Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কিরীটী অমনিবাস ১ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত এক পাতা গল্প656 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১২. কল্যাণীর পিতা নিত্যানন্দ সান্যাল

    কল্যাণীর পিতা নিত্যানন্দ সান্যাল এসে কক্ষমধ্যে প্রবেশ করলেন পরক্ষণেই। পরিধানে একটা সাদা ধুতি, গায়ে একটা মের্জাই। পায়ে বিদ্যাসাগরী চটি।

    আসুন সান্যাল মশাই। এদের সঙ্গে আপনার পরিচয়টা করিয়ে দিই। ইনি শ্রীযুক্ত লক্ষ্মীকান্ত সাহা, এখানকার থানার বড়বাবু। ইনি মিঃ কিরীটী রায় রহস্যভেদী—আর ইনি—

    নমস্কার, আসুন। আপনার পরিচয় আগেই আপনার কন্যা দিয়েছেন। লক্ষ্মীকান্ত বসন্ত সেনের বক্তব্যে বাধা দিয়ে কথাটা বললেন।

    বটে! বটে! মা কালই বুঝি আগেই আমার পরিচয় দিয়েছে? কিন্তু মেয়ের কাছ থেকে বাপের পরিচয়—সেটা তো ঠিক পরিচয় পাওয়া হলো না দারোগা সাহেব! কৌতুকমিশ্রিত কণ্ঠে জবাব দিলেন সান্যাল।

    কেন বলুন তো? প্রশ্ন করলেন লক্ষীকান্ত।

    কেন আবার! অতিশয়োক্তিতে সে পরিচয় যে অনিবার্য ভাবেই দুষ্ট হবে। তারপর মেয়ের দিকে তাকিয়ে বললেন, সকালে উঠে কোথায় গিয়েছিলে মা-জননী? আমার এখনো উপাসনা সমাপন হয়নি। প্রভাত-উপাসনার ব্যবস্থাটা করে দাও তো গিয়ে মা

    এখনি যাচ্ছি বাবা। সমস্ত ব্যবস্থা আমি করে দিচ্ছি। কতকটা যেন লজ্জিত ভাবেই কথা কটি বলে কল্যাণী কক্ষ হতে একটু দ্রুতই নিক্রান্ত হয়ে গেল।

    আপনি কালই এখানে এসে পৌচেছেন শুনলাম! কথাটা বললেন লক্ষ্মীকান্ত নিত্যানন্দ সান্যালের মুখের দিকে তাকিয়ে।

    হ্যাঁ। সংবাদপত্রে সব জানা মাত্রই চলে আসতে হলো। আপনার বলতে আজ আমি ছাড়া মেয়েটার আর কেউই তো নেই। দুর্ভাগ্যই বলতে হবে। ছেলেবয়সে মাকে হারাল, ত্রিসংসারে একমাত্র ছিল ঐ বাপ, তাকেও হারাল। খেদপূর্ণ কণ্ঠে কথাগুলো বললেন সান্যাল মশাই।

    ঘরের মধ্যে উপস্থিত তিনজনের একজনও কেউই সান্যাল মশাইয়ের কথার কোন জবাব দিল না।

    সকলেই নিঃশব্দে বসে রইল।

    নিত্যানন্দই আবার কথা বললেন, কিন্তু ব্যাপার কি বলুন তো দারোগা সাহেব! এ যে একেবারে অসম্ভব, অবিশ্বাস্য! এই অজ শহর, এখানেও এসব ঘটে! কিরীটীবাবু, কথা বলতে বলতে হঠাৎ কিরীটীর দিকে ঘরে তাকিয়ে সান্যাল তাঁর বক্তব্যের শেষটুকু কিরীটীর উদ্দেশ্যেই যেন ব্যক্ত করলেন, আপনি তো শুনলাম একজন নামকরা বিচক্ষণ গোয়েন্দা, আপনিই বলুন না?

    অসম্ভব হলেও ব্যাপারটা এইখানেই তো ঘটেছে মিঃ সান্যাল! জবাব দিলেন লক্ষ্মীকান্ত সাহা।

    কিন্তু কে হত্যা করলো? আর তাকে হত্যা করেই বা কি লাভ?

    দ্বিতীয় প্রশ্নটার আপনার জবাব পেলেই তো আপনার প্রথম প্রশ্নটার জবাবটাও আমরা পেয়ে যাই সান্যাল মশাই! এবারে জবাব দিল কিরীটীই, এবং সেটাই তো এক্ষেত্রে আমাদের তদন্তের মূল ব্যাপার!

    কি জানি কিরীটীবাবু, ঘটনাটা সংবাদপত্র মারফৎ পড়া অবধিই যেন আমি একেবারে তাজ্জব বনে গিয়েছি। তারপর একটু থেমে আবার বলতে লাগলেন—

    আমি চৌধুরীকে তো বেশ ভাল করেই জানতাম, অমন চরিত্রবান সহৃদয় লোক হয় না আজকালকার দিনে বড় একটা। তারপর কতকটা যেন স্বগত ভাবেই বললেন, দয়াময়, সবই তোমার লীলা প্রভু!

    আমাদেরও তাই বক্তব্য সান্যাল মশাই। কিরীটী আবার কথা বলে, এ দুর্ঘটনার মধ্যে নিশ্চয়ই কোন কারণ আছে এবং সেটা থাকতেই হবে। বিনা উদ্দেশ্যে বা বিনা কারণে এ ধরনের হত্যাকাণ্ড কখনো সংঘটিত হয় না। হতে পারে না। আপনি, বসন্তবাবু, আপনার দীর্ঘদিন ধরে নিহত মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীকে জানতেন। তাঁর সম্পর্কে আপনারা আমাদের যত সংবাদ দিতে পারবেন আর কারো পক্ষেই সেটা সম্ভবপর হবে না। এবং এ-ও সত্যি যে অনেক ক্ষেত্রেই আমরা তুচ্ছ ঘটনার মধ্যে থেকেও অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বা মলবান সত্রের সন্ধান পাই যার সাহায্যে এই ধরনের তদন্ত-ব্যাপারে মীমাংসাটা সহজ ও সরল হয়ে আসে।

    কিন্তু দুঃখের বিষয় কিরীটীবাবু, সান্যাল বলতে লাগলেন, এমন কোন ঘটনাই কই চৌধুরী সম্পর্কে আমার মনে পড়ছে না যেটা আপনাদের বললে আপনারা এ ব্যাপারে আলোর সন্ধান পাবেন, যে ঘটনাকে তার এইভাবে নিহত হবার সামান্যতম কারণ বলেও বিবেচনা করা যেতে পারে। তাহলেও আপনার যদি আমাকে বলেন ঠিক কি আপনারা জানতে চান চৌধুরী সম্পর্কে, তাহলে জানা থাকলে বলতে পারি কারণ সে যে আমার কতখানি আপনার ছিল সে একমাত্র আমিই জানি। আমার কোন মার পেটের বোন ছিল না কিরীটীবাবু। হেম আমার দূর-সম্পর্কীয় মামাতো বোন হলেও সহোদরারও অধিক ছিল। একই মায়ের স্নেহের অঞ্চলে সে ও আমি বর্ধিত হয়েছি। সে যে আমার কত খানি ছিল, বলতে বলতে প্রৌঢ় সান্যালের গলার স্বরটা রুদ্ধ হয়ে আসে— দুই চক্ষুর দৃষ্টি অশ্রুতে ঝাপসা হয়ে ওঠে।

    সান্যালের শেষের কথাগুলোতে কক্ষের আবহাওয়াটা যেন কেমন করুণ হয়ে ওঠে।

    সান্যাল তাঁর ধুতির প্রান্ত দিয়ে উদগত অশ্রুকে মুছে নিয়ে আবার বলতে লাগলেন, উনিশ বৎসর পূর্বে হঠাৎ একদিন কলকাতা থেকে চৌধুরীর চিঠিতে যখন জানলাম হেমের মৃত্যু হয়েছে, সে আর ইহজগতে নেই, সেদিনের কথা আমি ভুলবো না কিরীটীবাবু। হেমের অসুখের সংবাদ পূর্বেই চৌধুরীর চিঠিতে পেয়েছিলাম বটে, কিন্তু সে যে অত শীঘ্র আমাদের মায়া কাটিয়ে তার এত সাধের সাজানো ঘর ফেলে ঐ বয়সেই মৃত্যুমুখে পতিত হবে এ যেন সত্যিই আমার স্বপ্নাতীত ছিল। হেমের মৃত্যুর পর দুবার মাত্র এখানে আমি এসেছি। —এ বাড়িতে পা দিলেই যেন হেমের শত সহস্র স্মৃতি আমার কণ্ঠ টিপে ধরেছে, তাই হাজার ইচ্ছা হলেও এদিকে আর পা বাড়াইনি। আর পা দিয়েই বা কি হবে বলুন! যার সঙ্গে সম্পর্ক সে-ই যখন রইল না! আর চৌধুরীর কথাই বা কি বলবো, কি যে ভালবাসত ও হেমকে! হেমের অসময়ে মৃত্যুতে ও যেন একেবারে হঠাৎ অল্প বয়সেই দেহ ও মনে স্থবির হয়ে পড়েছিল। বাইরে থেকে অবশ্য বুঝবার উপায় ছিল না, ভিতরে ভিতরে একেবারে শুকিয়ে। যেন নিঃশেষ হয়ে গিয়েছিল।

    কিরীটী ও বসন্ত সেনের মধ্যে একবার দৃষ্টি-বিনিময় হয় চকিতে, যখন সান্যাল হেমপ্রভার মৃত্যুর কথা বলছিলেন। কিন্তু কিরীটী বা বসন্ত সেন দুজনার কেউই সান্যালের কথার মধ্যে কথা বলে তাঁকে বাধা দিল না। সান্যালের বক্তব্য শেষ হতেই সহসা কিরীটী বলে ওঠে, একটা কথা সান্যাল মশাই, একটু আগে আপনার ভগ্নী হেমপ্রভা দেবীর মৃত্যু সম্পর্কে যে কথাটা বললেন, মানে তাঁর স্বাভাবিক মৃত্যু ঘটেছিল, তাই কি?

    বিস্মিত সান্যাল কিরীটীর প্রশ্নে ওর মুখের দিকে প্রশ্ন দৃষ্টিতে তাকিয়ে বললেন, হ্যাঁ, কেন বলুন তো?

    কিন্তু কানাইয়ের মার মুখে হেমপ্রভা দেবীর মৃত্যু সম্পর্কে যা জানা গিয়েছে সেটা কিন্তু, কিরীটী শেষটুকু বলতে বোধ হয় ইতস্ততই করে।

    সান্যাল তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে কিরীটীর মুখের দিকে তাকালেন, কি শুনেছেন?

    হেমপ্রভা দেবীর স্বাভাবিক মৃত্যু ঘটেনি এবং সকলে যা জানে কলকাতায়ও তাঁর মৃত্যু ঘটেনি।

    সে কি! একই সঙ্গে বলতে গেলে প্রায় কথাটা উচ্চারণ করলেন সান্যাল ও দারোগা লক্ষ্মীকান্ত সাহা।

    নিষ্ঠুর সত্যকে এবার অত্যন্ত খোলাখুলি ভাবেই যাচাই করার প্রয়োজন। এতকাল যা ঘন রহস্যের অন্তরালে সকলের অজ্ঞাত ছিল আর তা থাকবে না। মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীর মৃত্যুর রহস্য অতীতের আর এক রহস্যকে লোকচক্ষুর সম্মুখে উন্মোচিত করল যেন অতর্কিতেই।

    কালের বিধান।

    কালস্রোতে যা নিশ্চিহ্ন হয়ে ধুয়ে-মুছে একবারে লুপ্ত হয়ে গিয়েছে বলেই সকলে ভেবেছিল, আজ আবার কানাইয়ের মা তাকে বর্তমানের মধ্যে এনে উপস্থিত করেছে।

    ক্ষণপূর্বে উচ্চারিত কিরীটীর কথায় ঘরের মধ্যে উপস্থিত সকলকেই কিছুক্ষণের জন্য নিশ্চুপ হয়ে থাকে।

    কারো কণ্ঠ হতে এতটুকু স্বরও নির্গত হয় না।

    বারেকের জন্য চকিত দ্রুত দৃষ্টি সঞ্চালনে কিরীটী ঘরের মধ্যে উপস্থিত সকলের মুখের দিকে তাকিয়ে নিল।

    হ্যাঁ, গতকাল সেন মশাইয়ের সঙ্গেও ঐ কথারই আলোচনা আমরা করেছিলাম—কিরীটী আবার বলে।

    এ কথা কি সত্য বসন্ত? এবারে প্রশ্ন করলেন সান্যাল বসন্ত সেনকে।

    না, সত্য নয়। কঠোর তীক্ষ্ণ কণ্ঠে নায়েব প্রত্যুত্তর দিলেন।

    নায়েব মশাই, কোন কিছু আপনার অজ্ঞাত বলেই তাকে একমাত্র সেই যুক্তিতেই মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিতে পারেন না। কালও আপনাকে এটুকুই বলবার চেষ্টা করেছিলাম। বিশ্বাস করুন, কানাইয়ের মা মিথ্য বলেনি।

    ডাক তো বসত ভায়া একবার ঐ ঝি কানাইয়ের মাকে। কথাটা বললেন সান্যালই এবারে।

    হ্যাঁ, তাই ডাকুন, সত্যিই যদি মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীর স্ত্রী হেমপ্রভা দেবীর মৃত্যুর ব্যাপারে কোন রহস্য থেকেই থাকে সেটাকে অতি অবশ্য যাচাই করা প্রয়োজন। লক্ষ্মীকান্ত যেন অতি উৎসাহের সঙ্গে কথাটা বললেন।

    গোবিন্দ এই গোবিন্দ! বসন্তবাবু দরজার বাইরে গিয়ে ভৃত্য গোবিন্দকে ডাকলেন।

    একটু পরেই গোবিন্দ ঘরের মধ্যে এসে উপস্থিত হলো, বাবু!

    কানাইয়ের মাকে একবার ডেকে দে তো। যা শীগগির পাঠিয়ে দে এ ঘরে। গোবিন্দ আদেশ পালনের জন্য চলে গেল।

    কিন্তু কানাইয়ের মার কথার সত্যতা যাচাই করার চাইতেও ঢের বিস্ময় সকলের জন্য অপেক্ষা করছিল, যখন গোবিন্দ এসে সংবাদ দিল সকাল থেকে কানাইয়ের মাকে বাড়ির মধ্যে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

    কানাইয়ের মাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, সে আবার কিরে! ভাল করে। খোঁজ নিয়ে দেখ। কোথায় যাবে বুড়ী!

    তীক্ষ্ণ রাগত কণ্ঠে কথাগুলো বললেন বসন্ত সেন।

    আজ্ঞে ভাল করেই দেখেছি। ঠাকুর আর বনমালীও বললে, সকাল থেকে অনেক খুঁজেও তাকে পাওয়া যায়নি—

    ঠিক এমনি সময় প্রথমে সবিতা ও তার পশ্চাতে সত্যজিৎ কক্ষমধ্যে এসে প্রবেশ করলে।

    সবিতার চোখমুখে একটা উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তা যেন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ঘরের মধ্যে প্রবেশ করে সবিতা সকলকে সেই ঘরের মধ্যে উপস্থিত দেখে, এমন কি দারোগা লক্ষীকান্ত সাহাকেও সেই ঘরের মধ্যে উপবিষ্ট দেখে প্রথমটায় যেন একটু ইতস্ততই করে কিন্তু পরক্ষণেই সে সঙ্কোচটুকু কাটিয়ে উঠে ব্যগ্র কণ্ঠে বসন্ত সেনের দিকে তাকিয়েই বলে, নায়েব কাকা, সকাল থেকে এ বাড়ির মধ্যে কানাইয়ের মাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না!

    একটা জলজ্যান্ত মানুষ রাতারাতি কোথায় উধাও হয়ে যাবে? নিশ্চয়ই কৈাথাও না কোথাও আছে। আর একবার ভাল করে খুঁজে দেখতে বলছি মা গোবিন্দকে। জবাব দিলেন বসত সেন।

    এতক্ষণ কিরীটী একটা কথাও বলেনি। একপাশে চুপটি করে দাঁড়িয়ে ছিল। এবারে সে কথা বললে, কানাইয়ের মা কোন ঘরে শুতো?

    নীচের তলায় চাকরদের ঘরের পাশের একটা ঘরে। জবাব দিল সবিতা।

    চলুন তো, একবার ঘরটা ঘুরে দেখে আসি। কিরীটী সবিতার দিকে তাকিয়ে চোখের দৃষ্টিতে তাকে অনুসরণ করতে বলে খোলা দরজার দিকে সর্বপ্রথম এগিয়ে গেল। এবং দরজার কাছাকাছি গিয়ে ফিরে দাঁড়িয়ে লক্ষী কান্তকে সম্বোধন করে বললে, আসুন লক্ষ্মীকান্তবাবু, চলুন আপনিও এক বার দেখবেন না ঘরটা?

    হ্যাঁ চলুন। লক্ষ্মীকান্তও অতঃপর তাকে অনুসরণ করে এগিয়ে গেলেন।

    বসন্ত সেনও অনুসরণ করলেন ওদের।

    বারান্দাটা অতিক্রম করে প্রশস্ত একটা বাঁধানো আঙ্গিনা। আঙ্গিনার দক্ষিণ প্রান্তে পর পর তিনটে ঘর। তারই একটা ঘরে কানাইয়ের মা সবিতারা এখানে আসবার পর থেকে রাত্রে শুচ্ছিল। ওদের এখানে আসবার পূর্বে অবশ্য কানাইয়ের মার জিনিসপত্র ঐ ঘরের মধ্যে থাকলেও, উপরের তলার একটা ঘরেই শুতো সে। পাশের দুখানা ঘরের একটায় থাকে বনমালী, অন্যটায় গোবিন্দ ও ঠাকুর!

    নাতিপ্রশস্ত ঘরখানি। ঘরের দরজাটা খোলাই ছিল। সবিতাই ঘরের সামনে এসে ঘরটা দেখিয়ে দিতে সর্বাগ্রে কিরীটীই ঘরের মধ্যে এসে প্রবেশ করল।

    ঘরের মধ্যে জিনিসপত্র বিশেষ কিছু তেমন নেই! একধারে একটা টিনের পুরাতন রং-চটা ট্রাঙ্ক, ছোট একটা মিলারের চ্যাপ্টা তালা লাগানো। তারই পাশে একটা মাটির কলসী ও তার উপরে পরিষ্কার কাঁসার লাস উবড় করা।

    দেওয়ালের গায়ে গায়ে পেরেকের সাহায্যে দড়ি টানিয়ে খানকয়েক সাদাকাপড় পরিষ্কার শাড়ি ঝোলানো আছে।

    কিরীটী ঘরের মধ্যে প্রবেশ করে একবার চারিদিকে তার অভ্যস্ত তীক্ষ্ণ অনুসন্ধানী দৃষ্টি বুলিয়ে নিয়ে এগিয়ে গিয়ে ঘরের মধ্যে পর পর যে দুটি বদ্ধ জানালা ছিল সে দুটি খুলে দিল।

    এক ঝলক হাওয়া ও আলো ঘরের মধ্যে এসে প্রবেশ করল। জানালা দুটো বিলের দিকে। জানালা খুললেই দিগন্তপ্রসারী বৌরাণীর বিলের জল চোখে পড়ে।

    কিরীটী শয্যাটার দিকে এগিয়ে গেল। শয্যার মলিন চাদরটা জায়গায় জায়গায় কুচকে আছে এবং মাথার বালিশটা বিছানার একধারে পড়ে আছে।

    অতঃপর কিরীটী ঘরের মেঝেটা তীক্ষ্ণ অনুসন্ধানী দৃষ্টিতে পরীক্ষা করতে করতে হঠাৎ হাঁটু গেড়ে এক জায়গায় বসে পকেট থেকে একটা লেন্স বের করে সেটার সাহায্যে কি যেন দেখতে লাগল।

    অন্যান্য সকলে কৌতুহলী হয়ে কিরীটীর পশ্চাতে এসে দাঁড়ায়।

    মিনিট দেড়েক বাদে কিরীটী আবার সোজা হয়ে উঠে দাঁড়াল এবং সবিতার মুখের দিকে তাকিয়েই প্রশ্ন করল, কানাইয়ের মা তো বিশেষ করে আপনার কাজ-কর্মই দেখাশোনা করত, তাই না?

    হ্যাঁ। ইদানীং বয়স হওয়ায় তাকে বিশেষ কাজকর্ম তো করতে দেওয়া হতো না। নিজের খুশিমত যা টুকটাক কাজ একটু-আধটু করত।

    কাল রাত্রে শেষবারের মত তাকে কখন আপনি দেখেন?

    রাত এগারটার কিছু পরে সে আমার কাছ থেকে চলে আসে।

    আজ সকালে কখন সর্বপ্রথম জানতে পারেন যে তাকে পাওয়া যাচ্ছে না?

    এই তো ঘণ্টাখানেক আগে। রোজ সকালে সে আমার জন্য চা নিয়ে যেত, আজ যায়নি দেখে খোঁজ করতেই তো বনমালী এসে আমাকে বললে কানাইয়ের মাকে পাওয়া যাচ্ছে না খুঁজে।

    বনমালী কোথায়?

    বনমালীকে ডেকে আনা হল ঘরের মধ্যে।

    এই যে বনমালী, তুমি কোন্ ঘরে গতকাল রাত্রে শুয়েছিলে? কিরীটী প্রশ্ন করল।

    এই ডানদিককার পাশের ঘরটাতে বাবু।

    আজ সকালে তোমার দিদিমণি খোঁজ করবার আগে কানাইয়ের মাকে যে পাওয়া যাচ্ছে না, জানতে না?

    আজ্ঞে না। খুজতে এসেই তো দেখলাম এ ঘরে সে নেই।

    কাল রাত্রে শেষ কখন তার সঙ্গে তোমার দেখা হয়েছিল?

    খাওয়ার সময় রাত্রে, তখন সাড়ে দশটা হবে—

    তারপর?

    আজ্ঞে তারপর আমি ঘুমোতে চলে আসি ঘরে, আর তার সঙ্গে দেখা হয়নি কাল রাত্রে।

    রাত্রে কোন রকম শব্দ শুনেছিলে এ ঘরে?

    না।

    খুব ঘমিয়েছিলে বুঝি?

    আজ্ঞে। বৃষ্টি হওয়ায় বেশ ঠাণ্ডা পড়েছিল—

    ঠাকুর কোথায়? তাকে একবার ডেকে আন তো! বনমালী গিয়ে রন্ধনশালা হতে ঠাকুরকে পাঠিয়ে দিল।

    বছর ত্রিশ-পয়ত্রিশ বয়সে হবে লোকটার। ঢ্যাঙা রোগা চেহারা। গায়ের। রং ঘোর কৃষ্ণবর্ণ। গালের হনু দুটো বিশ্রীভাবে সজাগ হয়ে আছে। পুরু কালো ঠোঁট। উপরের পাটির দাঁত বিকশিত হয়েই আছে। লোকটার স্বভাব বোধ হয় বেশ পরিচ্ছন্ন। পরিষ্কার একটা খাটো ধুতি পরিধানে। গলায় লম্ববান ধবধবে একগুচ্ছ পৈতা।

    তুমিই এ বাড়িতে রান্না কর? কিরীটীই প্রশ্ন করে।

    আইজ্ঞা কর্তা।

    কি নাম তোমার?

    আইজ্ঞা অধীনের নাম যোগেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, রাঢ়ী শ্রেণী।

    বাড়ি কোথায়?

    আইজ্ঞা সোনারাং।

    কত দিন আছ এ বাড়িতে?

    তা আপনাগোর আশীর্বাদে ধরেন গিয়া এক বৎসর তো হইবই।

    তুমি এই পাশের ঘরেই শোও তো?

    আইজ্ঞা।

    কানাইয়ের মাকে বাড়ির মধ্যে কাল রাত থেকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না জান?

    আইজ্ঞা কি কইলেন? কানাইয়ের মায়েরে খুইজা পাওয়া যাইতেছে না। কন কি! যাইবো কনে? এহানেই কোথায় হয়ত হইবো। খুইজা দেখুম?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিরীটী অমনিবাস ১৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    Next Article বাঙালী হিন্দুর বর্ণভেদ – নীহাররঞ্জন রায়

    Related Articles

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৪ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৫ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }