Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কিরীটী অমনিবাস ১ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত এক পাতা গল্প656 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৮. পর পর দুটি প্রভাত

    পর পর দুটি প্রভাত দুটি আকস্মিক ঘটনা-বিপর্যয়ে প্রমোদভবনের উপরে যেন প্রচণ্ড আঘাত হেনে গেল।

    কানাইয়ের মার অকস্মাৎ নিরুদ্দিষ্টা হওয়া, নায়েব বসন্ত সেনের লক্ষ্মীকান্ত কর্তৃক গ্রেপ্তার হওয়া।

    বসন্ত সেন কিন্তু তাঁকে গ্রেপ্তার করার ব্যাপারটা আদৌ একটা গুরুতর ঘটনা বলে ধরেননি। ঘর হতে বের হয়ে বারান্দায় দণ্ডায়মান সত্যজিৎ ও সবিতার ব্যাকুল সপ্রশ্ন দৃষ্টির সঙ্গে তাঁর চোখাচোখি হলো।

    সত্যজিৎ সবিতা দুজনেই যেন একটু বিস্মিত হয়। বসন্ত সেনের মুখের কোথাও উদ্বেগের বা চাঞ্চেল্যের বিন্দুমাত্র চিহ্নও নেই যেন। প্রশান্ত মুখ এবং ওষ্ঠপ্রান্তে নিশ্চিন্ত একটি হাসির স্পষ্ট আভাস। কোন বাক্যবিনিময়ই হলো না পরষ্পরের মধ্যে, কেবল নির্বাক দৃষ্টির মধ্যে দিয়েই যেন বসন্ত সেন বুঝিয়ে দিলেন চিন্তার উদ্বেগের কোন কারণ নেই।

    অন্দর অতিক্রম করে বাইরের বারান্দায় এসে দাঁড়াতেই বসন্ত সেন হাঁক দিয়ে দারোয়ানকে ডাকলেন।

    ভোজপুরী দারোয়ান সেলাম ঠুকে এসে দাঁড়াল, জি!

    লছমনকে বোলনা টমটম তৈয়ার করকে তুরন্ত ইধার আনেকে লিয়ে! নায়েবের হকুমে দারোয়ান সহিস লছমনকে সংবাদ দিতে চলে গেল।

    অদূরে গেটের পাশে দারোগার ঘোড়াটা বাঁধা ছিল, সেদিকে তাকিয়ে বসন্ত সেন বললেন, আপনার সঙ্গে ঘোড়া আছে দেখছি দারোগাবাবু-আপনি বরং তাহলে এগোন, আমি টমটমে থানায় আসছি।

    আমিও আপনার সঙ্গেই টমটমে যাবোখন—

    কিন্তু আপনার ঘোড়া?

    সে থানায় গিয়ে একজন সেপাইকে পাঠিয়ে দিলেই হবে।

    দারোগার কথায় বসন্ত সেন মুচকি একটু হাসলেন। বুঝতে পারছিলেন, অতঃপর লক্ষ্মীকান্ত সাহার আর সাহসে কুলোচ্ছে না তাঁকে একলা ছেড়ে যেতে।

    বস্তুতঃ কতকটা তাই বটে। বসন্ত সেনকে ঘাঁটাবারও এখানে এই বাড়িতে দাঁড়িয়ে যেমন আর তাঁর সাহস ছিল না তেমনি তাঁকে এখানে একা ছেড়ে থানায় ফিরে যেতেও ভরসা পাচ্ছিলেন না। যেমন করে হোক যত শীঘ্র সম্ভব এখন বসন্ত সেনকে নিয়ে থানায় নিজের এলাকার মধ্যে গিয়ে তুলবার জন্য মনে মনে সত্যিই তিনি ব্যগ্র হয়ে উঠেছিলেন।

    ক্ষণপূর্বে কক্ষের মধ্যে বসন্ত সেনের উচ্চারিত তাঁর সদম্ভোক্তিগুলো লজ্জায় অপমানে আক্রোশে যেন তাঁর ভিতরটা পুড়িয়ে খাক করে দিচ্ছিল, কিন্তু এখানে একাকী অসহায়ভাবে তাঁরই চৌহদ্দির মধ্যে দাঁড়িয়ে হুমকি ছাড়বার মত দুঃসাহস আর তাঁর ছিল না।

    কিন্তু তার কোন প্রয়োজন নেই দারোগাবাবু! স্বেচ্ছায় যখন আপনার হাতে নিজেকে ধরা দিতে চলেছিই, আর যাই হোক বসন্ত সেন কথার খেলাপ করবে না। বেশ, তাহলে না হয় একটু অপেক্ষাই করুন—টমটমটা আসুক।

    বারান্দার উপরেই দুজনে দাঁড়িয়ে রইলেন। কিছুক্ষণের মধ্যে লছমন টমটম জুতে নিয়ে এল।

    বসন্ত সেন এগিয়ে যেতেই লছমন নায়েবের হাতে লাগামটা তুলে দিল সসম্ভ্রমে।

    বসন্ত সেন বরাবরই টমটম নিজেই চালান।

    পাদানীর উপরে পা দিয়ে টমটমে উঠে বসে লাগামটা জুত করে ধরে চাবুকটা হাতে নিচ্ছেন বসন্ত সেন, লক্ষ্মীকান্ত এগিয়ে এলেন পাদানীর দিকে টমটমে উঠে বসবার জন্য। কিন্তু ঠিক সেই মুহর্তে যেন একটা বিশ্রী ব্যাপার ঘটে গেল। চকিতে ঘোড়াটার লাগামটা টেনে উদ্ধত ভঙ্গিতে মুখ ফিরিয়ে লক্ষ্মীকান্তকে সম্বোধন করে বসন্ত সেন বললেন, উহ! এ টমটমে নয়, এ ঘোড়াটা নতুন, বড় তেজী। কখন কি বিপদ ঘটায় বলা যায় না, আপনি আপনার ঘোড়ায় চেপেই বরং আমার পিছনে পিছনে আসুন-বলতে বলতে হাতের মুঠোয় ধরা চাবুকটা শূন্যে আন্দোলিত হয়ে হুস করে একটা শব্দ তুলতেই শিক্ষিত তেজী ঘোড়া নক্ষত্রবেগে ছুটে যেন টমটমটাকে টেনে নিয়ে সামনে থেকে অদৃশ্য হয়ে গেল।

    হতভম্ব লক্ষ্মীকান্ত স্তব্ধ হয়ে গেটের সামনে রাস্তার উপরে দাঁড়িয়ে রইলেন।

    সমস্ত অন্তরটা তখন যেন একটা ভীষণ অগ্নুৎপাতের মত জলে পুড়ে খাক হয়ে যাচ্ছিল তাঁর।

    দাঁতে দাঁত চেপে অদূরে গাছের সঙ্গে বাঁধা রোগ-জীর্ণ ঘোড়াটার দিকে এগিয়ে গেলেন। প্রচণ্ড আক্রোশে সমস্ত শরীর যেন তাঁর কাঁপছে, পা টলছে।

    ঘোড়াটার উপরে উঠতে গিয়ে দুদুবার উঠতে পারলেন না লক্ষ্মীকান্ত! এখনো অশ্ব ব্যাপারে লক্ষ্মীকান্ত খুব বেশী রপ্ত হননি।

    তিনবারের বার উঠে বসলেন তিনি ঘোড়ার পিঠে।

    ধীরে ধীরে দুলকি চালে ঘোড়া চলতে লাগল। রাস্তায় পড়ে সামনের দিকে তাকিয়ে দেখলেন, কেবল একটা ধুলোর চক্র সম্মুখের পথটাকে ধুম্রজালের মত আচ্ছন্ন করে আছে—টমটমের কোন চিহ্ন পর্যন্ত নেই।

    ***

    কক্ষের মধ্যে স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়েছিল কিরীটী। ক্ষণপূর্বের হাসির যে বঙ্কিম রেখাটি ওষ্ঠপ্রান্তে তার দেখা দিয়েছিল সেটা একসময় মিলিয়ে গিয়েছে, কপালের রেখাগুলো কুঞ্চিত হয়ে উঠেছে। হঠাৎ পদশব্দে চোখ তুলে তাকাতেই নজরে পড়ল কক্ষের মধ্যে প্রবেশ করছে সত্যজিৎ ও সবিতা।

    আসুন সত্যজিৎবাবু, সবিতা দেবী! ওরা চলে গেলেন?

    হ্যাঁ, নায়েব টমটমে গেলেন আগে-পিছনে গেলেন দারোগাবাবু। জবাব দিল সত্যজিৎ।

    তাই নাকি! কিরীটীর ওষ্ঠপ্রান্তে আবার সেই বিচিত্র হাসি জেগে ওঠে, বেশ শক্ত পাল্লায় পড়েছেন এবারে আমাদের সাহা মশাই!

    কিন্তু এ অত্যন্ত অন্যায় জুলুম আপনাকে আমি বলতে পারি কিরীটীবাবু! কখনই হতে পারে না, নায়েব কাকা বাবার কোনপ্রকার অনিষ্ট চিন্তা।করতেই পারেন না। কেউ বললেও আমি বিশ্বাস করতে পারি না। আবেগে উত্তেজনায় সবিতার কণ্ঠস্বরটা কাঁপছিল।

    আপনি ব্যস্ত হবেন না সবিতা দেবী। স্নিগ্ধ আশ্বাস-ভরা কণ্ঠে কিরীটী বলে, বসন্তবাবু, দোষী কি নিদোষী সে বিচার করতে যাওয়া এখন হয়ত আমাদের কারো পক্ষেই বিবেচনার কাজ হবে না, আইনের জোর দেখিয়ে যে লক্ষীকান্ত ওঁকে ধরে নিয়ে গেলেন সেটার মীমাংসার অবশ্য অন্য পথও ছিল। একেবারে সটান হাজতে নিয়ে গিয়ে না পরলেও চলতো।

    কিন্তু কারণটা কি মিঃ রায়? প্রশ্ন করলো এবারে সত্যজিৎ।

    বসন্তবাবু, তাঁর জবানবন্দীতে বলেছিলেন যে রাত্রে মৃত্যুঞ্জয়বাবু নিহত হন সেদিন সকালের দিকেই নাকি একটা মহাঁল পরিদর্শনে গিয়ে ফিরেছিলেন তিনি ঐদিন রাত দুটোর পরে। কিন্তু

    কিন্তু

    কিন্তু আদপেই তিনি ঐদিন কোন মহালে যাননি। নিজের ঘরেই ছিলেন। কথাটা বললে কিরীটী।

    সে কি!

    হ্যাঁ, তবে দারোগাবাবুও সে-কথা জানতেন না এই কিছুক্ষণ আগে পর্যন্ত। তিনি মানে আমাদের দারোগাবাবু, ওঁকে পীড়াপীড়ি করছিলেন জানবার জন্য কোন মহাল পরিদর্শনে উনি গিয়েছিলেন, কিন্তু বসন্তবাবু, সেকথা বলতে রাজী নন। পরে অবশ্য আমার কথায় ব্যাপারটা যেন আরো ঘোরালো হয়ে দাঁড়াল।

    কিন্তু আপনার কথাই কি সত্যি মিঃ রায়? কিরীটীর মুখের দিকে তাকিয়ে প্রশ্নটা করলে এবারে সবিতা।

    হ্যাঁ সবিতা দেবী।

    সে কথা আপনি জানলেন কি করে মিঃ রায়?

    কানাইয়ের মার মুখে

    ঘরের মধ্যে যেন বজ্রপাত হলো।

    কানাইয়ের মার মুখে? প্রশ্ন করলে সত্যজিৎ।

    হ্যাঁ।

    কিন্তু আপনার সঙ্গে তার কথা হলো কখন? আবার সত্যজিৎ প্রশ্ন করে।

    যে রাত্রে সে নিরুদ্দিষ্টা হয়, মানে পরশু রাত্রে শুতে যাবার আগে সিঁড়িতে কানাইয়ের মার সঙ্গে আমার দেখা হয়। আমি তাকে আমার ঘরে ডেকে এনে কয়েকটা প্রশ্ন করি। তখনই ওই কথাটা নায়েব সম্পর্কে জানতে পারি। প্রথমটায় সে বলতে রাজী হয়নি, পরে চাপ দিয়ে কথার মারপ্যাঁচে ফেলে সত্য কথাটা বের করে নিয়েছিলাম।

    তবে কি সত্যিই কানাইয়ের মা ওঁর, সবিতার দিকে তাকিয়ে বললে, বাবার মৃত্যুর আসল ঘটনাটা জানত নাকি?

    না।

    ক্ষমা করবেন মিঃ রায়, কানাইয়ের মার অতর্কিতে পরশু রাত্রে নিরুর্দিষ্টা হবার ব্যাপারটা আপনাকে যেন নাড়া দিতে পারেনি বলে মনে হচ্ছে। অথচ এ ব্যাপারে তার evidenceগুলোও অন্ততঃ বিশেষ ভাববার ছিল না কি?

    নিশ্চয়ই। তাতে কোন ভুল নেই সত্যজিতবাবু। তবে এই ব্যাপারে কানাইয়ের মা যতটুকু part play করতে পারতো, she already played it এবং তার নিকট হতে যতটকু information আমাদের পাওয়ার ছিল আমরা পেয়েও গিয়েছি, তাই বর্তমানে সে অবান্তর। হত্যাকারী তাকে spot থেকে সরিয়ে ফেলে খুব বুদ্ধিমানের কাজ করেছে বলে তো আমার মনে হয় না! বরং সে একটু দেরিই করে ফেলেছে আমার মতে। কিন্তু সর্বাপেক্ষা ভুল সে কি করেছে জানেন? শেষ পর্যন্ত ঐ কানাইয়ের মার ব্যাপারে তৎপর হতে গিয়েই। বেচারা বুঝতে পারেনি, হঠাৎ আচমকা এই case-এর evidence কতকগুলো নষ্ট করবার ইচ্ছায় কানাইয়ের মাকে না সরালে তার কাছে পৌঁছবার একটা নির্দিষ্ট পথ আমরা পেয়ে যাব। তবে এইটুকুই বলতে পারি সত্যজিতবাবু, কানাইয়ের মাকে হত্যা সে করেনি আর সেই কারণেই আমি কানাইয়ের মার নিরুদ্দেশ হওয়া সম্পর্কে খুব বেশী আকর্ষিত হইনি।

    কিন্তু কি করে আপনার ধারণা হলো যে কানাইয়ের মাকে সত্যি সত্যিই হত্যা করা হয়নি?

    যুক্তি দিয়ে এখনি আপনাকে আমি বলতে পারছি না সত্যজিৎবাবু তবে বলতে পারেন এটা আমার মনের একটা intuition, আমার মনের অনুভূতিই আমাকে তাই বলছে।

    কিন্তু নায়েব কাকা সম্পর্কে কি করা যায় কিরীটীবাবু? এতক্ষণে সবিত্য কথা বললে।

    একটু আগেই তো আপনাকে আমি বললাম সবিতা দেবী, লক্ষ্মীকান্তবাবু কতকটা জিদের বশেই বসন্তবাবুকে arrest করে নিয়ে গেলেন। আমি হলে arrest করতাম না। শেষের কথাটা কিরীটী যেন কতকটা অস্পষ্ট কণ্ঠে আত্মগতভাবেই উচ্চারণ করল।

    সবিতা বা সত্যজিৎ দুজনের একজনও কিরীটীর কথার শেষটুকু তার উচ্চারণের অস্পষ্টতার দরুন শুনতে পায়নি, তাই সবিতাই প্রশ্ন করে, অ্যাঁ, কি বললেন মিঃ রায়?

    না, ও কিছু না।

    কিন্তু সে যাই হোক, যেমন করেই পারেন বসন্ত কাকাকে ছাড়িয়ে নিয়ে আপনাকে আসতেই হবে মিঃ রায়।

    দেখি।

    না, দেখি নয় মিঃ রায়, মনে হয় একমাত্র হয়ত দারোগাবাবু, আপনার কথাই শুনলেও শুনতে পারেন। বলবেন না হয়, ওঁর জন্য জামিন হতে হলে আমিই হব। যা টাকার জামিন চান উনি, প্রস্তুত আছি।

    কিরীটী সবিতার মুখের দিকে তাকাল, বুঝলাম, কিন্তু দারোগা সাহেব arrest করেই নিয়ে গেছেন। Arrest একবার কাউকে এইভাবে করবার পর, বিশেষ করে খুনের সন্দেহে, এখন জিলার ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়া তো আর কেউই তাঁকে জামিন দেবার অধিকারী নন। তাহলে আপনাকে জিলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছেই গিয়ে প্রার্থনা জানাতে হয়।

    সত্যজিৎ এতক্ষণ চুপ করেই ছিল, এবারে সে মুখ খুললে, মিথ্যে কেন ব্যস্ত হচ্ছে সবিতা। ওঁর উপরে আমরা যখন সব কিছুতে নির্ভর করছি, যা ভাল বোঝেন উনি করবেন।

    কি বলছো তুমি জিত! জান না উনি আমাদের কতখানি! বাবা যে ওঁকে কতখানি স্নেহ ও বিশ্বাস করতেন আর কেউ তা না জানলেও আমি তো জানি। আর উনিও বাবাকে যেমন শ্রদ্ধা করতেন তেমনই ভালবাসতেন।

    সবিতার কথাটা শেষ হল না, ঘরের বাইরে চটিজুতোর শব্দ শোনা গেল না অথচ নিত্যানন্দ সান্যাল ঘরের মধ্যে এসে প্রবেশ করলেন। তাঁর চোখেমুখে উদ্বেগের একটা কালো ছায়া যেন ঘনিয়ে আছে। ব্যাকুল কণ্ঠে বললেন, এই যে তোমরা সব দেখছি এই ঘরেই আছো, এত সক্কালে দারোগাবাবুই বা এসেছিলেন কেন আর টমটম করে বসন্তই বা অত তাড়াতাড়ি কোথায় গেল?

    নিত্যানন্দ সান্যালের প্রশ্নে সবিতার চোখ দুটো ছলছল করে ওঠে, রুদ্ধকণ্ঠে সে-ই জবাব দিল, নায়েব কাকাকে দারোগা লক্ষ্মীকান্ত arrest করে নিয়ে গেলেন।

    Arrest করে নিয়ে গেলেন? বসন্তকে? মানে, বিস্মিত কণ্ঠে প্রশ্ন করলেন সান্যাল।

    বাবার হত্যার ব্যাপারে, কথাটা সবিতা শেষ করতে পারল না।

    দয়াময়! প্রভু! বসন্ত শেষ পর্যন্ত মৃত্যুঞ্জয়কে, উহু না—না! তা হতে পারে না—নিঃশব্দে আপন মনেই মাথা দোলাতে লাগলেন সান্যাল, বিচিত্র বিচিত্র! বসন্ত কিনা মৃত্যুঞ্জয়কে

    কিরীটী আর দাঁড়ায় না, একসময় নিঃশব্দেই পাশ কাটিয়ে ঘর হতে বের হয়ে আসে।

    কিরীটীকে ঘর ত্যাগ করে যেতে দেখে সান্যাল সবিতাকে সম্বোধন করে বলেন, উহু এ তো ভাল কথা নয় মা সবি! এর একটা বিহিত করা প্রয়োজন।

    আমিও তাই কিরীটীবাবুকে একটু আগে বলছিলাম।

    কিরীটীবাবু তো চলে গেলেন দেখছি। তা উনি কি বললেন?

    এখন ওঁকে জামিনে খালাস করতে হলেও নাকি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আমাদের যেতে হবে।

    বেশ তো। সত্যজিৎবাবু, তুমিই হয় একটিবার তাহলে আজ সুদূরে চলে যাও—আমি চিঠি দিয়ে দেবোখন। কিন্তু তা যেন হলো, এদিকে এদিককার জমিদারীর ব্যাপারই বা কে সব দেখাশোনা করবে? কাছারীতে গিয়েও তো একজনের বসা দরকার? সাকসেশন সার্টিফিকেট উইলের প্রাবেট এসবও তো কিছু এখনও নেওয়া হয়নি!

    কাকাবাবু, ফিরে না আসা পর্যন্ত কাছারী বন্ধই থাক মামাবাবু! সবিতা জবাব দিল।

    পাগলী মেয়ে! তাই কি হয় রে! এত বড় জমিদারী, এত বড় ব্যবসা। মাথার উপরে একজন শক্ত হাতে লাগাম না ধরে থাকলে কর্মচারীরা চুরিডাকাতি করেই যে সব দুদিনে ফাঁক করে দেবে।

    তাহলে কাকাবাবু, যতদিন না ফিরে আসেন আপনিই না হয় সব দেখাশোনা করুন মামাবাবু।

    না, না—মা। এই বৃদ্ধ বয়সে ওসবের মধ্যে আর আমাকে জড়িয়ে ফেলবে কেন মা!

    কিন্তু মামাবাবু, আপনি ছাড়া এসব আর তাহলে দেখবেই বা কে? আমি তো ওসবের কিছুই জানি না, বুঝিও না!

    তাই তো! তুমি যে আমাকে বড় বিপদে ফেললে মা! অগত্যা চোখের উপরে আমি বেঁচে থাকতে হেমের একটিমাত্র সন্তানের সব ভেসে যাবে তা তো আর দেখতে পারবো না। যাই তাহলে, আমিই না হয় কাছারীতে যাই। তারপরই উচ্চকণ্ঠে হাঁক দিলেন, বনমালী! এই বনমালী!

    ডাক শুনে বনমালী এসে হাজির হল। সে বোধ হয় ঘরের আশপাশেই কোথাও ছিল।

    আমায় ডাকছিলেন মামাবাবু?

    হ্যাঁ, এই যে বাবা বনমালী! যাও তো বাবা, টমটমটাকে জুততে বল তো! কাছারী যেতে হবে।

    টমটম, তো নায়েবজী নিয়ে বাইরে গেছেন, এখনও ফেরেননি।

    ও হ্যাঁ। দেখেছো কি ভুলো মন আমার! সত্যিই তো, টমটমটা তো বসন্ত ভায়াই নিয়ে গেছেন—তা ঘোড়া আছে তো?

    তা আছে।

    তা ঘোড়াতেই জিন করিয়ে আনতে বলগে।

    যে আজ্ঞে।

    বনমালী চলে গেল। সান্যালও বোধ হয় কাছারিতে যাবার জন্য প্রস্তুত হতেই চলে গেলেন।

    ঘরের মধ্যে কেবল সবিতা ও সত্যজিৎ।

    সবিতা? সত্যজিৎ ডাকে।

    বল? সত্যজিতের মুখের দিকে চোখ তুলে তাকলি সবিতা।

    মনে হচ্ছে আজকের ব্যাপারে তুমি যেন অত্যন্ত নার্ভাস হয়ে পড়েছো?

    কালকের ও আজকের ব্যাপারে আমার মনের মধ্যে কেমন যেন একটা আশঙ্কা জাগছে জিৎ। আমার সত্যি বলছি কেমন যেন ভয়-ভয় করছে।

    কিন্তু এখন তো বুঝতে পারছো সবিতা, তোমার বাবার মৃত্যুর ব্যাপারে সত্যিই প্রকাণ্ড একটা ষড়যন্ত্র হয়েছিল, ক্রমে ক্রমে এখন সব একটু একটু করে জানা যাচ্ছে অনুসন্ধান করতে গিয়ে।

    সবিতা সত্যজিতের যুক্তিকে খণ্ডনও যেমন করতে পারে না তেমন ও সম্পর্কে কোন কথাও যেন বলবার স্পৃহা পর্যন্ত বোধ করে না।

    কি শান্তিই ছিল তাদের এই বাপ ও মেয়ের সংসারে। হঠাৎ ঝড়ো হাওয়ার আবির্ভাব কেন? কেন এ কালো মেঘ?

    সত্যিই জিৎ, আমার কি মনে হচ্ছে জান? এই বাড়ি-ঘর দুয়ার সমস্ত সম্পত্তি ফেলে রেখে কলকাতার হস্টেলেই আবার ফিরে যাই।

    তাতেই এই সঙ্কটকে কি তুমি এড়াতে পারবে সবি?

    কিন্তু এখানকার হাওয়াই যেন কেমন বিষিয়ে উঠেছে। আমার যেন দমবন্ধ হয়ে আসছে।

    আর কটা দিন অপেক্ষা করো, কিরীটীবাবু, তোমার বাবার হত্যা-রহস্যের একটা মীমাংসা করতে পারেন ভালো, নচেৎ আমি তো

    সত্যি কথা বলতে কি তোমায় জিৎ, তাতেও যেন আর আমার খুব বেশী উৎসাহ বা রুচি নেই।

    সে কি! এ তুমি কি বলছে সবি?

    হ্যাঁ। কেন যেন আমার মনে হচ্ছে, বিশেষ করে মায়ের মৃত্যুর ব্যাপারটা জানবার পর থেকে, বাবার ও মৃত্যুর ব্যাপারে কোথায় যেন একটা পারিবারিক জটিলতাই জড়িয়ে আছে, যেটা এতদিন হয়ত কালের অন্ধকারে চাপা পড়ে গিয়েছিল সকলে ভুলেও গিয়েছিল, এখন আবার এই মৃত্যুর ব্যাপার নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করতে গেলে হয়ত সেই সব অতীতের কাহিনী মাথা ঝাড়া দিয়ে উঠবে।

    ও কথাটা যে আমার মনে হয়নি তা নয় সবিতা কিন্তু অতীতে ধরেই যদি নিই একটা পারিবারিক কলঙ্ক থেকেই থাকে এবং সেই জন্যই শুধু, তুমি তোমার জন্মদাতা অমন স্নেহময় পিতার হত্যাকারীকে এমনি করে নিষ্কৃতি দাও তাহলে তুমিই কি মনে শান্তি পাবে? পারবে নিজেকে ক্ষমা করতে কোন দিন?

    কিন্তু তুমি— সবিতা আর নিজেকে রোধ করে রাখতে পারে না। গত কয়েক দিন ধরে যে প্রশ্নের কাঁটাটা নিরন্তর তার হৃদয়কে ক্ষতবিক্ষত করছিল, তার মা ও বাবার মৃত্যুর ব্যাপারে নিশ্চয়ই একটা অতীতের পারিবারিক কলঙ্ক কোথায়ও আছে এবং সেটা একদিন যখন সর্বসমক্ষে প্রকাশিত হয়ে পড়বে দিনের আলোর মত সেদিন তখন সত্যজিৎ কি তাকে ক্ষমা করতে পারবে?

    এত বড় শোক ও দুঃখের মধ্যেও যে সদ্যজাত প্রেম তার সমগ্র হৃদয়কে কানায় কানায় ভরিয়ে তুলেছে, শেষ পর্যন্ত যদি তারই পারিবারিক একটা অতীত কলঙ্কের জন্য তাকে আবার ভুলে যেতে হয়, সে ব্যথাকেই বা সে ভুলবে কেমন করে কি সানায়!

    সত্যজিৎ! সত্যজিৎ! না, না—তাকে আজ আর সে হারাতে পারে না! কিন্তু পিতার প্রতি কন্যার কর্তব্য

    আজ দুদিন ধরে ঐ দ্বন্দ্বেই সে অহর্নিশি পীড়িত হচ্ছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিরীটী অমনিবাস ১৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    Next Article বাঙালী হিন্দুর বর্ণভেদ – নীহাররঞ্জন রায়

    Related Articles

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৪ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৫ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }