Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প613 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সীমানা ছাড়িয়ে – ৬

    ।। ছয়।।

    মোহনের বাবাকে চেনা যায় না। এই ক-মাসে যেন তার বয়স বেশ কয়েক বছর বেড়ে গেছে। মুখে হিজিবিজি আঁচড়। চোখের দৃষ্টি ঘোলাটে। কাজে তার মন নেই। কোনওরকমে দোকান খুলে বসে।

    পারিজাত বক্সী সবই লক্ষ করলেন। তাঁর সামনের চেয়ারে মোহনের বাবা চুপচাপ বসে ছিল।

    পারিজাত বক্সী বললেন, অভয়বাবু, আপনি অমন দমে যাবেন না। আমি বলছি, আপনার ছেলেকে ওরা মেরে ফেলেনি।

    মোহনের বাবা আস্তে আস্তে মুখ তুলে করুণ গলায় বলল, প্রাণে হয়তো মারবে না, কিন্তু পঙ্গু করে দিয়েছে হয়তো। কিংবা যদি অন্ধ করে দিয়ে থাকে, তাহলেও আমার ছেলের অবস্থা ভেবে দেখুন।

    কথাগুলো বলবার সময় মোহনের বাবার দু-চোখ দিয়ে দরদর করে জল গড়িয়ে পড়ল। পারিজাত বক্সী উঠে গিয়ে মোহনের বাবার পিঠে একটা হাত রাখলেন, আপনি ওভাবে ভেঙে পড়বেন না। আমি যা বলছি, তা-ই করুন।

    কী বলুন? আপনি একটা চিঠি লিখে তিন মাস সময় নিন—সাত হাজার টাকা জোগাড় করতে কিছু সময় নেবে। অত টাকা হাতে নেই।

    বেশ, তা-ই করব।

    তা-ই করব নয়—এখনই করুন। আমি কাগজ এনে দিচ্ছি।

    কাগজ-কলম এল। পারিজাত বক্সী যেমন বললেন, মোহনের বাবা ঠিক তেমনই লিখলেন। লেখা শেষ হতে পারিজাত বক্সী আবার বললেন, আপনি চলে যান হাওড়া স্টেশনে। ন-নম্বর প্ল্যাটফর্মে চিঠিটা ঘড়ির নীচে রাখবার কথা, তা-ই না?

    মোহনের বাবা মাথা নাড়ল, হ্যাঁ।

    মোহনের বাবা বেরিয়ে যাবার মিনিট কুড়ি-পঁচিশ পরে এ বাড়ি থেকে একজন চীনা ভদ্রলোক বেরিয়ে গিয়ে রাস্তায় দাঁড়াল।

    মাথায় টুপি। সামনের দুটো দাঁত সোনা দিয়ে বাঁধানো। পরনে টাইট কোট-প্যান্ট।

    একটু পরে হাওড়া স্টেশনে ন-নম্বর প্ল্যাটফর্মের গেটের কাছে চীনা ভদ্রলোককে দেখা গেল। একটা খবরের কাগজ খুলে চোখের সামনে ধরা।

    মোহনের বাবা প্ল্যাটফর্মে ঢুকে এদিক-ওদিক দেখে নিয়ে পকেট থেকে চিঠিটা বের করে নির্দিষ্ট স্থানে রেখে আর সেখানে দাঁড়াল না।

    কিছুক্ষণ কাটল।

    একটা কুলি চিঠিটা তুলে নিয়ে চীনা ভদ্রলোকের সামনে দিয়ে স্টেশনের বাইরে গেল।

    খবরের কাগজের আড়াল দিয়ে চীনা ভদ্রলোক তীক্ষ্ন দৃষ্টি মেলে সব দেখল।

    বাইরে একটা ফেরিওয়ালা বসে ছিল। তার ডালায় বাদামভাজা।

    কুলি চিঠিটা বাদামের ডালায় রেখে আবার স্টেশনের মধ্যে ঢুকে পড়ল।

    মিনিট পনেরো ফেরিওয়ালা চুপচাপ বসে রইল, তারপর উঠে দাঁড়াল।

    এইবার চীনা ভদ্রলোক চলতে আরম্ভ করল। হাওড়া স্টেশনের বাইরে মোটর সাইকেলের ওপর একটি ছোকরা বসে ছিল। সে হাত বাড়িয়ে চিঠিটা নিয়েই মোটর সাইকেল চালিয়ে দিল।

    রাস্তার একপাশে কালো রঙের একটা মোটর দাঁড়িয়ে ছিল। চীনা ভদ্রলোক মোটরে উঠে মোটর চালু করল।

    হাওড়া ব্রিজ পার হয়ে মোটর সাইকেল ছুটল। পিছন পিছন মোটর।

    এ গলি-সে গলি পেরিয়ে শহর ছাড়িয়ে শহরতলির এক পুরোনো ভাঙাচোরা বাড়ির সামনে মোটর সাইকেল থামল।

    আরোহী নেমে কিছুক্ষণ একটা বিরাট অশ্বত্থ গাছের তলায় দাঁড়িয়ে কী করল, তারপর পকেট থেকে চিঠিটা বের করে গাছের কোটরে রেখে দিল। তারপর লোকটা আবার মোটর সাইকেলে উঠে অদৃশ্য হয়ে গেল।

    চীনা ভদ্রলোক মোটর থেকে নেমে এদিক-ওদিক দেখল। তারপর এগিয়ে এসে এক ফাঁকে চিঠিটা তুলে নিল।

    এটা মোহনের বাবার চিঠি, কিন্তু এ চিঠি নিতে তো কেউ আসছে না। খুব সম্ভব দিনের বেলা কেউ আসবে না। সন্ধ্যার অন্ধকার নামলে এই ভাঙা বাড়ির মধ্য থেকে লোক বেরিয়ে চিঠিটা নেবে। তাহলে ততক্ষণ তাকে কাছাকাছি অপেক্ষা করতে হবে!

    চীনা ভদ্রলোক ভাঁজ করা চিঠিটা খুলেই চমকে উঠল। না, এটা তো মোহনের বাবার লেখা নয়। একই রঙের কাগজ; কিন্তু লেখা আছে—টিকটিকি সাবধান। পিছু ধাওয়া করে কোনও লাভ হবে না।

    আশ্চর্য, এ চিঠি কখন লিখল লোকটা?

    তা ছাড়া ছদ্মবেশ ধরার ব্যাপারে পারিজাত বক্সীর খুব নাম ছিল, কিন্তু এ দলের চোখে ধুলো দেওয়া তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না, কী লজ্জার কথা!

    মোটরে উঠতে গিয়েই পারিজাত বক্সী থেমে গেলেন। গাছের নীচে সাদা রঙের কী একটা পড়ে রয়েছে।

    এগিয়ে গিয়ে পারিজাত বক্সী সেটা তুলে নিলেন। রুমাল। চারধারে সবুজ বর্ডার।

    সঙ্গে পুলিশের কুকুর থাকলে এই রুমালের গন্ধ শুঁকিয়ে লোকটার অনুসরণ করানো যেত। অবশ্য লোকটা এখন বহু দূর সরে পড়েছে।

    রুমালটা নিয়ে পারিজাত বক্সী মোটরে উঠলেন। বড়োরাস্তায় পাশাপাশি দুটো লন্ড্রি। মোটর সামনে রেখে পারিজাত বক্সী নামলেন।

    লন্ড্রির মালিক ভিতরে ছিল। পারিজাত বক্সী তার কাছে গিয়ে দাঁড়ালেন। বললেন, আপনার সঙ্গে কিছু কথা আছে।

    মালিক ভ্রূ কোঁচকাল।

    আমার সঙ্গে? আমার সঙ্গে কী কথা?

    পারিজাত বক্সী পকেট থেকে তাঁর নাম-লেখা কার্ড বের করে মালিককে দেখালেন।

    মালিক উঠে দাঁড়াল।

    কী ব্যাপার স্যার, আমার দোকানে আপনি কেন? আমি তো সাদাসিধে লোক। কোনও গোলমালে থাকি না।

    পারিজাত বক্সী রুমালটা বের করে মালিকের টেবিলের ওপর রাখলেন। বললেন, কোণের দাগটা দেখে বলুন তো এটা পাড়ার কোন বাড়ির রুমাল!

    মালিক রুমাল তুলে নিয়ে ভালো করে দেখল। কোণে গুণ চিহ্নের মতো দাগ। একটু দেখে নিয়ে সে বলল, এ দাগ আমাদের দোকানের নয়। আপনি পাশের দোকানে খোঁজ করুন।

    রুমাল তুলে নিয়ে পারিজাত বক্সী পাশের দোকানের দিকে এগোলেন। দোকানের নাম পূর্ণিমা লন্ড্রি।

    একটি প্রৌঢ় বাইরে বসে আছে।

    সেখানে গিয়েও নিজের নাম-লেখা কার্ড দেখিয়ে পারিজাত বক্সী রুমালটা বের করলেন।— দেখুন তো এটা কোন বাড়ির হতে পারে?

    একবার চোখ বুলিয়েই প্রৌঢ় লোকটি বলল, আরে, এ তো সদাশিববাবুর বাড়ির রুমাল।

    কে সদাশিববাবু?

    সদাশিব পাল। চব্বিশ নম্বর বাড়ি।

    আপনি চেনেন তাঁকে?

    সে কী মশাই, আমার দশ বছরের খদ্দের। আমি চিনব না?

    কী করেন তিনি?

    ব্যাবসা আছে। তেঁতুলের ব্যবসা।

    পারিজাত বক্সী আর দাঁড়ালেন না। রাস্তায় নেমে এলেন।

    যেটুকু খবর পেয়েছেন লন্ড্রি থেকে, এর বেশি কিছু জোগাড় করা সম্ভব নয়।

    হনহন করে এগিয়ে পারিজাত বক্সী চব্বিশ নম্বর বাড়ির সামনে পৌঁছালেন।

    টিমটিম করে জ্বলছে ইলেকট্রিকের আলো। তার নীচে একটি প্রৌঢ় বিরাট খাতা খুলে কী সব হিসাবপত্র করছে।

    পারিজাত বক্সীকে ঢুকতে দেখে প্রৌঢ় মুখ তুলল। কে? কী চাই আপনার?

    আপনি কি সদাশিববাবু?

    হ্যাঁ।

    দেখুন তো এ রুমালটা কি আপনার?

    আপনার মাথা খারাপ! ওইরকম বর্ডার দেওয়া রুমাল এ বয়সে আমি ব্যবহার করব? তা ছাড়া আমি রুমাল ব্যবহারই করি না।

    এখানে আর কে থাকে?

    কে থাকবে! আমি আর তেঁতুলের বস্তা থাকি।

    আমি এ গুদামঘর সার্চ করব।

    আপনি কে মশাই সার্চ করবার? আপনাকে আমি সার্চ করতে দেবই বা কেন?

    ঠিক আছে। যাতে দেন সে ব্যবস্থা করছি। কথাটা বলেই, পারিজাত বক্সী সমস্যায় পড়লেন। যদি এখন তিনি সার্চের ব্যবস্থা করতে থানায় যান, তাহলে সদাশিববাবু হয়তো সেই ফাঁকে কাজ গুছিয়ে রাখবে। কিন্তু ওয়ারেন্ট ছাড়া সার্চ করাও সম্ভব নয়।

    হঠাৎ পারিজাত বক্সীর খেয়াল হল। তাঁর মোটরের মধ্যে তো সব বন্দোবস্ত রয়েছে। সেখান থেকে কাছের থানায় সবকিছু জানাতে পারবেন। তা-ই হল।

    আধ ঘণ্টার মধ্যে থানার দারোগা দুজন পুলিশ নিয়ে হাজির। সঙ্গে সার্চ ওয়ারেন্ট।

    প্রথমে একতলাটা তন্ন তন্ন করে খোঁজা হল। তেঁতুলের বস্তা, দাঁড়িপাল্লা, হিসাবের খাতাপত্র ছাড়া আর বিশেষ কিছু নেই।

    সকলে ওপরে উঠল। দোতলায় সারি সারি ঘর।

    কোনও ঘরে কিছু নেই, শুধু শেষের দিকের একটা ঘরে একটা ছোটো ছেলের নীল প্যান্ট। পাশে একটা চাবুক।

    পারিজাত বক্সী প্যান্ট আর চাবুক দুটোই তুলে নিলেন। প্যান্টে অল্প অল্প রক্তের দাগ।

    এ প্যান্ট কার?

    কী করে জানব বলুন? এখন বাজার খুবই খারাপ। ওপরতলায় তেঁতুলের বস্তা রাখার আর দরকার হয় না। আমি দোতলায় আসিই না।

    কিন্তু এসব কামরা দেখে তো মনেই হচ্ছে না যে, কোনওদিন এখানে তেঁতুলের বস্তা রাখা হত।

    এবার সদাশিববাবু রেগে উঠল। আপনার মনে না হলে আর কী করতে পারি বলুন! আমার হিসাবের খাতা দেখলেই বুঝতে পারবেন।

    পারিজাত বক্সী আর কথা বাড়ালেন না। বললেন, আপনাকে বিরক্ত করার জন্য দুঃখিত সদাশিববাবু। কিছু মনে করবেন না। আমাদেরই ভুল হয়েছিল।

    পারিজাত বক্সী বেরিয়ে গেলেন।

    .

    রাত নেমে এলে গলিটা যখন ঘুটঘুটে অন্ধকার, তখন একটি ছায়ামূর্তি খুব আস্তে আস্তে পা ফেলে এগিয়ে এল।

    ঝাঁকড়া একটা অশ্বত্থ গাছ। চোখ ফিরিয়ে এদিক-ওদিক দেখে ছায়ামূর্তি তরতর করে ওপরে উঠে গেল। এক ডাল থেকে অন্য ডালে।

    মোটা একটা ডাল দোতলার জানলা পর্যন্ত এসেছে। মূর্তিটা ডাল আঁকড়ে চুপচাপ পাতার আড়ালে লুকিয়ে বসে রইল।

    পাশের বাড়ি অন্ধকার। কোথাও আলো-টালো নেই। চারদিকে ঝিঁঝি ডাকছে। দূরে দূরে পথের কুকুরের চিৎকার। জনমানবের সাড়াশব্দ নেই।

    হঠাৎ টুং টুং করে আওয়াজ।

    রাত কত বোঝবার উপায় নেই। মূর্তি ঝুঁকে পড়ে দেখল।

    এঁকেবেঁকে একটা সাইকেল এসে গাছের নীচে দাঁড়াল।

    আরোহী ওপরদিকে চোখ ফেরাতেই দোতলার একটা জানলা থেকে একটা টর্চের আলো দপদপ করে দুবার জ্বলেই নিভে গেল। বোঝা গেল, কোনওরকম সংকেত।

    তারপর সাইকেল নিয়ে আরোহী ভিতরে ঢুকে পড়ল।

    দোতলার একটা ঘরে অল্প জোরালো একটা বাতি জ্বলে উঠল।

    ছায়ামূর্তি আরও সরে এসে জানলার ধারে বসল।

    কামরার মধ্যে সদাশিব আর মোটর সাইকেল আরোহী। এই লোকটাই প্ল্যাটফর্ম থেকে চিঠি নিয়ে এসেছিল।

    সদাশিব লোকটাকে খিঁচিয়ে উঠল, তুই কি দিন দিন ছেলেমানুষ হচ্ছিস বিনোদ?

    কেন, কী হল?

    কী হল? পকেট থেকে রুমালটা রাস্তার ওপর ফেলে গেছিস। সেই রুমালের মার্কা ধরে টিকটিকি এসে হাজির।

    বিনোদ একটু ঘাবড়ে গেল। তারপর কী হল?

    হবে আবার কী! বাড়ি তো খালি। সব তো সর্দার সরিয়ে দিয়েছে।

    হুঁ, আমিও টিকটিকিকে খুব ধোঁকা দিয়েছি। আমি জানতাম, ওই ছেলেটার বাপ সব কাজ টিকটিকিকে জানিয়ে করছে। টিকটিকি ঠিক আমার পিছু নেবে। তাই আমি চিঠি তৈরি করে পকেটে নিয়ে রেখেছিলাম। সুযোগ বুঝে অশ্বত্থ গাছের তলায় সেটা রেখে দিয়েছিলাম।

    যাক, সর্দার কী বলে?

    সর্দারের ইচ্ছা, অপেক্ষাই করা যাক।

    কী জানি, তার চেয়ে ছেলেটাকে অন্ধ করে দিয়ে কিংবা পা দুটো খোঁড়া করে দিয়ে আয় বাড়াতে পারলেই ভালো হত।

    সর্দারের ধারণা, ছেলেটার বাপ ইচ্ছে করলে টাকা দিতে পারে। গাঁয়ের লোকের কাছে খবর পেয়েছে, বাপ ছেলেকে ভালোবাসে। কাজেই একটু দেরি হতে পারে, কিন্তু দেবে টাকাটা ঠিক। অবশ্য টাকাটা পেলেই যে ছেলেকে ছাড়া হবে এমন কোনও কথা নেই।

    ছায়ামূর্তি বসে বসে ভাবল। এই সময় আস্তে আস্তে নেমে গিয়ে পুলিশে খবর দিয়ে এই দুজন লোককে সহজেই গ্রেপ্তার করা চলে, কিন্তু তাতে আসল কাজ হবে না। তা ছাড়া এদের বিরুদ্ধে প্রমাণই বা কী!

    সব ব্যাপারটাই এরা বেমালুম অস্বীকার করে বসবে। তবে এই সদাশিব লোকটাকে চোখে চোখে রাখতে হবে। তেঁতুলের কারবার যে তার স্রেফ বাইরের সাজানো ব্যাপার, সেটা বেশ বোঝা যাচ্ছে।

    একটু পরেই লোকটা উঠে দাঁড়াল। সাইকেল চড়ে অন্ধকারে অদৃশ্য হয়ে গেল।

    তার বেশ কিছুক্ষণ পর ছায়ামূর্তি নামল। এদিক-ওদিক দেখে, খুব সাবধানে। কিন্তু একটু এগিয়েই মুশকিলে পড়ল।

    একটা কুকুর ঘুমোচ্ছিল। তার পা গিয়ে পড়ল একেবারে ঘুমন্ত কুকুরের ওপর।

    ভাগ্য ভালো, কুকুরটা কামড়ায়নি কিন্তু বিকট শব্দে চিৎকার শুরু করল।

    কান পাতা দায়। সঙ্গে সঙ্গে পাশ থেকে বেঁটে-মোটা একটা লাঠি এসে পড়ল ছায়ামূর্তির পায়ে। ছায়ামূর্তি পথের ওপর লুটিয়ে পড়ল।

    একবার মনে হল, একটা হাঁটুর হাড় বুঝি ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে। আর জীবনে উঠে দাঁড়াতেই পারবে না।

    একসময় অনেক কষ্টে ছায়ামূর্তি উঠে দাঁড়াল। টলতে টলতে কয়েক পা যেতেই আবার বিপদ। পিছন থেকে কে একজন তাকে সজোরে জাপটে ধরল। আর-একজন রুমাল দিয়ে মুখ বেঁধে ফেলল। তারপর তাকে একেবারে কাঁধের ওপর তুলে নিল।

    কিছু দূরেই একটা মোটর দাঁড়িয়ে। দরজা খুলে ছায়ামূর্তিকে পিছনের সিটে ছুড়ে দিল।

    চিৎকার করার সুযোগ নেই। শুধু দুটো হাত খোলা। দুটো পা-ই শক্ত করে বাঁধা।

    খোলা হাত দিয়ে ছায়ামূর্তির কিছু করার নেই।

    তার পায়ের কাছে একজন বসে রয়েছে। মনে হচ্ছে তার হাতে কালো মোটা একটা লাঠি। এটা ছুড়েই বোধহয় ছায়ামূর্তির পা জখম করেছিল। একটু বেচাল দেখলে হয়তো লাঠি দিয়ে সোজা মাথাতেই আঘাত করে বসবে।

    ছায়ামূর্তি চোখ বন্ধ করে চুপচাপ শুয়ে রইল। বুঝতে পারল, মোটর তিরবেগে ছুটে চলেছে।

    অনেকক্ষণ। অন্ধকার পাতলা হয়ে আসছে। ছায়ামূর্তি মাঝে মাঝে চোখ খুলে দেখে নিচ্ছিল।

    একসময়ে মোটর থামল। দুজন লোক ধরাধরি করে ছায়ামূর্তিকে নামিয়ে আনল। একটা খাটিয়ার ওপর তাকে শুইয়ে লোক দুজন চৌকাঠের বাইরে বসল।

    এখন বেশ আলো ফুটেছে। কোথাও কোনও অন্ধকার নেই।

    এবার ছায়ামূর্তিকে চেনা গেল। ছায়ামূর্তি পারিজাত বক্সী স্বয়ং।

    পারিজাত বক্সী অজ্ঞান হয়ে যাবার ভান করে চুপচাপ চোখ বন্ধ করে পড়ে রইলেন। বাইরে থেকে লোক দুটোর কথাবার্তা তাঁর কানে ভেসে এল।

    তুই তাহলে থাক এখানে। লোকটাকে পাহারা দে। আমি চলি।

    কোথায় যাবি তুই?

    তারক গাড়ি নিয়ে শহরে গেছে, যদি সর্দারকে পায় ওখানে। আমি একবার মান্দারনপুর ঘুরে আসি মেঘার ওখানে। যদি সর্দার ওখানে গিয়ে থাকে। সেই ছেলেটাকে মেঘার কাছে রাখা হয়েছে কিনা।

    কী করতে যে ছোকরাটাকে কই মাছের মতন জিইয়ে রেখেছে কে জানে? শেষ করে দিলেই আমাদের হয়রানি কমে।

    যাক, ওসব উঁচুতলার ব্যাপার আমাদের ভেবে লাভ নেই।

    তুই ভিতরে গিয়ে ওর অবস্থাটা দেখে আয়, তারপর বাজারে গিয়ে খেয়ে নিয়ে আবার পাহারায় বসবি।

    লোকটার পায়ের শব্দ পাওয়ামাত্রই পারিজাত বক্সী চোখ বন্ধ করে ফেললেন। সঙ্গে সঙ্গে নিশ্বাস বন্ধ।

    লোকটা ঝুঁকে পড়ে একবার দেখল। নাকের তলায় হাত দিল। তারপর চেঁচিয়ে বলল, না রে, এখনও দেখছি জ্ঞান ফেরেনি। এসব শহরের ফুলবাবু তো, ভয়েই বোধহয় সিঁটিয়ে গেছে।

    আর-একজন বলল, এত ভয় তো এসব কাজে আসা কেন?

    পয়সা ভাই, পয়সা। সবই পেটের জন্য। আমাদের কথাই ভাব-না। যাক চল, দরজা বন্ধ করে বের হয়ে পড়ি।

    বাইরে দরজায় তালা দেওয়ার শব্দ হল।

    তারপরও কিছুক্ষণ পারিজাত বক্সী চুপচাপ শুয়ে রইলেন। অনেকটা সময় কাটিয়ে খাটিয়ার ওপর উঠে বসলেন। এদিক-ওদিক চেয়ে দেখলেন।

    মাটির দেয়াল। টিনের চাল। একটি জানলা, একটি দরজা। দরজা-জানলা ঘরের তুলনায় বেশ মজবুত।

    কোনওমতে খাটিয়াটা ঠেলে ঠেলে তিনি জানলার কাছে নিয়ে এলেন। হাত দুটোও এবার বেঁধেছে।

    চারদিকে ধু ধু মাঠ। কোথাও বসতির চিহ্নমাত্র নেই।

    পারিজাত বক্সী খাটিয়ায় শুয়ে দুটো পা জানলার মধ্যে গলিয়ে দিলেন। মরচে- পড়া গরাদ প্রায় লাল হয়ে রয়েছে। দড়ির বাঁধন সেই গরাদের গায়ে ঘষতে লাগলেন।

    পা দুটো টনটন করছে। বেশ ব্যথা রয়েছে, কিন্তু সময় নষ্ট করা চলবে না।

    ঘষতে ঘষতে একসময় বাঁধন ছিঁড়ে গেল। হাতের বাঁধনও একইভাবে খোলা হল। পারিজাত বক্সী উঠে দাঁড়ালেন। ঘুরে বেড়ালেন ঘরের মধ্যে। পায়ে ব্যথা রয়েছে বটে, কিন্তু এ নিয়ে চলাফেরা করতে পারবেন।

    প্যান্টের পকেটে হাত দিয়ে দেখলেন, রিভলভারটি ঠিক ঠিক আছে। এটার অস্তিত্ব কেউ টের পায়নি। কাল এটা ব্যবহার করার বিশেষ সুযোগ ছিল না। পকেটে হাত দেবার চেষ্টা করলেই লোকগুলো হয়তো তাকে শেষ করে দিত।

    পারিজাত বক্সী উঠে দরজার কাছে গেলেন। টেনে দেখলেন, মোটা একটা চেনের সঙ্গে বাঁধা।

    এ দরজা দিয়ে বের হবার কোনও আশা নেই। পারিজাত বক্সী খাটিয়ায় ফিরে এলেন। চুপচাপ শুয়ে ভাবতে লাগলেন।

    যেমন করেই হোক এ কেসটার একটা কিনারা করতেই হবে। দলটা বার বার তাঁর চোখে ধুলো দিয়ে পালাচ্ছে।

    আর-একটা ব্যাপার, কেউ যেন চুপি চুপি তাঁর গতিবিধির ওপর নজর রাখছে। প্রত্যেকবার তাঁর ছদ্মবেশ ধরা পড়ে যাচ্ছে।

    দরজায় শব্দ হতেই পারিজাত বক্সী চোখ বন্ধ করে ফেললেন।

    তালা খুলল। কে একজন যেন ঢুকল। খাটিয়ার কাছ বরাবর এসে বলল, এ কী রে বাবা, লোকটা এখনও চুপচাপ পড়ে আছে! শেষ হয়ে গেল নাকি?

    লোকটা পারিজাত বক্সীর গায়ে ঝুঁকে পড়তেই পারিজাত বক্সী প্রবল বেগে ঘুসি চালালেন লোকটার চোয়াল লক্ষ করে।

    বাপস। বলে লোকটা ছিটকে দেয়ালের কোণে গিয়ে পড়ল।

    পারিজাত বক্সী এক মুহূর্তও নষ্ট করলেন না। পকেট থেকে রিভলভার বের করে লোকটার সামনে দাঁড়িয়ে বললেন, খবরদার, একটু চেঁচালেই খুলি ফুটো করে দেব।

    লোকটা চেঁচাবে কী, বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গেছে!

    হাতের এত শক্তি তা সে কল্পনাও করতে পারেনি। চোয়ালে ঘুসি খেয়ে তখনও সে চোখে সরষে ফুল দেখছে।

    উঠে দাঁড়াও!

    লোকটা দেয়াল ধরে উঠে দাঁড়াল। তার পরনে পাতলা একটা গেঞ্জি আর ফুলপ্যান্ট। প্যান্টের পিছনে পকেট।

    দুটো হাত ওপরে তোলো।

    লোকটা হাত তুলল।

    পারিজাত বক্সী প্যান্টের পকেট দেখল। একটা চামড়ার মানিব্যাগ, তাতে চার টাকা ত্রিশ পয়সা। আর আধময়লা একটা বড়ো রুমাল।

    ব্যাগটা আবার রেখে দিয়ে পারিজাত বক্সী বললেন, মেঘা কে?

    লোকটা কিছুক্ষণ চোখ পিটপিট করে বলল, আমাদের দলের একজন।

    মোহন বলে একটা ছেলেকে ধরে এনে কোথায় রেখেছ?

    ও নামে কাউকে জানি না।

    মেঘার কাছে কে আছে তাহলে?

    নতুন ছেলে একটা।

    তার নাম কী?

    জানি না।

    এসব ছেলেদের নিয়ে কী করা হয়?

    জানি না।

    সোজা উত্তর না দিলে অদৃষ্টে দুঃখ আছে।

    মা কালীর দিব্যি, জানি না। আমাদের কাজ শুধু টিকটিকি আগলানো। বলেই লোকটা জিভ কাটল।

    পারিজাত বক্সী বুঝতে পারলেন, লোকটার কাছ থেকে এর বেশি আদায় করা যাবে না।

    পিছন ফেরো।

    লোকটা ঘুরে দাঁড়াল।

    পারিজাত বক্সী পকেট থেকে নাইলনের দড়ি বের করে লোকটার দুটো হাত পিছমোড়া করে বাঁধলেন। তারপর তাকে টানতে টানতে খাটিয়ার ওপর শুইয়ে ফেললেন। তারপর পা দুটোও বাঁধলেন।

    রুমাল বের করে তার মুখে এমনভাবে গুঁজে দিলেন, যাতে লোকটার দুটো চোখ ছানাবড়ার মতন বেরিয়ে এল।

    পারিজাত বক্সী হেসে বললেন, এইভাবে শুয়ে থাকো। আমি চলি।

    বাইরে বেরিয়ে চেনে তালা লাগিয়ে দিলেন। চাবি তালাতেই ঝুলছিল।

    প্রথমে চলতে বেশ একটু কষ্ট হচ্ছিল। উঁচু-নিচু জমি, তারপর পায়ে-চলা পথ পাওয়া গেল।

    চলতে চলতে পারিজাত বক্সী ভাবলেন, একটা ভুল হয়ে গেল। এখান থেকে বাইরে যাবার রাস্তাটা লোকটাকে জিজ্ঞাসা করে নিলে হত। কোনদিক দিয়ে গেলে সোজা হবে কে জানে!

    তারপর আবার তাঁর মনে হল, কিছু বলা যায় না, জিজ্ঞাসা করলে হয়তো সে উলটো পথই বাতলে দিত। যাতে সারাক্ষণ কেবল মাঠে মাঠেই ঘুরতে হত। ইতিমধ্যে সঙ্গীরা এসে তাঁকে ধরবার চেষ্টা করত।

    অনেকটা যাবার পর পারিজাত বক্সী দেখলেন, শাকসবজি মাথায় নিয়ে একটা লোক এগিয়ে আসছে।

    ও কত্তা, একটা কথা শোনো।

    লোকটা দাঁড়িয়ে পড়ল।

    এখান থেকে রেল স্টেশন কোনদিকে?

    লোকটা অবাক হয়ে গেল।

    রেল স্টেশন? এদিকে ওসব নেই।

    তাহলে বাইরের লোকেরা যাওয়া-আসা করে কীসে?

    বাবুরা হাওয়াগাড়িতে আসে, আর সবাই আসে খেয়া পার হয়ে।

    খেয়াঘাট এখানে কোথায়?

    এখান থেকে দেড় ক্রোশ। ওই ওদিকে।

    পারিজাত বক্সী এগিয়ে চললেন।

    রোদ বাড়ছে। বেশ তাপ। চলতে কষ্ট হচ্ছে। মাঝে মাঝে রাস্তার দু-পাশে বাবলা গাছ। তার তলায় মোটেই ছায়া নেই।

    অনেকটা পথ গিয়ে খেয়াঘাট নজরে এল।

    নদীর সারি সারি অনেকগুলো চালাঘর। দুটো চায়ের দোকান, একটা কবিরাজখানা আর একটা চুল কাটার সেলুনও আছে সেখানে।

    পারিজাত বক্সী প্রথমে চায়ের দোকানে ঢুকলেন। খিদে তো পেয়েইছে, তার ওপর তেষ্টায় গলা শুকিয়ে কাঠ।

    পারিজাত বক্সী চা আর বিস্কুটের অর্ডার দিলেন। এ ছাড়া অবশ্য কেক ছিল, কিন্তু কেকের অবস্থা দেখে আর খাওয়ার ইচ্ছা হল না।

    দু-কাপ চা আর গোটা আষ্টেক বিস্কুট খেয়ে পারিজাত বক্সী অনেকটা ধাতস্থ হলেন। তারপর গিয়ে ঢুকলেন কবিরাজের দোকানে।

    একজন বুড়ো ভদ্রলোক বসে। মাথায় সাদা ধবধবে চুল, পাকা পাকা গোঁফ। তাকে পা দুটো দেখালেন।

    কী করে হল? খুব ব্যথা কি? দাঁড়ান, ওষুধ লাগিয়ে দিচ্ছি।

    সব বুড়ো মানুষের মতন কবিরাজ একটু বেশি কথা বলে, সেটা বোঝা গেল। ওষুধ লাগানো হতে পারিজাত বক্সী জিজ্ঞাসা করলেন, আচ্ছা, এ জায়গার নাম কী?

    বাজে মল্লিকপুর।

    মান্দারনপুর এখান থেকে কত দূর?

    কবিরাজ ভ্রূ কুঁচকে তাকালেন।

    মান্দারনপুর বলে তো এদিকে কোনও জায়গা নেই। এক মান্দারনপুর আছে, খেয়া পার হয়ে রেলে করে যেতে হয়। যেখানে চণ্ডেশ্বরীর মন্দির আছে! বাবার কাছে শুনেছিলাম, অনেক আগে খুব ধুমধাম করে পুজো হত। মেলা হত। এখন সব বন্ধ হয়ে গেছে। কেন, সেখানে আপনার কী দরকার?

    আমার কিছু পৈতৃক জমি ছিল। সেগুলো দেখাশুনো করতে যাব।

    অ। কবিরাজ টেবিলের ওপর রাখা একটা খবরের কাগজে মন দিল।

    আচ্ছা, খেয়া নৌকা কখন আসবে?

    কবিরাজ মুখ তুলে দেখে বলল, ওই তো আসছে।

    মাঝনদীতে একটা নৌকা। যাত্রী-বোঝাই। এদিকেই আসছে।

    পারিজাত বক্সী সাবধানে নেমে খেয়াঘাটে গিয়ে দাঁড়ালেন।

    আরও কয়েকজন যাত্রী মোটঘাট নিয়ে বসে আছে। সবাই প্রায় চাষাভুসো শ্রেণির।

    এ নৌকা যেখানেই যাক, এ জায়গা পারিজাত বক্সীকে ছাড়তেই হবে। শয়তানের দল হয়তো তার সন্ধানে চারদিকে ছড়িয়ে পড়বে। এবার ধরলে আর এত সহজে উদ্ধার পাওয়া যাবে না।

    নৌকা পারে এসে লাগল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকৃষ্ণগহ্বর, শিশু মহাবিশ্ব ও অন্যান্য রচনা – স্টিফেন হকিং
    Next Article ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভূতুড়ে কাণ্ড

    February 26, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভূতচরিত

    February 26, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    আগন্তুক

    February 26, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ফাঁসির আসামি

    February 26, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    মৃত্যুর পরে

    February 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }