Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কীর্তিহাটের কড়চা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1956 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কীর্তিহাটের কড়চা – ২.৮

    ৮

    সুরেশ্বর বললে—সুলতা, তুমি নিশ্চয় জান, অন্তত এম.এল.এ. সুবোধবাবুর বক্তৃতায় শুনেছ, পশ্চিমবাংলায় জমিদারেরা পার্মানেন্ট সেটেলমেন্টের সময় প্রজার কাছে খাজনা আদায় করে কোম্পানী সরকারকে দিত তার ৯০ ভাগ, নিজেরা পেত ১০ ভাগ। সেই স্থলে তারা ক্রমে খাজনা বাড়িয়ে যে আয় করেছিল বা করেছে তাতে এখন সরকারের ভাগ হয়েছে ২১, জমিদার লাভ করে ৭৯। বাংলার সরকারের রাজস্ব আয় এখন এক কোটি বারো লক্ষ—আর জমিদারের আয় সাত কোটি ঊনআশী লক্ষ। তার পথ আবিষ্কার করেছিলেন যাঁরা, তাঁদের মধ্যে সোমেশ্বর একজন।

    সোমেশ্বর এতেই মেতেছিলেন।

    জামাই কলকাতায় পড়ছিল। জামাই বিমলাকান্ত সুপুরুষ, শান্ত বুদ্ধিমান। তার সম্বন্ধে তাঁর চিন্তা ছিল না। কাত্যায়নী কিন্তু বলতেন-বিমলের সম্পর্কেই ভাবনা আমার। ও চালকলা-বাঁধা বামুনের ছেলে, ছেলেবেলায় যজমান চরিয়েছে তো। বিমলাকে যদি আমার রোগেই পায় তবে কুলীনের বেটা সংস্কৃতজানা যজমান-চরানো ছেলে ও কি—?

    অর্থাৎ ও কি আবার তাহলে বিয়ে না করে সেবাদাসী বাঈজী নিয়ে সন্তুষ্ট থাকবে? আমি যে মাথায় মাথায় ভাবছি গো।

    তারপর ছেলে বীরেশ্বরকে দেখিয়ে বলতেন, আর দেখ না, এই ভটচায্যি থেকে রায় হওয়া হারামজাদাকে দেখ না! সেই যে না, হিদুর ছেলে মুসলমান হলে কালাপাহাড় হয়, ঠিক তাই। একেবারে মেলেচ্ছ হল।

    নয় বছরের বীরেশ্বরের সঙ্গে রবিনসন সাহেবের ছেলে জনি, জন রবিনসনের খুব ভাব হয়েছে। তার বোন মেরীর সঙ্গেও ভাব। সে সকালবেলা উঠেই টাট্টু ঘোড়ায় চড়ে চলে যায় কুঠী-বাড়ীতে। বেলা বারোটায় এসে খায়। তাতেও তার আপত্তি। ওখানে খাবে না কেন? ওখানে সে জনির সঙ্গে হুটোপুটি করে, গুলতিতে শিকার করে। বন্দুক নিয়ে বড় রবিনসন শিকার করে, সঙ্গে সঙ্গে ফেরে। বীরা, বীরেশ্বরকে পাদরী হিল সাহেব বলে, বীরা; বীরা হেলে সাপের লেজ ধরে ঘুরপাক খাইয়ে ওদের বিস্ময় অর্জন করে বীর হয়ে ওঠে।

    মায়ের কথা শুনতে পেলে সে ক্ষেপে যায়, বলে, খবরদার, হারামজাদা তুমি বলবে না। মা বলত-বললে কি করবি রে হারামজাদা!

    প্রথম প্রথম আপন মনে গজগজ করত সে, তারপর বলত, তাহলে তোমাকেও বলব হারামজাদী।

    প্রথম দিন শুনে রাগে অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলেন তিনি।

    সেবারেই বিমলার প্রথম সন্তান হল—হল সেই কাত্যায়নীর মত মরা ছেলে। শিউরে উঠলেন কাত্যায়নী।

    মেয়েকে নিয়ে কলকাতায় এসে ডাক্তার দেখিয়ে কাত্যায়নী ফিরে গেলেন। রেখে গেলেন জামাইয়ের সেবার জন্য একটি—

    হেসে সুরেশ্বর বললে-কি বলব সুলতা। খারাপ কথা একটু ভাল কথায় ঢেকে বা গিল্টি দিয়েই বলি। রেখে গেলেন একটি ‘তাম্বুলকরঙ্ক বাহিনী’। কলকাতার বাড়ীর নায়েব বা ম্যানেজারকে ডেকে শলাপরামর্শ করে ষোল বছরের জামাইয়ের জন্য একটি ষোড়শী মেয়েকে রেখে গেলেন। তার মাসোহারার বন্দোবস্ত করে, টাকা মাস কয়েকের অগ্রিম দিয়ে গেলেন। এবং তার কর্ম কি তাও বুঝিয়ে দিলেন।

    অনেক ভেবে-চিন্তে করেছিলেন।

    তাঁর লেখা একখানি চিঠি আছে, তাতে লিখছেন—কুলীনের ছেলে তদুপরি ভট্টাচার্য বংশের পুত্র পাগল বিমলাকে লইয়া ঘর না করিয়া পলায়ন করিয়া বিবাহ করিলে কি করিব? এই সমুদয় চিন্তা করিয়া তাহাকে বাঁধিয়া রাখিবার জন্য সেবাদাসী রাখাই স্থির করিলাম। আপনার জন্য বিধবা ব্রাহ্মণকন্যা রাখিয়াছিলাম, কিন্তু কলিকাল পূর্ণ হইয়াছে, ওদিকে ব্রাহ্মধর্ম অনাচার শুরু করিয়াছে। আবার বিধবা-বিবাহের হুজুগ উঠিয়াছে। সুতরাং ব্রাহ্মণকন্যা ভয়ে রাখিলাম না। মুসলমান বাঈজী রাখিলেও বিষম বিপদ ঘটিতে পারে। যদি মুসলমান হইয়া যায়। অগত্যা নানাবিধ শলাপরামর্শ করিয়া ও খোঁজ করিয়া একটি বেশ্যা-কন্যাকেই পছন্দ করিলাম। মেয়েটির মা অত্র কলিকাতার বিখ্যাত ঘোষালবাবুদের বাড়ির বড়কর্তার বাঁধা খেমটাওয়ালী।

    চিঠিখানা সোমেশ্বর রায়ের চিঠির দপ্তর থেকে পেয়েছি। যা ছিল ওই সিন্দুকের মধ্যে। বাড়ী এসে কাত্যায়নী চারিদিকে খোঁজ করতে লাগলেন সাধু-সন্ন্যাসীর—বিশেষ করে তান্ত্রিক সাধুর। তান্ত্রিক শ্যামাকান্তের ওষুধ এবং যাগ-যজ্ঞের ফলে তাঁর অসুখ ভাল হয়েছে। সুতরাং তাঁর দৃষ্টিতে ও ছাড়া পথ দেখতে পান নি। তান্ত্রিক শ্যামাকান্ত তাঁর কিছু ওষুধ গ্রামের বায়েনদের দিয়ে গেছেন কিন্তু সে-সব জ্বর-জরির ওষুধ, আধ-কপালে মাথাধরার ওষুধ; বন্ধ্যা মেয়ের সন্তান হয়, এমন জড়িবুটি ওষুধও তারা জানে। কিন্তু মৃতবৎসাদোষ সারে, মাথার পাগলামির ওষুধ—এ তারা পায়নি।

    ওদিকে ঘটেছিল বিপর্যয়!

    জামাই বিমলাকান্ত পলাতক হয়েছিলেন কলকাতা থেকে। একেবারে এসে উঠেছিলেন মাতামহের ভিটেতে। মাতামহী তখন গত হয়েছিলেন বৎসর দুয়েক পূর্বে। ঘর-দোর অবশ্য সোমেশ্বর রায়ের বন্দোবস্তে সুরক্ষিতই ছিল। সোমেশ্বর রায় ঘর-দোর মেরামত করিয়েছিলেন, নতুন কোঠাঘর করিয়েছিলেন, যে ঘর পাকাঘরের মতই অথচ তার থেকেও আরামদায়ক। পাকা বারান্দা, পাকা মেঝে, চুনকাম করা দেওয়াল, শুধু চালই খড়ের। ইচ্ছে ছিল পাকা ঘরই করিয়ে দেবেন। কিন্তু আপত্তি হয়েছিল দু দিক থেকে। প্রথম, স্ত্রী রাজকুমারী কাত্যায়নী দেবীর দিক থেকে, বলেছিলেন, না। তারপর মুখ নেড়ে বলেছিলেন—ঘটে যদি বুদ্ধি থাকে তবে এসব কি খুলে বলতে হয়? জন জামাই ভাগনা তিন নয় আপনা। মেয়ের বিয়ে হলেই মেয়ের আবার মান বাড়ে। এখানে একটা কিছু হবে আর পাকাবাড়ি থাকলে হনহন করে গিয়ে ঘরে উঠে খিল দেবে। পাকা ঘরে বাস করে খড়ের চালে মানুষ থাকতে পারে না। মনে হয় সাপে কামড়াবে, আগুন লাগবে, ঝড়ে উড়বে। ও থাক।

    আর আপত্তি করেছিলেন বিমলাকান্তের মাতামহী, ও থাক বাবা। পাকা ছাদ ঘর করতে নেই। ও গরমে মানুষকে পচিয়ে দেয়। তোমার বাড়িতে মহল করে দিয়েছ সেই ঢের। এই ভটচাজের ভিটেতে ওটা করো না।

    বিমলাকান্ত পাকাবাড়ীতে বেশ ক’বছর থেকেও ওখানে গিয়ে থাকতে অসুবিধা বোধ করেননি। আসবার সময় শ্বশুরকে চিঠি লিখে এসেছিলেন, সে চিঠি আমি পেয়েছি। লিখেছিলেন, ভক্তিপূর্বক অসংখ্য প্রণামান্তর নিবেদনমিদং পরে লিখি যে, আমি অদ্যই শ্যামনগর রওনা হইতেছি। অতঃপর স্থির করিয়াছি যে, সেখানেই জীবন নির্বাহ করিব। এ ধনৈশ্বর্য, এ সম্ভোগ আমার কোনমতেই সহ্য হইতেছে না। সারমেয়ের ঘৃত যন্ত্রপ সহ্য হয় না, তদ্রূপই বলিতে হইবে। কিন্তু আমি ভট্টাচার্য ব্রাহ্মণ ঘরের সন্তান। আমার পিতা সাধক ছিলেন। মাতামহ ক্রিয়াবান শাস্ত্রজ্ঞ ব্যক্তি ছিলেন। আমি বাল্যকালে ভক্তিমতী ভট্টাচার্য-গৃহিণী মাতামহীর নিকট যে সকল শিক্ষা লাভ করিয়াছি তাহা বিস্মৃত হইতে পারিতেছি না। উপনয়নের পর আমিও স্বহস্তে ‘নারায়ণশিলা’র সেবা করিয়াছি। ইহার পর এবম্বিধ রাজৈশ্বর্য বাদশাহী, ম্লেচ্ছসুলভ ভোগ আমার জন্য নহে। বাল্যকালে কোন কদাচার হইলে মাতামহী বলিতেন, কদাচার করিলে ব্যাধিগ্রস্ত হয়, কুষ্ঠরোগ হয়। তাহা আমার পক্ষে বিভীষিকার সৃষ্টি করিয়াছে। যাহাই হউক অতঃপর গৃহে থাকিয়া শাস্ত্রচর্চা ও কুল-কর্ম করিয়াই কাল কাটাইব। পূজ্যপাদ মহাশয়, আমার কোন অভাবও রাখেন নাই। শ্বশ্রূমাতাঠাকুরাণী আমার জন্য দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হইয়া মদীয় মনোরঞ্জন এবং পরিচর্যার জন্য গীতবাদ্যনৃত্যকুশলা পরিচারিকা নিযুক্ত করিয়া দিয়া গিয়াছেন। ওদিকে হিন্দু কলেজেও আমার জীবন প্রায় অতিষ্ঠ হইয়া উঠিয়াছে। মহাশয়ের ইহা অগোচর নহে যে, তত্রস্থ ছাত্রবৃন্দের মধ্যে পরলোকগত ডিরোজিও সাহেবের মতাবলম্বী ধর্মবিশ্বাসহীন অনেক ছাত্র আছে। তাহারা মদ্যপান করে, গো-মাংস ভক্ষণ করে। তাহারা আমার মতামতের জন্য ব্যঙ্গ করে, অনেক সময় আমার পিরানের পকেটে উচ্ছিষ্ট হাড় ভরিয়া দেয়। জোরপূর্বক মদ্যপান করাইবার জন্য টানাটানি করে। আমি তাহাদের সহিত কলহে অপারগ। তাহার উপর এই পরিচারিকা নিয়োগকরণের জন্য আমি সব অন্ধকার নিরীক্ষণ করিতেছি। ধর্ম চরিত্র গেলে আর কি থাকে মনুষ্যের? সুতরাং আমি শ্যামনগর রওনা হইতেছি। শ্বশ্রুমাতাকে চিন্তা করিতে নিষেধ করিবেন। চিন্তার কোন কারণ নাই। আমি শপথপূর্বক কহিতেছি যে বিমলার অবস্থা যেমতই হউক না কেন, আমি দ্বিতীয় দারপরিগ্রহ কদাপি করিব না। ইহা ত্রিসত্য বলিয়া কহিতেছি। করিলে আমার চতুর্দশ পুরুষ নরকস্থ হইবেক। আমাকে যখন স্মরণ করিবেন তখনই শ্রীচরণে গিয়া হাজির হইব। কেবলমাত্র ধর্মাচরণ ও ধর্মরক্ষা হইলেই হইল। মহাশয়ের শ্রীচরণে আমার অসংখ্য কোটি প্রণাম নিবেদন করিতেছি। পরমারাধ্যা পুজনীয়া শ্বশ্রুমাতার চরণে—ইত্যাদি ইত্যাদি—।

    পত্রখানি আশ্চর্যই শুধু মনে হয় নি আমার সুলতা, একটি সত্যও আমি প্রত্যক্ষ করেছি। কোন দেশের সকল মানুষই পতিত হয় না। কোন ধর্মের এমন বিকৃতি কোন কালে ঘটে না, যাতে সব মানুষ বিকৃত হয়ে যায়। কোন কালেই এমন প্রমাণ নেই যা একটা জাতির সাধনার সবটুকুকে গ্রাস করে অবশেষে যা ফেলে রাখে তার সবই আবর্জনা। সেই কারণেই আজ মানুষ মাটি খুঁড়ে চলেছেই এবং তাদের মিলছেও অতীতের ধনরত্ন। সেকালে বিমলাকান্তের মত কিছু লোক ছিলেন। রেভারেন্ড কৃষ্ণমোহনদের দলকে যে গুড়ুম সভা মারধোর করেছিল, তাদের যত অপরাধই থাক, এদের ছিল না। আর গুড়ুম সভার বলেই সেদিন জাতটা বাঁচে নি। বেঁচেছিল এদের জোরেই।

    সুলতা হেসে বললে—মতপার্থক্য থাকতে পারে।

    অর্থাৎ একে তুমি বাঁচা বল না। বল ভূতের উপদ্রবে জীবনের মৃত্যু।

    সুলতা বললে-বললে ঝগড়া বাধবে, তর্ক উঠবে। তা করতে আমি আসি নি। আমি শুনতে রয়ে গেলাম, তাই বল।

    —বলছি। তবে সেদিন পথের মোড় না ফিরলে গোটা জাতটাও খ্রীশ্চান হয়ে যেতে পারত। এবং তাতে সম্ভবত তোমার মতে ভালই হত। আমরা তখন থেকেই কোটপেস্টালুন পরতে শিখতাম। মন্দিরগুলো গির্জে হয়ে যেত। তার সঙ্গে মসজিদগুলো যেতো কিনা আমার ঘোরতর সন্দেহ আছে। তাহলে তোমরা ভারতবর্ষের স্বাধীনতা আন্দোলন করতে না, করত এই মসজিদওয়ালারা। তোমরা খ্রীশ্চান হয়ে সাদা গুরুদের অনুগমন করতে।

    —না। কিন্তু ও রাখ সুরেশ্বর। বল, কড়চার কথা বল। আমি অবশ্যই বিমলাকান্তের এ আশ্চর্য দৃঢ়তা ও চরিত্রবলের প্রশংসা করছি, নমস্কার জানাচ্ছি। চরিত্র যেখানে বড় হয়ে ওঠে সেখানে যা ধরেই সে উঠুক না কেন তাই সত্য, তাই শ্রদ্ধার, তাই প্রগ্রেসিভ!

    —আর ঝগড়া রইল না। মিটিয়ে ফেললে তুমি। হাসলে সুরশ্বের। তারপর শুরু করলে- এর পর তুমি যা বললে, তাই হল অর্থাৎ জিতলেন বিমলাকান্তই। জমিদার সোমেশ্বরের বজরাটা সেদিন আবার রওনা হল শ্যামনগর। এবার তিনি একা নন, সঙ্গে শ্রীরাজকুমারী কাত্যায়নী দেবী এবং জমিদার-কন্যা বিমলা। গেলেন না কেবল বীরেশ্বর। তিনি বাড়ীতে হিল সাহেবের কাছে রইলেন। রবিনসন সাহেবের কুঠীতে গিয়ে জনি রবিনসনকে নিয়ে পাখী শিকার করে বেড়ালেন। তখন বন্দুক ছুঁড়তে শিখেছেন তিনি।

    সোমেশ্বর এবং কাত্যায়নী গিয়ে জামাইকে বলেছিলেন—বাবা, তুমি দেবতা। আমরা বুঝতে পারি নি। ইষ্টদেবতার নামে শপথ করে বলছি বাবা, তোমার রান্না আর রাজরাজেশ্বর প্রভুর রান্না একরকম পবিত্রতার সঙ্গে হবে।

    বিমলাকান্ত লজ্জিত হয়েছিলেন। এবং এসেও ছিলেন। বিমলা নাকি হাত ধরে বলেছিল, যাবে না তুমি? আমি কি করে থাকব?

    এরপর সোমেশ্বর বাড়িতে জামাতা ও পুত্রের সংস্কৃত পড়ার জন্য পণ্ডিত এবং পার্সী পড়ার জন্য মৌলবী রেখেছিলেন, ইংরিজী শেখাতেন ওই পাদরী হিল সাহেব। কড়াই বাটা আর ভাত পরিতোষ সহকারে খেয়ে ভিক্টোরিয়া যুগের খাঁটি ইংরিজী শেখাতেন। পণ্ডিত লোক ছিলেন।

    তিনি বলতেন, বীরা দি ইন্টেলিজেন্ট, বিমলা দি ডিলিজেন্ট। বিমলা খুব বড়া পণ্ডিটা হইবে। কিন্তু জিমিডার হইটে পারিবে না। বীরা জিমিডার হইবে। বিমলা টুমি যডি—শেষটা বলতেন না। কি সেটা তুমি অনুমান করতে পার। অর্থাৎ ক্রীশ্চান।

    ***

    সুলতা, একটা সিগারেট খেয়ে নিই। একটু জলও খাব। বকেছি অনেক না? দাও, জলের গ্লাসটা অনুগ্রহ করে এগিয়ে দাও।

    সিগারেট ধরিয়ে এক রাশ ধোঁয়া গিলে মুখে নাকে উদ্গীরণ করে সুরেশ্বর বললে, এইসব উপকরণের মধ্য থেকে সেই অসুখের মধ্যে ফুরসীতে তামাক খেতে ইচ্ছে হত। পাঁচ-ছ দিন জ্বরে ভুগেছিলাম। তার মধ্যে মেজঠাকুমা আমাকে তাঁর ঠাকুরমার ঝুলি প্রায় উজাড় করে ঢেলে দিয়েছিলেন। এবং একদিন ডেকে এনেছিলেন জ্ঞাতি ভটচাজদের প্রবীণতম ব্যক্তিটিকে। তিনি সম্পর্কে তাঁর শ্বশুর হতেন। মেজঠাকুরদার থেকে বয়সে বড়। প্রায় আশীর কাছাকাছি বয়স। ডেকেছিলেন আমার নাড়ী দেখতে। তিনি নাড়ী দেখে বলে দিতে পারেন, জ্বর কদিন থাকবে, কবে ছাড়বে। তিনি নাড়ি দেখে বলেছিলেন, সাদা জ্বর বউমা। ভয় নেই। পাঁচ দিন ভোগ। তবে কুইনিন যদি ফোঁড়ো তবে এক-আধ দিন কম হবে।

    হয়েছিল তাই। কুইনিন ইঞ্জেকশনে তিন দিনে জ্বরটা বেমক্কা ছোট ঘোড়ার রাশের টানে বাগ মানার মত বাগ, মেনেছিল কিন্তু পা ঠুকতে মাথা নিয়ে এপাশ-ওপাশ করতে ছাড়ে নি, মানে একটু করে টেম্পারেচার আরও দুদিন হয়ে ছাড়ল।

    সে যাক। পরে বলব।

    ঠাকুমা বলেছিলেন, সেকালের কথা শুনবে তো ওঁকে ধরো ভাই। উনি আমার খুড়শ্বশুর। তোমার ঠাকুরদার বয়সী। উনি অনেক জানেন।

    —কি ব্যাপার?

    —ও, রায়বংশের কথা শুনবে। জানে না তো। বাপ গেছেন অল্পবয়সে। মা এ বাড়ী আসেননি। আমি কাত্যায়নী দেবীর গল্প বলছিলাম।

    —ওঃ, তিনি ছিলেন রাজার মেয়ে, এখানে বলত রাজকুমারী বউঠাকরুণ। আড়ালে বলত বাঘিনীঠাকরুণ। শুনেছি, আমরা দেখি নি। তাঁর দাপে এ গাঁয়ে কোন অন্যায় কেউ করতে পারত না। স্বয়ং সোমেশ্বর রায় তটস্থ। পাদরী হিল সাহেব পর্যন্ত তটস্থ। একদিন কি হিন্দুধর্মের নিন্দে করেছিল। তিনি শুনে বলেছিলেন—ওই পাদরী মিনসেরে বলিস তো ওই সব যদি বলবে তো ওর দাড়ি চাঁচিয়ে দেব। আবার ভক্তিমতীও ছিলেন। শুনলেন কাঁদীর বাড়ীতে সিংহরাজাদের রাধাবল্লভ ঠাকুর সোনার ফুরসিতে তামাক খান তিনবার। একবার বাল্যভোগের পর, একবার দুপুরের ভোগের পর, একবার রাত্রে। অমনি হুকুম হল, রাজরাজেশ্বরেরও সোনার ফুরসীর ব্যবস্থা করতে হবে।

    পাঁচ দিনই তিনি এসে নাড়ী দেখে যেতেন, ঠাকুমা তাঁকে মিষ্টি খাওয়াতেন, চা খাওয়াতেন, তিনি আমাকে একদিন বলেছিলেন সোমেশ্বর রায়ের গল্প। বলতে তাঁর দ্বিধা ছিল বোধহয়। সোমেশ্বর রায়ের কোন ভাল দিক তাঁর মনে স্মৃতির ঘরে বোধহয় স্থানই পায়নি। যেটুকু পেয়েছিল সেটুকু সবই তাঁর আমিরীর কথা। বিশেষ করে দেহবিলাসের।

    .

    সেদিন ঠাকুমা ছিলেন না। হঠাৎ বললেন—তাই তো হে, বলব কি করে? একটু চুপ করে থেকে বলেছিলেন—তা তোমার বয়স অনেক হয়েছে, ষোল অনেক দিন পার হয়েছে। আমি তো তোমার ঠাকুরদাদার খুড়ো। বাহাত্তুরে পেরিয়েছি। তা শোন। সরস করে বলেছিলেন, সোমেশ্বরের এখানকার নৈশজীবনের কথা। কাত্যায়নী দেবী এক কন্যা এক পুত্রের পর স্বামী থেকে অব্যাহতি চেয়েছিলেন, তাঁর ভয় ছিল, তান্ত্রিক গত হয়েছেন, আবার যদি সন্তান গর্ভে এলে তিনি পাগল হন অথবা মৃতবৎসা রোগ আবার ধরে! এই জন্যে কলকাতা থেকে তাঁর পরিচর্যার জন্য দাসী তিনি এনেছিলেন। কিন্তু সোমেশ্বর তাতেও তৃপ্ত হতেন না। রাত্রিকালে বজরায় তাঁর আসর বসত ব্রাত্য মেয়েদের নিয়ে। কিন্তু জামাই বিমলাকান্ত আসতেই তাতে ছেদ টানতে হল। বৃদ্ধ হেসে বলেছিলেন, ভাই, সে আসর যেমন-তেমন আসর নয়। স্বর্গের দেবালয়ের আসরের মত আসর। সোমরসে বিভোর হয়ে সোমেশ্বর বসতেন চন্দ্রের মত আর ব্রাত্য মেয়েরা তাঁকে ঘিরে বসত নক্ষত্রের মত।

    শুনেছি। কানে-কানে বলেছিলেন, সে নাকি উলঙ্গের আসর। বাইরে বন্দুকধারী সিপাহী পাহারা দিত। বজরার কামরার দরজা আগলে থাকত তারাচরণ হাড়ি। সে ছিল একটি ব্যাঘ্র বিশেষ।

    সুলতা, হয়তো বুড়োর নিজের মনেও এ নেশার ঘোর কাটে নি। সেই নেশার ঘোরেই দন্তহীন মুখে গল্প করেছিলেন। বলা শেষ করেও হাসি মিলায় নি তাঁর। বৃদ্ধের জিভখানা ফোকলা মুখের মধ্যে থরথর করে কাঁপছিল। বলব কি তোমাকে, তার ছোঁয়াতে আমার জ্বরজর্জর দেহে-মনেও একটা নেশা লেগেছিল। সেই সময় তোমাকে একখানা পত্র লিখেছিলাম। তাতে জ্বরের কথা লিখিনি, লিখেছিলাম এখানকার গোয়ানপাড়ার মেয়েদের কথা। তাতে খুব রসিকতা এবং উল্লাস ছিল। যেটা আমার নেশালাগার সত্যকে গোপন করবার জন্যেই বোধহয় লিখেছিলাম

    গোয়ানদের মেয়েগুলো কাঁসাইয়ের ধারে এসে দাঁড়িয়ে ডাকত—ঐ বাবু সাহেবের নোকর এ রঘু মহারাজ!

    রঘু যেত না—যেতেন মেজঠাকুমা —বলতেন, কি লা বজ্জাত ছুঁড়ীরা?

    —বাবু কেমন আছে গো মাঝলা বিবি রাণী।

    —মরণ। ফের যদি বিবি বলবি তো ডিকুকে বলব, চুলের ঝুঁটি ধরে কিল মারবে পিঠে। বিবি কি লা? মা বলতে পারিস না?

    ওরা হাসত। খিলখিল করে হাসত।

    মেজঠাকুমা বলতেন, বল না পোড়রামুখীরা কি বলছিস?

    —বললাম তো। বাবু হুজুর কেমন আছে গো!

    —জ্বরে আছে। যা পালা।

    কোন কোন দিন আমি নিজেই যেতাম। ওরা যে কত আহা উহু করত সে কি বলব। হায় হামারা নসীব! বাবুর কাছে বোখার হল গো! হামার কেনো হলো না! আঃ বাবু! তোমার চাঁদের পারা মুখ শুখায়ে গেল গো। রোজী বেচারীর নিদ নাই গো!

    সঙ্গে সঙ্গে দলটাকে দলটা হেসে উঠত। আমার অসুস্থ দেহের উত্তপ্ত রক্ত আবার উত্তপ্ত হত। মনে হত রায়বংশের ধারাটা যেন এই রক্তসমুদ্রের ঈশান কোণে ঝড়ের মত উঁকি দিচ্ছে। সাত দিনের দিন, ছদিন উপবাস করে যেদিন পথ্য করলাম সেদিন, মেজঠাকুমা কাত্যায়নীর মৃত্যু পর্যন্ত এসে পৌঁছেছিলেন।

    তবে মৃত্যুর কথাটা বলি। সেটা আমার ভাল লেগেছিল।

    মেজঠাকুমা বলেছিলেন, ভাই, স্বামী পুত্র এবং জামাই রেখে কাত্যায়নী দেবী ডঙ্কা বাজিয়ে চলে গেলেন। সজ্ঞানে দেহত্যাগ যাকে বলে, তাই। সামান্য তিন দিনের জ্বর। তিন দিনের দিন সকালে স্বামীকে ডেকে বললেন, ও গো, আজ আমি যাব।

    —সে কি? কি যাতা বলছ?

    —ঠিক বলছি। কবরেজ ভাল আছে বলে গেল, ও ধরতে পারলে না। আজ যেন কোথাও যেয়ো না। তাই হল ভাই। সেই রাত্রেই গেলেন। স্বামীকে ডেকে বললেন, তোমার পা দুটো আমার মাথায় ঠেকিয়ে দাও। আবার আসছে জন্মে যেন তোমাকে পাই। এই আশীর্বাদ কর।

    হাউ হাউ করে কেঁদেছিলেন সোমেশ্বর।

    কাত্যায়নী দেবী ধমক দিয়েছিলেন, দেখ দেখ, বুড়োবয়সে ছেলে জামাই মেয়ের সামনে ঢঙ দেখ! চুপ কর। চুপ কর বলছি। হ্যাঁ!

    জামাইকে বলেছিলেন-বাবা, তুমি আমার দেবতা। বিমলাকে তোমার হাতে দিয়ে আমি নিশ্চিন্ত হয়ে যাচ্ছি।

    ছেলেকে বলেছিলেন, আমাকে অনেক কষ্ট দিয়েছিস। আমি হারামজাদা বললে, তুই আমাকে হারামজাদী বলেছিস। যা বারণ করেছি তাই করেছিস। বুড়ো বাপকে যেন কষ্ট দিস না, বুঝলি!

    বীরেশ্বর ভুরু কুঁচকে বসেছিলেন।

    —আর বিমলাকান্ত দেবতা। তার অসম্মান করিস না। তোর দিদি—

    বীরেশ্বর বলেছিলেন—তুমি দিদিকে যত ভালবাস তার থেকে আমি দিদিকে বেশী ভালবাসি। তুমি বরং চুপ কর। এত বকলে অসুখ বাড়বে। অসুখ হয়েছে ক’দিন, অমনি মরব বলে একটা হৈ-হৈ লাগিয়ে দিলে।

    —তুই একটা হারামজাদা রে! একেবারে নাস্তিক। আমি বুঝতে পারছি, আজ আমি যাব! তাই তিনি গিয়েছিলেন। বীরেশ্বরেরও একথা বলার দোষ ছিল না, কারণ জুর মাত্র তিন দিনের। তিন দিনের সকালবেলা থেকে ওই শুরু করলেন, সন্ধ্যে নাগাদ চলে গেলেন।

    .

    মেজঠাকুমা হেসে বলেছিলেন, কাত্যায়নী বলতেন, চিঠিতেও স্বামীকে নাকি লিখেছিলেন। সতী-যাওয়াকে যারা অত্যাচার বলে উঠিয়ে দিচ্ছে, দিতে চাচ্ছে তারা মেলেচ্ছ, তারা যবন। স্বামীকে বলেছিলেন, তুমি যদি দরখাস্তে সই কর তবে তোমার মুখ আমি দেখব না। সতীপ্রথা উঠে গেল, কোন লাট জানি উঠিয়ে দিলে, তোর মেজঠাকুরদা নামটা তার বলতেন।

    আমি নামটা বলে দিয়েছিলাম সুলতা। লর্ড বেন্টিঙ্ক!

    —হ্যাঁ হ্যাঁ। লাটসাহেব বেন্টিঙ্ক। কাত্যায়নী গাল দিতেন বেন্টিঙ্ককে। বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বলতেন, আইন করলি করলি; কলার পাতে লেখা রইল। কাত্যায়নী যদি বিধবা হয় তাহলে সে তোর ওই আইন মানবে না, মানবে না, মানবে না। সতী সে যাবেই।

    সেইটেই তাঁর পূর্ণ হল না। তার বদলে সিঁথিতে সিঁদুর নিয়ে দলমল করে চলে গেলেন। তাঁর চন্দনধেনু শ্রাদ্ধ হয়েছিল। সে উপলক্ষ্যে কীর্তিহাটের ব্রাহ্মণদিগে সবৎসা গাভী দান করেছিলেন। সে সব বড় গাই। মেজঠাকুমা বলেছিলেন, ভাগলপুরের গাই। গ্রামে বড় পাঞ্জাবী গাইকে ভাগলপুরের গাই বলত। সধবা যে, ব্রাহ্মণ শূদ্র সব, শাড়ী সিঁদুর শাঁখা দিয়েছিলেন। প্রতিষ্ঠা করেছিলেন অতিথিশালা।

    ***

    সুলতা, এসব জেনে যখন শুলাম রাত্রে তখন কাত্যায়নীর মৃত্যু শ্রাদ্ধ সব কোথায় গেল—মনে জেগে রইল সোমেশ্বর রায়ের ওই নৈশআসরের কথা। যারা সেদিন অ্যাসেম্বলীতে জমিদারের ব্যভিচারের কথা বললেন, তাঁদের দোষ দেব না। আমার পূর্বপুরুষদের সব কথা বাদ দিয়ে ওইটে যখন আমার মনেই সাড়া তুললে, তখন আর তাদের দোষ দেব কি করে?

    শেষ পর্যন্ত নিজের উপর রাগ করে বললাম, যাক ও খাতাপত্র ঘেঁটে আর কাজ নেই। যে বিষ চাপা আছে, সে চাপাই থাক। তাকে খুঁড়ে বের করে কাজ নেই। ছেদ টেনে দেওয়াই ভাল কীর্তিহাটের কড়চার। মন থেকে মুছে ফেলাই ভাল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসরস গল্প সমগ্র – তারাপদ রায়
    Next Article তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় সাহিত্যের সেরা গল্প

    Related Articles

    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    গল্পসমগ্র – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    হাঁসুলী বাঁকের উপকথা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    রাইকমল – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    চৈতালী-ঘূর্ণি – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    ধাত্রী দেবতা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    গণদেবতা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }