Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কি পেলাম – কাসেম বিন আবুবাকার

    কাসেম বিন আবুবাকার এক পাতা গল্প148 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কি পেলাম – ৬

    ০৬.

    এই ঘটনার কয়েকদিন পর বদরুদ্দিন আজ মিলাদ পড়াবার আয়োজন করেছেন। মিলাদ শেষ হতে রাত প্রায় একটা বেজে গেল। তখনো কারো খাওয়া-দাওয়া হয়নি। হঠাৎ রোকেয়া মাথা ঘুরে পড়ে গেল।

    তার ছোট দুটো দেবর দেখতে পেয়ে কাছে এসে বলল, ভাবি, তোমার কি হয়েছে? অমন করে পড়ে গেল কেন?

    রোকেয়া কিছুক্ষণ শুয়ে থেকে বলল, কি জানি, হঠাৎ মাথাটা ঘুরে যেতে পড়ে গেলাম। তারপর উঠে আস্তে আস্তে ঘরে গিয়ে খাটের উপর শুয়ে পড়ল।

    হানুফা বিবি বৌকে পড়ে যেতে দেখেছেন; কিন্তু কাছে আসেননি। তাকে শুয়ে। থাকতে দেখে বললেন, ভাত না খেয়ে ঘুম যাচ্ছিস কেন? সারাদিন তো একটা কাজও করিসনি। তবু ভাত খেতে সময় পেলি না।

    রোকেয়া শাশুড়ীর কথা শুনে চোখের পানি ফেলতে ফেলতে ভাবল, সারাদিনএকটু বসবারও সময় পেলাম না, আর উনি বললেন কিনা, একটা কাজও করিনি। তখন তার মনে খুব কষ্ট হল। আজ আর ভাত খাবে না বলে সিদ্ধান্ত নিল। আবার চিন্তা করল, ঘরে অনেক মেহমান, ভাত না খেলে শাশুড়ী আবার হয়তো গালাগালি শুরু করে দেবেন। তাই উঠে এসে ভাত খেল।

    পরের দিন সকালে মেহমানরা সব চলে গেলেন। শুধু হারুনের নানি রয়ে গেলেন। রোকেয়া নাস্তা বানিয়ে সবাইকে খেতে দিল।

    হারুনের সেজ ভাই মজিদ তার ডিমের সাথে খোসা লেগে রয়েছে দেখে রেগেমেগে রোকেয়াকে বলল, ভাবি, তুমি বাপের বাড়িতে কাজ করতে করতে হাতের চামড়া খুইয়ে। ফেলছ, আর এখানে এসে চালতা বেচনি হয়ে দোলনায় চড়েছ।

    রোকেয়া অবাক হয়ে বলল, মজিদ ভাই, হঠাৎ তুমি আমাকে একথা বললে কেন?

    মজিদ বলল,আহা দুধের বাচ্চা, কিছুই জানে না। তারপর ডিমটা দেখিয়ে বলল, এই যে ডিমের সাথে খোসা লেগে রয়েছে দেখতে পাওনি বুঝি?

    রোকেয়া বলল, তুমি না জেনে এ রকম কথা আমাকে বলতে পারলে? ডিম নানি ছাড়িয়েছে।

    মজিদ মাকে উদ্দেশ্য করে বলল, দেখলে আম্মা, বেটীকে চাই দিয়েও ধারা যাচ্ছে না। কেমন কথার কাটান দিচ্ছে? ভাবি দিন দিন মুখরা হয়ে উঠছে।

    হানুফা বিবি ঝংকার দিয়ে বলল, হবে না? তোর বড় ভাইয়ের আস্কারা পেয়ে এ রকম হচ্ছে। তারপর রোকেয়াকে উদ্দেশ্য করে বলল, এই বেটী, চুপ করে থাকবি। কথা। বললে ঠোঁট সেলাই করে দেব।

    এতক্ষণে হারুনের নানি বললেন, তোমরা একি কাণ্ড শুরু করলে? ডিমগুলো আমি পরিস্কার করেছি। তোমাদের বৌ তখন অন্য কাজ করছিল।

    হানুফা বিবি বললেন, আম্মা, তুমি আবার আমাদের ব্যাপারে নাক গলাচ্ছ কেন? এসব তুমি কিছু বুঝবে না।

    হারুন সেখানে নাস্তা খেতে এসেছে। ছোট ভাইয়ের কথা শুনে প্রথমে মনে করেছিল, রোকেয়ার দোষের জন্য ছেলে মানুষি বুদ্ধিতে সে ঐ রকম বলে ফেলেছে। তবু রেগে গিয়েও চুপ করেছিল। তারপর রোকেয়া ডিম ছাড়ইনি বলা সত্ত্বেও মজিদ ও মা যখন রোকেয়াকে ঐ সব বলল, তখন তাদের উপর অত্যন্ত রেগে গিয়ে বলতে গিয়েও থেমে গেল। চিন্তা করল, কিছু বলতে গেলেই কেলেংকারীর সৃষ্টি হবে। তাই রাগ দমন করার জন্য না খেয়ে রুমে চলে গেল।

    সকলের নাস্তা খাওয়া হয়ে যেতে রোকেয়া থালা-বাসন ধুয়ে রেখে রুমে এল। হারুন খায়নি বলে সেও খেল না।

    তাকে দেখে হারুন বলল, আমি টিকিট কেটে নিয়ে আসি, আর থাকব না। আমার মন দিন দিন বিষিয়ে উঠছে। এই বলে সে বেরিয়ে যেতে উদ্দত হল।

    রোকেয়া তার দুপা জড়িয়ে ধরে কাঁদতে কাঁদতে বলল, ওগো তুমি এখন যেও না। তুমি চলে গেলে আমি বুঝি শান্তি পাব? তুমি কয়েকদিন মাত্র বাড়িতে এসে আম্মার কাছে থাকতে পারছ না। আর আমি দিনের পর দিন, মাসের পর মাস, বছরের পর বছর কি করে তার সঙ্গে কাটাচ্ছি? কেন কাটাচ্ছি শুনবে? শুধু তোমার ভালবাসা পাওয়ার জন্য। তা যদি না পাই, তাহলে আমি বাঁচব কোন আশায়?

    হারুন তাকে তুলে বুকে জড়িয়ে ধরে বলল, সত্যি রোকা, তোমাকে বিয়ে করে আমি মস্ত বড় অন্যায় করেছি। সে কথা ভেবে নিজেকে খুব অপরাধী মনে হচ্ছে।

    রোকেয়া বলল, তুমি অপরাধী হতে যাবে কেন? তোমার ভালবাসায় কোনো খাদ নেই। সবই আমার তকৃদির। আমার তকদিরে যা লেখা আছে, তা তুমি শত চেষ্টা করেও দূর করতে পারবে না। আর কখনো নিজেকে অপরাধী ভাববে না বল?

    হারুন তার চোখের পানি মুছে দিয়ে বলল, তোমার কথাই ঠিক। তকদিরে যা লেখা থাকে তা, কেউ বদলাতে পারে না।

    সেদিন দুপুরেও আম্মার উপর রাগ করে দুজনে ভাত খেল না।

    বিকেলে রোকেয়া ঘরদোর ঝাড় দিতে গেলে হনুফা বিবি তার হাত থেকে ঝাড় কেড়ে নিয়ে বললেন, তোকে আর কাজ করতে হবে না।

    রোকেয়া আর কি করবে? কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে চা-নাস্তা করতে গেল।

    হানুফা বিবি ঝাড় দেওয়ার কাজ শেষ করে রান্না ঘরে এসে রোকেয়া এসব নাস্তা বানিয়েছিল, তা উঠোনে ফেলে দিয়ে নিজে বানাতে লাগলেন।

    রোকেয়া চোখের পানি ফেলতে ফেলতে রুমে এসে বসে রইল।

    রাতে রান্না করতে গেলে হনুফা বিবি রাগের সঙ্গে বললেন, তোকে কাজ করতে দিই না, তবু করতে আসিস কেন?

    রোকেয়া চিন্তা করল, কথা বললেই শাশুড়ী আরো রেগে যা তা করে বলবে। তাই রুমে এসে শুয়ে শুয়ে কাদল।

    হারুন ঘরেই আছে। সকাল থেকে সবকিছু দেখছে; কিন্তু কিছু বলতে পারছে না। ভাবছে, ভালমন্দ কিছু বলতে গেলেই দুজনকেই আম্মা গালাগালি করবে।

    হারুন মসজিদ থেকে মাগরিবের নামায পড়ে এসে স্ত্রীকে কাঁদতে দেখে বলল, কেঁদে আর কি করবে? কাজ যখন করতে দিচ্ছে না তখন করো না।

    রোকেয়া বলল, কাজ না করলে খেতে যাব কোনমুখে?

    তুমি তো ইচ্ছা করে কাজ করা বন্ধ করছ না? আম্মাই তোমাকে করতে দিচ্ছে না।

    তবু কোন মুখে খেতে যাব?

    হারুন আর কিছু না বলে চুপ করে বসে রইল। এশার আযান হতে রোকেয়া নামায পড়ার জন্য অজু করতে গেল।

    হারুন নামাজ পড়ার জন্য মসজিদে গেল।

    রোকেয়া নামাজ পড়ে বিছানায় বসে নিজের ভাগ্যের কথা চিন্তা করতে লাগল।

    হারুন নামায পড়ে ফিরে এসে তাকে শুয়ে থাকতে দেখে জিজ্ঞেস করল ভাত খেয়েছ?

    না।

    আম্মা খেতে ডাকেনি?

    না।

    হারুন আর কিছু না বলে তার পাশে শুয়ে পড়ল।

    কিছুক্ষণ পরে হনুফা বিবি দরজার কাছে এসে বললেন, হারুন ভাত খাবি আয়।

    সকাল থেকে রোকেয়া খায়নি বলে হারুন ও খায়নি। সে ইচ্ছে করলে হোটেলে খেতে পারত; কিন্তু রোকেয়াকে না খাইয়ে সেও খেতে পারেনি। আবার রোকেয়ার জন্য। হোটেল থেকে খাবার কিনে নিয়ে এলে, মা হুলস্থুল কাণ্ড করবে ভেবে আনেনি। এখন রোকেয়াকে না ডেকে শুধু তাকে খেতে ডাকছে শুনে মায়ের উপর প্রচণ্ড অভিমান হল। তার চোখ দুটো পানিতে ভরে উঠল। সামলে নিয়ে বলল, তোমরা খেয়ে নাও, আমি খাব না।

    হানুফা বিবি আর কিছু না বলে চলে গেলেন।

    পরের দিন সকালে রোকেয়া কাজ করতে গেলে হনুফা বিবি বললেন, তোকে আর আমার সংসারে কোনো কাজ করতে হবে না।

    জোর করে করতে গেলে যদি গালাগালি করেন সে কথা ভেবে রোকেয়া নিজ রুমে এসে বসে বসে প্রচণ্ড ক্ষিধের জ্বালায় চোখের পানি ফেলতে লাগল।

    হারুন কিন্তু ঘরে নাস্তা খেল। তারপর বাইরে থেকে রুটি, কলা ও পেপসী কিনে এনে রোকেয়াকে খেতে বলল।

    এভাবে এক সপ্তাহ চলল। হারুন ঘরে খাওয়া-দাওয়া করলেও রোকেয়াকে কেউ খেতে ডাকেনি এবং তাকে সংসারের কোনো কাজও করতে দেয়া হয়নি।

    এই কদিন রোকেয়া এটা সেটা খেয়ে দিন কাটিয়েছে। আটদিনের দিন হারুন বলল, তুমি তোমার বাপের বাড়ি চলে যাও। এখানে থাকলে না খেয়ে মরে যাবে। শেষে আমাদের বদনাম হবে।

    এই কথা শুনে রোকেয়ার মনে খুব আঘাত লাগল। চোখের পানিতে বুক ভাসাতে ভাসাতে বলল, বেশ তুমি যা চাও তাই হবে।

    ঐদিন হারুন একটা স্কুটার এনে রোকেয়াকে বাপের বাড়ি পাঠিয়ে দিল।

    রোকেয়ার মনে হল, এর চেয়ে তার মরণ ভালো ছিল। যেতে যেতে ভাবল, আমি হারুনের জন্য না খেয়ে এতদিন কাটালাম, তার সে কিনা তার কোনো প্রতিকার না করে উল্টো আমার ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে বাপের বাড়ি পাঠিয়ে দিল? এই জন্য কথায় বলে, যার জন্য চুরি করি সেই বলে চোর।

    বাপের বাড়ি পৌঁছাতে সকলে রোকেয়ার শরীরের অবস্থা দেখে নানা রকম প্রশ্ন করতে লাগল।

    রোকেয়া তাদেরকে তার অসুস্থতার কথা জানাল।

    মেহেরুন্নেসা এক সময় মেয়েকে জিজ্ঞেস করলেন, আসল ঘটনা কি হয়েছে বলতো।

    রোকেয়া মাকে জড়িয়ে ধরে কিছুক্ষণ কাঁদল। তারপর শ্বশুর বাড়িতে যা ঘটেছে তা সব খুলে বলল।

    মেয়ের কথা শুনে মেহেরুন্নেসা কিছুক্ষণ গুম হয়ে বসে রইলেন। তারপর বললেন, মেয়ে হয়ে জন্মেছিস, করার কিছু নেই। সবর কর মা, একদিন না একদিন আল্লাহ তার ফল দেবেন। জানিস তো, সবরের গাছ খুব তিতা, কিন্তু ফল খুব মিষ্টি।

    চার পাঁচদিন পর হারুন শ্বশুর বাড়ি এল।

    রোকেয়া তাকে কদমবুসি করে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ল।

    হারুন তাকে প্রবোধ দিয়ে বলল, সেদিন তুমি হয়তো মনে খুব কষ্ট পেয়েছ। কিন্তু আমি মায়ের বিরুদ্ধে কি করতে পারি বল? তোমাকে পাঠিয়ে দিয়ে এই কদিন আমি যে কিভাবে কাটিয়েছি তা একমাত্র আল্লাহপাক জানেন। তবুও আমার অন্যায় হয়েছে, সে জন্য মাফ চাইছি।

    রোকেয়া চোখের পানি মুছে বলল, তোমার আর দোষ কি? সবই আমার কপাল। তুমি আমার কাছে মাফ চেয়ে আমাকে অপরাধী কর না।

    হারুন বলল, রোকা, আমি তোমাকে ছেড়ে থাকতে না পেরে মাযের সঙ্গে বোঝাঁপড়া করে তোমাকে নিয়ে যেতে এসেছি। বল আমার সঙ্গে যাবে?

    রোকেয়া বলল, তুমি ছাড়া আমার আর কে আছে? বিয়ের পরে মেয়েদের স্বামীইতো সর্বস্ব। বাপ-মাও পর হয়ে যায়। তুমি নিয়ে যেতে এসেছ, আমি যাব না : কেন? নিশ্চয় যাব।

    বিকেলে হারুন রোকেয়াকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি ফিরে এল।

    রোকেয়া ঘরে ঢুকে প্রথমে শ্বশুরকে কদমবুসি করে জিজ্ঞেস করল, আব্বা কেমন আছেন।

    বদরুদ্দিন বউয়ের মাথায় হাত বুলিয়ে চুমো খেয়ে বললেন, ভালো আছি মা।

    তারপর রোকেয়া শ্বশুরের রুম থেকে বেরিয়ে এসে শাশুড়ীকে কদমবুসি করতে গেল।

    হানুফা বিবি ছেলের সঙ্গে ঝগড়া করে সকাল থেকে রেগে আছেন। রোকেয়া কদমবুসি করতে গেল পা সরিয়ে নিয়ে বেঁঝিয়ে উঠে বললেন, আমাকে ছুঁবি না। তোর মুখ দেখতে ইচ্ছে করে না। তুই এখান থেকে চলে যা।

    রোকেয়া মাথা নিচু করে সেখান থেকে নিজের রুমে এসে স্বামীকে মায়ের কথা বলল।

    হারুন অল্পক্ষণ চুপ করে থেকে বলল, তুমি মায়ের কথায় কিছু মনে করো না।

    বিকেলে রোকেয়া রাত্রের জন্য রান্না করতে লাগল।

    এদিকে হনুফা বিবি বারান্দায় পাটি বিছিয়ে একদল মেয়ে নিয়ে গল্প করতে বসেছেন। উনার এক জা, যিনি রোকেয়াকে দেখতে গিয়ে অপছন্দ করেছিলেন, তিনি একসময় বলরেন, হারুনের মা, তুমি ঐ বউয়ের হাতের রানা খাও কেমন করে? হারুনকে বলে দিও ওর হাতের রান্না খেলে পাপ হবে।

    হানুফা বিবি বললেন, হ্যাঁ তুমি ঠিক কথা বলেছ। হারুন ঘরে এলে আজ তাকে বলব।

    উনি আবার বললেন, এই বৌ দিয়ে তোমাদের সুখ শান্তি হবে না। হারুনকে বলল, সে যেন এই বৌকে ছেড়ে দেয়। কারণ সে তোমাদেরকে পছন্দ করে না। তোমাদের এত লোকেরা ঝামেলা ও সহ্য করতে পারছে না। সে যদি একমাত্র ছেলের বৌ হত তাহলে রান্না বান্নাও করত না। হোটেল থেকে কিনে এনে খেত।

    রোকেয়া তাদের এইসব কথা শুনতে শুনতে রান্নার কাজ শেষ করল। তারপর পাশের বাড়ির এক চাচাতো জায়ের কাছে গিয়ে বসল। এই জায়ের সঙ্গে রোকেয়ার একটু ভাবসাব। মাঝে মধ্যেতার কাছে গিয়ে গল্প গুজব করে।

    কিছুক্ষণ পরে হারুনকে ঘরে আসতে দেখে হানুফা বিবি চুলোয় কাঠ গুঁজে দিয়ে ধোয়া করে এসে তাকে বললেন। এবার তুই নিজের চোখে দেখ, তোর বৌ আগুনে ধোয়া দিয়ে চলে গেছে, ঘরে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেবে বলে। আমি কত করে তাকে বললাম, আমাদেরকে একটু চা করে দিতে। আমার কথার কোনো দাম দিল না। ওদের ঘরে গিয়ে গল্প করছে।

    হারুন মায়ের কথা শুনে রোকেয়ার উপর খুব রেগে গেল। তার কাছে গিয়ে বলল, তোমার জন্য আমি এত কথা শুনি কেন? তুমি ঘরে আগুন লাগাবে বলে চুলোয় কাঠ দিয়ে এসে এখানে গল্প করছ?

    রোকেয়া বলল, একথা তুমি বিশ্বাস করলে? তারপর তার শাশুড়ী ও চাচি শাশুড়ী যা বলেছিলেন সব হারুনকে বলল।

    হারুন বলল, ঠিক আছে তুমি ঘরে চল।

    রোকেয়া ঘরে এলে হনুফা বিবি বললেন, তোকে কত করে বললাম একটু চা করে দিতে। তুই দেমাগ করে চুলোয় ধোয়া দিয়ে চলে গেলি।

    এই কথা শুনে রোকেয়া কান্নামান্না হয়ে বলল, আম্মা, আপনারা সবাই আমাকে নিয়ে যা তা করে বলছিলেন বলে আমি না শোনার জন্য চলে গিয়েছিলাম। কিন্তু চুলোয় ধোয়া দিয়ে যাইনি। কারণ রান্না তো শেষ। আর আপনি চা দিতেও বলেননি। এটা একেবারে মিথ্যে কথা।

    হানুফা বিবি রাগে অগ্নিশর্মা হয়ে চিৎকার করে বললেন, কি আমি মিথ্যে বলেছি? তোর এতবড় সাহস? তারপর হারুনকে বললেন, কিরে তোর সামনে আমাকে মিথ্যেবাদী বলল অথচ তুই চুপ করে আছিস? এই ধরনের মেয়েকে রীতিমতো পিটালে তবে সোজা হবে।

    হারুন আসল ঘটনা বুঝতে পেরে চুপচাপ সেখান থেকে চলে গেল।

    হানুফা বিবি সেই জাকে বললেন, দেখছ বুবু, হারুন কিছু বলল না। বলবে কি করে? ডাইনীটা আমার ছেলেকে তাবিজ করেছে। তা না হলে ছেলে হয়ে মায়ের অপমান সহ্য করে?

    এর কয়েকদিন পর হারুন বিদেশ চলে যাবে। তাই একদিন সে রোকেয়াকে নিয়ে তার বাপের বাড়িতে সকলের সঙ্গে দেখা করতে এল। সেখানে একবেলা থেকে খাওয়া দাওয়া করে হারুন সবাইকে বিদেশ যাওয়ার কথা বলে রোকেয়াকে নিয়ে বাড়ি ফিরে এল।

    ঘরে ঢুকতে না ঢুকতেই হানুফা বিবি হারুনকে বললেন, তোকে কতবার বলেছি। এই বৌকে নিয়ে কোনোদিন সুখ শান্তি পানি না। তুই এই একখানা বৌ নিয়ে এত পাগল হলি কেন? আবার বলছি ওকে ছেড়ে দে। আমি এর চেয়ে সুন্দর সুন্দর দশখানা বৌ তোকে এনে দেব।

    রোকেয়া শাশুড়ীর কথা শুনে কাঁদতে কাঁদতে হারুনকে বলল, এই সংসারে আমার সুখ শান্তি কোনোদিন হবে না। জানি না কপালে কি আছে?

    হারুন তার চোখের পানি মুছে দিয়ে বলল, আম্মা যা কিছু বলুক না কেন, আমি তুমি ঠিক থাকলে কেউ কিছু করতে পারবে না। একথা আগেও অনেকবার বলেছি। এখন আবার তাই বলছি।

    রোকেয়া বলল, আমি আমার সুখ শান্তি চাই না, তোমাদের সুখ শান্তি চাই। তুমি তোমার বাবা মায়ের বড় ছেলে। তারা তোমাকে কত কষ্ট করে মানুষ করেছেন। তোমার উপর তাদের কত আশা ভরসা। তুমি তাদের সুখী করার চেষ্টা কর। তাদের কথার অবাধ্য হয়ো না। আমাদের গ্রামে এক ওয়াজ মাহফিলে একজন আলেম ওয়াজ করার সময় বলেছিলেন, আল্লাহ পাক কুরআন শরীফে আছে, হযরত ইব্রাহিম (আঃ) পুত্র ইসমাইল (আঃ) এর স্ত্রীর কোনো দোষ দেখে তাকে পরিত্যাগ করতে বলেছিলেন। হযরত ইসমাইল (আঃ) পিতার কথামত সেই স্ত্রীকে পরিত্যাগ করেন। তুমিও যদি তাই কর, তাহলে আমার কোনো দুঃখ নেই। কারণ দুনিয়াতে আমার চেয়ে কত সুন্দরী। মেয়ের ভাগ্য খারাপ রয়েছে। তাদের তুলনায় আমি অতি নগণ্য। আমি মনে করব, এটাই আমার তকৃদির।

    হারুন রোকেয়ার কথা শুনে কিছু না বলে ঘর থেকে বেরিয়ে বাইরে চলে গেল। অনেক রাতে যখন ফিরে এল তখন রোকেয়া ঘুমিয়ে পড়েছে। হারুন জানে, রোকেয়া না খেয়ে ঘুমিয়েছে। তাই সেও না খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ল।

    এই ঘটনার দুদিন পর আজ হারুন বিদেশ চলে যাবে। গত দুদিন থেকে রোকেয়ার চোখ থেকে সব সময় পানি পড়ছে। কিছুতেই সামলাতে পারছে না। স্বামীর সব কিছু গুছিয়ে দিয়ে রোকেয় কদমবুসি করে তাকে জড়িয়ে ধরে ফুঁপিয়ে উঠে বলল, আমি তোমার এমন পাপী ও হতভাগী স্ত্রী যে, তোমাকে দুঃখ নিয়ে বিদেশ যেতে হচ্ছে। আমাকে তুমি মাফ করে দাও।

    হারুন তাকে বুকে চেপে ধরে বলল, রোকা প্রিয়তম আমার, আমিও তোমাকে অনেক দুঃখ দিয়ে বিদেশ চলে যাচ্ছি। আল্লাহপাক জানেন, আবার কবে তোমাদের মাঝে ফিরে আসব। তোমার দুঃখ কোনোদিন ঘোচাতে পাবর কি না তাও আল্লাহপাক জানেন। তুমি আমার উপর কোনো রকম মনে কষ্ট রেখ না। আমিও রাখব না! আমরা দুজনেই আল্লাহপাকের দরবারে দোয়া চাইব, তিনি যেন আমাদেরকে সুখ-শান্তি দান করেন। তারপর গভীর আবেগে তার দুগাল চুমোয় চুয়ে ভরিয়ে দিতে রাগল।

    রোকেয়াও চুপ করে থাকল না, সেও প্রতিদানে মেতে উঠল। রোকসানা এতক্ষণ খাটের উপর বসে মা-বাবার দিকে তাকিয়েছিল। সেদিকে হারুনের লক্ষ্য পড়তে স্ত্রীকে ছেড়ে দিয়ে তাকে কোলে নিয়ে আদর করতে করতে বলল, রোকা, মামণির দিকে খুব খেয়াল রাখবে। আর আম্মাকে যতটা সম্ভব খুশি রাখার চেষ্টা করবে।

    এমন সময় হারুনের ছোট ভাই দরজার কাছে এসে বলল, স্কুটারওয়ালা তাড়াতাড়ি যেতে বলছে।

    হারুন বলল, হ্যাঁ চল যাচ্ছি। তারপর রোকসানাকে রোকেয়ার কোলে দিয়ে রুম থেকে বেরিয়ে এসে আব্বা আম্মাকে কদমবুসি করে আম্মাকে উদ্দেশ্য করে বলল, আম্মা, তোমারে বৌকে দুমাস অন্তর বাপের বাড়ি পাঠিও।

    হানুফা বিবি বললেন, ওসব আমি জানি না। তুই পারলে চিরকালের জন্য বৌকে তার বাপের বাড়ি পাঠিয়ে দিয়ে যা।

    হারুন মেয়ের কথা শুনে মনে খুব কষ্ট পেলেও বিদেশ যাওয়ার সময় বলে প্রতিবাদ করল না। রোকেয়াকে বলল, তোমার যখন মন চাইবে তখন যেও। যে কদিন থাকতে মন চাইবে, সেই কদিন থেকে আবার নিজেই চলে এস। তারপর সে ব্রীফকেস হাতে নিয়ে বাড়ির বাইরে এসে স্কুটারে উঠল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালোমেয়ে – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article জানি তুমি আসবে – কাসেম বিন আবুবাকার

    Related Articles

    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    জানি তুমি আসবে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কালোমেয়ে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    একদিন অপরাহ্নে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কে ডাকে তোমায় – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্ষমা – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }