Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কিরীটী অমনিবাস ২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত এক পাতা গল্প517 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৮. বৃন্দাবন সরকার ইচ্ছা করে

    বৃন্দাবন সরকার ইচ্ছা করে ভাগ্নে বিজনকে সরকার ভিলায় আমন্ত্রণ করে আনেননি জরুরী চিঠি দিয়ে।

    মৃত সারদাচরণের নির্দেশমতই বিজনকে আসার জন্য তাঁকে চিঠি দিতে হয়েছিল। এবং শুধু বিজনকেই নয়, আরও দুজন ভদ্রলোকও পরের দিন বৃন্দাবন সরকারের সঙ্গে কলকাতা হতে এলেন ঐ উইলের নির্দেশমতই।

    একজন সারদাচরণের বিশেষ পরিচিত বাল্যবন্ধু ডাঃ বাসুদেব অধিকারী, অন্যজন সারদাচরণের আত্মীয় অর্থাৎ সারদাচরণের ভগ্নীপতি রতিকান্ত মল্লিক।

    ডাঃ অধিকারী ও রতিকান্ত মল্লিক দুজনেরই বয়স হয়েছে, প্রৌঢ়।

    সলিসিটার শচীবিলাস বসুও এলেন ওঁদের সঙ্গে।

    চল্লিশের ঊর্ধ্বে বয়স হয়েছে শচীবিলাসের।

    পরের দিন শুক্রবার সকলে এসে বিকেল পাঁচটা নাগাদ সরকার ভিলার লাইব্রেরী ঘরে জমায়েত হলেন।

    মধুসূদন সরকার, বৃন্দাবন সরকার, বিজন, ডাঃ বাসুদেব অধিকারী, রতিকান্ত মল্লিক ও কিরীটী রায়।

    মাঝখানে বসলেন সলিসিটার শচীবিলাস এবং তাকে ঘিরে বসলেন অন্যান্য সকলে।

    সকলের উপস্থিতিতেই শচীবিলাস তাঁর ফোলিও থেকে একটি সিল-করা পুরু লেপাফা বের করলেন ও সিল ভেঙে সারদাচরণের শেষ উইলটি বের করলেন।

    উইলের সারমর্ম শুনে কিরীটী রীতিমত অবাক হয়ে যায়।

    বিরাট সম্পত্তির মালিক ছিলেন সারদাচরণ সরকার।

    স্থাবর, অস্থাবর, ব্যবসা ও নানা ধরনের সম্পত্তি মিলিয়ে প্রায় পঞ্চাশ লক্ষ টাকার সম্পত্তি।

    এবং সেই সম্পত্তির ভাগ-বাটোয়ারার যে নির্দেশ তিনি দিয়ে গিয়েছেন তা হচ্ছে এইরূপঃ

    কলকাতা, বোম্বাই ও দিল্লীর জুয়েলারী ব্যবসার দুইয়ের তিন অংশ দিয়ে গিয়েছেন তিনি বৃন্দাবন সরকারকে এবং বাকি একের তিন অংশ নিরুদ্দিষ্ট মধুসূদন সরকারকে।

    কলকাতার বাড়িটা দিয়েছেন বিজনকে। সরকার ভিলা দিয়েছেন শকুন্তলা দেবীকে জীবনস্বত্বে। ব্যাঙ্কের নগদ এক লক্ষ টাকা সমান ভাগে অর্ধেক দিয়েছেন ডাঃ বাসুদেব অধিকারী ও রতিকান্ত মল্লিকের হাতে একটি দাতব্য হাসপাতাল তৈরীর জন্য—তার মৃত জ্যেষ্ঠ রণদাচরণের স্মৃতিরক্ষার্থে এবং বাকী অর্ধেক সমান ভাগে বৃন্দাবনের কন্যাকে এবং বিজনকে। মধুসূদন যদি জীবিত না থাকে, তার অংশ সব পাবে বৃন্দাবন।

    উইল পড়া শেষ করে শচীবিলাস উইলটা ভাঁজ করছেন, ভৃত্য ট্রে-তে করে গরম চা নিয়ে এল ঘরে।

    ট্রে-টি ছোট এবং তাতে মাত্র চারটি কাপই সাজানো।

    মধুসূদন ভূত্যের দিকে তাকিয়ে বললেন, এ কি, চার কাপ আনলি কেন?

    ট্রে-টা ছোট, তাই আনতে পারিনি, এখুনি আনছি। বললে ভৃত্য।

    কেন, দুটো ট্রেতে সাজিয়ে দুজনে নিয়ে আসতে পারনি? যত বেটা উজবুক এসে এবাড়িতে জুটেছে! বলে মধুসূদন নিজেই সোফা থেকে উঠে ঘর থেকে বের হয়ে যাচ্ছিলেন, কিন্তু বৃন্দাবন বাধা দিলেন, তুমি ব্যস্ত হচ্ছ কেন দাদা, ও এখুনি নিয়ে আসবে, তুমি বোস।

    ভৃত্য তখনও বকুনি খেয়ে ট্রে-টা হাতে করেই দাঁড়িয়ে আছে।

    আবার হাঁ করে দাঁড়িয়ে আছে দেখ! কোণের ঐ টেবিলে ট্রে-টা নামিয়ে কাপগুলো হাতে হাতে দে না!

    মধুসূদন আবার ঝাজিয়ে উঠলেন ভৃত্যকে।

    ভৃত্য এধারে ঘরের কোণে যে বড় টেবিলটা ছিল, সেটার উপর নিয়ে গিয়ে ট্রে-টা নামিয়ে রাখল।

    মধুসূদন তখন সেই টেবিলের কাছে এগিয়ে যান।

    যা, বাকি কাপগুলো নিয়ে আয়। মধুসূদন আবার বললেন ভৃত্যকে।

    ভূত্য বাইরে চলে গেল।

    এবং একটু পরে বাকি তিন কাপ চা নিয়ে এসে টেবিলের উপর নামিয়ে রাখল।

    সকলের হাতেই অতঃপর মধুসূদনের নির্দেশে এক কাপ করে চা এগিয়ে দিল ভৃত্য।

    তোমরা শুরু কর, আমি আসছি এখুনি। বলে মধুসূদন ঘর থেকে বের হয়ে গেলেন পুনরায়।

    সকলেই হাতে চায়ের কাপ নিয়ে চুমুক দিতে উদ্যত। এবং সর্বাগ্রে বোধ হয় বিজনই চায়ের কাপে চুমুক দিল।

    কিন্তু দ্বিতীয় চুমুক দেওয়ার আগেই বিজনের কম্পিত হাত থেকে কাপটা নিচের মেঝের কার্পেটের উপর সশব্দে পড়ে গেল।

    এবং সঙ্গে সঙ্গে অস্ফুট একটা কাতরোক্তি করে বিজন যে সোফার উপরে বসেছিল সেই সোফার উপরেই এলিয়ে পড়ল।

    কি-কি হল? ব্যাপার কি, বিজনবাবু? বলতে বলতে সকলেই ততক্ষণে যে যার আসন ছেড়ে উঠে দাঁড়ায় এবং বিজনের দিকে এগিয়ে আসে।

    কিরীটীর এগিয়ে আসে ক্ষিপ্রপদে।

    নিদারুণ যন্ত্রণায় বিজনের সমস্ত মুখের পেশীগুলো তখন কুঞ্চিত ও প্রসারিত হচ্ছে।

    দুটি চক্ষু বিস্ফারিত। কি যেন বলবার চেষ্টা করে কিন্তু পারে না বিজন, কথা জড়িয়ে। যায়।

    সকলের উৎকণ্ঠিত চোখের দৃষ্টির সামনেই সহসা বিজনের মাথাটা একপাশে কাত হয়ে পড়ল পরক্ষণেই।

    অভাবিত আকস্মিক পরিস্থিতি।

    সকলেই শুধু নিস্পন্দ বাক্যহারা নয়, বিমূঢ়।

    কিরীটী সর্বাগ্রে বিজনের স্থির-নিস্পন্দ দেহটা বারেকের জন্য স্পর্শ করে ডাঃ অধিকারীর দিকে তাকিয়ে বললে, দেখুন তো ডাঃ অধিকারী—

    বিমূঢ় ডাঃ অধিকারী কেমন যেন শ্লথ পায়ে এগিয়ে এলেন কিরীটীর নির্দেশে এবং নিস্পন্দ বিজনের পাল্টা একবার দেখেই তার হাতটা ছেড়ে দিয়ে, বিষণ্ণ কাতর দৃষ্টিতে কিরীটীর দিকে তাকিয়ে নিঃশব্দে মাথা নাড়লেন কেবল।

    ঠিক সেই মুহূর্তেই মধুসূদন ঘরের মধ্যে প্রবেশ করে, বিজনকে ঘিরে সকলকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে উৎকণ্ঠিত ভাবে প্রশ্ন করলেন, কি–ব্যাপার কি?

    বিজন ইজ ডেড মধুসূদন! ডাঃ অধিকারী বললেন।

    সে কি!

    হ্যাঁ, হি ইজ নো মোর! ইন্সট্যানটেনিয়াস ডেথ হয়েছে বিজনের!

    কিরীটীও যেন ডাঃ বাসুদেব অধিকারীর কথায় স্তব্ধবিমূঢ় হয়ে গিয়েছিল ক্ষণেকের জন্য, কিন্তু পরক্ষণেই সে আবার নিজেকে সামলে নিয়ে নিচু হয়ে মেঝের কার্পেট থেকে কাপটা তুলে নিতে গিয়ে দেখল, কিছুক্ষণ পূর্বে তাদের সকলের দৃষ্টির সামনে মেঝেতে বিজনের হাত থেকে পড়ে গিয়েছিল যে কাপটা-ইতিমধ্যে বিজনের সোফার তলায় চলে গিয়েছে। কোন্ এক সময়।

    কারও পায়ের ধাক্কায় বোধ হয় কাপটা সোফার নিচে চলে গিয়েছিল।

    কিরীটী সোফার নিচে হাত ঢুকিয়ে কাপটা তুলে নিল।

    কাঁচের কাপের গায়ে তখন চা লেগে রয়েছে।

    ডাঃ অধিকারীর উচ্চারিত কথাটা যেন ঘরের মধ্যে উপস্থিত সকলকেই একেবারে বোবা করে দিয়েছিল।

    মৃদুকণ্ঠে কিরীটী যেন কতকটা আত্মগত ভাবেই বললে, এমন আকস্মিক মৃত্যু—

    শচীবিলাস বললেন, হঠাৎ এভাবে হার্টফেল করলেন, কোন অসুখ-বিসুখ ছিল নাকি ভদ্রলোকের মিঃ সরকার?

    বৃন্দাবন অসহায় ভাবে মাথা নেড়ে বললেন, কই, সেরকম কিছু রোগ ওর ছিল বলে তো শুনিনি!

    আকস্মিক হার্টফেল বলেই কি আপনার মনে হয়, ডাঃ অধিকারী? সহসা কিরীটী ডাঃ অধিকারীর দিকে চেয়ে প্রশ্নটা করল।

    য়্যাঁ!

    বলছিলাম পয়েজনিং নয় তো? কিরীটী আবার বলে।

    পয়েজনিং! বিস্মিত ডাঃ অধিকারী এবারে সপ্রশ্ন দৃষ্টিতে তাকালেন কিরীটীর মুখের দিকে।

    হ্যাঁ, নিকোটিন পয়েজনিং নয় তো?

    নিকোটিন পয়েজনিং!

    একটা অভিশপ্ত চাপা কান্নার মতই যেন মৃদুচ্চারিত বৃন্দাবনবাবুর কথাটা ঘরের মধ্যে উপস্থিত সকলকে একটা বৈদ্যুতিক শক দেয় অকস্মাৎ।

    হ্যাঁ, একান্ত দুঃখের সঙ্গেই বলতে বাধ্য হচ্ছি আমি, এটাও বোধ হয় হত্যা। কিরীটী আবার বললে।

    হত্যা! কি বলছেন মিঃ রায়? প্রশ্নটা করলেন মধুসূদন সরকার এবারে।

    মনে তো হচ্ছে তাই। তবে ময়না তদন্ত না হওয়া পর্যন্ত অবিশ্যি কিছু ডেফিনিট বলা যাচ্ছে না। তবু মধুসূদনবাবু, আপনি এখুনি একবার থানার বিমলবাবুকে খবর দিন।

     

    আরও ঘণ্টাখানেক পরে। সংবাদ পেয়েই বিমলবাবু ছুটে এসেছে।

    বিমল সব শুনে বলে, তাহলে আপনার ধারণা মিঃ রায়, ইটস এ সিমিলার কেস!

    আমার তো তাই বলেই মনে হচ্ছে। এই কাপটা একবার অ্যানালিসিস করতে পাঠাতে পারেন?

    তবে আমার মনে হয়—

    কি?

    এবারও হয়ত পূর্বের মতই অ্যানালিসিস করেও কিছুই পাবেন না ওতে।

    হুঁ। আচ্ছা মধুসূদনবাবু, চা তৈরী করেছিল কে? বিমল সহসা প্রশ্ন করে।

    তা তো জানি না। তবে চাকরদের মধ্যেই কেউ হবে।

    কিরীটী ঐ সময়ে বলে, যে ভৃত্যটি এ ঘরে চা ট্রে-তে করে নিয়ে এসেছিল তার নাম গোকুল না, বৃন্দাবনবাবু?

    হ্যাঁ।

    তাকে একবার ডাকুন তো! কিরীটী বলে।

    তখুনি গোকুলকে ডাকানো হল ঐ ঘরে।

    ভৃত্যদের মহলেও দুঃসংবাদটা ততক্ষণে পৌঁছে গিয়েছে।

    বেচারী কাঁপতে কাঁপতে ঘরে এসে ঢুকল।

    গোকুল, চা কে তৈরি করেছিল আজ? কিরীটীই প্রশ্ন করে।

    আজ্ঞে দিদিমনি করেছেন, আর আমি সব যোগাড় করে দিয়েছি।

    দিদিমণি অর্থাৎ শকুন্তলা দেবী।

    আর সেখানে কেউ ছিল? কিরীটী আবার প্রশ্ন করে। কি

    আজ্ঞে না।

    চা করতে করতে তুমি বা দিদিমণি একবারও গিয়েছিলে বাইরে ঘর থেকে?

    আজ্ঞে আমি একবার গিয়েছিলাম, দিদিমণিও বার-দুই গিয়েছিলেন বোধ হয়।

    সেসময় কেউ সে-ঘরে ঢুকেছিল কি?

    তা তো জানি না।

    হুঁ। আচ্ছা তুমি যেতে পার।

    গোকুল কাঁপতে কাঁপতেই আবার চলে গেল।

    তাহলে মিঃ রায়–

    মধুসূদন সরকারের প্রশ্নে তার দিকে তাকিয়ে কিরীটী বললে, এমনও তো হতে পারে মধুবাবু, এ ঘরে ট্রে-তে করে চা আসবার পর কেউ কিছু কাপে মিশিয়ে দিয়েছে সবার অলক্ষ্যে, বিশেষ করে আমরা তো সবাই তখন কথাবার্তায় অন্যমনস্ক ছিলাম!

    কথা বললেন এবারে বৃন্দাবন সরকার, কিন্তু তাই যদি হয়ে থাকে তো এতগুলো কাপের মধ্যে মাত্র একটা চায়েই বিষ মেশানো হল! এবং সেক্ষেত্রেও কেবল ইচ্ছা করেই যদি কেউ কাউকে হত্যা করবার জন্য আপনার ধারণামতই কাপে বিষ মিশিয়ে থাকে, তাহলে যাকে হত্যা করবার জন্য ঠিক বিষ মেশানো হয়েছিল, সেই বিশেষজন সে কাপটা না নিয়ে যদি এ-ঘরের মধ্যে অন্য কেউ সে কাপটা নিত, তবে কি

    নিঃসন্দেহে সে-ই ঐ কাপটার চা পান করত তারই মৃত্যু হত বৃন্দাবনবাবু। সেদিক দিয়ে হয়ত হত্যাকারী একটা চান্সই নিয়েছিল!

    চান্স?

    হ্যাঁ, কিন্তু কেবল বিজনবাবুর কথাই ভাবছেন কেন? হত্যাকারী হয়ত আপনি, মধুবাবু ও বিজনবাবু-তিনজনের উপরেই অ্যাটেম্পট নিয়েছিল আজ।

    সে কি?

    আমার অনুমান যদি মিথ্যা না হয় তো তাই বৃন্দাবনবাবু। কিরীটী মৃদুকণ্ঠে বলে।

    কিন্তু শকুন্তলা দেবীকে একবার ডাকলে হত না মিঃ রায়? বিমল বললে।

    ডাকিয়েও কোন কিনারা করতে পারবেন বলে তো আমার মনে হয় না বিমলবাবু আজকের এই রহস্যের! কিরীটী শাস্তকণ্ঠে বললে।

    তাহলে?

    আপাততঃ ঐ মৃতদেহটা এখান থেকে সরিয়ে ময়নাতদন্তে পাঠাবার ব্যবস্থা করুন। আর যতক্ষণ না এই হত্যা-রহস্যের তদন্ত শেষ হয়, কেউ যেন এ বাড়ি থেকে না যান সেই নির্দেশই সকলকে আপনি দিন।

    কিরীটীর কথায় সকলেই চমকে তার মুখের দিকে তাকাল।

    কিন্তু যাকে কথাটা বলা হল সেই বিমলবাবু কারও দিকে না তাকিয়েই গম্ভীর কণ্ঠে বললে, তাহলে কেউ আমার পারমিশন ব্যতীত এ বাড়ি ছেড়ে যাবেন না—এই কথাই রইল।

    কেউ কোন সাড়া দিল না।

    সবাই নির্বাক নিস্পন্দ যেন।

    কিরীটী যে তখনকার মত সরকার ভিলা থেকে সকলের যাওয়াই বন্ধ করল তাই নয়, নিজেও সে রাত্রের মত সরকার ভিলা থেকে যাবে না বলেই সুশান্তকে একটা সংবাদ তখুনি বিমলের এক সেপাইয়ের সাহায্যে পাঠিয়ে দিতে বলল।

    এবং শুধু সে রাত্রেই নয়।

    পর পর আরও চারিটি দিন ও রাত সরকার ভিলার চৌহদ্দির মধ্যে ঐ লোকগুলোকে খাঁচায় আবদ্ধ জানোয়ারের মতই যেন বন্দী হয়ে থাকতে হয়েছিল।

    একমাত্র ছুটি পেয়েছিলেন পরের দিন ঐ দল থেকে সারদাচরণের সলিসিটার শচীবিলাসবাবু।

    আর কেউ বাইরে পা বাড়াবার হুকুম পাননি দারোগা বিমল সেনের কাছ থেকে কিরীটীরই নির্দেশে।

    সত্যি, সে এক বিচিত্র পরিস্থিতি।

    বিশেষ করে কথার ছলে সেই রাত্রেই যখন সকলের সামনে দাঁড়িয়ে কিরীটী বলেছিল, সারদাচরণ, দশরথ ও বিজনবাবুর হত্যাকারী একজনই—এবং সে হত্যাকারী তখনও তাদের মধ্যে ঐ সরকার ভিলাতেই উপস্থিত আছে, তখন কিরীটীর কথায় সেরাত্রে উপস্থিত সকলেই মুহূর্তের জন্য পরস্পরের প্রতি অপাঙ্গে দৃষ্টিপাত করে অজানিত এক দুর্বোধ্য আশঙ্কায় মনে মনে শিউরে উঠেছিল বুঝি।

    একটা সত্য কথা উচ্চারণের মধ্যে যে এমন একটা ভয় আতঙ্ক থাকতে পারে, সেটা যেন সকলেই সেদিন মর্মে মর্মে অনুভব করেছিল।

    অথচ কেউ সেদিন এতটুকু প্রতিবাদও জানাতে পারেনি।

    একটা দুর্বোধ্য আতঙ্কে কেমন যেন সব বোবা হয়ে ছিল।

     

    থানা-অফিসার বিমল সেন তো তার চরম নির্দেশটা শুনিয়ে দিয়ে সরকার ভিলার চারিদিকে সর্বদা সতর্ক প্রহরার ব্যবস্থা করে সে রাত্রের মত বিদায় হল, কিন্তু যারা সেই খাঁচার মধ্যে বন্দী রইল তাদের তো একটা থাকবার ও খাবার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

    সরকার ভিলাতে অবিশ্যি থাকবার জায়গার অভাব ছিল না।

    কিরীটীর নির্দেশে তখুনি মধুসূদন সরকার সকলের ব্যবস্থা করবার জন্য চলে গেলেন।

    এবং ঘণ্টাখানেক বাদেই মৃতদেহ ঐ লাইব্রেরী ঘর থেকে সরিয়ে বাড়ির বাইরে উদ্যানের মধ্যে যে মালীদের ঘরটা ছিল সেই ঘরে রেখে আসা হল রাত্রের মত।

    সকলে এসে নিচের পারলারে জমায়েত হলেন আবার।

    প্রৌঢ় ডাক্তার অধিকারী একসময় কিরীটীকে বললেন, এ কি বিশ্রী ঝাটে পড়া গেল বলুন তো মিঃ রায়!

    আমি বুঝতে পারছি ডাঃ অধিকারী আপনার মনের অবস্থাটা, কিন্তু বিশ্বাস করুন আপনি, এ ছাড়া আর দ্বিতীয় কোন পথ সত্যিই ছিল না।

    কিন্তু সত্যিই কি আপনি মনে করেন মিঃ রায়, আজ যারা এখানে এ বাড়িতে উপস্থিত তাদের মধ্যে সামবডি

    তাই আমার ধারণা ডাঃ অধিকারী। এর আগে এই বাড়িতেই দুটি নৃশংস হত্যার ব্যাপার আপনি তো শুনেছেন–

    হ্যাঁ, শুনেছি।

    একটু ভেবে দেখলেই বুঝতে পারবেন, পর পর এই তিনটি মৃত্যুই আকস্মিক ও রহস্যজনক হলেও একই সূত্রে গাঁথা।

    কিন্তু–

    বুঝতে পারছি ডাঃ অধিকারী, আপনি কি বলতে চান। প্রথম দুটো হত্যার সময় অকুস্থানে তৃতীয় কোন ব্যক্তি ছিল কিনা আপাততঃ সেটা যদিও আমরা জানি না বা জানতে পারিনি বটে, কিন্তু ভেবে দেখুন তৃতীয় মৃত্যুর সময় আমরা এতগুলো লোক সজ্ঞানে অকুস্থানে উপস্থিত ছিলাম!

    তাই তো ব্যাপারটা এখন আমার কিছুই বোধগম্য হচ্ছে না।

    তা না হলেও এটা তো আপনি স্বীকার করবেন, প্রথম ও দ্বিতীয় দুটো হত্যাই হয়েছে। তীব্র নিকোটিন বিষপ্রয়োগে?

    তাহলে দশরথের মৃত্যুর কারণও আপনার ধারণা মিঃ রায় ঐ একই? ধারণা নয়, তাই। কারণ আজ একটু আগে বিমলবাবু আমাকে সেকথা বলে গেলেন। তাহলেই ভেবে দেখুন, বিষপ্রয়োগের কোন প্রমাণ—অর্থাৎ কে কার দ্বারা, কি উপায়ে তাদের বিষপ্রয়োগ করা হয়েছিল সেটার কোন প্রমাণ এখনও পর্যন্ত না পাওয়া গেলেও ময়নাতদন্তে তাদের দেহে বিষ পাওয়া গিয়েছে,-যার দ্বারা তাদের যে বিষের ক্রিয়াতেই মৃত্যু ঘটেছে সে সম্পর্কে আমরা নিশ্চিত। তারপর দেখুন, তিন-তিনটে মৃত্যু একই বাড়ির বিভিন্ন ঘরে হয়েছে এবং একই বাড়ির লোক তারা!

    কিন্তু এটাই তো আমি বুঝতে পারছি না মিঃ রায়, আপনার কথা যদি সত্যি বলে ধরে নেওয়া যায়ই, তাহলে এই ধরনের ডায়বলিক্যাল মার্ডারের কি উদ্দেশ্য কার থাকতে পারে?

    সেটা তো পরের কথা। কিন্তু একটা কথা কি জানেন ডাঃ অধিকারী, এসব ব্যাপারে বরাবরই আমার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার দ্বারা দেখেছি, সরলভাবে বিচার করে দেখতে গেলে প্রত্যেকটি এই ধরনের হত্যার ব্যাপারেই মোটিভ বা উদ্দেশ্য, অপরচুনিটি বা সুযোগ এবং প্রবাবিলিটি বা সম্ভাবনা তিনটি জিনিসই থাকবে। অবিশ্যি এর মধ্যে মোটিভই হচ্ছে সর্বপ্রধান-মুখ্য। অন্য দুটি গৌণ। সেদিক দিয়ে দেখতে গেলে প্রথম ও তৃতীয় হত্যার মোটিভ আমাদের চোখের সামনে থাকলেও, দ্বিতীয় হত্যার মোটিভটি অবিশ্যি তত স্পষ্ট নয়।

    কি মোটিভ? ডাঃ অধিকারী আবার প্রশ্ন করলেন।

    কেন? সেই চিরাচরিত মোটিভ–অর্থ!

    অর্থ?

    হ্যাঁ, অর্থম্‌ অনর্থম্‌! সারদাচরণ সরকারের সুবিপুল সম্পত্তি, যার হদিস আজই আমরা শচীবিলাসবাবুর কাছ থেকে কিছুক্ষণ মাত্র আগে পেয়েছি–

    তাই যদি হয় তো দশরথ কেন নিহত হল?

    দশরথ বেচারী প্রথম হত্যার ব্যাপারে এমনভাবে জড়িত হয়ে পড়েছিল,-যে কারণে হত্যাকারীর চোখে তার মৃত্যুটা একান্ত প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছিল।

     

    মধুসূদনবাবু অবিশ্যি সেরাত্রে সকলের আহারের ভাল ব্যবস্থাই করেছিলেন। কিন্তু আহারের এতটুকু রুচিও কারো ছিল না বুঝি, তাই সকলেই গিয়ে নিয়মরক্ষার জন্য খাবার টেবিলে বসলেন মাত্র।

    এবং একসময় সকলে আবার টেবিল ছেড়ে উঠে যে যাঁর নির্দিষ্ট ঘরে গিয়ে যেন শ্লথপায়ে প্রবেশ করে হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন।

    সেরাত্রে নিদ্রা যে কারও চোখে আসবে না বা আসতে পারে না, সকলেই অবিশ্যি সেটা জানতেন—তবু কেউ যেন আর বসে থাকতে পারছিলেন না।

    যে যার নির্দিষ্ট শয়নঘরে প্রবেশ করে যেন সন্ধ্যা থেকেই সেই একটানা দুর্বিষহ মানসিক যন্ত্রণার হাত থেকে মুক্তি পেয়ে সে রাতের মত নিশ্চিন্ত হলেন কতকটা।

    মধুসূদন সরকারের পাশের ঘরেই কিরীটীর শয়নের ব্যবস্থা হয়েছিল সে রাত্রে।

     

    রাত্রি গভীর।

    সরকার ভিলার ঘরে ঘরে একে একে আলো নিভে গিয়েছে।

    কিরীটী তার ঘরের খোলা জানলার সামনে দাঁড়িয়ে নিঃশব্দে বাইরের অন্ধকারের দিকে দৃষ্টি মেলে ধূমপান করছিল।

    ঘর অন্ধকার।

    সরকার ভিলার মৃত্যু-রহস্যের সমাধান করে ওখান থেকে চলে আসবার পূর্বে সুশান্ত প্রশ্ন করেছিল কিরীটীকে, ওভাবে সেদিন সকলকে সরকার ভিলায় আটকে রেখেছিলেন কেন মিঃ রায়?

    জবাবে কিরীটী বলেছিল, তা না করলে হয়ত হত্যাকারীকে অত সহজে আমি ধরতে পারতাম না সুশান্তবাবু।

    তাহলে বলুন, হত্যাকারীকে আপনি মনে মনে চিনতে পেরেছিলেন ঐদিনই?

    তা পেরেছিলাম বইকি! মৃদু হেসে কিরীটী জবাব দিয়েছিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিরীটী অমনিবাস ১২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    Next Article কিরীটী অমনিবাস ১৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    Related Articles

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৪ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৫ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }