Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কিরীটী অমনিবাস ৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত এক পাতা গল্প610 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৬. অসাধারণ প্রসাধন-নৈপুণ্যে

    অসাধারণ প্রসাধন-নৈপুণ্যে প্রথম দর্শনেই শ্রীমতী মিত্রা সেনকে দেখে চোখ ঝলসে গিয়েছিল সে-রাত্রে আমার। সত্যিই কালো জমিনের উপরে সাদা জরির পাড় দেওয়া বহুমূল্য ইটালীয়ান সিফন শাড়িটি যেন সে বরঅঙ্গে লেপ্টে ছিল। হাতে একগাছি হীরা-বসানো জড়োয়ার চুড়ি। কানে নীলার দুল। হীরা ও নীলার উপরে বিদ্যুতের আলো পড়ে যেন ঝিলিক দিচ্ছিল। আর অঙ্গে কোন অলঙ্কার ছিল না। কিন্তু ঐবেশভূষাতেই যেন মনে হচ্ছিল তাকে বিশ্ব-বিজয়িনী। লম্বায় পাঁচ ফুট দু-এক ইঞ্চির বেশী হবে না। রোগাটে গড়ন। গায়ের রঙ উজ্জ্বল শ্যাম। কিন্তু প্রসাধনের রঙে সেটা বোঝবার উপায় ছিল না।

    ঘরের মধ্যে উপস্থিত সকলেই মিত্রা সেনকে সাদর আহ্বান জানালেও এবং সকলেইসোৎসুক দৃষ্টিতে তার মুখের দিকে তাকিয়ে থাকলেও মিত্রা সেন কিন্তু সকলকেই উপেক্ষা করে তাকাল তরুণ ব্যারিস্টার অশোক রায়ের দিকে। মধুর হাসিতে দু-গালে তার টোল খেয়ে গেল। মৃদু কণ্ঠে অশোকের দিকে এগিয়ে যেতে যেতে সে বললে, অশোক, আমার আসতে আজ একটু দেরি হয়ে গেল!

    দরদে ও আব্দারে মেশানো সে কণ্ঠের সুর।

    অশোক রায়ের ওষ্ঠপ্রান্তে মৃদু একটুখানি হাসি জেগে ওঠে।

    তারপরেই অশোকের কাছে আরও একটু ঘনিষ্ঠ হয়ে এগিয়ে এসে বললে, পূবের চাইতে যেন আর একটু চাপা কণ্ঠেই, রাগ করনি তো?

    অন্য কেউ না শুনলেও কথাটা আমি শুনতে পেলাম।

    দেরি হল যে! মৃদু কণ্ঠে অশোক রায় এবার প্রশ্ন করে।

    বল কেন, বৌদি কোথায় এক পার্টিতে যাবে শাড়ি পছন্দ করে দিতে দিতে—

    তা তুমি যে গেলে না?

    ভুলে গেলে নাকি, শনিবার আর বুধবার রাত্রে যেখানেই যাই না কেন, রাত দশটায় এখানে আসিই!

    ঐ সময় ওয়েটার মীরজুমলা এসে হলঘরের মধ্যে ঢুকল সুদৃশ্য একটা প্লাসটিকের ট্রের উপরে পিপাসীদের বিভিন্ন সব পানীয় গ্লাসে গ্লাসে ভরে। প্রত্যেকের কাছে গিয়ে সে ট্রে-টা ধরতে লাগল। এক এক করে যে যার নির্দিষ্ট পানীয় মীরজুমলার ইঙ্গিতে তুলে নিতে লাগল ট্রে-র উপর থেকে। মিত্রা সেনকে লিমন-জুসের গ্লাসটা দিয়ে শূন্য ট্রে-টা হাতে এবার এগিয়ে এল মীরজুমলা আমার দিকে এবং আমার মুখের দিকে মুখ তুলে তাকাল।

    আমিও তাকালাম লোকটার মুখের দিকে।

    তারপরই সুস্পষ্টোচারিত নির্ভুল ইংরাজীতে প্রশ্ন করল, Any drink, Sir?

    একজন ওয়েটারের মুখে অমন সুস্পষ্টোচ্চারিত নির্ভুল ইংরাজী শুনে আমিও নিজের অজ্ঞাতেই মীরজুমলার মুখের দিকে তাকিয়েছিলাম। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে সংবরণ করে বললাম, Yes, Gin and bitter please?

    মীরজুমলা আমার মুখের দিকে তাকিয়ে নিঃশব্দে মাথা হেলিয়ে স্থানত্যাগ করল। এবারে স্পষ্ট লক্ষ্য করলাম, চলার মধ্যে যেন একটা অদ্ভুত ক্ষিপ্রতা ও গতি আছে লোকটার।

    আমি আবার হলের চতুর্দিকে দৃষ্টিপাত করলাম।

    হঠাৎ ছোট একটা কথা কানে এল।

    লাকি গ্যায়!

    কথাটা বলেছিল বিখ্যাত আর্টিস্ট সোমেশ্বর রাহা তার সামনেই দণ্ডায়মান শ্ৰীমন্ত পালকে।

    কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে সোমেশ্বর একদৃষ্টিতে তাকিয়েছিল অল্প দূরেই ঘনিষ্ঠভাবে পাশাপাশি দণ্ডায়মান মিত্রা সেন ও অশোক রায়ের দিকে।

    সোমেশ্বরের দু-চোখের তারায় মনে হচ্ছিল যেন একটা কুটিল হিংসা ও সঙ্গে আরও একটা কিছু মিশে আছে।

    নিজের অজ্ঞাতেই যেন দৃষ্টিটা আমার সোমেশ্বরের মুখের উপর স্থির হয়ে ছিল। সোমেশ্বরকে ইতিপূর্বে চাক্ষুষ কখনও না দেখলেও ওর আঁকা ছবি দেখেছি। এবং বহু সাময়িক কাগজে ওর অনন্যসাধারণ প্রতিভার সমালোচনা পড়েছি। সেই থেকেই লোকটাকে না দেখলেও মনের মধ্যে ওর প্রতি আমার একটা প্রশংসা ও শ্রদ্ধার ভাব গড়ে উঠেছিল। কিন্তু কখনও ভাবতে পারিনি লোকটার চেহারা এত কুৎসিত। বেঁটে কালো দেখতে। ছোট কপাল, রোমশ জোড়া জ। নাকটা একটু চাপা। গোল গোল চোখ। একমাত্র হাতের মোটা মোটা কুৎসিত রোমশ আঙুলগুলি ছাড়া দেহের আর সমুদয় অংশ সযত্ন পরিধেয় পোশাকে আবৃত থাকলেও বুঝতে কষ্ট হয় না লোকটার শরীরে লোমের একটু আধিক্যই আছে।

    ভাবছিলাম ঐ লোমশ কুৎসিতদর্শন মোটা মোটা আঙুলগুলো কি করে অমন সাদা কাগজের বুকে সূক্ষ্ম শিল্প রচনা করে! লোকটার চেহারা, চোখের দৃষ্টি ও হাতের আঙুল দেখলেই স্বতই মনে হয় লোকটা নিশ্চয় একটা নৃশংস খুনী। অতবড় উঁচুদরের একজন শিল্পী কোনমতেই নয়।

    বিধাতার সৃষ্টি সত্যই আশ্চর্য। নইলে এমন চেহারা ও কাজে এমন বৈচিত্র্য আসে কোথা থেকে আর কোন যুক্তিতেই বা! নিজের চিন্তায় বোধহয় একটু অন্যমনস্ক হয়ে পড়েছিলাম। হঠাৎ দেখলাম চার নম্বর দরজা-পথে কেউ ক্ষণপূর্বে নিশ্চয়ই প্রস্থান করেছে, দরজার কবাটটা ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

    তারপরেই এদিক-ওদিক তাকাতে নজরে পড়ল ঘরের মধ্যে দুটি প্রাণী নেই। অশোক রায় ও মিত্রা সেন। এবং নিজের অজ্ঞাতেই আবার আমার অনুসন্ধানী দৃষ্টিটা ঘুরে গিয়ে পড়ল আর্টিস্ট সোমেশ্বর রাহার মুখের উপরে। দেখলাম সোমেশ্বরের দু-চোখের স্থিরদৃষ্টি সেই চার নম্বরের বন্ধ কবাটের গায়ে যেন পিন দিয়ে কে এঁটে দিয়েছে।

    ক্ষণকাল সেই বন্ধ কটের দিকে তাকিয়ে থেকে সোমেশ্বর ধীরে ধীরে এগিয়ে গিয়ে চার নম্বর দরজাটা খুলে প্রস্থান করল।

    ঘড়িতে ঠিক তখন সাড়ে দশটা বাজতে কয়েক মিনিট বাক।

    দুর্নিবার এক আকর্ষণে সেই চার নম্বর দরজাটা আমায় টানছিল এবং নিজের অজ্ঞাতেই একসময় পায়ে পায়ে সেদিকে যে এলিয়েও গিয়েছি টের পাইনি। দরজার কাছাকাছি প্রায় যখন গিয়েছি হঠাৎ দরজাটা খুলে গেল, মীরজুমলা ট্রে-তে করে আমার পানীয় নিয়ে হলঘরে এসে প্রবেশ করল।

    Your drink, Sir!

    ট্রে থেকে গ্লাসটা তুলে নিতে নিতে আড়চোখে তাকালাম মীরজুমলার মুখের দিকে। মুখখানা যেন তার পাথরে কোঁদা, কিন্তু চোখের কোণে স্পষ্ট যেন মনে হল একটা চাপা হাসির বিদ্যুৎ-চমক।

    মীরজুমলা তিন নম্বর দরজা-পথে বের হয়ে গেল ট্রে-টা হাতে নিয়ে। হলঘরের চারিদিকে আবার দৃষ্টিপাত করলাম। কেউ আমার দিকে চেয়ে আছে কি! কিন্তু না, সকলেই যেন নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত। আমার দিকে কারও যেন হৃক্ষেপও নেই। আমি যে একজন নবাগত তাদের সঙ্ঘে আজ রাত্রে, সে ব্যাপারে কারো মনেই যেন বিন্দুমাত্রও কৌতূহলের উদ্রেক করেনি।

    কিন্তু নিজের কাছেই নিজের আমার যেন কেমন একটা অস্বস্তি লাগছিল। কেমন যেন একটু বিব্রত বোধ করছিলাম।

    প্রেসিডেন্ট আমার সঙ্গে সকলের আলাপ করিয়ে দেওয়া সত্ত্বেও কেউ আমার কাছে এগিয়ে এল না।

    আর আলাপ করবার চেষ্টাও করল না।

    এখানকার নিয়ম-কানুন রীতি-নীতিও আমার সম্পূর্ণ অজ্ঞাত। গায়ে পড়ে এখানে হয়ত কেউ কারও সঙ্গে আলাপ করে না।

    কিন্তু কিসের টানেই বা প্রতি রাত্রে এখানে এতগুলো বিভিন্ন চরিত্রের লোক এসে জড়ো হয়? সামান্য একটু তাস খেলা বিলিয়ার্ড খেলা বা সামান্য একটু ড্রিঙ্কের জন্যই কি? মন কিন্তু কথাটা মেনে নিতে চাইল না অত সহজে।

    কিরীটী যে বলেছিল এবং সুধীরঞ্জনের কথাবার্তাতেও প্রকাশ পেয়েছিল,এ সঙ্ঘটা হচ্ছে আসলে নর-নারীদের একটা যৌন-সংক্রান্ত ব্যাপারে পরস্পরের একটা মিলনকেন্দ্র, কই সেরকমও তো এতক্ষণের মধ্যে তেমন কিছু আমার চোখে পড়ল না। বরং রুচি ও সংযমের পরিচ্ছন্নতাই সকলের মধ্যে লক্ষ্য করছি এযাবৎ।

    তাছাড়া পুলিস বা তৎ-সংক্রান্ত লোকেদের এড়িয়ে চলবার মত কিছুও তো এখনও পর্যন্ত আমার নজরে পড়ল না।

    ভুলেই গিয়েছিলাম যে গ্লাসটা হাতে করেই তখন থেকে দাঁড়িয়ে আছি, একটি সিপ-ও দিইনি পানীয়ে।

    হঠাৎ পাশ থেকে একটি মিষ্ট মৃদু-উচ্চারিত নারীকণ্ঠে চমকে ফিরে তাকালাম।

    কি নাম আপনার?

    সুবেশা মধ্যবয়সী এক নারী ইতিমধ্যে কখন আমার পশ্চাতে এসে নিঃশব্দে দাঁড়িয়েছেন টেরই পাইনি। আমি যখন এ ঘরে প্রবেশ করি তখন ওঁকে দেখিনি। নিশ্চয়ই পরে কোন এক সময় এসেছেন।

    আগন্তুক মহিলা খুব সুন্দরী না হলেও প্রসাধন-নৈপুণ্যে সুন্দরীই মনে হচ্ছিল। মৃদুকণ্ঠে আমার ছদ্মনামটা উচ্চারণ করলাম, সত্যসিন্ধু রায়।

    আমার নাম বিশাখা চৌধুরী। আপনাকে আগে কখনও দেখিনি তো বৈকালী সঙ্ঘে?

    না। আজই প্রথম এসেছি।

    কারও সঙ্গে বুঝি এখনও আলাপ হয়নি?

    নামেমাত্র কারও কারও সঙ্গে পরিচয়ের সুযোগ হয়েছে, তার বেশি হয়নি।

    তা এখানে এই ঘরের মধ্যে রয়েছেন কেন? আমার তো বদ্ধ ঘরে প্রাণ হাঁপিয়ে ওঠে।

    উপায় কি? কোথায় আর যাব?

    কেন, গার্ডেনে চলুন না! Its a lovely place!

    গার্ডেন!

    হ্যাঁ। ও, আপনি তো নতুন! এ বাড়ির কিছুই জানেন না! চলুন গার্ডেনে যাওয়া যাক।

    বেশ তো, চলুন।

    বিশাখা চৌধুরীকে অনুসরণ করে তিন নম্বর দরজার দিকে এগিয়ে চললাম। দরজা ঠেলে প্রথমে তিনি বের হলেন, তাঁর পিছনে আমিও হলঘর থেকে বের হলাম। সরু একটা প্যাসেজ। স্বল্পশক্তির একটামাত্র বিদ্যুৎবাতির আলো প্যাসেজে। এবং সেই স্বল্পালোকে নির্জন প্যাসেজটা যেন কেমন থমথমে মনে হয়। প্যাসেজের দু-পাশে গোটা দুই বন্ধ দরজা আর একটা জানলা পার হয়ে দ্বিতীয় জানলার পাশ দিয়ে যাবার সময় হঠাৎ চমকে উঠলাম। খোলা জানলার পথে স্বল্প আলো-আঁধারিতে মনে হল যেন একখানা মুখ চট করে সরে গেল। এবং শুধু মুখই নয়, একজোড়া চোখের অন্তর্ভেদী দৃষ্টি।

    যে মুখখানা ক্ষণেকের জন্য আমার দৃষ্টিপথে পড়েছিল, পলকমাত্রেই সে মুখখানা কিন্তু চিনতে আমার কষ্ট হয়নি। ওয়েটার মীরজুমলার মুখ।

    চোখের তারায় সেই সরীসৃপ চাউনি। বুঝলাম নতুন আগন্তুক আমি এ গৃহে এবং আমাকে তিনজন মেম্বারের সুপারিশে এখানে প্রবেশাধিকার দিলেও প্রখর দৃষ্টিই আছে আমার উপরে।

    এমনি নিছক কৌতূহলেই সেই প্রখর দৃষ্টি আমার উপর পতিত হয়েছে, না আমাকে সন্দেহ করেই এরা আমার প্রতি দৃষ্টি রেখেছে সেটাই বুঝতে পারলাম না। সে যাই হোক, বুঝলাম সাবধানের মার নেই, আমাকে এখানে সতর্ক ও সজাগ হয়ে চলতে হবে।

    প্যাসেজটা শেষ হয়েছে একটা দরজায়। সে দরজাটা খুলতেই বিদ্যুতালোকে আমার চোখে পড়ল একটা লোহার ঘোরানো সিঁড়ি ধাপে ধাপে নীচে নেমে গিয়েছে।

    আসুন! বিশাখা সিঁড়ির ধাপে পা দিলেন।

    আমিও তাঁকে অনুসরণ করলাম।

    সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতেই চোখে পড়ল একটি উদ্যান। নানা আকারের গাছপালাই নজরে পড়ল। আরও নজরে পড়ল উদ্যানের মধ্যে স্বল্পশক্তির নীল বিদ্যুবাতি জ্বলছে মধ্যে মধ্যে। এদিকে-ওদিকে ছড়ানো ছোট ছোট ঝোপের মতও আছে। আর আছে একটা ঘর উদ্যানের দক্ষিণ প্রান্তে। লোহার ঘোরানো সিঁড়িটা দিয়ে নেমে বিশাখার সঙ্গে উদ্যানে এসে দাঁড়ালাম।

    ঝিরঝিরে একটা ঠাণ্ডা বাতাসের ঝাপটা চোখেমুখে যেন একটা ঠাণ্ডা স্পর্শ দিয়ে গেল। সরু সরু সিমেন্ট-বাঁধানো রাস্তা উদ্যানের মধ্যস্থলে একটি গোলাকার বাঁধানো জায়গা থেকে যেন চারিদিকে হাত বাড়িয়েছে। বাঁধানো রাস্তার পরেই ঘাসের কোমল সবুজ কার্পেট যেন চারিদিকে বিছানো। তার মধ্যে মধ্যে সযত্ন-বর্ধিত নানা আকারের গাছপালা ও ঝোপ। সব কিছুর ভিতরেই যেন একটা সুপরিকল্পিত প্ল্যানের নির্দেশ আছে বলে মনে হয়।

    উদ্যানটি যে কতখানি জায়গা জুড়ে বিস্তৃত সঠিক বোঝবার উপায় নেই। কারণ সীমানা সেই স্বল্প নীলাভ আলোয় রাত্রে চোখে পড়ল না।

    আবছা আলো-ছায়ার মধ্যে দিয়ে সরু বাঁধানো পথ ছেড়ে ঘাসের উপর দিয়েই ধীরে ধীরে হেঁটে চলেছিলাম। আমার সঙ্গিনীর মনে তখন কি চিন্তা ছিল জানি না, কিন্তু আমার মনের সবটা জুড়েই সরু প্যাসেজ দিয়ে আসবার সময় ক্ষণেকের জন্য দেখা জানলা-পথে মীরজুমলার সেই পাথরে-খোদাইকরা মুখ ও সরীসৃপের মত দুটি চোখের দৃষ্টিভেসে বেড়াচ্ছিল। আমার সমস্ত চিন্তা যেন তাতেই নিবদ্ধ ছিল।

    হঠাৎ বিশাখার কণ্ঠস্বরে চমকে উঠলাম, কেমন লাগছে এ জায়গাটা, সত্যসিন্ধুবাবু?

    অ্যাঁ!

    কি ভাবছিলেন বলুন তো?

    কই, কিছু না।

    একটা কথা বলব, মিঃ রায়?

    বলুন না।

    সত্যসিন্ধু! আপনার নামটা যেন কেমন!

    কেন বলুন তো?

    সে জানি না, তবে ও নামে আমি কিন্তু আপনাকে ডাকতে পারব না।

    সে কি! তবে কি নামে ডাকবেন?

    কেন? ঐ পোশাকী নামটা ছাড়া আপনার কি আর অন্য কোন নাম নেই? মানুষের তো কত সময় ডাকনামও দু-একটা থাকে!

    ডাকনাম?

    হ্যাঁ। এই ধরুন না, যেমন আমার ডাকনাম শিলু। এখন অবিশ্যি ও নামে ডাকবার আর কেউ নেই। তবে ছোটবেলায় ঐ নামটা ধরেই সকলে আমাকে ডাকত। বলুন না, আপনার ডাকনামটা কি?

    ঐ নামটি ছাড়া তো আমার আর দ্বিতীয় কোন নাম নেই বিশাখা দেবী। তবে ইচ্ছে করলে আপনি আমাকে সত্যবাবু বলেও ডাকতে পারেন।

    কারা যেন এদিকে আসছে!

    সত্যিই চেয়ে দেখি একটি পুরুষ ও একটি নারী-মূর্তি পরস্পর গা-ঘেঁষাঘেঁষি করে মন্থর পদে হাঁটতে হাঁটতে এই দিকেই আসছে।

    অস্পষ্ট আলোয় তাদের মুখ পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে না।

    চলুন ঐ ঝোপের ধারে একটা বেঞ্চ আছে, সেখানে গিয়ে আমরা বসি।

    রেডিয়াম ডায়েল দেওয়া হাতঘড়িটার দিকে তাকিয়ে দেখলাম রাত প্রায় এগারোটা বাজতে চলেছে। বললাম, এবারে যাব ভাবছি!

    কোথায়?

    বাড়িতে।

    বাড়িতে বুঝি রাত জেগে বসে আছেন মিসেস?

    মৃদু হাসলাম বিশাখার কথায়।

    হাসলেন যে? প্রশ্ন করলেন বিশাখা।

    আপনার কথায়।

    কেন?

    তার কারণ বিয়েই করিনি তো মিসেসের ভাগ্য আসবে কোথা থেকে?

    সে কি! বাঙালীর ছেলে, এত উপার্জন, এখনও বিয়ে করেননি?

    না।

    আশ্চর্য! কেন বলুন তো?

    কেন আর কি! সুযোগ হয়ে ওঠেনি।

    বিয়ে করার সুযোগ হয়ে ওঠে নি?

    না। তাছাড়া শুধু সুযোগই তো নয়, মনের একটা তাগিদও তত থাকা দরকার বিয়ের ব্যাপারে।

    ইতিমধ্যে কথা বলতে বলতে আমরা দুজনে এসে বিশাখা-বর্ণিত ঝোপের ধারে একটা বেঞ্চের উপরে পাশাপাশি বসেছিলাম।

    বাড়িতে মিসেসের তাগিদই যখন নেই তখন বাড়ি ফেরবার জন্য এত তাড়াই বা কিসের?

    রাত হল।

    নিজের ছোট্ট হাতঘড়ির দিকে তাকিয়ে সময়টা দেখে নিয়ে বিশাখা এবারে বললেন, মাত্র তো এগারটা! রাতের তো এখনও সবটাই বাকি!

    হঠাৎ এমন সময় কানে এল মৃদু ভায়োলিন বাজনার শব্দ।

    আশেপাশে কে যেন ভায়োলিন বাজাচ্ছে মনে হচ্ছে? প্রশ্ন করলাম।

    হ্যাঁ।

    কে বাজাচ্ছে বলুন তো?

    সুধী বাজাচ্ছে।

    সুধী!

    মানে সুধীরঞ্জন?

    হ্যাঁ। চেনে নাকি তাকে?

    হ্যাঁ। আপনাদের এখানকার সভ্য-সভ্যাদের মধ্যে ঐ একজনের সঙ্গেই যা একটু-আধটু পূর্ব-পরিচয় আছে।

    সিনিক!

    কে?

    কে আবার, আপনার ঐ সুধীরঞ্জন!

    কেন?

    কিন্তু আমার কেনর জবাব দিলেন না বিশাখা। চুপ করে রইলেন। সেরাত্রে বুঝতে পারলেও পরে বুঝছিলাম সুধীরঞ্জনকে কেন বিশাখা চৌধুরী সেরাত্রে সিনিক বলেছিলেন! যাহোক বিশাখার আমার প্রশ্নের জবাব দেবার অনিচ্ছাটা বুঝতে পেরে আমিও অন্য প্রশ্ন তুললাম। বললাম, এখানে এসে সুধী কারও সঙ্গে বুঝি মেশে না? আপনার মনে একা একা বেহালা বাজায়? তা বেহালা বাজাবার জন্য এখানেই বা ওকে আসতে হবে কেন তাও তো বুঝতে পারছি না!

    কে বললে সুধী এখানে বেহালা বাজাতে আসে? ও বেহালা বাজানো শেখাচ্ছে!

    বেহালা বাজানো শেখাচ্ছে? এই অন্ধকার বাগানের মধ্যে?

    মনের মানুষকে বেহালা বাজানো শেখাবার জন্যে আলো বা আঁধারের ঘর বা বাগানের মধ্যে কোন পার্থক্য আছে নাকি?

    মনের মানুষ!

    হ্যাঁ। শনিবার রাত্রে ও আসে মৃদুলোকে বেহালা শেখাবার জন্যে।

    আর কৌতূহল প্রকাশ করা হয়ত উচিত হবে না। তাই চুপ করে গেলাম। মৃদু শব্দে বেহালা বাজালেও এমন চমৎকার সুরের একটা আকৃতি সে বাজনার মধ্যে ছিল যা আমার শ্রবণেন্দ্রিয়কে স্বভাবতই সেইদিন আকর্ষণ করছিল।

    রাত হয়ে যাচ্ছে, তবু যাবার কথাও যেন ভুলে গেলাম।

    সুধী এত চমৎকার বেহালা বাজায়, কই আগে তো কখনও জানতে পারিনি!

    হঠাৎ আবার চমক ভাঙল বিশাখার কণ্ঠস্বর, চলুন সত্যসিন্ধুবাবু, উঠুন।

    উঠব?

    হ্যাঁ। এই যে বলছিলেন রাত হয়ে যাচ্ছে, বাড়ি যাবেন? যাবেন না?

    হ্যাঁ চলুন।

    উঠে দাঁড়ালাম।

    .

    আরও তিন রাত্রি বৈকালী সঙ্ঘে যাতায়াত করবার পর বিশাখা চৌধুরীর পরিচয় আর একটু পেলাম।

    ফিলসফির বিখ্যাত প্রফেসর স্বর্গীয় ডক্টর প্রতুল চৌধুরীর বিধবা স্ত্রী হচ্ছেন বিশাখা চৌধুরী। বয়স পঁয়তাল্লিশোত্তীর্ণ।

    দুটি মেয়ে, তাদের দুজনেরই বিবাহ হয়ে গিয়েছে। তারা শশুর-গৃহে। ডক্টর চৌধুরী নেহাত কিছু কম রেখে যাননি তাঁর বিধবা স্ত্রীর জন্য। কলকাতার উপর একখানা বাড়ি ও মোটামুটি কিছু ব্যাঙ্ক-ব্যালেন্স ও শেয়ারের কাগজ।

    ইচ্ছা করলে বিশাখা চৌধুরী তাঁর বাকি জীবনটা আরামেই কাটিয়ে দিতে পারতেন। কিন্তু গত-যৌবনা, দুটি সন্তানের জননী বিশাখার মনে কামনার আগুন তখনও নিঃশেষে নির্বাপিত হয়নি। তাই তাঁকে ছুটে আসতে হয়েছিল ঘরের বাইরে, বৈকালী সঙ্ঘের রাতের আসরে। প্রতি রাতে বৈকালী সঙ্ঘে তিনি আসতেন সেই অতৃপ্ত কামনার তাগিদেই। এবং সামনে যাকে পেতেন তাকেই আঁকড়ে ধরবার চেষ্টা করতেন। তিন রাত্রের আলাপেই সেটা আমার আর জানতে বাকি ছিল না। কিন্তু সে কথা জানতে পারা সত্ত্বেও আমি তাঁকে নিরুৎসাহ করিনি, কারণ তখন তাঁকে ঘিরে অন্য একটা চিন্তা আমার মনের মধ্যে উদয় হয়েছে। ওঁকে হাতে রাখতে পারলে এখানে আমি কতকটা নিশ্চিন্তে এবং নির্ভয়েই আসা-যাওয়া করতে যে পারব তা বুঝেছিলাম।

    পঞ্চম রাত্রে হঠাৎ চমকে উঠলাম আর এক নবাগতার মুখের দিকে তাকিয়ে। পঞ্চম রাত্রি অবিশ্যি আমার পর পর আসা নয়। বৈকালী সঙ্ঘে আমার পঞ্চম রাত্রি আসা গত কুড়িদিনে। আজ আবার দ্বিতীয়বার রাজেশ্বর চক্রবর্তীকে দেখলাম বৈকালী সঙ্ঘে।

    ইতিমধ্যে আর তাঁকে দেখতে পাইনি।

    নিয়মানুযায়ী আজও প্রেসিডেন্ট রাজেশ্বর চক্রবর্তীই এক নবাগতাকে সঙ্ঘের অন্যান্য মেম্বারদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছিলেন।

    কুমারী মীনা রায়।

    আমি চমকে উঠেছিলাম কুমারী মীনা রায়ের মুখের দিকে তাকিয়ে এইজন্য যে প্রথম দৃষ্টিতেই একটু ভাল করে লক্ষ্য করতেই তাকে চিনতে কষ্ট হয়নি।

    কৃষ্ণা বৌদি। কিরীটী-মহিষী।

    এমনিতেই চোখ-ঝলসানো রূপ আর চেহারা কৃষ্ণার। তার উপরে আজ তার বেশ ও প্রসাধনে একটা অভূতপূর্ব চাকচিক্য ছিল, যাতে করে পুরুষ তো ছার মেয়েদেরও মনে আকর্ষণ জাগায়। এবং সেই কারণেই বোধ হয় সেরাত্রে আমার আবির্ভাবে কেউ আমার দিকে ফিরে না তাকালেও, আজ ঘরের মধ্যে উপস্থিত পনেরজন বিভিন্ন বয়েসী নরনারীর ত্রিশজোড়া কৌতূহলী চোখের দৃষ্টি যেন একঝাঁক ধারালো তীরের মতই কৃষ্ণাকে গিয়ে তার সর্বাঙ্গে বিদ্ধ করল। এবং তাকিয়েই রইল সকলে।

    মনে হচ্ছিল আজ রাত্রে বৈকালী সঙ্ঘের মক্ষীরানী শ্রীমতী মিত্রা সেন এসে তার পাশে দাঁড়ালেও বুঝি ম্লান হয়ে যেতেন। কিন্তু মিত্রা সেন সে-সময়ে এসে তখনও পৌঁছাননি। যদিও সেটা শনিবারই ছিল।

    প্রেসিডেন্ট রাজেশ্বর চক্রবর্তীতাঁর কর্তব্য-কাজটুকু সম্পাদন করে ঘর ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন।

    এবং নীলাম্বর মিত্র ও মনোজ দত্ত কৃষ্ণার সঙ্গে আলাপ করার জন্য ব্যস্ত হয়ে উঠেছিলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিরীটী অমনিবাস ৪ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    Next Article কিরীটী অমনিবাস ১২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    Related Articles

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৪ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৫ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }