Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কিশোর সাহিত্য সম্ভার – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমার রায় এক পাতা গল্প666 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অগাধ জলের রুই-কাতলা

    টেলিফোনের রিসিভারটা ধরে বিমল বলল, ‘হ্যালো! কে? সুন্দরবাবু? নমস্কার মশাই, নমস্কার! কী বলছেন? আমাদের দরকার? কেন বলুন দেখি? পরামর্শ করবেন? কীসের পরামর্শ? রহস্যময় হত্যাকাণ্ড, আসামি নিরুদ্দেশ? কিন্তু সে জন্যে আমাদের সঙ্গে পরামর্শ করে কী হবে বলুন, আমরা তো ডিটেকটিভ নই৷ আপনার ডিটেকটিভ বন্ধু জয়ন্তবাবুর কাছে যান না৷ তিনি অন্য একটা মামলা নিয়ে বাইরে গিয়েছেন? ও! আচ্ছা, আসতে ইচ্ছে করেন, আসুন,-কিন্তু আমরা বোধ হয় আপনার কোনো কাজেই লাগব না, কারণ গোয়েন্দাগিরিতে আমরা হচ্ছি নিতান্ত গোলা ব্যক্তি, কিছুই জানি না বললেও চলে৷ কী বলছেন? আমাদের ওপরে আপনার গভীর বিশ্বাস? ধন্যবাদ . . .

    ‘এখানে এসে চা খাবেন? বেশ তো! গোটা-দুয়েক এগ পোচ পেলেও খুশি হবেন? চারটে পোচ পেলেও আপত্তি করবেন না? তথাস্তু!’ রিসিভারটা রেখে দিয়ে বিমল ফিরে বলল, ‘বাঘা, রামহরিকে ডেকে আন তো!’

    বাঘা তখন উপর দিকে মুখ তুলে ল্যাজ নাড়তে নাড়তে ভাবছিল, দেয়ালের গা থেকে ওই টিকটিকিটাকে কী উপায়ে টেনে নীচে নামানো যায়৷ বিমলের ফরমাশ শুনে সে তখনই ঘর থেকে বেরিয়ে গেল৷ মানুষের ছোটো ছোটো কোনো কোনো কথা কুকুর হলেও বাঘা বুঝতে পারত৷ যাঁরা কুকুর পোষেন, তাঁরাই এ-কথা জানেন৷

    একটু পরেই বাইরে থেকে রামহরির গলা পাওয়া গেল-‘ছাড়, ছাড়৷ ওরে হতচ্ছাড়া, কাপড় যে ছিঁড়ে যাবে, এমন চিনেজোঁক ধড়িবাজ কুকুর তো কখনো দেখিনি!’ তার পরেই দেখা গেল, রামহরির কোঁচার খুঁট কামড়ে ধরে বাঘা তাকে টানতে টানতে ঘরের ভিতরে এনে হাজির করল৷

    রামহরি বলল, ‘খোকাবাবু, তুমিই বুঝি বাঘাকে আমার পিছনে লেলিয়ে দিয়েছ?’

    বিমল হেসে বলল, ‘লেলিয়ে দিইনি, তোমাকে ডেকে আনতে বলেছি৷ শোনো রামহরি, মিনিট দশেকের মধ্যেই ইন্সপেক্টর সুন্দরবাবু এখানে এসে পড়বেন, তিনি তোমার হাতে তৈরি চা আর এগ পোচের পরম ভক্ত! অতএব বুঝেছ?’

    রামহরি ঘাড় নেড়ে বলল, ‘সব বুঝেছি!’

    কুমার ঘরের এক কোণে বসে একখানা মাসিক পত্রিকার পাতা ওলটাচ্ছিল৷ মুখ তুলে বলল, ‘আর বুঝেছ রামহরি, আমাদেরও পেটে যে খিদে নেই এমন কথা জোর করে বলতে পারি না৷’

    রামহরি বলল, ‘সব বুঝেছি৷ তোমরা দুটিতেই যে বাঘার মতোই পেটুক আমি তা খুব জানি৷ খাবারের নাম শুনলেই তোমাদের খিদে পায়৷’

    কুমার বলল, ‘খাবারের নাম তো দূরের কথা রামহরি, তোমার নাম শুনলেই আমাদের খিদেয় ঘুম ভেঙে যায়, বুঝেছ?’

    ‘সব বুঝেছি৷ ভয় হয় এইবারে কোনোদিন হয়তো আমাকেই গপ করে গিলে ফেলতে চাইবে-‘ বলতে বলতে রামহরি বেরিয়ে গেল৷

    বিমল বলল, ‘কুমার, সেই ড্রাগনের দুঃস্বপ্নের মামলার পর থেকেই আমাদের উপর সুন্দরবাবুর বিশ্বাস খুব প্রবল হয়ে উঠেছে দেখছি৷ কী একটা হত্যাকাণ্ড তদবির করার ভার পড়েছে তাঁর উপর, তাই নিয়ে তিনি আমাদের সঙ্গে পরামর্শ করতে আসছেন৷’

    কুমার বলল, ‘হত্যাকাণ্ডটা নিশ্চয়ই রহস্যময়, নইলে পরামর্শের দরকার হত না৷’

    অল্পক্ষণ পরেই মোটরের ভেঁপুর আওয়াজ শুনে বিমল পথের ধারের জানলার কাছে গিয়ে দেখল, গাড়ির ভেতর থেকে আত্মপ্রকাশ করছে সুন্দরবাবুর কাঁসার রেকাবির মতো তেলা টাক এবং ধামার মতো মস্ত ভুঁড়ি৷

    বিমল হাঁকল, ‘রামহরি, অতিথি দ্বারদেশে, তুমি প্রস্তুত হও৷’

    টেবিলের উপরে তখনও চা এবং খাবারের ধ্বংসাবশেষ পড়ে ছিল৷

    বিমল সোফার উপরে ভালো করে বসে বলল, ‘সুন্দরবাবু, এইবারে আপনার হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা শুরু করুন৷’

    সুন্দরবাবু বললেন, ‘হুম, তাহলে শুনুন৷ যিনি খুন হয়েছেন, তাঁর নাম মোহনলাল বিশ্বাস৷ লোকটি খুব ধনী, আর তাঁর বয়স ষাটের কম নয়৷ তিনি নিজের বাড়িতে একলাই বাস করতেন, কারণ তাঁর স্ত্রী-পুত্র কেউ আর বেঁচে নেই৷ আত্মীয়ের মধ্যে কেবল এক ভাগিনেয়, তিনিই বর্তমানে তাঁর বিষয়ের উত্তরাধিকারী, তাঁর নাম ভূপতিবাবু৷ কিন্তু তিনিও মোহনবাবুর বাড়িতে থাকেন না; তার প্রথম কারণ ভূপতিবাবু বেড়াতে আর শিকার করতে ভালোবাসেন বলে আজ তিন বৎসর ধরে ভারতের নানা দেশে ঘুরে বেড়াচ্ছেন৷ দ্বিতীয় কারণ হচ্ছে, কলকাতায় ভূপতিবাবুরও নিজের বাড়ি আছে৷ মোহনবাবুর বাড়ির পিছনেই একটি ষাট-পঁয়ষট্টি গজ লম্বা বাগান, তারপরেই ছোটো রাস্তার উপরে ভূপতিবাবুর বাড়ি৷

    ‘মাসখানেক আগে মোহনবাবু নিউমোনিয়া রোগে আক্রান্ত হন৷ তাঁর অবস্থা এমন খারাপ হয়ে পড়ে যে, ভূপতিবাবুও খবর পেয়ে বিদেশ থেকে চলে আসেন৷ তিনি তখন রেঙ্গুনে ছিলেন৷

    ‘তার পর কিন্তু মোহনবাবুর অবস্থা আবার ভালোর দিকে ফিরতে থাকে৷ ডাক্তারদের মতে, ভূপতিবাবুর আশ্চর্য সেবা-শুশ্রূষার গুণেই মোহনবাবুর অবস্থা হয় আবার উন্নত৷

    ‘কিন্তু তাঁর যম তাঁকে ছাড়ল না, তাঁর কাল ফুরিয়েছিল৷ পরশুদিন দুপুর বেলায় মোহনবাবু দোতলার ঘরে বিছানার উপরে আধশোয়া অবস্থায় খবরের কাগজ পড়ছিলেন৷ ঘরের ভিতরে আর কেউ ছিল না৷

    ‘পাশের ঘরে ছিল নার্স৷ মোহনবাবুর ঘরে ঢোকবার দরজা আছে একটিমাত্র৷ সেই দরজার সামনেই বারান্দার উপরে মাদুর বিছিয়ে বিশ্রাম করছিল বাড়ির পুরোনো চাকর, চন্দর৷ তাকে এড়িয়ে বা ডিঙিয়ে কোনো লোকের ঘরের ভিতরে ঢোকবার উপায় ছিল না৷ সে ছেলেবেলা থেকে এই বাড়িতেই কাজ করছে৷ চন্দর এত বিশ্বাসী লোক যে, সকলরকম সন্দেহের অতীত৷

    ‘ভূপতিবাবু তখন আহার ও বিশ্রাম করবার জন্যে নিজেদের বাড়িতে গিয়েছিলেন৷ বাড়ির সদর দরজায় ছিল দ্বারবান৷ সে বলে, বাইরে থেকে কোনো লোক বাড়ির ভিতরে ঢোকেনি৷ চন্দর বলে সে সম্পূর্ণ সজাগ ছিল, বারান্দা দিয়ে কোনো লোক তাকে পেরিয়ে ঘরের ভিতরে যায়নি৷

    ‘বেলা তখন দেড়টা৷ ঘরের ভিতর থেকে মোহনবাবু হঠাৎ উচ্চস্বরে আর্তনাদ করে উঠলেন৷সেই চিৎকার শুনে পাশের ঘর থেকে নার্স ছুটে এল৷ চন্দরও ধড়মড় করে উঠে দাঁড়াল৷ তারপর তারা দুজনেই একসঙ্গে দরজা ঠেলে মোহনবাবুর ঘরের ভিতরে ঢুকে পড়ল৷

    ‘মোহনবাবুর মুখ দিয়ে তখন ফেনা উঠছে, আর গলা দিয়ে বেরোচ্ছে গোঁ-গোঁ আওয়াজ৷ দেখতে দেখতে তাঁর জ্ঞান লুপ্ত হয়ে গেল৷

    ‘নার্স ও চন্দর দুজনেই নিশ্চিন্তভাবে বলেছে, ঘরের ভিতরে মোহনবাবু ছাড়া দ্বিতীয় ব্যক্তি ছিল না৷

    ‘খবর পেয়ে ভূপতিবাবু ও-বাড়ি থেকে ছুটে এলেন৷ তখনই ডাক্তারও এসে পড়লেন৷ কিন্তু তাঁর সামনেই অল্পক্ষণ পরে মোহনবাবুর মৃত্যু হল৷ ডাক্তারের মতে মৃত্যুর কারণ হচ্ছে, কোনো রকম তীব্র বিষ৷

    ‘অকারণে বিষের সৃষ্টি হয় না৷ মোহনবাবুর কাঁধের উপর বিদ্ধ হয়েছিল অদ্ভুত একটি অস্ত্র৷ এমন অস্ত্র আমি জীবনে দেখিনি৷ এটা যে বিষাক্ত, তাতে আর কোনোই সন্দেহ নেই৷ এই দেখুন-‘ বলে সুন্দরবাবু মোড়কের ভিতর থেকে সন্তর্পণে কাঠির মতন একটি জিনিস বের করলেন৷

    বিমল সাগ্রহে সেটিকে নিয়ে পরীক্ষা করতে লাগল৷ লম্বায় সেটি এক বিঘত৷ চওড়ায় নরুনের চেয়ে মোটা নয়৷ তার মুখটা তীক্ষ্ণ, আর একদিকে ইঞ্চিখানেক লম্বা একটি সোলার চোঙা বা নল বসানো৷

    বিমল বলল, ‘সুন্দরবাবু, এই কাঠিটি কোন কাঠ দিয়ে তৈরি বুঝতে পেরেছেন?’

    ‘হুম, না!’

    ‘সাগু কাঠ দিয়ে৷’

    ‘কাঠ-ফাঠ নিয়ে এখন আমার মাথা ঘামাবার সময় নেই৷ আমাদের এখন জানা দরকার, ওই বিষাক্ত কাঠের সুচ দিয়ে মোহনবাবুকে আঘাত করল কে? অস্ত্রটা তো আর আকাশ থেকে খসে পড়েনি?’

    কুমার বলল, ‘কার উপরে আপনার সন্দেহ হয়?’

    ‘কপাল দোষে সন্দেহ করবার কোনো লোকই পাচ্ছি না৷ ঘরের আশেপাশে হাজির ছিল কেবল দু-জন লোক-নার্স আর চন্দর৷ কিন্তু মোহনবাবুকে খুন করবে তারা কোন উদ্দেশ্যে? মোহনবাবুর ঘরের ভিতর থেকে টাকা বা কোনো দামি জিনিসও চুরি যায়নি৷ তাঁর মৃত্যুতে তাদের কোনোই লাভ নেই, বরং লোকসান আছে৷ মোহনবাবুর মৃত্যুর জন্যে লাভ হবে খালি ভূপতিবাবুর৷ কারণ তিনিই তাঁর বিশ লাখ টাকা দামের সম্পত্তির মালিক হবেন৷ কিন্তু তাঁর উপরেও সন্দেহ করবার উপায় নেই৷ কারণ প্রথমত, ঘটনার সময় তিনি যে নিজের বাড়িতে ছিলেন, এর প্রমাণ আমি পেয়েছি৷ দ্বিতীয়ত, দ্বারবানের চোখ এড়িয়ে এ-বাড়িতে, আর চন্দরের চোখ এড়িয়ে মোহনবাবুর ঘরে ঢোকা তাঁর পক্ষে অসম্ভব৷ তৃতীয়ত, তিনি যদি মোহনবাবুর মৃত্যু চাইবেন, তবে সেবা-শুশ্রূষা করে তাঁকে নিউমোনিয়ার কবল থেকে উদ্ধার করতেন না৷ চতুর্থত, মোহনবাবুর মৃত্যুতে তিনি এমন কাতর হয়ে পড়েছেন যে, তা আর বলা যায় না৷ হুম, ভালো কথা৷ একটা কথা আপনাকে এখনও বলা হয়নি৷ ভূপতিবাবু অঙ্গীকার করেছেন, মোহনবাবুর হত্যাকারীকে যে ধরে দিতে পারবে, তাকে তিনি বিশ হাজার টাকা পুরস্কার দেবেন!’

    বিমল বলল, ‘বলেন কী, বি-শ-হা-জা-র টা-কা?’

    ‘হ্যাঁ৷ সেই জন্যেই তো মামলাটা নিয়ে এত বেশি মাথা ঘামাচ্ছি! কিন্তু হায় রে, ব্যাপার যা দেখছি, হত্যাকারীর নাগাল পাওয়া একরকম অসম্ভব বললেও চলে৷ হুম, আমার কপাল বড়ো মন্দ!’

    বিমল খানিকক্ষণ বসে রইল চুপচাপ৷ তার দৃষ্টি নিবন্ধ সাগুকাঠের সেই কাঠিটির দিকে৷ তারপর সে বলল, ‘বিশ হাজার টাকা পুরস্কার! এ লোভ সামলানো শক্ত৷ আচ্ছা, সুন্দরবাবু, এ বিষয় নিয়ে আমি ভূপতিবাবুর সঙ্গে কথাবার্তা কইতে চাই!’

    সুন্দরবাবু বললেন, ‘বেশ তো, এখনই আমার সঙ্গে চলুন না!’

    ভূপতিবাবুর বাড়িখানি বড়ো নয়, কিন্তু দিব্য সাজানো-গুছানো৷

    তিনি বৈঠকখানাতেই বসেছিলেন৷ সুন্দরবাবু তাঁর সঙ্গে বিমল ও কুমারের পরিচয় করিয়ে দিলেন৷

    ভূপতিবাবুর বয়স পঁয়ত্রিশের বেশি হবে না, চেহারা লম্বা-চওড়া, রং ফর্সা, মুখশ্রী সুন্দর৷

    বিমল হাসিমুখে বলল, ‘আপনার বিশ হাজার টাকার গন্ধ পেয়ে আমরা এখানে ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটে এসেছি৷’

    ভূপতিবাবু বললেন, ‘হ্যাঁ, হত্যাকারীকে কেউ ধরতে পারলেই ওই টাকা আমি উপহার দেব৷ এর মধ্যেই আমি বিশ হাজার টাকার একখানি চেক আমার এটর্নির কাছে জমা রেখেছি৷’

    বিমল নীরবে কৌতূহলী চোখে ঘরের সাজসজ্জা লক্ষ করতে লাগল৷ এ-ঘরের ভিতরে এলেই বোঝা যায়, এর মালিক খুব শিকার-ভক্ত লোক৷ মেঝের উপর বাঘ-ভাল্লুকের ছাল পাতা এবং দেয়ালের গায়ে টাঙানো রয়েছে বুনো মোষ আর হরিণের মাথা বা শিং এবং হরেকরকম ধনুক, তরবারি, বর্শা প্রভৃতি অস্ত্রশস্ত্র৷

    বিমল বলল, ‘আপনি কি শিকার করতে খুব ভালোবাসেন?’

    ভূপতিবাবু বললেন, ‘খুব-খুব বেশি ভালোবাসি৷ শিকারের লোভে আমি কোথায় না গিয়েছি-আফ্রিকা, সুমাত্রা, জাভা, বোর্নিও, সিলোন, বর্মা কিছুই আর বাকি নেই৷ ওই যে সব অস্ত্রশস্ত্র দেখছেন, ওগুলি আমি নানান দেশ থেকে সংগ্রহ করে এনেছি৷’

    সুন্দরবাবু বললেন, ‘হুম, আমিও শিকার করতে ভালোবাসি৷ তবে আপনি করেন জন্তু শিকার, আর আমি করি মানুষ শিকার৷’

    বিমল বলল, ‘মোহনবাবুর বাড়ি এখান থেকে কোন দিকে?’

    সুন্দরবাবু বললেন, ‘উত্তর দিকে৷ জানলা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে দেখুন না, ওই যে বাগানের ওপারে ওই লাল বাড়িখানা৷ দোতলার ডানপাশে সব শেষে যে ঘরখানা দেখছেন, ওই ঘরেই হতভাগ্য মোহনবাবুর মৃত্যু হয়েছে৷ মাঝখানের জানলার দিকে চেয়ে দেখুন, যে খাটে তিনি শুতেন, তারও খানিক অংশ এখান থেকে দেখতে পাবেন৷’

    ভূপতিবাবু দুঃখিত স্বরে বললেন, ‘ও-ঘরের দিকে তাকালেও আমার বুকটা হু-হু করে ওঠে!’

    বিমল সহানুভূতির স্বরে বলল, ‘এটা তো খুবই স্বাভাবিক ভূপতিবাবু৷ আপনি কি এই বাগান পেরিয়েই ওই বাড়িতে যেতেন?’

    ‘না, ওর ভেতর দিয়ে যাবার কোনো উপায় নেই৷ একে তো ওর চারদিকেই উঁচু পাঁচিল, তার উপরে ওটা হচ্ছে পরের বাগান! বাগানের ওপার থেকে ও-বাড়িতে ঢোকবার কোনো দরজাও নেই৷’

    সুন্দরবাবু বিমলের দিকে ফিরে বললেন, ‘এখানে এসে বিশ হাজার টাকার পাকা খবরটা পেলেন তো? এখন চলুন, আমার হাতে অনেক কাজ আছে৷’

    বিমল বলল, ‘হ্যাঁ, যাচ্ছি৷ ভূপতিবাবুর এই ঘরখানি আমার ভারি ভালো লাগছে-‘, বলতে বলতে ও চারিদিকে তাকাতে তাকাতে কয়েক পা এগিয়ে গিয়ে একজায়গায় দাঁড়িয়ে পড়ে জিজ্ঞাসা করল, ‘এই বর্শাটা কোন দেশের ভূপতিবাবু?’

    ‘বোর্নিওর৷’

    বিমল হাত বাড়িয়ে বর্শাটা নামাতে গেল, কিন্তু ভূপতিবাবু শশব্যস্ত হয়ে বলে উঠলেন, ‘হাঁ, হাঁ, করেন কী, করেন কী! ওর ফলায় বিষ আছে!’

    কিন্তু বিমল ততক্ষণে বর্শাটা নামিয়ে নিয়েছে৷ সে শান্তভাবে বলল, ‘ভয় নেই, আমি খুব সাবধানেই এটা নাড়াচাড়া করব৷ কিন্তু এর ফলায় কী বিষ আছে? ইপো-গাছের বিষ?’

    ভূপতিবাবু কিছুক্ষণ অবাক হয়ে বিমলের মুখের পানে তাকিয়ে থেকে ধীরে ধীরে বললেন, ‘আপনি কী করে জানলেন?’

    সে-কথার জবাব না দিয়ে বিমল বলল, ‘বর্শার ডান্ডিটা তো দেখছি জাজাং কাঠে তৈরি৷’

    সুন্দরবাবু বললেন, ‘হুম, এর ডাণ্ডিটা আবার ফাঁপা! এর কারণ কী বিমলবাবু?’

    ‘কারণ এর দ্বারা বর্শার কাজ চালানো গেলেও আসলে এটি বর্শা নয়, বোর্নিওয় একে কী বলে ডাকা হয় ভূপতিবাবু?’

    ‘আমার মনে নেই৷’

    ‘আমার মনে আছে৷ এর নাম হচ্ছে সুম্পিটান৷’

    সুন্দরবাবু বললেন, ‘বাবা, কী বিচ্ছিরি নাম! কিন্তু আপনি জানলেন কেমন করে? আপনিও কি বোর্নিওয় গিয়েছিলেন?’

    ‘গিয়েছিলাম৷ সুম্পিটান ব্যবহার করতেও শিখেছিলাম৷ এটা একবার ধরুন না, আপনাকেও এর ব্যবহার হাতে-নাতে শিখিয়ে দিচ্ছি৷’

    সুন্দরবাবু আঁতকে উঠে তাড়াতাড়ি ভুঁড়ি দুলিয়ে পিছিয়ে গিয়ে বললেন, ‘হুম, না, আমি ওর ব্যবহার-ট্যবহার শিখতে চাই না৷ শেষটা কি বিষ-টিষ লেগে খুন-টুন হব? আপনি ও আপদ রেখে দিয়ে আসবেন তো আসুন! আমার হাতে ছেলেখেলা করবার সময় নেই!’

    ‘আর একটু সবুর করুন সুন্দরবাবু, আপনাকে সুম্পিটানের বাহাদুরিটা না দেখিয়ে আমি এখান থেকে এক পা নড়ছি না! হ্যাঁ, সাগু কাঠের কাঠিটা আমাকে একবার দিন তো!’

    সুন্দরবাবু কাঠিটা বিমলের হাতে দিয়ে আশ্চর্য স্বরে বললেন, ‘আপনার মতলব কী?’

    বিমল জবাব না দিয়ে জানলার কাছে গিয়ে দাঁড়াল৷ সাগু কাঠের কাঠিটা আগে বর্শার ফাঁপা ডান্ডির গর্তের মধ্যে ঢুকিয়ে দিল৷ তারপর জানলা গলিয়ে ডান্ডিটাকে দুই হাতে তলার দিকে ধরে উঁচু করে ফেলল৷ তারপর ডান্ডির তলার দিক মুখে পুরে দুই গাল ফুলিয়ে খুব জোরে দিল বিষম এক ফুঁ!

    বাগানের ওপারে মোহনবাবুর বাড়ির ছাদের উপর একটা চিল চুপ করে বসেছিল৷ হঠাৎ সে ঘুরতে ঘুরতে ধুপ করে মাটির উপরে পড়ে গেল৷

    সুন্দরবাবু বিস্মিত স্বরে বললেন, ‘কোথাও কিচ্ছু নেই, খামোকা চিলটা পড়ে গেল কেন?’

    বিমল বর্শাটা নামিয়ে সহজভাবেই বলল, ‘আপনার সাগু কাঠের কাঠিটা তার গায়ে গিয়ে বিঁধেছে৷ সুন্দরবাবু, সুম্পিটানের ইংরেজি নাম কি জানেন? ব্লো-পাইপ৷ বোর্নিওর লোকেরা ব্লো-পাইপে বিষাক্ত কাঠি ঢুকিয়ে এইভাবে জন্তু বা শত্রু নিপাত করে৷ এই তিরকাঠির গতি বড়ো কম নয়, সত্তর গজ দূরেও সে মারাত্মক৷ বোর্নিওর কাঠিতে ইপো গাছের বিষ ব্যবহার করা হয়, কিন্তু আমার বিশ্বাস, এই কাঠিতে অন্য কোনোরকম বেশি তীব্র বিষ মাখানো হয়েছে৷ . . . আরে, আরে ভূপতিবাবু! পায়ে পায়ে পিছু হটে কোথায় যাচ্ছেন? আমি সুন্দরবাবুর সঙ্গে কথা কইছি বটে, কিন্তু আরশিখানার দিকে চেয়ে আপনার ওপরেও সজাগ দৃষ্টি রেখেছি! পালাবার চেষ্টা করবেন না, আমি বর্শা ছুড়লে আপনি মারা পড়তে পারেন৷ আপনার মতো দুরাত্মা ছুঁচোকে মেরে আমি হাত গন্ধ করতে চাই না! আসল ব্যাপার কী জানেন সুন্দরবাবু? এই ভূপতি মোহনবাবুর লোক-দেখানো সেবা করেছিল, কারণ তার দৃঢ় বিশ্বাস ছিল, তিনি এ-যাত্রা কিছুতেই রক্ষা পাবেন না৷ কিন্তু মোহনবাবু যখন আবার সামলে উঠে ভূপতির বিশ লক্ষ টাকার সম্পত্তি ফিরিয়ে নেবার জোগাড় করলেন, ভূপতি তখন মরিয়া হয়ে ব্লো-পাইপের আশ্রয় নিতে বাধ্য হল৷ সে বোর্নিওয় গিয়ে এই অস্ত্রটি ব্যবহার করতে শিখেছিল৷ এখান থেকে খাটের উপর শয্যাশায়ী মোহনবাবুকে দেখা যায়৷ এখান থেকে পথের কাঁটা সরালে ভূপতিকে কেউ সন্দেহ করতে পারবে না, কারণ বাংলাদেশে পুলিশ ওই সাগু কাঠের আসল রহস্য চিনবে কী করে? অতএব সে নির্ভাবনায় করে বসল বিশ হাজার টাকার পুরস্কার ঘোষণা৷ ভূপতি হচ্ছে অগাধ জলের রুই-কাতলা৷ কিন্তু তার দুর্ভাগ্যক্রমে পুলিশ দৈবগতিকে ডেকে এনেছে জল-স্থল-শূন্যের পরিব্রাজক বিমল আর কুমারকে! কাজে কাজেই ভূপতির পুরস্কারের ঘোষণা ব্যর্থ হল না, সে যখন ফাঁসিকাঠে দোললীলার সুখ উপভোগ করবে, তখন আপনি আর আমি করব বিশ হাজার টাকা আধাআধি ভাগ করে নেবার সাধু চেষ্টা! কী বলেন?’

    সুন্দরবাবু পকেট থেকে হাতকড়া বার করে ভূপতির দিকে এগোতে এগোতে কেবল বললেন, ‘হুম!’

    সুন্দরবাবুর এই বিখ্যাত ‘হুম’ হচ্ছে আশ্চর্য শব্দ৷ এর দ্বারা তিনি হাস্য, করুণ, রৌদ্র, অদ্ভুত ও শান্ত প্রভৃতির শাস্ত্রোক্ত নয় রকম রসেরই ভাব প্রকাশ করতে পারেন৷

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Next Article ভয় সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    Related Articles

    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    মানুষের গড়া দৈত্য – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমারের গল্প – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রহস্য-রোমাঞ্চ সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রবিন হুড – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    জয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    ঐতিহাসিক সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }