Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কিরীটী অমনিবাস ৪ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত এক পাতা গল্প436 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৮. সেতারে ভৈরো আলাপ

    বাঈজী সেতারে ভৈরো আলাপ করছিল ও চাপা কণ্ঠে গুনগুন সুর ভাঁজছিল।

    আর অবিনাশ চৌধুরী সেই ঘরের বিস্তৃত গালিচার ওপরে একটা জাপানী ঘাসের চটি পায়ে ইতস্তত পায়চারি করছিলেন এবং নিম্নস্বরে আপন মনে আবৃত্তি করছিলেন :

    নারায়ণ! নারায়ণ বল কত বাকী
    আর। শত পুত্রহারা কাঁদিছে গান্ধারী,
    শত পুত্রবধূ তার! রক্ত শবে পরিকীর্ণ
    কুরুক্ষেত্র ভূমি! অক্ষৌহিণী নারায়ণী
    সেনা হয়েছে নিঃশেষ।

    মুষ্টিবদ্ধ হাত দুটি পিছনে রেখে অবিনাশ চৌধুরী পায়চারি করছিলেন।

    ভোরের প্রসন্ন আলো মুক্ত বাতায়নপথে ঘরের মধ্যে বিস্তৃত রক্তবর্ণ গালিচার উপরে এসে লুটিয়ে পড়েছে।

    সহসা একসময় বাঈজীর দিকে ফিরে চেয়ে অবিনাশ চৌধুরী বলেন, মুন্নাবাঈ, এখন গান থাক! আজকে তোমার বিশ্রাম— তুমি যাও।

    বারেকের জন্য মাত্র অবিনাশ চৌধুরীর দিকে চেয়ে ধীরে ধীরে মুন্নাবাঈ নিঃশব্দে সেতারটা একপাশে গালিচার ওপরে নামিয়ে রেখে উঠে দাঁড়াল।

    খেয়ালী অবিনাশ চৌধুরীর বিচিত্র মতিগতির সঙ্গে সে বিশেষ পরিচিত।

    এবং নিঃশব্দেই সে তার নির্দিষ্ট ঘরে যাবার জন্য দরজার দিকে পা বাড়ায়।

    পাশেরই সংলগ্ন একটি নাতিপ্ৰশস্ত ঘর মুন্নাবাঈয়ের জন্য নির্দিষ্ট।

    মুন্নাবাঈ তার ঘরে এসে প্রবেশ করল।

    আধুনিক রুচিসম্মত ভাবে ঘরটি তার সুসজ্জিত।

    মুন্নার সমস্ত অন্তরের মধ্যেই তখনও যেন ভৈরো রাগের একটা সুর-মন্থন চলেছে।

    প্রত্যুষের প্রসন্ন আলোয় সমস্ত অন্তর জুড়ে তার তখন যেন ভৈরো রাগের রঙ লেগেছে। জেগেছে সুর।

    মেঝেতে বিস্তৃত পুরু গালিচার একপাশে রক্ষিত নিজের তানপুরাটা টেনে নিয়ে কোলের কাছে মেঝেতে গালিচার ওপরই বসে মুন্না বাঈজী।

    তানপুরার তারে মৃদুমন্দ অঙ্গুলি চালনা করতে করতে সে গুনগুনিয়ে ওঠে–

    ধন ধন সুরত কৃষ্ণ মুরারে
    সুলছানা গিরিধারী
    সব সুন্দর লাগে
    অত পিয়ারী।

    নিঃশব্দ পদসঞ্চারে কখন ইতিমধ্যে একসময় যে রুচিরা বাঈজীর ঘরের মধ্যে এসে প্রবেশ করেছিল তা সে টেরও পায়নি।

    রুচিরা এ বাড়িতে বেশী একটা থাকে না।

    সে কলকাতায় কলেজে পড়ে। মধ্যে মধ্যে ছুটিছাটায় কেবল কখনও বেড়াতে আসে, আবার ছুটি ফুরোলেই কলকাতায় ফিরে যায়।

    এ বাড়ি সম্পর্কে তার এই কারণেই বোধ হয় এতটুকুও কৌতূহল কোনদিন ছিল না।

    এ বাড়ির আবহাওয়া হতে শুরু করে এই বাড়ির লোকগুলিও যেন কেমন তার নিকট অদ্ভুত বিচিত্র বলে মনে হয়।

    কেমন যেন একটা চাপা গুমোট ভাব, একটা বিকৃত শাসনের নাগপাশ যেন এই বাড়ির প্রাণকে চেপে রেখেছে অষ্টপ্রহর।

    এখানে প্রত্যেকেই প্রত্যেক হতে স্বতন্ত্র, কেউই যেন কারও আপনার নয়।

    কারও সঙ্গে কারও যেন বিন্দুমাত্রও মনের যোগাযোগ নেই। কারও জন্য কারও যেন এতটুকু সমবেদনা স্নেহ বা ভালবাসা নেই।

    মনে হয় কেমন প্রত্যেকেই যেন একটা কুৎসিত স্বার্থের ঘূণাবর্তের মধ্যে পাক খেয়ে খেয়ে এ বাড়ির আবহাওয়াকে বিষাক্ত ও ঘোলাটে করে রেখেছে।

    কেউ কাউকে বিশ্বাস পর্যন্ত যেন করে না।

    এবং যতবারই সেই কারণে রুচিরা এখানে এসেছে এবং যে কদিন থেকেছে, নিজেকে যেন এ বাড়ির সকল কিছু থেকে কতকটা ইচ্ছে করেই পৃথক করে রেখেছে, নিজের স্বাতন্ত্র নিয়ে দিনগুলো কাটিয়েছে।

    আর একটা কথা। এ বাড়িতে এসে থাকাকালীন সময়ে তবুও কদাচিৎ কখনও অন্য সকলের ঘরে গেলেও এবং একটা-আধটা কথা কারও সঙ্গে বললেও, কেন যেন আজ পর্যন্ত ছুটিছাটা উপলক্ষে ইতিপূর্বে সে এ বাড়িতে যতবার এসেছে কোনবারই দাদু অবিনাশ চৌধুরীর মহলে সে প্রবেশ করেনি এবং সেই কারণেই বোধ হয় বাঈজীকে দেখেনি বা দেখতে পায়নি। অবিশ্যি বাঈজীর এ বাড়িতে এই প্রথম পদার্পণ নয়।

    গতকাল প্রত্যুষে তাই সে যখন অন্দরের বাগানে বেড়াচ্ছিল, এক মুহূর্তের জন্য দূর থেকে ভ্রমণরতা বাঈজীকে দেখেই সে যেন চমকে উঠেছিল।

    চমকাবার অবিশ্যি কারণও ছিল। মুখটা যেন কেমন দূর থেকেই চেনা-চেনা লেগেছিল। কোথায় কবে যেন সে এ মুখটির সঙ্গে বিশেষ ভাবেই পরিচিত ছিলও। কিন্তু ভেবে কিছুই ঠিক করতে পারছিল না।

    অবশেষে আর কৌতূহলকে দমন করতে না পেরে আজ খোঁজ করতে করতে বাঈজীর ঘরে এসে নিজেই প্রবেশ করেছে।

    বাঈজী তানপুরায় ভৈরো রাগ আলাপ করছিল। আপন মনেই বাঈজী আলাপ করছিল, রুচিরা যে তার ঘরে এসে ঢুকেছে সে টেরও পায়নি। চেয়েছিল তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে রুচিরা বাঈজীর দিকে। কণ্ঠস্বর ও বসবার ভঙ্গীটি পর্যন্ত তার যেন কতই না পরিচিত।

    কে—কে ঐ বাঈজী?

    দাদুর গান-বাজনার প্রচণ্ড নেশা আছে ও জানত এবং মধ্যে মধ্যে নাকি বাঈজীরা দাদুর কাছে গানের মুজরা নিয়ে আসে এ গৃহে দু-চার-দশ দিনের জন্য।

    সে কারণে বাঈজীর প্রতি আকৃষ্ট হয়নি সে, হয়েছিল গতকাল সন্ধ্যায় দূর থেকে উদ্যানে ভ্রমণরতা বাঈজীকে দেখে।

    আলাপ শেষ হতেই তানপুরাটা কোলের কাছে নামিয়ে রেখে গুনগুন করে তখনও সুর ভাঁজতে ভাঁজতে সামনের দিকে তাকাতেই বাঈজীর সামনে দর্পণে প্রতিফলিত ঠিক পিছনেই নিঃশব্দে দণ্ডায়মানা রুচিরার প্রতিকৃতির প্রতি দৃষ্টি পড়তেই চমকে বাঈজী ফিরে তাকায়।

    পরস্পরের সঙ্গে চোখাচোখি হল। কিছুক্ষণ পরস্পর পরস্পরের দিকে অপলক দৃষ্টিতে চেয়ে থাকে। কথা বলে প্রথমে এবারে রুচিরাই, সাবিত্রী না? এতক্ষণে রুচিরা চিনতে পেরেছে বাঈজীকে।

    বাঈজী আর কেউ নয়, সাবিত্রী। বেথুনে ম্যাট্রিক পড়বার সময় তার সহপাঠিনী তো ছিলই, রুচিরার সঙ্গে হোস্টেলের একই ঘরে বাসও করেছিল সে কয়েক মাস।

    অত্যন্ত অন্তরঙ্গতা একদিন ছিল ওদের পরস্পরের মধ্যে।

    রুচি!

    এতক্ষণে বাঈজীরও কণ্ঠস্বর শোনা গেল।

    হ্যাঁ। আশ্চর্য! কিন্তু তুই এখানে? রুচিরা প্রশ্ন করে।

    মৃদু হাসির একটা আভাস যেন খেলে যায় বাঈজীর ওষ্ঠের ওপরে, হ্যাঁ। আজ আমার পরিচয় আর সাবিত্রী নয়, আজ আমি মুন্না বাঈজী।

    মুন্না বাঈজী!

    হ্যাঁ। কিন্তু তুই এখানে? কিছুই তো বুঝতে পারছি না রুচি! সাবিত্রী দ্বিতীয়বার আবার প্রশ্ন করে।

    এটা তো আমার মামার বাড়ি। তুই তো জানিস মামাদের পয়সা ও দয়াতেই আমি মানুষ।

    হ্যাঁ হ্যাঁ, ভুলে গিয়েছিলাম—কত দিনকার কথা। প্রায় তিন-চার বছর হবে, তাই না?

    তা হবে বৈকি।

    রায়বাহাদুর—যিনি গতকাল—

    হ্যাঁ, তিনিই আমার মামা। আর অবিনাশ চৌধুরী—ওঁর কাকা হলেন আমার দাদু।

    ও।

    সাবিত্রী যেন হঠাৎ চুপ করে গেল।

    খোলা বাতায়ন-পথে দৃষ্টি প্রসারিত করে অতঃপর নিঃশব্দে বসে রইল কিছুক্ষণ সাবিত্রী।

    রুচিরা একদৃষ্টে তাকিয়ে আছে তখন সাবিত্রী— মুন্না বাঈজীর দিকে।

    সাবিত্রী!

    তার সহপাঠিনী সাবিত্রী—যার রূপের ও কণ্ঠের খ্যাতি একদিন সমস্ত কলেজ ছাত্রীদের মধ্যে হিংসার বস্তু ছিল!

    লেখাপড়ায় সাবিত্রী কোন দিনই ভাল ছিল না তেমন, অত্যন্ত সাধারণ শ্রেণীর ছাত্রী ছিল।

    কিন্তু তবু সারা কলেজে তাকে চিনত না এমন কেউ ছিল না, তার মধুক্ষরা কণ্ঠের জন্য।

    নিঃশব্দে সাবিত্রী বসে আছে।

    খুব প্রত্যুষেই বোধহয় স্নান করেছে। পরিধানে সাদা মিলের নরুণপাড় একটা ধুতি। দু কাঁধের ওপর দিয়ে সিক্ত চুলের গোছা বুকের দুপাশে বিলম্বিত।

    কপালে দুই জ্বর মধ্যস্থলে একটি বোধ হয় শ্বেতচন্দনের টিপ।

    সিঁথিতে বা কপালে এয়োতির চিহ্নমাত্রও নেই। অথচ সাবিত্রী তো বিবাহিতাই ছিল যতদূর ওর মনে পড়ে। ওর সমগ্র চোখেমুখে যেন একটা বিষণ্ণ করুণ দুঃখের ও ক্লিষ্ট যাতনার ছায়া।

    রুচিরা আবার মৃদু কণ্ঠে ডাকে, সাবিত্রী!

    সাবিত্রী রুচিরার ডাকে যেন হঠাৎ চমকে ওঠে।

    এবং অত্যন্ত মৃদুকণ্ঠে বলে এবারে, সাবিত্রীকে হঠাৎ আজ এই বেশে সামান্য এক বাঈজীর পরিচয়ে এতদিন পরে দেখে খুব চমকে গিয়েছিস, না? আয়, বোস। রুচিরার দিকে তাকিয়ে সাবিত্রী রুচিরাকে আহ্বান জানায়।

    না। কিন্তু—

    ও, তুই তো শুনেছিলি যে স্বামীর ঘরে যাবার পর সাবিত্রী আফিং খেয়ে আত্মহত্যা করেছিল—

    না।

    শুনিসনি? আশ্চর্য!

    না, শুনিনি। আবার কিছুক্ষণ কতকটা যেন আত্মচিন্তায় বিভোর হয়েই সাবিত্রী নিঃশব্দে যেমন বসে ছিল তেমনি বসে থাকে।

    হঠাৎ আবার সাবিত্রী কথা বলে, সত্যি ভাই, আমার নিজেরই কি এক এক সময় কম আশ্চর্য লাগে! বাপ মা নাম রেখেছিল সাবিত্রী। দিদিমার মুখে খুব ছোটবেলায় গল্প শুনেছিলাম,যমের গ্রাস থেকে স্বামীকে ফিরিয়ে নিয়ে এসে সাবিত্রী হয়েছিল সতী-সীমন্তিনী, নারীকুলে ধন্যা গরবিনী। আর আমিও সাবিত্রী—স্বামীকে নিজ হাতে হত্যা করে হয়েছি মুন্না বাঈজী! আমিও নারীকুলে অনন্যা, কি বলিস!

    একটানা কথাগুলো বলে হাসতে লাগল সাবিত্রী। চোখেমুখে একটা নারকীয় জঘন্য উল্লাস যেন উপচে পড়তে থাকে।

    সাবিত্রীর কথায় রুচিরা যেন সত্যিই একেবারে বিস্ময়ে নির্বাক হয়ে গিয়েছিল।

    কি বলছিস তুই সাবিত্রী! স্বামীকে হত্যা করেছিস?

    হ্যাঁ। কেন, বিশ্বাস হচ্ছে না? এই হাত, এখনও এতে—ভাল করে চেয়ে দেখ, হয়তো হত্যার রক্ত লেগে আছে।

    কেমন একটা অদ্ভুত দৃষ্টিতে যেন সাবিত্রী তাকিয়ে আছে রুচিরার দিকে।

    ঘৃণা, বিদ্বেষ, আক্রোশ সব কিছুই যেন সাবিত্রীর দুই চোখের দৃষ্টির মধ্যে ঐ মুহূর্তে একসঙ্গে ফুটে উঠেছে।

    দাঁড়া, দরজাটা ভাল করে বন্ধ করে দিয়ে আসিবলতে বলতে হঠাৎই যেন সাবিত্রী উঠে গিয়ে ঘরের দরজার কপাট দুটো বন্ধ করে দিয়ে ফিরে এল। এবং যেখানে বসেছিল সেইখানেই এসে বসল।

    সাবিত্রী আবার বলে, ভাগ্যি সাবিত্রীর রূপ ছিল— বোকা পুরুষগুলোর চোখ-ঝলসানো রূপ ছিল, নচেৎ এত বড় কোনদিন কি হতে পারতাম! গরীবের ঘরে জন্মেছিলাম, কিন্তু সেই রূপের দৌলতেই তো ধনীর ঘরে বিকিয়ে গেলাম, সে-সব কথা তো তুই জানিসই।

    হ্যাঁ, কিন্তু মৃদুকণ্ঠে কি বলতে গিয়েও যেন থেমে গেল রুচিরা।

    রূপের দৌলতে ধনীর ঘরের বধূ হবার সৌভাগ্যটুকুই কেবল সেদিন আমি তোকে বলেছিলাম রুচি, কিন্তু সে ধনীর ঘরের বধূর দৈনন্দিনের পরবর্তী যে দুঃখ ও লাঞ্ছনার কাহিনী সেটা সেদিন তোকে আমি শোনাইনি।

    সাবিত্রী!

    তাই। ধনীর পুত্রবধূ সাবিত্রীর কাহিনীই সেদিন তুই শুনেছিলি ভাই কিন্তু শোনানো হয়নি তোকে কেমন করে সেই বধূকে একদিন অনন্যোপায় হয়ে আজকের এই বাঈজীতে রূপান্তরিত হতে হল।

    রুচিরা চেয়ে থাকে সাবিত্রীর মুখের দিকে।

    একটা দীর্ঘশ্বাস রোধ করে সাবিত্রী আবার বলতে শুরু করে :

    উঃ! যখন ভাবি না সেদিনকার কথাগুলো, ঘৃণায় লজ্জায় আর ধিক্কারে যেন মাটির সঙ্গে মিশে যেতে ইচ্ছা করে। তখন কি জানি কেন কলেজে পাঠিয়েছিল আমায়! খেয়াল—লম্পট, ধনী স্বামীর খেয়াল! আমায় কলকাতায় পড়তে পাঠালে। ছোট শহরের এক স্কুলে পড়ছিলাম, সেখান থেকে ছাড়িয়ে এনে কলকাতায় ভর্তি করে দিল বেথুনে। ধনীর খেয়াল কিনা তাই হঠাৎ একদিন ডাক এল আবার স্বামীর ঘরে ফিরে যাবার, পড়াশুনায় ইস্তফা দিয়ে মধ্যপথেই।

    হ্যাঁ, মনে আছে পরীক্ষার মাত্র দিনকয়েক আগে তুই পরীক্ষা না দিয়েই স্বামীর ঘর করতে চলে গেলি।

    স্বামীর ঘরই বটে। তবে ভেতরের ঘর নয়, বাইরের ঘর। স্বামীর বিলাসভবন বাগানবাড়িতে, নাচঘরে।

    বলিস কি!

    এক বর্ণও মিথ্যে নয়। এবং সেই বাগানবাড়িতে গিয়েই শুনলাম বিবাহিতা হলেও স্বামীর গৃহের অন্দরমহলে প্রবেশের নাকি আমার কোন অধিকার নেই—আমি সেখানে অহেতুক অনাবশ্যক বোঝা মাত্র।

    কেন? প্রশ্নটা না করে চুপ করে থাকতে পারে না রুচিরা, তোকেও তো তিনি বিয়েই করেছিলেন।

    তা করেছিলেন বটে, তবে ঘরে তাঁর প্রথম বিবাহিতা গৃহলক্ষ্মী ছিলেন। আমার স্বামীর প্রথমা পত্নী। তাঁর সন্তানের জননী। তাঁর ছাড়পত্রে আগেই শীলমোহর পড়ে গিয়েছিল কিনা।

    সে কি! তুই শুনিসনি কিছু বিয়ের সময় যে তাঁর আগের স্ত্রী বর্তমান ছিল!

    গরীব কন্যাদায়গ্রস্ত মা-বাপ আমার, তার ওপরে বিনা পণে এত বড় ঘরে এমন পাত্রে বিয়ে, তাঁরা হয়ত তাই আর কিছু শোনাটা প্রয়োজন মনে করেননি, কারণ জানবার কথা তো তাঁদেরই, আমার তো নয়। আমি তো তখন বাংলা দেশের বিয়ের কনে মাত্র। দেওয়া না-দেওয়ার ক্ষমতাটা তো ছিল তাঁদেরই হাতে। আইনগত জন্মস্বত্ব সেদিন তো তাঁদের হাতেই ছিল।

    হুঁ, তারপর?

    তারপর আর কি! ঘর যেখানে জলসাঘর, সেখানে গৃহস্থ বধূর পরিণতি কি হতে পারে এ তত সহজেই বুঝতে পারিস।

    স্বামী হয়ে তোকে—

    মুহূর্তে যেন সাবিত্রীর দুই চক্ষুর তারা রুদ্র তেজে জ্বলে ওঠে।

    তীক্ষ্ণ কণ্ঠে বলে, স্বামী! কাকে তুই স্বামী বলিস! যে তার নিজের বিবাহিতা স্ত্রীকে অনায়াসে লম্পটের ক্ষুদার অনলে সমর্পণ করতে পারে সে কি স্বামী? নাই বা হল এটা আইনগত সিদ্ধ বিয়ে, তবু তো অগ্নি-নারায়ণশিলা সাক্ষী রেখেই আমাদের বিয়েটা হয়েছিল। মন্ত্র ও সেই অনুষ্ঠানকে না হয় সে অস্বীকার করলে, কিন্তু দায়িত্ব নীতি বা রুচি বলে কি কিছুই নেই? ক্রুদ্ধ বাঘিনীর মতই যেন একটা চাপা আক্রোশে ফুলতে থাকে সাবিত্রী।

    বিস্ময়ে নির্বাক হয়ে গিয়েছে যেন রুচিরা।

    সাবিত্রী বলতে থাকে, কিন্তু আমিও তাকে ক্ষমা করিনি। অপমানের প্রতিশোধ নিয়েছি। কিন্তু বাকি একজনকে এখনও খুঁজে সামনে পাইনি। সঙ্গীতপিপাসু সে, তাই গানের মুজরা নিয়ে বাগানবাড়িতে বাগানবাড়িতে গানের আসরে আসরে হানা আজও দিয়ে বেড়াচ্ছি, কারণ জানি একদিন-না একদিন তার সন্ধান পাবই। সেই দিন—বলতে বলতে সহসা মুন্না বাঈজী কোমর থেকে একটা তীক্ষ্ণ ধারাল ছুরি বের করে। ছুরির চকচকে অগ্রভাগটা যেন জিঘাংসায় হিলহিল করে ওঠে।

    রুচিরা চমকে উঠে দু পা পিছিয়ে যায়।

    সাবিত্রী খিলখিল করে হেসে ওঠে এবং হাসতে হাসতেই আবার ছুরিটা কোমরে গুঁজে রাখতে রাখতে বলে, ভয় পেলি রুচি? সম্মানের সঙ্গে গৃহের আব্রু নিয়ে নারীর মর্যাদায় তোরা

    প্রতিষ্ঠিত; অপমানিত লাঞ্ছিত নারীত্বের মর্মন্তুদ জ্বালা যে কী—কেমন করে তারা বুঝবি ভাই! কি যন্ত্রণায় তারা নিশিদিন ছটফট করে মাথা খুঁড়ে মরে কেমন করে তোরা বুঝবি!

    সাবিত্রীর দু চোখের কোণ বেয়ে অশ্রুর ধারা নেমে আসে।

    আর নির্বাক বিস্ময়ে সেই দিকে তাকিয়ে বসে থাকে রুচিরা যেন পাথরের মত।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিরীটী অমনিবাস ৫ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    Next Article কিরীটী অমনিবাস ৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    Related Articles

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৫ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }