Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প613 Mins Read0
    ⤶

    কুয়াশায় ঢাকা মুখ

    পারিজাত বক্সী সবে দরজার বাইরে পা দিয়েছেন, এমন সময়ে ফোনের শব্দ।

    এ সময়ে আবার কে ফোন করছে? অবশ্য পারিজাত বক্সীর কাছে ফোন করার কোনও সময়-অসময় নেই। থাকতে পারে না। মানুষের বিপদ তো আর দিনক্ষণ বুঝে আসে না। পারিজাত বক্সী ফিরে গেলেন!

    ক্র্যাডল থেকে ফোনটা তুলে কানের কাছাকাছি নিয়ে যেতেই বাজখাঁই কণ্ঠ শুনতে পেলেন, পারিজাতবাবু আছেন?

    চেনা কণ্ঠস্বর। এ কণ্ঠ কানের ভিতর দিয়ে মরমে যেতে দেরি হয় না।

    আছি এবং কথা বলছি—পারিজাত বক্সীর মোলায়েম স্বর।

    কোথায় থাকেন মশাই! আধ ঘণ্টা ধরে ফোন বেজে যাচ্ছে।

    যাঁর কণ্ঠ তিনি ভবানীপুর থানার অফিসার-ইন-চার্জ মহিম রুদ্র। এমন সার্থক-পদবি লোক সচরাচর দেখা যায় না।

    প্রশ্নটা এড়িয়ে পারিজাত বক্সী বললেন, কী ব্যাপার বলুন?

    ব্যাপার গুরুতর। আসতে পারবেন একবার?

    একটু দেরি হবে।

    কত দেরি?

    একবার ফরেনসিক ডিপার্টমেন্টে যাব। অসিতবাবু তলব করেছেন। কতক্ষণ লাগবে জানি না।

    যতক্ষণই লাগুক, আমি অপেক্ষায় থাকব। চলে আসবেন।

    পারিজাত বক্সী জানেন, ফোনে মহিম রুদ্র এর বেশি একটি কথাও বলবেন না। কেসের সম্বন্ধে তিনি সামনাসামনি ছাড়া কিছু বলেন না। ফোন নামিয়ে রেখে পারিজাত বক্সী বেরিয়ে পড়লেন।

    ফরেনসিক ডিপার্টমেন্ট থেকে পারিজাত বক্সী ছাড়া পেলেন বারোটা নাগাদ। সেখান থেকে সোজা ভবানীপুর থানা।

    ঢুকতেই কল্যাণ সোমের সঙ্গে দেখা হল। চালের চোরাকারবারিদের নিয়ে ব্যস্ত।

    কল্যাণ সোম মহিম রুদ্রর সহকারী। কিন্তু স্বভাবে একেবারে বিপরীত।

    পারিজাত বক্সীকে দেখে উঠে দাঁড়িয়ে বলল, স্যার আপনার জন্য অনেকক্ষণ থেকে অপেক্ষা করছেন।

    একেবারে ভিতরের ঘরে গিয়ে দেখলেন, মহিম রুদ্র অস্থিরভাবে পায়চারি করছেন। হাত দুটো পিছনে।

    আমি এসে গেছি মিঃ রুদ্র। বলার অপেক্ষা না করে পারিজাত বক্সী নিজেই একটা চেয়ার টেনে নিয়ে বসে পড়লেন।

    উদ্ধার করেছেন। বলেই মহিম রুদ্র নিজেকে সামলে নিলেন। গলার স্বর খাদে নামিয়ে বললেন, একেবারে বেলা কাবার করে এলেন! পারিজাত বক্সী কোনও উত্তর দিলেন না।

    মহিম রুদ্র নিজের চেয়ারে বসলেন। সামনে টেবিলের ওপর দুটো হাত রেখে বললেন, আর তিনটে বছর কাটিয়ে দিতে পারলে বাঁচি মশাই। আমার আর এক্সটেনশনের দরকার নেই।

    কী হল?

    কী হল না তা-ই বলুন। রায়বাহাদুর অতুল সিংহর মেয়ে মারা গেছে। পোস্টমর্টেম রিপোর্ট বলছে বিষক্রিয়ায় মৃত্যু কিন্তু বিষ এল কোথা থেকে, কে দিল কিছুই বোঝা যাচ্ছে না।

    মেয়েটির বয়স কত?

    বছর বারো।

    তাহলে ব্যর্থ প্রেমের প্রসঙ্গটা অনায়াসেই বাদ দেওয়া যায়। অবশ্য আজকালকার মেয়েরা বারোতেই ঝানু হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু এ মেয়েটা খুব ক্ষীণজীবী। সেরকম কিছু বলে মনে হচ্ছে না।

    মাত্র পরশু ব্যাপারটা ঘটেছে, এর মধ্যে সহকারী কমিশনারের তিনবার ফোন এসেছে কেসটার সম্বন্ধে। অতুল সিংহর সঙ্গে কমিশনারের আবার খুব দহরম মহরম। আচ্ছা ঝামেলা।

    কেসটা গোড়া থেকে আমাকে বলুন তো।

    পারিজাত বক্সী চেয়ারে হেলান দিয়ে চোখ বুজলেন।

    শুনুন তাহলে, মহিম রুদ্র র‌্যাক থেকে একটা ফাইল টেনে নিয়ে চোখ বুলিয়ে নিয়ে বলতে শুরু করলেন, অতুল সিংহর বাড়ি টার্ফ রোডে। একসময়ে অভ্রপতি ছিলেন। লোকে বলে মাইকা কিং। নিজেই সব দেখাশোনা করতেন। একটি ছেলে, একটি মেয়ে। ছেলেটি বিলাতে স্কেটিং করতে গিয়ে বরফ ফেটে মারা গেল। সেই শোকে, এক মাসের মধ্যে অতুল সিংহর স্ত্রী মারা গেলেন। অতুল সিং বাতে পঙ্গু হলেন। কারবার এক গুজরাতিকে বিক্রি করে বাড়িতেই বসে রইলেন, সম্বল ওই মেয়েটি। মেয়েটিকে দেখবার জন্য নবদ্বীপ থেকে দূর সম্পর্কের এক বোনকে নিয়ে এলেন। বিধবা বোন।

    একটা কথা, মেয়েটি লেখাপড়া করত না?

    না, স্কুলে যেত না, বাড়িতে এক দিদিমণি পড়িয়ে যেত।

    তারপর?

    তারপর রোজ সকালে অতুল সিংহ দু-পায়ে বাঘের চর্বি মাখতেন বাতের জন্য। সেই সময়ে মেয়ে রোজ কাছে বসে থাকে, সেদিন মেয়েকে দেখতে পেলেন না। বোনকে ডাকলেন, নীহার, মলিকে দেখতে পাচ্ছি না।

    ঘুমোচ্ছে।

    এখনও ঘুমোচ্ছে!— অতুল সিংহ দেয়ালঘড়ির দিকে দেখলেন। ন-টা বেজে গেছে।

    ন-টা বেজে গেছে, এখনও ঘুমোচ্ছে? শরীর খারাপ হল নাকি?

    চেয়ারের পাশ থেকে মোটা লাঠিটা তুলে নিয়ে অতুল সিংহ বোনের সঙ্গে মেয়ের দরজার সামনে এসে দাঁড়ালেন।

    দরজায় আস্তে আস্তে ধাক্কা দিয়ে বললেন, মলি, মলি, অনেক বেলা হয়ে গেছে মা। উঠে পড়।

    কোনও সাড়া নেই।

    নীহার মলির পাশের ঘরে শুত। দু-ঘরের মধ্যে যাওয়া-আসার দরজা আছে। অতুল সিংহ সেই দরজা দিয়ে মেয়ের ঘরে এসে দাঁড়ালেন।

    মলি বিছানায় শুয়ে। তার শোয়ার ভঙ্গিটা অতুল সিংহর ভালো মনে হল না। তিনি মেয়ের কাছে এসে একটু ঝুঁকেই চিৎকার করে উঠলেন।

    ডাক্তার এল। পাড়ার ডাক্তার। জানিয়ে দিল, মলি আর বেঁচে নেই। তারপর থানায় খবর এল। আমরা গেলাম। আমাদের করণীয় সব করলাম।

    এখানে পারিজাত বক্সী বাধা দিয়ে প্রশ্ন করলেন, অতুল সিংহর বাড়িতে কে কে থাকে?

    অতুল সিংহ, মেয়ে মলি, বোন নীহার। বাইরের লোকের মধ্যে একজন রান্নার লোক, একটি ঝি, একজন ড্রাইভার। ড্রাইভার নেপালি। নাম জং বাহাদুর। সে আউটহাউসে থাকে।

    পোস্টমর্টেম রিপোর্টটা একবার দেখতে পারি?

    এই তো, ফাইলেই আছে। মহিম রুদ্র গোটা ফাইলটা পারিজাত বক্সীর দিকে এগিয়ে দিলেন।

    পারিজাত বক্সী মনোযোগ দিয়ে পড়তে শুরু করলেন।

    শুধু পোস্টমর্টেম রিপোর্টই নয়, সকলের জবানবন্দি।

    এই সময়ে মহিম বেরিয়ে গেলেন। ওপরেই তাঁর কোয়ার্টার। সেখানে উঠে গেলেন। একটু পরে যখন নেমে এলেন তখন পারিজাত বক্সীর ফাইল পড়া শেষ। তিনি দু-হাত কপালে চেপে চুপচাপ বসে আছেন।

    মহিম রুদ্রর পিছনে হাতে ট্রে নিয়ে একজন চাকর ঢুকল। ট্রে-র ওপর প্লেটে লুচি-তরকারি, ধূমায়মান চায়ের কাপ।

    পায়ের আওয়াজে পারিজাত বক্সী মুখ তুলে দেখলেন।

    দেখেই চেঁচিয়ে উঠলেন? আরে, অসময়ে এ কী করেছেন?

    মহিম রুদ্র হাসলেন। আমাদের আবার সময়-অসময়। নিন, মুখে তুলে দিন।

    খেতে খেতে পারিজাত বক্সী প্রশ্ন করলেন, আচ্ছা, ওই মেয়ে তো অতুল সিংহর সম্পত্তির একমাত্র অধিকারিণী ছিল তা-ই না?

    মহিম রুদ্র ঘাড় নাড়লেন, হ্যাঁ তা-ই।

    সব হত্যাকাণ্ডের পিছনে একটা মোটিভ থাকে। এক্ষেত্রে মলির মৃত্যুতে লাভবান কে হবে?

    মানে?

    মানে মলি না থাকলে অতুল সিংহর সম্পত্তি কার পাবার সম্ভাবনা?

    মহিম রুদ্র প্রশান্ত হাসলেন।

    সেদিকটা যে আমি ভাবিনি তা মনে করবেন না। খোঁজ নিয়ে জানলাম অতুল সিংহর ভাইপো সম্পত্তি পেতে পারে। কিন্তু সে থাকে পাটনায়। ব্যাবসা করে। আজ দু-বছর এদিকে আসেনি।

    ঠিক আছে, খাওয়া শেষ করে পারিজাত বক্সী উঠে দাঁড়ালেন, আজ বিকেলে একবার অতুল সিংহর সঙ্গে দেখা করতে চাই; সুবিধা হবে?

    মহিম রুদ্র বললেন, আলবত হবে। ক-টা নাগাদ?

    ধরুন পাঁচটা-সাড়ে পাঁচটা।

    ঠিক আছে, আপনি সাড়ে চারটে নাগাদ এখানে চলে আসুন। একসঙ্গে যাওয়া যাবে। আমি বলে দিয়েছি, আমার হুকুম ছাড়া ও বাড়ির কেউ শহর ছেড়ে যেতে পারবে না।

    পারিজাত বক্সী চলে এলেন।

    খাওয়াদাওয়ার পর নিজের লাইব্রেরিতে বসে ‘টক্সিন’ সম্বন্ধে মোটা মোটা গোটা চারেক বইয়ের পাতা ওলটালেন। গোটা তিনেক ফোন করলেন। যখন ভবানীপুর থানায় পৌঁছালেন তখন কাঁটায় কাঁটায় সাড়ে চারটে।

    মহিম রুদ্র তৈরি হয়েই অপেক্ষা করছিলেন। পারিজাত বক্সীর মোটরে এসে উঠলেন।

    মোটর যখন সিংহ লজ-এর সামনে এসে থামল, তখন প্রায় পাঁচটা, সাদা রঙের আধুনিক ডিজাইনের বাড়ি। সামনে বাগান। বড়ো লোহার গেট। মোটর গেট পার হয়ে ভিতরে গিয়ে ঢুকল।

    কলিং বেল টিপতেই একটা লোক এসে দাঁড়াল।

    মহিম রুদ্রকে দেখেই তার মুখ শুকিয়ে গেল। বোঝা গেল এর আগে জেরায় জেরবার হয়েছে।

    বাবু আছেন?

    আজ্ঞে হ্যাঁ।

    খবর দাও, আমরা একটু দেখা করতে চাই।

    চাকর ভিতরে গিয়ে একটু পরেই বেরিয়ে এল। আসুন।

    চাকরের পিছন পিছন দুজন বসবার ঘরে এলেন।

    মেঝের ওপর দামি কার্পেট, বৃহৎ আকারের সোফা সেট, সুদৃশ্য পেলমেট শুধু গৃহস্বামীর অবস্থা নয়, তাঁর রুচিরও নিদর্শন।

    একটু পরেই অতুল সিংহ ঘরে ঢুকলেন। মাথায় কাঁচায়-পাকায় মেশানো চুল, চোখে হাই পাওয়ারের চশমা, হাতে লাঠি। বিষণ্ণ মুখের চেহারা। ভদ্রলোক যেন বিধ্বস্ত।

    মহিম রুদ্র পারিজাত বক্সীর পরিচয় দিতেই অতুল সিংহ এগিয়ে এসে পারিজাত বক্সীর দুটো হাত আঁকড়ে ধরলেন, আপনার কথা খুব শুনেছি। আপনি আমার মেয়ের মৃত্যুর ব্যাপারটা একটা কিনারা করে দিন। ফুলের মতন মেয়ে। তার এ সর্বনাশ কে করবে? মেয়েকে আর ফিরে পাব না জানি। তবু আততায়ীকে আমি চিনতে চাই।

    অতুল সিংহ যে খুব উত্তেজিত হয়ে পড়েছেন, সেটা তাঁর কথাবার্তাতেই বোঝা গেল।

    পারিজাত বক্সী চাপা অথচ দৃঢ়কণ্ঠে জিজ্ঞাসা করলেন, আপনার কাকে সন্দেহ হয়?

    আমার? কাকে সন্দেহ হবে? নিজের কপাল ছাড়া আমি কাউকে দায়ী করি না।

    আপনার ভাইপোর সঙ্গে আপনার সম্পর্ক কেমন?

    ভাইপো? মানে সুনীল, যে পাটনায় থাকে? তার সঙ্গে আমার কোনও যোগাযোগই নেই। এমনকী চিঠিপত্রেও নয়।

    তিনি তো ব্যাবসা করেন?

    হ্যাঁ, শুনেছি ঠিকেদারি ব্যাবসা।

    আপনাকে একটা নির্মল প্রশ্ন করছি, কিছু মনে করবেন না। এখন যা অবস্থা, আপনার অবর্তমানে আপনার স্থাবর-অস্থাবর সব সম্পত্তির মালিক তো সুনীলবাবুই হবেন?

    তখনই অতুল সিংহ কোনও উত্তর দিলেন না। লাঠির ওপর মুখ রেখে কয়েক মুহূর্ত চুপ করে বসে রইলেন। তারপর আস্তে আস্তে বললেন, আইন অনুসারে অবশ্য তা-ই হবার কথা, কিন্তু তা-ই হবে না। আমি স্থির করেছি আমার সবকিছু আমি এক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে দান করে দেব।

    ভাইপোকে বঞ্চিত করবেন?

    পারিজাত বক্সীর এ প্রশ্নের উত্তরে অতুল সিংহ নিজের দুটো হাত জোড় করলেন, মাপ করবেন। এ নিয়ে আমাকে প্রশ্ন করবেন না।

    পারিজাত বক্সী আর মহিম রুদ্র দৃষ্টি বিনিময় করলেন, তারপর পারিজাত বক্সী বললেন, একবার নীহারদেবীর সঙ্গে কথা বলতে চাই।

    অতুল সিংহ বাইরের দিকে মুখ ফিরিয়ে ডাকলেন, ভুবন, ভুবন।

    ভুবন বোধহয় কাছাকাছিই ছিল। শুকনো মুখে এসে দাঁড়াল।

    বাবু।

    পিসিমাকে একবার আসতে বল।

    মিনিট পনেরো পরেই নীহার এসে দাঁড়াল। বয়সের তুলনায় অনেক শক্তসমর্থ চেহারা। ফিনফিনে ধুতি, সরু কালো পাড়। ধবধবে সাদা ব্লাউজ। শোকার্ত কিন্তু একেবারে মুষড়ে-পড়া নয়। ঘরের মধ্যে ঢুকে একবার মহিম রুদ্রর দিকে আর একবার পারিজাত বক্সীর দিকে দেখল।

    কোণের একটা চেয়ার দেখিয়ে পারিজাত বক্সী বললেন, বসুন।

    নীহার বসল। কোলের ওপর দুটি হাত রেখে। পারিজাত বক্সী প্রশ্ন করলেন, আপনি তো মলির পাশের ঘরেই থাকতেন।

    পাশের ঘর কেন বলছেন, বলুন একই ঘর। মাঝখানে শুধু একটা কাঠের পার্টিশন।

    ভালো। মলি কীভাবে মারা গেল, তা আপনি কিছু টের পাননি?

    একেবারেই না।

    সেদিন মলির কাছে কে কে এসেছিল মনে আছে?

    হ্যাঁ, মনে আছে বই কী। দাদা আর আমি তো গেছিই। ভুবন আর জং বাহাদুরও একবার গেছে।

    বাইরের কেউ?

    না, বাইরের কেউ আসেনি।

    ভুবন কেন গিয়েছিল?

    ওভালটিন দিতে। মলি ঘুমোচ্ছে দেখে ওভালটিন ফিরিয়ে নিতে গিয়েছিল।

    আর জং বাহাদুর?

    জং বাহাদুর মোটরে অপেক্ষা করছিল। ভোরবেলা মলি বেড়াতে যায়। তবে দেরি দেখে খোঁজ করতে এসেছিল।

    আচ্ছা নীহারদেবী, শুনেছিলাম মলির ঘরের দরজা বন্ধ ছিল, এরা ভিতরে গেল কী করে?

    আমার ঘরের মধ্যে দিয়ে। আমি খুব ভোরে উঠে ঠাকুরঘরে যাই। আমার দরজা খোলাই থাকে।

    আপনি তো শুনেছেন, মলির বিষক্রিয়ায় মৃত্যু হয়েছে।

    দাদার কাছে শুনলাম।

    এদের ওপর আপনার সন্দেহ হয়?

    মোটেই না। এরা প্রায় বাড়ির লোকের মতন। ভুবন বহু বছর রান্নার কাজ করছে, ড্রাইভার জং বাহাদুরও খুব বিশ্বাসী।

    মহিম রুদ্রর দিকে ফিরে পারিজাত বক্সী জিজ্ঞাসা করলেন, একজন ঝি আছে না এ বাড়িতে?

    নীহার উত্তর দিল, শোভার মা। ঠিকে ঝি। সে দু-বেলা বাসন মেজে, ঘর ঝাঁট দিয়ে চলে যায়। তাকে এখন পাওয়া যাবে না।

    পারিজাত বক্সী উঠে দাঁড়ালেন, আজ তাহলে চলি। দরকার হলে পরে একদিন আসব।

    মহিম রুদ্র জিজ্ঞাসা করল, ভুবন আর জং বাহাদুরের সঙ্গে কথা বলবেন না?

    আজ থাক, অন্য একটা কাজ আছে।

    পারিজাত বক্সী বেরিয়ে এলেন। পিছন পিছন মহিম রুদ্র।

    দরজা পার হতে গিয়েই পারিজাত বক্সী সামলে নিলেন। আর-একটু হলেই হোঁচট খেতেন।

    ছোটো আকারের কুকুর চৌকাঠের পাশে শুয়ে। কুচকুচে কালো কুণ্ডলী-পাকানো লোম। ঠিক যেন কালো তুলোর বস্তা। এত বড়ো বড়ো লোম যে চোখগুলোও ঢাকা পড়ে গেছে। বেশ কুকুরটি তো! পারিজাত বক্সী কুকুরের ওপর ঝুঁকে পড়লেন।

    অতুল সিংহ বললেন, রুবি মলির খুব ফেভারিট ছিল। ওর কাছেই থাকত। ও-ই এর দেখাশোনা করত। মলি চলে যাবার পর থেকে বেচারি কীরকম নিঝুম হয়ে গেছে।

    পারিজাত বক্সী রুবির লোমে হাত বোলাতে বোলাতে একবার ভ্রূ কুঞ্চিত করলেন, তারপর বললেন, মনে হচ্ছে খুব শকড হয়েছে। চলুন যাই।

    পারিজাত বক্সী বাড়ি গেলেন না। ভবানীপুর থানায় এসে নামলেন। মহিম রুদ্রকে বললেন, মিস্টার রুদ্র, আপনাকে একটা কাজ করতে হবে।

    কী? কাল অতুল সিংহ আর নীহারদেবীকে কোনও ছুতোয় থানায় ডেকে ঘণ্টা দুয়েক কথাবার্তায় আটকে রাখতে হবে।

    কারণ?

    কারণ আমি একবার ওদের ঘরগুলো সার্চ করতে চাই।

    সে তো সোজাভাবেই হতে পারে।

    তা হয়তো পারে কিন্তু এটা আমি ওদের জানতে দিতে চাই না। পারবেন তো?

    না-পারার কী আছে? কিন্তু বাড়িতে তো আরও লোক থাকবে।

    ভুবন আর জং বাহাদুর তো?

    হ্যাঁ।

    অতুল সিংহ আর নীহারদেবী মোটরে আসবেন। জং বাহাদুর সঙ্গেই থাকবে। ভুবনকে আমি ম্যানেজ করে নেব।

    তা-ই ঠিক হল।

    পরের দিন মহিম রুদ্র অতুল সিংহকে ফোন করলেন, নীহারদেবীকে নিয়ে দুপুরের দিকে একবার আসতে হবে।

    আবার কী হল?

    এলে জানতে পারবেন। জং বাহাদুরকেও আনবেন।

    মোটরে যখন যাব তখন জং বাহাদুর তো সঙ্গেই থাকবে। ঠিক আছে, বারোটা নাগাদ যাব।

    খবরটা মহিম রুদ্র পারিজাত বক্সীকেও ফোনে জানিয়ে দিলেন।

    ঠিক সাড়ে বারোটা।

    পুলিশের পোশাক-পরা, পাকানো গোঁফ, চোখে কালো চশমা এক ভদ্রলোক অতুল সিংহর বাড়িতে ঢুকলেন।

    কে?

    ভুবনের প্রশ্নের উত্তরে লোকটা বললেন, আমি থানা থেকে আসছি। অতুলবাবু তাঁর শোবার ঘরের টেবিলে একটা কাগজ ফেলে গেছেন, সেটা নিতে এসেছি।

    আসুন।

    ভুবন লোকটিকে নিয়ে অতুলবাবুর শোবার ঘরে ঢুকল।

    কোন কাগজ?

    ভুবন আর কথা বলতে পারল না। লোকটা তার নাকে একটা রুমাল চেপে ধরল।

    শরীর ঝিমঝিম করে উঠল। দু-চোখে অন্ধকার দেখে মেঝের ওপর লুটিয়ে পড়ল।

    লোকটা দ্রুতপায়ে নীহারের শোবার ঘরে ঢুকে খাটের তলা থেকে দুটো স্যুটকেস টেনে বের করলেন। পকেট থেকে চাবির গোছা বের করে একটার পর একটা লাগিয়ে দুটো স্যুটকেসই খুলে ফেললেন। খুঁজে খুঁজে কাগজপত্রগুলো পড়তে লাগলেন, তারপর একসময়ে নিঃশব্দে বাড়ি থেকে বের হয়ে পড়লেন। বিকালের দিকে অতুল সিংহ আর নীহার থানা থেকে ছাড়া পেলেন। কেন যে ডেকেছিল, বুঝতেই পারলেন না। মামুলি কতকগুলো প্রশ্ন।

    বাড়ি ফিরতেই ভুবন হাউমাউ করে উঠল, সর্বনাশ হয়ে গেছে বাবু। ডাকাতি হয়ে গেছে।

    সে কী রে?

    ভুবন সব বলল। কী হারিয়েছে খোঁজাখুঁজি শুরু হল। অতুল সিংহর একটা ঘড়ি পাওয়া গেল না। আর সব ঠিক আছে। আশ্চর্য কাণ্ড, তুচ্ছ দামের একটা ঘড়ির জন্য এত কাণ্ড!

    নীহার নিজের আলমারি-স্যুটকেস সব খুঁজে দেখল। না, কিছু হারায়নি, সব ঠিক আছে।

    দিন চারেক পর—

    নীহারই বলল, দাদা, মলি যাবার পর থেকে রুবিটা কেমন মনমরা হয়ে আছে। ভালো করে খায় না। কেবল খাবার ওপর মুখ রেখে চুপচাপ শুয়ে থাকে।

    অতুল সিংহ উত্তর দিলেন, রুবি মলিকে খুবই ভালোবাসত। কুকুরটা বাঁচলে হয়।

    তুমি একবার ডেকে আদর করো।

    ডাকব? অতুল সিংহ বাইরের দিকে চোখ ফিরিয়ে ডাকলেন, রুবি রুবি, এদিকে আয়।

    রুবি চৌকাঠের কাছেই শুয়ে ছিল! প্রভুর ডাকে প্রথমে মুখ তুলে দেখল, তারপরে আস্তে আস্তে এগিয়ে এল।

    আয়, আয়। অতুল সিংহ সামনের দিকে ঝুঁকে পড়লেন।

    রুবি আরও এগিয়ে এল। মুখ তুলে আবার দেখল, তারপর লাফিয়ে অতুল সিংহর কোলে উঠে পড়ল।

    তার লোমের মধ্যে হাত বোলাতে বোলাতে অতুল সিংহ চমকে উঠলেন, এ কী রে, কী হয়েছে?

    লোমগুলো সরাতে গিয়েই অতুল সিংহ থেমে গেলেন। বাইরের জানলায় পারিজাত বক্সীকে দেখা গেল।

    অতুলবাবু, সাবধান! অতুল সিংহ চমকে উঠতেই রুবি তাঁর কোল থেকে লাফিয়ে নীচে নেমে পড়ল।

    সঙ্গে সঙ্গে পাশের ঘরে নীহারের আর্তনাদ।

    অতুল সিংহ ছুটে পাশের ঘরে গিয়ে দেখলেন, মহিম রুদ্র দাঁড়িয়ে। দুজন পুলিশ নীহারের দু-পাশে।

    কী হল? অতুল সিংহ চেঁচিয়ে উঠলেন।

    এদিকে আসুন, আমি বলছি।

    অতুল সিংহ ফিরে দেখলেন, পারিজাত বক্সীর কোলে রুবি।

    মহিম রুদ্র নীহারকে নিয়ে জিপে উঠলেন।

    অতুল সিংহ পারিজাত বক্সীকে নিয়ে বসবার ঘরে এলেন।

    প্রথমে একটা জিনিস আপনাকে দেখাই।

    পারিজাত বক্সী রুবির লোমগুলো ফাঁক করে দেখালেন। খুব সরু একটা ফিতে দিয়ে বাঁধা একটা কাঠের বাক্স।

    এই বাক্সের মধ্যে হাইড্রোসায়ানিক গ্যাস ভরা। যে-ই রুবিকে কোলে নেবে, সে-ই কৌতূহলের বশবর্তী হয়ে বাক্সের ডালাটা খুলবে আর সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যুবরণ করবে। এইভাবেই আপনার মেয়ে মলির মৃত্যু হয়েছে।

    কিন্তু কে এ কাজ করলে?

    যে করেছে, মহিমবাবু তাকে অ্যারেস্ট করে থানায় নিয়ে গেছেন।

    আমি ব্যাপারটা কিছু বুঝতে পারছি না।

    শুনুন, আমি তাহলে বুঝিয়ে বলছি। নীহারদেবী আপনার দূর সম্পর্কের বোন। তাঁর অতীত জীবন খুব কলঙ্কমুক্ত নয়। তাঁর সঙ্গে আপনার ভাইপো সুনীলবাবুর খুব ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ। সেলাইয়ের ক্লাসে যাবার নাম করে নীহারদেবী যে বাইরে যেতেন, তা শুধু সুনীলবাবুর সঙ্গে দেখা করার জন্য।

    ডাকাত সেজে একবার এ বাড়িতে হানা দিয়েছিলাম। নীহারদেবীর বাক্স তল্লাশি করে দুটো চিঠি উদ্ধার করেছি। অবশ্য পাছে নীহারদেবী সন্দেহ করেন বলে সে চিঠি দুটো আমি নিয়ে যাইনি। শুধু ফোটোস্ট্যাট কপি করে নিয়েছি। এই হাইড্রোসায়ানিক গ্যাসের জোগানটা সুনীলবাবুই দিয়েছিলেন, প্রয়োগপদ্ধতিও তাঁর।

    অতুল সিংহ প্রশ্ন করলেন, কিন্তু এর আগে পুলিশ তো সবকিছু সার্চ করে গেছে, তখন তারা এ চিঠি দুটোর সন্ধান পায়নি?

    তখন নীহারদেবী চিঠি দুটো সরিয়ে ফেলেছিলেন, তারপর পুলিশের হাঙ্গামা মিটে যেতে চিঠি দুটো আবার বাক্সে রেখে দিয়েছিলেন। এ চিঠি দুটোই তাঁর পরম অস্ত্র। এ দুটো চিঠির ভয়ে সুনীলবাবু প্রতিশ্রুত টাকা নীহারদেবীকে দেবেন।

    তারপর যখন সুনীলবাবুর কাছে খবর গেল, আপনি সম্পত্তি কোনও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে দান করে দেবেন, তখন আপনাকে সরাবার প্রয়োজন হল। দানপত্র করার আগে আপনার মৃত্যু হলে উত্তরাধিকার আইনমাফিক সম্পত্তি সুনীলবাবুর পাবার পথে কোনও বাধা থাকবে না। সেইজন্য রুবিকে আপনার কোলে তুলে দেবার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

    স্কাউন্ড্রেল! তার কী ব্যবস্থা করেছেন আপনারা?

    আজ সকালে বিহারের পুলিশ সুনীলবাবুকে গ্রেপ্তার করেছে। এতক্ষণে বাংলার দিকে রওনা হয়ে গেছে।

    অতুল সিংহ পারিজাত বক্সীর দুটো হাত আঁকড়ে ধরলেন, আপনি এক গভীর ষড়যন্ত্র থেকে আমাকে বাঁচিয়েছেন। আপনার ঋণ জীবনে শোধ করতে পারব না।

    পারিজাত বক্সী মুচকি হাসলেন।

    চলি অতুলবাবু, একবার থানায় যেতে হবে। মহিম রুদ্র অপেক্ষা করছেন।

    -সমাপ্ত-

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকৃষ্ণগহ্বর, শিশু মহাবিশ্ব ও অন্যান্য রচনা – স্টিফেন হকিং
    Next Article ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভূতুড়ে কাণ্ড

    February 26, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভূতচরিত

    February 26, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    আগন্তুক

    February 26, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ফাঁসির আসামি

    February 26, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    মৃত্যুর পরে

    February 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }