Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কিশোর সাহিত্য সম্ভার – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমার রায় এক পাতা গল্প666 Mins Read0
    ⤶

    রংমহলের রংমশাল

    রংমহলের রংমশাল

    প্রথম দৃশ্য

    [মেঘলা আকাশ, দুপুরবেলাতেও চারিদিক ছায়ামায়াময়৷ গাঁয়ের প্রান্তে পাঠশালার একচালা৷ পাঠশালার পরেই ধুধু করছে তেপান্তর মাঠ৷ মাঠের একধার দিয়ে বন-শ্যামলতায় বোনা জরির পাড়ের মতো বয়ে যাচ্ছে সুন্দরী নদী ]

    ছেলের দল পাততাড়ি বগলে করে গান গাইতে গাইতে আসছে-

    গান

    পাঁচ দুকুনে দশটি গণ্ডা,
    সেই হিসেবে দাও না মণ্ডা৷
    দুয়ে পক্ষ, তিনে নেত্র,
    ভুললে পরে পড়বে বেত্র,
    গুরুমশাই বেজায় ষণ্ডা!

    অমল৷ ওরে, সূয্যিঠাকুর আজ সকাল থেকেই ঘুমিয়ে পড়েছেন৷

    কমল৷ তাই মেঘে মেঘে বুঝি তাঁর নাক-ডাকার আওয়াজ শোনা যাচ্ছে?

    বিমল৷ ধেৎ, নাক কি কখনো অত জোরে ডাকতে পারে রে বোকা?

    নির্মল৷ সূয্যিঠাকুরের নাসিকা কী বড়ো-যে-সে নাসিকা রে? বাবার মুখে শুনেছি সূয্যি নাকি আমাদের পৃথিবীর চেয়ে ঢের বড়ো! সূয্যিমামার নাক, বাজের মতন ডাক!

    অমল৷ তোদের নাক-টাকের কথা এখন থো কর৷ শুনছিস না, আকাশ যেন আজ আয় আয় বলে ডাক দিচ্ছে? আজ কি আর শুকনো পড়ায় মন বসবে?

    কমল৷ ঝিল-বিল যেন আজ শালুক ফুলের তালুক হয়ে উঠেছে!

    বিমল৷ ঠান্ডা বাতাস মেখেছে কেয়া ফুলের আতর!

    নির্মল৷ ময়ূর ডাকছে কেমন বন-কাঁপানো তালে তালে!

    সকলে৷ ওরে, চল চল, আজ আর পাঠশালায় ঢোকা নয়, আজ আমরা বনবাদাড়ে যেখানে খুশি যাব, মাঠে-বাটে ছুটোছুটি-খেলা করব, নদীর ধারে গলা ছেড়ে গান গাইব!

    গান

    তেপান্তরের মন্তরে সব মন মেতেছে ভাই!
    কে জানে তাই আমরা সবাই কী পেতে চাই!
    মন মেতেছে ভাই!
    ময়ূর নাচে পেখম তুলে,
    ফড়িং নাচে ঘাসের ফুলে,
    মেঘরা সেধে বলছে চলো, স্বপনদেশে যাই,
    মন মেতেছে ভাই!
    আকাশ ডাকে, বাতাস ডাকে, নদীর হাসি-ঢেউরা ডাকে,
    ডাকছে ভ্রমর-মৌমাছিরা সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে!
    পুথির পড়ায় ছুটি নিয়ে
    চলরে ছুটি মাঠ পেরিয়ে,
    দিঘির জলে ঝাঁপিয়ে পড়ে পদ্মমুড়ি খাই!
    মন মেতেছে ভাই!
    অমল৷ হুঁ:, কিন্তু আমাদের মাথার উপরে কে আছেন জানিস?
    কমল৷ হ্যাঁ, গুরুমশাই-
    বিমল৷ আর তাঁর সমস্ত বেত-

    নির্মল৷ কানুটি, গাঁট্টা!

    অমল৷ (শিউরে উঠে) বাপরে, দরকার নেই আর মেঘের ডাকে সাড়া দিয়ে! চল গুটিগুটি পাঠশালায় ঢুকি, গুরুমশাই এক্ষুনি এসে পড়বেন!

    কমল৷ এসে পড়বেন কী, ওই দেখ এসে পড়েছেন!

    (সকলে সভয়ে গাঁয়ের পথের দিকে ফিরে তাকাল)

    বিমল৷ কিন্তু উনি কি গুরুমশাই?

    নির্মল৷ ওঁর মাথায় টিকি দুলছে না, হাতে বেত লকলক করছে না, কোমরে ভুঁড়ি হাঁসফাঁসিয়ে উঠছে না-উনি কি গুরুমশাই?

    কমল৷ (দু-পা এগিয়ে গিয়ে) ওঁর গলায় দুলছে ফুলের মালা, হাতে রয়েছে শ্বেতপদ্ম আর বাঁশি, মুখে শুনি গানের তান আর দুটি পায়ে নাচের ছাঁদ! উনি তো গুরুমশাই নন! ওঁকে দেখে তো পেটের পিলে চমকে উঠছে না!

    সকলে৷ তবে উনি কে, তবে উনি কে!

    (নাচের ভঙ্গিতে গাইতে গাইতে কবির প্রবেশ)

    গান

    গানের মানুষ গান গেয়ে যাই-তাইরে না রে, তাইরে না রে!
    কেউ শোনে আর কেউ শোনে না গাই তবু গান দ্বারে দ্বারে-
    তাইরে না রে, তাইরে না রে!
    ঝরনা এখন একলা ঝরে,
    নিজের মনে গান সে ধরে,
    বিজন বনের দোয়েল শ্যামা গান যে শোনায় বারে বারে-
    তাইরে না রে, তাইরে না রে!
    প্রজাপতি যে-সুর বোনে নীরব তানে, (তাইরে নানা!)
    সেই রাগিণী শুনছি আমি প্রাণের কানে, (তাইরে নানা!)
    শুনছি যত গাইছি তত
    ফুটিয়ে মুকুল শত শত,
    গানের ভেলা ভাসিয়ে চলি কান্না-হাসির পারাবারে-
    তাইরে না রে, তাইরে না রে, তাইরে না রে, তাইরে না রে!

    কমল৷ আপনি কে?

    কবি৷ ‘আপনি’ বললে তো সাড়া দেব না ভাই, আমাকে ‘তুমি’ বলে ডাকো৷

    কমল৷ তুমি কে ভাই?

    কবি৷ গুরুমশাই!

    অমল৷ তোমার মুখে নেই ধমক, তোমার হাতে নেই বেত, তুমি কীরকম গুরুমশাই?

    কবি৷ ধমকের বদলে আমার মুখে আছে হাসি, আর বেতের বদলে হাতে আছে বাঁশি৷ আমি নতুন গুরুমশাই৷

    বিমল৷ যখন হিতোপদেশ মুখস্থ হবে না, তখন তুমি আমাদের ধমক দেবে?

    কবি৷ না, তখন আমি হাসব৷

    নির্মল৷ যখন আঁক কষতে পারব না, তখন তো তুমি আমাদের বেত মারবে?

    কবি৷ না, তখন আমি বাঁশি বাজাব৷

    সকলে৷ আর পাঠশালায় না গিয়ে আমরা যখন পথে পথে টো টো করে খেলে বেড়াব?

    কবি৷ (হেসে) তখন আমি তোমাদের খুব খুব খুব ভালোবাসব!

    সকলে৷ (হাততালি দিয়ে নেচে উঠে) ওহো, কী মজা রে, কী মজা!

    গান

    সকলে-

    আমাদের এই মজার গুরু!
    হিতোপদেশ তুললে শিকেয় শাসায় নাকো কুঁচকে ভুরু!
    আঁকের খাতা রাখলে মুড়ে
    মারবে নাকো ঘুসি ছুড়ে,
    বেতের ঠেলা নেইকো যখন হোক না শখের খেলা শুরু!

    কমল৷ কিন্তু ভাই, তোমাকে তো আমরা গুরুমশাই বলে ডাকতে পারব না! ও-নামে ভয় হয়৷

    কবি৷ আমাকে তো কেউ গুরুমশাই বলে ডাকে না ভাই!

    অমল৷ তবে কী বলে ডাকে?

    কবি৷ কবিঠাকুর৷

    সকলে৷ (সুরে) কবিঠাকুর কবিঠাকুর? বেশ নাম! ও-নামে নেই গুরুগিরির হাঙ্গাম!

    কবি৷ আচ্ছা ভাই, এখন বলো দিকি তোমরা কী খেলা খেলতে চাও?

    সকলে৷ আজ আমরা বনবাদাড়ে যেখানে খুশি যাব, মাঠে-বাটে ছুটোছুটি-খেলা করব, নদীর ধারে গলা ছেড়ে গান গাইব!

    কবি৷ (মাথা নেড়ে হাসতে হাসতে) বেশ, বেশ, তাই ভালো৷ তোমাদের পুরোনো গুরুমশাই আজ বাদলা পেয়ে ঘুমিয়ে পড়েছেন, চলো, সেই ফাঁকে আমরা চুপিচুপি খানিক বেড়িয়ে আসি৷ কিন্তু কোনদিকে যাই বলো দেখি?

    সকলে৷ তুমিই বলো কবিঠাকুর!

    কবি৷ ওই যেখানে সবুজ বনের ঠান্ডা ছায়ায় সুন্দরী-নদীর জলবীণায় সুরের লহর দুলছে, যেখানে কেয়া-কদমের শুভ্র হাসির আসর বসেছে, সেখানে রোজ কারা আনাগোনা করে তোমরা তার খবর রাখো কী?

    সকলে৷ (সাগ্রহে) কারা আনাগোনা করে, কারা আনাগোনা করে?

    কবি৷ যাদের তোমরা চিনেও চেনো না, দেখেও দেখো না, তারা৷

    সকলে৷ তারা কি বাঘ-ভাল্লুক?

    কবি৷ না৷

    সকলে৷ তারা কি ভূত-পেতনি?

    কবি৷ না৷

    সকলে৷ তবে?

    কবি৷ আমার সঙ্গে দেখবে এসো৷

    দ্বিতীয় দৃশ্য

    [সুন্দরী নদীর ধারে বনভূমি, চারিদিকে ছোটো-বড়ো ফুলগাছের সামনে খানিকটা খোলা জমি৷ সবুজ ঘাসের বিছানায় অজস্র ফুল ছড়ানো৷

    আকাশে কালো মেঘের ঘনঘটা ও চোখ-ধাঁধানো বিদ্যুতের ছটা আরও বেড়ে উঠেছে ]

    (গাইতে গাইতে কবির প্রবেশ৷ পিছনে পিছনে আর সকলের আগমন)

    কবির গান

    বৃষ্টি আসে, বৃষ্টি আসে!
    কোন সে সজল কাজললতার কাজল ঝরে নীলাকাশে!
    দেখে ধরায় কালোয়-কালো,
    লুকোতে চায় লাজুক আলো,
    ফুলের ফুলুট বাজছে তবু লতাপাতায় শ্যামলা ঘাসে৷
    ছায়াপরীর ঘুম ভাঙিয়ে বনে বনে, -বৃষ্টি আসে!
    মায়াপুরী জাগিয়ে দিয়ে মনে মনে-বৃষ্টি আসে!
    কদম-কেয়ার কেয়ারিতে
    কাঁপন নাচে দেয়ার গীতে,
    ঝিলমিলিয়ে বিজলিকে মেঘমহলে কে আজ হাসে!

    ছেলেরা৷ (সকলে সকৌতুকে) ওরে, ওরে, বৃষ্টি এল রে বৃষ্টি এল! আজ বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে আমরা সবাই ঘর-পালানো খেলা খেলব৷

    কবি৷ শোনো ছোট্ট বন্ধুরা! চলো, আমরা ওই ঝুপসি বট গাছের তলায় গিয়ে লুকিয়ে বসে থাকি গে৷

    কমল৷ (সভয়ে) ওখানে দিনের বেলাতেই রাতের বাসা!

    অমল৷ ওখানে যে অন্ধকারে চোখ চলবে না!

    কবি৷ (সহাস্যে) ওরে ভাই, আজ যে আমাদের সবাইকে বাইরের চোখ বন্ধ করে ফেলতে হবে!

    বিমল৷ তাহলে দেখব কেমন করে?

    কবি৷ ওরে ভাই, আজ যে আমাদের সবাইকে মনের চোখ খুলে রাখতে হবে!

    সকলে৷ (সবিস্ময়ে) মনের চোখ!

    কবি৷ হ্যাঁ রে ভাই, হ্যাঁ৷ মন যাদের জ্যান্ত আর রঙিন, নয়ন মুদে তারা যা দেখতে পায়, বাইরের চোখে বড়ো বড়ো দূরবিন লাগিয়েও তা দেখা যায় না! মনের চোখে অন্ধকারও হয়ে ওঠে ‘সার্চ লাইটে’র মতো!

    কমল৷ (সন্দিগ্ধ স্বরে) তুমি কি সত্যি বলছ কবিঠাকুর?

    কবি৷ কবির কাছে কিছুই মিথ্যে নয় ভাই! চলো তবে, অন্ধকারে চুপ করে বসে থাকবে চলো, এখনই সেখানে রংমহলের রংমশাল জ্বলে উঠবে৷

    [কবির পিছনে পিছনে এগিয়ে সবাই ধীরে ধীরে ঝুপসি বটগাছের অন্ধকারের ভিতরে মিলিয়ে গেল৷ খানিকক্ষণ জনপ্রাণীকে দেখা গেল না৷ আলো আরও ঝিমিয়ে পড়ল-ঝরতে লাগল বাদল ঝরনা৷ অন্ধকারের ভিতর থেকে ভেসে এল কবির বাঁশির মেঘমল্লার সুর৷

    খোলা জমির উপরে নৃত্যচপল পায়ে ছুটে এল শরীরিণী বর্ষারানি, পরনে মেঘডুম্বুর শাড়ি, কাজলবরণ এলোচুলে জ্বলছে বিদুৎ চমক ]

    বর্ষার গান

    রুনুঝুনু রুনুঝুনু-ভুবনের খেলাঘরে,
    রিমিঝিমি রিমিঝিমি-আলো-ছায়া খেলা করে৷
    নূপুরের রুমুঝুমু, নীল ঘাসে খায় চুমু,
    ছুটোছুটি করে মেঘ চপলার মালা পরে!
    ছুঁয়ে আঁখিহাসিধারা চাতকেরা গানে সারা,
    ঝুরুঝুরু ভিজে বায়ে যূথি-চাঁপা-বেলা ঝরে৷

    [বর্ষার গান থামল, কিন্তু নাচ থামল না৷ একদল মেঘের প্রবেশ৷ বর্ষার চারিদিকে মণ্ডলাকারে ঘুরে ঢিমে তালে নাচতে নাচতে মেঘেরা গান ধরল৷ গান থামলেও তাদের নাচ থামল না৷ তারপর যে-তালে মেঘেরা নাচছে তার দ্বিগুণ দ্রুত-অর্থাৎ দুন তালে বিজলিবালা ঢুকে মেঘেদেরও বেড়ে নাচ-গান ধরল এবং তার গান যেই শেষ হল অমনি বজ্র গান গাইতে গাইতে ঢুকে বিজলিরই তালে তার পিছনে অনুসরণ করতে লাগল৷ তার পর ঝড়ের প্রবেশ, সে মণ্ডলে যোগ না দিয়েই গান ও এলোমেলো নাচ আরম্ভ করল| ]

    গান

    মেঘদল৷ তোম-তানানানা, বোম-বোম-বোম, ববম-ববম-বোম!

    ধুমধড়াক্কা, পাইবে অক্কা ব্যোম-রবি-তারা-সোম!

    (বিজলিবালার প্রবেশ)

    বিজলি৷ আমি আজুলি বিজলিবালা,

    আঁচলে আলোর ডালা,

    পলকে পুলকে আঁকি আর ঢাকি মায়াছবি অনুপম৷

    মেঘদল৷ তোম-তানানানা-প্রভৃতি

    বজ্র৷ আমি মহা বাজ, ডাহা জাঁহাবাজ-চপলার দ্বারবান,

    চিকুর-চমকে আমার ধমকে পেটে পিলে আনচান!

    ঝড়৷ আমি শঙ্কর-কিঙ্কর,

    ধিঙ্গি, ভয়ংকর!

    ভোঁ-ভোঁ ছুটে ধরা ভেঙে-ভুঙে শিঙা বাজাই ভভম্ভম!

    মেঘদল৷ তোম-তানানানা-প্রভৃতি

    [সকলের প্রস্থান৷ কেউ কোথাও নেই-কেবল কবির বাঁশির রাগিণী শোনা যাচ্ছে৷ তার পর শোনা গেল বাঁশির সুরের তালে তালে নেপথ্যে নূপুরের ধ্বনি এবং তার পর ফুলকুমারীদের (যূথি, বেলা ও জর্দাগোলাপ) প্রবেশ ]

    গান

    ফুলকুমারীরা৷ মৌমাছি গো, ঘুমোও নাকি? প্রজাপতি, ওগো অলি
    মিষ্টি তোদের গানের কথাই করছি যে ভাই বলাবলি!
    আকাশ জুড়ে মেঘের ভেলা,
    আয় না মোরা করব খেলা,
    বসিয়ে নতুন রঙের মেলা ভরিয়ে তুলি কাননতুলি৷
    (গাইতে গাইতে ভ্রমর, প্রজাপতি ও মৌমাছির প্রবেশ)
    ফুলকুমারী, ফুলকুমারী!
    আজ নেমেছে বাদলা ভারি,
    পাখনা পাছে যায় ভিজে ভাই, ছেড়েছি তাই
    কুঞ্জগলি!

    [একদিকে দুঃখিতভাবে ভ্রমর প্রভৃতির এবং অন্যদিকে ফুলকুমারীদের প্রস্থান৷ অল্পক্ষণ কেউ কোথাও নেই-বাজছে কেবল কবির বাঁশিতে হাসিমাখা খেলার সুর| ]

    (ব্যাং, গঙ্গাফড়িং ও শামুকের প্রবেশ)

    কোরাস৷ গ্যাঙর-গ্যাঙর, তিড়িং-মিড়িং৷ আজকে যাব ক্যালকাটা

    মার্কেটেতে কিনব মোরা তোপসে-ইলিশ আর বাটা৷

    ফড়িং৷ ব্যাং-ভায়া গো! শামুক-খুড়ো! জোরসে লাগাও লম্ফ,

    পাঞ্জাব-মেল ধরতে গেলে হবে যে বিলম্ব!

    শামুক৷ কেমন করে হাঁটব জোরে, ফুটছে গায়ে চোরকাঁটা!

    কোরাস৷ গ্যাঙর-গ্যাঙর-প্রভৃতি

    ব্যাং৷ ফড়িং ভায়া, বড্ড খিধে, কোথায় মশা-মক্ষী!

    শূন্য-পেটে মূর্ছা গেলে সামলাবে কে ঝক্কি?

    শামুক৷ দৌড়ে গেছে দম বেরিয়ে, তেষ্টাতে বাপ প্রাণ টাটা!

    কোরাস৷ গ্যাঙর-গ্যাঙর প্রভৃতি

    [প্রত্যেকে তাদের স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে প্রস্থান করল৷ আবার খানিকক্ষণ কারুকে দেখা গেল না, খালি শোনা গেল কবির বাঁশির আলাপ¯]

    [নেপথ্যে বাঁ-দিক থেকে গানের সুরে শোনা গেলো ]

    ‘সাত-ভাই চম্পা, জাগো, জাগো, জাগো রে!’

    [নেপথ্যে ডানদিক থেকে সম্মিলিত কন্ঠে শোনা গেলো]

    ‘কেন বোন পারুল, ডাকো, ডাকো, ডাকো রে?’

    (একদিক থেকে পারুল ও আর একদিক থেকে সাত-ভাই চম্পাদের প্রবেশ)

    গান

    পারুল৷ এসেছে, রূপকথার এক রাজকুমার!
    চাঁদিমা নিছনি যে চায় তার চুমার!
    যেতে চায় আমায় নিয়ে
    বলে যে, করবে বিয়ে!
    শুনে তাই ভয় হয়েছে ভাই আমার!
    সাত-ভাই-চম্পারা৷ ওরে বোন পারুলবালা!
    রূপে তোর কানন আলা,
    কুমারে ভয় কোরো না,
    ধরি আয় বিয়ের পালা!
    (রূপকথার রাজকুমারের প্রবেশ ও গান)
    শোনো গো ফুলের মেয়ে! এসেছি মুখটি চেয়ে,
    হাতে মোর হাতটি রাখো আজ তোমার!

    [পারুলের লজ্জিত হাত দুখানি নিজের হাতে নিয়ে রূপকথার রাজকুমার মাঝখানে দাঁড়াল এবং তাদের ঘিরে দাঁড়িয়ে সাত-ভাই-চম্পাদের নাচ – গান ]

    গান

    বাদল-মাদল বাজিয়ে চল,
    বনের ময়ূর নাচিয়ে চল!
    কাজলা বেলায় মেঘলা খেলায়
    ফুলের সভা সাজিয়ে চল! (সকলের প্রস্থান)

    [বিজন বনে কবির বাঁশি এবার ধরল করুণ কান্নার সুর৷ অন্ধকার আরও গাঢ় হয়ে উঠল ]

    (অতি-অলস নাচের ভঙ্গিতে ঝরাফুলের প্রবেশ)

    গান

    ঝরাফুল৷ ওগো, আমি ঝরাফুল ঝরে ঝরে পড়ি একলা ঘাসের কোলে,
    দেখো, এখনও রয়েছে আতর আমার, রাঙিমা যায়নি জ্বলে৷
    তবু চায় না আমায় কেহ,
    মোর ভেঙেছে তরুর গেহ,
    তাই বাদলের বায় করে হায়-হায় কেঁদে দূরে যায় চলে৷
    ভিজে মেঘের অশ্রুনীরে,
    ঝরে পরাগকেশর ধীরে,
    আর জাগিব না আমি নবপ্রভাতের বিহগ-বীণার বোলে৷

    (তৃণশয্যার উপরে দুই চোখ মুদে এলিয়ে শুয়ে পড়ল)

    [চারিদিক নিবিড় তিমিরের ভিতরে অদৃশ্য হয়ে গেল-তখনও জেগে রইল কেবল কবির বাঁশির কন্না ]

    তৃতীয় দৃশ্য

    [পাঠশালার অভ্যন্তর ভাগ৷ একদিকে উচ্চাসনে গুরুমশায়ের স্থির মুর্তি�Í]

    (বাইরের দরজা দিয়ে কবির প্রবেশ)

    কবি৷ (বাইরের দিকে তাকিয়ে উচ্চস্বরে) ওহে বন্ধুরা, তোমরা ভিতরে আসছ না কেন? ভয় নেই, পাঠশালায় আসনি বলে আজ গুরুমশাই তোমাদের কিছু বলবেন না!

    কমল৷ (দরজার ভিতরে মাথা গলিয়ে ভয়ে ভয়ে) সত্যি বলছ কবিঠাকুর? গুরুমশাই আমাদের কিছু বলবেন না? আমাদের বেত মারবেন না?

    কবি৷ (হেসে) না, গুরুমশাই আজ কথাও কইবেন না, বেতও তুলবেন না৷

    (সকলে একে একে সংকুচিতভাবে ভিতরে এসে দাঁড়াল)

    কমল৷ (চুপিচুপি, কবিকে) গুরুমশাই অমন চুপ করে আছেন কেন? উনি কি বসে বসেই ঘুমিয়ে পড়েছেন?

    কবি৷ কাছে গিয়েই দেখে এসো না৷

    [ছেলেরা সন্তর্পণে গুরুমশাইয়ের কাছে গিয়ে তাঁকে দেখতে লাগল৷ খানিকক্ষণ পরে কমল সাহস করে গুরুমশাইয়ের গায়ে হাত দিল ]

    কমল৷ (সবিস্ময়ে চেঁচিয়ে) কবিঠাকুর! এ যে পাথরের গা!

    [আর সকলেও তাড়াতাড়ি গুরুমশাইয়ের দেহ স্পর্শ করল]

    সকলে৷ কবিঠাকুর, এ তো মানুষ নয়, এ যে পাথরের মূর্তি!

    কবি৷ (সহাস্যে) হ্যাঁ ভাই, তোমাদের গুরুমশাই আজ পাথরের মূর্তি হয়ে গিয়েছেন৷

    সকলে৷ কী সর্বনাশ! কেন কবিঠাকুর, কেন?

    কবি৷ তোমাদের গুরুমশাই বাইরেই কেবল চলা-ফেরা করতেন, ওঁর মনের ভিতরটা ছিল শুকনো পাথরের মতো৷ পৃথিবীতে এমনই চলন্ত পাথরের মূর্তিই আছে বেশি৷ তোমাদের মনের চোখ আজ খুলে গেছে বলেই গুরুমশাইয়ের আসল চেহারাখানা দেখতে পেলে! কিন্তু তোমাদের মানসচক্ষু আবার যদি অন্ধ হয়, গুরুমশাইও আবার জেগে উঠে বেত তুলে হুংকার দিতে থাকবেন!

    সকলে৷ (সমস্বরে) না, না, আর আমরা মনের চোখ বন্ধ করব না!

    কবি৷ তাহলে তোমাদের চোখের সামনে রংমহলের রংমশালের আলোও আর কোনোদিন নিববে না! দেহের চোখে দেখা যায় কেবল শুকনো পুথিপত্র আর পাথুরে-প্রাণ মানুষদের, কিন্তু মনের চোখে সরস আর সজীব হয়ে ওঠে সারা পৃথিবীর সমস্তই৷ ওই দেখো, বনভূমির সবাই আবার তোমাদের কাছে ফিরে আসছে, ওরা আর কখনো তোমাদের ছেড়ে চলে যাবে না!

    (নানা দ্বার দিয়ে দ্বিতীয় দৃশ্যের সমস্ত পাত্র-পাত্রীর প্রবেশ৷

    কবিকে মাঝখানে রেখে সকলে একসঙ্গে গান ধরল)

    গান

    গাইবে যখন কোকিল পাখি,
    চর্মরোগের চশমা ফেলে খুলবে তখন মানস-আঁখি৷
    দেখবে কোকিল সুরে সুরে
    খেলছে কারা ভুবনপুরে,
    স্বপ্ন হবে সত্য তখন, সত্য হবে মস্ত ফাঁকি!
    দেখবে ধরায় মিথ্যে যারা
    মনের মাঝে জ্যান্ত তারা,
    কল্পলোকের গল্পে আছে এই জীবনের রঙিন রাখি!

    ***

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Next Article ভয় সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    Related Articles

    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    মানুষের গড়া দৈত্য – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমারের গল্প – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রহস্য-রোমাঞ্চ সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রবিন হুড – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    জয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    ঐতিহাসিক সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }