Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প613 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অরণ্য-বিভীষিকা – ২

    দুই

    সর্বনাশ, চোরাকুঠুরির দরজা খোলা।

    সব ভুলে রাজনারায়ণ চেঁচিয়ে উঠলেন, তারপর উন্মত্তের মতন টলতে টলতে সিঁড়ি দিয়ে নেমে গেলেন।

    অল্প কয়েকক্ষণ, তারপরই রাজনারায়ণ আবার ছুটে ওপরে উঠে এলেন।

    উসকোখুসকো চুল, আরক্ত চোখ, সমস্ত শরীর থরথরিয়ে কাঁপছে।

    আমার সর্বনাশ হয়ে গেছে ভৈরব, চোরাকুঠুরি থেকে ক্যাশবাক্স নিখোঁজ। কালু সর্দার আমার সর্বনাশ করেছে।

    ভৈরব আর দাঁড়াল না। হুংকার দিয়ে লাঠি ঘোরাতে ঘোরাতে নীচে নেমে গেল। কয়েকজন পাইক হতবুদ্ধি হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ওপরের ঘরের চিৎকারের অর্থ তার ঠিক বুঝতে পারেনি। একটু শব্দ নেই, বাইরের কোনও মানুষ ভিতরে ঢোকেনি, অথচ কীসের এত গোলমাল? হুজুর এভাবে চিৎকার করছেন কেন?

    রাজনারায়ণ ছুটে নিজের শোবার ঘরে এলেন। উদ্দেশ্য চাবি দিয়ে লোহার আলমারি খুলে দেখবেন, যাত্রার দলের মেকি গহনাগুলো ঠিক আছে কি না। উত্তেজনার মুহূর্তে তিনি ভুলে গেলেন যে চাবিবন্ধ অবস্থায় ভিতরের জিনিস চুরি যেতে পারে না। কিংবা এও হতে পারে, তিনি ভেবেছিলেন, কালু সর্দারের অসাধ্য কিছু নেই।

    কিন্তু আলমারি আর খুলতে হল না, চাবি দিয়ে নিচু হতেই আর্তনাদ করে ছিটকে মেঝের ওপর পড়ে গেলেন।

    মহামায়া রাজনারায়ণের পিছন পিছন চৌকাঠ পর্যন্ত এসেছিল, স্বামীকে ওভাবে মেঝের ওপর লুটিয়ে পড়তে দেখে উচ্চরোলে কেঁদে উঠল।

    পরিচারিকারা এতক্ষণ ঘরের মধ্যে জড়ো হয়ে বসে মা কালীর নাম জপ করছিল, মহামায়ার কান্না কানে যেতে আর চুপ করে বসে থাকতে পারল না।

    প্রথমে বিরজা, পিছন পিছন অন্য পরিচারিকারা ছুটে এল।

    ঠিক আলমারির সামনে রাজনারায়ণ উপুড় হয়ে পড়ে আছেন। পিঠের মাঝখানে একটা তির। সারা পিঠ রক্তাক্ত। তিরের পিছনে সাদা একা কাগজ।

    পাশে মহামায়া মূর্ছিত হয়ে পড়ে আছে।

    সিঁড়িতে অনেকগুলো লোকের পায়ের শব্দ। কলরবও শোনা গেল।

    বিরজা এগিয়ে দেখল, নায়েব ওপরে উঠছে। পিছনে কিছু পাইক।

    সর্বনাশ হয়েছে নায়েবমশাই। বিরজা কেঁদে উঠল।

    কী, কী হয়েছে?

    নায়েব ওপরে উঠে এল।

    বিরজা কিছু বলল না। আঙুল দিয়ে ঘরের মধ্যে দেখাল।

    উঁকি দিয়ে দেখেই নায়েব আর্তস্বরে বলে উঠল, এ কী!

    নায়েব ঘরের মধ্যে ঢুকে পড়ল। পাইকরাও ঢুকছিল, কিন্তু ঘরের মধ্যে মহামায়া পড়ে আছে দেখে তারা চৌকাঠের ওপারে থমকে দাঁড়াল।

    সাবধানে তিরটা রাজনারায়ণের পিঠ থেকে তুলতে তুলতে নায়েব বলল, তোমাদের একজন শিগগির গিয়ে কবিরাজমশাইকে ডেকে নিয়ে এসো। এখনই যাও, একটু দেরি কোরো না।

    তিরটা তুলতেই রাজনারায়ণের পিঠের ক্ষত থেকে ফিনকি দিয়ে রক্ত ছুটতে লাগল অবিরাম ধারায়।

    নায়েব একটা হাত রাজনারায়ণের নাকের তলায় রাখল। নিশ্বাস-প্রশ্বাস অনুভব করার জন্য।

    তার মুখে-চোখে হতাশার ভাব ফুটে উঠল। তারপরই দৃষ্টি পড়ল তিরের ডগার দিকে।

    মনে হল একটা চিঠি। লাল কালিতে লেখা। চিঠির কোণের দিকে চোখ যেতেই নায়েব শিউরে উঠল। একটা রক্তাক্ত খাঁড়ার ছবি।

    চিঠিটা খুলে নায়েব পড়তে আরম্ভ করল। একমনে।

    খুব ছোটো চিঠি। লাইন চারেকের।

    .

    সবিনয় নিবেদন,

    বাশুলি মায়ের পূজার জন্য সামান্য উপকরণ চাহিয়াছিলাম, আপনি আপনার আচরণে বুঝাইয়া দিয়াছেন যে মায়ের পূজায় কোনওরকম সাহায্য করিতে আপনি অসম্মত। শুধু তাহাই নহে, আপনি আমাদের ভুলাইবার জন্য আসল স্বর্ণালংকারের পরিবর্তে মেকি অলংকার আলমারিতে রাখিয়া দিয়াছেন। যদি সরলতাবশত আমরা ওই মেকি অলংকার মায়ের সম্মুখে নিবেদন করিতাম তাহা হইলে আমাদের সকলকে নরকস্থ হইতে হইত।

    মায়ের রোষবহ্নি বিষমুখ তিরের আকার লইয়া আপনার প্রাণহরণ করিল। আপনার কৃতকর্মের ফল আপনি ভোগ করিলেন। আমি নিমিত্তমাত্র।

    ইতি

    বিনীত

    মায়ের একান্ত সেবক— কালু।

    .

    চিঠিটা পড়া শেষ হবার সঙ্গে সঙ্গে রাজনারায়ণের দেহটা থরথর করে কেঁপে উঠেই একেবারে নিস্পন্দ হয়ে গেল।

    পরিচারিকারা কেউ মহামায়ার মুখে জলের ঝাপটা, কেউ তাকে বাতাস করতে ব্যস্ত ছিল, রাজনারায়ণের শেষ অবস্থা কেউই লক্ষ করল না। আধো অন্ধকারে দেখলেও বিপদের গভীরতা হয়তো উপলব্ধি করতে পারত না।

    নায়েব আস্তে আস্তে উঠে দাঁড়াল। বুঝতে পারল, আর কিছু করার নেই। রাজনারায়ণ সকল চিকিৎসার বাইরে।

    দুটো হাত বুকের কাছে জড়ো করে ভগ্নকণ্ঠে নায়েব বলল, তারা কোথায়? তারা?

    নায়েব ভেবেছিল রাজনারায়ণের মৃতদেহের কাছে তারার থাকা দরকার। মহামায়ার যা অবস্থা। তাকে এখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়াই উচিত। নয়তো, এই চরম দুঃসংবাদ তার কানে গেলে তার জীবন বিপন্ন হয়ে উঠবে। চেতনা হলেও আবার মূর্ছিত হয়ে পড়বে।

    বিরজা উঠে দাঁড়াল। নায়েবের দিকে ফিরে বলল, আমাদের সঙ্গে তারাদিদিমণি ওই ঘরেই তো ছিল। চুপচাপ বসে ছিল। ঘরের মধ্যেই আছে।

    জমিদারের নায়েবকে অনেক অপ্রিয় কাজ করতে হয়। অনেক ঝড়ঝাপটা তাকে নিতে হয় মাথা পেতে। নায়েব এগিয়ে ঘরের দরজায় দাঁড়িয়ে ডাকল, তারা, তারা।

    কোনও উত্তর নেই।

    হঠাৎ ভিতরবাড়িতে ঢোকা সমীচীন হবে না। এত গোলমালে তারা ঘুমিয়ে পড়েছে এমন অসম্ভব কল্পনা কেউ করবে না।

    তবে কি মহামায়ার মতন তারাও ভয়ে অচেতন হয়ে পড়েছে?

    নায়েব সরে এসে বিরজাকে ডাকল, বিরজা।

    বিরজা মহামায়ার কাছ থেকে উঠে নায়েবের সামনে এসে দাঁড়াল।

    নায়েব বলল, দেখ তো, তারাকে ডাকছি, সাড়া পাচ্ছি না। তারা কোথায় গেল?

    বিরজা ঘরের মধ্যে ঢুকে পড়ল।

    সেই সময় ভৈরবও এসে দাঁড়াল। তার এক হাতে জ্বলন্ত মশাল।

    মশালের আলোয় অনেকটা জায়গা পরিষ্কার দেখা গেল।

    সর্বনাশ হয়েছে নায়েবমশাই, চোরাকুঠুরিতে ক্যাশবাক্স নেই। জমিদারবাবু কোথায়, হুজুরকে এই সর্বনাশের খবরটা দিয়ে আসি।

    নায়েব হাত তুলে বারণ করল। একটু দাঁড়াও ভৈরব। অনেক কথা আছে।

    ক্যাশবাক্সের কথা রাজনারায়ণ ভৈরবকে বলেছিলেন। চোরাকুঠুরি সতর্কভাবে পাহারা দেওয়ার কথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছিলেন।

    বিরজা পাংশু মুখে বেরিয়ে এল। তারা তো ঘরের মধ্যে নেই।

    নায়েবের দুটো পা-ই টলমল করে কাঁপতে লাগল। দুঃসংবাদের পর দুঃসংবাদ শুনে শুনে তার উন্মাদ হবার জোগাড়।

    ভৈরবকে ডেকে বলল, ভৈরব, তুমি তারাদিদিমণিকে আগে খুঁজে দেখো। সে নিশ্চয় মন্দিরে গেছে।

    নায়েবের অনুমান ঠিক। কিন্তু ভৈরব একটু দেরি করে ফেলল।

    তারা গোলমাল শুনেই আস্তে আস্তে সকলের অলক্ষে মন্দিরের মধ্যে ঢুকে পড়েছিল। দুটো হাত জোড় করে চোখ বন্ধ করে কালীমূর্তির সামনে বসে ছিল। তারপর কোলাহল একটু কমতে দেয়ালে টাঙানো কালীর একটা পট বুকের মধ্যে চেপে ধরে বাইরে বেরিয়ে এসেছিল।

    ছোটো বাগান। বেশির ভাগই ফুলের গাছ। এই বাগানটুকু পার হতে পারলেই অন্তঃপুরে যাবার সিঁড়ি।

    তারা সেইদিক লক্ষ করেই এগোচ্ছিল।

    হঠাৎ গন্ধরাজের ঝোপটা ভীষণভাবে নড়ে উঠল। তারার মনে হল লোহার মতন শক্ত একটা হাত এসে তার মুখ চেপে ধরল, তারপর অবলীলাক্রমে তাকে কাঁধে ফেলে সেই দৈত্যাকার শক্তি ছুটতে শুরু করল।

    কিছুক্ষণ তারার চেতনা ছিল, তার মধ্যেই সে কঠিন হাতে লোকটার চুলের গোছা চেপে ধরেছিল, তারপর একটু একটু করে চেতনা বিলুপ্ত হতে, তার মুঠি আলগা হয়ে এল।

    খুব অস্পষ্ট ঘোড়ার খুরের শব্দ কানে এল। গালে একটা মানুষের উত্তপ্ত নিশ্বাস, মাঝে মাঝে ঘামের ধারাও ঝরে পড়ল।

    তারপর তারার আর কিছু মনে নেই।

    যখন তারার জ্ঞান হল তখন ভোর হয়ে আসছে।

    সমস্ত শরীরে অসহ্য যন্ত্রণা, দেহে রীতিমতো উত্তাপ। তারা চোখ মেলেই চমকে উঠল।

    অজগর বন। চার কোণে চারটে মশাল পোঁতা। দু-একটা পাখির কাকলির জন্য বোঝা যাচ্ছে ভোর হয়েছে, তা না হলে অরণ্যে এখনও গভীর অন্ধকার।

    মাঝখানে মাটির একটা বেদি। তার ওপর দীর্ঘ সবল একটি লোক বসে। তার দু-পাশে বর্শাধারী দুজন শরীররক্ষী। ইতস্তত আরও অনেকে জটলা করছে।

    ঘাসের শয্যা। তার ওপর মাদুর পাতা। খড়ের বালিশ।

    তারা উঠে বসল। কালীর পট তখনও তার বুকে ঝুলছে। পটটা সে হারের সঙ্গে বেঁধে নিয়েছিল।

    তারা বেদির ওপর বসা লোকটার দিকে একবার দেখল, তারপর ক্রুদ্ধকণ্ঠে বলল, কে তোমরা? কেন আমাকে এখানে এভাবে ধরে এনেছ?

    লোকটি তীক্ষ্নদৃষ্টিতে একবার তারার আপাদমস্তক দেখল, তারপর মৃদুকণ্ঠে বলল, আমার অনুচর তোমাকে এখানে নিয়ে এসেছে মা! তার জন্য আমি তাকে শাস্তি দিয়েছি। আমি তোমার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি।

    তারা আশ্চর্য হয়ে গেল।

    এরা যে ডাকাত, এটা যে ডাকাতের আস্তানা সেটা বুঝতে তার কোনও অসুবিধা হয়নি। কিন্তু ডাকাতের কাছ থেকে এমন কোমল কণ্ঠস্বর সে প্রত্যাশা করেনি।

    আমি বাড়ি যাব। তারা উঠে দাঁড়াল।

    সঙ্গে সঙ্গে সামনের লোকটিও দাঁড়িয়ে উঠল। বলল, মা, তোমার শরীর এখনও ক্লান্ত। এতটা পথ ঘোড়ার পিঠে যাওয়াও তোমার পক্ষে কষ্টকর। তুমি বিশ্রাম করো। কিছু আহার করো। আমি কালু সর্দার, আমি কথা দিচ্ছি, তুমি যেখানে বলবে, আমি নিজে তোমাকে সেখানে পৌঁছে দেব।

    এই কালু সর্দার? সারা বাংলার ত্রাস? যার নামে কোম্পানি পর্যন্ত বিচলিত হয়?

    তারার বয়স দশ বছর কিন্তু বয়সের অনুপাতে তার বুদ্ধি অনেক প্রখর। সে বুঝতে পারল, যেমন করেই হোক এদের এলাকা থেকে সরে না গেলে নিস্তার নেই।

    তাই সে বলল, তোমাদের এখানে কিছু খাওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়। চুরির জিনিস স্পর্শ করলেও পাপ হয়। তুমি এখনই আমাকে নিয়ে চলো।

    পলকের জন্য কালুর দুটি চোখে যেন আগুন জ্বলে উঠল, তারপরই সে সংযত করল নিজেকে। মুখে হাসি ফুটিয়ে শান্তকণ্ঠে বলল, এখানকার গাছে অজস্র ফল আছে। এ গাছ কারো সম্পত্তি নয়। তুমি নিজে ফল পেড়ে না হয় আহার করো। তাতে আশা করি তোমাকে পাপ স্পর্শ করবে না।

    না, তারা মাথা নাড়ল, তারপর দৃঢ়স্বরে বলল, আমি একদণ্ড এখানে থাকব না। এখনই আমায় নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করো।

    বেশ। কালু এগিয়ে এসে সজোরে হাততালি দিল।

    দুজন সশস্ত্র অনুচর এসে সামনে দাঁড়াল।

    কালু নিচু গলায় তাদের কী বলল, তারপর তারার দিকে চেয়ে বলল, এসো মা।

    একটু দূরে একটা বট গাছের ডালে একটা ঘোড়া বাঁধা ছিল। তার কাছে এসে কালু বলল, ছোটো ঘোড়া, তোমার উঠতে কোনও অসুবিধা হবে না। আমি তোমার পাশে পাশেই রইলাম। কোনও ভয় নেই।

    ভয় যে তারার একেবারে হয়নি, তা নয়, কিন্তু কালুর সামনে কোনওরকম দুর্বলতা প্রকাশ করল না।

    বট গাছের নিচু ডালে পা রেখে আস্তে আস্তে ঘোড়ার পিঠে উঠে পড়ল। শক্ত হাতে লাগাম ধরতেই ঘোড়াটা ঠুক ঠুক করে এগিয়ে চলল। পাশে পাশে কালু সর্দার।

    তোমার সঙ্গে আমার এক জায়গায় কিন্তু খুব মিল আছে তারা। কালু সর্দার বলল।

    বিস্মিত তারা প্রশ্ন করল, তুমি, আমার নাম জানলে কী করে?

    কালু হাসল, বলল, তুমি-আমি দুজনেই মা কালীর ভক্ত।

    তারা ভ্রূকুঞ্চিত করে কালুর দিকে চেয়ে বলল, আমি তোমার মতন নিরীহ মানুষদের ওপর অত্যাচার করি না। খুন করি না তাদের।

    কালু একটু বিচলিত হল। সব ঘটনাটা মনে মনে একবার স্মরণ করার চেষ্টা করল।

    কালু যখন পাতার আড়ালে আম গাছের ডালে তির নিক্ষেপ করার জন্য অপেক্ষা করছিল, তখনই লক্ষ করেছে, তারা ছুটে মন্দিরের মধ্যে গিয়ে ঢুকল। তারপর রাজনারায়ণের দেহে বিষাক্ত তির নিক্ষেপ করে অন্ধকারের সুযোগে মন্দিরের সামনে দিয়ে কালু যখন দৌড়ে পালাচ্ছিল, তখনও লক্ষ করেছে মন্দিরের দরজা বন্ধ।

    তার অনেক পরে অনুচর ফটিক তারাকে হরণ করে নিয়ে এসেছে। তার জন্য ফটিককে অবশ্য শাস্তিও পেতে হয়েছে।

    চাবুকের ঘায়ে তার সর্বশরীর রক্তাক্ত হয়ে গেছে। অন্তত সাত দিন সে উঠে দাঁড়াতে পারবে না।

    নারী, শিশু, গাভীকে স্পর্শ করা বা আঘাত করা কালু সর্দারের নিষেধ।

    তারার কথার কালু কোনও উত্তর দিল না। ঘোড়ার পাশে পাশে চলতে লাগল।

    পায়ে-চলা পথ। মাঝে মাঝে গাছপালার জন্য তারাকে মাথা নিচু করতে হল। যাতে গাছের ডাল মাথায় না লেগে যায়।

    একেবারে বনের প্রান্তে এসে কালু থামল। তারাকেও থামাল।

    বলল, আমি আর জঙ্গলের বাইরে যাব না। তুমি চলে যাও। একটু গিয়েই একটা দোকান পাবে, সেখানে আমার লোক থাকবে। যদি আমার লোক না পৌঁছে থাকে, তুমি একটু অপেক্ষা করো। লোক দুজন পৌঁছে যাবে।

    তারা খুব সাবধানে ঘোড়া থেকে নেমে পড়ল। কালু ঘোড়ার লাগাম চেপে ধরে রইল।

    তারা বন থেকে বেরিয়ে চলতে আরম্ভ করল।

    পরিশ্রমে আর মানসিক দুশ্চিন্তায় তারার শরীর খুবই দুর্বল হয়ে পড়েছে। সে খুব ধীরপায়ে হাঁটতে লাগল।

    যেখানে বন শেষ হয়েছে সেখানেই একটা মুদির দোকান। দোকানে কোনও লোক নেই, শুধু মুদি বসে বসে হাতপাখা দিয়ে বাতাস করছে।

    তারা গিয়ে সামনের বেঞ্চে বসল।

    মুদি হাতপাখা থামিয়ে অবাক হয়ে চেয়ে দেখল।

    জমিদারের মেয়েকে তার দেখার সুযোগ হয়নি, কারণ পালপার্বণ ছাড়া তারা কোনওদিনই প্রজাদের সামনে আসেনি। মুদি অন্তত তাকে কোনওদিন দেখেনি।

    তবে তারাকে জঙ্গল থেকে এভাবে বের হতে দেখেই অবাক হল বেশি। তারা যে বড়ো ঘরের মেয়ে সেটা বুঝতে তার দেরি হল না। এত বড়ো বাড়ির মেয়ে এভাবে পথেঘাটে বের হয় না।

    মুদি কিছু জিজ্ঞাসা করার আগে তারাই বলল, একটু জল খাব।

    মুদি শশব্যস্ত হয়ে মাটির গেলাসে জল আর শালপাতায় দুটো বাতাসা দিল।

    তারা বাতাসা ছুঁল না, ঢকঢক করে জল খেল।

    তুমি কোথায় যাচ্ছ মা? এলেই বা কোথা থেকে?

    মুদির কথার উত্তর দিতে গিয়েই তারা থেমে গেল।

    গৌর হে, কৃপা করো! মৃদু খঞ্জনির শব্দ। মুখে গান।

    তারা পিছন ফিরে দেখল, দুটি বৈষ্ণব এসে দাঁড়িয়েছে। নাকে তিলক, কপালে ফোঁটা, গায়ে নামাবলি। একজনের হাতে খঞ্জনি, আর-একজনের গলায় ঝোলানো মৃদঙ্গ।

    কই হে, গৌরাঙ্গর সেবার জন্য কিছু দাও।

    মুদি হাতপাখা রেখে উঠে পড়ল। পাশের দরমার দরজা খুলে বাইরে চলে গেল।

    মুদি সরে যেতেই, একজন বৈষ্ণব তারার কাছে এসে দাঁড়াল।

    মৃদুকণ্ঠে বলল, আমরা কালু সর্দারের লোক। চলো, তোমাকে জমিদারবাড়ি রেখে আসি। সর্দার তা-ই বলে দিয়েছে।

    তারা একদৃষ্টে কিছুক্ষণ দুজনের দিকে চেয়ে দেখলে, তারপর উঠে দাঁড়াল।

    আর-একজন বৈষ্ণব বলল, দাঁড়াও, মুদির কাছ থেকে ভিক্ষাটা নিই আগে।

    কথার সঙ্গে সঙ্গেই মুদি একটা মাটির সরায় চাল, আলু আর পটোল নিয়ে এসে দাঁড়াল।

    কই, এসো বাছা, এগিয়ে এসো।

    একজন বৈষ্ণব থলির মধ্যে ভিক্ষার জিনিসগুলো নিল। তারপর তারার দিকে চেয়ে বলল, তুমিও তো জমিদারবাড়ির দিকে যাবে বলছিলে? চলো তাহলে।

    তারা উঠে দাঁড়াল। বৈষ্ণব দুজন আগে আগে, একটু ব্যবধান রেখে তারা তাদের অনুসরণ করল।

    .

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকৃষ্ণগহ্বর, শিশু মহাবিশ্ব ও অন্যান্য রচনা – স্টিফেন হকিং
    Next Article ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভূতুড়ে কাণ্ড

    February 26, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভূতচরিত

    February 26, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    আগন্তুক

    February 26, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ফাঁসির আসামি

    February 26, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    মৃত্যুর পরে

    February 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }