Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প613 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    গুপ্তধনের সন্ধানে

    টিফিনের ঘণ্টা বাজতেই মেয়ের দল হইহই করে বেরিয়ে পড়ল। শ্রাবণী, অদিতি, মধুছন্দা, সমাপ্তি, মিতালি আর জয়শ্রী—এরা মাঠে গিয়ে গোল হয়ে বসল। সবাই ঝরিয়া কীর্তিচন্দ্র বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রী। সাত ক্লাসে পড়ে। এই ছজন এক প্রাণ, এক মন। স্কুলে সব সময়ে একসঙ্গে।

    শ্রাবণী বলল, এই মিতালি, টিফিনের সময় কী বলবি বলছিলি, বল?

    মিতালি টিফিন বাক্স খুলে পাঁউরুটির টুকরো বের করে সকলের হাতে দিল। অদিতি সন্দেশ এনেছিল, তা-ই সবাইকে বিলি করল।

    শ্রাবণী বলল, তোদের একটা নতুন জিনিস খাওয়াব। কলকাতায় আমার দিদার বাড়ি থেকে আমের আচার এনেছি। পাঁউরুটি দিয়ে ভালোই লাগবে। এই নে।

    শ্রাবণী ছোটো একটা কাচের শিশি বের করে সকলের সামনে রাখল। আচারের নামে মেয়েরা পাগল। সবাই শিশি খুলে আচার পাঁউরুটিতে মাখিয়ে নিল।

    জয়শ্রী আবার মনে করিয়ে দিল। কী রে মিতালি, কী বলবি বল। এখনই তো ঘণ্টা পড়ে যাবে।

    হাতের ওপর গড়িয়ে-আসা আচার চাটতে চাটতে মিতালি বলল, বলছি, সে ভারী মজার কথা।

    মেয়েরা আরও ঘন হয়ে বসল।

    মিতালি বলতে আরম্ভ করল।

    কাল রাতে বাবা মা-কে যা বলছিল, আমি সব শুনতে পেয়েছি। সেই কথাই তোদের বলব। রাজবাড়ির পিছনে টিলার পাশে যে ভাঙা বাড়িটা আছে সেটা আমাদের, জানিস তো? মেরামত হয়নি বলে বাড়িটার ওই অবস্থা। কেউ ওখানে থাকে না। আমার ঠাকুরদার ঠাকুরদা এই বাড়িটা পেয়েছিল।

    মধুছন্দা জিজ্ঞাসা করল, পেয়েছিল মানে?

    মিতালি বলল, পেয়েছিল মানে, জানিস তো অনেক আগে ঝরিয়া বাংলাদেশের মধ্যে ছিল। মোগল আমলে একজন মনসবদার ছিল নাজামউদ্দিন। এসব জায়গা সে-ই দেখাশোনা করত। লোকটা ভীষণ অসৎ ছিল আর মতলববাজ। প্রজাদের কষ্ট দিয়ে অনেক টাকাকড়ি করেছিল। ওই বাড়িতে সেইসব টাকাকড়ি জমিয়ে রাখত। যেসব প্রজারা তার কথা শুনত না, কিংবা গোলমাল করত, তাদের ওই বাড়ির চোরাকুঠুরিতে পুরে রাখত। না খেতে পেয়ে খিদেয়, তেষ্টায় তারা সব মরে যেত।

    দিনকাল বদলাল। মোগলদের কাছ থেকে দেশ ইংরেজদের হাতে চলে এল। ওই বাড়িও ইংরেজরা নিয়ে নিল।

    আমার ঠাকুরদার ঠাকুরদা ইংরেজদের কুঠিয়াল ছিলেন। তাদের ব্যাবসার অনেক খোঁজখবর দিতেন। ফলে তিনি খুব বিশ্বাসের পাত্র হয়ে উঠেছিলেন। কানিংহাম সায়েব এই বাড়িটা আমার ঠাকুরদার ঠাকুরদাকে উপহার দেয়। আমার বাবার ধারণা, খোঁজ করলে ও বাড়িতে এখনও কিছু ধনরত্নের সন্ধান মিলতে পারে।

    মধুছন্দা প্রশ্ন করল, তোর বাবা খোঁজ করছেন না কেন?

    মিতালি বলল, মা-ও তো বাবাকে সেই কথাই বলছিল। একদিন লোকজন ডেকে বাড়িটা পরিষ্কার করাও-না। যদি কিছু পাওয়া যায়। আজকাল সোনার যা দাম হচ্ছে।

    বাবা বলল, লোকজন ডাকলে সব জানাজানি হয়ে যাবে, তার চেয়ে ভাবছি, আমি দিন সাতেকের ছুটি নেব, নিয়ে বাড়িটার মধ্যে ঢুকব।

    মিতালি একবার সব মেয়েদের মুখের দিকে দেখে নিয়ে বলল, আমি কী ভাবছি জানিস?

    কী? কী? সবাই একসঙ্গে চেঁচিয়ে উঠল।

    বাবা ছুটি নিয়ে বাড়িতে ঢোকার আগে, চল, দল বেঁধে আমরাই যাই। কাল থেকে তো স্কুল ছুটি হয়ে যাচ্ছে। প্রচুর অবসর। ধনরত্নের আমাদের খুব দরকার।

    শ্রাবণী বলল, ঠিক বলেছিস। দরকারের সময় একটা পয়সা আমার হাতে পাই না। দেখ-না, জন্মদিনে কতগুলি টাকা পেলাম, সব কৌটোর মধ্যে রেখে দিয়েছিলাম, মা হঠাৎ বলল, শ্রাবণী, তোর কৌটো থেকে পয়সা নিচ্ছি, রেডিয়োটা সারাতে হবে। ব্যাস, সব পয়সা শেষ। আর-একবার বাবাও মাথায় হাত বুলিয়ে ছাতা কেনবার নাম করে পয়সা নিয়েছিল।

    দেখা গেল সব মেয়েরই অর্থাভাব। মোগল আমলের কিছু ধনরত্ন পেলে খুবই ভালো হয়।

    অদিতির একটু সাহসের অভাব। সে এতক্ষণ চুপ করে সব শুনছিল। এবার বলল, কিন্তু যেসব প্রজাদের না খেতে দিয়ে মেরে ফেলেছিল তাদের অতৃপ্ত আত্মারা ওখানেই নেই তো? তারা যদি গোলমাল করে? আমি আবার ভূতপ্রেত একেবারে সহ্য করতে পারি না।

    মিতালি ঠোট বেঁকাল, শোন অদিতির কথা। ভূতপ্রেত আবার আছে নাকি? মানুষ মারা গেলেই তো শেষ।

    সমাপ্তি আর থাকতে পারল না। বলল, যাক, ওসব বাজে কথা, আমরা কবে ওই বাড়িতে যাচ্ছি, তা-ই বল। এবার কলকাতায় গিয়ে যা চমৎকার গোটাকয়েক ফ্রক দেখে এসেছি। বড্ড দাম, ওই ধনরত্নগুলো পেলে আর ভাবনা নেই।

    ঠিক হল—কাল থেকে ছুটি। কালকের দিন বাদ দিয়ে পরশু দিনই ওইবাড়ির মধ্যে ঢোকা হবে। ইতিমধ্যে মিতালি বাড়ির সদর দরজার চাবিটা জোগাড় করে রাখবে।

    জয়শ্রী বলল, শোন, কিছু টর্চ আর গোটাকয়েক থলে সবাই সঙ্গে নিবি। অন্ধকারে টর্চ খুব কাজে লাগবে আর ধনরত্ন বয়ে আনার জন্য থলেও দরকার।

    এও ঠিক হল, দুপুরবেলা সবাই বাড়ির মধ্যে ঢুকবে আর সন্ধ্যার সময় অদিতিদের মোটর টিলার নীচে অপেক্ষা করবে, না হলে অত ধনরত্ন বয়ে আনা সম্ভব নয়।

    শ্রাবণীদেরও মোটর আছে, কিন্তু মোটর চালায় শ্রাবণীর বাবা। তার বাবা গেলে আর ধনরত্নের একটি টুকরোও মেয়েরা পাবে না।

    ঠিক দিনে দুপুরবেলা শ্রাবণীদের উঠোনে সবাই এসে জড়ো হল। শ্রাবণীর বাবা কোর্টে, মা ঘুমে অচেতন। কাজেই কোনও অসুবিধা নেই।

    জয়শ্রী বলল, আমি পাঁজি দেখেছি। দুপুর একটা বাইশ মিনিটে যাত্রা শুভ। এখন ঠিক একটা, আর বাইশ মিনিট পরে আমরা রওনা হব।

    ছজন মেয়ে চারটে টর্চ এনেছে, কিন্তু সকলের হাতেই পাট করা কাপড়ের থলে।

    ঠিক একটা বাইশে মেয়েরা যাত্রা শুরু করল।

    রাজবাড়ি পিছনে রেখে টিলা পার হয়ে চলল। এখানে রাস্তা নেই, পায়ে-চলা সরু পথ। তেঁতুল, বট আর অশ্বত্থ গাছে দিনের বেলাতেও জায়গাটা অন্ধকার। ঝিঁঝি ডাকছে। গাছের গুঁড়ি বেয়ে কাঠবেড়ালি ওঠানামা করছে।

    মেয়েরা সন্তর্পণে পা ফেলে এগোতে লাগল।

    বাঁক ঘুরতেই দেখা গেল জরাজীর্ণ একটা বাড়ি। ইটের ফাঁকে ফাঁকে বট-অশ্বত্থের চারা। সামনের বারান্দাটা ভেঙে মাটিতে পড়ে গেছে। ছাদের কিছুটা নেই। বাড়িটার আদিতে কী রং ছিল বলা মুশকিল, এখন বৃষ্টির প্রকোপে কালো একটা আস্তরণ পড়েছে।

    মিতালি হাত তুলে দেখাল, ওই আমার ঠাকুরদার বাড়ি। দেখেই মনে হচ্ছে ভিতরে ধনরত্ন ঠাসা।

    শ্রাবণী মনে করিয়ে দিল, চাবিটা এনেছিস তো?

    মিতালি নিজের গলার হারটা তুলে ধরল। সবাই দেখল হারের সঙ্গে মস্ত বড়ো একটা পিতলের চাবি।

    মেয়ের দল দরজার কাছে গিয়ে দাঁড়াল। মিতালি আগে, পিছনে আর সব।

    বাড়ির তুলনায় দরজার আয়তন খুব ছোটো। দরজার ওপর উর্দু ভাষায় কী সব লেখা রয়েছে।

    মিতালি বলল, জয় গুরু, তারপর নিচু হয়ে দরজাটা খোলার জন্য চাবি বের করল।

    দুটো বিরাট গাছ ডালপালা ছড়িয়ে এদিকে দাঁড়িয়ে আছে। ফলে জায়গাটা রীতিমতো অন্ধকার।

    কিছুক্ষণ চেষ্টা করে মিতালি বলল, কই রে, তালা তো খুঁজে পাচ্ছি না। কুঁজো হয়ে আমার পিঠ ব্যথা হয়ে গেল। তোরা কেউ চেষ্টা কর।

    এবার শ্রাবণী এগিয়ে গেল। হতের টর্চ জ্বালিয়ে এদিক-ওদিক দেখে বলল, কই রে, তালাই তো নেই। ভাঙা কবজা পড়ে রয়েছে।

    জয়শ্রী বলল, সর্বনাশ, তাহলে নিশ্চয় কেউ আগে এসে ধনরত্ন সব নিয়ে গেছে। আমাদের পরিশ্রমই সার হল।

    মেয়েরা কেউ কিছু বলল না। শুধু মধুছন্দা গায়ের সমস্ত শক্তি দিয়ে দরজায় ধাক্কা দিল। দরজাটা কেঁপে উঠল, কিন্তু খুলল না।

    তখন সব মেয়েরা একসঙ্গে দরজার ওপর এসে পড়ল, তারপর প্রাণপণ শক্তিতে ধাক্কা।

    ক্যাঁচ, কোঁচ, ক্যাঁচ। বিকট শব্দ করে দরজার পাল্লা দুটো হঠাৎ খুলে গেল। জয়শ্রী আর মধুছন্দা সামনে ছিল, তারা টাল সামলাতে না পেরে হুমড়ি খেয়ে পড়ল।

    দরজাটা খোলার সঙ্গে সঙ্গে কতকগুলো কালো কালো ছায়া মেয়েদের মাথার ওপর দিয়ে উড়ে চলে গেল।

    অদিতি কাঁপতে কাঁপতে বলল, রাম, রাম। নিশ্চয় সেই অতৃপ্ত আত্মা। যেসব প্রজাদের অনাহারে মেরে ফেলেছিল, তারা।

    শ্রাবণী বলল, দূর, আত্মাটাত্মা নয়, বাদুড়। ওই দেখ-না বাইরে গাছের ডালে সব ঝুলছে।

    মেয়েরা কোমর বে�ধে ঢুকে পড়ল।

    বাড়ির মধ্যে বিশ্রী একটা গন্ধ। নিশ্বাস নেওয়া যাচ্ছে না।

    সমাপ্তি সাবধান করে দিল, এখন কেউ ভিতরে যেয়ো না। অনেক বছর বাড়িটা বন্ধ ছিল, ভিতরে গ্যাস হয়েছে। একটু অপেক্ষা কর। বাইরের হাওয়া ভিতরে ঢুকুক।

    মেয়েরা সবাই সার বেঁধে দরজার কাছে দাঁড়াল।

    কেউ কেউ আবার নাকে কাপড় জড়াল।

    একটু পরে একে একে সবাই ভিতরে ঢুকল।

    পাশের ঘরটা খুব ছোটো। তার ওপর অন্ধকার। অন্ধকারে চোখ একটু অভ্যস্ত হয়ে যেতে সকলে দেখল সার সার অনেকগুলো মাটির জ্বালা।

    মিতালি আনন্দে চেঁচিয়ে উঠল, এর মধ্যে নিশ্চয় ধনরত্ন আছে। থলেগুলো নিয়ে আয়।

    জয়শ্রী যেমনি সামনের মাটির জারে হাত ঢোকাতে গেছে, অমনি গম্ভীর গলায় আওয়াজ হল, হুম হুম হুম।

    জয়শ্রী লাফিয়ে পিছিয়ে এল।

    অদিতি জয়শ্রীর পিছনে ছিল। তার খুব ইচ্ছা, তাড়াতাড়ি হাত দিয়ে বড়ো সাইজের মণিমাণিক্যগুলো তুলে নেবে। সে তার বাবার কাছে শুনেছে, মোগল আমলে খুব দামি দামি হিরা-জহরত পাওয়া যেত। গোটাকয়েক সেরকম পেলেই আর দেখতে হবে না। সারাজীবন পায়ের ওপর পা দিয়ে কাটাতে পারবে।

    হুম হুম শুনে ওপরদিকে চেয়েই অদিতি হাউমাউ করে চেঁচিয়ে উঠল, ওরে বাবা রে, গেলাম রে। আমাকে বাঁচাও।

    মধুছন্দা জিজ্ঞাসা করল, তোর কী হল রে? ওরকম করছিস কেন?

    কোনও কথা না বলে অদিতি আঙুল দিয়ে দেখাল।

    সব মেয়েরা মুখ তুলে দেখল।

    ঘন অন্ধকারের মধ্যে জ্বলজ্বল করছে দুটো চোখ। আগুনের ভাঁটার মতন। মেয়েরা পিছিয়ে এল।

    মিতালি বলল, ব্যাপারটা বুঝতে পেরেছি। আগের দিনে ধনরত্ন আগলাবার জন্যে লোকেরা একজনকে মেরে যক্ষ বানিয়ে রাখত। সে-ই সব ধনরত্ন পাহারা দিত। এটা হচ্ছে সেই যক্ষ।

    অদিতি কেঁদে উঠল, আমার ধনরত্নের দরকার নেই ভাই। তোরা আমাকে বাড়ি পৌঁছে দে। আমি একলা যেতে পারব না।

    হুম, হুম, হুম।

    গম্ভীর শব্দ খালি ঘরে যেন দ্বিগুণ হয়ে উঠল। চোখ দুটো আরও জ্বলতে লাগল।

    অদিতির সেইদিকে চোখ পড়তেই সে ভয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ল। দাঁতে দাঁতে আটকে গেল। মুখ দিয়ে উঁ উঁ শব্দ করতে লাগল।

    অদিতি পড়ে যেতেই পটপট আওয়াজ। মেয়েদের মাথার ওপর দিয়ে সেই জ্বলন্ত চোখ ডানা ঝাপটাতে ঝাপটাতে উড়ে গেল।

    মিতালি বলল, প্যাঁচা, প্যাঁচা, লক্ষ্মীপ্যাঁচা। অদিতি মিছামিছি ভয় পেল।

    সমাপ্তি থলে দিয়ে অদিতির মুখে হাওয়া করছিল। সে বলল, লক্ষ্মীপ্যাঁচা যখন আছে তখন নিশ্চয় ধনরত্নও আছে। মা লক্ষ্মীই তো সম্পদের দেবী।

    একটু পরেই অদিতি চোখ খুলল। ক্লান্ত গলায় জিজ্ঞাসা করল, আমি কোথায়?

    জয়শ্রী বলল, তুই রাশি রাশি ধনরত্নের পাশে শুয়ে আছিস। কোনও ভয় নেই। তুই যাকে যক্ষ ভাবছিলি সেটা যক্ষ নয়, লক্ষ্মীপ্যাঁচা। আমাদের ঐশ্বর্যের সন্ধান দিয়ে গেল।

    সব শুনে অদিতি উঠে বসল, তারপর বলল, তাহলে আর আমরা দেরি করছি কেন? থলেগুলো বোঝাই করে নিলেই তো পারি।

    সমাপ্তি মাটির জ্বালার কাছেই দাঁড়িয়ে ছিল, সে প্রথমেই জ্বালার মধ্যে হাত ঢোকাল।

    একটু পরেই চেঁচিয়ে উঠল, উঃ মা, কী রে এর মধ্যে!

    সমাপ্তি হাতটা টেনে বের করতেই অন্য মেয়েরা হাতের ওপর টর্চের আলো ফেলল।

    কনুই পর্যন্ত কালো হয়ে গেছে।

    সমাপ্তি নিজের হাতটা নাকের কাছে নিয়ে গিয়েই নাক কোঁচকাল, কী বিশ্রী গন্ধ রে বাবা, অন্নপ্রাশনের ভাত উঠে আসার দাখিল।

    শ্রাবণী এগিয়ে এসে শুঁকে বলল, এ তো পচা গোবর রে। জমিতে সার দেবার জন্য দরকার হয়।

    মধুছন্দা বলল, সব জ্বালাগুলোতেই কি গোবর আছে? হাত দিয়ে দেখ-না।

    কিন্তু দেখবে কে? দুর্গন্ধের জন্য কেউ হাত ঢোকাতে রাজি হল না।

    শেষকালে জয়শ্রী সব জ্বালাগুলির মধ্যে উঁকি দিয়ে দেখল। সবগুলোতেই এক ব্যাপার। পচা গন্ধ। মনে হল, এগুলোতে সার পচিয়ে রেখেছে।

    শ্রাবণী বলল, এখানে কিছু নেই। চল, পাশের ঘরে দেখা যাক।

    সবাই পাশের ঘরে ছুটল।

    ঢোকবার মুখেই বাধা। দরজায় পুরু মাকড়সার জ্বাল। মেয়েদের চুলে, চোখে, মুখে জড়িয়ে গেল।

    রুমাল দিয়ে মুখ-চোখ মুছে সবাই ভিতরে ঢুকল।

    মধুছন্দা বলল, এই হাতের টর্চগুলো জ্বাল। এ ঘরে কী আছে দেখি।

    চারজন মেয়ে চারটে টর্চ টিপল। বরাত, তিনটেই জ্বলল না। বোধহয় ব্যাটারি খতম। শুধু অদিতির টর্চটা জ্বলল।

    সেই আলোয় দেখা গেল কোণের দিকে অনেকগুলো বেতের ধামা। মেঝের ওপর টুকরো টুকরো কাঠ ছড়ানো।

    মিতালি বলল, এই অদিতি, তোর টর্চের আলো অত কাঁপছে কেন?

    অদিতি কী উত্তর দেবে! তার সারা দেহই ঠকঠক করে কাঁপছে, সেইজন্য টর্চের আলোও কাঁপছে।

    সমাপ্তি বলল, তুই এক কাজ কর অদিতি, টর্চটা এই কাঠের টুকরোর ওপর রাখ। তাহলে আলোটা কাঁপবে না। সবাই দেখতে পাবে।

    পাশেই চৌকো একটা কাঠের বাক্স ছিল, অদিতি তার ওপর টর্চটা রাখল।

    দু-এক মিনিট, তারপরই দারুণ কাণ্ড আরম্ভ হল।

    টর্চসুদ্ধ কাঠের বাক্সটা ছুটোছুটি আরম্ভ করল। একবার এদিক, আর-একবার ওদিক, তারপর চরকির মতন বোঁ বোঁ করে।

    কখনও কোনও মেয়ের গায়ের ওপর এসে পড়তে লাগল।

    এতক্ষণ কয়েকজন মেয়ে তবু সাহস করে এগোচ্ছিল, কিন্তু টর্চের কাণ্ড দেখে সবাই চেঁচামেচি শুরু করল।

    অদিতি তো কাঁদতেই লাগল।

    ওরে বাবা, ঘূর্ণিভূতের পাল্লায় পড়েছি। কে কোথায় আছ, বাঁচাও। আমার ধনরত্নে দরকার নেই। আমার যা আছে, সেই ভালো।

    ছুটোছুটি করতে করতে জয়শ্রী আর মধুছন্দা নিজেদের মধ্যে ধাক্কা লেগে দুজনে দু-দিকে ছিটকে পড়ল।

    টর্চের থামবার নাম নেই। প্রচণ্ড বেগে ছুটোছুটি করে চলেছে।

    শ্রাবণী বলল, চল, আমরা বেরিয়ে পড়ি। আর এখানে থাকা নিরাপদ নয়।

    শ্রাবণীর কথা শেষ হবার সঙ্গে সঙ্গে মেয়ের দল ছিটকে এদিকের ঘরে চলে এল।

    তাড়াতাড়ি আসতে গিয়ে জয়শ্রী আর অদিতির পায়ে পায়ে জড়িয়ে একটা মাটির জ্বালার ওপর সজোরে পড়ল।

    ফটাস করে শব্দ। মাটির জ্বালা ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গেল। আর ভিতরের পচা সারে জয়শ্রী আর অদিতি স্নান করে উঠল।

    আপাদমস্তক কুচকুচে কালো, শুধু চোখের দুটো সাদা অংশ দেখা গেল।

    বিপদের ওপর বিপদ।

    অদিতির সেই টর্চ মেয়েদের পিছনে এসে আগের মতন ছুটোছুটি শুরু করল।

    ওরে বাবা, ও দুটো পেতনি নাকি রে?

    অদিতি আর জয়শ্রী দুজনেরই নাকে কালো কালো সার ঢুকে গিয়েছিল। ভালো করে কেউ কথা বলতে পারছিল না।

    মেয়েরা ভয় পাচ্ছে দেখে অদিতি বলল, এঁই আঁমাদের দেঁখে তোঁরা ভঁয় পাঁচ্ছিস কেঁন? আঁমাদের চিঁনতে পাঁরছিস নাঁ?

    তার নাকিসুর শুনে মেয়েরা আরও ভয় পেয়ে গেল।

    ঢোকবার সময় ঠেলে দরজা খুলে সবাই ঢুকেছিল, সেই দরজা আবার বন্ধ হয়ে গেছে। মেয়েরা অনেক চেষ্টা করেও ভিতর থেকে দরজা আর খুলতে পারল না।

    সর্বনাশ, সারারাত এই ভূতুড়ে বাড়িতে বন্ধ থাকলে কেউ প্রাণে বাঁচব না। মেয়েরা কান্না শুরু করে দিল।

    মেয়েদের কান্না ছাপিয়ে হঠাৎ সোঁ সোঁ আওয়াজ শোনা গেল। মনে হল, ঘরের মধ্যে দুটো দৈত্য বুঝি ঝটাপটি শুরু করেছে।

    টর্চটা এখন এক জায়গায় স্থির হয়ে রয়েছে। মনে হচ্ছে বিকট সোঁ সোঁ আওয়াজে চরকি ভূতও বুঝি ভয় পেয়ে গেছে।

    ইতিমধ্যে অদিতি আর জয়শ্রী নিজেদের রুমাল, ফ্রক আর কাপড়ের থলি ঘষে ঘষে গা থেকে পচা সার অনেকটা উঠিয়ে ফেলেছে। তাদের এবার চেনা যাচ্ছে।

    সব মেয়েরা দরজার সামনে দাঁড়িয়ে প্রাণপণ শক্তিতে দরজা ধরে টানল, কিন্তু দরজা এক ইঞ্চি ফাঁক হল না।

    মধুছন্দা আর সমাপ্তি দরজার কাছে মুখ রেখে চেঁচাল, কে আছ বাঁচাও। আমরা ছজন মেয়ে এই পোড়োবাড়িতে আটকে পড়েছি।

    কোনও সাড়া নেই।

    অদিতি বলল, আরও জোরে চেঁচা, রাজবাড়িতে অনেক লোক আছে। তারা যদি শুনতে পায়, ঠিক বাঁচাতে আসবে।

    এবার সবাই চেঁচাতে আরম্ভ করল।

    বাইরে থেকে সাহয্যের জন্য কেউ তো এলই না, বরং মেয়েদের চিৎকারের সঙ্গে সঙ্গে টর্চ আবার ছুটোছুটি শুরু করল। এবার আরও বিদ্যুদবেগে।

    প্রথমে মিতালির চোখে পড়ল।

    আলোটা স্থির নয়, অনবরত ঘুরছে, কিন্তু তাতেই দেখা গেল।

    ওই দেখ।

    মিতালি আঙুল দিয়ে দেখাল।

    পিছনের দেওয়ালে হাত তিনেক লম্বা একটা সাপ। গাঢ় কালো রং, বেশ মোটা। একভাবে চুপ করে রয়েছে।

    মারাত্মক অবস্থা। চারদিক বন্ধ। পালাবার কোনও পথ নেই। এই সময় ওই সাপটা যদি লাফিয়ে নীচে পড়ে, তাহলে কাউকে আর বাঁচতে হবে না। সাপের যা আকৃতি, পাহাড়ে সাপ, নিশ্বাসে বিষ।

    মেয়ের দল সবাই পিছনের দেয়াল থেকে যতটা সম্ভব সরে এল।

    অদিতি কাঁদতে কাঁদতে বলল, কী মুশকিলেই যে পড়েছি। কাকে ডাকি বল তো? রামকে, না মা মনসাকে কে বাঁচাবে। এদিকে ঘূর্ণিভূত আর ওপরে ফোঁস।

    মেয়েরা কোনও উত্তর দিল না, কিন্তু সবাই মনে মনে মনসা-রামনাম জপ করতে লাগল।

    হঠাৎ আবার সোঁ সোঁ শব্দ। বিকট শব্দ করে দরজার পাল্লা দুটো খুলে গেল।

    বাইরে প্রচুর বৃষ্টি হয়ে গেছে। এখন বৃষ্টি নেই, হালকা রোদ উঠেছে।

    দরজার পাল্লা দুটো খুলতেই আর-এক কাণ্ড। একটা পাল্লা সবেগে টর্চের ওপর গিয়ে পড়তেই, টর্চটা ঠিকরে পড়ল, আর কাঠের বাক্সটা উলটে যেতেই তার মধ্যে থেকে একটা বিরাট সাইজের ইঁদুর ছুটে পালাল।

    জয়শ্রী বলল, ও মা। চরকি ভূত নয়, বাক্সের মধ্যে ইঁদুর ঢুকে ছুটোছুটি করছিল। এবার অদিতি সাহস করে পিছনের দেওয়ালের দিকে দেখল।

    সাপ নয়, আঁকাবাঁকা একটা ফাটল। বাইরের রোদে এবার পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে।

    মেয়েদের চেহারা যা হয়েছে দেখবার মতন। কেউ খোঁড়াচ্ছে, কারো ফ্রক ছিঁড়ে গেছে, একজনের মুখ ভরতি মাকড়সার জাল, দুজনে তো পচা সারে স্নান করে উঠেছে।

    জয়শ্রী বলল, এই নাক-কান মলছি, আর আমার ধনরত্নের দরকার নেই। ভগবান যা দিয়েছেন তা-ই ভালো। এখন ভালোয় ভালোয় বাড়ি পৌঁছাতে পারলে বাঁচি।

    সকলে ক্লান্ত হয়ে পোড়োবাড়ি থেকে বেরিয়ে টিলার পাশ দিয়ে হাঁটতে শুরু করল।

    ওদিকে অদিতিদের মোটর থাকবার কথা। না হলে এ পোশাকে রাস্তা দিয়ে হাঁটলে সবাই পাগলি বলবে।

    একটু পরেই রোদটুকু কমে গেল! আকাশ কালো মেঘে ঢাকা। ঘন অন্ধকার নামল।

    বট গাছতলা দিয়ে যাবার সময় হঠাৎ অন্ধকার ভেদ করে বাজখাঁই আওয়াজ উঠল।

    গোলমেলে লেলুয়া।

    জয়শ্রী আর মধুছন্দা ধার দিয়ে যাচ্ছিল, চিৎকার শুনে তারা ছুটতে শুরু করল।

    ওরে বাবা রে, ভূত এখনও আমাদের ছাড়েনি। পিছন পিছন এতটা রাস্তা এসেছে।

    বিদ্যুৎ চমকাতেই দেখা গেল, ভূত নয়, বান্টু। শ্রাবণীর ভাই।

    থলিতে দেহ ঢেকে শুধু মুখটা বের করে বট গাছতলায় বসে আছে।

    সে বলল, মা আমাকে আর-একটা থলি দিয়ে পাঠিয়ে দিয়েছে। কিছু বেশি ধনরত্ন দিয়ে যাবার জন্য।

    মেয়েরা আর কথাটি বলল না। মুখও তুলল না।

    সরু পথ দিয়ে দৌড়াতে শুরু করল। থলেগুলো মাথায় দিয়ে।

    বৃষ্টি পড়তে শুরু করেছে।

    শুকতারা, অক্টোবর ১৯৭৬

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকৃষ্ণগহ্বর, শিশু মহাবিশ্ব ও অন্যান্য রচনা – স্টিফেন হকিং
    Next Article ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভূতুড়ে কাণ্ড

    February 26, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভূতচরিত

    February 26, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    আগন্তুক

    February 26, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ফাঁসির আসামি

    February 26, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    মৃত্যুর পরে

    February 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }