Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প613 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পাথরের চোখ – ২

    ।। দুই।।

    বৈশালী কিছুক্ষণ চুপচাপ জানলার ধারে দাঁড়াল।

    দৃষ্টি চলমান জনতার দিকে নিবদ্ধ হলেও, বেশ বোঝা গেল সে গভীর কিছু চিন্তা করছে।

    একসময়ে পরদার পাশে টেলিফোনের কাছে চেয়ার টেনে বসল। ডায়াল করল, তারপর বলল, একবার সত্যেন রায়কে দিন।

    বৈশালীর কণ্ঠ শোনা গেল।

    বিশেষ প্রয়োজনে আপনাকে এত সকালে বিরক্ত করছি মিস্টার রায়। আমি বৈশালী। বৈশালী ব্যানার্জি। হ্যাঁ, একরকম ভালোই আছি। খবর? আজকের কাগজে ভুবন বাজপেয়ির ব্যাপারটা বেরিয়েছে। ওটার সম্বন্ধে আমার একটু আগ্রহ রয়েছে। ঠিক আছে, আমি আধ ঘণ্টার মধ্যে আপনার কাছে যাচ্ছি। পথে মোটরটা একবার দেখে যাব। আচ্ছা, নমস্কার।

    পোশাক পালটে বৈশালীর বের হতে মিনিট পনেরো লাগল।

    যাবার সময় বাহাদুরকে বলে গেল, আমার একটু দেরি হতে পারে। তুমি খেয়ে নিয়ো।

    লালবাজার থেকে বৈশালী খবর নিয়ে জানল যে, মোটরটা ডালহৌসি স্কোয়্যারের ফুটপাতেই পড়ে আছে।

    বৈশালী যখন গিয়ে পৌঁছোল তখনও কিছু কিছু কৌতূহলী জনতা ভিড় করে আছে।

    মোটর একধারে রেখে বৈশালী নামল।

    একটি পুলিশ মোটরের কাছে দাঁড়িয়ে আছে। কিছুটা রেলিং ভেঙে মোটরটা স্কোয়্যারের মধ্যে ঢুকে গেছে। ইমপালা শেভ্রোলে। মরাল-শুভ্র রঙের।

    বৈশালী একটা গাছতলায় দাঁড়াল।

    ভুবনবাবুর দেহ পোস্টমর্টেমের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আজ বিকালেই রিপোর্ট আসবে। রিপোর্টে নতুন কোনও তথ্য বৈশালী আশা করে না। ভুবনবাবু মৃত এটাই চরম সত্য।

    প্রশ্ন হচ্ছে, কে আততায়ী?

    যদি ময়ূরটা তার প্রিন্সকোটের মধ্যে পাওয়া যায়, তাহলে বুঝতে হবে ভুবনবাবুকে হত্যার উদ্দেশ্য সম্পূর্ণ ভিন্ন। ব্যাবসা সংক্রান্ত কোনওরকম রেষারেষি হওয়া বিচিত্র নয়।

    বৈশালী এগিয়ে গিয়ে পুলিশের কাছে দাঁড়াল।

    নিজের ভ্যানিটি ব্যাগ খুলে একটা কার্ড বের করে দেখিয়ে চাপা গলায় বলল, আমার সেলাম দরকার নেই, তাহলে লোকদের কৌতূহল বাড়বে। আমি শুধু মোটরের কাছে গিয়ে একটু দেখতে চাই।

    বৈশালীর পাশে পাশে পুলিশও এগিয়ে গেল।

    বেশি কাছে যাবার প্রয়োজন হল না। কাচের মধ্যে দিয়ে দেখা গেল পিছনের সাদা সিট-কভারে রক্তের দাগ।

    তার মানে ভুবন বাজপেয়ি পিছনের সিটে ছিল। চালনচক্র ছিল অন্য লোকের হাতে। কিন্তু চালক কোথায় গেল?

    খুব সম্ভব কোনও কারণে মোটরের গতি যখন মন্দীভূত, তখন আততায়ী গুলি ছুড়েছিল। চালক হতবুদ্ধি হয়ে ভারসাম্য হারিয়ে মোটর ফুটপাতে উঠিয়ে দিয়েছিল। তারপর রেলিংয়ের সঙ্গে ধাক্কা। অবশ্য ধাক্কা এমন জোর নয় যে চালক আহত হবে।

    চালক সাধারণভাবে পুলিশ স্টেশনে যাবে, এটাই সহজ বুদ্ধিতে ভাবা যেতে পারে। তার গা-ঢাকা দেবার কোনও হেতু থাকতে পারে না, যদি না সে-ও এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকে।

    চালক কি পিছন ফিরে ভুবনবাবুকে গুলি করেছিল? আর সেই সময় মোটর পথ ছেড়ে বিপথে গিয়েছিল? সেটাও সম্ভব।

    বৈশালী নিচু গলায় জিজ্ঞাসা করল, লালবাজার থেকে কেউ এসেছিল?

    হ্যাঁ, ফরেনসিক ডিপার্টমেন্টের লোক এসেছিল। তারা অনেক ফোটো তুলে নিয়ে গেছে।

    ব্যালিস্টিক ডিপার্টমেন্টের কেউ?

    না। তাঁরা বোধহয় বডির আঘাত দেখবেন। তাতেই বোঝা যাবে।

    ঠিক আছে। আমি চলি।

    গুঞ্জনরত জনতার মাঝখান দিয়ে পথ করে বৈশালী নিজের মোটরের দিকে এগিয়ে গেল।

    নানা কথার টুকরো তার কানে ভেসে এল।

    মেয়ে পুলিশ। দেখলি না, পুলিশটা কিছু বলল না। আর আমরা এক-পা এগোলেই চেঁচাচ্ছে।

    না, না, মেয়ে পুলিশ নয়, তাদের পোশাকই আলাদা। এ বোধহয় যে খুন হয়েছে তার কেউ।

    দূর, তাহলে এরকম খুশি-খুশি ভাব হয়?

    অমন বড়োলোক আত্মীয় খতম হলে সবাইয়ের খুশি-খুশি ভাব হয়।

    হাসি চেপে বৈশালী মোটর চালু করল। এবার গন্তব্যস্থল লালবাজার।

    এখানে প্রায় সবাই চেনা। অনেকের সঙ্গেই কথা বলতে বলতে বৈশালী সোজা ডেপুটি কমিশনার সত্যেন রায়ের কামরার সামনে এসে দাঁড়াল।

    আরদালি ছুটে আসতে জিজ্ঞাসা করল, সায়েব একলা আছেন?

    হ্যাঁ, মেমসাব।

    আরদালি এক হাত দিয়ে দরজা খুলে ধরল। প্রকাণ্ড টেবিল। ফাইল আর অন্যান্য কাগজের স্তুূপ। সত্যেন রায় খুব মনোযোগ দিয়ে কয়েকটা ফোটো দেখছিল। পায়ের শব্দে মুখ তুলল।

    আরে এসো বৈশালী, তোমার কথাই ভাবছিলাম।

    একটা চেয়ার টেনে বসতে বসতে বৈশালী বলল, আমার ভাগ্য। হঠাৎ?

    হঠাৎ নয়, ভুবন বাজপেয়ির কেসটার কথা ভাবছিলাম। তুমি যখন ফোন করেছ, বুঝলাম, ভিতরে রহস্য আছে। ভদ্রলোককে এভাবে কে গুলি করল?

    এ কথার উত্তর তো আপনাদের বিভাগের দেবার কথা। লোকটি কাল রাতে আমার কাছে গিয়েছিল।

    তা-ই নাকি? ভদ্রলোক শিলাগড়ের বড়ো ব্যাবসাদার তা জানি। আগে কয়লার ব্যাবসা ছিল, এখন খাদে তেমন কয়লা নেই। কিন্তু অভ্র আর হিরা-চুনি-পান্নার ভদ্রলোকের ঢালাও কারবার।

    মিস্টার রয়, আপনি তো অনেক কিছুই জানেন।

    জানি, কারণ দিল্লি থেকে টেলেক্স এসেছিল, আন্তর্জাতিক চোরাকারবারি দল কলকাতায় এসেছে। ভুবন বাজপেয়ির সঙ্গে যোগাযোগ করতে।

    তারপর?

    তারপর জাল বিস্তার করেছিলাম, কিন্তু পাখি ধরা পড়েনি।

    কারণ?

    বোধহয় আগে থেকে গন্ধ পেয়েছিল।

    আমার একটু সাহায্যের প্রয়োজন।

    হুকুম করো।

    ভুবনবাবুর জিনিসগুলো একটু দেখব।

    জিনিসগুলো মানে?

    যেগুলো প্রিন্সকোটের পকেট থেকে আপনারা উদ্ধার করেছেন।

    এসো।

    সত্যেন রায় বেরিয়ে গেল। পিছন পিছন বৈশালী। কিছুটা এগিয়ে পাশের একটা ঘরে ঢুকে পড়ল।

    গোটা দুয়েক সাব-ইনস্পেক্টর বসে ছিল। সত্যেন রায় ঢুকতেই তারা তটস্থ হয়ে উঠে দাঁড়াল।

    বোস, কোণের আলমারিটা খোল তো।

    একজন সাব-ইনস্পেক্টর চাবি দিয়ে আলমারি খুলল।

    সত্যেন রায় বলতে আরম্ভ করল, একটা মানিব্যাগ ছিল, তাতে প্রায় হাজার দেড়েক টাকা, দুটো আংটি, হাতঘড়ি, আর একটা ভারী মজার জিনিস।

    কী?

    একটা ময়ূর।

    ময়ূর?

    বৈশালী এমন চমকে উঠল যে, আর-একটু হলে তার ভ্যানিটি ব্যাগটা হাত থেকে ছিটকে মেঝের ওপর পড়ে যেত।

    হ্যাঁ, বেশ কারুকার্য করা। দু-চোখে দুটো লাল পাথর। পেখমেও চমকদার পাথর বসানো।

    বৈশাখী কোনও কথা বলল না।

    ময়ূরই যদি পাওয়া গিয়ে থাকে তাহলে ভুবন বাজপেয়িকে হত্যা করার আততায়ীর কী উদ্দেশ্য থাকতে পারে? কিংবা, কোনও কারণে ময়ূরটা হস্তগত করা হয়তো তার পক্ষে সম্ভব হয়নি। আলমারি থেকে বেরোল মানিব্যাগ, আংটি, ঘড়ি, শেষকালে ভেলভেটে মোড়া ময়ূর। পরিবেশ ভুলে বৈশালী তাড়াতাড়ি ভেলভেটে মোড়া ময়ূরটা তুলে নিল। খুব নিরীক্ষণ করার প্রয়োজন হল না। চোখের সামনে তুলে ধরেই বৈশালী বুঝতে পারল।

    দুটো চোখে চুনি নয়, লাল সাধারণ পাথর।

    আশ্চর্য! এত দ্রুত কী করে ময়ূর বদলানো সম্ভব হল!

    কাল রাতে ভুবনবাবু তাকে যে ময়ূর দেখিয়েছিল, এ ময়ূর সে ময়ূর নয়।

    রত্ন সম্বন্ধে বৈশালীর মোটামুটি একটা জ্ঞান আছে। ঝুটো পাথর আর আসল রুবির পার্থক্য সে বেশ বোঝে।

    সত্যেন রায় বলল, ময়ূরটা আমি ইতিমধ্যেই চিমনলালকে দেখিয়ে নিয়েছি। পাথরগুলো সব ঝুটো।

    বৈশালী হাসল।

    পাথরগুলো যে ঝুটো সেটা বোঝবার জন্য চিমনলালকে ডাকবার দরকার নেই, আমার মতন লোকই সেটা বুঝতে পারে।

    জিনিসগুলো সব আলমারিতে তুলে রাখা হল।

    বৈশালী সত্যেন রায়ের দিকে ফিরে বলল, আমি চলি মিস্টার রয়। বিকালে পোস্টমর্টেম রিপোর্টটা এলে আমাকে একবার খবর দেবেন।

    কথাটা বলেই বৈশাখী কী ভাবল, তারপর আবার বলল, পোস্টমর্টেম রিপোর্টে নতুন তথ্য আর কী জানা যাবে। আপনারা তো বলছেন, গুলিতে মৃত্যু। রিভলভারের গুলিতে।

    পোস্টমর্টেম রিপোর্টে নিহতের শারীরিক অবস্থার কথারও উল্লেখ থাকবে। বিশেষ করে তার ভিসারার অবস্থা। চলো আমার ঘরে একটু বসে যাবে। চা খাবে এক কাপ।

    বৈশালী এড়িয়ে যাবার চেষ্টা করে বলল, আর-একদিন এসে না হয় চা খাওয়া যাবে।

    সত্যেন রায় কপট গাম্ভীর্যে বলল, তোমাকে তো এখন ছাড়তে পারব না।

    কারণ?

    কারণ নিহত ব্যক্তির সঙ্গে শেষ তুমি কথা বলেছ। অন্তত আমাদের যতটুকু জানা আছে। কাজেই এ কেসে তুমি একজন অত্যন্ত প্রয়োজনীয় সাক্ষী। তোমার স্টেটমেন্ট আমাদের দরকার।

    আপাত-গাম্ভীর্যের সুরে কথা বললেও বৈশালীর পক্ষে সত্যেন রায়ের কণ্ঠের পরিহাসের সুরটুকু বুঝতে অসুবিধা হল না।

    .

    সত্যেনবাবু বৈশালীর পিতৃবন্ধু। বৈশালীর বাবা শ্যামল বন্দ্যোপাধ্যায় ইলেকট্রিক কোম্পানির নামী ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। বর্তমানে অবসর গ্রহণ করে হাজারিবাগে রয়েছেন। বৈশালী এ দেশের শিক্ষা শেষ করে স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডেও কিছুদিন শিক্ষানবিশি করেছিল। সত্যেনবাবু চেষ্টা করেছিল যাতে সে পুলিশে কাজ নেয়। বৈশালী রাজি হয়নি। সে শখের গোয়েন্দা থাকতেই চেয়েছিল।

    বৈশালী আবার সত্যেন রায়ের কামরায় গিয়ে ঢুকল।

    এবার বলো তো ভুবন বাজপেয়ি কেন তোমার কাছে গিয়েছিল?

    থেমে থেমে বৈশালী সব ঘটনা বলল।

    সত্যেন রায় চেয়ারে হেলান দিয়ে নিবিষ্টচিত্তে শুনল। তারপর সামনের দিকে একটু ঝুঁকে পড়ে বলল, কিন্তু ময়ূরের এই পাথরের জন্য ভদ্রলোকের এত উদবেগের কারণ? দুটো পাথরই তো ঝুটো।

    ভুবনবাবু কাল রাতে যে ময়ূর আমার কাছে নিয়ে গিয়েছিলেন সেটা এ ময়ূর নয়। সে ময়ূরের একটা চোখে খুব দামি চুনি বসানো ছিল।

    তাহলে সে ময়ূর গেল কোথায়?

    যে ভুবনবাবুকে গুলি করেছে সে-ই সরিয়েছে।

    আর এ ময়ূরটা?

    সম্ভবত পুলিশের চোখে ধুলো দেবার জন্য এ ময়ূর নিহতের পকেটে রেখে গেছে।

    সত্যেন রায় মাথা নাড়ল।

    সিলি, আততায়ী অতক্ষণ ঘটনাস্থলে ছিল? সামনে রাইটারস’ বিল্ডিংস, দু-পা গেলেই লালবাজার। গুলির শব্দ হবার পরও আততায়ী ময়ূর বদলাবার জন্য অত সময় নষ্ট করবে?

    যদি রিভলভারে সাইলেন্সার দেওয়া থাকে?

    কী জানি, সব জিনিসটা আমার খুব ছেলেমানুষি মনে হচ্ছে। ফিঙ্গারপ্রিন্ট এক্সপার্টরা সব কিছু তন্ন তন্ন করে খুঁজছে, কোথাও কোনও আঙুলের ছাপ পায়নি। তার মানে বাইরের কেউ ভুবনবাবুর পোশাক স্পর্শ করেনি। ব্যাপারটা রীতিমতো ঘোরালো হয়ে উঠছে। আচ্ছা, তুমি এখন কী করবে?

    আমার কাল শিলাগড় যাবার কথা।

    যাবে?

    ঠিক বুঝতে পারছি না কী করব। শিলাগড়ে কি খবর পাঠানো হয়েছে?

    হ্যাঁ, সকালেই টেলিগ্রাম করা হয়েছে।

    তাহলে লোক আসবে সেখান থেকে। তারা যদি আমাকে যেতে বলে যাব। আজ উঠি।

    আচ্ছা এসো। তোমার মা-বাবার খবর ভালো তো?

    হ্যাঁ, গত সপ্তাহে চিঠি পেয়েছি। ভালোই আছে।

    বৈশালী উঠে দাঁড়াল।

    সত্যেন রায়ের হঠাৎ মনে পড়ে গেল, আরে, তোমাকে চা খাওয়ানোর কথা ছিল।

    আজ থাক, আর-একদিন হবে। এখন মাঝে মাঝে তো এখানে আসতেই হবে।

    বৈশালী বেরিয়ে পড়ল।

    সিঁড়ির কাছ বরাবর গিয়েই তাকে দাঁড়িয়ে পড়তে হল।

    দু-পাশে পুলিশ, মাঝখানে একটি লোক।

    লোকটার পরনে শার্ট আর ফুলপ্যান্ট। পোশাকে ধুলোর ছাপ। এমনকী ধুলোর চিহ্ন মাথার চুলেও।

    একনজর দেখেই বৈশালী বুঝতে পারল।

    লোকটি মদে চুর। তাকে প্রায় টেনে ওপরে তোলা হচ্ছে।

    বৈশালী একপাশে সরে দাঁড়াল।

    পিছনে একজন সাব-ইনস্পেক্টর। সাব-ইনস্পেক্টরটি পরিচিত।

    সে কাছে আসতেই বৈশালী জিজ্ঞাসা করল, মজুমদার, সিধু পানের কেস নাকি?

    ঠিক বুঝতে পারছি না।

    একেবারে বৈশালীর পাশে এসে সাব-ইনস্পেক্টর আবার বলল, ব্যাটা ড্রাইভার। পকেটের লাইসেন্স দেখে মালুম হল। একটা চিঠিও আছে। চিঠির ওপরে ভুবন-নিবাস, শিলাগড় লেখা। সেইজন্য একে স্যারের কাছে নিয়ে যাচ্ছি, না হলে পাঁড় মাতালকে এখানে আনার কী দরকার।

    এই তাহলে ভুবন বাজপেয়ির ড্রাইভার। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে বৈশালী ভাবতে লাগল। এখন তার চলে যাওয়া সম্ভব নয়। ব্যাপারটা দেখে যেতে হবে।

    দলের পিছন পিছন বৈশালী সত্যেন রায়ের কামরায় ঢুকল। সত্যেন রায় জানলার কাছে দাঁড়িয়ে ছিল। রাস্তার দিকে চোখ ফিরিয়ে।

    এতগুলো লোকের পায়ের শব্দে মুখ ফেরাল।

    কী হল?

    সাব-ইনস্পেক্টর এগিয়ে এসে বলল, ভুবন বাজপেয়ির ড্রাইভার স্যার।

    অ্যাঁ! সত্যেন রায় চমকে উঠল।

    তারপর লোকটার দিকে ফিরে বলল, কী হে, কী নাম তোমার?

    লোকটি উদ্ভ্রান্ত দৃষ্টি মেলে সত্যেন রায়কে দেখল, তারপর চোখ নামিয়ে নিল।

    কী নবাবপুত্তুর, কথা কানে গেল না?

    লোকটি নির্বিকার।

    এবার সাব-ইনস্পেক্টর বলল, আমরা অনেক চেষ্টা করেছি স্যার, একটি কথাও বের করতে পারিনি।

    মারের চোটে ভূত পালায়, নেশা তো ছার।

    তার চেয়ে এক কাজ করলে হয়।

    বৈশালীর কথায় সবাই তার দিকে মুখ ফেরাল।

    কী?

    ডাক্তার রাহাকে একবার ডেকে পাঠান-না। একে পরীক্ষা করে দেখবেন।

    দেখার আর কী আছে। ডাক্তার রাহা বলবেন স্টমাক পাম্প করতে। ঠিক আছে, ডাক্তার রাহাকে একবার ডাকো তাহলে কেউ।

    একজন পুলিশ বেরিয়ে গেল।

    .

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকৃষ্ণগহ্বর, শিশু মহাবিশ্ব ও অন্যান্য রচনা – স্টিফেন হকিং
    Next Article ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভূতুড়ে কাণ্ড

    February 26, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভূতচরিত

    February 26, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    আগন্তুক

    February 26, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ফাঁসির আসামি

    February 26, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    মৃত্যুর পরে

    February 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }