Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কিরীটী অমনিবাস ৪ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত এক পাতা গল্প436 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৯. রাত্রি তখন প্রায় সোয়া নটা

    রাত্রি তখন প্রায় সোয়া নটা হবেই।

    কিরীটী অরূপ সুব্রত সুব্রতর গাড়িতেই চলেছিল থানায় অরূপকে নামিয়ে দেবার জন্য।

    শমিতা কিরীটীর বিস্ময়কর উক্তির পর সহসা ঘর ছেড়ে ঝড়ের মত বের হয়ে যাবার পর সকলের মধ্যেই যে স্তব্ধতা নেমে এসেছিল, চলমান গাড়ির মধ্যেও সেই স্তব্ধতাই যেন সকলকে আচ্ছন্ন করে রেখেছিল।

    স্তব্ধতা ভঙ্গ করে অরূপই প্রথমে কথা বলল, মিঃ রায়, গগনবিহারী যে তাঁর উইলে শমিতাকে সব কিছু দিয়ে দিয়েছেন আপনি জানতে পারলেন কখন?

    কিরীটী মৃদুকণ্ঠে জবাব দিল, জানতে তো এখনও আমি পারিনি!

    তবে যে আপনি বললেন?

    সম্পূর্ণ অনুমানের ওপরে নির্ভর করে অন্ধকারে একটা ঢিল নিক্ষেপ করেছিলাম মাত্র।

    তবে কথাটা সত্যি নয়! অরূপের কণ্ঠে রীতিমত বিস্ময় যেন প্রকাশ পায়।

    সত্যও হতে পারে–মিথ্যাও হতে পারে। অবশ্য সত্যি-সত্যিই যদি তিনি উইল করে থাকেন। তবে আমার ধারণা–

    কি?

    আমার অনুমানটা হয়ত মিথ্যে নয়, নচেৎ ঐভাবে হঠাৎ তীক্ষ্ণ প্রতিবাদ জানিয়ে মিস সান্যাল ঘর থেকে বের হয়ে যেতেন না। শুধু তাই নয়, আরও আমার ধারণা, ওঁদের পরস্পরের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বিবাহের স্তর পর্যন্ত পৌঁছেছিল।

    বলেন কি! অরূপ বললে, শমিতা সান্যালের মত একটি মেয়ে গগনবিহারীর মত এক বৃদ্ধকে বিবাহ করতে মনস্থ করেছিলেন? এ যে আমি ভাবতেও পারছি না মিঃ রায়!

    ভাবতে তো আমরা সুস্থ ও স্বাভাবিক বিচারবুদ্ধি দিয়ে অনেক কিছুই পারি না অরূপ! তবে অনেক কিছুই ঘটে এ সংসারে, আর ঘটছেও। তাই নয় কি?

    কিন্তু–

    সামান্য পরিচয়ে মিস সান্যালকে যতটুকু আমি বুঝতে পেরেছি, ওঁরা হচ্ছেন সেই শ্রেণীর স্ত্রীলোক যাঁরা খানিকটা উচ্ছঙ্খলভাবে স্বাধীনচেতা এবং যাঁদের কাছে নিরঙ্কুশভাবে জীবনটা ভোগ করাই একমাত্র লক্ষ্য। এবং তার জন্য তাঁরা অনেক কিছুই হাসিমুখে ত্যাগ করতে পারেন। হয়ত বিবাহের পর স্বামীর সঙ্গে ঐখানেই মিস সান্যালের সংঘাত বেধেছিল–যার ফলে ডিভোর্স।

    শমিতার শুনেছি যাঁর সঙ্গে বিবাহ হয়েছিল তাঁর অবস্থাও ভাল, বড় চাকরিও করেন, তাই হয়ত জীবনটাকে পুরোপুরি ভোগ করার জন্য সব চাইতে যে বস্তুটির বেশি প্রয়োজন–অর্থ–তার অভাব ছিল না। এবং শমিতার স্বামীর হয়ত আবার সেটা পছন্দ ছিল না। ফলে যা অবশ্যম্ভাবী ঐ ধরনের স্ত্রীলোকের পক্ষে তাই হয়ে গেল।

    সুব্রত ঐ সময় বলে, তোর বন্ধু যোগজীবনবাবুর অবস্থাও তো খারাপ বলে মনে হল না।

    যোগজীবনবাবু! কিরীটী বললে, মধ্যবিত্ত গৃহস্থ এবং সঞ্চয়ী ছিলেন। তাই হয়ত ঐ বাড়িটা করতে পেরেছেন। কিন্তু আজ তাঁর অবসর জীবন। শমিতা যে অর্থের সচ্ছলতার আকাঙ্ক্ষী সেরকম সচ্ছলতা যোগজীবনবাবুর কোথায়! থাকা সম্ভবও নয়।

    শমিতা দেবীও তো চাকরি করেন।

    তা করেন কিন্তু সেটা একান্ত দায়ে পড়েই। ভাইয়ের কাছ থেকে সেরকম অর্থ পাওয়া যাবে বলেই। এবং তাই বা তাঁর প্রয়োজনের পক্ষে কতটুকু? সেদিক দিয়ে ভেবে দেখ, গগনবিহারীর স্কন্ধারূঢ় হতে পারলে কত সুবিধা! সামান্য একটু যৌবনের ছলাকলা দিয়েই তাই হয়ত শমিতা প্রৌঢ় কামুক গগনবিহারীকে ধরাশায়ী করেছিল। অবিশ্যি গগনবিহারীকে করায়ত্ত করার আরও কারণ ছিল আমার মনে হয়!

    কি? অরূপ প্রশ্ন করে।

    প্রয়োজনীয় অর্থের অভাব তো হবেই না, ঐ সঙ্গে সম্পূর্ণ নিরঙ্কুশভাবে যে জীবনের সঙ্গে সে অভ্যস্ত সে জীবনও সে নিশ্চিন্তে চালিয়ে যেতে পারবে। ভোগের জীবনে একটানা ভেসে চলতে পারবে। কিন্তু ঐখানেই শমিতা ভুল করেছিল।

    ভুল?

    হ্যাঁ–গগনবিহারীর চরিত্রের সে সম্যক পরিচয় পায়নি। তাঁর দিকে তাঁর যে হাত প্রসারিত হয়েছিল, অনুরূপ ঘটনা ঘটলে যে সেই হাত দুটি আবার অন্যত্রও প্রসারিত হতে পারে সেটাই বুঝতে হয়ত পারেনি শমিতা। আর খটকা লাগছে আমার ঐখানেই।

    খটকা?

    হ্যাঁ। শমিতার মত মেয়ের সে কথাটা তো না বোঝার কথা নয়। তবে সে গোড়া থেকেই সতর্ক হল না কেন? কিংবা হয়ত এও হতে পারে, তার নিজের উপরে আত্মবিশ্বাসই তাকে শেষ পর্যন্ত চরম আঘাত হেনেছে।

    বুঝলে অরূপ, কিরীটী একটু থেমে বলে, ব্যাপারটা অত্যন্ত জটিল। এবং জেনো, ঐ জটিলতার গিট খুলতে পারলেই তোমার কাছে বর্তমান হত্যারহস্যের সবটুকুই স্পষ্ট হয়ে উঠবে। কিছুই আর ঝাঁপসা অস্পষ্ট থাকবে না, রহস্যাবৃতও মনে হবে না।

    গাড়ি ইতিমধ্যে থানার কাছে এসে থেমে গিয়েছিল।

    ওরা গাড়ির মধ্যে বসে কথা বলছিল।

    আপনি কি বুঝতে পেরেছেন মিঃ রায়, গগনবিহারীর হত্যাকারী কে? হঠাৎ ঐ সময় প্রশ্ন করে অরূপ।

    অনুমান করতে পেরেছি বৈকি কিছুটা।

    তবে কি শমিতা দেবীই?

    এটা অবিশ্যি মিথ্যে নয় যে, কোন কিছুর প্রতিদ্বন্দ্বিতায় হেরে গেলে প্রত্যেক পুরুষ ও নারীই তখন কিছুটা হিংস্র হয়ে ওঠে ঠিকই এবং কাউকে হত্যা করতে হলে বিকৃত একটা মনোবলের প্রয়োজনও হয়। কিন্তু বর্তমান হত্যার ব্যাপারটা–অর্থাৎ যেভাবে নিহত হয়েছেন। গগনবিহারী–সেটার কথা ভুললে তো তোমার চলবে না অরূপ। কে হত্যা করেছে তাঁকে সে কথাটা চিন্তা করার আগে তোমাকে চিন্তা করতে হবে কার পক্ষে গতরাত্রে গগনবিহারীকে হত্যা করা সম্ভব ছিল এবং হত্যার উদ্দেশ্যটাও সেই সঙ্গে মনে রাখতে হবে। নচেৎ ভুলপথে তুমি গিয়ে পড়বে। ভাল কথা, রামদেওর কোন সংবাদ পেলে?

    না।

    আর একটা কথা—

    বলুন?

    সুবীরবাবুর জবানবন্দিটা ও সেই সঙ্গে শমিতা দেবীর ও রুক্মিণীর জবানবন্দিটারও ভাল করে খোঁজখবর নাও। কারণ আমার ধারণা ওরা তিনজনেই মিথ্যে বলেছে।

    শমিতা দেবী যে মিথ্যে বলেছেন সে তো বুঝতেই পারছি। কিন্তু সুবীরবাবু আর রুক্মিণী–

    কেউই সব সত্যি প্রকাশ করেনি।

    রামদেওটার খোঁজ পেলে হয়ত অনেক কিছুই জানা যাবে।

    খোঁজ পেলেও জেনো, সেও হয়তো সহজে মুখ খুলবে না। শোন অরূপ, আরও একটা কাজ তোমায় করতে হবে।

    বলুন।

    ভাল করে খোঁজ নিয়ে দেখ সত্যিই গগনবিহারী কোন উইল করে গিয়েছেন কিনা? তাঁর আইন–পরামর্শদাতা কে ছিলেন? তাঁর খোঁজ পেলে হয়তো তাঁর কাছেই খোঁজটা পাবে। সত্যিই যদি উইল একটা হয়ে থাকে তো জেনো এই হত্যা-মামলায় সেই উইলের একটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান আছে। কিন্তু আর না। আজ চলি–রাত অনেক হল।

    ভাবছি ঐ রুক্মিণীকে অ্যারেস্ট করে থানায় নিয়ে আসব। ও মাগী নিশ্চয়ই জানে রামদেও কোথায় গিয়েছে বা আছে।

    তাড়াহুড়ো করে কিছু করো না। ঘটনাকে তার স্বাভাবিক গতিতেই চলতে দাও। ঘটনার স্বাভাবিক গতি আপনা থেকে অনেক কিছুই জানিয়ে দেয়। ঘটনার ধর্মই তাই।

    অতঃপর অরূপ গাড়ি থেকে নেমে গেল।

    আর ওরা কিরীটীর গৃহের দিকে চলল।

    .

    যোগজীবন পাথরের মতই যেন বসেছিলেন।

    কিরীটীর শেষ কথাগুলো ও শমিতার ঐ ধরনের ব্যবহার যোগজীবনকে যেন অকস্মাৎ একটা পাহাড়ের চূড়া থেকে ধাক্কা দিয়ে নীচে ফেলে দিয়েছিল।

    একমাত্র বোন ঐ শমিতা। বয়সেও তাঁর চাইতে অনেক ছোট ও বলতে গেলে সন্তানের মতই। চিরদিনই তাই একটু বেশী প্রশ্রয় ও ভালবাসাই সে পেয়ে এসেছে যোগজীবনের দিক থেকে। ভালবেসে নিজের পছন্দমত বিয়ে করেছিল শমিতা এবং সে বিবাহে তাই কোন বাধা দেননি যোগজীবন।

    ভালবাসার বিবাহবন্ধনও টিকলো না, ডিভোর্স হয়ে গেল।

    ঘর ভেঙে গেল।

    প্রথমটায় ভেবেছিলেন যোগজীবন সব দোষটাই বুঝি শমিতার স্বামী অমলেন্দুরই। সে-ই নিশ্চয়ই মানিয়ে নিতে পারেনি–যার ফলে ভালবাসার বন্ধনটাও ছিঁড়ে গেল। তাছাড়া কে-ই বা আপনজনের দোষ দেখে বা দেখতে চায়! তাই শমিতার দিক থেকে যে কোন দোষ থাকতে পারে সেটা তিনি ভাবতেই চাননি।

    ভুলটা ভাঙতে যোগজীবনের খুব দেরি হল না। স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক ছেদ করে শমিতা তাঁর গৃহে এসে উঠবার পর কিছুদিনের মধ্যেই বুঝতে পারলেন অমলেন্দুর দোষ যতটুকুই থাকুক না কেন বিচ্ছেদের ব্যাপারে ঘর বেঁধে কোথাও সুখে বাস করবার মেয়ে নয় শমিতা।

    আত্মসুখপরায়ণ, উচ্ছল, বিলাসী জীবনের প্রতিই ঝোঁক বেশী শমিতার।

    মনে মনে দুঃখ পেয়েছিলেন যোগজীবন, কিন্তু তবু মুখে কিছু বলতে পারেননি।

    শমিতা চাকরি করে। সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত্রি পর্যন্ত ক্লাবে হৈ-হৈ করে কাটায়, সেখানে মদ্যপানও করে। কোনটাই তাঁর পছন্দ ছিল না, কিন্তু তবু বোনকে মুখ ফুটে কিছু বলেননি।

    ইদানীং গগনবিহারীর সঙ্গে অতিমাত্রায় ঘনিষ্ঠতার কথাটাও যে কানে আসেনি তাঁর তাও নয়, সেটাও তাঁর কানে এসেছিল এবং তার জন্য শমিতার উপরে যতটা নয় তার চাইতে বেশী বিরক্ত হয়েছিলেন যোগজীবন গগনবিহারীর উপরেই।

    ইচ্ছা হয়েছিল দু-একবার গগনকে কথাটা বলেন–গগন, ব্যাপারটা বড় দৃষ্টিকটু লাগছে–কিন্তু তাও বলেননি।

    সমস্ত ব্যাপারটার কুশ্রীতা তাঁর রুচিবোধকে পীড়িত করলেও কেন যেন মুখ ফুটে কাউকেই কিছু বলতে পারেননি।

    তাঁর সহজ সৌজন্য ও স্বাভাবিক রুচিবোধ তাঁকে নিরস্ত করেছে।

    কিন্তু আজ কিরীটী যা স্পষ্ট করে সবার সামনে বলে গেল, তারপর লজ্জায় যেন মাথাটা আর তিনি তুলতে পারছিলেন না। কেবলই মনে হচ্ছিল, ছিঃ ছিঃ ছিঃ!

    একেই তো আত্মীয়স্বজনরা সব সময়েই নানা ধরনের ইঙ্গিত করে শমিতার চরিত্র সম্পর্কে। এই ব্যাপার জানাজানি হবার পর তারা নিন্দায় পঞ্চমুখ হয়ে উঠবে এবার নিশ্চয়ই।

    হঠাৎ চমক ভাঙল যোগজীবনের পদশব্দে। দেখলেন সাজগোজ করে শমিতা বের হয়ে যাচ্ছে।

    উঠে দাঁড়ালেন যোগজীবন। ডাকলেন, শমি!

    শমিতা ঘুরে দাঁড়াল।

    এত রাত্রে কোথায় আবার বেরুচ্ছ?

    দরকার আছে–শমিতা বললে।

    যতই দরকার থাক এখন যেও না এই রাত্রে।

    কি ব্যাপার বল তো দাদা? রাত্রে কি আজ আমি প্রথম বেরুচ্ছি? শমিতা একটু যেন ক্ষুণ্ণ হয়েই প্রশ্নটা করে।

    যা বললাম তাই শোন। যোগজীবনের কণ্ঠস্বর গম্ভীর।

    আমার কাজ আছে বলে আর দাঁড়াল না শমিতা। সদর গেটের দিকে বারান্দা দিয়ে এগিয়ে চলল।

    যা ইতিপূর্বে কখনও হয়নি, যোগজীবন যেন দপ্ করে জ্বলে উঠলেন। কঠিন কণ্ঠে ডাকলেন, শোন শমিতা! দাঁড়াও!

    শমিতা ঘুরে দাঁড়াল এবারে।

    বারান্দার আলো শমিতার সঙ্গে পড়েছে। পরনে একটা দামী শাড়ি ও গায়ে একটা অনুরূপ ব্লাউজ। সাধারণতঃ যেভাবে বেশভূষা করে শমিতা বের হয় সেই রকমই বেশভূষা, হাতে একটা ব্যাগ। পায়ে ফ্ল্যাট-হীল জুতো।

    আমি বারণ করলুম বেরুতে তবু বের হবে?

    কয়েক পা এগিয়ে এসেছেন যোগজীবন তখন ওর সামনে।

    আমার কাজ আছে বললাম তো।

    না। এখন তোমার বেরুনো হবে না! পূর্ববৎ কঠিন কণ্ঠস্বর যোগজীবনের।

    শমিতা যোগজীবনের মুখের দিকে তাকাল। শমিতার মুখটা কঠিন হয়ে উঠেছে। সে শান্ত গলায় যোগজীবনের মুখের দিকে তাকিয়ে বলল, আমাকে বেরুতেই হবে।

    না! তোমার অনেক উচ্ছঙ্খলতাই আমি সহ্য করেছি এতদিন, আর আমি সহ্য করব না। বেরুনো তোমার হবে না। আর আমার কথা অমান্য করে তুমি যদি বের হও তো জানবে–

    বল। থামলে কেন? তাহলে কি?

    আমার এখানে আর থাকা চলবে না।

    শমিতা স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। কয়েকটা মুহূর্ত তার গলা দিয়ে কোন স্বরই বের হয়।

    না। কেবল অপলক চেয়ে থাকে যোগজীবনের মুখের দিকে। তারপর ধীরে ধীরে বলে, বেশ, তাই হবে। আমি এখুনি তোমার বাড়ি থেকে চলে যাচ্ছি।

    শমিতা কথাগুলো বলে আর দাঁড়াল না। সোজা সিঁড়ি বেয়ে পরক্ষণেই ফ্ল্যাট–হীল জুতোর খটখট শব্দ তুলে উপরে চলে গেল।

    তিনতলায় নিজের ঘরে ঢুকে একটা সুটকেস টেনে নিয়ে ক্ষিপ্র হাতে কিছু জামাকাপড় ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলো সুটকেসের মধ্যে ভরে আলমারি খুলে টাকা নিয়ে সুটকেসটা হাতে ঝুলিয়ে আবার সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে এল।

    যোগজীবনের সামনে দিয়েই খটখট করে ফ্ল্যাট-হীল শব্দ তুলে শমিতা বের হয়ে গেল।

    যোগজীবন দাঁড়িয়ে রইলেন। একটি কথাও আর বললেন না।

    শমিতার জুতোর শব্দটা ক্রমশঃ মিলিয়ে গেল।

    সহসা যোগজীবনের চোখের কোল দুটো যেন জ্বালা করে ওঠে। দরজাটায় খিল তুলে দিয়ে যোগজীবন এসে আবার বাইরের ঘরের সোফাটার উপর বসলেন।

    যোগজীবনের মনে পড়ে স্ত্রী প্রভাবতীর কথা ঐ মূহর্তে। বলতে গেলে শমিতা তাঁর সন্তানের বয়েসী–মা–বাবার শেষ বয়েসের সন্তান।

    যোগজীবনের অনেক বছর পরে শমিতা জন্মেছিল। প্রভাবতী তখন বৌ হয়ে ওঁদের বাড়িতে এসেছেন–তাঁর একটি কন্যাসন্তানও হয়েছে।

    শমিতার জন্মের পরই তাঁর মা যে শয্যা নিয়েছিলেন, আর উঠে বসেননি। চার বৎসর। রোগভোগের পর মারা গিয়েছিলেন। তার পরের বৎসর যোগজীবনের বাবারও মৃত্যু হয়।

    স্ত্রীকে অত্যন্ত ভালবাসতেন যশোদাজীবন। যোগজীবনের বাবা স্ত্রীর মৃত্যুর শোকটা সামলে উঠতে পারলেন না। |||||||||| শমিতার সকল দায়িত্ব এসে পড়ল ওঁদেরই উপর। বাচ্চা শমিতা মাত্র চার বছরের মেয়ে তখন।

    যোগজীবনের নিজের প্রথমা কন্যা-সন্তানের চাইতেও দু বছরের ছোট বয়সে।

    পিসি ভাইঝি একসঙ্গে মানুষ হতে থাকে। মাঝখানে প্রভাবতীর আর একটি সন্তান হয়েছিল, কিন্তু মৃত। প্রভাবতীর আর কোন সন্তান হয়নি।

    কন্যা সবিতার সঙ্গেই নামে নাম মিলিয়ে প্রভাবতী ছোট্ট ননদিনীর নাম রেখেছিলেন শমিতা।

    সবিতার যখন সতেরো বছর বয়স তখন বিবাহ হয়ে গেল। লেখাপড়ায় তার মন ছিল না–লেখাপড়া সে করেনি। কিন্তু অসাধারণ বুদ্ধিমতী ছিল শমিতা।

    শমিতা তখন স্কুল ফাইনাল পাস করে আই. এ. পড়ছে কলেজে।বিবাহের পর সবিতাকে তার স্বামী সঙ্গে করে সুদূর মালয় দেশে চলে গেল।

    শমিতারও বিয়ের চেষ্টা করছিলেন যোগজীবন কিন্তু শমিতা বেঁকে বসল। বললে, না, বি. এ. পাস না করে সে বিবাহ করবে না।

    প্রভাবতী বললেন, আহা থাক। সবিতার বিয়ে হয়েছে, কোথায় কোন্ দূর দেশে চলে গেছে। দু বছর তিন বছরের আগে আসবেও না। থাক, ওর বয়েসই বা এমন কি হয়েছে? পাস–টাস করুক, তারপর না হয় বিয়ে দেওয়া যাবে।

    শমিতা যখন এম. এ পড়ছে সেই সময় হঠাৎ স্ট্রোকে প্রভাবতী মারা গেলেন। শমিতা এম. এ পাস করল, তারপর এক বেসরকারী কলেজে অধ্যাপিকার কাজ নিল।

    যোগজীবন মধ্যে মধ্যে বিয়ের কথা বলতেন কিন্তু জোরজারি করতেন না। কারণ মৃত্যুর সময় প্রভাবতী স্বামীকে বলে গিয়েছিলেন, বিয়ের ব্যাপারে ওকে যেন চাপাচাপি না করা হয়। সেটাও এক কারণ ছিল আর শমিতা চলে গেলে একা পড়বেন, তাও এক কারণ ছিল।

    তারপর হঠাৎ একদিন শমিতা অমলেন্দুকে সঙ্গে করে এনে তাঁর সামনে দাঁড়াল। তার এক সহকর্মী বান্ধবীর ভাই।

    ভাল বংশের ছেলে, শিক্ষিত, ভাল চাকরি করে। দেখতেও সুশ্রী।

    ইদানীং শমিতার ব্যাপারে একটু চিন্তিতই যেন হয়ে উঠেছিলেন যোগজীবন। শমিতার স্বভাবের মধ্যে কেমন যেন একটা উচ্ছলতা দেখা দিয়েছিল। তার চাল–চলনে, বেশভূষায়–সব কিছুতেই।

    এমন কি বোনের বেশভূষার দিকে তাকাতেও যেন যোগজীবনের কেমন লজ্জা হত।

    কিন্তু তবু কিছু তিনি বলেননি কোনদিন বোনকে।

    কেমন যেন মায়া হয়েছে, কেমন যেন একটা সংকোচ বোধ করেছেন।

    ঐ ঘটনার বছরখানেক আগে রিটায়ার করেছিলেন যোগজীবন কাজ থেকে।

    শমিতা অমলেন্দুকে দেখিয়ে বললে, তাকে বিবাহ করবে। তারা পরস্পর পরস্পরকে কথা দিয়েছে।

    যদিও এক জাত নয় তথাপি যোগজীবন সে বিবাহে অমত করেননি শমিতা সুখী হবে ভেবে।

    বিবাহ হয়ে গেল।

    শমিতা একদিন চলে গেল স্বামীর ঘরে।

    কলকাতায় এক বনেদী অবস্থাপন্ন পরিবারের ছেলে অমলেন্দু। কলকাতাতেই শ্যামবাজার অঞ্চলে বাস করে। মধ্যে মধ্যে দুজনে আসত যোগজীবনের সঙ্গে দেখা করতে।

    যোগজীবন তখন নিজের বাড়ির একতলাটা ভাড়া দিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু শমিতা এসে মধ্যে মধ্যে দু’একদিন থাকত বলে তিনতলাটা ভাড়া দেননি। সেটা খালিই পড়ে ছিল।

    দুটো বছরও গেল না বিবাহের পর, ডিভোর্স হয়ে গেল শমিতা ও অমলেন্দুর।

    শমিতা যোগজীবনের কাছে ফিরে এল আবার এক শীতের মধ্যরাত্রে।

    সেই সময়ই শমিতা মরালী সঙঘ নামে ক্লাবটা গড়ে তোলে। এবং কিছুদিন পরে শমিতা আবার চাকরি নিল অন্য একটা কলেজে।

    ডিভোর্স করে ফিরে আসবার পর যেন শমিতা আরও বেশী উজ্জ্বল হয়ে উঠতে লাগল দিনকে দিন।

    ক্লাব, পার্টি, হৈ–চৈ, নানা ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান–সর্বক্ষণ ঐ সব নিয়েই মেতে রইল।

    যোগজীবন মনে মনে ভাবলেন, আহা থাক। যাতে সুখী হয় তাই করুক।

    কিন্তু এই মুহূর্তে মনে হচ্ছে যোগজীবনের, সেদিন অমন করে রাশটা ছেড়ে না দিলে বোধ হয় এত বড় কলঙ্ক তাঁকে মাথায় নিতে হত না।

    যাক চলে গিয়েছে, ভালই হয়েছে।

    আর শমিতার মুখদর্শনও তিনি করবেন না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিরীটী অমনিবাস ৫ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    Next Article কিরীটী অমনিবাস ৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    Related Articles

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৫ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }