Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প613 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সীমানা ছাড়িয়ে – ৪

    ।। চার।।

    চার দিন কামাইয়ের পর সন্ধ্যাবেলা যামিনীর মা এল। তবু মোহন যামিনীর সঙ্গে দু-একটা কথা বলত, যদিও যামিনী হ্যাঁ বা না ছাড়া কোনও উত্তরই দিত না। এই বাড়ি বা বাড়ির লোকদের সম্বন্ধে যামিনী একটি কথাও বলত না।

    সন্ধ্যার সময় মোহনকে খেয়ে নিতে হত। তার খাওয়া হলে দারোয়ান তালা দিয়ে চলে যেত।

    সেদিন খাবারের ব্যবস্থা দেখে মোহন অবাক হয়ে গেল। আধপোড়া রুটি নয়, ভালো ভালো চারখানা রুটি। সঙ্গে বেশ বড়ো সাইজের দুখানা মাছ। আবার পেঁয়াজ কুচি।

    মোহন বুঝতে পেরেছিল, তার বাবা আর তাকে উদ্ধার করতে আসবে না। পাঁচ হাজার টাকা জোগাড় করতে পারলেও নতুন মা সেটা দিতে দেবে না। মোহন ফিরে যাক এটা নতুন মা-র ইচ্ছা নয়।

    যা চেষ্টা করার, মোহনকে নিজেই করতে হবে।

    খাওয়া হতে মোহন বাথরুমে ঢুকল। সঙ্গে নিল মাছের বেশ বড়ো একটা কাঁটা আর কাগজের টুকরো। এই কাগজের টুকরোটা টুলের ওপর পেতে তার ওপর খাবারের পাত্র রাখা হত।

    বিকাল থেকে গানবাজনার আওয়াজ ভেসে আসছে। বাড়ির লোকেরা কোনও কারণে হয়তো ফুর্তি করছে। সেইজন্য আজ খাবারদাবারের এমন সুব্যবস্থা।

    বাথরুমে ঢুকে মোহন মাছের কাঁটাটা নিজের বুড়ো আঙুলে ফুটিয়ে দিল। ফিনকি দিয়ে রক্ত ছুটল।

    বাথরুমে রাখা দাঁতন সেই রক্তে মাখিয়ে মোহন সাবধানে কাগজের ওপর লিখল: বড়ো বিপদ। আমাকে বাঁচান—মোহন।

    হাত ধুয়ে বেরিয়ে এসে দেখল, রোজকার মতন যামিনীর মা বসে বসে ঢুলছে। অবশ্য বাইরে দারোয়ান সজাগ। মোহনের পালাবার কোনও সুযোগ নেই।

    পা টিপে টিপে যামিনীর মা-র পিছনে গিয়ে মোহন কাগজটা কাঁটা দিয়ে তার থান কাপড়ে আটকে দিল, তারপর তাকে মৃদু ঠেলা দিয়ে জাগিয়ে দিল।

    যামিনীর মা উঠে বাসন নিয়ে বেরিয়ে গেল।

    যদি এই কাগজ এ বাড়ির কোনও লোকের চোখে পড়ে, তাহলে মোহনের অদৃষ্টে দারুণ নির্যাতন আছে, কিন্তু মোহন মরিয়া। যা হবার হবে, এভাবে বন্দি থাকার চেয়ে মরণও ভালো।

    যামিনীর মা এ বাড়ি থেকে বেরিয়ে দুটো গলি পার হয়ে আর-এক বাড়ি কাজ করতে গেল। ভাগ্য ভালো মোহনের, এ বাড়ির কেউ টের পায়নি। সবাই গানবাজনায় মত্ত।

    অন্য যে বাড়িতে যামিনীর মা কাজ করতে ঢুকল, সেখানে লোক মাত্র দুজন। মা আর ছেলে। ছেলে কলেজে পড়ায়।

    যামিনীর মা যখন বাসন মাজছে, তখন ছেলেটি কাগজের ওই টুকরোটি হঠাৎ দেখতে পেল। যামিনীর মা-র সঙ্গে কথা বলে লাভ নেই। সে কিছু শুনতেও পায় না। আস্তে আস্তে গিয়ে কাগজটা খুলে নিল।

    কী ব্যাপার! কেউ যেন খুব বিপদে পড়েছে আর বাইরের লোকদের সেটা জানিয়ে দিতে চায়।

    ছেলেটি আর অপেক্ষা করল না। কাগজটা নিয়ে বেরিয়ে পড়ল।

    থানা কাছেই। দারোগা চেয়ারে হেলান দিয়ে বসে ছিল। সামনে একজন পুলিশ। কাগজটা পেয়েই দারোগা সোজা হয়ে বসল। বলল, এটা পেলেন কোথায়?

    কোথায় পেয়েছে, ছেলেটি বলল।

    রক্ত দিয়ে লেখা বলেই মনে হচ্ছে। তলায় নাম লেখা—মোহন।

    মোহন নামটা পড়েই দারোগা ভ্রূ কোঁচকাল। আরে মশাই, পারিজাত বক্সী তো এই মোহন নামের একটি ছেলেকে খুঁজছিলেন। লালবাজার থেকে আমরা এইরকম নির্দেশ পেয়েছিলাম। দাঁড়ান, দাঁড়ান।

    দারোগা ফোন তুলে কার সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বলল। তারপর বলল, আপনি একটু অপেক্ষা করুন, পারিজাত বক্সী এখনই আসছেন।

    পারিজাত বক্সী এলেন প্রায় ঘণ্টাখানেক পরে। সাধারণ পোশাক। এসেই প্রথমে কাগজটা নেড়েচেড়ে দেখলেন, তারপর ছেলেটিকে জিজ্ঞাসা করলেন, আপনাদের এ ঝি কোথায় থাকে জানেন?

    ছেলেটি মাথা নাড়ল, হ্যাঁ জানি। একটু দূরে একটা বস্তিতে থাকে। কাজে না এলে আমাকেই মাঝেমধ্যে খোঁজ করতে যেতে হয়। ও বোবা, কানেও শোনে না, তবে কাজকর্ম ভালো করে।

    চলুন, এখনই একবার তার বস্তিতে যাব। তাকে একবার আমার দেখা দরকার।

    পারিজাত বক্সী আর ছেলেটি যখন বস্তিতে এসে পৌঁছাল, তখন বেশ রাত হয়েছে, কিন্তু তখনও লোকেরা জেগে। কেউ খাটিয়ার ওপর, কেউ দাওয়ায় বসে গল্প করছে।

    যামিনীও বসে ছিল। ছেলেটি তাকে ডাকল, তোমার মা কোথায়?

    শুয়ে পড়েছে।

    একবার ডেকে দিতে পারো?

    যামিনী মা-কে ডেকে দিল। যামিনীর মা ঘুমোয়নি। ঘুমোবার আয়োজন করছিল।

    ছেলেটি তখন যামিনীকে বলল, তোমার মা-কে বলো, কাল ভোরবেলা যেন আগে আমাদের বাড়ি যায়। মা কালীঘাটে যাবে। আমাদের বাড়ির কাজ শেষ করে তবে অন্য জায়গায় যাবে।

    যামিনী মায়ের কানের কাছে মুখ নিয়ে, হাতের বিচিত্র ভঙ্গি করে মা-কে বুঝিয়ে দিল। যামিনীর মা ঘাড় নাড়ল, বুঝেছে।

    পারিজাত বক্সী ছেলেটির সঙ্গে রাস্তায় এসে দাঁড়িয়ে বলল, এবার চলুন, আপনার বাসাটা একবার দেখে আসি।

    ছেলেটি তাকে নিয়ে এসে তার বাসাটা দেখিয়ে দিল।

    পারিজাত বলল, ঠিক আছে, কাল ভোরে আবার আমি আসব। আপনার আর বের হবার দরকার নেই। যা করার আমিই করব।

    পরের দিন খুব ভোরে ছেলেটির বাড়ির সামনের ফুটপাতে আধময়লা গেঞ্জি আর হাঁটুর ওপর কাপড়-পরা একটি লোককে দেখা গেল। চেহারা দেখে চাকরশ্রেণির বলেই মনে হল।

    একটু পরে যামিনীর মা ঢুকল। লোকটি আড়চোখে লক্ষ করল। প্রায় আধ ঘণ্টা পর যামিনীর মা যখন বের হল তখন বেশ একটু দূরে থেকে লোকটি তাকে অনুসরণ করল।

    কাল ছেলেটির কাছে খবর সংগ্রহ করেছে যে, যামিনীর মা শুধু দু-জায়গায় কাজ করে। ছেলেটির বাড়ি আর সম্ভবত বদমাশদের আড্ডায়।

    যামিনীর মা একটা পানের দোকানে থামল। পান আর দোক্তা কিনে মুখে দিল, তারপর আবার চলতে শুরু করল।

    সরু গলি। কোনওরকমে একটা মোটর যেতে পারে।

    একটা বাড়িতে লোহার গেটে একটা গুরখা দারোয়ান বসে। যামিনীর মা যেতেই সে গেট খুলে ভিতরে চলে গেল।

    লোকটি বাড়িটাকে ভালো করে লক্ষ করল। কোনও জানলা নেই। সারি সারি ঘুলঘুলি। হঠাৎ দেখলে গুদামঘর বলেই মনে হয়।

    মিনিট দশেক। তারপরই বিরাট একটা কালো ভ্যান এসে দাঁড়াল। পুলিশ বোঝাই।

    ভ্যানটা থামতেই পুলিশগুলো লাফিয়ে লাফিয়ে নেমে পড়ল। হাতে রাইফেল।

    সঙ্গে একজন সহকারী কমিশনার। উদ্যত রিভলভার নিয়ে লোকটির পাশে দাঁড়িয়ে বলল, এই বাড়িটাই তো?

    তা-ই তো মনে হচ্ছে।

    সহকারী কমিশনার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশদের নির্দেশ দিল। পুলিশরা সারা বাড়ি ঘিরে ফেলল।

    ব্যাপার দেখে পথচারীর দল ভিড় করে দাঁড়াল।

    সহকারী কমিশনার, ছদ্মবেশে পারিজাত বক্সী আর কয়েকজন পুলিশ মিলে গেটের মধ্যে দিয়ে ভিতরে ঢুকল।

    একতলায় কেউ নেই। আলকাতরার অনেকগুলো পুরোনো ড্রাম পড়ে রয়েছে।

    সকলে সিঁড়ির কাছে গিয়ে দাঁড়াল। অন্ধকার সিঁড়ি। একজন পুলিশ টর্চ জ্বালল। সবাই ওপরে উঠতে লাগল।

    দোতলায় কার পায়ের শব্দ শোনা যাচ্ছে। পুলিশ নিজেদের অস্ত্র ঠিক করে ধরল।

    সকলে ওপরে উঠে দেখল দোতলা ফাঁকা। শুধু যামিনীর মা দাঁড়িয়ে আছে। আর কেউ কোথাও নেই।

    পারিজাত বক্সী অবাক হয়ে গেলেন। ছুটে এ ঘর-ও ঘর দেখলেন, কেউ নেই। এত অল্প সময়ের মধ্যে সব গেল কোথায়?

    সহকারী কমিশনার যামিনীর মা-কে প্রশ্ন করল, এরা সব কোথায় পালাল? তুই নিশ্চয় জানিস, বল ঠিক করে। না হলে পিছমোড়া করে বেঁধে নিয়ে যাব।

    পারিজাত বক্সী ছুটে এলেন। বললেন, আরে ও বোবা-কালা। ওকে কিছু বলে লাভ নেই। চলুন, ছাদে উঠে দেখা যাক।

    সকলে ছোটো সরু সিঁড়ি বেয়ে ছাদে উঠল।

    ঘেঁষাঘেঁষি বাড়ি। দুটো বাড়ির মধ্যে কোনও ফাঁক নেই। সহজেই এক ছাদ থেকে অন্য ছাদে যাওয়া যায়। একটা ছোটো ছেলেও পারে।

    সহকারী কমিশনার বলল, আশপাশের দু-একটা বাড়ি দেখলে হয়।

    পারিজাত বক্সী বললেন, দেখুন। তাঁর গলায় কোনও জোর নেই। এভাবে পাখি উড়ে যাবে সেটা তিনি কল্পনাও করতে পারেননি। কী করে পুলিশ আসার খবর পেল, সেটাই আশ্চর্য।

    ঘণ্টাখানেক খোঁজাখুঁজির পর সহকারী কমিশনার পুলিশবাহিনী নিয়ে ফিরে গেল।

    আশপাশের সব বাড়িগুলো গুদামঘর। তুলো আছে, সরষে আছে, কয়লা আছে। সব আছে, কেবল বদমাশগুলোই নেই।

    পারিজাত বক্সী চলে এলেন। তিনি রীতিমতো চিন্তিত হয়ে পড়লেন। এভাবে বদমাশের দল চোখে ধুলো দিয়ে পালাবে, তাঁর পক্ষে এটা অত্যন্ত লজ্জার কথা।

    দিন দুয়েক পরে হাওড়া পুলের পাশে যেখানে সার সার ভিখারি বসে থাকে— কানা, খোঁড়া, নুলো—সেখানে নতুন এক ভিখারির আমদানি হল। অন্ধ ভিখারি, পাকা চুল চোখের ওপর এসে পড়েছে। সমস্ত শরীর ঠকঠক করে কাঁপছে। পথচারীর দিকে হাত বাড়িয়ে কেঁদে কেঁদে পয়সা চায়।

    রাত হলে আর-একটি লোক এসে অন্ধের পাশে দাঁড়ায়। তার কাঁধে ভর দিয়ে অন্ধ লোকটি বড়োবাজারের দিকে চলে যায়।

    অন্ধ লোকটির ঠিক পাশেই বসে একটি নুলো ছেলে। দুটো হাত কনুই থেকে কাটা। সারাদিন রাস্তায় মাথা ঠুকে ভিক্ষা চায়।

    .

    কয়েকদিন পর অন্ধ লোকটি নুলো ছেলেটিকে বলল, শুনছি, সরকার থেকে আমাদের জন্য একটা আশ্রম তৈরি করে দেবে। এভাবে রোদে পুড়ে জলে ভিজে আমাদের আর ভিক্ষা করতে হবে না। তাও যদি ভিক্ষার সব ক-টা টাকা নিজে পেতাম তাহলেও কথা ছিল, কিন্তু বেশির ভাগ টাকা তো অন্য লোকে ছিনিয়ে নেয়।

    নুলো চুপচাপ বসে শুনল। কোনও উত্তর দিল না।

    অন্ধ লোকটা আবার বলল, তোমার সব টাকা তুমি পাও?

    নুলো এবার উত্তর দিল, কেন পাব না? আমার ভিক্ষা করা টাকা আবার কে পাবে! এই পয়সায় আমাকে গোটা সংসার চালাতে হয়।

    অন্ধ লোকটি আর কিছু বলল না।

    পরের দিন থেকে তাকে আর সে জায়গায় দেখা গেল না।

    যে লোকটি অন্ধকে সকালে বসিয়ে যায় আর বিকেলে উঠিয়ে নিয়ে যায়, তাকে অন্ধ লোকটি বলল, এখানে সুবিধা হবে না। অন্য কোথাও আমাকে বসিয়ে দেবে।

    কোথায় বসবেন বলুন?

    মেয়ো রোডের ওপর অন্য ভিখারিদের পাশে বসিয়ে দাও, বরাত ঠুকে দেখি একবার।

    সঙ্গের লোকটি বলল, মোহনের বাবা কদিন দেখা করতে এসে ফিরে যাচ্ছেন।

    বেচারা মোহনের বাবা! সত্যি তাঁর কাছে আমার মুখ দেখাবার উপায় নেই। সেদিন এভাবে বদমাশগুলো হাওয়া হয়ে যাবে, ভাবতেই পারিনি।

    একটা কথা মনে হয় পারিজাতদা।

    কী বলো?

    ওই যে যামিনীর মা, ও কি সত্যি বোবা আর কালা? আমার তো সন্দেহ হয়। সম্ভবত সব খবর আগে থেকে ও-ই দিয়ে রেখেছিল। কেউ যে ওকে অনুসরণ করছে, সেটা নিশ্চয় বুঝতে পেরেছিল।

    পারিজাত বক্সী কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললেন, এইরকম একটা সন্দেহ আমারও হয়েছিল। বস্তিতে আমার একটা চর বসিয়ে রেখেছিলাম। সে রিপোর্ট দিল, যামিনীর মা সত্যিই বোবা এবং কালা। এ বস্তিতে যামিনীর মা বহু বছর আছে। সবাই এ কথা জানে।

    তাহলে?

    সেটাই বুঝতে পারছি না। এটুকু বুঝতে পারছি, ওদের দলের কেউ নিশ্চয় আমার গতিবিধির ওপর নজর রেখেছে। তুমি একটা কাজ করো।

    কী বলুন?

    তুমি মোহনের বাবাকে দিন সাতেক পরে দেখা করতে বলো।

    কিন্তু ভদ্রলোক যে খুব উদবিগ্ন হয়ে উঠেছেন।

    খুবই স্বাভাবিক। উদবিগ্ন আমিও হয়ে উঠেছি। মোহনকে শেষ হয়তো করবে না, কিন্তু তাকে অন্ধ বা খোঁড়া করে দিয়ে অন্য প্রদেশে চালান দেওয়া মোটেই বিচিত্র নয়।

    আপনার কথামতো পালা করে হাওড়া আর শেয়ালদা স্টেশনে আমি লোক বসিয়ে রেখেছি। সেরকম কিছু সন্দেহ হলেই পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করবে।

    পারিজাত বক্সী ম্লান হাসলেন।

    আরে, ওরা কি আর ছেলেটাকে ওভাবে নিয়ে যাবে? হয়তো বোরখা পরিয়ে মেয়েছেলে সাজিয়ে ট্রেনে তুলবে। তার চেয়ে একটা কাজ করো।

    কী কাজ?

    যেখানে যেখানে ভিখারিদের ঘাঁটি আছে, কাল সকাল থেকে তুমি আর আমি সেখানে ঘুরে বেড়াব। এ বেশে নয়, মোটরে ঘুরব। তাহলে অল্প সময়ে অনেকটা ঘোরা হবে। মোহনের ফোটো তো রয়েইছে আমার সঙ্গে। মিলিয়ে দেখব।

    আপনার কি মনে হয়, এর ভিতর ওরা মোহনের সর্বনাশ করেছে?

    কিছু বুঝতে পারছি না। তবে এটুকু বোঝা যাচ্ছে যে দলটা বেশ পাকা। যাহোক, মোহনের বাবার সঙ্গে দেখা করার আগে একবার ভিখারিদের জগৎটা দেখে নিতে চাই।

    আমি আর-একটা কথা ভাবছিলাম।

    কী?

    ধরুন যদি মোহনের বাবা টাকাটা নিয়ে হাওড়া স্টেশনের তিন নম্বর প্ল্যাটফর্মের ঘড়ির নীচে দাঁড়ান, তাহলে নিশ্চয় কেউ টাকাটা নিতে এগিয়ে আসবে।

    সম্ভবত।

    তখন তাকে গ্রেপ্তার করা যায় না?

    তাতে লাভ? গ্রেপ্তার করা হলে দেখবে, সে হয়তো স্টেশনের কুলি কিংবা কোনও ভিখারি। সে বলবে, এক বাবু তাকে প্যাকেটটা নিতে নির্দেশ দিয়েছিল। তারপর সারা শহর খুঁজেও সে বাবুকে তুমি পাবে না।

    দুজনে আস্তে আস্তে গলির মধ্যে ঢুকে গেল।

    সরু গলি। দু-পাশে উঁচু উঁচু বাড়ির সার। লোকজন বিশেষ নেই।

    একধারে কালো রঙের ছোট্ট একটা মোটর। এদিক-ওদিক ভালো করে দেখে নিয়ে পারিজাত বক্সী মোটরের মধ্যে গিয়ে বসল। সঙ্গের লোকটি চালকের আসনে।

    মোটরের দু-পাশের কাচে এমন রং করা যে, ভিতর থেকে দেখা যায়, কিন্তু বাইরে থেকে আরোহীদের লক্ষ করা যায় না। তা ছাড়া বন্দুকের গুলি এ কাচের কোনও ক্ষতি করতে পারে না।

    মোহনের বাবাকে পারিজাত বক্সী দুপুরবেলা গঙ্গার ধারে দেখা করতে বলেছিলেন।

    কথামতো একটা বট গাছের তলায় মোহনের বাবা দাঁড়িয়ে ছিল, পারিজাত বক্সীর মোটর সেখানে এসে দাঁড়াল।

    শিগগির উঠে আসুন।

    মোহনের বাবা উঠে বসল।

    গঙ্গার তীর ধরে মোটর সোজা ছুটল। মেটিয়াবুরুজের কাছাকাছি এসে থামতে পারিজাত বক্সী বললেন, ইস, আপনার চেহারা তো বড্ড খারাপ হয়ে গিয়েছে।

    সত্যিই মোহনের বাবার দেহ আধখানা হয়ে গিয়েছিল। কোটরাগত চোখ, গালের চোয়াল ঠেলে উঠেছে। মনে হল, রাতে বোধহয় একতিল ঘুমও হয় না।

    মোহনের বাবা ক্লান্তকণ্ঠে বলল, আপনার কথা শুনে আমি খুব ভুল করেছি। আমার উচিত ছিল, চিঠিটা পেয়েই পাঁচ হাজার টাকা লোকটাকে দিয়ে দেওয়া। তাহলে আমার ছেলেটাকে ফিরে পেতাম।

    তখনই পারিজাত বক্সী এ কথার কোনও উত্তর দিতে পারলেন না। একটু ইতস্তত করে বললেন, আমি আপনার কাছে খুবই লজ্জিত। এতদিন কেটে গেল, আপনার ছেলের ব্যাপারে কোনও সুরাহা করতে পারছি না। বিশ্বাস করুন, আমি চেষ্টার ত্রুটি করছি না। আমি গত তিন দিন ধরে এ শহরে যেখানে যেখানে ভিখারি বসে, সেখানে ঘুরেছি কিন্তু আপনার ছেলের হদিশ পাইনি। আমার খুবই বিশ্বাস যে, বদমাশগুলো আপনার ছেলের চরম সর্বনাশ এখনও করেনি।

    সে আমিও জানি।

    পারিজাত বক্সী বিস্মিত হলেন। আপনিও জানেন? মানে?

    মোহনের বাবা পকেট থেকে একটা কাগজ বের করল। বলল, এই দেখুন, কাল আমি আর-একটা চিঠি পেয়েছি।

    কাগজটা হাতে নিয়ে পারিজাত বক্সী জিজ্ঞাসা করলেন, চিঠিটা কীভাবে পেলেন?

    সকালে দোকান খুলতে গিয়ে দেখি দরজার ওপর এটা আটকানো রয়েছে।

    পারিজাত বক্সী চিঠিটা পড়তে লাগলেন— এই শেষবার আপনাকে সাবধান করে দেওয়া হচ্ছে। টিকটিকির সাহায্য নিয়ে কোনও ফল হবে না। দরকার হলে তাকেও আমরা খতম করব। আজ থেকে পনেরো দিন পর শনিবার কালীঘাট মন্দিরের দরজায় সন্ধ্যাবেলা নগদ টাকা পৌঁছে দিতে হবে। তবে এবার আর পাঁচ হাজার টাকায় হবে না। সাত হাজার টাকা চাই।

    টাকা পেলে আপনার ছেলে পরের দিনই দেবীগড় রওনা হবে, কিন্তু যদি টাকা না পাওয়া যায় তাহলেও আপনার ছেলে দেবীগড় রওনা হবে, তবে সম্পূর্ণ দেহে নয়, শুধু তার মুন্ডুটি। এই শেষ চিঠি।

    আগাগোড়া চিঠিটা লাল কালিতে লেখা। পারিজাত বক্সী চিঠিটা কোলের ওপর রেখে অনেকক্ষণ চুপচাপ বসে রইলেন।

    অল্প দিনেই এ লাইনে বেশ নাম করেছেন তিনি। অনেক জটিল কেসের রহস্য উদঘাটন করেছেন। পুলিশমহলের ওপরতলায় তাঁর দারুণ প্রতিপত্তি। কিন্তু সামান্য একটা ছেলে চুরির ব্যাপারে এমন অবস্থা হবে, তা তিনি ভাবতেই পারেননি। তাঁর মনে হল, হঠাৎ হয়তো মোহনের কিছু বিপদ হবে না। বদমাশের দল খোঁজ নিয়েছে মোহনের বাবা দোকানের মালিক, কাজেই বেশ কিছু পয়সার অধিকারী। তারা এটুকুও বুঝতে পেরেছে যে, পারিজাত বক্সীর চোখে ধুলো দিতে পারলে, মোহনের বাবা শীঘ্রই তার ওপর আস্থা হারাবে। বুঝতে পারবে, তার দ্বারা মোহনের উদ্ধার সম্ভব নয়, তখন হতাশ হয়ে ছেলে ফিরে পাবার আশায় টাকাটা দিয়ে দেবে।

    পারিজাত বক্সী জিজ্ঞাসা করলেন, আপনি কি পনেরো দিন পর টাকাটা ওদের দিয়ে দিতে চান?

    হ্যাঁ, সেই ইচ্ছাই আছে। পাঁচ হাজার টাকা আমি জোগাড় করেছি। বাকি দু-হাজার টাকা আমি জমি বিক্রি করে সংগ্রহ করব। এ ছাড়া আমার অন্য পথ নেই।

    ঠিক আছে, আমাদের হাতে পনেরো দিন সময় আছে। দেখি এর মধ্যে কী করতে পারি।

    মোহনের বাবার মুখ দেখে মনে হল, পারিজাত বক্সীর কথায় সে বিশেষ গুরুত্ব দিল না।

    মোহনের বাবাকে হাওড়া স্টেশনের একটু দূরে নামিয়ে দিয়ে পারিজাত বক্সী লালবাজারে হাজির হলেন। একেবারে কমিশনার সাহেবের কামরায়।

    কমিশনার চুরুট মুখে দিয়ে কতকগুলো ফোটো দেখছিলেন। মুখ তুলে বললেন, আরে কী খবর বক্সী, অনেকদিন তোমার খবর পাইনি।

    পারিজাত বক্সী চেয়ারে বসে পড়ে বললেন, আর খবর! একটা ব্যাপার নিয়ে প্রাণ ওষ্ঠাগত।

    কমিশনার হাসলেন, আরে, তোমরা তো ঝঞ্ঝাট নিয়ে থাকতেই ভালোবাসো। আমাদের চাকরিটাই ঝঞ্ঝাটের আর তোমরা শখ করে ঝামেলা মাথায় নাও। দাঁড়াও, এক কাপ কফি আনতে বলি।

    কমিশনার কফির অর্ডার দিলেন।

    পারিজাত বক্সী প্রশ্ন করলেন, আচ্ছা, এখন এ শহরে নামকরা ছেলেধরার দল ক-টা আছে?

    কমিশনার হাসলেন, সব মহাপুরুষের নাম কি আর জানা যায়! তবে বড়ো দল ছিল গোটা চারেক। একটা দল অবশ্য পাঞ্জাবে চলে গেছে।

    আস্তানার খোঁজ রাখেন?

    এদের কি আর স্থায়ী আস্তানা থাকে? তোমার-আমার জ্বালায় অনবরত আস্তানা বদল করতে হয় ওদের। কেন হে, ছেলেধরার খোঁজ কেন?

    পারিজাত বক্সী মোহনের কাহিনি সব বললেন।

    কমিশনার খুব মন দিয়ে শুনে বললেন, ছেলেটাকে ইতিমধ্যে অন্ধ কিংবা খোঁড়া করে দেয়নি তো?

    তা যদি করত তাহলে কি তার বাপের কাছে ওরকম চিঠি লিখত—টাকা দিলে ছেলে ফেরত দেবার প্রতিশ্রুতি দিয়ে!

    কিছু বলা যায় না। এরা সব পারে। টাকাটা পেলেই যে ছেলেটাকে বাপের কাছে ফেরত দেবে, তার গ্যারান্টি আছে?

    পারিজাত বক্সী চুপচাপ বসে ভাবতে লাগলেন।

    অসৎ লোকের অসাধ্য কোনও কাজ নেই। মোহনকে হয়তো বাইরে কোথাও পাঠিয়ে দিয়েছে। যদি বাড়তি টাকা হাতে আসে, মন্দ কী!

    আচ্ছা, এ দলের কোনও লোকের ফোটো আপনাদের কাছে আছে?

    কয়েকজন বছর তিনেক আগে ধরা পড়েছিল, তাদের ফোটো থাকা সম্ভব। তুমি বোসো, আমি দেখছি।

    কমিশনার বোতাম টিপলেন। একজন কনস্টেবল এসে দাঁড়াতে তিনি বললেন, চৌধুরী সাব।

    পুলিশ বেরিয়ে গেল। একটু পরেই একজন ছোকরা পুলিশ অফিসার এসে ঢুকল। বলল, ডেকেছেন স্যার?

    এঁকে চেনো তো?

    হ্যাঁ, চিনি বই কী। বিখ্যাত লোক। অনেক গোলমেলে কেসের সমাধান করে দিয়েছেন।

    আচ্ছা, ছেলেধরাদের যে অ্যালবামটা আছে, এঁকে দেখতে দাও।

    মিনিট পনেরোর মধ্যে একটা অ্যালবাম এনে পারিজাত বক্সীর হাতে দিল অফিসারটি।

    পারিজাত বক্সী পাতা উলটে ফোটোগুলো দেখতে লাগলেন। প্রায় আটজন লোকের বিভিন্ন দিক থেকে তোলা অনেকগুলো ফোটো।

    পারিজাত বক্সী লক্ষ করেছেন, একটু রাত হলে অন্ধ-খোঁড়া ভিখারিদের নিয়ে যাবার জন্য লোক এসে দাঁড়ায়। কাউকে চলতে সাহায্য করে, আবার কারো জন্য কাঠের গাড়ি আসে, তাতে বসিয়ে ঠেলে নিয়ে যাওয়া হয়। অবশ্য তারা দলের কেউ নয়। চাঁইদের নির্দেশে কাজ করে। বলতে গেলে মাইনে-করা চাকর। তাদের ফোটো এ অ্যালবামে থাকা সম্ভব নয়।

    তবু পারিজাত বক্সী মন দিয়ে ফোটোগুলো দেখলেন, তারপর অ্যালবামটা টেবিলের ওপর রেখে উঠে দাঁড়ালেন।

    কমিশনার বললেন, যাচ্ছ! যদি পুলিশের সাহায্যের দরকার হয় তো জানাবে।

    হ্যাঁ, নিশ্চয় জানাব।

    লালবাজার থেকে বেরিয়ে পারিজাত বক্সী ফুটপাতে কিছুক্ষণ দাঁড়ালেন। এদিক ওদিক দেখলেন। তাঁর ওপর কারো নজর রাখা কিছু বিচিত্র নয়। সাবধানে তিনি নিজের মোটরে গিয়ে উঠলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকৃষ্ণগহ্বর, শিশু মহাবিশ্ব ও অন্যান্য রচনা – স্টিফেন হকিং
    Next Article ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভূতুড়ে কাণ্ড

    February 26, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভূতচরিত

    February 26, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    আগন্তুক

    February 26, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ফাঁসির আসামি

    February 26, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    মৃত্যুর পরে

    February 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }