Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কিরীটী অমনিবাস ৪ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত এক পাতা গল্প436 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৭. বিষকন্যা কেন বলছেন

    বিষকন্যা কেন বলছেন?

    যে কন্যার সংস্পর্শই বিষ, সে-ই তো প্রাণঘাতিনী বিষকন্যা।

    তা বটে। তারপর একটু থেমে কিরীটী বললে, সুজিতবাবু, এবারে সত্যি করে বলুন তো, আজ অভিনয় শুরু হবার পর একবারও কি এ ঘরে আপনি আসেননি?

    না।

    ঠিক বলছেন?

    নিশ্চয়ই।

    মনে করে আবার ভাল করে ভেবে বলুন?

    ভাবাভাবির বা মনে করবার কি আছে? আসিনি।

    কিন্তু আমি যদি বলি—

    কি?

    আজ অভিনয় শুরুর পরে এ ঘরে আপনি এসেছিলেন!

    না।

    সুজিতবাবু, আমার হাতে প্রমাণ আছে যে আপনি এ ঘরে এসেছিলেন।

    প্রমাণ? এ কি বলছেন মশাই?

    কিরীটীর মনে হল গলাটা যেন কেমন বসে গেছে হঠাৎ সুজিতকুমারের।

    গলার স্বরটা যেন ঠিক স্পষ্ট নয়।

    কিরীটী বুঝতে পারে তার নিক্ষিপ্ত তীর লক্ষ্যভেদ করেছে।

    অস্বীকার করে কোন লাভ নেই। বলুন, কেন এসেছিলেন?

    আমি আসিনি।

    আপনার জামার পকেটে ওটা কি উঁচু হয়ে আছে? দেখি বের করুন তো?

    ওটা একটা হাফ পাই বোতল।

    বোতলটা বের করুন।

    সুজিত পকেট থেকে একটা কালো চ্যাপ্টা মত হাফ পাই বিলিতি মদের বোতল বের করল।

    কি আছে ওতে?

    হুইসকি।

    দেশী না বিলিতি?

    দেশী।

    বোতলটা তো দেখছি অর্ধেকের বেশী খালি। এটা কি পরস্মৈপদী নাকি?

    মানে?

    কেউ কি দিয়েছে?

    হ্যাঁ।

    কে দিল?

    পাল মশাই। তারপরই একটু থেমে বলল, অভিনয়ের রাত্রে বিশেষ করে অভিনয়ের সময় মধ্যে মধ্যে না পান করলে আমি অভিনয় করতে পারি না। তাই পাল মশাই অভিনয়ের রাত্রে একটা পাইন্ট বোতল আমাকে দিয়ে থাকেন।

    কিরীটী ক্ষণকাল অতঃপর সুজিতকুমারের দিকে চেয়ে রইল।

    আমি এবারে যেতে পারি?

    হ্যাঁ। কিন্তু বোতলটা আমার চাই, দিন।

    বোতলটা।

    হ্যাঁ, দিন।

    নিন।

    সুজিত বোতলটা কিরীটীর হাতে তুলে দিল। কিরীটী বোতলটা চোখের সামনে তুলে ধরে দেখল, তারপর সেটা সামনের টেবিলের উপরে রেখে দিল।

    আচ্ছা, এবারে আপনি যেতে পারেন।

    সুজিতকুমার ঘর থেকে বের হয়ে গেল।

    মণীশ চক্রবর্তী জিজ্ঞাসা করলেন, ও কি সত্যিই আজ রাত্রে একবার এ ঘরে এসেছিল বলে আপনার মনে হয় মিঃ রায়?

    মনে হয় নয়, এসেছিল। কিন্তু একটা ব্যাপার কেমন যেন খটকা লাগছে।

    কি বলুন তো?

    কিছু না। সুভদ্রা দেবীকে এবারে ডাকান তো!

    এখুনি ডাকছি।

    মণীশ চক্রবর্তী ঘরের দরজার বাইরে গিয়ে সুভদ্রাকে ঐ ঘরে পাঠিয়ে দেবার জন্য বললেন।

    একটু পরে সুভদ্রা এল। কেঁদে কেঁদে তার দুচোখের পাতা ফুলে উঠেছে। চোখের পাতায় তখনও জল বোঝা যায়। সুভদ্রা ইতিমধ্যেই তার অভিনয়ের সাজপোশাক ছেড়ে ফেলেছে। পরনে সাধারণ একটি লাল রংয়ের চওড়াপাড় তাঁতের শাড়ি। কিরীটী লক্ষ্য করল মুখের প্রসাধনও তুলে ফেলেছে সুভদ্রা ইতিমধ্যেই।

    মণীশ চক্রবর্তী প্রথমে তার প্রচলিত ভঙ্গীতে প্রশ্ন শুরু করলেন, আপনিই সুভদ্রা দেবী?

    জলে ভরা চোখ দুটি তুলে নিঃশব্দে মাথা হেলিয়ে সুভদ্রা সম্মতি জানাল।

    অনেক দিন এ দলে আছেন?

    হ্যাঁ।

    সুজিতবাবু বলছিলেন আপনাকে তৃতীয় অঙ্কের মাঝামাঝি সময়ে একবার নাকি এ ঘরে আসতে দেখেছিলেন।

    সুজিতবাবু ঠিকই দেখেছিলেন। এসেছিলাম।

    কেন?

    সামন্ত মশাই আমাকে ডেকেছিলেন।

    কিরীটী নিঃশব্দে চেয়ে চেয়ে দেখতে থাকে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে সুভদ্রার সারা দেহ।

    মণীশ চক্রবর্তী আবার প্রশ্ন করেন, কেন ডেকে পাঠিয়েছিলেন?

    বলেছিলাম বর্ধমানে যাব, তাই বারণ করলেন যেন না যাই।

    বর্ধমানে কেন যেতে চেয়েছিলেন?

    মাসীর খুব অসুখ।

    তারপর কতক্ষণ ছিলেন?

    মিনিট দশেক।

    ঐ সময় কিরীটীর দিকে তাকিয়ে মণীশ চক্রবর্তী বললেন, কিছু জিজ্ঞাসা করবেন ওঁকে?

    কিরীটী সুভদ্রার দিকে তাকিয়ে বললে, সুভদ্রা দেবী, শুনলাম সুজিতবাবুই আপনাকে একদিন এই যাত্রাদলে এনেছিলেন?

    হ্যাঁ।

    সুজিতবাবুর সঙ্গে আপনার কতদিনের পরিচয়?

    আমি এই যাত্রার দলে আসার আগে মধ্যে মধ্যে অ্যামেচার ক্লাবে প্লে করতাম। সুজিতবাবু একবার আমার প্লে দেখে আলাপ করেন। তারপর আমি যাত্রার দলে যোগ দিতে চাই কিনা জিজ্ঞাসা করলে আমি বলি, হ্যাঁ। তখন উনি নিয়ে আসেন আমাকে। সেই থেকেই আমাদের পরিচয়।

    তার আগে পরিচয় ছিল না? ওঁকে জানতেনও না?

    না।

    আপনার মা বাবা ভাই বোন নেই?

    না।

    ছোটবেলায় মা-বাবা মারা যায়, তারপর মাসীর কাছেই আমি মানুষ।

    বর্ধমান থেকে কলকাতায় যাতায়াত করতেন?

    তা কেন!

    তবে?

    আমি পনের বছর বয়সেই কলকাতায় চলে আসি আমার স্বামীর সঙ্গে।

    আপনার বিয়ে হয়েছিল?

    হয়েছিল।

    স্বামী এখন কোথায়?

    কোথায় চলে গিয়েছে কেউ জানে না।

    কতদিন আগে?

    বছর দশেক আগে, বুঝতেই পারছেন। তারপর লেখাপড়া শিখিনি, বাঁচতে তো হবে, কাজেই এখানে-ওখানে অভিনয় শুরু করলাম।

    ইদানীং হরিদাস সামন্তর সঙ্গেই বোধ হয় ঘর করছিলেন?

    সুভদ্রা মাথা নীচু করল।

    সুভদ্রা দেবী!

    বলুন?

    আপনি যখন তৃতীয় অঙ্কের মাঝামাঝি সময় এ ঘরে আসেন, সামন্ত মশাই তখন কি করছিলেন মনে আছে আপনার?

    চুপচাপ বসেছিলেন।

    তিনি মদ্যপান করছিলেন, না?

    ঠিক মনে নেই। বোধ হয় করছিলেন।

    তাহলে ঘরে বোতল একটা নিশ্চয়ই থাকত, বোধ হয় তিনি মদ্যপান করছিলেন না! মনে করে বলুন তো?

    কি বললেন?

    বলছি তিনি তখন মদ্যপান করছিলেন না বোধ হয়!

    তা হবে। আমি ঠিক লক্ষ্য করিনি।

    কোন গ্লাস ঘরে ছিল?

    গ্লাস!

    হ্যাঁ, ঐ কাচের গ্লাসটা–কিরীটী অদূরে টুলের উপরে রক্ষিত শূন্য কাচের গ্লাসটা দেখাল।

    দেখিনি।

    হুঁ। আচ্ছা, ইদানীং আপনার সঙ্গে তাঁর মন-কষাকষি চলছিল, তাই না?

    অত্যন্ত সন্দেহ বাতিক ছিল লোকটির—

    স্বাভাবিক। নিম্নকণ্ঠে কিরীটী কথাটা উচ্চারণ করল।

    কিছু বললেন?

    না। আচ্ছা, কে আপনাদের মধ্যে সামন্ত মশাইকে বিষ দিয়ে হত্যা করতে পারে বলে আপনার মনে হয়?

    বিষ!

    হ্যাঁ, তীব্র কোন বিষপ্রয়োগেই ওঁর মৃত্যু হয়েছে।

    না না, ওঁর হার্টের ব্যামো ছিল, ব্লাড-প্রেসারও ছিল।

    তা হয়তো ছিল, তবে তাঁর মৃত্যু বিষের ক্রিয়াতেই হয়েছে বলেই আমাদের ধারণা।

    কিন্তু কে তাঁকে বিষ দেবে? কেউ তো তাঁর শত্রু এখানে ছিল না?

    কার মনে কি আছে আপনি জানবেন কি করে? তারপরই হঠাৎ কিরীটী বললে, আপনার ডান হাতের কবজির কাছে রক্তের দাগ কিসের দেখি। দেখি হাতটা আপনার?

    রক্তের দাগকই! না তো, ও কিছু না। ও হ্যাঁ, মনে পড়েছে, সন্ধ্যার সময় সাজঘরের টিনের পার্টিশনের একটা পেরেকে হাতটা কেটে গিয়েছিল কবজির কাছে।

    অভিনয়ের সময় দেখেছিলাম, আপনার দুহাতে কাচের আয়নার চুমকি বসানো দুটি চুড়ি। চুড়ি দুটো বুঝি খুলে রেখেছেন?

    হ্যাঁ। সাজঘরে বাক্সর মধ্যে।

    নিয়ে আসতে পারেন চুড়ি দুটো?

    সুভদ্রা কেমন যেন এবারে একটু থতমত খেয়ে যায়। চুপ করে থাকে। কেমন যেন একটু মনে হয় ইতস্তত ভাব একটা।

    কই, যান? নিয়ে আসুন চুড়ি দুটো?

    সুভদ্রা বেরুচ্ছিল, কিন্তু কিরীটী তাকে আবার কি ভেবে বাধা দিল, না, আপনি না। মণীশ চক্রবর্তীর দিকে তাকিয়ে বলল, মিঃ চক্রবর্তী, বাইরে কাউকে বলুন তো, সুভদ্রা দেবীর সাজঘর থেকে চুড়ি দুটো নিয়ে আসতে।

    মণীশ চক্রবর্তী বের হয়ে গেলেন।

    ঘরে এবারে একা সুভদ্রা।

    সুভদ্রা যেন বেশ একটু বিব্রতই বোধ করে, অথচ মুখে সেটা প্রকাশ না করলেও কিরীটীর বুঝতে কিন্তু অসুবিধা হয় না।

    কিরীটী সুভদ্রার মুখের দিকে তাকাল।

    সুভদ্রা দেবী!

    অ্যাঁ! আমায় কিছু বলছিলেন?

    সুভদ্রা দেবী, আমার নামটা বোধ হয় আপনি জানেন না—

    সামন্ত মশাই যে বলছিলেন, ধূর্জটি রায় আপনার নাম!

    নামটা আপনার মনে আছে দেখছি। কিন্তু ওটা তো আমার আসল নাম নয়।

    তবে?

    ওটা আমার অন্য একটি নাম, বিশেষ করে নামের আড়ালে যখন আমি আমাকে কিছুটা গোপন করতে চাই। বলতে পারেন ছদ্মনাম।

    ছদ্মনাম!

    হ্যাঁ।

    সুভদ্রা তাকাল কিরীটীর মুখের দিকে।

    হ্যাঁ—কিরীটী রায় নামটা কখনও শুনেছেন?

    কিরীটী রায়! আপনি কি তবে সেই বিখ্যাত রহস্যানুসন্ধানী—একটা ঢোঁক গিলে কেমন যেন শুকনো গলায় থেমে থেমে কথাগুলো টেনে টেনে উচ্চারণ করল সুভদ্রা।

    হ্যাঁ, আমিই সেই।

    তবে আপনি–

    না। সামন্ত মশাইয়ের বন্ধু আমি কোনদিনও ছিলাম না—তাঁর সঙ্গে পরিচয় মাত্র আমার কয়েকদিন আগে। এবং আরও বোধ হয় আপনার একটা কথা জানা দরকার, তিনি মৃত্যু-আশঙ্কা করছিলেন বলেই আমার শরণাপন্ন হয়েছিলেন।

    মৃত্যু আশঙ্কা!

    হ্যাঁ, তাঁর ধারণা হয়েছিল তাঁকে হত্যা করা হবে।

    কে—কে তাঁকে হত্যা করবে?

    হত্যা যে কেউ তাঁকে করেছে সে তো দেখতেই পাচ্ছেন, ঐ সামনে তাঁর বিষ-জর্জরিত মৃতদেহ—আর এও আমি জানি–

    কি—কি জানেন?

    আপনারা যাঁরা আজ রাত্রে এখানে উপস্থিত হয়েছেন অভিনয়ের ব্যাপারে—সেই আপনাদের মধ্যেই কেউ একজন তাঁকে হত্যা করেছেন।

    কিরীটী শান্ত ধীর গলায় কথাগুলো বলে গেল।

    কে—কে তাঁকে হত্যা করেছে?

    আপনিই অনুমান করুন না, কে তাঁকে হত্যা করতে পারে!

    ঐ সময় মণীশ চক্রবর্তী পুনরায় এসে ঘরে ঢুকলেন, হাতে তাঁর একটি গালার চুড়ি।

    একটিই পেয়েছেন—জোড়ার অন্যটা পাননি তো? কিরীটী মৃদু হেসে বললে।

    না, একটিই পেলাম।

    জানতাম পাবেন না। সুভদ্রা দেবী, জোড়ার অন্য চুড়িটা কোথায় গেল? সুভদ্রার দিকে ফিরে তাকিয়ে কিরীটী তার কথাটা প্রশ্নের ভিতর দিয়ে শেষ করল।

    জা—জানি না, ওখানেই তো খুলে রেখেছিলাম!

    না, রাখেননি।

    রাখিনি—কি বলছেন আপনি?

    ঠিকই বলছি—অন্যটা ভেঙে গিয়েছে!

    ভেঙে গিয়েছে।

    হ্যাঁ, তৃতীয় অঙ্ক শুরু হবার পরই কোন এক সময় ভেঙে গিয়েছিল। কারণ তৃতীয় অঙ্কের মাঝামাঝি সময় আমার এখন স্পষ্ট মনে পড়ছে, হাতে আপনার চুড়ি ছিল। তা কি করে ভাঙল?

    সুভদ্রা চুপ। একেবারে যেন বোবা, বিমূঢ়।

    জবাব দিন—এই ঘরের মধেই, না? কিন্তু ভাঙল কি করে?

    হ্যাঁ, এই ঘর থেকে বেরুবার সময় দরজায় ধাক্কা লেগে চুড়িটা ভেঙে যায়।

    আপনি মিথ্যে কথা বলছেন, যেমন একটু আগে বলেছিলেন, পেরেকে হাত কেটেছেন!

    কিন্তু—

    বলুন সত্যি কথাটা?

    মিথ্যে আমি বলিনি।

    বলেছেন। এবার বলুন তো—আপনি সন্তানসম্ভবা, তাই—

    হ্যাঁ। মাথাটা আবার নীচু করল সুভদ্রা।

    কার সন্তার আপনার গর্ভে?

    সামন্ত মশাইয়ের।

    তিনি জানতেন কথাটা?

    জানতেন।

    আশ্চর্য! অস্ফুট স্বরে কথাটা কিরীটী উচ্চারণ করল।

    কি বললেন?

    কিছু না। আপনি যেতে পারেন। পাল মশাইকে এ ঘরে পাঠিয়ে দিন।

    সুভদ্রা ঘর ছেড়ে চলে গেল।

    রাত শেষ হয়ে আসছিল। গ্রীষ্মের স্বল্পায়ু রাত্রি। খোলা জানলাপথে একটা ঠাণ্ডা ঝিরঝিরে হাওয়া আসছিল।

    রাধারমণ পাল এসে ঘরে ঢুকলেন।

    ইতিমধ্যেই কিরীটীর পরামর্শে মণীশ চক্রবর্তী একটা চাদরে মৃতদেহটা ঢেকে দিয়েছিলেন চেয়ার থেকে নামিয়ে মেঝেতে শুইয়ে দিয়ে।

    কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই যেন পাল মশাইয়ে মুখটা শুকিয়ে গিয়েছে।

    আমায় ডেকেছেন?

    পাল মশাই!

    কিরীটীর ডাকে রাধারমণ পাল ওর মুখের দিকে তাকালেন।

    একটা কথা জিজ্ঞাসা করি।

    বলুন?

    সুজিতবাবুকে আজ আপনি একটা পাইণ্ট বোতল দিয়েছিলেন?

    হ্যাঁ।

    অভিনয়ের রাত্রে আপনি প্রত্যেক বারই দিতেন?

    আজ্ঞে।

    পাল মশাই, একটা কাজ আপনাকে করতে হবে। কিরীটী বললে।

    কি বলুন?

    আপাতত যতদিন না সামন্ত মশাইয়ের মৃত্যুরহস্যের একটা মীমাংসায় পুলিস পৌঁছায় ততদিন আপনার দলের কয়েকজন কলকাতার বাইরে কোথাও যেতে পারবেন না। ভাল কথা, দোলগোবিন্দবাবু আছেন তো, তাঁকে একবার যদি ডেকে দেন, কয়েকটা প্রশ্ন তাঁকে করতে চাই।

    না মশাই, তার কোন সন্ধানই পাচ্ছি না।

    সন্ধান পাচ্ছেন না?

    না।

    আপনি জানেন না তিনি কোথায় গিয়েছেন?

    না। হঠাৎ এভাবে চলে যাওয়ার কারণও তো কিছু বুঝতে পারছি না।

    কিরীটী একটু যেন কি ভাবল, তারপর বললে, তিনি তো অনেক দিন আপনার দলে আছেন?

    হ্যাঁ, তা ধরুন প্রায় বছর সাতেক তো হবেই। তবে মনে হচ্ছে—

    কি?

    ফ্রেঞ্চ লিকারের সন্ধানে বোধ হয় গিয়েছে। সারাটা দিনই উসখুস করছিল। কিন্তু আমি যেতে দিইনি। নেশা করলে ওর হুঁশ থাকে না। পার্ট করতে পারবে না। নচেৎ সে পালাবার লোক নয়। নেশা একটু বেশি করে বটে—লোকটা সাদাসিধে, ঘোরপ্যাঁচ তেমন কিছু নেই।

    আপনার দলের সকলেরই বোতল-প্রীতি রয়েছে। কিরীটী বললে।

    আজ্ঞে।

    আর কে কে মদ্যপান করে থাকেন এ দলে?

    সবাই করে অল্পবিস্তর।

    শ্যামলকুমার?

    বলতে পারি না।

    আপনি?

    না, জীবনে আজ পর্যন্ত মদ স্পর্শ করিনি।

    হুঁ। তাহলে ঐ কথাই রইল, ওরা যেন কলকাতার বাইরে না যায়।

    কিন্তু আপনি দলের কাদের কথা বলছিলেন যারা পুলিসের বিনানুমতিতে বাড়ি ছেড়ে কোথাও যেতে পারবে না?

    শ্যামলকুমার, সুজিতকুমার, সুভদ্রা দেবী আর আপনি ও দোলগোবিন্দবাবু।

    রাধারমণ পাল যেন কেমন ফ্যালফ্যাল করে বোবা অসহায় দৃষ্টিতে কয়েকটা মুহূর্ত কিরীটীর মুখের দিকে তাকিয়ে থাকেন। তারপর কিছুক্ষণ বাদে শুকনো গলায় প্রশ্ন করেন জিভটা দিয়ে ঠোঁট চেটে, কেন, আমাদের কি আপনি সন্দেহ করেন?

    আপনাদের সকলের উপরই যে পুলিসের সন্দেহ পড়েছে তা নয়—

    তবে?

    বুঝতেই পারছেন আপনারা যাঁরা যাঁরা মৃত হরিদাস সামন্তর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ছিলেন, এ হত্যারহস্যের মীমাংসায় একটা পোঁছতে হলে আপনাদের প্রত্যেকেরই, যাঁদের নাম করলাম আমাদের প্রয়োজন।

    কিন্তু—ইতস্তত করলেন রাধারমণ পাল।

    বলুন, থামলেন কেন?

    সতিই কি আপনারা মনে করেন হরিদাস সামন্তকে বিষ দিয়ে হত্যা করা হয়েছে?

    পুলিসের ধারণা আপাতত তাই, তবে ময়নাতদন্তে যদি অন্য কিছু প্রকাশ পায়।

    কিন্তু আমরা আমাদের এককালের একজন সহকর্মীকে হত্যা করতে যাবই বা কেন?

    সেটা জানতে পারলে তো সব কিছুর মীমাংসা হয়েই যেত পাল মশাই। যাক, যা বললাম, সেই মত সকলকে বলে দিন। আর পরশু বা তরশু বিকেলের দিকে আপনাদের চিৎপুরের অফিসে যাব, ওদের সকলকে উপস্থিত থাকতে বলবেন।

    আর উপস্থিত থাকা! দল বোধ হয় আমার ভেঙেই গেল রায় মশাই!

    রাধারমণ পালের গলার স্বরটা যেন বুজে আসে।

    না না, দল ভাঙবে কেন?

    কি বলেন, এর পরও দল আর থাকবে—তাছাড়া যা আপনারা বলেছেন তা যদি সত্যিই হয়-উঃ, আমি আর ভাবতে পারছি না রায় মশাই, এ কি সর্বনাশ হল! এখন দেখতে পাচ্ছি সামন্ত মশাইয়ের কথাটা শুনলেই বোধ হয় ভাল হত, বার বার করে আমাকে বলেছিলেন সামন্ত মশাই, এ নাটক করবেন না, অন্য নাটক দেখুন। কিন্তু কি যে মাথায় তখন ভূত চাপল! সামন্ত মশাই নিজে তো গেলেনই, আমাকেও ড়ুবিয়ে দিয়ে গেলেন অগাধ জলে।

    কুণ্ডু ভবন থেকে সকলের বিদায় নিতে পরের দিন বেলা দশটা হয়ে গেল।

    কিরীটী আগেই চলে গিয়েছিল।

    মণীশ চক্রবর্তীও লাস মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য চালান করে দিয়ে একসময় বিদায় নিলেন। রাধারমণ পাল সকলকে নিয়ে স্টেশনের দিকে রওনা হলেন দশটায়। বেলা এগারোটায় একটা কলকাতাগামী ট্রেন আছে সেটাই ধরবেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিরীটী অমনিবাস ৫ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    Next Article কিরীটী অমনিবাস ৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    Related Articles

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৫ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }