Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কিরীটী অমনিবাস ৪ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত এক পাতা গল্প436 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৬. সকলের জবানবন্দি নেওয়া

    তাহলে এবার ওদের সকলের জবানবন্দি নেওয়া যাক, কি বলেন মিঃ রায়? কথাটা বলে মণীশ চক্রবর্তী কিরীটীর দিকে তাকালেন।

    নিন না। তবে আপনি যদি অনুমতি দেন তো—

    কি, বলুন?

    এই ঘরে আমি—

    থাকবেন জবানবন্দি নেওয়ার সময়?

    হ্যাঁ।

    থাকুন, থাকুন। আপত্তির কি আছে এতে?

    ধন্যবাদ। আপনাদের কাছে কত কিছুর শিখবার আছে। কেমন করে আপনারা জবানবন্দি। নেন, তার process–

    শিখতে চান? বেশ, বেশ। কিউরিয়সিটি থাকা ভাল–ওতে জ্ঞানবৃদ্ধি পায়।

    কিরীটীর বোধ হয় নোকটার পাকামি সহ্য হচ্ছিল না, তাই বললে, হ্যাঁ, আপনাদের বর্তমান আই.জি. মিঃ মল্লিক তাই বলেন।

    মিঃ মল্লিক! তাঁকে আপনি চেনেন নাকি? সঙ্গে সঙ্গে যেন একটা ভয়মিশ্রিত শ্রদ্ধা প্রকাশ পায় মণীশ চক্রবর্তীর কণ্ঠস্বরে।

    সুকান্ত মল্লিক আমার বিশেষ বন্ধু।

    আ–আপনার বন্ধু আমাদের বড়সাহেব, তা এ কথাটা এতক্ষণ বলেননি কেন?

    আপনার কাছে কি সেকথা বলতে পারি?

    পারবেন না কেন? হাজারবার পারেন। তা আপনি দাঁড়িয়ে কেন-বসুন। মণীশ চক্রবর্তীর কণ্ঠস্বর ও চেহারা যেন সম্পূর্ণ পাল্টে যায় মুহূর্তেই, ভদ্রলোক যেন সম্পূর্ণ অন্য মানুষ।

    কুণ্ডু মশাই, ও কুণ্ডু মশাই? চেঁচিয়ে ওঠেন মণীশ চক্রবর্তী।

    গৃহকর্তা রমণীমোহন কুণ্ডু হন্তদন্ত হয়ে ঘরে এসে প্রবেশ করলেন, কিছু বলছিলেন স্যার?

    হ্যাঁ, হ্যাঁ। ওঁর বসবার জন্য একটা চেয়ার এনে দিন।

    এখুনি এনে দিচ্ছি স্যার।

    হ্যাঁ, তারপর পাল মশাইকে এ ঘরে পাঠিয়ে দিন।

    রমণীমোহন কুণ্ডু যেমন হন্তদন্ত হয়ে এসেছিলেন, তেমনি আবার হন্তদন্ত হয়ে বের হয়ে গেলেন ঘর থেকে।

    মিঃ চক্রবর্তী?

    বলুন।

    আমি যদি আপনার জবানবন্দি নেওয়ার ফাঁকে ফাঁকে দু-একটা প্রশ্ন করি?

    একশোবার করবেন। হাজারবার করবেন।

    কিরীটী মনে মনে হাসল, চাকরির কি মহিমা! আই.জি. সুকান্ত মল্লিকের সঙ্গে আলাপ আছে শুনেই মণীশ চক্রবর্তী একেবারে যেন বিনয়াবনত, বশংবদ।

    .

    আরও মিনিট দশেক পরে।

    প্রথম জবানবন্দি নেওয়া হচ্ছিল দলের অধিকারী রাধারমণ পালের। মণীশ চক্রবর্তী প্রশ্নাদি করবার পর কিরীটী মুখ খুলল।

    পাল মশাই, শুনেছি হরিদাস সামন্ত একদিন আপনার পার্টনার ছিলেন, তাই না?

    হ্যাঁ।

    তা পার্টনারশিপ ছেড়ে দিলেন কেন?

    আপনি তো তার বন্ধুজন ছিলেন, জানেন না তার চরিত্রের কথা?

    দীর্ঘদিন দেখা-সাক্ষাৎ ছিল না—

    ওর দুটি বিশেষ ব্যাধি ছিল।

    ব্যাধি?

    হ্যাঁ। একটি মদ্যপান, আর—

    আর?

    স্ত্রীলোক সম্পর্কে ওর একটা বিশ্রী দুর্বলতা, তাই তো–

    কি?

    একের নম্বরের যাকে বলে লম্পট। ঐ দুটি রোগই ওর সর্বনাশ করেছিল। নচেৎ অভিনয়-প্রতিভা যেমন ছিল লোকটার তেমনি অন্য দিক দিয়ে সৎও ছিল। কিন্তু ঐ যে মদ্যপান ও স্ত্রীলোক-ব্যাধি, সর্বগুণ হরে নিয়েছিল। নইলে মনে করুন কিনা, সুভদ্রা মেয়েটা তো ওর মেয়ের বয়সী, না কি–

    বাধা দিল কিরীটী, থাক ওকথা। আচ্ছা সবার আগে আপনিই তাহলে সামন্ত মশাইকে মৃত আবিষ্কার করেন?

    আজ্ঞে।

    এ ঘরে কি করতে এসেছিলেন, উনি ডেকে পাঠিয়েছিলেন।?

    না।

    তবে?

    কিছু টাকা চেয়েছিলেন, সেই টাকা দিতে এসেই তো—

    আপনি ঘরে ঢুকে দেখলেন, ঐভাবে বসে আছেন?

    হ্যাঁ, প্রথমটা তো বুঝতেই পারিনি, তারপর—

    পাল মশাই?

    আজ্ঞে?

    নাটকের শেষ দৃশ্যে ছিল ভৃত্য গিয়ে আসরে খবর দেবে কর্তবাবুর মৃত্যু হয়েছে, তাই না?

    হ্যাঁ।

    ভৃত্য কে সেজেছিল?

    ভৃত্য যে সাজত সে অনুপস্থিত আজ। তাই দোলগোবিন্দবাবুকে বলেছিলাম। দ্বিতীয় অঙ্কের পর তার তো পার্ট ছিল না, তাই বলেছিলাম সে-ই যেন ভৃত্যের মেকআপ নিয়ে আসরে গিয়ে কথাগুলো বলে আসে।

    পাল মশাইয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে কিরীটী বললে, কিন্তু তিনি তো যাননি।

    যাননি! সে কি! দোলগোবিন্দবাবু যাননি?

    না। ফলে যা হবার তাই হয়েছিল। নাটকটি শেষ হতে পারেনি। কিরীটী অতঃপর দৃশ্যের শেষ ব্যাপারটা খুলে বললে।

    দাঁড়ান তো, দোলগোবিন্দবাবুকে ডাকি।

    ব্যস্ত হবেন না পাল মশাই, পরেও কথাটা জিজ্ঞাসা করলে চলবে।

    কেন গেল না—

    এবার আমার কয়েকটা প্রশ্নের জবাব দিন তো?

    কি প্রশ্ন?

    মণীশ চক্রবর্তী খিঁচিয়ে ওঠেন, যা জানতে চান উনি তার জবাব দিন।

    আজ্ঞে?

    পাল মশাই? কিরীটী ডাকল, এই ব্যাপারে আপনার দলের কাউকে কি সন্দেহ হয়?

    সন্দেহ? সন্দেহ কাকে করব? না না, আমার দলের মধ্যে কেউ এমন কাজ করতে পারেই না। তাছাড়া সামন্ত মশাইকে দলের সকলেই শ্রদ্ধা করত, ভালবাসত, ভক্তি করত।

    মণীশ চক্রবর্তী ঐ সময় প্রশ্ন করলেন, শ্যামলকুমার? শ্যা

    মলকুমার!

    হ্যাঁ, তার সঙ্গে তো শুনলাম সুভদ্রা বলে আপনার দলের মেয়েটিকে নিয়ে সামন্তর সঙ্গে রীতিমত একটা রেষারেষি চলছিল ইদানীং।

    না না, রেষারেষি আবার কি! সামন্ত মশাইয়ের অবিশ্যি মনে তাই হয়েছিল। কিন্তু আমি তাকে বুঝিয়ে দিয়েছিলাম, সুভদ্রা সেরকম মেয়ে নয়, ওটা সামন্ত মশাইয়ের মনের ভুল। তাছাড়া শ্যামল ছেলেটি যেমন ভদ্র তেমনি ধীরস্থির, এসব খুনখারাপির মধ্যে সে থাকতেই পারে না।

    ঠিক আছে। মণীশ চক্রবর্তী বললেন।

    কিন্তু পাল মশাই, আমাদের ধারণা, কিরীটী বললে, আপনাদের দলেরই কেউ সামন্ত মশাইকে বিষপ্রয়োগে হত্যা করেছে।

    এ আপনি কি বলছেন? না না, হয়তো—

    কি?

    সামন্ত মশাই আত্মহত্যা করেছেন।

    আত্মহত্যা!

    কেন, পারেন না?

    তা পারেন–তবে বোধ হয় তা করেননি। ঠিক আছে, আপনি দয়া করে শ্যামলকুমারকে এখন একবার পাঠিয়ে দিন।

    রাধারমণ পাল ঘর থেকে বের হয়ে গেলেন। একটু পরে শ্যামলকুমার এসে ঘরে ঢুকল।

    মণীশ চক্রবর্তীই প্রথমে তাকে নানাবিধ প্রশ্ন শুরু করলেন, একটার পর একটা। অবশেষে কিরীটীর দিকে তাকিয়ে একসময় বললেন, ওঁকে জিজ্ঞাসা করবেন নাকি কিছু? জিজ্ঞাসা করবার আর কিছু আছে?

    কিরীটী তাকাল শ্যামলকুমারের দিকে।

    শ্যামলকুমার যেন কেমন একটু নার্ভাস হয়ে পড়েছে।

    হাতের আঙুলগুলো নিয়ে কেবলই নাড়াচাড়া করছে।

    শ্যামলবাবু!

    আজ্ঞে?

    সুজিতবাবু বলছিলেন তখন—

    কি—কি বলছিলেন সুজিতবাবু?

    আজকের তৃতীয় অঙ্কের শুরু হবার পর একবার আপনি এই ঘরে এসেছিলেন।

    হ্যাঁ, এসেছিলাম। সামন্তদা ডেকে পাঠিয়েছিলেন, সে কথা তো তখুনি আপনাকে বললাম।

    হ্যাঁ বলেছেন, তা কেন ডেকে পাঠিয়েছিলেন তা বলেননি।

    সামন্তদার মনে ইদানীং একটা ধারণা হয়ে গিয়েছিল–

    জানি। আপনার ইদানীং সুভদ্রা দেবীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা হবার জন্য। তিনি আদপেই ব্যাপারটা সহ্য করতে পারছিলেন না, তাই না?

    হ্যাঁ।

    আপনি—আপনি কি করে জানলেন? শ্যামলকুমার প্রশ্ন করে।

    জানি। তারপর একটু থেমে—এবার বলুন শ্যামলবাবু, সুভদ্রা দেবীর সঙ্গে সত্যিই কি আপনার–

    হ্যাঁ, আমি তাকে ভালবাসি।

    আর সুভদ্রা দেবী?

    সেও আমাকে ভালবাসে।

    হুঁ। তা কি কথা হয়েছিল আপনাদের মধ্যে?

    ঘরে এসে ঢুকতেই আজ উনি আমাকে বললেন, শেষবারের মত তোমাকে বলছি শ্যামল, আমাদের ভিতর থেকে তুমি সরে দাঁড়াও, নচেৎ এমন শিক্ষা তোমাকে পেতে হবে যে জীবন দিয়ে তোমাকে তা শোধ করতে হবে।

    আপনি কি জবাব দিলেন?

    আমি বলেছিলাম, এই জন্যই যদি ডেকেছেন জানলে আসতাম না—যা বলবার আপনি সুভদ্রাকে বলবেন। সে যদি আমাকে না চায় তো আমি নিশ্চয়ই সরে দাঁড়াব।

    আর কোন কথা হয়নি?

    না।

    তারপর আর এ ঘরে আপনি আসেননি?

    না।

    আচ্ছা, এ ব্যাপারে আপনার দলের কাউকে সন্দেহ হয়?

    না।

    আর কারও সঙ্গে দলের মধ্যে হরিদাসবাবুর কোন মনোমালিন্য বা ঝগড়াঝাঁটি কখনও হয়েছে বলে জানেন?

    সুজিতের সঙ্গে তো ওঁর খিটিমিটি লেগেই ছিল।

    তাই নাকি? কেন?

    তা জানি না, তবে—

    তবে?

    এককালে শুনেছি ওর অবস্থা নাকি খুব ভাল ছিল, রেস খেলে ও মদ্যপান করে সব খুইয়েছে। সুজিতবাবু! তাছাড়া–

    তাছাড়া?

    শুনেছি সুভদ্রাকে ও-ই দলে এনেছিল। একসময় সুভদ্রার সঙ্গে ওর যথেষ্ট ঘনিষ্ঠতাও ছিল। সামন্তদা আসার পর থেকেই সামন্তদার সঙ্গে ভিড়ে গিয়েছিল সুভদ্রা।

    আচ্ছা, সুভদ্রাকে আপনার কি রকম মনে হয়?

    খুব ভাল মেয়ে।

    আজ পালা শেষ হবার পর রাত্রে সুভদ্রা বলছিল বর্ধমান যাবে। আপনি জানেন সেকথা?

    হ্যাঁ, আমাকে ও বলেছিল।

    আপনারও সঙ্গে যাবার কথা ছিল কি?

    না।

    কেন যাবে বলেছিল সুভদ্রা বর্ধমানে, জানেন কি?

    তার এক মাসী বর্ধমানে নাকি থাকে, তার অসুখ, তাকেই বলেছিল দেখতে যাবে বর্ধমানে।

    আপনাকে সঙ্গে যেতে বলেনি?

    বলেছিল, কিন্তু আমি বলেছিলাম যাব না।

    ঠিক আছে, আপনি যান, সুজিতবাবুকে একবার পাঠিয়ে দিন।

    শ্যামলকুমার চলে গেল।

    মণীশ চক্রবর্তী কিরীটীর দিকে তাকালেন, ছেলেটাকে কি রকম মনে হল কিরীটীবাবু?

    আপনার কি মনে হল?

    গভীর জলের মাছ। তা বাছাধন জানেন না যে আমারও এ লাইনে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা। তাছাড়া ও সাপের হাঁচি বেদেয় চেনে। এ আপনাকে আমি বলে রাখছি, ঐ—ঐ হচ্ছে—

    মণীশ চক্রবর্তীর কথা শেষ হল না। সুজিতকুমার এসে ঘরে ঢুকল।

    সুজিতকে প্রথমে মণীশ চক্রবর্তী প্রশ্ন করতে শুরু করলেন।

    কিরীটী তখন ঘরের চারিদিকে আবার তাকিয়ে তাকিয়ে দেখতে লাগল। ঘরটা ভাল করে দেখা হয়নি। হঠাৎ কিরীটীর নজরে পড়ল, দরজার গোড়ায় একটা সিগারেটের পোড়া টুকরো। কিরীটী গিয়ে নীচু হয়ে সিগারেটের টুকরোটা তুলে নিতে গিয়ে নজরে পড়ল যে চেয়ারের উপরে হরিদাস সামন্তর মৃতদেহটা উপবিষ্ট, তার নীচে কি একটা পড়ে আছে, চকচক করছে।

    মণীশ চক্রবর্তী তখন সুজিতকে নিয়ে ব্যস্ত, সেদিকে নজর দেবার মত অবকাশ ও মন কোনটাই ছিল না। সে তাকালও না কিরীটীর দিকে।

    কিরীটী নীচু হয়ে চকচকে বস্তুটি তুলে নিয়ে দেখল একটা শৌখিন গালার চুড়ির ভগ্নাংশ, আয়না কাচের চুমকি বসানো। সেই আয়না কাচের উপরেই আলো পড়ে ঝিলিক দিচ্ছিল।

    সিগারেটের শেষাংশটাও পরীক্ষা করল।

    চারমিনার সিগারেট এবং সেই সিগারেটটা যে খাচ্ছিল সে নিশ্চয়ই পান খেয়েছিল, কারণ শেষাংশে পানের ছোপ শুকিয়ে আছে।

    দুটো বস্তুই কিরীটী পকেটে রেখে দিল সযত্নে।

    মিঃ রায়—

    মণীশ চক্রবর্তীর ডাকে কিরীটী ওর দিকে তাকাল।

    ওঁকে কিছু জিজ্ঞাসা করবেন নাকি?

    দু-একটা প্রশ্ন করব। সুজিতবাবু, আপনি বলেছিলেন তৃতীয় অঙ্ক শুরু হবার পর আপনি একবার শ্যামলকুমারকে এ ঘরে আসতে দেখেছিলেন!

    হ্যাঁ।

    তখন রাত কটা হবে বলে আপনার মনে হয়?

    কত আর হবে, রাত সোয়া দশটা কি সাড়ে দশটা।

    শ্যামলবাবু এ ঘরে কতক্ষণ ছিলেন জানেন?

    তা মিনিট পনের-কুড়ি হতে পারে।

    বুঝলেন কি করে? আপনি বুঝি ততক্ষণ দরজার বাইরেই দাঁড়িয়েছিলেন?

    তা কেন! আমি—আমি চলে গিয়েছিলাম।

    তাহলে জানলেন কি করে শ্যামলবাবু এ ঘরে মিনিট পনের-কুড়িছিলেন?

    মানে মিনিট পনের-কুড়ি বাদে এদিকে আসছিলাম, তখন তাকে বেরুতে দেখেছিলাম এই ঘর থেকে।

    হুঁ। তাদের পরস্পরের মধ্যে কি কথাবার্তা হয়েছিল বলতে পারেন?

    তা কেমন করে বলব! আমি তো আর ঘরে যাইনি।

    তা ঠিক। তবে অনুমান তো করতে পারেন?

    অনুমান!

    হ্যাঁ, অনুমান।

    না। আচ্ছা এমনও তো হতে পারে—

    কি?

    দরজার বাইরে দাঁড়িয়েও তো তাদের দু-একটা কথা আপনার কানে আসতে পারে?

    না মশাই, তাছাড়া কোথাও আড়ি পাতা আমার অভ্যাস নেই।

    হঠাৎ কিরীটী বলে, আপনি খুব পান খান সুজিতবাবু মনে হচ্ছে?

    সুজিত একমুখ পান নিয়ে চিবোচ্ছিল। দোক্তাসিক্ত লালচে এবড়োখেবড়ো দুপাটি দাঁত বার করে সুজিত বললে, হ্যাঁ, সর্বক্ষণ পান-দোক্তা না হলে আমার চলে না।

    আর কোন কিছুর প্রতি আসক্তি নেই আপনার সুজিতবাবু?

    আসক্তি তো অনেক কিছুর উপরেই ছিল, কিন্তু একে একে সবই ছেড়েছি।

    তাই নাকি!

    হ্যাঁ, বড় বদ অভ্যাস। আর বদ অভ্যাসের উপর একবার আসক্তি জমলে তা সে যেমনই হোক না কেন ছাড়তে বড় কষ্ট হয়।

    তা তো হবারই কথা। তা ড্রিঙ্ক-ট্রিঙ্ক করেন না?

    একসময় করতাম, এখন পেলে করি, না পেলে করি না, বুঝলেন না—মানে ঐ আর কি, পরের পয়সায় বলতে বলতে সুজিত পানের রসে রাঙানো লালচে দাঁতগুলো বের করে হাসল।

    কিরীটীর যেন সে হাসি দেখে গা ঘিনঘিন করে।

    আর সিগারেট?

    ধূমপান?

    পানের সঙ্গে ওটা ঠিক জমে না, বুঝলেন না!

    তাই বুঝি?

    হ্যাঁ। তবে মিথ্যে বলব না, খাই। মানে ধূমপানে অভ্যস্ত আমি।

    কি ব্র্যান্ড খান?

    যা পাই।

    আপনার পকেটে সিগারেটের প্যাকেট আছে?

    হ্যাঁ। সুজিত পকেটে হাত চালিয়ে একটা দোমড়ানো সিগারেটের প্যাকেট বের করল। অর্ধেক খালি বাক্সটার।

    কিরীটী সিগারেটের প্যাকেটটা দেখে ফিরিয়ে দিল।

    সুজিতবাবু, আচ্ছা হরিদাস সামন্ত পান খেতেন?

    সুজিত লালচে দাঁতগুলো বের করে বললে, হ্যাঁ। তবে পাতা পান নয়, বোতল পান করতেন, মাত্রাধিক্যেই।

    আর সিগারেট?

    হ্যাঁ, তাও খেতেন।

    কি ব্র্যান্ড খেতেন বলতে পারেন?

    চারমিনার।

    আচ্ছা সুজিতবাবু?

    আজ্ঞে!

    শ্যামলকুমার লোকটি কেমন!

    ছুঁচো।

    কি রকম?

    ছুঁচো যেমন সর্বদা ছোঁকছোঁক করে, তারও অভ্যাসটি তেমনি।

    কি রকম? কিসের জন্য ছোঁকছোঁক করতেন?

    বুঝলেন না?

    না।

    স্ত্রীলোক-বুঝলেন, স্ত্রীলোক!

    হুঁ। তা এ দলে কোন মেয়ের প্রতি তার দুর্বলতা ছিল নাকি?

    কেন—হরিদাস সামন্ত মশাইয়ের বন্ধু আপনি, শোনেননি তার কাছে কিছু?

    না।

    তার স্ত্রীলোকটির উপরেই যে নজর ছিল শ্যামলকুমারের!

    তাই নাকি? একটু থেমে কিরীটী আবার প্রশ্ন করে, আচ্ছা সুজিতবাবু, হরিদাস সামন্তর সঙ্গে শ্যামলকুমারের কি রকম সদ্ভাব ছিল বলুন তো?

    সাপে-নেউলের সম্পর্ক যেমন তেমনি ধরনের সদ্ভাব ছিল বলতে পারেন।

    কেন বলুন তো?

    ঐ যে একটু আগেই বললাম-বুঝলেন না!

    মানে?

    মানে সামন্ত মশাইয়ের মেয়েমানুষ ছিল সুভদ্রা, শ্যামলকুমার এসে সেই মেয়েমানুষটিকে হাতিয়ে নিয়েছিল। তার ফলে যা হবার তাই হয়েছিল।

    হুঁ। আচ্ছা আর একটা কথা—

    কি, বলুন?

    আগে তো, মানে শ্যামলকুমার আসার আগে এ দলে বোধ হয় হিরোর পার্ট আপনিই করতেন, তাই না?

    করতাম, আর এখনও করতে পারি। শুধু তো মাকাল ফলের মত চেহারাই হলে হয় না মশাই, অভিনয়-বস্তুটি হচ্ছে একটা আর্ট, বুঝলেন, গড়গড় করে তোতাপাখীর মত খানিকটা শেখানো বুলি আওড়ে গেলেই সেটা অভিনয়—acting হয় না। শ্যামল অভিনয়ের কি বোকে? কিন্তু পাল মশাইয়ের কি সে খেয়াল আছে?

    আপনার অভিনয় কিন্তু আজ আমার সত্যি চমৎকার লেগেছে।

    লেগেছে তো? লাগতেই হবে। আপনাদের মত অভিনয়রসিক বলেই বুঝেছেন?

    আচ্ছা, হরিদাস সামন্ত কেমন অভিনয় করতেন?

    এককালে ভাল অভিনয়ই করত। কিন্তু ঐ যে মহা দুটি ব্যাধি—মদ আর স্ত্রীলোক, এতেই ওর সর্বনাশ হল।

    আপনি বলতে চান তাহলে মেয়েমানুষের জন্যই ওর প্রাণটা গেল?

    নির্ঘাত।

    মেয়েমানুষটি তাহলে আপনার মনে হয়—

    আজ্ঞে হ্যাঁ, আমাদের সুভদ্রা দেবী। সাক্ষাৎ কালনাগিনী, বুঝলেন—বিষকন্যা!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিরীটী অমনিবাস ৫ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    Next Article কিরীটী অমনিবাস ৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    Related Articles

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৫ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }