Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কিরীটী অমনিবাস ৪ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত এক পাতা গল্প436 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৮. মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য

    মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সিভিল সার্জনের কাছে সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, অতএব সে কাজ শেষ হওয়ার পূর্বে সৎকারের কোন ব্যবস্থাই হতে পারে না। তথাপি আজ হোক বা কাল হোক সৎকার তো করতেই হবে। দুঃশাসন ও বৃহন্নলা সেক্রেটারি প্রাণতোষবাবু ও তহশীলদার কুণ্ডলেশ্বর শর্মার সঙ্গে নিচের মহালে বাইরের ঘরে তারই ব্যবস্থার জন্য নিম্নস্বরে আলাপ-আলোচনা করছিলেন পরস্পরের মধ্যে। মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সাধারণতঃ গৃহস্থঘরে যে স্বাভাবিক কান্নাকাটি ও শোকপ্রকাশ কয়েকটা দিন ধরে চলে অব্যাহত গতিতে তার কিছুই যেন নেই এক্ষেত্রে।

    কে জানে, স্বাভাবিক মৃত্যু না হয়ে হত্যা বলেই হয়ত এই স্তব্ধতা। গত রাত্রে ব্যাপারটা জানাজানি হবার পর হতে কেউ হয়ত একফোঁটা চোখের জল ফেলেনি, কান্না তো দুরের কথা। অথচ স্বাভাবিক ভাবে সকলেরই হয়ত শোক করা কর্তব্য ছিল।

    শোক নেই তবু যেন বাড়ির মধ্যে সর্বত্র একটা শ্বাসরোধকারী বিষণ্ণতা থমথম করে। সবাই। যেন কেমন ভীতসন্ত্রস্ত।

    সকলেই যেন কান পেতে আছে একটা কিছু শোনবার জন্যে, অবশ্যম্ভাবী একটি পরিণতির আশঙ্কায় প্রত্যেকেই যেন শঙ্কিত, ব্যাকুল হয়ে প্রহর গুনছে।

    নিহত হবার আগে রোগশয্যায় শুয়ে অসুস্থ রায়বাহাদুর গত কয়েকদিন ধরে বলতে গেলে দিবারাত্র যে দুঃস্বপ্ন দেখছিলেন জাগ্রত ও নিদ্রিত সকল অবস্থাতেই, সেই দুঃস্বপ্নেরই অশরীরী প্ৰেতটা যেন এখন এ বাড়ির প্রত্যেকের মনের উপর চেপে বসেছে। যেন সকলকে আচ্ছন্ন করে ফেলছে।

    .

    শ্রীনিলয়ের পেটা ঘড়িতে ঢং ঢং করে বেলা দুটো ঘোষণা করে।

    কিরীটী তার নির্দিষ্ট ঘরের মধ্যে ডাঃ সানিয়ালের সঙ্গে মুখোমুখি বসে কথা বলছিল। একটু আগে সে দালাল সাহেবের প্রেরিত অনুচরের মুখে সংবাদ পেয়েছে পলাতক শকুনি ঘোষ শেষ পর্যন্ত পুলিসের চোখ এড়িয়ে বেশীদূর পালাবার আগেই ধরা পড়েছে ও তাকে থানায় নিয়ে গিয়েছে।

    ধরেছেন তাকে অবশ্য দালাল সাহেব নিজেই। কিছুদূরে একটা কোলিয়ারীতে জরুরী একটা তদন্তে নিজের গাড়িতে করে দালাল সাহেব যাচ্ছিলেন, এমন সময় পথের মধ্যে একেবারে দুখানা গাড়ি দুইদিক হতে মুখোমুখি হওয়ায় শকুনি ঘোষের অবস্থাটা সঙ্গীন হয়ে ওঠে এবং একপ্রকার বাধ্য হয়েই দালাল সাহেবের পূর্ব নির্দেশকে অমান্য করে স্থানত্যাগ করবার অপরাধে ধৃত হয়ে সরাসরি একেবারে সশস্ত্র প্রহরীর হেপাজতে হাজতে প্রেরিত হয়েছে। সংবাদটা অবশ্য একমাত্র কিরীটী ও ডাঃ সানিয়াল ব্যতীত এ বাড়ির একটি প্রাণীও জানে না বা কাউকে জানতে দেওয়া হয়নি।

    কিছুক্ষণ পূর্বে কিরীটী ও ডাঃ সানিয়ালের মধ্যে শকুনি ঘোষ সম্পর্কেই কথা হচ্ছিল। তবে কি শকুনিবাবুই অপরাধী মিঃ রায়? প্রশ্ন করেন ডাঃ সানিয়াল।

    মনে মনেও অন্ততঃ তিনি কিছুটা অপরাধী বৈকি। নচেৎ ওভাবে হঠাৎ তিনি পালাবার চেষ্টাই বা করবেন কেন? কিরীটী মৃদু হেসে জবাব দেয়।

    আপনার কি সত্যিই মনে হয় স্পষ্ট করে বলুন মিঃ রায়। আপনার ধারণা কি তাহলে শকুনি ঘোষই কাল রাত্রে—কথাটা বলে ব্যগ্র দৃষ্টিতে তাকালেন ডাঃ সানিয়াল কিরীটীর মুখের দিকে।

    প্রশ্নটা আপনার বড় direct ডাক্তার, এক্ষেত্রে অবিশ্যি সত্যিকারের সংবাদটা গোপন করে যাওয়াটাও একটা মস্তবড় অপরাধ। তাছাড়া এমনও তো হতে পারে, নিজের হাতে হত্যা

    করলেও উনি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে হত্যাকারীকে সাহায্য করেছেন। বিচারের দৃষ্টিতে ও আইনে murder ও abetment of murder—দুটো charge কি একই পর্যায়ে পড়ে না?

    তবে কি–

    ক্ষমা করবেন, অত স্পষ্ট করে কিছুই আমি বলতে চাই না ডাক্তার, তবে শকুনি ঘোষ যে নির্বুদ্ধিতার পরিচয় দিয়েছেন একথাও আমি বলব, তাছাড়া এটা হয়ত তাঁর জানা ছিল না, বাঘে একবার কামড়ালে আঠারো জায়গায় ঘা হয়। ও বড় মারাত্মক ছোঁয়া। বলতে বলতে হঠাৎ প্রসঙ্গান্তরে উপস্থিত হয়ে কিরীটী ডাক্তারের চোখে চোখ রেখে বলে, কিন্তু আপনাকেও যে আমার কয়েকটা কথা জিজ্ঞাস্য ছিল ডাক্তার!

    আমাকে?

    হ্যাঁ।

    কি বলুন তো?

    অবশ্য কথাটা সম্পূর্ণই আমার ও আপনার মধ্যেই আবদ্ধ থাকবে, কোন তৃতীয় ব্যক্তি জানতে পারবে না।

    বলুন না কি জানতে চান মিঃ রায়।

    কথাটা সুলতা কর সম্পর্কে।

    সুলতা!

    কথাটা বলার সঙ্গে সঙ্গেই ডাঃ সানিয়ালের মুখখানা যেন রক্তিম হয়ে ওঠে। আপনা হতেই দুচোখের দৃষ্টি নত হয়ে আসে ডাক্তারের।

    কিরীটী মনে মনে না হেসে পারে না। এবং কৌতুকের লোভটাও সম্বরণ করতে পারে না।

    স্মিত কণ্ঠে বলে, ডাক্তার, মনের খোঁজ নিয়ে মন দিয়েছিলেন তো?

    লাজরক্তিম মুখটা তুলে ডাক্তার বলেন, যাঃ, কি যে বলেন মিঃ রায়! Simply I liked that girl, বেশ মেয়েটি!

    সে বিষয়ে আমিও নিঃসন্দেহ, তবু বলব মনটা দেবার আগে বোধহয় একটু যাচাই করে নিলে পারতেন।

    ডাঃ সানিয়াল যেন চমকে ওঠেন কিরীটীর শেষের কথায়।

    তাই-ই ডাক্তার, কারণ মহাভারতের উপাখ্যানের সঙ্গে এখানে সামান্য একটু উল্টোপাল্টা হয়ে গিয়েছে। মাতুল না হয়ে এখানে হয়েছেন ভাগিনেয়। দুর্যোধন মাতুল, ভাগিনেয় শকুনি।

    বিস্মিত দৃষ্টিতে ডাক্তার কিরীটীর মুখের দিকে তাকায়।

    শকুনি!

    হ্যাঁ। সংবাদটা কিন্তু আপনার রাখা উচিত ছিল।

    শকুনি?

    তাই। আশ্চর্য, এই সহজ ব্যাপারটা আপনার চোখে পড়েনি! সুলতা দেবীর প্রতি শকুনির চাউনিটাই তো ইতিপূর্বে আমার কাছে সংবাদটা ব্যক্ত করেছিল ডাক্তার!

    কিন্তু সুলতা–

    তা অবশ্য আমার চাইতে আপনারই বেশী জানবার কথা। কিন্তু রাত্রে কফি দিতে গিয়ে যে এদিকে আপনি একটা প্রচণ্ড জটিলতার সৃষ্টি করে ফেলেছেন!

    জটিলতা!

    হ্যাঁ। প্রতি রাত্রেই তাকে আপনি কফি দিয়ে আসতেন ইদানীং, তাই তো?

    ডাক্তার সানিয়াল লজ্জায় আবার দৃষ্টি নত করলেন।

    সুলতা দেবী বলেছেন, গতরাত্রেও নাকি আপনিই তাকে কফি দিয়ে এসেছেন অথচ তার জানা নেই যে আমরা আপনার ঘরে ঠিক গতরাত্রে ঐ সময়টায় উপস্থিত থাকায় লজ্জা। এসে আপনাকে আপনার চরণ ধরে বাধা দিয়েছিল।

    কি বলছেন আপনি মিঃ রায়! আমি তো কাল–

    জানি। আপনি তাকে কফি দেননি—অন্ততঃ গতকাল রাত্রে। অথচ মজা কি জানেন, আপনি দিলেও লোকে জেনেছে আপনিই দিয়ে এসেছেন। শুধু তাই নয়, যাকে দিয়েছেন তারও। সুনিশ্চিত ধারণা তাই।

    সে কি!

    হ্যাঁ। একেই বলে শয়তানীর চাতুরী…..

    কিন্তু কিরীটীর বক্তব্য শেষ হল না, বাইরে থেকে বন্ধ দরজার কপাটের গায়ে অত্যন্ত মৃদু একটা করাঘাত শোনা গেল।

    নিশ্চয়ই রুচিরা দেবী! আপনি একটু অনুগ্রহ করে বাইরে যান ডাক্তার ওপাশের ঐ দরজাটা দিয়ে, ওঁর সঙ্গে আমার কয়েকটি কথা আছে।

    নিশ্চয়ই। ডাঃ সানিয়াল আর কোনরূপ মন্তব্য না করেই কিরীটীর নির্দেশমত ঘরের দ্বিতীয় দ্বারপথে বের হয়ে গেলেন।

    এবং পরক্ষণেই দরজার গায়ে আবার মৃদু করাঘাত শোনা গেল।

    আসুন রুচিরা দেবী! কিরীটী মৃদু কণ্ঠে আহ্বান জানায়।

    রুচিরাই।

    রুচিরা দ্বার ঠেলে ঘরের মধ্যে প্রবেশ করল।

    কিরীটী মৃদু শান্ত কণ্ঠে বলে রুচিরাকে, আসুন। বসুন ঐ চেয়ারটায় রুচিরা দেবী।

    রুচিরা নিঃশব্দে কিরীটী-নির্দিষ্ট চেয়ারটা টেনে নিয়ে বারেকের জন্য কিরীটীর মুখের দিকে চেয়ে একেবারে কিরীটীর মুখোমুখি বসল।

    খোলা জানালাপথে শীতের পড়ন্ত রৌদ্রালোক ঘরের মধ্যে এসে প্রবেশ করেছে। দিনশেষের শেষ লিপি যেন।

    কিরীটী রুচিরার দিকে চেয়ে থাকে নিঃশব্দে।

    রুচিরার পরিধানে একটা গেরুয়া রঙের দামী মিলের শাড়ি। গায়ে একটা ফিকে আকাশ-নীল রঙের দামী কাশ্মীরী শাল জড়ানো। মাথায় তৈলহীন রুক্ষ চুল এলো খোঁপা করে বাঁধা অবস্থায় কাঁধের একপাশে পাকার হয়ে আছে। সত্যিই অপূর্ব সুন্দরী রুচিরা।

    কিরীটী তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষকের দৃষ্টিতে রুচিরাকে দেখছিল। গতরাত্রে প্রথম দৃষ্টিতে যাকে ষোল-সতের বছরের যুবতী বলে মনে হয়েছিল, সুস্পষ্ট দিনের আলোয় তাকে পুনবার ভাল করে দেখতেই যেন তার সে ভুল ভেঙে যায়। মুখখানি অতীব কমনীয় ও ঢলঢলে হলেও রুচিরার বয়স তেইশ-চব্বিশের কম নয়, বরং দু-এক বছর বেশীও হতে পারে।

    অতঃপর কিছুক্ষণ নিস্তব্ধতার মধ্যে অতিবাহিত হবার পর কিরীটী প্রশ্ন করে সর্বপ্রথমে, আপনি তো কলকাতায় বেথুনে পড়েন রুচিরা দেবী?

    হ্যাঁ, আমার ফোর্থ ইয়ার।

    যদি কিছু মনে না করেন, জিজ্ঞাসা করতে পারি কি, আপনার বর্তমান বয়স কত হল?

    বোধ হয় চব্বিশ। মৃদু অনাসক্ত কণ্ঠে রুচিরা জবাব দেয়।

    আপনার পদবী?

    মিত্র।

    আবার কিছুক্ষণ স্তব্ধতা। কিরীটী মনে মনে নিজেকে বোধ করি গুছিয়ে নেবার চেষ্টা করে—কি ভাবে তার আসল বক্তব্যটা এবারে সে শুরু করবে। কিন্তু তার আগে সুযোগ রুচিরাই করে দেয়। সে-ই এবারে কিরীটীর মুখের দিকে চেয়ে প্রশ্ন করে, আমাকে আপনি ডেকেছিলেন কেন মিঃ রায়?

    ও হ্যাঁ, বিশেষ তেমন কিছুই নয় রুচিরা দেবী। গত রাত্রের সম্পর্কে কয়েকটা কথা আপনাকে আমি জিজ্ঞেস করতে চাই, কিন্তু তার আগে আপনার—

    ভ্রুকুটিপূর্ণ দৃষ্টিতে রুচিরা কিরীটীর মুখের দিকে তাকায়।

    মৃদু হেসে কিরীটী বলে, আপনার মাকে বুঝি জানাননি যে ডাঃ সেনের সঙ্গে আপনার পরিচয় আছে?

    কেন বলুন তো!

    কথাটা জিজ্ঞাসা করলাম এইজন্য যে, মিথ্যে তাহলে আর হয়ত আপনাকে অন্যত্র উনি বিবাহের জন্য পীড়াপীড়ি করতেন না।

    আমার মাকে আপনি জানেন না মিঃ রায়, কোন একটা ব্যাপারে মা একপ্রকার সিদ্ধান্ত নিলে তাঁকে সে সিদ্ধান্ত থেকে টলানো দুঃসাধ্য।

    কিন্তু তাতে করে জটিলতা কি আরও বাড়ে না? যাক সে কথা, কিন্তু সমীরবাবুকে অন্ততঃ সে কথাটা জানিয়ে দিলেও হয়ত–

    সেরকম বুঝলে জানাতেই হবে।

    আমি বলব?

    প্রয়োজন নেই। যা করবার আমিই করব।

    বেশ। এবার তাহলে আমার দ্বিতীয় প্রশ্নে আসা যাক।

    কিন্তু যা আমি জানতাম সবই তো দালাল সাহেবকে কাল রাত্রেই বলেছি!

    বলেছেন সত্যি, তবে আরও আমার কিছু জিজ্ঞাস্য আছে।

    বিস্মিত সপ্রশ্ন দৃষ্টিতে তাকাল রুচিরা কিরীটীর মুখের দিকে।

    দেখুন মিস মিত্র, যে প্রশ্নগুলো আপনাকে আমি করব, জানবেন তার জবাবের ওপর আপনার বড়মামা রায়বাহাদুরের হত্যার ব্যাপারটা অনেকখানি নির্ভর করছে।

    কি প্রশ্ন?

    প্রশ্নগুলো অবশ্য কিছুটা গত রাত্রেরই পুনরুক্তি বলতে পারেন। তবু বলছি এজন্য যে কিছু কিছু ব্যাপার আরও স্পষ্ট করে আমি জানতে চাই।

    কি জানতে চান বলুন?

    গত রাত্রে আপনার মামার নিহত হবার কথাটা জানবার আগে আপনি কোথায় ছিলেন ও কি অবস্থায় ছিলেন? অর্থাৎ ঠিক ঐ সময়টাতে-সোয়া তিনটে থেকে পৌনে চারটে পর্যন্ত আপনি জেগে ছিলেন, না ঘুমিয়ে ছিলেন?

    মুহূর্তকাল কিরীটীর মুখের দিকে চেয়ে অত্যন্ত মৃদু কণ্ঠে রুচিরা জবাব দেয়, আমি আমার ঘরে তখনও জেগেই ছিলাম। ঘুম আসছিল না বলে শুয়ে শুয়ে একটা উপন্যাস পড়ছিলাম।

    কিরীটীর মনে হয় রুচিরা যেন শেষের দিকে একটু ইতস্ততঃ করে কথাটা শেষ করল।

    হুঁ, কাল তাহলে মিথ্যে কথা বলেছিলেন যে আপনি ঐ সময় ঘুমোচ্ছিলেন! যাক গে, কাল রাত্রের মতই এমনি রাত জেগে উপন্যাস পড়াটাই কি আপনার অভ্যাস?

    না। তবে ঘুম না আসা পর্যন্ত পড়ি।

    পাশের ঘরে আপনার মা ঘুমিয়ে ছিলেন?

    হ্যাঁ।

    কিরীটী ক্ষণকাল আবার চুপ করে থাকে। অতঃপর বলে, কেউ আপনার ঘরে ঐ সময় আর ছিল না?

    রুচিরা মুহূর্তকাল যেন আবার একটু ইতস্ততঃ করে, তারপর বললে, না।

    জবাবটা মৃদু। হঠাৎ কিরীটী বলে ওঠে, শুনুন রুচিরা দেবী, সকালবেলা তখন নটা-দশটার সময়ই হবে, আপনি যখন আপনার ঘরে ছিলেন না, সেই সময় আপনার ঘরের মধ্যে আপনার বিনানুমতিতেই আমাকে একবার বাধ্য হয়েই যেতে হয়েছিল—

    আপনি আমার ঘরে গিয়েছিলেন! বিস্মিত দৃষ্টিতে তাকায় রুচিরা কিরীটীর মুখের দিকে।

    হ্যাঁ, শুধু আপনার ঘরেই নয়—আপনাদের প্রত্যেককেই না জানিয়ে প্রত্যেকের ঘরেই আমাকে যেতে হয়েছিল। অবশ্য ক্ষমা চাইছি সেজন্য। এবং জানেন না আপনারা কেউ যে, প্রত্যেকের ঘরেই আমি কিছু-না-কিছু সূত্রের সন্ধান পেয়েছি।

    সূত্রের সন্ধান!

    হ্যাঁ।

    আমার ঘরে? রুচিরা হঠাৎ যেন প্রশ্নটা করে।

    হ্যাঁ, আপনার ঘরেও। বলতে বলতে কিরীটী পকেটের মধ্যে সহসা হাত ঢুকিয়ে কয়েকটি দগ্ধাবশেষ সিগারেটের অংশ বের করে প্রসারিত হাতের পাতার উপর রেখে হাতটা রুচিরা দেবীর চোখের সামনে এগিয়ে ধরল এবং মৃদুকণ্ঠে বললে, এই বিশেষ সিগারেটের দগ্ধাবশেষগুলো আপনার ঘরের মেঝেতে কুড়িয়ে পেয়েছি মিস মিত্র। Special Turkish brand সিগারেট! নিশ্চয়ই আপনার ধূমপানের অভ্যাস নেই?

    স্তম্ভিত নির্বাক, অসহায় দৃষ্টিতে কিছুক্ষণ রুচিরা কিরীটীর প্রসারিত হাতের উপর রক্ষিত সিগারেটের অংশগুলির দিকে চেয়ে থাকে।

    সামান্য শব্দও তার কণ্ঠ থেকে নির্গত হয় না।

    আরও বলছি শুনুন, খোঁজ নিয়ে জেনেছি গতরাত্রে এ বাড়িতে যাঁরা উপস্থিত ছিলেন তাঁদের মধ্যে একমাত্র সমীরবাবুই এই brand-এর সিগারেটে অভ্যস্ত এবং একটু বেশী মাত্রাতেই ধূমপান করে থাকেন তিনি।

    নিষ্করুণ ও কঠোর কিরীটীর অদ্ভুত শান্ত কণ্ঠস্বর।

    অব্যর্থ তীক্ষ্ণ শর সে যেন নিক্ষেপ করেছে।

    শরাহত পক্ষিণীর দৃষ্টি রুচিরার দুই চোখের তারায় ঘনিয়ে ওঠে। একটা বোবা যন্ত্রণা যেন তার চোখমুখে স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

    রুচিরা দেবী! আবার কিরীটীর কণ্ঠস্বর শোনা গেল, এবারে বলবেন কি, অত রাত্রে সমীরবাবু কেন আপনার ঘরে গিয়েছিলেন? এবং কখনই বা গিয়েছিলেন, আর কতক্ষণই বা সেখানে মানে আপনার ঘরে ছিলেন?

    তথাপি নির্বাক রুচিরা।

    জবাব দিন রুচিরা দেবী! রায়বাহাদুরের হত্যার ব্যাপারে একবার যদি আপনি তালিকার মধ্যে এসে যান, আপনারও অবস্থা ঠিক আপনার মাসতুতো ভাই শকুনির মতই হবে—হাজত

    একটা অস্ফুট আর্ত শব্দ কেবল রুচিরার কণ্ঠ হতে নির্গত হল। কিন্তু কোন কথাই সে বলতে পারল না।

    কিরীটী আবার বলে, শুনুন, মিথ্যে আপনি নিজেকে গোলমালের মধ্যে জড়িয়ে ফেলছেন। হত্যার ব্যাপারে সন্দেহ—এ ঠিক মাকড়সার বিষাক্ত রস-গরল। গরল গায়ে লাগলেই ঘা দেখা দেবে। Come out with it! বলুন–

    বিশ্বাস করুন মিঃ রায়, সত্যিই আমি মামার হত্যার ব্যাপারের কিছুই জানি না।

    অত্যন্ত দ্রুত কথাগুলি বলে রুচিরা যেন হাঁপাতে থাকে।

    সে কথা তো আপনাকে আমি জিজ্ঞাসা করিনি। আমি জিজ্ঞাসা করছি কাল রাত্রে কখন সমীরবাবু আপনার ঘরে গিয়েছিলেন এবং কতক্ষণই বা ছিলেন? কেনই বা গিয়েছিলেন এবং তিনি স্ব-ইচ্ছায়ই গিয়েছিলেন, না আপনিই তাঁকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন? বলুন জবাব দিন!

    আ—আমি তাঁকে ডেকে পাঠিয়েছিলাম।

    আপনি?

    হ্যাঁ।

    কখন গিয়েছিলেন তিনি?

    রাত তিনটে বাজার বোধ হয় কয়েক মিনিট পরেই। বই বন্ধ করে আমি শুতে যাব, ঠিক এমনি সময় তিনি আমার ঘরে এসে ঢোকেন।

    অত রাতে তাঁকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন?

    না, সন্ধ্যার সময় ডেকেছিলাম—এসেছিলেন ঐ সময়।

    হুঁ, তাহলে রায়বাহাদুরের ঘর থেকে বের হয়ে সোজা তিনি আপনার ঘরেই এসে ঢুকেছিলেন! কতক্ষণ ছিলেন?

    বোধ করি আধঘণ্টাটাক হবে।

    আধ ঘণ্টা, না ঘণ্টাখানেক?

    তা ঘণ্টাখানেকও হতে পারে।

    হুঁ। ঘণ্টাখানেক যদি হয় তাহলে রাত তিনটে থেকে চারটে পর্যন্ত আপনারা দুজনে আপনার ঘরেই ছিলেন?

    হ্যাঁ।

    কিন্তু কেন তাঁকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন?

    সমরের কথাটা বলতেই।

    বলেছেন তাঁকে?

    না।

    কেন?

    সুযোগ পাইনি।

    কেন?

    কেবলই তিনি অন্য কথা বলতে লাগলেন!

    এবারে কিরীটীর দ্বিতীয় শর নিক্ষিপ্ত হল রুচিরার প্রতি, দ্বিতীয় প্রশ্ন।

    এবারে বলুন রায়বাহাদুরের মৃত্যুসংবাদটা আপনাদের কে দিয়েছিল?

    সে তো কালই বলেছি, ছোটমামা!

    দুঃশাসনবাবু?

    হ্যাঁ।

    দুঃশাসনবাবু যখন আপনাকে খবরটা দেন, সে সময় সমীরবাবুও সেখানে উপস্থিত ছিলেন কি?

    কিরীটীর প্রশ্নে রুচিরা কেমন যেন একটু ইতস্ততঃ করতে থাকে।

    বলুন?

    না, মামার পায়ের শব্দ শুনে ঘরে কেউ আসছে টের পেয়ে চট করে ঘরের সংলগ্ন বাথরুমের মধ্যে গিয়ে আত্মগোপন করেছিল সমীর।

    হুঁ। দুঃশাসনবাবু আপনাকে কি বলেছিলেন?

    বলেছিলেন, সর্বনাশ হয়ে গিয়েছে—দাদাকে ছোরা দিয়ে কে যেন হত্যা করেছে, শীগগিরি আয়-বলেই তিনি ঘর থেকে চলে যান।

    তারপর?

    কিন্তু সংবাদটা এত আকস্মিক যে কিছুক্ষণের জন্য আমি যেন বোবা হয়ে গিয়েছিলাম।

    তারপর?

    তারপর মাকে গিয়ে সংবাদ দিই।

    আপনার মা ঐ সময় জেগে ছিলেন, না ঘুমিয়ে ছিলেন?

    ঘুমিয়েই ছিলেন বিছানায়।

    আচ্ছা একটা কথা বলতে পারেন, আপনার মা কি গরম জামা গায়ে দিয়েই রাত্রে বিছানায় ঘুমোন?

    না, কেন বলুন তো?

    না, তাই বলছিলাম। আপনি হয়ত জানেন না বা লক্ষ্য করবারও সময় পাননি রুচিরা দেবী, গতরাত্রে আপনি যখন আপনার মাকে দুঃসংবাদটা দিতে যান তিনি তখন জেগেই ছিলেন। অর্থাৎ ঘুমের ভান করে শয্যায় শুয়েছিলেন মাত্র। তবে এখন বুঝছি আপনার কথাই সত্যি!

    রুচিরা কয়েক মুহূর্ত ফ্যালফ্যাল করে কিরীটীর মুখের দিকে চেয়ে থাকে। গতরাত্রে সে যখন তার মাকে ডাকতে যায়, মা তাহলে জেগেই ছিলেন? বিছানায় চোখ বুজে শুয়ে থেকেও ঘুমের ভান করে ছিলেন? কিন্তু কেন? তবে কি-রুচিরার চিন্তাস্রোতে বাধা পড়ল কিরীটীর প্রশ্নে!

    এখন বোধ হয় বুঝতে পারছেন, গতরাত্রে আপনার ও সমীরবাবুর মধ্যে যে আলোচনাই হয়ে থাক—সমস্ত কিছুই তিনি পাশের ঘরে জেগে থাকার দরুন শুনতে পেয়েছেন!

    কিন্তু কেন—মা তা করতেই বা যাবেন কেন?

    কিরীটী এবারে হেসে ফেলে, তারপর স্মিতকণ্ঠে বলে, তা কেমন করে বলি বলুন! আপনাদের সাংসারিক ব্যাপার তো আমার জানা সম্ভব নয়!

    But I hate simply hate this sort of spying! এ ধরনের কারও কথা আড়ি পেতে শোনা আমি অত্যন্ত ঘৃণা করি। অত্যন্ত বিরক্তিমিশ্রিত রুক্ষকণ্ঠে প্রত্যুত্তর দিল রুচিরা।

    কিরীটী তার অনুমানকে যাচাই করবার এমন সুবর্ণ সুযোগটি হেলায় যেতে দিল না। সঙ্গে সঙ্গে প্রশ্ন করে, হয়ত তাঁর ইচ্ছা আপনি সমীরবাবুকেই বিবাহ করেন, তাই!

    রুচিরার গোপন ব্যথার স্থানে অতর্কিতেই আঘাত করে কিরীটী। মুহূর্তে রুচিরার সমগ্র চোখমুখ রাগে ও উত্তেজনায় রক্তিম বর্ণ ধারণ করে।

    তিক্ত কঠোর কণ্ঠে রুচিরা আর অগ্রপশ্চাৎ বিবেচনা না করেই বলে ওঠে, তাঁর ইচ্ছা। নিজের ভালমন্দ বিবেচনা করবার মত যথেষ্ট বয়েস হয়েছে আমার। কারোর ইচ্ছাকে আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে মেনে নেবতা সে যিনিই হোন না কেন, অন্তত রুচিরার দ্বারা তা হবে না।

    শান্ত হোন রুচিরা দেবী, এসব ব্যাপারে বৃথা উত্তেজিত হয়ে তো কোন লাভ নেই। আপনি সমীরবাবুকে বিবাহ করতে চান না সে কথা সুস্পষ্টভাবে আর কাউকে না পারেন সমীরবাবুকেও তো অন্ততঃ জানিয়ে দিতে পারতেন এতদিন। আর সেই কথাই আমি একটু আগে বলছিলাম।

    সেই কথাই কাল রাত্রে তাকে বলব বলে ডেকে এনেছিলাম গোপনে, কিন্তু লোভী সে —কিছুতেই আমার কথা শুনতে চাইছিল না। যাক গে, না শোনে না শুনুকতাছাড়া আজ আর বড়মামাও বেঁচে নেই, দায় থেকে আমিও মুক্ত। মার এবং বিশেষ করে তাঁরই ইচ্ছায় এ ব্যাপারটা এতদূর অগ্রসর হয়েছিল। এইখানেই এর শেষ।

    আপনার বড়মামা রায়বাহাদুরই বুঝি ঐ বিবাহে ইচ্ছুক ছিলেন?

    হ্যাঁ। সমীরের সঙ্গে আমার বিবাহ দিয়ে বড়মামা ঐ সমীরের গ্রাস থেকে একটা কোলিয়ারী বাঁচাতে চেয়েছিলেন। মাত্র দিন-দুই হল দাদুর মুখে আমি কথাটা জানতে পেরেছি। আগে তো জানতেই পারিনি।

    কে? অবিনাশবাবু আপনাকে বলেছিলেন ও-কথা?

    হ্যাঁ। আমি অবিশ্যি প্রথম থেকেই কথাটায় আমল দিইনি। কিন্তু বিশেষ করে ঐ কথাটা কয়েকদিন আগে জানবার পর কাল রাত্রে খোলাখুলি ভাবেই আমার অমত জানিয়ে দেব ভেবেছিলাম সমীরকে ডেকে এনে।

    রুচিরার গতরাত্রের সত্নরচিত গোপনতার আড়ালটুকু কিরীটী সুকৌশলে আঘাতের পর আঘাত দিয়ে ভেঙে একেবারে চুরমার করে দিল। রুচিরা সব কিছু অতঃপর প্রকাশ করে দিল।

    আর একটা কথার জবাব চাই আমি আপনার কাছ থেকে মিস মিত্র।

    কি?

    গতকাল আপনার ছোটমামা যখন আপনাকে রায়বাহাদুরের নিহত হবার সংবাদটা দেওয়ার কথা অস্বীকার করলেন তখন আপনি তাঁকে বলেছিলেন—তাঁর কীর্তির কথা নাকি কারও জানতে বাকি নেই! কেন তাঁকে সে কথা আপনি বলেছিলেন বলবেন কি?

    কি আর—এই বিষয়সম্পত্তি নিয়ে ওঁর এইখানে আসা অবধিই তো বড়মামার সঙ্গে নিত্য প্রায় খিটিমিটি চেঁচামেচি হত, বড়মামা যে অসুস্থ এই সামান্য কথাটাও যেন উনি ভুলে যেতেন—

    তাই কি?

    শুধু কি তাই! বলতে লজ্জা হয় মিঃ রায়, মার মুখে শুনেছি—একদিন নাকি উইলের ব্যাপারে ছোটমামা threaten পর্যন্ত করেছেন!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিরীটী অমনিবাস ৫ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    Next Article কিরীটী অমনিবাস ৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    Related Articles

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৫ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }