Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প613 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অরণ্য-বিভীষিকা – ৩

    তিন

    জমিদারবাড়ির কাছাকাছি যখন তিনজনে এসে পৌঁছল, তখন রোদ বেশ চড়া। ফটকের সামনে নায়েব দাঁড়িয়ে রয়েছে। তার কাছে দাঁড়িয়ে জমিদারবাড়ির পুরোহিত পঞ্চানন তর্কতীর্থ।

    একটা ঝাঁকড়া বট গাছের নীচে বৈষ্ণব দুজন দাঁড়িয়ে পড়ল।

    তারাকে বলল, যাও, তুমি চলে যাও। আমরা আর এগোব না। আমরা এখানে দাঁড়িয়ে রয়েছি, তুমি ফটকের মধ্যে ঢুকলে আমরা ফিরে যাব। সর্দারের তা-ই নির্দেশ।

    তারা কোনও উত্তর দিল না। উত্তর দেবার মতন মনের অবস্থা তার ছিল না। সে ফটকের দিকে এগিয়ে গেল।

    নায়েবের কাছাকাছি যেতেই নায়েব চমকে উঠল। মানুষ ভূত দেখে যেমন চমকায়, ঠিক তেমনই। আমি এসেছি নায়েবকাকা।

    নায়েব তারার কথার কোনও উত্তর দিল না। ফিসফিস করে পুরোহিতের সঙ্গে কী আলোচনা করল, তারপর তারা আর-একটু এগোতেই দুটো হাত প্রসারিত করে তাকে বাধা দিল। তারা, দাঁড়াও।

    তারা থমকে দাঁড়িয়ে পড়ল।

    তোমাকে ডাকাতরা হরণ করে নিয়ে গিয়েছিল, তুমি তো এ বাড়িতে আর ঢুকতে পারবে না। তোমাকে বাড়িতে স্থান দিলে আমরা সবাই সমাজে পতিত হব।

    এমন কথা তারা আশাও করেনি। সব ভুলে সে ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠল।

    তাহলে আমি কোথায় যাব নায়েবকাকা? তা ছাড়া আমাকে যে ডাকাতে চুরি করে নিয়ে গিয়েছিল, সে কি আমার দোষ? এত পাইক-বরকন্দাজ রেখেও তো তোমরা আমাকে বাঁচাতে পারলে না।

    নায়েব এসব কথার কোনও উত্তর দিল না। হয়তো এসব কথার উত্তর তার জানা নেই। একটু পিছিয়ে লোহার ফটকটা সজোরে বন্ধ করে দিল।

    মুখে আঁচল চাপা দিয়ে এবার তারা বেশ জোরেই কেঁদে উঠল।

    তোমার পায়ে পড়ি নায়েবকাকা, আমাকে ঢুকতে দাও। নইলে পথে পথে আমি কোথায় ঘুরে বেড়াব? কে আমায় আশ্রয় দেবে? আমি বাবা আর মা-র সঙ্গে একবার দেখা করতে চাই।

    এবার পুরোহিত কথা বলল। রুক্ষ, কর্কশ কণ্ঠস্বর।

    জমিদারমশাই ডাকাতদের হাতে প্রাণ দিয়েছেন। তোমার জাত গিয়েছে। এ বাড়িতে তোমার ঠাঁই হতে পারে না।

    বাবা নেই?

    তারা পথের ধুলার ওপর লুটিয়ে পড়ে কাঁদতে লাগল। অনেকক্ষণ পরে যখন চোখ মুছে উঠে দাঁড়াল দেখল সামনে কেউ নেই। লোহার কঠিন ফটকটা পথরোধ করে রয়েছে। অনেক দূরে কয়েকজন প্রজা দাঁড়িয়ে রয়েছে। জাত-হারানো মেয়ের কাছে আসার সাহস তাদের নেই।

    কাপড় দিয়ে তারা ঘষে ঘষে চোখের জল মুছে ফেলল। দীর্ঘশ্বাস ফেলে বাড়িটার দিকে একবার চেয়ে দেখল। সব জানলা-দরজা বন্ধ। কোথাও কোনও প্রাণের চিহ্ন নেই।

    ঠিক আছে, ঠিক আছে।

    মনে মনে বিড়বিড় করে তারা ঘুরে দাঁড়াল। তারপর জোরে জোরে পা ফেলে যেদিক থেকে এসেছিল, সেইদিকেই চলতে শুরু করল।

    কোথায় চলেছে তা সে নিজেই জানে না। বার বার চোখের জলে সামনের পথ ঝাপসা হয়ে গেল। আঁচল দিয়ে চোখ মুছে সে চলার গতি আরও দ্রুত করল। কোনও কিছু চিন্তা করার শক্তি তার নেই, শুধু এইটুকু বুঝতে পারল, নিজের গাঁয়ে, নিজের বাড়িতে তার স্থান নেই। সম্পূর্ণ বিনা দোষে।

    তারা। তারা। তারা চমকে ফিরে দেখল।

    বট গাছের তলায় সেই বৈষ্ণব দুজন তখনও বসে রয়েছে। তাদের একজন তারাকে ডাকছে।

    তারা তাদের সামনে গিয়ে দাঁড়াল।

    এখন কোথায় যাবে?

    জানি না।

    তারা মাথা হেঁট করল।

    বৈষ্ণব দুজন উঠে দাঁড়াল। চলো আমাদের সঙ্গে।

    কোথায়?

    সর্দারের কাছে। ভ্রূ কুঁচকে তারা চেয়ে রইল।

    এমন যে হবে সর্দার জানত। সেইজন্যই আমাদের অপেক্ষা করতে বলেছিল। তোমাকে ফিরিয়ে নিয়ে যাবার জন্য।

    তারা কোনও প্রতিবাদ করল না। বুঝল প্রতিবাদ করে লাভ নেই। এ গাঁয়ে কেউ তাকে আশ্রয় দেবে না। দেখাই যাক ডাকাতের সর্দার কী বলে। কী ব্যবস্থা করে তার জন্য।

    জঙ্গলের মধ্যে বেশ কিছুটা যাওয়ার পর দেখল একটা পাকুড় গাছের নিচু ডালে একটা ঘোড়া বাঁধা। যে ঘোড়ার পিঠে চড়ে তারা জঙ্গলের বাইরে এসেছিল, সেই ঘোড়া।

    তার মানে, তারার ফেরার সমস্ত বন্দোবস্ত সর্দার করে রেখেছে।

    ঘোড়ায় চড়তে গিয়েই কথাটা তারার মনে পড়ে গেল। সে সরে দাঁড়িয়ে বলল, না, আমি তোমাদের সঙ্গে যাব না।

    কেন?

    তোমরা আমার বাবাকে মেরে ফেলেছ। পিতৃহন্তার আশ্রয়ে আমার প্রয়োজন নেই।

    ততক্ষণে বৈষ্ণব দুজন তাদের ফোঁটা তিলক মুছে ফেলেছে। পোশাক বদলেছে। ডাকাতের অনুচর বলে এবার চেনা যাচ্ছে।

    একজন গম্ভীরকণ্ঠে বলল, সব কথা সর্দারের কাছে শুনতে পাবে। চলো।

    তারার আর কোনও কথা বলার সাহস হল না। আস্তে আস্তে ঘোড়ার পিঠে চড়ে বসল।

    পথে একটিও কথা হল না। কথা বলার ইচ্ছাও তারার হল না। সারাক্ষণ কেবল বাপের মুখ মনের মধ্যে ভাসতে লাগল। মা-র অসহায় অবস্থা।

    অনেকক্ষণ পর ক্লান্তিতে, পরিশ্রমে যখন তারার দুটো চোখ বুজে এসেছে তখন শাঁখ-ঘণ্টার আওয়াজে সে সোজা হয়ে বসল।

    ঘোড়ার দু-পাশে দুজন অনুচর চলেছে।

    তারা জিজ্ঞাসা করল, কী হচ্ছে?

    মা-র পুজো।

    একটু এগিয়ে তারাকে ঘোড়া থেকে নামানো হল।

    সামনেই মন্দির। শাঁখ-ঘণ্টার শব্দ সেখান থেকেই আসছে।

    মন্দিরের চাতালে গিয়ে তারা দাঁড়াল।

    বিরাট বাশুলিমূর্তি। লোলরসনা। হাতে খর্পর।

    সামনে রক্তাম্বর পরে কালু সর্দার পূজা করছে। দু-পাশে অনুচররা, কেউ চামর দোলাচ্ছে, কেউ শাঁখ, ঘণ্টা, কাঁসর বাজাচ্ছে।

    দু-হাত জোড় করে প্রণাম করে তারা মন্দিরের চাতালে উঠতে গিয়েই বাধা পেল।

    একজন অনুচর সামনে এসে দাঁড়াল।

    মন্দিরে যেয়ো না।

    কেন?

    তুমি অস্নাত। তা ছাড়া তোমার এখন অশৌচ।

    অশৌচ কথাটা কানে যেতেই তারার বুকটা আবার যন্ত্রণায় মোচড় দিয়ে উঠল। আঁচল দিয়ে দুটো চোখ চেপে তারা আস্তে আস্তে সিঁড়ি বেয়ে নেমে এল।

    অনুচরের নির্দেশে পুকুরে স্নান সেরে তারা ফলমূল আহার করে নিল। ছোটো একটা পর্ণকুটিরে তার থাকার ব্যবস্থা হয়েছিল। শয্যায় শোয়ামাত্র তার চোখে গভীর ঘুম নেমে এল।

    কতক্ষণ ঘুমিয়েছিল তারার খেয়াল নেই, হঠাৎ কানে অস্পষ্ট একটা কণ্ঠস্বর যেতেই সে ধড়মড় করে উঠে পড়ল।

    উঠে বসতে কণ্ঠস্বর আরও স্পষ্ট হল। আরও গম্ভীর।

    মা, মা।

    কুটিরের দরজায় দাঁড়িয়ে কে ডাকছে। কিন্তু তারাকে এমন সম্বোধন কে করবে?

    তারা দরজার কাছে গিয়েই দাঁড়িয়ে পড়ল।

    কালু সর্দার দাঁড়িয়ে রয়েছে। পরনে রক্তাম্বর। কপালে প্রকাণ্ড সিঁদুরের টিপ। হাতে মোটা লাঠি।

    তুমি আমায় ডেকেছ মা? আমি এতক্ষণ পূজায় ব্যস্ত ছিলাম।

    কিছুক্ষণ তারা কোনও কথা বলতে পারল না। কালু সর্দারকে কখন ডেকেছে মনে করতে লাগল।

    মনে করতে করতেই তারার মুখ-চোখ আরক্তিম হয়ে উঠল।

    বলল, তোমরা আমার বাবাকে মেরে ফেলেছ?

    মানুষ মানুষকে মারতে পারে না তারা-মা। আমরা উপলক্ষমাত্র। নিজের অন্যায়ের জন্যই তোমার বাবা নিজের বিপদ ডেকে এনেছিলেন। নিজের চরম বিপদ।

    নিজের অন্যায়ের জন্য? তারা বিস্মিত হল।

    হ্যাঁ, দেব-দেবীর সঙ্গে ছলনা করা পাপ, অন্যায়।

    তারা চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইল। কথাগুলো ঠিক বুঝতে পারল না।

    কালু সর্দারের কণ্ঠ এবার আরও গম্ভীর।

    মায়ের পূজার জন্য তোমার বাবার কাছে অর্থ আর অলংকার সাহায্য চাওয়া হয়েছিল। তিনি অর্থ লুকিয়ে ফেলেছিলেন। স্বর্ণালংকার সরিয়ে সেই জায়গায় মেকি অলংকার রেখে দেবীকে বঞ্চনা করার চেষ্টা করেছিলেন। প্রবঞ্চনা আর অন্যায়ের শাস্তি মৃত্যু। সেই মৃত্যুই তাঁকে গ্রহণ করতে হয়েছিল। যাক মা, আসল কথাটা শোনো।

    কথাটা বলবার আগে কালু তীক্ষ্ন দৃষ্টি দিয়ে তারার আপাদমস্তক নিরীক্ষণ করল, তারপর বলল, তোমার কথা আমি সব শুনেছি। এমন ব্যাপার যে হবে সেটা আমি আগেই অনুমান করেছিলাম। হিন্দুসমাজ শুধু বাইরের কাঠামোটা আঁকড়ে ধরে আছে। ভিতরে কোনও সারবস্তু নেই। মানুষকে রক্ষা করার ক্ষমতা নেই, অথচ তাকে বর্জন করতে একটুও দ্বিধা করে না। এ ভালোই হয়েছে মা। কালুর মা নেই। আমার একজন মায়ের প্রয়োজন ছিল। সমস্ত রাত পরিশ্রম করে এসে একজনের কাছে বিশ্রাম করার জন্য। তুমি এখানে থাকো, আমার মা হয়ে। দেখবে, বাইরের লোক তোমার ছেলের যতটা বদনাম করে, আমি ততটা খারাপ নই।

    এরপর কালু এক আশ্চর্য কাণ্ড করল।

    লাঠিটা পাশে রেখে তারার পায়ের কাছে সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করল।

    সমস্ত ব্যাপারটা বুঝতে তারা বেশ সময় নিল। এত বড়ো ডাকাত— সারাটা এলাকা যার নামে থরথরিয়ে কাঁপে, সে এভাবে তাকে প্রণাম করল! নিজের লোক বিনা অপরাধে তাকে তাড়িয়ে দিল বাড়ির দরজা থেকে, আর নিঃসম্পর্কীয় এই দস্যু এমনভাবে তাকে নিজের কাছে টেনে নিতে চাইছে।

    শুধু আশ্রয় দেওয়া নয়, নিজেকে নিবেদন করছে তার পায়ের তলায়।

    কালু সর্দার উঠে দাঁড়াল। লাঠিটা কুড়িয়ে নিয়ে বলল, এসো মা, আজ থেকে তুমি আমার কাছে থাকবে। মা-ব্যাটা একঠাঁই থাকব। আমি যখন তোমার ছেলে, তখন গোটা দলেরই তুমি মা। এসো আমার সঙ্গে।

    কালু আগে আগে, তারা তাকে অনুসরণ করল।

    অরণ্যের আরও অন্ধকারে পাশাপাশি দুটি কুটির। মাটির দেয়াল। খড়ের চাল।

    সেই কুটিরের সামনে এসে কালু থামল।

    এই আমার আস্তানা মা। এখন থেকে আমরা দুজনে এখানে থাকব।

    কুটিরের সামনে দুজন অনুচর বর্শা হাতে পায়চারি করছিল, কালুকে দেখেই অভিবাদন করে স্থির হয়ে দাঁড়াল।

    আজ থেকে মা আমার কাছে থাকবে। এদিকের এই কুটিরে তার থাকার ব্যবস্থা করে দাও।

    অনুচর দুজন সেখান থেকে সরে গেল।

    কালু তারাকে সঙ্গে নিয়ে এদিকের কুটিরে ঢুকল।

    দেয়ালের গায়ে বিরাট একটা কালীর পট। গোটা দুয়েক জলচৌকি। একটা কাঠের আলনা। এদিকে নিচু তক্তপোশে একটা বিছানা। বিছানার ওপর বাঘের ছাল পাতা।

    মা। কালু তারার দিকে ফিরে বলল।

    বলো।

    সকাল থেকে আমি অভুক্ত। ওই পাশে আমার খাবার রয়েছে। আসন করে দাও।

    তারা আসন পেতে দিল। কোণের মাটির হাঁড়ি থেকে জল গড়িয়ে গ্লাসে রাখল। এদিক-ওদিক চোখ ফেরাতেই নজরে পড়ল কলাপাতা-ঢাকা একটা থালা।

    সাবধানে থালাটা তুলে তারা আসনের সামনে রাখল।

    কলাপাতা সরিয়েই দেখল ফলমূল সাজানো।

    তুমি এই অবেলায় শুধু ফলমূল খাবে?

    আজ রাত্রে কাজে বের হতে হবে, সেইজন্যই পুজোর এত ঘটা। যেরাতে কাজে বের হই, সেদিন ফলমূল ছাড়া কিছু খাই না।

    কালু খেতে বসতেই বাইরে থেকে একটা অনুচর এসে পাখা নেড়ে বাতাস করতে লাগল।

    দু-এক মুহূর্ত। তারপরই তারা তার হাত থেকে পাখাটা চেয়ে নিল।

    পাখাটা আমায় দাও। আমি বাতাস করছি।

    অনুচর একটু দ্বিধাগ্রস্তভাবে কালুর দিকে দেখল, তারপর কালু ইঙ্গিত করতে পাখাটা তারার হাতে দিয়ে আস্তে আস্তে বাইরে চলে গেল।

    তারা বাতাস করতে লাগল।

    একটু পরেই কালু বলল, থাক মা, আর বাতাস করার প্রয়োজন নেই। তুমি এমনিতেই আজ ক্লান্ত। যাও, পাশের কুটিরে গিয়ে বিশ্রাম করো।

    তারা সত্যিই খুব পরিশ্রান্ত বোধ করছিল। পাখাটা রেখে দিয়ে পাশের কুটিরে চলে গেল।

    কুটিরের মধ্যে ঢুকেই অবাক হয়ে গেল।

    একপাশে তক্তপোশে বিছানা পাতা। আলনায় সার সার নতুন শাড়ি আর শেমিজ। কুটিরের দেয়ালে ছোটো একটি কালীর পট। যেটা তারা নিয়ে এসেছিল।

    যে অনুচরটি কুটিরের দরজায় পাহারায় ছিল সে তারাকে বলল, তুমি নিশ্চিন্তে শুয়ে পড়ো। আমি দরজায় রইলাম। আমার নাম দিনু। কোনও দরকার হলে আমাকে ডেকো।

    তারা বিছানায় শুয়ে পড়ল। ভেবেছিল শোবার সঙ্গে সঙ্গেই চোখের পাতায় ঘুম নেমে আসবে, কিন্তু ঘুম এল না, পরিবর্তে রাজ্যের চিন্তা এসে তাকে ঘিরে ধরল।

    এ কী করছে সে? মা বলে ডেকেছে বলেই পিতৃঘাতীদের দলে মিশে গেছে! তাদের সেবা করছে, তদবির-তদারক।

    পরমুহূর্তেই মনে হল, এ ছাড়া সে কী-ই বা করতে পারত? বাবা নেই। থাকলেও সমাজের বিধানের কাছে বাবা অসহায়। তারাকে বাড়িতে ফিরিয়ে নেওয়া তাঁর পক্ষেও সম্ভব হত না। বাবা নেই, মা-র অবস্থা তো আরও করুণ। পুরোহিত যে নির্দেশ দেবে সেটা তাকে মানতেই হবে।

    জোর করে জমিদারবাড়িতে তারাকে স্থান দিলে প্রজারা খেপে উঠবে।

    কাজেই তারার একমাত্র আশ্রয় এই অরণ্য। নির্ভর অরণ্যের চেয়েও ভয়ংকর এই মানুষের দল। একবার যখন এদের কবলে এসেছে তখন পালাবার পথও বন্ধ। একটু সন্দেহ হলেই এরা রেহাই দেবে না।

    .

    কতক্ষণ তারা ঘুমিয়েছিল খেয়াল নেই, দারুণ একটা কোলাহলে তার ঘুম ভেঙে গেল।

    ঠিক কুটিরের বাইরে প্রচণ্ড চিৎকার। বাশুলি মায়িকি জয়।

    তারার বুকটা কেঁপে উঠল। কিছু বলা যায় না। পরিচারিকাদের কাছে শুনেছিল, কালু সর্দার কালীর কাছে নরবলি দেয়। তারাকে এত তোয়াজ করে এখানে রাখার উদ্দেশ্যই হয়তো তাকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে গিয়ে বলি দেবে। মন্দিরের সামনে একজোড়া হাড়িকাঠ সে দেখেছে।

    মা। মা।

    সব কোলাহল ছাপিয়ে কালুর বজ্রকণ্ঠ শোনা গেল।

    তারা তক্তপোশ থেকে নামল। কুটিরের মধ্যে চুপচাপ বসে থাকলেই যে সে বাঁচতে পারবে এমন ভরসা কম। ওরা ঘরের মধ্যে ঢুকে টানতে টানতে ওকে বের করে নিয়ে যাবে।

    দরজার কাছে গিয়েই দেখল বাইরেটা মশালের আলোয় উজ্জ্বল। একটা নয়, অনেকগুলো মশাল জ্বলছে।

    সেই আলোতে তারা দেখল দেয়ালে টাঙানো কালীর পট।

    পটটা খুলে বুকে চেপে নিল।

    মনে পড়ে গেল, গতকাল বিপদের সময় এমনইভাবে কালীর পট বুকে চেপে ধরেছিল, কিন্তু বাঁচতে পারেনি। ডাকাতের হাতে ধরা পড়েছিল।

    তা পড়ুক, তবু বিপদের সময় মায়ের সান্নিধ্য সে ছাড়তে পারবে না। যদি মৃত্যু আসে, যদি এরা তাকে টেনে নিয়ে মায়ের মন্দিরে বলি দেয়, তাহলে কালীর এই পট বুকে জড়িয়েই সে মরবে।

    মা, মা। আবার কালু সর্দারের কণ্ঠ। এবার আরও উদবিগ্ন।

    তারা বুঝতে পারল সে বাইরে না এলে কালুই ভিতরে ঢুকবে।

    কালীর নাম জপ করতে করতে তারা দরজার সামনে গিয়ে দাঁড়াল।

    অনেক মশালের আলোয় পরিষ্কার দেখা গেল তারাকে। উসকোখুসকো চুল বাতাসে উড়ছে। বিস্ফারিত দুটি চোখ। ঠোঁট দুটো থরথরিয়ে কাঁপছে। বুকে দুলছে কালীর পট।

    তারা মায়িকি জয়।

    প্রথমে কালুর গলা, তারপর পিছনে দাঁড়ানো সমস্ত অনুচর তার কণ্ঠে কণ্ঠ মেলাল।

    কালু সর্দার হাঁটু মুড়ে বসল। সঙ্গে সঙ্গে সমস্ত অনুচরবৃন্দ।

    মায়ের কাজে বের হচ্ছি মা। তোমার আশীর্বাদের জন্য এসেছি।

    তারার চাঞ্চল্যের অবসান হল। তাহলে এরা তাকে ধরতে আসেনি। কোথায় ডাকাতি করতে যাবে তাই আশীর্বাদ ভিক্ষা করতে এসেছে।

    কোথা থেকে কী হল তারা নিজেই জানে না। নিজের ডান হাত প্রসারিত করে সে কালুর মাথার ওপর রাখল।

    সঙ্গে সঙ্গে অনুচরেরা আবার জয়ধ্বনি করে উঠল।

    যতক্ষণ না শেষ ডাকাত অরণ্যের অন্ধকারে মিলিয়ে গেল, ততক্ষণ তারা চুপচাপ দরজায় হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে রইল। বোধহয় একটু দূরে কোথাও অনেকগুলো ঘোড়া রাখা ছিল, কারণ একটু পরেই সম্মিলিত ঘোড়ার খুরের শব্দ শোনা গেল।

    সব শব্দ মিলিয়ে যেতে তারা চোখ ফেরাল। দেখল বর্শা হাতে অনুচরটি পাশে দাঁড়িয়ে আছে।

    দিনু।

    মা।

    এরা কোথায় গেল ডাকাতি করতে?

    তা তো জানি না মা। সর্দার, আর দু-একজন চাঁই ছাড়া কেউ জানে না।

    একটু চুপ করে থেকে অনুচর আবার বলল। তোমার খাবার সময় হলে বোলো, খাবার এনে দেব।

    কোনও উত্তর না দিয়ে তারা কুটিরের মধ্যে ঢুকল। একটু পরেই ছোটো একটা ছেলে এসে পিলসুজের প্রদীপটা জ্বালিয়ে দিয়ে গেল।

    বাইরে ঘন অন্ধকার। মাঝে মাঝে জোনাকির ঝাঁক দেখা যাচ্ছে। কুটিরের মধ্যে সামান্য আলো। সেই আলোটিকে সম্বল করে তারা দেয়ালে হেলান দিয়ে চুপচাপ বসল।

    প্রত্যেক রাতে এরা এমনই ডাকাতি করতে বেরিয়ে যাবে। ডাকাতি করতে বেরোনো মানেই একজনের সর্বনাশ করা। মানুষ খুনজখম করবে, টাকাপয়সা লুঠ করবে, তারার মতন এমনই কত লোকের চরম বিপদ হবে।

    এমন একটা আসন্ন সর্বনাশকে তারা কী করে নির্বিবাদে আশীর্বাদ করল? এতক্ষণ পরে তারার খেয়াল হল, তার বুকে তখনও কালীর পটটা ঝুলছে।

    পটটা তারা আস্তে আস্তে খুলে ফেলল। চোখের সামনে রেখে নিরীক্ষণ করে দেখল। ভীষণদর্শনা মূর্তি নয়, দুটি চোখে যেন প্রচ্ছন্ন হাসির আভাস।

    .

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকৃষ্ণগহ্বর, শিশু মহাবিশ্ব ও অন্যান্য রচনা – স্টিফেন হকিং
    Next Article ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভূতুড়ে কাণ্ড

    February 26, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভূতচরিত

    February 26, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    আগন্তুক

    February 26, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ফাঁসির আসামি

    February 26, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    মৃত্যুর পরে

    February 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }