Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কি পেলাম – কাসেম বিন আবুবাকার

    কাসেম বিন আবুবাকার এক পাতা গল্প148 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কি পেলাম – ৮

    ০৮.

    রোকেয়া মাসখানেক থেকে বাপের বাড়ি চলে গেল। সেখানে সপ্তাহ খানেক থেকে আবার শ্বশুর বাড়ি ফিরে এল। তারপর রান্না করার সময় শাশুড়ীকে জিজ্ঞেস করল, আম্মা চাল কত নেব?

    হানুফা বিবি বললেন, তুই যখন ছিলি না, তখন এক সের দিয়ে আমাদের সবাইয়ের হয়েও বেঁচে গেছে। এখন তুই ও তোর মেয়ে যখন এসেছিস, তখন দেড় সের নে।

    রোকেয়া বলল, আমি আমার মেয়ে কি এক বেলায় আধ সের চাল খাই?

    হানুফা বিবি বললেন, না, তোরা মা-মেয়ে বাতাস খেয়ে থাকিস। তোদের জন্য আমার সবদিকে ক্ষতি হচ্ছে। তেল, সাবান ও খাওয়া-দাওয়ায় আমাদের সাত আটজনের যা লাগে, তার চেয়ে তোদের দুজনের বেশি লাগে.। বল, এগুলো আমি পাব কোথায়? সারাদিন তো একটাও কাজ করিস না, আর কাজ করতেও জানিস না। তুই কি আমাদের মেরে ফেলতে চাস? না বাপু, আর পারছি না। এবার ক্ষমা করে বিদায় হও। তোর ছেলে হয়নি বলে শামসুর ছেলেকে হিংসা করিস। তাকে দেখতে পারিস না। সেজন্য কোনোদিন কোলেও নিসনি।

    শাশুড়ীর কথা শুনে রোকেয়া কাঁদতে কাঁদতে শায়লাকে বলল, আমি নাকি তোমার ছেলেকে হিংসা করি, কোনোদিন কোলেও নেইনি?

    শায়লা শাশুড়ীর মন রাখার জন্য বলল,আম্মা না দেখলে কি আর মিথ্যে করে বলছে?

    একথা শুনে রোকেয়া যেন আকাশ থেকে পড়ল। বলল, আম্মার কথা বাদ দাও, তুমি দেখেছ কিনা বল?

    শায়লা বলল, আমি দেখলে কি হবে, আম্মা তো দেখেনি?

    রোকেয়া তখন শাশুড়ীকে বলল, আম্মা, আল্লাহর নামে কসম করে বলুন তো, আমি মেজ ভাইয়ের ছেলেকে হিংসা করি বা কখনো তাকে কোলে নেইনি।

    হানুফা বিবি বললেন, তোর কথায় কসম করতে যাব কেন? আমি দেখেছি বলেই

    তো বললাম। তোর জন্য মেজ বৌকে শিক্ষা দিতে পারছি না। তুই সবকিছুর ক্ষতির কারণ। তুই নিজে খারাপ, তাই এই বৌকেও খারাপ করছিস। তারপর শায়লাকে। বললেন, তোমাকে এত করে বলি যে, ওর সাথে একটুও মিশবে না। তোমাকে যে খারাপ করছে, সেকথা এখন না বুঝতে পারলেও পরে বুঝতে পারবে। আর রোকসানার মাকেও কতদিন ধরে বলে আসছি চলে যেতে। যাবে কেন? খেতে-পরতে পেলে কেউ কি যেতে চায়?

    রোকেয়া কিছু না বলে চিন্তা করল, শায়লা শাশুড়ীর সঙ্গে তাল দিয়ে চলছে।

    কয়েকদিন পর এক বিকেলে রোকেয়ার ছোট ভাই বাহাদুর এলে রোকেয়া বাপের বাড়ি চলে যেতে চাইল।

    শায়লা জানতে পেরে বলল, বুবু তুমি যেও না। আম্মা তো প্রায়ই তোমাকে ঐসব বলে থাকেন।

    রোকেয়া বুঝতে পারল, সে চলে গেলে সংসারের সব কাজ শায়লাকে করতে হবে। তাই বাধা দিচ্ছে।

    তখন তার বিগত দিনের কথা মনের পাতায় ভেসে উঠল। সে থাকলে হানুফা বিবি মেজ বৌকে কোনো কাজ করতে দেন না। তাকে শুনিয়ে শুনিয়ে বলেন, সব কাজ রোকসানার মা করবে। তুমি করতে যাবে কেন? তিনি মেজ বৌকে সঙ্গে নিয়ে বসে বসে গল্প করেন। আর রোকেয়া চাকরাণীর মত খাটে। শায়লা মাঝে মাঝে এটা-সেটা করতে গেলে হনুফা বিবি তার হাত ধরে টেনে নিয়ে যান। একদিনের ঘটনা, রোকেয়ার তখন খুব জ্বর। কিছু খেতে পারে না। পরের দিন সকালে বিছানা থেকে উঠে রান্না ঘরের দাওয়ায় গিয়ে বসল। সেখানে হানুফা বিবি শায়লাকে নিয়ে চা-নাস্তা খাচ্ছিলেন। রোকেয়াকে বসে থাকতে দেখেও কেউ খেতে ডাকল না। হনুফা বিবি খাচ্ছেন আর কি কথা নিয়ে হাসাহাসি করছেন। রোকেয়া আর বসে থাকতে পারল না। রুমে গিয়ে শুয়ে শুয়ে কাঁদতে লাগল।

    রোকেয়াকে চুপ করে থাকতে দেখে শায়লা বলল, বুবু, তুমি কি আমার কথা রাখবে না?

    শায়লার কথায় সম্বিত ফিরে পেয়ে রোকেয়া বলল, না, আমি এখন আর কারো কথা শুনব না। তারপর সে বাহাদুরের সাথে চলে যাওয়ার জন্য তৈরি হতে লাগল।

    তাই দেখে হানুফা বিবি বললেন, এভাবে যেতে পারবি না। তোর বাবাকে দু পাঁচজন লোক নিয়ে আসতে বল। তাদের সামনে তোকে চিরকালের মত বিদেয় করব। এখন তো আমি তোকে যেতে বলিনি।

    রোকেয়া বলল, পাঁচজনকে লাগবে না; আর আপনি এখন যেতে না বললেও কত হাজার বার বলেছেন। যাইনি বলে কয়েকবার হাত ধরে বের করে দিয়েছেন। আজ আবার লোকজনদের জানাবার কি দরকার?

    হানুফা বিবি তাড়াতাড়ি ছোট জাকে ডেকে এনে বললেন, দেখ, রোকসানার মা এখন বাপের বাড়ি চলে যাচ্ছে; কিন্তু তোমরা আবার পরে আমাকে দোষ দিতে পারবে না। আর সেও যেন আমাকে দোষ দিতে না পারে, তাই তোমাকে ডেকে আনলাম। হানুফা বিবির ছোট জা রোকেয়াকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি চলে যাচ্ছ কেন? রোকেয়া বলল, ছোট মা বিশ্বাস করুন, এখানে আমার আর একদণ্ড মন টিকছে। খুব অস্থির লাগছে। শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে।

    উনি আবার জিজ্ঞেস করলেন, এরকম হচ্ছে কেন? তোমাকে কি কেউ তাবিজ করেছে?

    রোকেয়া বলল, তা আমি বলব কি করে?

    হানুফা বিবি বলে উঠলেন, এসব আমার বদনাম করার জন্য বলছে।

    চাচি শাশুড়ী হনুফা বিবিকে উদ্দেশ্য করে বললেন, যেতে চাচ্ছে যাক। তোমার। বদনাম করে আর কি করবে? ওর তো আর বিয়ে হবে না।

    হানুফা বিবি বললেন, না না, এখন যেতে পারবে না। গেলে পাঁচজনের সামনে একেবারে যাবে।

    চাচি শাশুড়ী বললেন, বৌ জোর করে গেলে, তুমি কি ধরে রাখতে পারবে?

    হানুফা বিবি রোকেয়াকে বললেন, একান্ত যদি যাও, তবে আমার কোনো বদনাম করতে বা দোষ দিতে পারবে না।

    চাচি শাশুড়ী বললেন, তুমি বললেই কি আর না বললেই কি? তোমার বদনাম যেমন। হবে, তেমনি সবাই দোষও দিবে। একথা বলে তিনি চলে গেলেন।

    রোকেয়া তৈরি হয়েছিল। শাশুড়ীকে সালাম করার জন্য এগিয়ে আসতে আসতে বলল, আপনাদের বদনাম বা দোষ কোনোদিন দেব না। সবই আমার তকৃদির। তারপর বসে পায়ে হাত দিতে গেল।

    হানুফা বিবি তাকে ঠেলে ফেলে দিলেন।

    রোকেয়ার চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়ল। উঠে দাঁড়িয়ে চোখ মুছে রোকসানাকে বলল, যাও দাদিকে সালাম কর।

    রোকসানা সালাম করতে গেলে হনুফা বিবি তাড়াতাড়ি করে বাথরুমে ঢুকে দরজা লাগিয়ে দিলেন।

    রোকসানা বলল, দাদি তো বাথরুমে চলে গেল। সালাম করব কি করে?

    রোকেয়া বলল, দাঁড়াও উনি একটু পরে বেরিয়ে আসবেন।

    প্রায় এক ঘন্টা পার হয়ে যেতেও যখন হানুফা বিবি বাথরুম থেকে বার হলেন না তখন রোকেয়া রোকসানাকে নিয়ে বাহাদুরের সাথে বাপের বাড়ি চলে গেল।

    বাপের বাড়িতে এসে রোকেয়া বাবা-মাকে জানাল, সে আর কখনো শ্বশুর বাড়ি যাবে না।

    শাহেদ আলী বললেন, তোকে তো আমি অনেক আগেই সেকথা বলেছিলাম।

    মেহেরুন্নেসা বললেন, জামাই এসে যদি নিয়ে যেতে চায়?

    শাহেদ আলী বললেন, জামাই যদি রোকেয়াকে নিয়ে অন্য জায়গায় আলাদা সংসার করতে পারে, তাহলে পাঠাব, নচেৎ পাঠাব না। আগে জামাই আসুক, তারপর যা করার করা যাবে।

    রোকসানাকে পেয়ে এ বাড়ির সবাই খুশি। কারণ এ বাড়িতে আর কোনো ঘোট ছেলেমেয়ে নেই। জাভেদের শুধু দুটো ছেলেমেয়ে। মনোয়ারা ও মানিক। তারা বড় হয়ে গেছে।

    রোকেয়া বাপের বাড়িতে চলে আসার পর স্বামীকে সবকিছু জানিয়ে পত্র দিল।

    হারুন পত্র পেয়ে টেলিফোন করে রোকেয়াকে বলল, তুমি যা করেছ, তা ভালোই করেছ। আমি তোমাকে মাঝে মাঝে টেলিফোন করব, পত্র দেব, টাকা-পয়সাও পাঠাব। তুমি কোনো চিন্তা করো না।

    রোকেয়া বলল, তুমি দেশে আসছ না কেন? যত তাড়াতাড়ি পার কয়েকদিনের জন্য হলেও আস। কতদিন তোমাকে দেখিনি। আমার কিছু ভালো লাগছে না।

    হারুন বলল, তোমাদের জন্য আমারও মন খুব অস্থির হয়ে পড়েছে। কিন্তু কোম্পানী কিছুতেই ছুটি দিচ্ছে না। তবু আমি চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এবার ছাড়ছি, পত্রে সবকিছু লিখে জানাব। তারপর সালাম বিনিময় করে ফোন ছেড়ে দিল।

    এরপর থেকে হারুন মাঝে মাঝে রোকেয়াকে টেলিফোন করে, পত্র দেয় এবং টাকা-পয়সাও পাঠায়। এভাবে দিন, মাস ও বছর গড়িয়ে চলল।

    একদিন জুলেখা রোকেয়াকে বলল, মেজ আপা, এবার রোকসানাকে স্কুলে ভর্তি করে দাও।

    রোকেয়া বলল, এখন রোকসানা ছোট, আর একটু বড় হোক তখন ভর্তি করব।

    জুলেখা শুনল না, সে নিজে রোকসানাকে ভর্তি করে দিল।

    .

    রোকেয়া শ্বশুর বাড়ি থেকে চলে আসার কিছুদিন পর থেকে হারুনের ছোট ভাইয়েরা এসে মাঝে মাঝে রোকসানাকে নিয়ে যায়। কয়েকদিন রেখে আবার দিয়েও যায়। এভাবে পাঁচ-ছমাস পরে একবার রোকসানাকে নিয়ে গিয়ে প্রায় পনের বিশ দিন রেখেছিল। রোকেয়া মেয়ের জন্য অস্থির হয়ে উঠল। শেষে তার চাচাতো ভাই দুলালকে রোকসানাকে নিয়ে আসার জন্য মুন্সীরহাটে পাঠাল। কিন্তু তারা রোকসানাকে দুলালের সাথে দিল না। বরং তাকে যাতা বলে ফিরিয়ে দিল। কিছুদিন পর রোকেয়া বাহাদুরকে পাঠাল। তাকেও তারা যাতা বলে ফিরিয়ে দিল। এমন কি তাকে রোকসানাকে দেখতেও দিল না। তার উপর বলে দিল, রোকসানা তাদের মেয়ে তাদের কাছে থাকবে। এভাবে একমাস পার হয়ে যেতে মেয়ের জন্য রোকেয়া আরো অস্থির হয়ে পড়ল।

    একদিন রোকেয়ার চার নাম্বার দেবর মজিদ রোকসানাকে এক ডাক্তারখানায় বসিয়ে রেখে বাজার করতে গিয়েছিল।

    সেই পথ দিয়ে রোকেয়ার মেজ ভাই বখতিয়ার বাড়ি ফিরছিল। হঠাৎ রোকসানাকে ডাক্তারখানায় একা বসে থাকতে দেখে তার কাছে গেল।

    রোকসানা মামাকে দেখতে পেয়ে দৌড়ে এসে জড়িয়ে ধরে কেঁদে উঠে বলল, মেজ মামা, আমাকে আম্মুর কাছে নিয়ে চল। আমি দাদিদের বাড়িতে আর থাকর না।

    বখতিয়ার তাকে জিজ্ঞেস করল, তুমি কার সঙ্গে এখানে এসেছ?

    রোকসানা বলল, মজিদ চাচুর সঙ্গে। সে বাজারে গেছে।

    তখন বখতিয়ার তাকে সঙ্গে করে বাড়ি নিয়ে এল।

    ঘরে এসে রোকসানা মাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে কাঁদতে বলল, আম্মু, আমি আর দাদিদের বাড়িতে যাব না।

    রোকেয়া এতদিন পরে মেয়েকে পেয়ে বুকে চেপে ধরে চোখের পানি ফেলতে ফেলতে বলল, না মা আমিও আর তোমাকে সেখানে পাঠাব না।

    এদিকে মজিদ বাজার থেকে ফিরে এসে ডাক্তারখানায় রোকসানাকে দেখতে না পেয়ে এদিক-ওদিক অনেক খোঁজাখুঁজি করল। শেষে না পেয়ে ভাবল, তাহলে ওর মামারা কেউ ওকে একা পেয়ে কি এখান থেকে নিয়ে গেছে? একথা ভেবে রোকসানার মামাদের বাড়িতে গেল। ভাবির কোলে রোকসানাকে দেখে মজিদ বলল, এভাবে চুরি করে আনার কি দরকার ছিল? ঘর থেকে আনতে গেলে আমরা কি মেয়েকে দিতাম না?

    রোকেয়া দেবরকে খুশি করার জন্য মাকে বলল, মেজ ভাইয়ের কি কাণ্ড দেখ আম্মা, সে আমার দেবরকে না বলে ডাক্তারখানা থেকে রোকসানাকে নিয়ে চলে এসেছে। আমার শ্বশুর বাড়ি গিয়ে তো আনতে পারত? তারপর মজিদকে আপ্যায়ন করিয়ে বিদায় দিল।

    কয়েকদিন পরে মজিদ রোকসানাকে নিয়ে যেতে এলে রোকেয়া বলল, তোমরা মেয়েকে নিয়ে গিয়ে আর দিয়ে যাও না। কেউ আনতে গেলে তার সাথেও পাঠাও না। আমি রোকসানাকে আর ওখানে পাঠাব না।

    এরপর একদিন হারুনের দুভাই হানিফ ও মজিদ রোকসানাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য স্কুলে গেল। কিন্তু সেদিন রোকসানা স্কুলে যায়নি। তাই তারা ফিরে গেল।

    সেদিন রোকেয়ার এক চাচাতো বোন এসে বলল, জান আপা, আজ স্কুল থেকে রোকসানাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য ওর দুই চাচা এসেছিল, রোকসানাকে না পেয়ে ফিরে গেছে।

    তারপর থেকে রোকেয়া রোকসানাকে আর স্কুলে পাঠাল না। নিজে তাকে ঘরে পড়াতে লাগল। শুধু পরীক্ষার সময় শাহেদ আলী নিজে নাতনিকে সাথে করে স্কুলে নিয়ে যান নিয়ে আসেন। এভাবে দিন অতিবাহিত হতে লাগল।

    .

    রোকসানার বয়স এখন সাত বছর। সে তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী। একদিন দুবাই থেকে হারুনের চিঠি এল। রোকেয়া চিঠিটা খুলে পড়তে লাগল।

    প্রিয়তমা আমার,

    আমি তোমার বিরহে দিন-রাত অস্থির হয়ে আছি। এই সুদূর বিদেশে কেবলই তোমার শেফালি শুভ্র মুখখানা মনে পড়ে। কয়েকদিন ধরে তৃষ্ণার্ত চাতকের ন্যায় তোমার চিঠির আশায় প্রহর গুনছিলাম। আজ তোমার প্রেরিত টক-ঝাল-মিষ্টি মেশান চিঠি পেয়ে আমার তৃষ্ণা মিটল। তবে দুধের স্বাদ কি ঘোলে মেটে? যাক, তুমি ভালো আছ জেনে আমার মরা গাছে যেন ফুল ফুটল। শরীরে ও প্রাণে স্পন্দন জাগল। আর তুমি কি না, আমি তোমাকে ভুলে গেছি বলে অভিযোগ করেছ। সত্যি কি তোমাকে ভুলে থাকা আমার পক্ষে সম্ভব? গ্রহ ছাড়া কি উপগ্রহ থাকতে পারে? তুমি যে আমার মরুদ্যানের সজল মৌসুমী বায়ু। তোমার লক্ষ লক্ষ টন পানি চুষে এ মরুদ্যান সবুজ শ্যামল ফুলে-ফলে ভরপুর হবে। সেই আমি কি করে তোমায় ভুলে থাকব? ছায়া বরং কায়ার মায়ায় বিস্মৃত হয়ে পিছু হটতে পারে, পূর্বদিকে সূর্য না উঠে পশ্চিম দিকে উঠতে পারে, কিন্তু আমি কোনোদিন তোমাকে ভুলতে পারব না। আসলে কি জান রোকা, তোমার কাছে যাওয়ার জন্য আমার মন উন্মাদ হলে কি হবে, যখন সংসারের অশান্তির কথা মনে পড়ে, তখন আর দেশে যেতে আমার মোটেই ইচ্ছে করে না। তবে এবার ঠিক যাব। তুমি কোনো চিন্তা করো না। মামণি রোকসানার জন্যও আমার মন খুব অস্থির হয়ে উঠেছে। ওকে আমার আন্তরিক দোয়া ও স্নেহচুম্বন দিও। পরিশেষে আল্লাহপাকের দরবারে তোমাকে ও রোকসানাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে আরামে রাখার জন্য। দোয়া করছি। সবশেষে তোমার তুলতুলে দুগালে কয়েকটা চুমো দিলাম।

    ইতি
    হারুন

    রোকেয়া হারনের চিঠি পড়ে তার উত্তর লিখল,

    ওগো প্রাণ সজনী,

    তোমাকে জানাই আমার শতকোটি সালাম ও প্রেম-ভালবাসা। কেমন আছ? নিশ্চয় ভালো? আল্লাহপাকের কাছে আমিও তাই কামনা করি। আজ তোমার উচ্ছ্বাস ও আনন্দ মেশানো চিঠি আমার হস্তগত হল। চিঠিটা পড়ে আমার উষ্ণমনে এক পশলা বৃষ্টি বয়ে এনেছে। নিঃসঙ্গতার বেদনা ও জ্বলন্ত বিরহের মাঝে সেই বৃষ্টি শান্তির ধারা বর্ষিত হয়েছে। ওগো প্রাণপ্রিয় স্বামী, তোমার স্মৃতি ও ভালবাসা আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছে। জীবন যুদ্ধে জয়ী হওয়ার জন্য প্রেরণা জোগাচ্ছে। তুমি আমাকে কতটুকু ভালবাস জানি, আমি কিন্তু মন-প্রাণ দিয়ে তোমাকে ভালবাসি। তুমি যাদুমাখা চিঠি দিয়ে আমাকে ভুলিয়ে রেখে অভিনয় করে চলেছ। এটা কি স্বামীর কর্তব্য? না এটা স্ত্রীর প্রতি স্বামীর ভালবাসার স্বরূপ? আমাদের বিয়ে হয়েছে আজ আট বছর পার হয়ে গেল। এর মধ্যে আমরা একত্রে বাস করেছি ছয়-সাত মাস। আর বাকি সময়গুলো বিরহের মধ্যে কেটেছে। কিসের ভয়ে আসছ না? তুমি না পুরুষ? তুমি এসে আমাদের সমস্যাটা সমাধান করে যাও। সবাই যেন সুখে থাকে সে ব্যবস্থা কর। তোমার আম্মা তো আমাকে অপছন্দ করেই। এখন তুমি যদি আমাকে নিয়ে সংসার করতে না চাও, তাতে আমার কোনো আপত্তি নেই। আমি চাই তোমাদের সকলের সুখ-শান্তি। সংসারে অশান্তির কারণে তুমি স্ত্রী ও মেয়েকে ফেলে রেখে বিদেশে সারা জীবন কাটিয়ে দেবে-এটা কখনো হতে পারে না। তুমি ফিরে আস। কপালে যা আছে, তা না হয়ে যাবে না। অদৃষ্টের লিখন কে করিবে খণ্ডন? এদিকে আমার শরীর একেবারে খারাপ হয়ে গেছে। যাকে বলে জীবন্ত কংকাল। আমার কথা না হয় ছেড়েই দিলাম, রোকসানার কথাও কি তোমার মনে পড়ছে না? সে তোমাকে দেখার জন্য মাঝে মাঝে কান্নাকাটি করে। তার কথা মনে করে হলেও তোমার একবার দেশে আসা উচিত। বিশেষ আর কি লিখব। আল্লাহপাকের দরবারে দোয়া করি, তিনি যেন তোমায় সুখে রাখেন।

    ইয়ি
    তোমার অভাগিনী রোকা।

    রোকেয়ার শরীর দিনের পর দিন জীর্ণ হয়ে পড়ছে। একে স্বামীর ও সংসারের চিন্তা। তার উপর রোকসানা হওয়ার দুবছর পর থেকে তার পেটে এক ধরনের ব্যথা শুরু হয়েছে। আজ প্রায় ছবছর হতে চলল, প্রতিমাসে একবার করে কয়েক দিন ব্যথাটা হয়। প্রথম তিন দিন তো পেটের ব্যথায় বিছানা ছেড়ে উঠতে পারে না। এমনভাবে পেটে কামড় দেয়, যা সে বলতে পারে না। পায়খানা করতে খুব কষ্ট হয়। মনে হয়, প্রাণ বেরিয়ে যাবে। তিন দিন পর পেট ফুলে যায়। পাঁচ-ছদিন পর ভালো হয়ে যায়। এতদিন কত হোমিওপ্যাথিক, এ্যালোপ্যাথিক, কবিরাজী ও হেকিমি চিকিৎসা করিয়েও কোনো কাজ হয়নি। এখন সেই ব্যথা ক্রমশ বেড়ে চলেছে।

    রোকেয়ার বড় বোন রূপার স্বামী বশির কুমিল্লা টাউনে একটা বড় দোকান দিয়েছে। বাড়ি থেকে যাতায়াত করতে অসুবিধে হয় বলে সেখানে বাসা ভাড়া করে স্ত্রী ও ছেলেমেয়ে নিয়ে থাকে। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে।

    একদিন রূপা বাপের বাড়ি বেড়াতে এল। এসে রোকেয়া অবস্থা দেখে বলল, কিরে তোর শরীর যে একদম ভেঙে গেছে। ভালো করে চিকিৎসা করাচ্ছিস না কেন? সে বোনের অসুখের কথা জানে।

    রোকেয়া বলল, চিকিৎসা তো কম করাছি না; কোনো উপকারই হচ্ছে না।

    রূপা বলল, তোকে এবারে আমি কুমিল্লা নিয়ে যাব। তোর দুলাভাইকে বলে বড় ডাক্তার দিয়ে চিকিৎসা করাব।

    রোকেয়া বলল, আমার মনে হয়, এ রোগ আর ভালো হবে না। শুধু শুধু টাকা খরচ করে কোনো লাভ নেই।

    রূপা বলল, তোর কথা ঠিক নয়। আল্লাহর হুকুম যতদিন না হয়, ততদিন কারো রোগ ভালো হয় না। ওষুধ খেলেও কাজ হয় না। কারণ ওষুধের উপরও আল্লাহর হুকুম থাকে।

    রূপা কয়েকদিন থেকে যাওয়ার সময় জোর করে রোকেয়াকে কুমিল্লা নিয়ে এল। তারপর একজন বড় ডাক্তারের কাছে রোকেয়াকে দেখাল।

    ডাক্তার রোকেয়াকে পরীক্ষা করে তিন মাসের ওষুধ দিয়ে বললেন, এগুলো শেষ করার পর দেখা করবেন। আর দুচারদিনের মধ্যে মাথার, পেটের ও বুকের এক্স-রে এবং রক্ত, প্রস্রাব ও পায়খানা পরীক্ষা করাতে বললেন।

    রোকেয়া আপার বাসায় সাত-আট দিন থেকে ডাক্তারের কথামত সবকিছু করিয়ে ডাক্তারকে দেখাল।

    ডাক্তার সব রিপোর্ট দেখে বললেন, ঠিক আছে, আপনাকে যে ওষুধগুলো খেতে দিয়েছি, ঐগুলো খেয়ে আমার সঙ্গে দেখা করবেন।

    রোকেয়া আরো দুদিন থেকে বদরপুর ফিরে এল। তিন মাস ওষুধ খেয়েও কোনো কাজ হল না। তারপর সেই ডাক্তারের কাছে আর যাওয়া হল না। কারণ রূপা চিঠি দিয়ে জানাল, তিনি বিদেশ চলে গেছেন।

    .

    হারুনের সেজ ভাই হোসেন দুবছর হল বিদেশ গিয়েছিল। এর মধ্যে সে দেশে ফিরল। একদিন হোসেন ভাবি ও ভাইজীকে দেখার জন্য বদরপুর এল।

    বাহাদুর সদরে ছিল। তাকে দেখতে পেয়ে বলল, বিয়াই, কেমন আছেন?

    হোসেন বলল, ভালো আছি। তোমরা সব ভালো আছ?

    বাহাদুর বলল, হ্যাঁ, ভালো আছি। তারপর তাকে সদরে বসতে বলে বলল, আপনি বসুন, আমি মেজ আপাকে ডেকে দিচ্ছি। একথা বলে সে বাড়ির ভেতরে গিয়ে রোকেয়াকে বলল, মেজ আপা, হোসেন বিয়াই এসেছে। তাকে আমি সদরে বসতে বলেছি।

    রোকেয়া রোকসানাকে সঙ্গে নিয়ে সদরে হোসেনের কাছে এল।

    হোসেন সালাম দিয়ে বলল, ভাবি কেমন আছ?

    রোকেয়া সালামের উত্তর দিয়ে বলল, আমি কেমন আছি, তা তো দেখতেই পাচ্ছ। তোমরা সব কেমন আছ বল।

    হোসেন বলল, আমরা ভালো আছি। কিন্তু তোমার শরীর এত ভেঙে গেল কেন?

    রোকেয়া ম্লান হেসে বলল, সেকথা তোমার জেনে কোনো লাভ নেই। যার লাভ ছিল সে যখন কোনো খোঁজ-খবর রাখছে না তখন আর বলে কি হবে? যাক,তোমার বড় ভাইয়ার কি খবর? সে দেশে আসছে না কেন?

    হোসেন বলল, তা আমি কি করে বলব? বড় ভাইয়ার কথা থাক। আমি তোমাকে ও রোকসানাকে নিয়ে যেতে এসেছি। তুমি যাবে কিনা বল?

    রোকেয়া বলল, আমি যাব না। তুমিও একদিন আমাকে বাপের বাড়ি চলে আসতে বলেছিলে। এখন আবার যেতে বলছ কেন?

    হোসেন বলল, আমি তোমার কাছে সে কৈফিয়ত দিতে আসিনি। তুমি যাবে কিনা বল?

    রোকেয়া বলল, আমিও তোমাকে সেসব কথা বলতে চাই না। তুমি বলতে বাধ্য করলে, তাই বললাম।

    হোসেন বলল, তাহলে তুমি যাবে না?

    রোকেয়া বলল, না যাব না।

    হোসেন বলল, তাহলে রোকসানাকে নিয়ে যাই।

    রোকেয়া বলল, না রোকসানাও যাবে না।

    হোসেন বলল, কথা দিচ্ছি, রোকসানাকে কয়েকদিন পরে আমি নিজেই দিয়ে যাব।

    রোকেয়া বলল, আমি তোমার কথা বিশ্বাস করি না।

    হোসেন আর কিছু না বলে চলে গেল।

    মাসখানেক পর হোসেন আবার একদিন এসে রোকসানাকে দেখে গেল। তার তিন-চার মাস পর বিদেশ যাওয়ার আগের দিন আর একবার রোকসানাকে দেখার জন্য এল। কিন্তু সেদিন রোকসানা বাড়িতে ছিল না। তার নানির সাথে বেড়াতে গিয়েছিল। তাই হোসেন তাকে দেখতে পেল না।

    হোসেন বিদেশে গিয়ে বড় ভাই হারুনকে বলল, আমি রোকসানাকে দেখতে বদরপুর গিয়েছিলাম। কিন্তু ভাবি তাকে দেখা করতে দেয়নি। লুকিয়ে রেখে বলল, সে বেড়াতে গেছে।

    কিছুদিন পর হারুন রোকেয়াকে চিঠি দিয়ে বলল, রোকা তুমি কি চিরকাল পাগলামি করবে? হোসেন রোকসানাকে দেখতে গেলে, না দেখিয়ে লুকিয়ে রাখলে কেন?

    স্বামীর চিঠি পড়ে রোকেয়ার খুব দুঃখ হল। ভাবল, চিঠিতে কিছু লিখলে ভাববে, আমি সাফাই গাওয়ার জন্য মিথ্যে করে লিখেছি। সে বিদেশ থেকে আসলে রোকসানার মুখ দিয়েই সত্য-মিথ্যা যাচাই করাব। রোকসানা এখন সবকিছু বুঝতে শিখেছে। সে-ই তার বাবাকে বলবে। এসব ভেবে রোকেয়া স্বামীর চিঠির উত্তর দিল না।

    হারুন রোকেয়ার কাছ থেকে উত্তর না য়ে আরো দু-তিনখানা চিঠি দিল।

    রোকেয়া তবুও উত্তর দিল না। কারণ সে প্রত্যেক চিঠিতে লিখে, আমি আগামী মাসে আসব। অথবা ঈদের পর আসব,না হয় কোরবানীর ঈদের পর আসব। এই আসব আসব করে আজ পাঁচ-ছবছর পার করে দিয়েছে। তবুও আসল না। রোকেয়ার মনে। হল, আসবার কথা লিখে আমাকে সান্ত্বনা দেয়। আসলে সংসারের অশান্তির ভয়ে সে আসবে না।

    হানুফা বিবিকে তার সব ছেলেই ভয় করে। ভয় করে না শুধু সেজ ছেলে হোসেন। কিছুদিন আগে তার বিয়ে হয়েছে। বিয়ের সময় রোকেয়াকে কোনো কিছু জানানো হয়নি। বিয়ের পরে হোসেন মাকে বলল, আম্মা, সংসারের ব্যাপারে আমাকে ও আমার বৌকে এবং আমার শ্বশুর বাড়ির কাউকে ভালো-মন্দ কোনোকিছু বলবে না। যেদিন : বলবে, সেদিন তুলকালাম কাণ্ড করে ছাড়ব। সেই ভয়ে হনুফা বিবি তেমন বেশি কিছু না বললেও মাঝে-মধ্যে বৌকে বকাঝকা করতে ছাড়েননি। ঐ যে লোকে বলে, ইজ্জত যায় না ধুলে, আর স্বভাব যায় না মরলে।

    .

    রোকসানা একদিন মাকে বলল, আম্মু, আমার আব্ব কোথায়? আমি তাকে কোনোদিন দেখিনি।

    রোকেয়া বলল, মামণি, তোমার আব্ব বিদেশ গেছে। তুমি তখন ছোট ছিলে। তিনি তোমার জন্য অনেক সুন্দর সুন্দর জামা-কাপড় ও কত খেলনা নিয়ে আসবেন।

    রোকসানা বলল, আমার অনেক জামা-কাপড় আছে আর লাগবে না। তুমি আব্বকে আসতে বল। সব ছেলেমেয়েরা তাদের আল্লুকে আব্ব বলে ডাকে। আমারও ডাকতে ইচ্ছে হয়।

    রোকেয়া মেয়েকে জড়িয়ে ধরে আদর করতে করতে বলল, ঠিক আছে, আমি চিঠিতে তোমার কথা লিখে তাকে তাড়াতাড়ি চলে আসবে বলব।

    রোকেয়ার চাচাতো ভাইয়ের তুষার নামে একটা সাত-আট মাসের ছেলে আছে। রোকসানা তাকে নিয়ে সারাদিন থাকে। একদিন সে তার মাকে বলল, আম্মু, তুষারের মত একটা ভাইয়া আমাকে এনে দেবে। আমি তাকে নিয়ে খেলা করব।

    রোকেয়া বলল, তোমার ঐরকম ভাইয়া কিনতে গেলে অনেক টাকা লাগবে। অত টাকা আমার কাছে নেই।

    রোকসানা বলল, তুমি আল্লুকে চিঠি দিয়ে অনেক টাকা পাঠাতে বল। আব্ব টাকা পাঠালে ঐরকম ভাইয়া কিনে নিয়ে আসবে।

    রোকেয়া বলল, তাই হবে।

    রোকসানা আবার বলল, আচ্ছা আম্মু, তোমার বাচ্চা হয়নি কেন? তুষারের মত একটা বাচ্চা হলে তাকে আমি কত আদর করতাম। সে আমাকে আপা বলে ডাকত, তাই না আম্মু?

    মেয়ের কথা শুনে রোকেয়ার চোখে পানি এসে গেল। তাকে বুকে চেপে ধরে চোখের পানি ছেড়ে দিয়ে বলল, আল্লাহ দেননি, তাই হয়নি। আল্লাহ যখন দেবেন, তখন তুমি আদর করো কেমন!

    রোকসানা মাথা নেড়ে বলল, আচ্ছা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালোমেয়ে – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article জানি তুমি আসবে – কাসেম বিন আবুবাকার

    Related Articles

    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    জানি তুমি আসবে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কালোমেয়ে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    একদিন অপরাহ্নে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কে ডাকে তোমায় – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্ষমা – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }