Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কিরীটী অমনিবাস ৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত এক পাতা গল্প610 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৩. বর্তমান কাহিনীর আদিপর্ব

    অতঃপর কিরীটীর মুখেই শোনা বর্তমান কাহিনীর আদিপর্বটা হচ্ছে:

    বিখ্যাত ব্যারিস্টার রাধেশ রায়, যার মাসিক আয় কমপক্ষে আট থেকে দশ হাজার টাকা, তাঁরই একমাত্র মাতৃহারা পুত্র নব্য ব্যারিস্টার, বাপেরই জুনিয়ার অশোক রায়। এবং কিরীটীর বর্ণিত কাহিনীটা তাঁরই সম্পর্কে।

    বছর তিনেক হবে মাত্র অশোক রায় বিলেত থেকে ব্যারিস্টার হয়ে এসে বাপের জুনিয়র হিসেবেই আদালতে যাতায়াত শুরু করেছেন।

    এবং বাপের তদ্বিরে ও চেষ্টায় আয়ও হতে শুরু করেছে।

    বুদ্ধিদীপ্ত, স্মার্ট এবং অত্যন্ত ভদ্র প্রকৃতির ছেলেটি। দেখতে-শুনতেও সুপুরুষ। এখনও বিবাহ করেননি। তবে গুজব শোনা যাচ্ছে হাই-সোসাইটি-গার্ল, বিখ্যাত সায়েন্টিস্ট স্বর্গীয় ডাঃ অমল সেনের সুন্দরী তরুণী কন্যা মিত্রা সেনের সঙ্গে নাকি কিছুদিন যাবৎ একটা ঘনিষ্ঠতা দেখা দিয়েছে অশোক রায়ের।

    সেই সূত্র ধরেই অভিজাত মহলে এমন কথাও কানাকানি চলেছে যে, এতকাল পরে সত্যি সত্যি নাকি বোহেমিয়ান মিত্রা সেন ঘব বাঁধবেন কিনা সিরিয়াসলি ভাবতে শুরু করেছেন।

    মিত্রার বাবা ডাঃ অমল সেন, ডি.এ.সি. একদা ইণ্ডিয়ান এড়ুকেশন সার্ভিসে ছিলেন, রিটায়ার করে আবার সরকারী বিশেষ একটি দপ্তরেই আরও বেশি মাহিনায় নতুন পোস্টে দিল্লীতে জয়েন করেছিলেন কিন্তু বেশিদিন তাঁর সে চাকরি করবার সুযোগ হয়নি। গত বৎসর মারা গিয়েছেন হঠাৎ রক্তচাপের ব্যাধিতে স্ট্রোক হয়ে।

    এবং মৃত্যুকালে তিনি বেশ একটামোটা টাকার ব্যাঙ্ক-ব্যালেন্স ও কলকাতার উপরে বালিগঞ্জ অঞ্চলে চমৎকার একখানা বাড়ি রেখে গিয়েছেন।

    তাঁর দুই ছেলে ও এক মেয়ে ঐ মিত্রা।

    মিত্রাই সবার কনিষ্ঠ।

    ডাঃ সেনের দুই ছেলেই অর্থাৎ মিত্রার দুই দাদা একজন নামকরা অধ্যাপক ও একজন ইনজিনীয়র বড় চাকুরে। বাপের সঞ্চিত অর্থ তো ছিলই, নিজেরাও বেশ ভালই অথোপার্জন করেন দুই ভাইই। কাজেই সংসারে সচ্ছলতার অভাব নেই। মিত্রার আট বৎসর বয়সের সময় তার মা মারা যায়। বর্তমানে মিত্রার বয়স ত্রিশ হলেও প্রায় কাছাকাছি, যদি কেউই সে সংবাদটি জানে না। কারণ দেখলেও বোঝবার উপায় নেই। মিত্রা এম. এ. পাস। দেকতে বা তার গাত্রবর্ণ যাই হোক না কেন, চোখেমুখে চলনে-বলনে একটা অদ্ভুত আকর্ষণ আছে তার। উজ্জ্বল শ্যামবর্ণের ছিপছিপে মেয়েটি হাই-সোসাইটির মধ্যমণি হিসাবে বিরাজ করছে অনেক দিন ধরে। বৌদিরাও মিত্রাকে ভালবাসে এবং তার দাদারাও মিতা বলতে অজ্ঞান। স্নেহে একেবারে অন্ধ। বালিগঞ্জে লেক টেরেসে বৈকালী সাঞ্জ ক্লাবের সঙ্ঘমিত্রা মিত্রা সেন। তাছাড়া কোন এক বেসরকারী কলেজের অধ্যাপিকাও। বৈকালী সঙ্ঘ ক্লাবের মেম্বার হচ্ছে অভিজাত ধনী সম্প্রদায়ের ছেলে ও মেয়েরা।

    সাধারণ সম্প্রদায়ের প্রবেশ সেখানে অসম্ভব, কারণ চাঁদের হার প্রতি মাসে একশতর নিচে নয়।

    তরুণ ব্যারিস্টার অশোক রায় ঐ বৈকালী সঙ্ঘের একজন নিয়মিত সত্য। কোর্ট হতে ফিরে সন্ধ্যার পর নিজের গাড়ি নিয়ে সে বের হয়ে যায়, ফেরে কোন রাতেই সাড়ে এগারোটার আগে নয়। অশোক রায় সম্পর্কে খোঁজ করতে করতেই সব জানা গিয়েছে।

    অশোক রায় ঘটিত ব্যাপারটা অবশ্য কিরীটীর মুখেই আমার শোনা এবং বলাই বাহুল্য বিচিত্রও। বিখ্যাত ব্যারিস্টার রাধেশ রায়ের সঙ্গে বছর চারেক আগে কিরীটীর একটা জাল দলিলের মামলার ব্যাপারে আলাপ-পরিচয় হয় এবং ক্রমে সেই আলাপ-পরিচয় ঘনিষ্ঠতায় পরিণত হয়। পূর্বেই বলেছি ঘটনার আদিপর্বটা কিরীটীর মুখ থেকেই শোনা, তাই কিরীটীর জবানিতেই বলছি:

    সন্ধ্যার দিকে একদিন রাধেশ রায় আমাকে ফেন করলেন: রহস্যভেদী, কাল সন্ধ্যার পর এই ধরুণ গোটা আট-নয়ের সবয় আপনি ফ্রি আছেন কি?

    কেন বলুন তো? আসুন না। অনেককাল দেখা-সাক্ষাৎ হয়নি। একসঙ্গে ডিনার খাওয়া যাবে আর গল্পসল্পও করা যাবে।

    ব্যারিস্টার রাধেশ রায় যে কি ব্যস্ত মানুষ তা আমার অজানা নয়। রাত দশটা-এগারোটা পর্যন্ত তাঁর চেম্বারে মক্কেলের ভিড় থাকে আর রাত্রেও বারোটা-একটা পর্যন্ত লাইব্রেরি ঘরে বসে তিনি নিয়মিত পড়াশুনা করেন।

    তাই হাসতে হাসতে বললুম, ব্যাপার কি বলুন তো? ভূতের মুখে রাম-নাম!

    না, না, আসুন না—সত্যিই just a social call! ফোনেই বললেন রাধেশ রায়। কিন্তু বিশ্বাস হল না সম্পূর্ণরূপে ব্যারিস্টারের কথাটা।

    যা হোক পরের দিন ঠিক রাত নটায় বালিগঞ্জ প্লেসে রাধেশ রায়ের বিরাট ভবনের সামনে গাড়ি থেকে নামলাম।

    চেম্বারে প্রবেশ করে দেখি সব চেয়ার খালি, আশ্চ! কেবল আবেশ রায়ের পাসোন্যাল টাইপিস্ট হিমাংশু একা আপন মনে বসে খটখট করে কি সব টাইপ করে চলেছে মেশিনে।

    হিমাংশুঁকেই প্রশ্ন করলাম; ব্যারিস্টার সাহেব কোথায়?

    হিমাংশু টাইপ করা থামিয়ে জিজ্ঞাসা করল, আপনিই কি মিঃ রায়?

    হ্যাঁ।

    বসুন—পরক্ষণে সে ভিতরে গিয়ে কলিংবেল টিপতেই ভিতর থেকে একজন উর্দিপরা বেহারা এসে দাঁড়াল।

    হিমাংশু তাকে আমার আসবার সংবাদ সাহেবকে দিতে বলল।

    মিনিট পাঁচেক বাদে ব্যারিস্টার সাহেবের খাস ভৃত্য কানু এসে বললে, সাহেব আপনাকে উপরে যেতে বললেন, চলুন।

    চল।

    কানুকে অনুসরণ করে পুরু কার্পেট মোড়া সিঁড়ি অতিক্রম করে দোতলায় টানা বারান্দার শেষ ও দক্ষিণ প্রান্তে একটা ঘরের সামনে এসে দাঁড়ালাম। ইতিপূর্বেও বাড়িতে গেলে ব্যারিস্টার সাহেবের সঙ্গে বাইরের ঘরে বসেই গল্পসল্প হত। উপরে উঠলাম এই প্রথম।

    দরজার পর্দা তুলে কানু আহ্বান জানাল, আসুন।

    ব্যারিস্টার সাহেবের শয়নকক্ষ। মেঝেতে পুরু নরম কার্পেট এবং ঘরে বহু মূল্যবান সব আসবাবপত্র, রুচি ও আভিজাত্যের চমৎকার সমম্বয় সর্বত্র।

    ঘরের সংলগ্ন একটি চারিদিকে খোলা ছাদের মত জায়গা। মাথার উপরে অবশ্য খানিকটা আচ্ছাদন আছে। চারিদিকে ফুলের, পাতাবাহারের ও পামট্রির টব বসান। ছোটখাটো একটা নাশারী বললেও চলে।

    একধারে একটি সুদৃশ্য গোল টেবিল, তার পাশে দুটি গদি-আঁটা চেয়ার। এখামা মাত্র খালি এবং অন্য একটিতে বসে আছেন ব্যারিস্টার সাহেব স্বয়ং।

    টেবিলের উপরে সাদা দুধের মত ডোমে ঢাকা একটি বৈদ্যুতিক টেবিল-ল্যাম্প জ্বলছে। মধ্যিখানে একটি ২৩ অংশ পূর্ণ ব্ল্যাক অ্যাণ্ড হোয়াইট স্কচ হুইস্কির কালো রঙের বোতল, সোডা সাইফন, একটি খালি পেগ গ্লাস ও পূর্ণ একটি পেগ গ্লাস।

    পদশব্দে ব্যারিস্টার মুখ তুলে তাকালেন, আসুন রহস্যভেদী, বসুন।

    তারপরেই কানুর দিকে ফিরে তাকিয়ে বললেন, কানু, বাইরের দরজায় বসে থাক। যতক্ষণ না ডাকি তোকে, এদিকে আসবার দরকার নেই।

    আচ্ছা। কানু জবাব দেয়।

    হ্যাঁ, কেউ যেন আমাকে বিরক্ত না করে ফোন এলে হিমাংশুই ধরবে—সে আমার লাইব্রেরি ঘরে আছে।

    কানু চলে গেল।

    মুখোমুখি চেয়ারটা টেনে নিয়ে বসে ব্যারিস্টার সাহেবের দিকে তাকালাম।

    পরিধানে সাদা ফ্লানেলের পায়জামা ও ডিপ কালো রঙের কিমনো।

    শোনা যায় প্রথম যৌবনে অত্যন্ত সুপুরুষ ছিলেন নাকি রাধেশ রায়। এখনও অবশ্যি বয়স হলেও সেটা বুঝতে কষ্ট হয় না। উজ্জ্বল গৌর গাত্র-বর্ণ। প্রশস্ত কপাল। মাথার দুপাশে একটু টাক পড়েছে। রগের দু-একটা চুলে পাক ধরেছে। খড়ের মত উন্নত নাসা। দৃঢ়বদ্ধ ওষ্ঠ। কঠিন ধারালো চিবুক।

    মাথার চুল ব্যাক-ব্রাস করা, দাড়িগোঁফ নিখুঁতভাবে কামানো, চোখেসোনার ফ্রেমে প্যাঁসনে।

    আমাকে কিছু না বললেও তাঁর মুখের দিকে কয়েক মুহূর্ত চেয়ে থাকতেই বুঝতে কষ্ট হল না সমগ্র সেই মুখখানা ব্যেপে পড়েছে যেন কিসের একটা চিন্তার সুস্পষ্ট ছায়া।

    Have a peg-রাধেশ রায় বললেন, আমার দিকে তাকিয়ে।

    দিন তবে ছোট একটা, জবাব দিলাম।

    রাধেশ রায় নিজেই শূন্য পেগ গ্লাসটিতে লিকার ঢেলে সোডা সাইফনটা আমার দিকে এগিয়ে দিলেন।

    সোডা আমিই মিশিয়ে নিলাম।

    Best of luck!

    পরস্পরকে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করে দুজনেই আমরা গ্লাসে চুমুক দিলাম। মিনিট পাঁচ-সাত তারপর নিঃশব্দেই কেটে গেল।

    মাঘের মাঝামাঝি হলেও শীতের তীব্রতা তেমন অনুভূত হয় না। ঝিরঝিরে একটা ঠাণ্ডা হাওয়া বইছে। মিশে আছে বায়ুতরঙ্গে মিষ্টি ফুলের নাম-না-জানা একটা পাতলা গন্ধ।

    টেবিল-ল্যাম্পের আলো উপবিষ্ট ব্যারিস্টারের চোখে মুখে কপালে এসে পড়েছে। হাতদুটো কোলের উপরে ভাঁজ করা।

    বসবার ভঙ্গিটা যেন কেমন শিথিল অসহায় বলে মনে হয়।

    বুঝতে পারছিলাম, রাধেশ রায় আজ রাত্রে বিশেষ কিছু বলবার জন্যই এভাবে আমায় ডেকে এনেছেন। কিন্তু যে কারণেই হোক সংকোচ বোধ করছেন। চেষ্টা করেও যেন সংকোচ বা দ্বিধাটুকু কাটিয়ে উঠতে পারছেন না। আমিও তাঁকে সময় দিতে লাগলাম। যা বলবার উনি নিজে থেকেই বলুন। সংকোচ ওঁর কেটে যাক। বলতেই যখন চান। ওদিকে তাঁর গ্লাস নিঃশেষ হয়ে গিয়েছিল, আবার গ্লাস ভর্তি করে নিলেন।

    দ্বিতীয় গ্লাসে একটু চুমুক দিয়ে জিভ দিয়ে নিচের ঠোঁটটা চেটে নিয়ে এবারে আমার দিকে তাকালেন, তারপর অত্যন্ত মৃদুকণ্ঠে বললেন, রহস্যভেদী, আপনার তীক্ষ্ণ বিচার-বিশ্লেষণ ও অনুভূতির উপরে আমার বিশেষ শ্রদ্ধা আছে। বুঝতে পারছি না ঠিক তবে মনে হচ্ছে something somewhere wrong! To tell you frankly, I want your help!

    কি ব্যাপার? মৃদু কণ্ঠে প্রশ্ন করলাম।

    You know my son অশোক! Recently I dont know why but I feel much worried about him!

    একটু বেশ আশ্চর্য হয়েই রাধেশ রায়ের মুখের দিকে তাকালাম। তারপর একটু থেমে মৃদুকণ্ঠে বললাম, কি ব্যাপার বলুন তো? আমি তো যতদূর শুনেছি আজকাল অশোকবাবু বেশ promising in the Bar—কতকটা যেন আশা দেবারই চেষ্টা করি।

    হ্যাঁ হ্যাঁ—তা জানি। কিন্তু সব কথা বলবার আগে একটা কথা আপনাকে আমি বলতে চাই মিঃ রায় বিশেষ করে শেষের দিকে একটু যেন থেমেই কথাগুলো বললেন ব্যারিস্টার।

    বলুন? ওঁর মুখের দিকে তাকিয়েই প্রশ্ন করি।

    সব কথা বলবার আগে যে কথা বিশেষ করে বলতে চাই মিঃ রায়, অশোক যেন এ ব্যাপারে ঘুণাক্ষরেও কিছু না জানতে পারে। আশা করি বুঝতেই পারছেন, সে আমার একমাত্র ছেলে। মা নেই, বড় অভিমানী।

    সংকোচটা যেন ব্যারিস্টার সম্পূর্ণভাবে কাটিয়ে উঠতে পারছেন না।

    নিশ্চিন্ত থাকুন। আশ্বাস দিই ব্যারিস্টারকে।

    অবশ্য সেটা আমি জানি বলে আপনাকেই আমি এ ব্যাপারে পরামর্শের জন্য ডেকে এনেছি মিঃ রায়।

    আবার কিছুক্ষণ চুপচাপ কেটে গেল। কয়েকটা স্তব্ধ মুহূর্ত।

    কেবল ব্যারিস্টার সাহেব মধ্যে মধ্যে পেগ-গ্লাসটা তুলে চুমুক দিতে লাগলেন নিঃশব্দে। মুখ দেখে বোঝা যায় অন্যমনস্ক হয়ে বুঝি কি ভাবছেন। মনে মনে নিজেকেই নিজে যেন যাচাই করে চলেছেন।

    অশোক কয়েক মাস ধরে দেখছি যেন একটু বেশি খরচ করছে! হঠাৎ আবার ব্যারিস্টার সাহেব কথা বললেন।

    তা অল্প বয়েস; বিয়ে-থা করেননি, যথেষ্ট ইনকাম করেন, কোনো liabilities-ও নেই—তাছাড়া এই তো খরচ করবার সময়। হাসতে হাসতে জবাব দিই।

    বাধা দিলেন ব্যারিস্টার, না না—ঠিক তা নয় মিঃ রায়। যতই খরচ করুক সে, তিন-চার হাজার টাকা একজনের মাসে pocket expense—একটু কি বেশিই বলে মনে হয় না আপনার?

    তিন-চার হাজার! এবারে সত্যি বিস্ময়ের পালা আমার।

    হ্যাঁ। না হলে আর বলছি কি? আমার আর অশোকের অ্যাকাউন্ট অবশ্য আলাদা। জীবনে স্বাবলম্বনের চিরদিন আমি বিশেষ পক্ষপাতী তাই তার নামে বিলেত থেকে সে ফিরবার পরই হাজার পঞ্চাশ টাকা দিয়ে starting একটা অ্যাকাউন্ট খুলে দিয়েছিলাম। তার কাছ থেকে কোনদিনই কোন কিছু আমি আশা ও করি না এবং তার রোজগার ও খরচ সম্পর্কেও কোনদিন খোঁজ-খবর নেবার প্রয়োজনও বোধ করিনি। কিন্তু মাত্র দিন আষ্টেক আগে হঠাৎ ভুল করে, just by mistake, তার ব্যাঙ্কের একখানা চিঠি আমি খুলতেই ব্যাপারটা আমার নজরে পড়ল।

    কি রকম?

    তাই তো বলছি।

    আমি আবার ব্যারিস্টার সাহেবের মুখের দিকে তাকালাম।

    রাধেশ রায় আবার বলতে শুরু করলেন যেন একটু থেমেই, একসঙ্গে গত তিন মাসের statement of account এসেছে

    অশোকই মনে হয় চেয়ে পাঠিয়েছিল ব্যাংকে। এবং just out of curiosity সেই statement of account-টা দেখতে গিয়েই নজরে পড়ে গেল আমার প্রত্যেক মাসে সে প্রায় তিন-চার হাজার করে টাকা ড্র করেছে। এবং গত প্রত্যেক মাসের দশ তারিখে একটা করে আড়াই হাজার টাকার self-draw আছে। আমি তো চমকে গেলাম। প্রত্যেক মাসে তার এত অর্থের কি প্রয়োজন থাকতে পারে? আর প্রত্যেক মাসের দশ তারিখে ঐ আড়াই হাজার টাকাই বা draw করা হচ্ছে কেন? ব্যারিস্টার বলতে বলতে থামলেন বোধ হয়। নিজেকে একটু গুছিয়ে নেবার জন্যই।

    কোনো heavy insure বা payment-ও তো থাকতে পারে। বললাম আমি।

    Nothing of that kind! ওর কোন insure-ই নেই। যা হোক—কেমন মনটা খুঁতখুঁত করতে লাগল। ব্যাঙ্কের ম্যানেজার মিঃ ওয়াটসন আমার বিশেষ বন্ধু ও অনেক দিনের পরিচিত। Irang him up। সে যা বললে, তাতে বিস্ময় যেন আরও বাড়ল। সে বললে, গত এক বৎসর ধরেই নাকি অশোক প্রতি মাসের দশ তারিখে নিজে গিয়ে ব্যাঙ্ক থেকে ঐ আড়াই হাজার টাকা self-cash করে নিয়ে আসে।

    হুঁ।

    বুঝতেই পারছেন ব্যাপারটা কি রকম delicate! যা হোক আমি দুটো দিন ব্যাপারটা নিজে নিজেই ভাববার চেষ্টা করলাম, কিন্তু কোনো conclusion-এই পৌঁছতে পারলাম না। যতই আমার সন্দেহ বাড়তে লাগল, সেই সঙ্গে ঔৎসুক্যও বাড়তে লাগল। যদিও ব্যাপারটা বিশ্রী, তবু তলে তলে গোপনে আমি তার উপরে তীক্ষ্ণ দৃষ্টি না রেখে থাকতে পারিনি।

    ব্যারিস্টার সাহেব তাঁর বক্তব্য শেষ করে নিঃশব্দে আমার মুখের দিকে সপ্রশ্ন দৃষ্টিতে তাকিয়ে বললেন, মিঃ রায়, বুঝতে পারলেন কিছু?

    সাগ্রহে তাঁর মুখের দিকে তাকালাম আবার।

    কিছুক্ষণ আবার চুপচাপ কেটে গেল। তারপরই আমি এবারে প্রশ্ন করলাম, এমনও তো হতে পারে তাঁর কোনো প্রাইভেট লোক বা কাউকে তিনি ঐ টাকাটা দিয়ে থাকেন, মানে বলছিলাম কি কোনো সৎ প্রতিষ্ঠানে হয়ত বা সাহায্য করে থাকেন।

    ব্যারিস্টার আমার প্রশ্নের কোন জবাব দিলেন না। সম্মুখে টেবিলের উপরে রক্ষিত এবং ক্ষণপূর্বে নিঃশেষিত পেগ-গ্লাসটার দিকে নিঃশব্দে তাকিয়ে রইলেন শুধু স্তব্ধ হয়ে।

    কিছুক্ষণ আবার স্তব্ধভাবে কেটে গেল।

    ধীরে ধীরে আবার বলতে শুরু করলেন ব্যারিস্টার, সে রকম কিছুই না। বলে একটু চুপ করে থেকে পুনরায় শুরু করলেন, কয়েকটা ব্যাপারকে জীবনে আমি নিরতিশয় ঘৃণা করে এসেছি মিঃ রায়। অন্যের চিঠি লুকিয়ে পড়া, অন্যের গতিবিধির উপরে আড়াল থেকে গোপনে গোপনে নজর রাখা ও অন্যের ব্যাপারে অকারণ মাথা ঘামানো। পর তো কথাই নেই, এমন কি নিজের স্ত্রী-পুত্রের বেলাতেও না। কিন্তু এমনই দুর্দৈব যে, অশোক, আমার নিজের সন্তানের বেলায় তাই আমাকে করতে হল। এ যে আমার পক্ষে কত বড় লজ্জা ও দুঃখের কারণ হয়েছে মিঃ রায়, তা আপনাকে আমি ঠিক বুঝিয়ে বলতে পারব না।

    বেদনায় ও গ্লানিতে মনে হল ব্যারিস্টারের কণ্ঠস্বর শেষের দিকে যেন বুজে আসছে। আর কেউ না হলেও আমি বুঝেছিলাম সমস্ত ব্যাপারটা ব্যারিস্টার রায়ের পক্ষে কতখানি বেদনার কারণ হয়েছে। এবং শুধু বেদনাই নয়, তাঁকে কতখানি সেই সঙ্গে বিচলিতও করেছে।

    শূন্য পেগ-গ্লাসটায় কিছুটা আবার লিকার ঢেলে এবং তাতে সোড়া মিশিয়ে একটা ছোট্ট চুমুক দিয়ে বলতে লাগলেন গ্লাসটা টেবিলের উপর নামিয়ে রেখে, এ মাসের দশ তারিখে আর নিজের কৌতূহলকে চেপে রাখতে পারলাম না। আমার এতদিনের সমস্ত শিক্ষা, রুচি ও নীতি-বোধকে একপাশে ঠেলে রেখেই বেলা দশটা বাজবার কিছু আগে একটা ট্যাক্সি নিয়ে ব্যাঙ্কের দরজার কাছে গিয়ে অপেক্ষা করতে লাগলাম। ঠিক দশটায় দেখলাম অশোকের গাড়ি এসে ব্যাঙ্কের দরজার সামনে দাঁড়াল।

    অশোক নিজেই ড্রাইভ করছিল। আর তার পাশে উপবিষ্ট দেখলাম একটি নারী।

    নারী!

    অর্ধস্ফুট ভাবে আপনা হতেই যেন কথাটা আমার কণ্ঠ হতে বের হয়ে এল।

    হ্যাঁ। কিন্তু তার মুখ দেখতে পেলাম না। মাথায় অল্প ঘোমটা টানা। কেবল একখানা চুড়ি-পরা হাত গাড়ির দরজার উপরে ন্যস্ত দেখতে পেলাম দূর থেকে। অশোক গাড়িটা এমন ভাবে পার্ক করে রেখেছিল আর আমার ট্যাক্সি এমন জায়গায় ছিল যে সেখান থেকে গাড়ির সামনের দিকটায় নজর পড়ে না। কেবল একটা সাইড দেখা যায় মাত্র। লজ্জায় ও সংকোচে গাড়ি থেকে নামতে পারলাম না। ভূতগ্রস্তের মতই গাড়ির মধ্যে বসে রইলাম আমি। মিনিট কুড়ি বাদে ব্যাঙ্ক থেকে অশোক বের হয়ে এল এবং গাড়িতে উঠে, স্পষ্ট দেখলাম, পার্শ্বে উপবিষ্ট সেই মেয়েটির হাতে নোটের বাণ্ডিলগুলো তুলে দিল। তারপর উটো পথে গাড়িটা বের হয়ে গেল।

    গাড়িটা ফলো করলেন না কেন?

    না, তা করিনি। ঘটনাটা আমাকে এমন বিল ও বিমূঢ় করে ফেলেছিল যে ঠিক ঐ সময়টাতে, যখন খেয়াল হল অশোকের গাড়ি আশেপাশে কোথায়ও নেই। তারপর দুটো দিন কেবল ভাবতে লাগলাম। আমার কেস-পত্র সব কোথায় পড়ে রইল। তৃতীয় দিনে অশোক যখন সন্ধ্যার পর চেম্বারে কেস সেরে রাত সাড়ে আটটায় বের হল তাকে ফলো করলাম ট্যাক্সি নিয়ে। কানুকে দিয়ে আগেই ডাকিয়ে এনে তার মধ্যে বসে অপেক্ষা করছিলাম গেটের অদূরে। বলতে বলতে হঠাৎ থেমে গিয়ে প্রশ্ন করলেন, বৈকালী সঙ্ঘ ক্লাবটা সম্পর্কে কিছু জানেন মিঃ রায়, মানে নাম শুনেছেন ক্লাবটার কখনও?

    জানি, শুনেছি। লেক টেরেসে তো?

    হ্যাঁ। সেখানে গিয়ে ঢুকল অশোক। রাত সাড়ে এগারোটায় বের হল ক্লাব থেকে। আশ্চর্য হলাম যখন দেখলাম এত রাত্রে ক্লাব থেকে বের হয়ে বাড়ি না ফিরে সে চলেছে পার্ক সার্কাসের দিকে।

    পার্ক সার্কাসের দিকে? প্রশ্ন করলাম এবারে আমিই।

    হ্যাঁ। এবারে তার গাড়ি গিয়ে দাঁড়াল ভুজঙ্গ ডাক্তারের চেম্বারের সামনে।

    অত রাত্রে ভুজঙ্গ ডাক্তারের চেম্বারে?

    হ্যাঁ। তবে বাইরের দরজা তো বন্ধ ছিল; দোতলায় চেম্বারের ঘরেওকোনো আলোজ্বলছিল। সব অন্ধকার।

    ভুজঙ্গ ডাক্তারের চেম্বারের সঙ্গে শুনেছি নার্সিং হোমও আছে, এমনও তো হতে পারে যে, অশোকবাবুর কোনো জানাশুনা রোগী নার্সিং হোমে ছিল, তাকেই তিনি দেখতে গিয়েছিলেন!

    কি বলছেন আপনি মিঃ রায়? হতে পারে নার্সিং হোম, তাই বলে ওটা তো আর দেখা করতে যাবার সময় নয় ঐ মাঝরাত্রে! তাছাড়া সব দিক এই কদিন ধরে ভেবেচিন্তেই শেষ পর্যন্ত আপনার পরামর্শ নেওয়া স্থির করেই আপনাকে ডেকেছি মিঃ রায়। যাক শুনুন, অশোক গাড়ি থেকে নেমে এগিয়ে গিয়ে দরজার গায়ে কলিং বেলের বোতাম টিপতেই কে যেন এসে দরজা খুলে দিল। অশোক ভেতরে প্রবেশ করল এবং সঙ্গে সঙ্গে দরজাও বন্ধ হয়ে গেল।

    তারপর?

    আধ ঘণ্টা বাদে অশোক চেম্বার থেকে বের হয়ে এল। তারপর অবিশ্যি সে বাড়ির দিকেই গাড়ি চালাল। তারপর তিন রাত অশোককে আমি গোপনে ফলো করেছি এবং প্রত্যেক বারেই দেখেছি সে বৈকালী সঙ্ঘ ক্লাব থেকে বের হয়ে সোজা পার্ক সাকাসে ভুজঙ্গ ডাক্তারের চেম্বারেই যায়। শুধু এই নয়, আজ ছ-সাত মাস থেকেই লক্ষ্য করছি অশোকের কথায়বাতায়, তার চালচলনে, ব্যবহারে, এমন কি চেহারাতেও যেন একটা বিশেষ পরিবর্তন এসেছে। অমন চমৎকার, উজ্জ্বল চেহারা ছিল ওর; যেন একটা কালো ছায়া পড়েছে তার ওপরে। সমস্ত দিন কেমন ঝিম মেরে থাকেমনে হয় যেন খুব ক্লান্ত। চিরদিন যে হাসিখুশী হৈ-হুল্লা করে চলত, সে যেন হঠাৎ কেমন গম্ভীর হয়ে গিয়েছে। অথচ রাত্রে ফেরবার পর যতক্ষণ

    ঘুমোয় পাশের ঘর থেকে শুনি কখনও গুনগুন করে গান গাইছে বা শিস দিচ্ছে। একেবারে অন্য প্রকৃতির। কতবার ভেবেছে ওকে ডেকে খোলাখুলি সব জিজ্ঞাসা করব। কিন্তু লজ্জা ও সংকোচ এসে বাধা দিয়েছে। ভেবে ভেবে যখন কোনো আর কূল-কিনারা পাচ্ছি না, হঠাৎ মনে পড়ল আপনার কথা। I am sure মিঃ রায়, এর পেছনে কোন একটা গোলমাল আছে। Somewhere something wrong! অশোক my only son। একমাত্র ছেলে ওই আমার। যেমন করে যে উপায়েই হোক এই দুশ্চিন্তা থেকে আপনি আমায় বাঁচান, মিঃ রায়। বলতে বলতে ব্যারিস্টার কিরীটীর একটা হাত চেপে ধরলেন। আবেগে ও উত্তেজনায় তাঁর ধৃত মুষ্টিটা যেন কাঁপছে থরথর করে তখন। চোখের কোলে অশ্রু।

    ব্যস্ত হবেন না ব্যারিস্টার। কয়েক দিন সময় দিন; আর আমাকে একটু ভাবতে দিন।

    কিন্তু একটা কথা, ও যেন ঘুণাক্ষরেও না কিছু সন্দেহ করে।

    ভয় নেই আপনার। নিশ্চিন্ত থাকুন। দু-পাঁচ দিনের মধ্যেই আপনার সঙ্গে আমি দেখা করব।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিরীটী অমনিবাস ৪ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    Next Article কিরীটী অমনিবাস ১২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    Related Articles

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৪ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৫ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }