Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প613 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পাথরের চোখ – ৮

    ।। আট ।।

    সারাটা পথ বৈশালী অস্বাভাবিক গম্ভীর।

    স্টিয়ারিং সুজিতের হাতে। সিটে হেলান দিয়ে বৈশালী নিস্পন্দ নির্বাক। তার এ চেহারার সঙ্গে সুজিতের পরিচয় আছে। সে বুঝতে পারল বৈশালীর মনের মধ্যে চিন্তার ঝড় উঠেছে। অনেকগুলো বিপরীতমুখী তরঙ্গের সংঘাত। এসবের মাঝখান থেকে সে সমাধানের সূত্র খুঁজছে।

    বর্ধমান এসে বৈশালী নিজেই কথা বলল। এসো সুজিত, কিছু খেয়ে নেওয়া যাক।

    খাওয়ার টেবিলেও বৈশালী বেশ চিন্তামগ্ন।

    একসময়ে বলল, তুমি এখন কাজে যোগ দিয়ো না। তিন দিন পরে আমরা আবার শিলাগড়ে ফিরে আসব।

    তিন দিন?

    হ্যাঁ, দু-দিনও হতে পারে।

    বৈশালী থেমে গেল। আর কোনও কথা হল না।

    সুজিতকে বাড়ির সামনে নামিয়ে দিয়ে শুধু বলল, আমি তোমায় ফোন করব।

    পরের দুটো দিন বৈশালী ভীষণভাবে ব্যস্ত রইল। খুব সকালে বের হয়ে যেত, ফিরত প্রায় দুটো-আড়াইটেয়। তারপর আবার বের হত। রাত দশটার আগে ফিরতে পারত না।

    .

    তিন দিনের দিন বৈশালী সুজিতকে ফোন করল—সুজিত, তুমি এর মধ্যে ফোন করেছিলে?

    না, তুমি ব্যস্ত থাকবে ভেবে আর করিনি।

    ভালোই করেছ। শোনো, দু-ঘণ্টার মধ্যে তৈরি থাকতে পারবে?

    সুজিত বলল, আমি এখনই তৈরি আছি।

    বৈশালী হেসে ফেলল। বা, এইরকম না হলে আমার সহকারী। এখন বেলা ন-টা, এগারোটায় তোমাকে তুলে নেব।

    কোথায়? শিলাগড় তো?

    ইচ্ছা তো তা-ই। রাখছি। বৈশালী ফোন রেখে দিল।

    বাইরে যাবার জন্য বৈশালীর একটা স্যুটকেস গোছানো থাকে।

    বৈশালী স্নান আর ভারী রকমের প্রাতরাশ সেরে নিল।

    .

    মোটরে সুজিত জিজ্ঞাসা করল, শিলাগড়ের রহস্যের কিনারা হয়ে গেছে?

    আজ রাত্রে অপারেশন।

    কিছুক্ষণ পরে বৈশালী বলল, শোনো, আর-একটা কথা—।

    সুজিত ফিরে দেখল।

    এবার আর অতিথি-কুটিরে উঠব না।

    তবে?

    শিলাগড়ে ঘোরবার সময় একটা মারোয়াড়ি ধর্মশালা দেখে রেখেছিলাম। সেন্ট্রাল রোডে। নাম বোধহয় রামবিলাস ধর্মশালা।

    সুজিত সন্দেহ করল, থাকতে পারবে সেখানে?

    বৈশালী হাসল।

    মনে আছে, আগ্রায় গাছতলায় দু-রাত কাটিয়েছিলাম।

    রাস্তায় আর কোনও কথা হল না।

    সদর রাস্তা ছেড়ে মোটর ঘুরপথে সেন্ট্রাল রোড ধরল, যাতে ভুবন-নিবাসের সামনে না পড়তে হয়।

    রামবিলাস ধর্মশালা।

    ব্যবস্থা খারাপ নয়। শুধু মাছ, মাংস আর ডিম চলবে না।

    বৈশালী আর সুজিত ঠিক করল এখানে থাকবে, কিন্তু খাওয়াদাওয়া বাইরেই সেরে নেবে।

    সুজিত জিজ্ঞাসা করব, শুধু একটা রাত তো?

    তা-ই তো মনে হচ্ছে। অবশ্য এসব ব্যাপারে কিছুই বলা যায় না।

    থানার সামনেই ও.সি.-কে পাওয়া গেল।

    বৈশালীকে অভ্যর্থনার বহর দেখে বৈশালী বুঝতে পারল, ইতিমধ্যে সত্যেন রায়ের ফোন এসে পৌঁছেছে।

    অতীনবাবু ঠিকমতো থানায় হাজিরা দিচ্ছেন তো?

    ও.সি. হাসল। হ্যাঁ, একেবারে নিয়ম করে। এবার অ্যারেস্ট করি তাকে?

    না, এখন নয়। যখন প্রয়োজন হবে বলব।

    একটু থেমে বৈশালী বলল, আজ রাত বারোটায় আমার গোটা চারেক পুলিশ দরকার। আর্মড। আপনি তো সঙ্গে থাকবেনই।

    ও.সি. উত্তর দিল, ডি.সি. ফোনে আমাদের সবকিছু বলেছেন। আমরা এগারোটার মধ্যে তৈরি থাকব।

    ঠিক এগারোটার একটু পরেই এখানে আসব। আর দড়ির মই চাই একটা।

    সে কথাও স্যার বলেছেন। ঠিক আছে।

    চিল, ঠিক সময়ে আসব। ভালোই হয়েছে। আজ রাতটা অন্ধকার।

    আমাদের আলো আর অন্ধকার—সবই এক।

    .

    বৈশালীর পোশাক দেখে সুজিত অবাক।

    পরনে কালো শার্ট আর আঁটো প্যান্ট। প্যান্টের রংও কালো। কোমরে অটোমেটিক।

    কী ব্যাপার, রণাঙ্গনে নাকি?

    প্রায় তা-ই।

    আমি কী পরব?

    তুমিও টাইট কিছু পরে নাও।

    কেন, ছুটতে হবে নাকি?

    সম্ভবত।

    দুজনেই হেসে উঠল।

    বৈশালী আর সুজিত যখন থানার সামনে এসে হাজির হল তখন জিপ নিয়ে ও.সি. তৈরি।

    আমাকে অনুসরণ করুন।

    জিপ খুব সাবধানে বৈশালীর মোটরের পিছন পিছন চলতে শুরু করল।

    পিচকালো অন্ধকার। সূচিভেদ্য। এক হাত দূরের কিছু দেখবার উপায় নেই। আকাশে গোটাকয়েক নক্ষত্র আছে বটে, কিন্তু তাদের ক্ষীণ জ্যোতি পৃথিবীতে এসে পৌঁছাচ্ছে না।

    একটা গাছের নীচে জিপ আর মোটর দাঁড়াল। সবাই নেমে এল।

    বৈশালী তার রেডিয়াম ঘড়ির দিকে দেখল। এগারোটা বেজে পঁয়ত্রিশ।

    বৈশালী ও.সি.-কে একপাশে ডাকল। অনেকক্ষণ ধরে চাপা গলায় কথা হল। তারপর একসময়ে বৈশালী বলল, চলুন আমরা এগোই।

    ভুবন-নিবাসের পিছনের পাঁচিলের এপাশে এসে সকলে দাঁড়াল।

    নিশাচর দু-একটা পাখির ডাক। মাঝে মাঝে ব্লাস্টিং-এর শব্দ। এ ছাড়া শিলাগড় যেন ঘুমে নিথর।

    বারোটা বাজতে যখন দশ, তখন বৈশালী ইঙ্গিত করল।

    ও.সি. দড়ির মইটা পাঁচিলের ওপর ছুড়ে দিল।

    প্রথমে ও.সি., তারপরে বৈশালী আর সুজিত খুব সাবধানে পাঁচিলের ওপর উঠল।

    গাছপালার জন্য এদিকটা যেন আরও অন্ধকার। দু-একটা জোনাকির ক্ষীণ দীপ্তি।

    এক-এক করে পুলিশরাও উঠল। তারপর গাছের ডাল আঁকড়ে এদিকে নামল।

    বৈশালী পুলিশদের দিকে ফিরে বলল, তোমরা এখানে অপেক্ষা করো। হুইসলের শব্দ শুনলেই ছুটে যাবে।

    প্রায় হামাগুড়ি দিয়ে গাছের আড়ালে বৈশালী, সুজিত, তারপর ও.সি. এগিয়ে যেতে লাগল।

    অতিথি-কুটিরের পিছন দিয়ে একটা কাঁঠালচাঁপা ঝোপের পাশে তিনজন বসল।

    এক-এক মুহূর্ত এক-এক প্রহর বলে মনে হচ্ছে।

    নিজেদের হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন যেন বাইরের কোনও শব্দ।

    হঠাৎ বৈশালী ও.সি.-র হাতে চাপ দিল।

    দূরে একটা টর্চের আলো। একবার জ্বলে উঠেই নিভে গেল।

    তিনজন আরও একটু এগিয়ে গেল।

    একটা ছোটো ঝোপ। কাঁটার খোঁচা থেকে মনে হচ্ছে বোধহয় গোলাপের ঝাড়। এখানে সাদা গোলাপের গাছ ছিল।

    বৈশালী লক্ষ করেছে, এর কাছেই বকুল গাছ।

    আরও একবার টর্চের আলো দেখা গেল। মৃদু পায়ের শব্দ অনুভূত হল।

    তিনজনই কোমর থেকে অটোমেটিক নিয়ে তৈরি।

    বৈশালীর চোখের যেন পলকও পড়ছে না।

    পায়ের শব্দ থামল। কিছুক্ষণ। তারপর টর্চের আলো ডানদিকে। খুব চাপাকণ্ঠের আওয়াজ।

    মাটিতে শব্দ হল ধুপ, ধুপ, ধুপ।

    মিনিটকয়েক। তারপরই বৈশালী, সুজিত আর ও.সি. ঝাঁপিয়ে পড়ল তিনদিক থেকে।

    লোক দুজন। একজনকে বৈশালী অনায়াসেই কায়দা করতে পারল। বাকি লোকটিকে নিয়ে সুজিত আর ও.সি. কিছুক্ষণ ধস্তাধস্তি করার সময় রাত্রির আকাশ কাঁপিয়ে খুব জোরে আওয়াজ হল।

    সঙ্গে সঙ্গে সজোরে হুইসল বেজে উঠল।

    অনেকগুলো জোরালো টর্চের আলোয় দেখা গেল, হাত পিছনদিকে করা অবস্থায় মং শান। তার পাশে বৈশালীর কবলে অবনতমুখে দীপালি।

    ধস্তাধস্তির সময় মং শানের রিভলভার থেকে গুলি বের হয়ে গিয়েছিল।

    ও.সি. পুলিশের হাত থেকে হাতকড়া নিয়ে মং শানের হাতে পরিয়ে দিয়ে বলল, ভুবন বাজপেয়ি আর তার ড্রাইভারকে হত্যা করার অভিযোগে আপনাকে গ্রেপ্তার করা হল।

    তারপর দীপালির দিকে ফিরে বলল, সেই হত্যার প্ররোচনা ও মূল্যবান রত্ন অপহরণের অভিযোগে আপনাকেও গ্রেপ্তার করলাম দীপালিদেবী। আমাদের সঙ্গে আপনাদের যেতে হবে।

    গুলির শব্দে, লোকজনের গোলমালে ভুবন-নিবাসের বাসিন্দারা সবাই এসে জড়ো হয়েছিল।

    তার মধ্যে অতীনও ছিল।

    বৈশালী তার দিকে এগিয়ে গিয়ে বলল, আপনাকে হয়রানি করার জন্য আমি খুব দুঃখিত অতীনবাবু। এটুকুর প্রয়োজন ছিল।

    এবার তাহলে আমি বর্মায় ফিরে যেতে পারি? আমার কারবারের ক্ষতি হচ্ছে। আর কোনও দেখবার লোক নেই।

    কাল আপনাকে বলব।

    .

    বারান্দায় সুজিত আর বৈশালী চায়ের কাপ নিয়ে বসে আছে। সুজিতদের বাড়ি।

    সুজিত বলল, গোয়েন্দা সাহেবা, এবার একটু আলোকপাত করো। আমি যে অন্ধকারেই রয়ে গেলাম।

    ঠিক আছে, একেবারে গোড়া থেকেই শুরু করেছি।

    ভুবনবাবুর মৃত্যুর ব্যাপারটা দেখে এটুকু বোঝা যায় যে, কোনও পরিচিত লোকের দ্বারাই হত্যা সংঘটিত হয়েছিল। কোনও ধস্তাধস্তির চিহ্ন নেই, ভুবনবাবু বা ড্রাইভারের কোনও চিৎকারের শব্দও কেউই শোনেনি। খুব সম্ভব, যে হত্যাকারী সে ভুবনবাবুর সঙ্গে মোটরেই ছিল, যখন তিনি আমার বাড়িতে এসেছিলেন তখনও মোটরে অপেক্ষা করছিল। দেহরক্ষী হিসাবে। কিংবা হয়তো মাঝপথ থেকে মোটরে উঠেছিল। চেনা লোক বলে কেউ সন্দেহ করেনি।

    লোকটা প্রথমে খুব কাছ থেকে সাইলেন্সার-লাগানো রিভলভার দিয়ে ভুবনবাবুকে হত্যা করে, তারপর ড্রাইভারকে বিষাক্ত ইঞ্জেকশন দিয়ে অনড় করে দেয়।

    ড্রাইভার হয়তো পিছন ফিরে ব্যাপারটা দেখে ফেলেছিল কিংবা সামনের আয়নার সাহায্যে পিছনের দৃশ্য দেখতে পেয়েছিল।

    হত্যাকারী এত পরিচিত ব্যক্তি যে, ড্রাইভারকে সাময়িকভাবে নির্বাক করে দিয়েও সে নিশ্চিন্ত হতে পারেনি, যাতে ড্রাইভার চিরদিনের জন্য নির্বাক হয়ে যায় তার ব্যবস্থাই করেছিল।

    কিন্তু সে বিষক্রিয়াটি কী? পোস্টমর্টেম রিপোর্টে তার স্বরূপ ধরা পড়েনি?

    যথাসময়ে বলব। এখন কাহিনিটা শোনো।

    দীপালিদেবী আমার সঙ্গে দেখা করতে এলেন। শোকের মূর্ত প্রতিমূর্তি। আমি প্রথমে খুব বিচলিত হয়েছিলাম। তিনি প্রথম থেকেই অতীনবাবুর ওপর দোষারোপ করতে লাগলেন। আমার সন্দেহ যাতে অতীনবাবুর ওপর হয় তার জন্য দীপালিদেবীর চেষ্টার ত্রুটি ছিল না। পিতা-পুত্রের বচসার কথা বললেন। সম্পত্তির অংশ নিয়ে, তারও উল্লেখ করলেন। বচসা যে হয়েছে সে কথা অতীনবাবু অস্বীকার করেননি, কিন্তু বলেছেন, তার কারণ ভিন্ন।

    পুলিশের খাতায় ভুবন বাজপেয়ির নাম আছে চোরাকারবারের অংশীদার হিসাবে যদিও তাঁকে অভিযুক্ত করা সম্ভব হয়নি। দিল্লি থেকে একই রিপোর্ট পাঠিয়েছে।

    তারপর সেই আলোর সংকেতের কথা তোমার মনে আছে। আমার চোখে ধুলো দেবার দীপালিদেবীর আর-এক প্রয়াস। অতীনবাবু যে ঘরে থাকেন তারই বারান্দা থেকে আলোর ইশারা চলেছিল। বাইরে টিলার পাশ থেকে তার উত্তরও এসেছিল।

    ব্যাপারটা মারাত্মক কিছু নয়, তবু এটা অতীনবাবুকে জড়াবার একটা ফন্দি। স্বাভাবিকভাবেই মনে হতে পারে, অতীনবাবু কোনও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন।

    আমার এটাও মনে হয় যে, বাইরের লনে আমরা বসে আছি, আমাদের চোখে পড়বে, তা জেনেই ওভাবে আলোর সংকেত শুরু করা হয়েছিল।

    তাহলে ওসব কি দীপালিদেবীই করছিলেন?

    না, দীপালিদেবী অত কাঁচা মেয়ে নন। পরের দিন ভোরে আমি অতীনবাবুর ঘরে গিয়ে উঠি। গত রাতের আলোর ইশারার কথা বলে তাঁকে কৌশলে বারান্দার কাছে দাঁড় করলাম। আগের রাতে যে মানুষের কাঠামো দেখেছিলাম, সে আরও লম্বা। বুঝলাম অতীনবাবুর অনুপস্থিতির সুযোগে অন্য কাউকে সেখানে দাঁড় করানো হয়েছিল। খুব সম্ভব মং শানকে।

    তারপর মনে আছে, কোথা থেকে আলোর রেখা আসছিল সেটা দেখবার জন্য আমরা দুজনে বের হলাম?

    মনে আছে বই কী। তুমি একটা খাম কুড়িয়ে পেলে।

    হ্যাঁ, খামটা ঝোপের ধারে এমনভাবে ফেলে রাখা হয়েছিল, যাতে সহজেই চোখে পড়ে। অতীনবাবুর নাম-লেখা খাম, যেটা স্বাভাবিকভাবেই অতীনবাবু ফেলে দিয়ে থাকবেন। যে-কোনও লোকের পক্ষে সেটা সংগ্রহ করা সহজ। এ ধরনের কেসকে আমরা বলি ‘প্ল্যান্টেড’ অর্থাৎ আরোপিত। এখানেও অতীনবাবুকে জড়াবার চেষ্টা। কিন্তু খামটার গন্ধতেই আমার সন্দেহ হয়েছিল।

    খামের গন্ধ?

    দীপালিদেবী যখন আমার কাছে এসেছিলেন, তখন তাঁর শরীর থেকে দামি একটা সুগন্ধ পেয়েছিলাম। প্যারির খুব নামকরা সুবাস। খামেও সেই গন্ধ।

    বলে যাও।

    মং শানকে দেখলাম। দিব্যকান্তি, আকর্ষণ করার মতন চেহারা। তাঁরও কথাবার্তায় একই ইঙ্গিত। অতীনবাবুর প্রতি দোষারোপ। মোট কথা, লোকটাকে আমার ভালো লাগেনি। যেরাতে আসরে কীর্তন হচ্ছিল, সেরাতে সাহস করে মং শানের ঘরে ঢুকে পড়লাম। এধার-ওধার খুঁজতে খুঁজতে কতকগুলো কাগজ হাতে এসে গেল। মোক্ষম দলিল। নিজের সম্বন্ধে মং শান এতটা সুনিশ্চিত ছিল যে, এসব কাগজগুলো গোপন জায়গায় লুকিয়ে রাখার প্রয়োজনীয়তাই বোধ করেনি।

    কিন্তু কাগজগুলো তুমি তো আবার রেখে এলে।

    হ্যাঁ, কাগজগুলো হারালে মং শান সন্দেহ করত। তাহলে প্ল্যান বানচাল হয়ে যেত। তাই একটা কাগজ ছাড়া আর সব কাগজ রেখে দিয়ে এলাম। একবার প্রায় ধরা পড়ে গিয়েছিলাম, তাই তোমাকে বললাম কোনওরকমে মং শানকে কথা বলে আটকে রাখতে।

    রেখেছিলাম তো।

    অজস্র ধন্যবাদ। তোমার মতন সহকারী দুর্লভ।

    যাক, যে কাগজটা নিজের কাছে রেখে দিলে সেই দুর্লভ দলিলটা কী?

    একটা পত্র।

    পত্র?

    হ্যাঁ, আসল পত্রটি পুলিশের হেপাজতে আমিই দিয়েছি। নকলটা পড়ো।

    বৈশালী সুজিতের দিকে একটি কাগজ এগিয়ে দিল।

    সুজিত পড়ল। ইংরেজিতে লেখা—

    ডাউন তোমার বাবার কাছে চালান করে দিয়েছি।

    নীচে লেখা ধন্যবাদ।

    সুজিত অসহায়ভাবে বৈশালীর দিকে তাকাল।

    অর্থোদ্ধার করতে পারলাম না।

    শোনো, চিঠিটা মং শান লিখছে দীপালিদেবীকে। ডাউন বর্মি ভাষা। মানে ময়ূর। ওই চিঠির ওপরে দীপালিদেবী ধন্যবাদ লিখে ফেরত দিয়েছেন। আর-একটা জিনিসও আমি মং শানের ঘরে রেখে আসিনি।

    কী সেটা?

    ওয়ালেট ঝেড়ে শুকনো একটা ফল পেয়েছিলাম। সেটা প্রফেসর বসাকের কাছে দিয়ে এসেছিলাম। যিনি টক্সিন নিয়ে গবেষণা করছেন। তিনি বললেন, ফলটার নাম বুনলুনদি। অত্যন্ত বিষাক্ত ফল। বর্মায় প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। এর নির্যাস কাউকে ইঞ্জেকশন দিলে বেহুঁশ হয়ে যায়, মাত্রা বেশি হলে মৃত্যু। ড্রাইভারের মৃত্যুর কারণ যে এরই ইঞ্জেকশন, তাতে সন্দেহ করার কোনও হেতু নেই।

    ময়ূরটির সন্ধান পাওয়া গেছে?

    হ্যাঁ, সেখানকার পুলিশ দীপালিদেবীর বাবা জহুরি সুরজমল খেত্রীর বাড়ি খানাতল্লাশি করে ময়ূর উদ্ধার করেছে।

    ময়ূরের রুবির চোখ?

    ভুবনবাবু ময়ূরের একটা রুবির চোখের জন্য উৎকণ্ঠিত হয়েছিলেন, কিন্তু গোটা ময়ূরের দাম ছিল অনেক বেশি।

    কেন, তুমি না বলেছিলে ময়ূরটা ব্রোঞ্জের তৈরি?

    ময়ূরের বুকের কাছে একটা জায়গা টিপলে ফাঁক হয়ে যায়, আর সেই গোপন গহ্বরে একটি কাগজ, তাতে ঠিক কোন জায়গায় ভুবনবাবুর কালোবাজারের টাকা লুকোনো, তার হদিশ ছিল। মং শানের ঘর থেকে যে কাগজগুলো এনেছিলাম, তাতে একটি কাগজ ছিল, লেখা— আগামী তেরোই রাত বারোটায় বকুলতলায় খুঁড়ব। সেখানেই মালিকের সব টাকা আছে। তুমি ঠিক এসো।

    এই কাগজটা আমি মং শানের ঘরে আবার রেখে এসেছি।

    কিন্তু ওগুলো কালোবাজারের টাকা কী করে বুঝলে?

    বৈশালী হাসল।

    সাধারণভাবে অর্জিত টাকা লোকে ব্যাঙ্কে রাখে, কিংবা সিন্দুকে, মাটির তলায় নয়।

    কিন্তু আমার আরও একটা প্রশ্ন রয়ে গেল।

    কী?

    ময়ূরের রুবির একটা চোখ বদলে কে ঝুটো কাচ বসিয়ে দিল?

    সম্ভবত দীপালিদেবী। তাঁর বাপকে দিয়ে এ কাজটি করিয়েছিলেন। তখন বোধহয় ময়ূরের পেটের কাগজের রহস্যের কথা তাঁর জানা ছিল না। ভুবনবাবু নিজেই দ্বিতীয় পক্ষের এই পরমাসুন্দরী স্ত্রী-র কাছে কথাটা বলে থাকবেন, তারপর থেকেই ষড়যন্ত্রের জাল বোনা শুরু হয়। মং শানের সাহায্য নিয়ে ভুবনবাবুকে সরিয়ে দেওয়া এবং কোনওরকমে অতীনবাবুকে দোষী সাব্যস্ত করতে পারলেই পথ পরিষ্কার।

    কিন্তু তোমাকে ডাকার কী অর্থ?

    সাবধান, এবার মানহানির মামলা ঠুকে দেব। বোধহয় দীপালিদেবীর ধারণা, মেয়ে গোয়েন্দাদের যাহোক একটা কিছু বুঝিয়ে দেওয়া যাবে।

    কিন্তু আর-একটা কথা—।

    না, আর কোনও কথা নয়। ক-টা বেজেছে খেয়াল আছে? আমি চলি। অনেকদিন পর একটু নিশ্চিন্তে ঘুমোব এবারে।

    ***

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকৃষ্ণগহ্বর, শিশু মহাবিশ্ব ও অন্যান্য রচনা – স্টিফেন হকিং
    Next Article ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভূতুড়ে কাণ্ড

    February 26, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভূতচরিত

    February 26, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    আগন্তুক

    February 26, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ফাঁসির আসামি

    February 26, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    মৃত্যুর পরে

    February 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }