের মতোই অনুরূপ একটি টানা বারান্দা। বারান্দার দু-পাশের দেওয়ালে সব বড় বড় ফ্রেমে বাঁধানো নানাপ্রকারের চিত্র টাঙানো। মধ্যে মধ্যে স্ট্যাণ্ডের উপরেও রক্ষিত জয়পুরী টবে পামট্রি। বাড়িটা যে কোন এক শিল্পীর, বুঝতে সেটা আদৌ কষ্ট হয় না। বারান্দার শেষপ্রান্তে যে বন্ধ ঘরটার সামনে এসে আমরা দাঁড়ালাম, তারই ঠিক দরজার দুপাশে দুটো বহুদাকারের স্ট্যাচু একটি স্ট্যাচু হচ্ছে অপূর্ব একটি অর্ধউলঙ্গ নারীর এবং দ্বিতীয় স্ট্যাচুটি হচ্ছে একটি পুরুষের।

    এই ঘরে আছেন বাবু। অবিনাশ বললে আঙুল তুলে ঘরটা ইঙ্গিতে দেখিয়ে দিয়ে।

    কিরীটী দরজার গায়ে নক করল টকটক করে এগিয়ে গিয়ে, মিঃ বোস! শতদলবাবু!

    ভিতর হতে আহ্বান এল, কে?

    আমি কিরীটী, শতদলবাবু দরজা খুলেন—

    একটু পরেই দরজা খুলে গেল। সামনেই দাঁড়িয়ে শতদল। চমকে উঠলাম শতদলের মুখের দিকে তাকিয়ে। মাত্র এক রাত্রের মধ্যে এ কী চেহারা হয়েছে তার? সমস্ত মুখে শুধু যে রাত্রি-জাগরণের ক্লান্তি তাই নয়, একটা নিরতিশয় ভয় ও উৎকণ্ঠা যেন মুখের রেখায়-রেখায় সুস্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

    এই যে মিঃ রায়, again there was an attempt last night! আবার কাল রাত্রে কেউ, somebody, আমাকে গুলি করে হত্যা করবার চেষ্টা করেছিল। এখন স্পষ্টই বুঝতে পারছি মিঃ রায়, you were right! আপনার কথাই ঠিক–সত্যিই someone is after me! কেউ আমার পিছনে লেগেছে। কিন্তু কে এবং কেন? উত্তেজনায় শতদলের কণ্ঠস্বর যেন একেবারে ভেঙে পড়ে।

    Dont be nervous! চলুন শতদলবাবু ঘরের মধ্যে চলুন। হরবিলাসবাবুর মুখেই এইমাত্র গতরাত্রের সমস্ত ব্যাপার শুনেছি, কিরীটী যেন একপ্রকার শতদলকে ঠেলেই ঘরের মধ্যে প্রবেশ করল।

    আমরাও পিছনে পিছনে তার ঘরের মধ্যে গিয়ে প্রবেশ করলাম।

    দেখবেন, সাবধান, কাঁচের টুকরো এখনো ঘরময় ছড়িয়ে আছে! সাবধান করে দিলেন আমাদের শতদলবাবু।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিরীটী অমনিবাস ১৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    Next Article বাঙালী হিন্দুর বর্ণভেদ – নীহাররঞ্জন রায়

    Related Articles

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৪ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৫ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }