Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প613 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কালো গোলাপ

    শেষরাত থেকে টিপটিপ বৃষ্টি শুরু হয়েছে একটানা। জানালার ভারী পরদাটা টেনে দিয়ে টেবল-ল্যাম্প জ্বেলে বিকাশ মিত্র একটা বই নিয়ে টেবিলের ধারে বসে ছিলেন। সামনে ধূমায়মান চায়ের কাপ। হাতে পাইপ। মাঝে মাঝে মুখ তুলে পরদার ফাঁক দিয়ে বাইরের দুর্যোগের চেহারাটা দেখবার চেষ্টা করছিলেন।

    হঠাৎ দরজায় খুটখুট শব্দ।

    বিকাশ মিত্র ফিরে চাইলেন, কে?

    সন্তর্পণে দরজা ঠেলে প্রৌঢ় ভৃত্য রাইচরণ ঘরে ঢুকল।

    বাবু, একটি মেয়েছেলে দেখা করতে চান।

    মেয়েছেলে? বিকাশ মিত্র ভ্রূ কুঞ্চিত করলেন। তাঁর কাছে লোক আসার একটি অর্থই হয়। ঘোরতর বিপদে পড়েছে, সাহায্যের প্রয়োজন। তা না হলে গল্পগুজব করতে কে আসবে শহরের বিখ্যাত শখের গোয়েন্দা বিকাশ মিত্রর কাছে।

    ওপরে নিয়ে এসো। আদেশ দিয়ে বিকাশ মিত্র বইটা সরিয়ে চেয়ার ঘুরিয়ে বসলেন।

    একটি সুশ্রী তরুণ ঘরের মধ্যে ঢুকল। পরনের শাড়ি-জামা বেশ ভিজে গিয়েছে। মাথার চুলেও ফোঁটা ফোঁটা জল।

    কী ব্যাপার? পাইপে টান দিয়ে বিকাশ মিত্র গম্ভীর গলায় জিজ্ঞাসা করলেন।

    প্রশ্নের সঙ্গে সঙ্গে তরুণী আঁচল মুখে দিয়ে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠল, তারপর একটু সামলে নিয়ে বলল, আমার সর্বনাশ হয়ে গেছে!

    বিকাশ মিত্র কোনও কথা বললেন না। দুটি চোখ কুঁচকে তরুণীর আপাদমস্তক দেখতে লাগলেন। সেই তীক্ষ্ন দৃষ্টির সামনে মেয়েটি যেন আরও সংকুচিত হয়ে পড়ল।

    অনেকক্ষণ পরে বিকাশ মিত্র একটু ঝুঁকে পড়ে বললেন, সবকিছু খুলে বলুন।

    তরুণী খুব মৃদু গলায় বলল, আমার বাবা আজ ভোরে মারা গেছেন।

    মারা গেছেন? গম্ভীর গলায় বিকাশ মিত্র প্রশ্ন করলেন।

    মেয়েটি একটু বিব্রত হয়ে পড়ল। আস্তে আস্তে বলল, মারা গেছেন মানে সম্ভবত কেউ মেরে ফেলেছে তাঁকে।

    বিকাশ মিত্র আড়চোখে একবার দেয়ালে টাঙানো ঘড়ির দিকে দেখলেন। প্রায় ন-টা বাজে। তারপরে চেয়ারে হেলান দিয়ে দুটো চোখ বন্ধ করে বললেন, সমস্ত ব্যাপারটা খুলে বলুন। কোনও কথা চাপবার চেষ্টা করবেন না।

    মেয়েটি অল্প কেশে গলাটা একটু ঠিক করে নিল, তারপর খুব আস্তে আস্তে বলতে শুরু করল।

    রোজকার মতন আজকে ভোরেও বাবাকে ডাকতে গিয়েছিলাম। ঘরের পরদাটা সরিয়ে দেখলাম বাবা টেবিলের ওপর মাথা দিয়ে বসে আছেন। সামনে একটা বই খোলা। বই পড়া বাবার একটা বহু পুরোনো নেশা, বাতিকও বলতে পারেন। প্রায়ই ভোররাতে উঠে পড়াশোনা করতেন। মা মারা যাবার পর থেকে এ অভ্যাসটা আরও যেন বেড়ে উঠেছিল। কাছে গিয়ে ডাকলাম। কোনও সাড়া নেই। ভাবলাম ঘুমিয়ে পড়েছেন। আরও কাছে গিয়ে অল্প ধাক্কা দিতেই—

    কথাটা শেষ হবার আগেই মেয়েটি কেঁদে উঠল। সমস্ত ঘটনা ছবির মতন ভেসে উঠল মেয়েটির সামনে।

    খুব শান্ত গলায় বিকাশ মিত্র জিজ্ঞাসা করলেন, আপনার নামটা কী জানতে পারি?

    কান্না-ভেজা গলায় মেয়েটি বলল, মিনতি, মিনতি রায়।

    চেয়ারের হাতলে পাইপটা ঠুকে ছাইগুলো ফেলতে ফেলতে বিকাশ মিত্র সান্ত্বনার সুরে বললেন, কেঁদে আর কী লাভ বলুন মিনতিদেবী। কাঁদলে কি আর মরা মানুষ ফিরে আসে? তার চেয়ে সবকিছু খুলে বলুন, দেখি কতদূর কী কিনারা করতে পারি।

    মিনতি আঁচল দিয়ে চোখ দুটো মুছে নিয়ে ধরা গলায় বলতে আরম্ভ করল, একটু ধাক্কা দিতেই বাবা হেলে পড়লেন। শরীর বরফের মতন ঠান্ডা। নাকের দুটো পাশ লাল হয়ে ফুলে উঠেছে। সামনে একটা কাগজ। তার ওপরে পেনসিল দিয়ে শুধু একটি অক্ষর লেখা— ‘চ’।

    বিকাশ মিত্র বাধা দিলেন, মাপ করবেন, হাতের লেখাটা কার?

    মিনতি বলল, বাবারই হাতের লেখা, একটু দূরে টেবিলের ওপর একটা কালো রঙের গোলাপ ফুল। আমাদের বাগানে ও ফুলের গাছ নেই। এ ফুলটা কোথা থেকে এল বুঝতে পারছি না। তখনই আমাদের বাড়ির ডাক্তার সেনকে ফোন করে দিলাম। তিনি এসে পরীক্ষা করে বললেন, ঘণ্টা দুয়েক আগে সব শেষ হয়ে গেছে। কীসে মৃত্যু হয়েছে সে কথাটা তিনি পোস্টমর্টেম না হলে বলতে পারবেন না। তারপরই আপনার কথা মনে হল। মনীষাদির জড়োয়া নেকলেসটা আপনিই উদ্ধার করেছিলেন। একবার ভাবলাম আপনাকে ফোন করি, তারপর একেবারে সোজা চলেই এলাম আপনার কাছে।

    বিকাশ মিত্র কিছুক্ষণ ভাবলেন, তারপর বললেন, পুলিশে খবর দেওয়া হয়েছে?

    হ্যাঁ, ডাক্তার সেনই থানায় ফোন করে দিয়েছেন। মিনতি খুব আস্তে বলল।

    পুলিশ এসেছে?

    না, আসেনি। অন্তত আমি বেরোবার সময় পর্যন্ত তো নয়।

    বিকাশ মিত্র দাঁড়িয়ে উঠলেন। হাত বাড়িয়ে কোটটা টেনে নিতে নিতে বললেন, পুলিশ আসবার সঙ্গে সঙ্গেই আমাদের গিয়ে পৌঁছাতে হবে, নয়তো ওদের খানাতল্লাশির পর আমাদের দেখবার মতন আর কিছু থাকবে না।

    বাড়িতে পা দিতেই মিনতি চমকে উঠল। সামনে পুলিশের ভিড়। ভীষণ গোলমাল। পাড়া-প্রতিবেশীও অনেকে এসে জুটেছে।

    একটু এগিয়ে গিয়েই মিনতি অবাক হয়ে দাঁড়িয়ে পড়ল। বহুদিনের পুরোনো চাকর চন্দ্রনাথকে পিছমোড়া করে বাঁধা হয়েছে।

    মিনতিকে দেখেই চন্দ্রনাথ হাউমাউ করে কেঁদে উঠল, দেখুন দিদিমণি, আমার অবস্থা! আমি নাকি বাবুকে—কথা শেষ হবার আগেই চোখের জলে বুড়োর দুটো গাল ভেসে গেল।

    সে আর-একবার কথা বলার চেষ্টা করতেই ইনস্পেকটর সায়েব ধমক দিয়ে উঠলেন, চোপরাও, খুনে কোথাকার! তোমার হয়েছে কী, ফাঁসিকাঠে ঝুলতে হবে সে খেয়াল আছে?

    এবার বিকাশ মিত্র এগিয়ে এলেন, কী ব্যাপার মিস্টার নাগ, আসামিকে পাকড়াও করেছেন নাকি?

    বিকাশ মিত্রকে দেখে মিস্টার নাগ সসম্ভ্রমে দাঁড়িয়ে উঠলেন, তারপর বললেন, হ্যাঁ, স্যার, আর-একটু দেরি হলেই ঝানু বুড়ো কেটে পড়ত। খুব সময়ে এসে পড়েছি।

    প্রমাণ পেয়েছেন এর বিরুদ্ধে?

    প্রমাণ? রায়বাহাদুর নিজে এর নাম লিখে গেছেন। এই দেখুন-না কাগজটা।

    সঙ্গে সঙ্গে ইনস্পেকটর নাগ একটা কাগজ বিকাশ মিত্রর সামনে ধরলেন।

    বিকাশ মিত্র কাগজটার ওপর আলগোছে একবার চোখ বুলিয়ে নিয়ে বললেন, চলুন, ঘরের মধ্যেটা একবার দেখে আসি।

    ছোট্ট ঘর। একপাশে একটি টেবিল, খান দুয়েক চেয়ার, একটি নাতিদীর্ঘ খাট। ঘরে জানালা দুটি। একটি দরজা, সেটি ভিতরের দিকে। সেই দরজা দিয়ে বাইরে যাবার কোনও উপায় নেই। কেবল পাশে মিনতির ঘরে যাওয়া চলে। মিনতির ঘরটিও ছোটো। আসবাবপত্র বেশি নেই।

    বিকাশ মিত্র ঘরের মাঝখানে একটা চেয়ারে বসে বললেন, কিন্তু একটা কথা মিস্টার নাগ, আপনার আসামি রায়বাহাদুরের ঘরে ঢুকল কী করে?

    ইনস্পেকটর নাগের মুখে বিদ্রুপের হাসি ফুটে উঠল। ভাবটা যেন শখের গোয়েন্দা আর সরকারি পুলিশে আকাশ-পাতাল প্রভেদ। মুখে বললেন, ঘরের মধ্যে ঢুকেছে এ কথা আপনাকে কে বললে?

    মানে? বিকাশ মিত্র একটু আশ্চর্য হয়ে গেলেন।

    ঢোকেনি, আগে থেকেই ঢুকে বসে ছিল। কাল সন্ধ্যা থেকে কিংবা রাত থেকে খাটের তলায় লুকিয়ে ছিল।

    ও, তাহলে বেরোল কোথা দিয়ে?

    মিনতিদেবী যখন এ ঘরে ঢুকলেন তখন ঘরে কোনও লোক ছিল না, আর মিনতিদেবীর ঘরের দরজাও ভিতর থেকেই বন্ধ ছিল। তা-ই না?

    মিনতি ঘাড় নাড়ল।

    তা ছাড়া, এত নিচু খাটের তলায় লোক ঢুকবেই বা কী করে। আধুনিক ডিজাইনের খাটের এই একটা মস্ত সুবিধা।

    ইনস্পেকটর নাগের মুখটা একটু যেন বোকা-বোকা দেখাল। তারপরই তিনি নিজেকে সামলে নিয়ে বললেন, ওসব ভেবে আর লাভ কী? বদমাইশের অসাধ্য কাজ দুনিয়ায় কিছু আছে নাকি! সবচেয়ে বড়ো কথা, রায়বাহাদুর নিজের হাতে ‘চ’ অক্ষর লিখে গেছেন। ‘চ’ মানেই চন্দ্রনাথ, এ তো একটা শিশুও বুঝতে পারে। পুরোনো চাকরগুলোই তো শয়তান। আমার বিশ বছরের পুলিশের চাকরিতে এই ধরনের কম কেস ঘাঁটলাম! হুঁ!

    বিকাশ মিত্র কোনও উত্তর দিলেন না। ইতিমধ্যেই তিনি তন্ন তন্ন করে ঘরটা পরীক্ষা করতে শুরু করেছিলেন। ঘরের মেঝের ওপর চোখ বোলাতে বোলাতে তিনি থমকে দাঁড়িয়ে পড়ে নিচু হয়ে সবুজ রঙের রেশমি সুতোর টুকরো কুড়িয়ে নিয়ে পকেটে রাখলেন। টেবিলের ওপর থেকে কালো গোলাপটা রুমালে জড়িয়ে তিনি আগেই তুলে নিয়েছিলেন।

    চৌকাঠ পার হয়ে মিনতির সামনে দাঁড়িয়ে বললেন, একবার হাসপাতালের দিকে যাচ্ছি। মর্গেও যাব আর পোস্টমর্টেম রিপোর্টটাও জোগাড় করতে হবে। নমস্কার।

    তারপর সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতে ইনস্পেকটর নাগের দিকে ফিরে বললেন, চলি মিস্টার নাগ। একটা কথা, ‘চ’-এর জন্য যদি চন্দ্রনাথকে গ্রেপ্তার করা হয়ে থাকে, তাহলে তো আপনাদের বড়োকর্তা চণ্ডীবাবুকেও হাতকড়ি লাগানো উচিত, কী বলেন?

    মাসখানেক পরের কথা।

    দুটি চেয়ারে মুখোমুখি বসে বিকাশ মিত্র আর মিনতি রায়।

    হঠাৎ একটু দাঁড়িয়ে বিকাশ মিত্র বললেন, আপনি বোধহয় একটু আশ্চর্যই হয়ে গেছেন মিনতিদেবী। এত শীঘ্র যে কেসটার কিনারা হবে, আমিও ভাবিনি।

    মিনতি বলল, কেসটার সম্বন্ধে জানবার জন্য আমি খুবই উদগ্রীব হয়ে রয়েছি মিস্টার মিত্র।

    বিকাশ মিত্র চেয়ারে বসে পাইপে বার দুয়েক টান দিয়ে বললেন, শুনুন তাহলে।

    আপনার ঘরটা দেখেই বুঝতে পারলাম যে বাইরে থেকে কেউ ভিতরে আসেনি। এলে অন্তত আপনি জানতে পারতেন। দরজা ভিতর থেকে বন্ধ থাকায় কেউ যে ঘরে ঢুকে আবার বেরিয়ে গেছে, এও সম্ভব নয়। পোস্টমর্টেম রিপোর্টে দেখলাম যে তীব্র বিষে আপনার বাবার মৃত্যু হয়েছে। কালো গোলাপটি পরীক্ষা করে জানলাম যে গোলাপে বিষ মাখানো ছিল। সে বিষ যে কত তীব্র তা আপনি ধারণাও করতে পারবেন না। শুধু শুঁকলেই, দু-সেকেন্ডের মধ্যে যে-কোনও জোয়ান লোকের মৃত্যু হতে পারে। এ পর্যন্ত সবই ঠিক হল, কিন্তু এই বিষ-মাখানো গোলাপ এল কোথা থেকে? আপনার বাবা কাগজে ‘চ’ লিখে গেছেন বলেই বাড়ির পুরোনো চাকর চন্দ্রনাথকে গ্রেপ্তার করা হবে এ ধারণাটা এত মামুলি যে এতে আমি মোটেই আমল দিইনি। শুধু শুধু একটা মানুষ আর-একটা মানুষের মৃত্যু ঘটায় না। তার একটা কারণ থাকে। খোঁজ করে জানলাম, আপনার বাবার কোনও শত্রু ছিল না। ব্যাপারটা একটু ঘোরালো বলেই মনে হল। আপনি প্রথম যেদিন আমার কাছে এলেন, সেদিন লক্ষ করলাম আপনার দু-হাতে পাঁচটি আংটি আর প্রত্যেক আংটিতেই খুব দামি পাথর বসানো। আজকালকার কম অলংকারের যুগে এটা অস্বাভাবিক বলেই মনে হয়েছিল। আপনার বাবার আঙুলেও, রিপোর্টে দেখলাম, অনেকগুলো দামি পাথর-বসানো আংটি ছিল। আপনাদের ঘরের আলমারির মধ্যে কাঠের একটা হরিণের চোখেও দেখলাম মূল্যবান পাথর। দামি পাথরের যেন ছড়াছড়ি বলেই মনে হল। খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম আপনার বাবার দামি পাথর কেনার খুব বাতিক ছিল। এজন্য উনি একবার বর্মা দেশেও পাড়ি দিয়েছিলেন। যে আপনার বাবাকে মেরেছে সে একটিও দামি পাথর সরায়নি। কাজেই বোঝা যাচ্ছে পাথর চুরি করা তার উদ্দেশ্য ছিল না। কিংবা পাথর সরাবার সুযোগ সে পায়নি। মানুষকে হত্যা করার সাধারণত দুটি উদ্দেশ্য থাকে, একটি লোভ আর একটি প্রতিহিংসা।

    আপনাদের বুড়ো চাকর চন্দ্রনাথের সঙ্গে আলাপ করে জানলাম যে মংপু বলে একটা বর্মি মাঝে মাঝে আপনার বাবার কাছে আসত। আপনার বাবা মারা যাবার দিনকয়েক আগে আপনাদের বাড়ির পিছনে খালি জমিতে মংপুর থাকার জন্য একটি চালাঘরও তৈরি করিয়ে দিয়েছিলেন। আপনারা জানতেন যে মংপু আপনার বাবার বাতের জন্য বাঘের চর্বি নিয়ে আসত, কিন্তু আসল ব্যাপার তা নয়।

    কী তাহলে আসল ব্যাপার? উদবিগ্ন গলায় মিনতি জিজ্ঞাসা করল।

    পাইপটা নিভে গিয়েছিল। বিকাশ মিত্র দেশলাই জ্বালিয়ে সেটা ধরিয়ে নিলেন, তারপর বললেন, আসল ব্যাপার, মংপু দামি পাথরের ব্যাবসা করত। মংপুর সঙ্গে ভাব জমাতে বেশি দেরি হল না। সে তো আপনিও দেখেছেন, কতদিন ওর চালাঘরের দাওয়ায় বসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়েছি। বেশ কয়েক ভাঁড় তাড়ির বদলে মংপুর মনের অনেক গোপন কথা জানতে পেরেছি। সে খুব ভালো সাপের খেলা দেখাতে পারত। তার চালাঘরের কোণে বেতের ঝাঁপি-চাপা অনেক রকমের সাপ ছিল। আপনার বাবার সঙ্গে মংপুর আলাপ হয়েছিল বর্মা দেশের মেমিও শহরে। পাহাড় থেকে মংপু অনেকগুলো পাথর সংগ্রহ করেছিল। তখন সে ওগুলোর দাম সম্বন্ধে কিছুই জানত না। আপনার বাবা মংপুকে বুঝিয়েছিলেন ওসব ঝুটো পাথর। নামমাত্র দামে তার কাছ থেকে ওসব কিনে নিয়েছিলেন। কিছুদিনের মধ্যেই মংপু আসল ব্যাপারটা জানতে পেরেছিল। কতকগুলো পাথর তার নিজের কাছে ছিল, সেগুলো সে এক জহুরির কাছে নিয়ে যেতে ঠিক দাম জানতে পারে। বর্মিরা ভীষণ প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়। আপনার বাবার ঠিকানা তার কাছে ছিল। আপনার বাবাই দিয়েছিলেন। যদি ভালো পাথর আরও জোগাড় করতে পারে তাহলে তাঁকে যাতে পাঠিয়ে দিতে পারে।

    সুদূর বর্মা থেকে মংপু বাংলা দেশে এসেছিল। আপনার বাবার সঙ্গে দেখা করে আগের পাথরগুলোর ন্যায্য দাম চেয়েছিল।

    আপনার বাবা বোধহয় তাকে মিষ্টি কথায় ভোলাতে চেয়েছিলেন। তাকে ঠান্ডা করার জন্য নিজের জমিতে চালাঘরও তুলে দিয়েছিলেন। কিন্তু বর্মি জাতকে তিনি ঠিক বুঝতে পারেননি। প্রতিহিংসা নেবার জন্য এরা বছরের পর বছর অপেক্ষা করে।

    একদিন মংপু সুযোগ পেল এবং সহজেই কাজ শেষ করল।

    কিন্তু বন্ধ ঘরে সে ঢুকল কেমন করে?

    বিকাশ মিত্র মুচকি হাসলেন, ঘরে সে ঢোকেনি। কোনও মানুষই ঢোকেনি সে ঘরে।

    তবে?

    আপনার বাবা কোনও মানুষের হাতে মারা যাননি।

    সে কী? আশঙ্কায় মিনতির মুখ ফ্যাকাশে হয়ে উঠল।

    পরের ব্যাপারটা অবশ্য আমাকেই অনুসন্ধান করে বার করতে হয়েছে। মংপুর কাছ থেকে আর কিছুই জানা যায়নি। আমি দেখলাম ঘরের দরজা-জানলা সব যদি বন্ধ থাকে, তবে একমাত্র আসার পথ ভেন্টিলেটার দিয়ে। কিন্তু সেখান দিয়ে মানুষের আসা সম্ভব নয়। একমাত্র আসতে পারে সরীসৃপজাতীয় কিছু। যে সাপগুলো মংপুর ঘরে ছিল, সেগুলো সবই বিষদাঁত ভাঙা, নয়তো তাদের নিয়ে খেলা করা মংপুর পক্ষে সম্ভব হত না। কিন্তু রেশমি সুতো দিয়ে সাপের শরীরের সঙ্গে বিষ-মাখানো কালো গোলাপ বেঁধে দিয়ে অনায়াসেই সেটাকে ভেন্টিলেটার দিয়ে ঘরের মধ্যে চালান দেওয়া যায়। এই কালো গোলাপ মেমিওর পাহাড় অঞ্চলে ফোটে এবং বহুদিন অবিকৃত অবস্থায় থাকে। মংপুকে সন্দেহ করার এও আমার একটা কারণ। মংপু এটা বেশ জানত, একবার কালো গোলাপটি ঘরের মধ্যে ফেলতে পারলে, কৌতূহলবশত আপনার বাবার পক্ষে ফুলটি তুলে নিয়ে শুঁকতে যাওয়া খুব স্বাভাবিক। কিন্তু আপনার বাবা সাপটাকেও দেখতে পেয়েছিলেন, সম্ভবত ফুলটা শোঁকার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই। সেইজন্য হাতের কাগজ পেয়ে শেষ মুহূর্তে লিখতে যাচ্ছিলেন, কিন্তু তীব্র বিষের প্রকোপে একটি অক্ষর লিখেই মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়েছিলেন।

    বাবা শুধু লিখেছিলেন ‘চ’। মিনতি অস্ফুটকণ্ঠে বলল।

    হ্যাঁ, সাপটার নাম লিখতে যাচ্ছিলেন। চন্দ্রবোড়া সাপ। মংপু নিজের সম্বন্ধে এত নিশ্চিন্ত ছিল যে সে কোথাও পালিয়ে যাবার চেষ্টা পর্যন্ত করেনি। কিন্তু হাজার চেষ্টা করেও পাপীরা কিছুতেই নিজেদের নাশকতা লুকোতে পারে না। কেমন করে দু-একটা চিহ্ন পিছনে ফেলে রেখে যায়। এই কালো গোলাপ আর রেশমি সুতোই মংপুকে গারদে পাঠাল। কথাটা বলে নিজের হাতঘড়ির দিকে নজর পড়তেই বিকাশ মিত্র দাঁড়িয়ে উঠলেন। রাত আটটা বাজে। সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতে বিকাশ মিত্র হাসলেন। একদিন বরং নিমন্ত্রণ খাইয়ে দিন। আচ্ছা আসি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকৃষ্ণগহ্বর, শিশু মহাবিশ্ব ও অন্যান্য রচনা – স্টিফেন হকিং
    Next Article ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভূতুড়ে কাণ্ড

    February 26, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভূতচরিত

    February 26, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    আগন্তুক

    February 26, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ফাঁসির আসামি

    February 26, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    মৃত্যুর পরে

    February 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }