Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কিশোর সাহিত্য সম্ভার – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমার রায় এক পাতা গল্প666 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আশার বাতি

    ১

    স্বপনসায়রে ঝিলের ঢেউ যেখানে দিন-রাত খালি আকাশে হাত তুলে উছলে উঠছে, ঠিক তারই কোল ঘেঁষে, তারই বুকে চঞ্চল ছায়া ফেলে, দাঁড়িয়ে আছে সেই মনোরম প্রাসাদখানি৷

    যেন পরির হাতে মায়াতুলিতে আঁকা, ঘুমপুরীর ছবিখানি৷ আগাগোড়া তার আরশির মতন পালিশ-করা মার্বেল পাথর দিয়ে গড়া-হঠাৎ দূর থেকে দেখলে মনে হয়, চাঁদের আলো যেন সেখানে কার জাদুমন্ত্রে জমাট হয়ে আছে৷

    পুরীর ফটকের ওপরে জ্বলন্ত সোনার অক্ষরে বড়ো বড়ো করে লেখা রয়েছে-‘এর ভিতরে ঢুকে যে যা চাইবে, সে তাই পাবে৷’

    ২

    পথিক পথের ওপর দাঁড়িয়ে সেই সোনার লেখা পড়ে দেখল৷ তার বয়স অল্প-ষোলোর বেশি হবে না৷ লেখাগুলো পড়ে পথিকের মন লোভে ভরে উঠল৷ সে ফটকের ভিতরে ঢুকতে যাচ্ছে, এমন সময় শুনল, কে একজন হা হা হা হা করে হেসে উঠল৷

    চমকে উঠে পথিক চেয়ে দেখে, ফটকের গায়ে ঠেসান দিয়ে থুত্থুড়ে এক বুড়ো মাটির ওপরে পা ছড়িয়ে বসে আছে৷ তার দাড়ি যাত্রার নারদের দাড়ির মতো ধবধবে সাদা৷ তার পোশাক ছেঁড়াখোড়া, তালিমারা, ময়লা৷ সেই বুড়োই তার দিকে চেয়ে হাসছিল৷

    পথিক রাগ করে বলল, ‘বুড়ো, আমাকে দেখে তুমি হাসছ বটে, কিন্তু তুমি হচ্ছ একটি আস্ত গাধা৷’

    বুড়ো হাসি থামিয়ে বলল, ‘কেন বলো দেখি বাপু?’

    পথিক বলল, ‘ফটকের নীচেই তুমি পথের ভিখারির মতো ধুলোয় বসে আছ-আর তোমার মাথার ওপরে রয়েছে ওই সোনার লেখা, তা কি তুমি চোখে দেখতে পাচ্ছ না? তোমার কি কোনো সাধ নেই?’

    বুড়ো বলল, ‘সাধ হয়তো আছে! কিন্তু ওই বাড়িতে ঢুকে আমি আমার সাধ মেটাতে চাই না৷’

    পথিক একটু ভয় পেয়ে বলল, ‘বুড়ো, সব কথা খুলে বলো৷ এটা কি কোনো রাক্ষসপুরী? লোভে পড়ে যে এর ভেতরে ঢোকে, সে কি আর প্রাণ নিয়ে ফেরে না?’

    বুড়ো মাথা নেড়ে বলল, ‘না, না, তা কেন? তুমি স্বচ্ছন্দে এই প্রাসাদের ভেতরে যেতে পার৷ কেবল এইটুকু মনে রেখো, বিপদকে যে ডাকে, বিপদ শুধু তার কাছেই ঘনিয়ে আসে৷’

    পথিক বলল, ‘আমি আবার ফিরে আসতে পারব তো?’

    বুড়ো বলল, ‘হ্যাঁ, বাড়ির ভেতরে গিয়ে যদি তোমার মনে কোনো লোভ না হয়৷’

    পথিক বলল, ‘সে কী!’

    বুড়ো বলল, ‘তা জানো না? লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু!’

    ৩

    পুরীর সামনে গিয়ে পথিক দেখল, তার দরজা দুটি জাফরি-কাটা চন্দন কাঠে তৈরি-কী চমৎকার তার ভুরভুরে গন্ধ!

    দরজার ওপরে ঝুলছে এক পাকা সোনার ঘণ্টা, তার ভেতরে দুলছে এক মুক্তোর ঘুণ্টি, হাঁসের ডিমের মতন বড়ো৷

    মুক্তোটি পাছে ভেঙে যায়, সেই ভয়ে পথিক খুব আস্তে আস্তে ঘণ্টাটি বাজাল৷ চন্দন কাঠের দরজা অমনি খুলে গেল৷ সঙ্গে সঙ্গে একটি সুন্দরী মেয়ে এসে, হাতছানি দিয়ে পথিককে ডেকে গানের মতন মধুর সুরে বলল, ‘পথিক ভেতরে এসো!’

    মেয়েটির পরনে ঝলমলে জরির কাপড়, মাথা থেকে পা পর্যন্ত হিরে-মানিকের গহনা- রাত্তিরে ফুলের ঝোপে যেমন হাজার জোনাকের দেয়ালি জ্বলে-ঠিক তেমনি ধারাই ঝকমক করে উঠছে৷

    পথিক মোহিত হয়ে বলল, ‘তুমি কি রাজকন্যে?’

    সে মুচকি হেসে বলল, ‘না, আমি তাঁর দাসী৷’

    পথিক অবাক হয়ে গালে হাত দিয়ে ভাবতে লাগল, যাঁর দাসীরই এত রূপ, এত গয়না-না জানি সেই রাজকন্যে দেখতে কেমন! সে বলল, ‘রাজকন্যেকে গিয়ে বলো, এক পথিক তাঁর সঙ্গে দেখা করতে চায়৷’

    দাসী বলল, ‘রাজকন্যে এখন হাওয়া খেতে গেছেন, ফিরতে রাত হবে৷ ততক্ষণ আপনি ভেতরে আসুন, সব দেখুন-শুনুন, বিশ্রাম করুন৷’

    পথিক বলল, ‘তার নাম কী?’

    দাসী বলল, ‘কামনা দেবী৷’

    পথিক বলল, ‘তাঁর বিয়ে হয়েছে?’

    দাসী বলল, ‘না, তিনি বিয়ে করবেন না৷’

    পথিক আশ্চর্য হয়ে বলল, ‘সে কী! কীসের দুঃখে তিনি বিয়ে করবেন না?’

    দাসী বলল, ‘দুনিয়ার কারুকে তিনি ভালোবাসেন না৷’

    পথিক আরও আশ্চর্য হয়ে বলল, ‘কারুকেই না?’

    দাসী বলল, ‘কী মানুষ, কী দেবতা, কী যক্ষ-রক্ষ কারুকেই না৷’

    পথিক বলল, ‘কেন?’

    দাসী বলল, ‘মানুষের বুকের ভেতরে হৃদয় থাকে, আমাদের রাজকন্যের হৃদয় নেই৷’

    পথিক শিউরে উঠে বলল, ‘হৃদয় নেই! রাজকন্যের বুকের ভেতরে তবে কী আছে?’

    দাসী বলল, ‘পদ্মের রক্তে ডোবানো, বৃষ্টিতে ধোয়া পাথরের মতন কনকনে একখানি রাঙা টুকটুকে পদ্মরাগ মণি-ঠিক হৃদয়েরই মতো তিন কোণা!’

    ৪

    সে যে কী অপূর্ব প্রাসাদ, তা লিখে বলা যায় না৷ তার সমস্ত ঘরের দেয়ালগুলি ঝকমকে ঝিনুক দিয়ে বাঁধানো, তার ছাদের কড়িবরগাগুলো রুপো দিয়ে গড়া, তার মেঝেগুলি স্ফটিক দিয়ে তৈরি-চলতে গিয়ে পথিকের পা পিছলে যেতে লাগল৷ তার মনে হল, সে যেন বরফের উপর দিয়ে চলছে৷

    সে বলল, ‘দাসী, স্ফটিকের মেঝে দেখতেই ভালো, কিন্তু কোনোই কাজের নয়৷’

    দাসী মুখ টিপে ফিক করে একটুখানি হাসল৷

    ঘরে ঘরে রুপোর শিকলে ঝোলানো হাজার হাজার প্রবালের ঝাড়ে, মরকতের ডোমে সার সার বিজলির বাতি জ্বলছে, চারিদিকে যেন মোলায়েম রাঙা আলোর মালা দুলছে৷

    পথিক বলল, ‘দাসী, দিনের বেলায় জানলা বন্ধ করে তোমরা আলো জ্বেলে রেখেছ কেন?’

    দাসী বলল, ‘সূর্যের আলোয় বড়ো তাত-রাজকন্যের ননির মতন গায়ে তা সইবে না তো৷’

    পথিক বলল, ‘কিন্তু জানলা বন্ধ বলে ঘরের ভেতরে যে খোলা হাওয়াও আসতে পারবে না৷’

    দাসী বলল, ‘বাইরের হাওয়ায় ধুলো-কুটো থাকে, রাজকন্যের ফোটা গোলাপের মতো রং তাতে ময়লা হয়ে যাবে যে!’

    পথিক বলল, ‘কিন্তু আমার যে হাঁপ ধরছে, গরমে প্রাণ যায় যায় হচ্ছে!’

    দাসী ইশারায় অমনি দুজন লোক এসে পথিকের দু-পাশে দাঁড়িয়ে শুক্তির বাঁট লাগানো চামর ঢুলোতে শুরু করল৷

    পথিক বলল, ‘চামরে হাওয়া হয়, কিন্তু প্রাণ ঠান্ডা হয় না৷’

    দাসী মুখ টিপে ফিক করে একটুখানি হাসল৷

    ৫

    পথিক এবার যে ঘরে ঢুকল, সে ঘরের মেঝেতে সাত হাত পুরু মোমের মতন নরম গালচে পাতা-সে গালচে লাখো লাখো প্রজাপতির রঙিন পাখনা দিয়ে তৈরি করা৷

    পথিক দেখল ঘরের আশেপাশে এ-কোণে সে-কোণে চারিদিকে মানুষের মতন মাথায় উঁচু দলে দলে সোনার পুতুল দাঁড়িয়ে আছে৷

    পথিক বলল, ‘এত সোনার পুতুল কেন?’

    দাসী বলল, ‘ওরা আগে মানুষ ছিল, এখন অতি লোভের শাস্তি ভোগ করছে৷’

    পথিক বলল, ‘সে কীরকম?’

    দাসী বলল, ‘ওরা এখানে এসে বর চেয়েছিল, ওরা যা ছোঁবে তাই যেন সোনা হয়ে যায়৷ কিন্তু লোকগুলো এমনি বোকা যে বর পেয়েই সবাই নিজের নিজের গা অজান্তে ছুঁয়ে ফেলল৷ কাজেই এখন ওরা সোনার পুতুল হয়ে আছে-না পারে নড়তে, না পারে চলতে, না পারে কথা কইতে৷’

    আর একটা ঘরে গিয়ে পথিক অবাক হয়ে দেখল একদল বুড়ো ঘরের মেঝেয় শুয়ে একসঙ্গে কান্নাকাটি করছে৷ তারা এমন ভয়ানক বুড়ো হয়ে পড়েছে যে, সকলেরই চোখে ধরেছে ছানি, মুখ হয়েছে ফোকলা, কানে লেগেছে তালা, আর গায়ের কোঁচকানো মাংসগুলো একহাত ঝুলে পড়ে থলথল করছে৷

    পথিক ভয়ে ভয়ে বলল, ‘এরা কারা?’

    দাসী বলল, ‘এরা বর চেয়েছিল অমর হবার জন্যে৷ কিন্তু এদের তখন খেয়াল হয়নি যে, অমর হলে লোকে মরে না বটে, কিন্তু যতই দিন যায় চিরকাল ধরে ততই বেশি বুড়ো হয়েও বেঁচে থাকতে হয়৷ এরা দাঁড়াতে পারে না, কারণ পায়ে জোর নেই, এরা খেতে পারে না, কারণ হজমের জো নেই, এরা হাসতে পারে না, কারণ মনে সুখ নেই৷ এরা তাই দিনরাত শুধু মাথা কোটে আর কেঁদে মরে৷’

    পাশের ঘরে ঢুকে পথিক দেখল, একদল লোক মেঝের উপরে উপুড় হয়ে হুমড়ি খেয়ে আছে, আর তাদের প্রত্যেকের পিঠের ওপরে এক-একটা মস্ত বস্তা! সেই বস্তার চাপে থেঁতলে লোকগুলো থেকে থেকে বিষম চেঁচিয়ে ককিয়ে উঠছে!

    পথিক বলল, ‘এ আবার কী ব্যাপার?’

    দাসী বলল, ‘এরা এখানে এক-একটা থলে কাঁধে করে এসে বর মেগেছিল, যেন ওদের থলেগুলো মোহরে ভরে যায়৷ তাই হল৷ কিন্তু অমন মস্ত মস্ত থলে-ভরা বিশ-পঁচিশ মন মোহর কাঁধে করতে গিয়ে, সেই যে ওরা ঘাড় গুঁজড়ে মাটিতে আছড়ে পড়েছে, আর উঠতে পারেনি৷’

    পথিক বলল, ‘আহা, বেচারিদের বড়ো কষ্ট হচ্ছে তো! তোমরা লোক এনে থলেগুলো ওদের পিঠ থেকে সরিয়ে দাও না কেন?’

    দাসী বলল, ‘ওদের লোভ এত বেশি যে, প্রাণ যায় তাও স্বীকার, তবু মোহরের থলেগুলো ছাড়তে ওরা কিছুতেই রাজি হবে না!’

    পথিকের চোখ হঠাৎ ঘরের আর-এক কোণে গেল৷ সেখানেও খাটের ওপরে মেয়েমানুষের মতো যেন কারা সব শুয়ে আছে, তাদের দেখতে মানুষের মতোও বটে, আবার মানুষের মতো নয়ও বটে! তাদের মুখ-চোখে-ঠোঁটে রূপের দেমাক যেন মাখানো রয়েছে!

    পথিক হতভম্বের মতো তাদের দিকে চেয়ে আছে দেখে দাসী বলল, ‘ওই মেয়েগুলি বর চেয়েছিল, পরমাসুন্দরী হবার জন্যে৷ ওরা রেশমের মতন নরম চুল চেয়েছিল, তাই ওদের মাথার চুলগুলো আসল রেশমই হয়ে গেছে৷ ওরা পটল-চেরা চোখ, বাঁশির মতন নাক, মুক্তোর মতন দাঁত, আর সাদা ধবধবে রং চেয়েছিল, তাই ওদের চোখ হয়েছে বঁটিতে চেরা পটলের মতো, আর গায়ের রংও হয়েছে চুনকামের মতো, ওরা যা চেয়েছে তাই পেয়েছে-কিন্তু দেখতে কী ভয়ানক!’

    পথিক বলল, ‘দাসী রূপ তো সবাই চায়! তবে ওদের বেলায় এমন শাস্তি কেন?’

    দাসী বলল, ‘শুধু রূপ যারা চায়, তাদের কপাল অমনি খারাপ হয়৷ যার গুণ নেই তার রূপও নেই!’

    এমন সময় একটি মেয়ে পথিকের দিকে চেয়ে, যেন হুকুম চালিয়েই বলল, ‘শুনছ আমাকে একটু পাশ ফিরিয়ে দাও তো!’

    পথিক বলল, ‘দাসী, ওরা কি আপনা-আপনি পাশ ফিরে শুতেও পারে না?’

    দাসী বলল, ‘না! ওরা রূপের সঙ্গে আরও চেয়েছিল ভারী ভারী সোনার গয়নায় মাথা থেকে পা পর্যন্ত মুড়ে ফেলতে৷ তাই-ই হয়েছে৷ এখন গয়নার চাপে আর ভারে ওদের নড়ন-চড়নের ক্ষমতা নেই৷’

    পথিক যখন মেয়েটিকে পাশ ফিরিয়ে ভালো করে শুইয়ে দিল, মেয়েটি তখন চেরা-পটল-চোখ তুলে রূপের দেমাকে ঠোঁট ফুলিয়ে বলল, ‘কী গো, এই এক-গা গয়নায় আমায় কেমন দেখাচ্ছে বলো দেখি?’

    পথিক বলল, ‘কিম্ভূতকিমাকার!’

    মেয়েটি বলল, ‘আমাকে তুমি বিয়ে করবে?’

    পথিক ভয়ে চোখ বুজে ফেলে বলল, ‘আগে মরে ভূত হই!’

    ঘরে ঘরে এমনই সব ব্যাপার দেখে, পথিকের মন একেবারে দমে গেল৷ সে কাতরভাবে বলল, ‘দাসী, আর আমি এসব দেখতে পারছি না-আমার মন যেন নেতিয়ে পড়ছে৷’

    দাসী বলল, ‘পথিক, এসো, এখন কিছু জলখাবার খেয়ে ঠান্ডা হবে চলো৷’

    জলখাবার ঘরে গিয়ে পথিক দেখল, চকচকে স্ফটিকের মেঝের ওপরে পোখরাজের চমৎকার কাজ-করা একখানি হাতির দাঁতের পিঁড়ি৷ সামনেই সোনার থালায় নানান রকমের খাবার সাজানো৷ সেসব খাবারের এমন খাসা গন্ধ যে, প্রাণ যেন তর হয়ে যায়!

    খিদের সময় এমন ভালো ভালো খাবার পেয়ে পথিকের মনটা ভারি খুশি হয়ে উঠল৷ সে তাড়াতাড়ি খেতে বসে, দুটিখানি পোলাও ভেঙে মুখে দিল৷ কিন্তু তখনই আবার থু থু করে ফেলে দিয়ে বলল, ‘রাম! রাম! পোলাওয়ে চাল নেই, আছে শুধু গরম মশলা৷ কী তেতো-বাপ!’ মাছভাজা খেতে গিয়ে দেখল, সে মাছ তেলের বদলে আতর দিয়ে ভাজা-কার সাধ্যি জিভে ঠেকায়!

    ‘আর খাবার খেয়ে কাজ নেই বাবা, শুধু জল খেয়েই খিদে মেটানো যাক’-এই ভেবে পথিক জলের সোনার গেলাসটা মুখে তুলেই ‘ওয়াক’ করে পিঁড়ি ছেড়ে উঠে পড়ল৷ গেলাসে ছিল খাঁটি গোলাপজল!

    পথিক বলল, ‘দাসী, তোমাদের জলখাবারে মনমাতানো গন্ধ আছে, কিন্তু এতে পেট ভরে না৷’

    দাসী মুখ টিপে ফিক করে একটুখানি হাসল৷

    পথিক হতাশভাবে বলল, ‘দাসী, এখন আর কী করবার আছে?’

    দাসী বলল, ‘এখন শয়নাগারে বিশ্রাম করবে এসো৷ তারপর কামনাদেবী এলে তাঁর কাছে বর চেয়ে নেবে৷’

    শয়নাগারের বারান্দায় সারি সারি রুপোর টবে, সোনার গাছে, পান্নার পাতায়, হিরে-চুনি-জহরতের হাজার হাজার রং-বেরং ফুল ফুটে আছে-দেখতে সুন্দর, কিন্তু গন্ধ নেই একটুও৷ ভোমরারা পর্যন্ত সেসব ফুলের কাছে ভুলেও এসে গুনগুন করে গান গায় না৷

    ঘরের ভেতরেও সোনার পালঙ্কে ময়ূরপুচ্ছ মোড়া তোষকের ওপরে, হিরে-মোতির চুমকি বসানো, সোনার সুতোয় বোনা অপরূপ চাদর পাতা বিছানা রয়েছে৷

    ‘তবু ভালো, এখন একটু ঘুমিয়ে বিশ্রাম করে বাঁচব৷’ এই ভেবে পথিক বিছানায় গিয়ে লম্বা হয়ে শুয়ে পড়ে বলল, ‘আঃ, আঃ, কী আরাম!’

    কিন্তু খানিকবাদেই ভিন্ন সুরে বলল, ‘ওঃ, ওঃ, কী আপদ!’

    সে-বিছানায় ঘুম তো দূরের কথা, চুপ করে শুয়ে থাকাই অসম্ভব! সেই সোনার সুতোর চাদরে পথিকের গা ছড়ে গেল, হিরে-মোতির চুমকিগুলো পটপট করে তার পিঠে ফুটতে লাগল৷

    এতক্ষণে পথিক স্পষ্ট বুঝল যে, ভগবান মানুষকে যে-ভাবে যে-অবস্থায় পৃথিবীতে পাঠিয়ে দেন, মানুষ যদি তাতে তুষ্ট না থাকে, তবে তাকে এমন করেই নাকাল হতে হয়৷

    পথিক ধড়মড় করে উঠে পড়ে বলল, ‘দাসী, আমি চললাম৷’

    দাসী বলল, ‘সে কী, কামনাদেবীর সঙ্গে দেখা করবে না?’

    পথিক বলল, ‘কামনাদেবী আমার মাথায় থাকুন, আমি বর-টর কিছু চাই না৷’

    দাসী মুখ টিপে ফিক করে একটুখানি হাসল৷

    পুরীর ভিতরে হিরে-মোতি সোনা-দানার মাঝখানে, পথিককে দেখাচ্ছিল ছন্নছাড়া ভিখারির মতো, কিন্তু বাইরে আসবামাত্র চাঁদের আলোর ঝরনা চারিদিক থেকে ঝরে পড়ে, তার সর্বাঙ্গে মুড়ে দিল মধুর রুপোলি সাজে৷ ফুলের গন্ধ নিয়ে বাতাস এসে পথিকের বুক জুড়িয়ে, তার গায়ে যেন ঠান্ডা হাত বুলিয়ে আদর করতে লাগল৷

    ফটকের ধারে বসেছিল সেই বুড়ো৷ পথিককে দেখেই সে হা-হা-হা-হা করে হেসে বলে উঠল, ‘বাপু, আমি জানতাম, তুমি আবার ফিরে আসবে! এই দেখো, তোমার জন্যে আমি গাছ থেকে মিঠে ফল, নদী থেকে মিষ্টি জল এনে রেখেছি৷ ভগবানের দেওয়া এই জলখাবার লোক-দেখানো জাঁকজমকের জন্যে নয়, এতে গরম মশলাও নেই, গোলাপজলও নেই, কিন্তু এসব খেলে পেট ভরে, প্রাণ বাঁচে৷ নাও, এখন খাও-দাও, প্রাণ ঠান্ডা করো!’

    পথিকের খাওয়া শেষ হলে বুড়ো আবার বলল, ‘ওই দেখো, তোমার জন্যে সবুজ ঘাসের গালচের ওপরে খড়ের তোশক বিছিয়ে, ফুলপাতার চাদর পেতে রেখেছি৷ এতে সোনার সুতো আর হিরে-মোতির চুমকি নেই বটে, কিন্তু এর ওপরে ঘুমপাড়ানি মাসি-পিসির হাত বুলোনো আছে,-শুতে-না-শুতেই ঘুমিয়ে পড়বে৷’

    পথিক জিজ্ঞাসা করল, ‘বুড়ো, তোমার নাম কী?’

    বুড়ো বলল, ‘সন্তোষ৷’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Next Article ভয় সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    Related Articles

    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    মানুষের গড়া দৈত্য – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমারের গল্প – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রহস্য-রোমাঞ্চ সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রবিন হুড – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    জয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    ঐতিহাসিক সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }