Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কীর্তিহাটের কড়চা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1956 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কীর্তিহাটের কড়চা – ৪.২

    ২

    কলকাতার ময়দান এবং চৌরিঙ্গীর সঙ্গে যাদের পরিচয় আছে তারা সকলেই প্রায় এ পাগলকে চেনে। সে সাহেব-মেমেরাও চেনে। তারা শখ করেও দেখতে আসে বিকেলে। গঙ্গার ধারে নতুন পোস্তা বাঁধাই হয়ে পাকা রাস্তা তৈরী হয়েছে স্ট্র্যান্ড রোড। নতুন নতুন নৌকো ভিড়ানোর অসংখ্য ঘাট এবং ঘাটের উপর দু-চারটে দোকান গড়ে উঠেছে। চাঁদপাল ঘাট থেকে নতুন কেল্লা পর্যন্ত সোজা সুন্দর রাস্তার ধারে গাছের শ্রেণী। সুন্দর দেখায়, এখানে বিকেলে সাহেব-বিবিরা বেড়াতে আসে। দেশী বড়লোকেরাও আসে। নতুন আমদানী রকমারী গাড়ীঘোড়া পাল্কির ভিড় জমে। সাহেব-মেমেরা হাত ধরাধরি করে হাওয়া খায়। পথটার নাম ‘রেসপন্ডেন্সিয়া ওয়াক’। এখানে বেড়াতে এসে অনেক সাহেব-মেম, দেশী বড়লোক এসপ্লানেড রো ধ’রে এসে চৌরিঙ্গীর কাছাকাছি গাড়ি দাঁড় করিয়ে নেমে পড়ে। তারপর দক্ষিণ দিকে এগিয়ে চলে। ওদিকে এখনও জলা নলখাগড়ার জঙ্গল আছেল; তারই মধ্যে পাগল কোথাও থাকে। আজ এখানে কাল ওখানে। নিত্য সকালে উঠে চলে একবার কালীঘাট মুখে, মন্দিরের কাছ বরাবর গিয়ে নাকি এমনি করে ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটে ফিরে পালিয়ে আসে। তারপর কোথাও পড়ে থাকে। চীৎকার করে। বিকেল নাগাদ সুস্থ হয়। তখন লোকে তাকে ঘিরে ধরে। পাগল বলে—গন্ধ নিবি? গন্ধ নিবি? নে।

    শূন্যের দিকে হাতটা বাড়ায় তারপর ঘষে দেয় সকলের হাতে, সঙ্গে সঙ্গে অতি মধুর গন্ধে তাদের নিঃশ্বাস ভরে যায়।

    পাগল খানিকটা মাটি তোলে মুঠো করে তারপর আকাশের দিকে তুলে বলে–নে খা।

    লোকে দেখে মাটি নয়, গুড় হয়ে গেছে।

    পাগল বলে—সরবৎ খাবি?

    তারা বলে-খাব বাবা।

    —তবে জল আন। জল আন।

    তারা জানে, আগে থেকেই জল নিয়ে আসে, পাগল তার ময়লা হাতখানাই ঘটির মধ্যে ডুবিয়ে দেয়। তার পর বলে—খা।

    তারা খেয়ে বুঝতে পারে—জল সরবৎ হয়ে গেছে।

    অসুখ-বিসুখে তারা পাগলের কাছে আসে, ধরে, ভাল করে দাও বাবা।

    পাগল কখনও রাগ করে চীৎকার করে ওঠে। বলে-না-না-না। তারপর ছুটে পালায়। চীৎকার করে—জোচ্চুরি-ঠকামি- ছেনালি আর কত কত কত করবি? বাবারে, বাবারে, আর পারি না, পারছি না! হাউ হাউ করে কাঁদে। নিজের গলা টিপে ধরে বলে- ছেড়ে দে, ছেড়ে দে বলছি। ওরে ছেড়ে দে। আমাকে বলতে দে—।

    লোকে অবাক হয়ে যায়, আবার ভয়ও পায়। অনেকক্ষণ পর হয়তো সুস্থ হয়ে নলখাগড়ার পাতা কি ঘাস কি কিছু যা সামনে পায় ছিঁড়ে হাত বাড়িয়ে আকাশের দিকে তুলে ধরে থাকে কিছুক্ষণ, তারপর সে প্রার্থীর হাতে দিয়ে বলে—খাইয়ে দিগে যা। যা। ভাল হয়ে যাবে।

    লোকে বলে—ভাল সত্যি হয়ে যায়।

    সাহেবরা ওষুধ নেয় না, কবচ নেয়। গন্ধ শোঁকে। মাটি গুড় হয়ে যাওয়া দেখে টাকা দিয়ে যায়, পাগল কখনও নেয় কখনও ছুঁড়ে ফেলে দেয়।

    বীরেশ্বর দূরে দাঁড়িয়ে এসব দেখেছেন। হেসেছেন সাহেব-মেমের বিস্ময় দেখে। তাঁর নিজের এসবের জন্য কোন আকর্ষণ নেই। তিনি জানেন, এর মধ্যে কোথায় এমন সুক্ষ্ম জালিয়াতি আছে তা ধরা যায় না। অথবা যদি এটা সত্যিও হয় তবে ওতে তার কি দরকার? ওর দাম কতটুকু? গল্প আছে—কে একজন সিদ্ধিলাভ করে ভরানদীর স্রোতের উপর দিয়ে পায়ে হেঁটে পার হয়ে এসেছিল। তা দেখে লোকের যত বিস্ময়ই লাগুক, দাম কষলে তো তার দাম একটা পয়সা। খেয়াঘাটের পারানি তো এক পয়সা। আবার তাঁর মত লোকের কাছে কিছুই না, যত বড় তুফানই হোক বীরেশ্বর রায় সাঁতার দিয়ে পার হতে পারেন।

    এসবের জন্য নয়, বীরেশ্বর রায় ওদিকে বেড়াতে যেতেন রাত্রিকালে। সহিসদের মশাল নিভিয়ে দিতে বলতেন। তারপর অন্ধকারে অপেক্ষা করতেন। একদিন শুনতে পেয়েছিলেন গান। কলকাতায় আসার ক’দিন পরেই। সোফিয়ার সঙ্গেও তখন নিজেকে জড়ান নি।

    অপূর্ব গান গাইছিল কেউ। অপরূপ। অধিকাংশ গানই রামপ্রসাদী সুরে। তার মধ্যে বাক্য- বিন্যাস অদ্ভুত, কিন্তু একটি বেদনা আছে। সর্বোপরি কণ্ঠস্বর। এবং সুরের আরোহী-অবরোহীর মধ্যে অতি সূক্ষ্ম দ্যুতিময় খেলা। প্রথম দিনের শোনা গানের কলিটা মনে আছে—

    “হেরেছি, তবু হার মানিনি!
    ধরেও বেঁধে রাখিনিকো,
    পালাবি তুই তা জানি নি।”

    ভারী ভাল লেগেছিল। কোনখানে যেন নিজের সঙ্গে মিলে গিয়েছিল কথাগুলো। তিনি উদ্‌ভ্রান্তের মত জঙ্গল ভেঙে খুঁজে বের করেছিলেন গায়ককে। একটা গাছতলায় বসেছিল এই পাগল। ওকে চিনতেও পেরেছিলেন। চৌরিঙ্গীর ধারে ওর বুজরুকি এর আগে দেখেছিলেন। বীরেশ্বর রায়কে দেখে পাগল চমকে উঠেছিল।

    বীরেশ্বর হেসে বলেছিলেন—ভয় পাচ্ছ? আমি পুলিশ নই।

    পাগল উঠে দাঁড়িয়েছিল, তার দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে দেখে বলেছিল—তুমি কে? কি নাম তোমার?

    —কেন?

    —তুমি প্রেত?

    ক্রুদ্ধ হয়ে উঠেছিলেন বীরেশ্বর, ধমক দিয়ে বলেছিলেন—চোপরও উল্লুক।

    গ্রাহ্য করে নি পাগল, মুখের দিকে তাকিয়ে একদৃষ্টে তাকে দেখছিল। বলেছিল-আমি তোমাকে চিনেছি। ঠিক চিনেছি। কীর্তিহাটের ওপারে জঙ্গল—মাঝখানে কাঁসাই। হাঁ!

    চমকে উঠেছিলেন বীরেশ্বর। দু পা পিছিয়ে এসে বলেছিলেন—কে তুমি? কি করে জানলে এসব?

    হা-হা করে হেসে উঠেছিল পাগল। হা-হা-হা-হা-হা-হা! গাছের ভিতর থেকে সে হাসির আওয়াজে কটা বাদুড় উড়ে পালিয়েছিল। কিছুটা দূরে কারা যেন ভয়ে বু-বু শব্দ করে উঠেছিল। ছুটে পালিয়ে গিয়েছিল, চাঁদের আলোয় দেখতে পেয়েছিলেন বীরেশ্বর। তবু নিজেকে সামলে নিয়ে বলেছিলেন—থাম, থাম, এমন করে হেসো না তুমি! বীরেশ্বর রায় ওতে ভয় পায় না। থমকে গিয়েছিল পাগল। আরও কাছে সরে এসে—পাগল বলেছিল-বীরেশ্বর? বীরেশ্বর! ব দিয়ে নাম।

    চাঁদের আলোয় তার চোখ দুটো চক-চক করছিল। তারই মধ্যে বীরেশ্বর অনুভব করেছিলেন পাগলের ওই দৃষ্টির মধ্যে বিস্ময় আর বিমুগ্ধতা ফুটে উঠেছে।

    পাগল বলেছিল—সেই বেইমান—সেই জোচ্চোর-সেই নুড়িটা—সেটা আছে তো? সৌভাগ্য-শিলা? রাজ-রাজেশ্বরী? অনেক টাকা অনেক ভূমি দিয়েছে তো? রাজা করে দিয়েছে? খুব ননী খেতে দাও—মাখন- ছানা—মালপো-পায়েস দাও তো!—আর সেই নেংটি সব্বনাশী? ওঃ-ওঃ-ওঃ। বেশ কথা বলতে বলতে পাগল যেন হঠাৎ যন্ত্রণায় অধীর হয়ে বলে উঠেছিল—ধরলি, টিপে ধরলি গলা? ধরলি? ছেড়ে দে, ছেড়ে দে! বলে নিজেই নিজের গলা দুই হাতে টিপে ধরলে। এবং মুখ গুঁজে পড়ে গিয়ে গোঙাতে লাগল!

    বীরেশ্বর রায় বাঘ শিকার করেছেন-রাত্রির অন্ধকারে সুন্দরবনের মধ্যে বসে কাটিয়েছেন। দুর্দান্ত সাহসী পুরুষ। তিনি সেদিন ঘামে ভিজে গিয়েছিলেন। গ্রীষ্মের কাল ছিল না, সেটা ছিল শীতকাল, তবু ঘাম দেখা দিয়েছিল ওই পাগলের কথায়, তার পাগলামিতে। পাগলামি তো নয়। এর কথা তো প্রলাপ নয়। এ তো সব সত্য! তাঁর পা দুটো যেন অবশ হয়ে গিয়ে- ছিল, চলেও আসতে পারেন নি। হতবাক হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন!

    পাগল শাস্ত হয়েছিল অনেকক্ষণ পর। শান্ত হয়েছিল কেঁদে। বীরেশ্বর আস্তে আস্তে চলে আসতে পেরেছিলেন এতক্ষণে। গাড়ীর কাছে যখন পৌঁছেছিলেন তখন কোচম্যান ওসমান এবং সহিস দুজন ভয়ে কাঠ হয়ে গিয়েছিল। সহিসেরা নেভানো হাত-লণ্ঠন জ্বেলে বসেছিল। তারা পাগলের ওই হাসি শুনেছে। কজন লোককে পালিয়ে যেতে দেখেছে। আর অনেক দুরে হলেও তার ডাক শুনেছে। রাত্রিকালে তার নাম করতে নেই। ওসমান ঠিক এদেশী মুসলমান নয়। তবু এদেশের প্রবাদ মানে, এদেশে বাস করছে অনেকদিন থেকে, এ ডাক যে ডেকেছে তাকে ‘বড় মেয়া’ বলে। বড় মেয়া দক্ষিণ থেকে কলকাতা পর্যন্ত ধাওয়া করে। এক প্রহরে পাড়ি মারে পাঁচ সাত কোশ!

    ***

    এরপর বীরেশ্বর বহুবার মনে করেছেন পাগলের কাছে যাবেন। কিন্তু যেতে সাহস হয় নি। তিনি ঈশ্বর বিশ্বাস করেন না, ধর্মকে বিদ্রূপ করেন, তবু সেদিনের ঘটনার পর না-মেনে পারেন নি যে, এই পাগল অন্তর্যামীর মতো মানুষের কথা জানতে পারে, বলতে পারে। তিনি ভয়ে যান নি। যদি পাগল বলে—সে মরে নি! বলে যদি তেমনি অট্টহাসি হাসে। বললে তো তাঁকে বন্দুক নয় পিস্তল পকেটে নিয়ে দুনিয়া ছুঁড়ে বেড়াতে হবে, তাকে বের করে ওই বাঘিনীটার মত গুলি করে মারতে হবে। না হলে আত্মহত্যা করতে হবে। তবে দূরে দাঁড়িয়ে গান শুনে আসতেন। গানগুলির সুর রামপ্রসাদী হলেও গান রামপ্রসাদের নয়। রামপ্রসাদের গানের তখন খুব প্রচলন। রামপ্রসাদের গান সবাই চেনে এবং জানে। এ গান সম্ভবতঃ ওই পাগলেরই গান। ধর্ম ঈশ্বর মিথ্যা হোক, সিদ্ধপুরুষ বলে যারা খ্যাত তারা বুজরুক হোক ভণ্ড হোক, কিছু তৃষ্ণার্ত আকুল মানুষ আছে যারা মরীচিকার পিছনে ছুটে পাগল হয়ে যায়। বিচিত্রভাবে কিছু কিছু শক্তিও তারা পায় ওই পাগলের মত। যারা ওই পেয়ে খুশী হয় তারা করে খায় ওই ভাঙিয়ে, যারা খুশী হয় না তারাই পাগলটার মত কাঁদে। পাগল সুস্বর সুদক্ষ গায়ক, হয়তো নিজের দুঃখ গান বেঁধেই গেয়ে থাকে। গান শুনেছেন, ভুলেও গেছেন বীরেশ্বর। প্রথম দিনের দু কলি মনে আছে, আর আছে আর একদিনের গান—

    “এবারে রণে ক্ষান্ত দে মা
    মা বলে ধরিলে পায়ে
    তবুও কি তোর নাই ক্ষমা!
    না হয় এবার খড়্গাঘাতে
    শেষ করে দে মুণ্ডপাতে
    মুণ্ডটা ঝুলায়ে হাতে
    তা-থৈ-তা-থৈ নাচো শ্যামা!

    এ পাগল তো সেই পাগল। সহিসরা বললে—দক্ষিণেশ্বরে তারা ওকে দেখেছিল। ওসমান বললে—দৌড়কে দৌড়কে আকে বস্।

    —হ্যাঁ হুজুর, সব্বাঙ্গে ধুলো মেখে এল। আমাদের গাড়ীর ছামনে দাঁড়িয়ে গেল। তারপর মন্দিরের চূড়োর দিকে তাকিয়ে রইল। তারপর যা করে কালীঘাটে গিয়ে, ওই ফিরে পালিয়ে আসে—

    বীরেশ্বর রায় জিজ্ঞাসা করলেন—পালিয়ে আসে কেন?

    ওসমান বললে—উ কৌন জানে হুজুর? ই তো সিদ্ধাই ফকীর! উসকা বাত কোই নেহি জানতা!

    বীরেশ্বর রায় সেদিন পথে ওই পাগলকে ফেলে চলে আসতে পারেন নি। আঘাত লোকটিকে কম লাগেনি। বেশ আঘাত পেয়েছে। ঘোড়া দুটো লাগামের টানে নিজেদের সামলাতে সামনের পা চারটে তুলে ‘শিরপা’ হয়ে ডাইনে ঘুরে গিয়ে দাঁড়িয়েছে, না হলে পাগলের উপর দিয়ে তারা দুর্দান্ত বেগে গাড়ীখানাকে টেনে নিয়ে চলে যেত, গাড়ীটা হয়তো খানিকটা লাফিয়ে উঠত, বীরেশ্বর রায় ঝাঁকানি খেতেন। কিন্তু লোকটা চাপা পড়ত। মরে যেত। এতে লোকটা চাপা পড়ে মরে নি, কিন্তু গাড়ীর বোমের এবং ঘোড়ার মুখের ধাক্কায় ছিটকে পড়ে ঘায়েল হয়ে গেছে। রায় লোকটিকে চিনে পথে ফেলে দিয়ে আসতে পারেন নি, তাকে গাড়ীতে তুলে নিয়ে ফিটনের পিছনের সিটে শুইয়ে দিয়ে, নিজে সামনের ডগসিটে বসে কলকাতা এসেছেন। গাড়ীটা যখন টালা পেরিয়ে কলকাতা ঢুকছে, লোকটির তখন হুঁশ হয়েছিল। ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়েছিল সে বীরেশ্বর রায়ের দিকে।

    রায় বলেছিলেন–কি? কেমন মনে হচ্ছে?

    সে বলেছিল—তুমি সাক্ষী রইলে তো!

    —কিসের?

    —কি রকম মারলে আমাকে? কিন্তু দেখ, মারলে না! উঁহু, মারতে পারলে না।

    —বাজে বকো না। পড়ে বেহুঁশ হয়ে গিয়েছিল। এখন কেমন মনে হচ্ছে?

    —ভাল। ভাল। এই পিঠে হ্যাঁ, এইখানে কন্ক করছে। ও কিছু নয়! ভাল হয়ে যাবে। তা আমাকে নামিয়ে দাও না কেন?

    —না, চল, যাবে তো চৌরিঙ্গীর মাঠে। আমি যাব জানবাজার। নামিয়ে দোব চল।

    —তুমি বীরেশ্বর? বীরেশ্বর রায়?

    —হ্যাঁ। কি ক’রে চিনলে আমাকে? সত্যি বলবে!

    —সেদিন তুমি বললে!

    —না। তুমি আমাকে চিনেছিলে আগেই। বল।

    —বলব?

    —হ্যাঁ।

    মুহূর্তে রূপান্তর ঘটে গেল পাগলের, সে নিজের গলা টিপে ধরে বললে-ছাড়। ছাড় ছাড়। আঃ-আঃ! নিজের হাতের মুঠি সে ক্রমশঃ কঠোর থেকে কঠোরতর করে তুলতে চাচ্ছে। বীরেশ্বর শঙ্কিত হয়ে তার হাত দুখানাকে ছাড়াবার জন্যে টেনে ধরলেন। পাগল হাত ছেড়ে দিয়ে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগল। তারপর বললে—বলতে দেয় না। গলা টিপে ধরে।

    —কে?

    —কে আবার? ওই ওই, মন্দিরে এসেছে আজ! ওই!

    —পালিয়ে এলে কেন?

    —ভয়ে! ভয়ে! আমাকে দেখলেই আঃ-আঃ-ছাড় ছাড়! আবার সে টিপে ধরলে নিজের গলা।

    বীরেশ্বর আবার টেনে ছাড়িয়ে দিলেন, বললেন –থাক, বলতে হবে না!

    সে গাড়ীর কোণে চুপ করে বসে রইল। বীরেশ্বর ভাবছিলেন ওরই কথা। মনে ঘুরছিল শেকসপীয়রের হ্যামলেটের কথা—

    There are more things in heaven and earth-than are dreamt of in your philosophy.

    বীরেশ্বর ওই কোটেশনটা মনে করে সান্ত্বনা পেলেন। সান্ত্বনা ঠিক নয়—মনে মনে একটা কিনারা খুঁজে পেলেন। হঠাৎ মনে পড়ল—ক’দিন আগে কালীপ্রসন্ন সিংহের বাড়ী গিয়েছিলেন, তিনি এক ব্রাহ্ম নেতার বাড়ীর গল্প বললেন, তাঁর স্ত্রীকে ডাইনীতে নজর দিয়েছিল, শেষ পর্যন্ত ডাক্তার বৈদ্য হার মেনে গেলে ওঝা এনেছিলেন তিনি, তাইতেই রোগিণী সুস্থ হয়েছে।

    ভাবতে ভাবতেই তিনি পাগলকে ভাল করে দেখছিলেন। এককালে পাগল নিঃসন্দেহে সুপুরুষ ছিল। মাথাভর্তি কাঁচাপাকা রুখু চুল, মুখভর্তি দাড়ি গোঁফ, সর্বাঙ্গে একটা ধুলার আস্তরণ, তার নিচে ময়লার একটা ছোপ পড়েছে। কপালটা যেন ছেঁচা। চামড়া কুঁকড়ে গেছে। একটা লম্বা কাটা দাগ, লম্বালম্বি নেমে এসেছে কপাল থেকে গোঁফের উপর পর্যন্ত, বাকীটা গোঁফদাড়ির মধ্যে বিলুপ্ত, দেখা যায় না!

    বললেন-তোমার কপালে মুখে ওই দাগগুলো কিসের?

    শান্তকণ্ঠে পাগল বললে—হেঁচেছে। ছেঁচে ছেঁচে মেরেছে পাথর দিয়ে।

    —কে?

    —কে আবার! সর্বনাশী! ওঃ, কী প্রহার কী প্রহার কী প্রহার! ও আর কতটুকু? বুকের ভিতরে আগুনে পুড়িয়ে লোহার শিক দিয়ে বেঁধে।

    চুপ ক’রে রইলেন বীরেশ্বর। বুঝলেন না ঠিক। তবে সে যে অধ্যাত্মসাধনার কথা বলছে তাতে আর তাঁর সন্দেহ রইল না। এবং তাঁর নাস্তিকতাবিশ্বাসী মনের যে ধারালো ব্যঙ্গবিদ্রূপের ছুরিখানি, সেখানি যেন কেমন ভোঁতা হয়ে গেল। লোকটার সর্বাঙ্গে তার জীবনের বার্তাগুলি ফুটে রয়েছে, তা যেন পাথরে খোদাই করা বার্তা। ওকে ছুরির ধারে মুছে বা চেঁচে ফেলা যায় না!

    গাড়ী লর্ড ওয়েলেসলির তৈরী বাহার সড়ক বা সার্কুলার রোড ধরে ডিহি শেয়ালদহকে বাঁয়ে রেখে এন্টালীতে ধর্মতলার মোড় নিয়ে উঠল জানবাজারে। স্নানযাত্রার দিন আজ, চীৎপুর রোডে ভিড়ের অন্ত নাই। কাতারে কাতারে লোক ছুটেছে গঙ্গায় চুবতে। এ ছাড়াও বাবু-ভাইয়েরা বজরা নৌকো পানসী করে চলেছে মাহেশ। তার উপর এবার রাণী রাসমণির মন্দির প্রতিষ্ঠা দক্ষিণেশ্বরে। বাহার সড়কের এ পাশে হিদুর অঞ্চল কম। মুসলমান দেশী ক্রীশ্চান বেশী, পথটাও ভাল। গাড়ী ধর্মতলার মোড়ে চৌরিঙ্গীতে মোড় নিল। রায় ভাবলেন, ওকে নামিয়ে দেবেন। কিন্তু লোকটা যেন ধুঁকছে। ক্লান্ত হয়ে চোখ বন্ধ ক’রে কোণে ঠেস দিয়ে বসে আছে। দেখে মমতা হল বীরেশ্বরের। ওকে ডাকলেন না। একেবারে বাড়ির দরজায় এসে গাড়ি দাঁড়ালে ওকে ডাকলেন—শুনছ?

    —এ্যাঁ!

    —এসে পড়েছি, নামো।

    চারিদিক চেয়ে দেখে পাগল বললে-এ কার বাড়ী?

    —আমার।

    —তোমার? কীর্তিহাটের রায় হুজুরের?

    —হ্যাঁ।

    —এখানে কেন নামব?

    —আমি বলছি বলে নামবে।

    —আমার সব কেড়ে নেবে?

    হেসে ফেললেন বীরেশ্বর, বললেন—কি আছে তোমার?

    —হ্যাঁ, কিছুই নাই। কিছুই নাই।

    —চল। ভয় নাই। স্নান করে। কিছু খাও। তারপর সুস্থ হয়ে যাবে তোমার যেখানে ইচ্ছে।

    —চল।

    —মারবে না তো?

    —না।

    .

    বাড়ীতে ঢুকে পাগল বাড়ীর আসবাব ঐশ্বর্য দেখে বোধ হয় স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিল। দেওয়ালে কুড়ারাম রায়-ভট্টচাজের এবং সোমেশ্বর রায়ের অয়েল পেন্টিং টাঙানো ছিল। তার দিকে তাকিয়ে দাঁড়িয়েই রইল। হঠাৎ সোমেশ্বরের ছবিকে বললে—নরক ভোগ করছ তুমি! হুঁ—হুঁ, করবে না? তারপর ঘাড় নেড়ে বললে না—না। না—তুমি প্রায়শ্চিত্ত করেছ। তা করেছ!

    কুড়ারামকে বললে—আচ্ছা লোক। তোমাকে কিছুতে ছুঁতে পারে না। আচ্ছা লোক!

    বীরেশ্বর চাকরকে বললেন—একে যত্ন ক’রে স্নান করা। নতুন কাপড় দিবি। বুঝলি? কিছু খেতে দে। বলে উপরে চলে গেলেন।

    সোফিয়া থাকত নিজের বাড়ীতে বউবাজারে। আসত সন্ধ্যেবেলা। গাড়ী গিয়ে নিয়ে আসত। দিনের বেলা বাড়ীটা চাকর-বাকরের হাতে। চাকর অনেক। বীরেশ্বর রায় উপরে গিয়েই প্রথম এক গ্লাস মদ্য পান করে স্নান করলেন। তারপর খেতে বসবার আগে চাকরকে জিজ্ঞাসা করলেন—পাগলটাকে স্নান করিয়েছিস? খাইয়েছিস?

    —হ্যাঁ।

    —নতুন কাপড় দিয়েছিস?

    —দিয়েছি। তা ছিঁড়ে আধখানা ক’রে পরেছে।

    —কি করছে?

    —মেঝের ওপর শুয়ে ঘুমিয়ে গিয়েছে।

    —তা হ’লে ঘুমুক। ডাকিস না ওকে।

    এরপর রায়ও ঘুমিয়েছিলেন। ঘুমের জন্য তাঁর শরীরও কাতর হয়েছিল। কলকাতার ফ্যাশানে সেকালে বিদগ্ধ এবং ধনীসমাজের কেউ রাত্রি বারোটা-একটার আগে শুতেন না। উঠতেন বেলা দশটায়। রায় সোফিয়াকে নিয়ে জেগে থাকতেন, দুটো তিনটে পর্যন্ত মাইফেল হত। বন্ধুবান্ধব জুটত। তারা বিদায় হত বারোটায়, তারপর সোফিয়া আর তিনি উল্লাস করতেন। উন্মত্ত উল্লাস! সোফিয়া ক্লান্ত হত, তিনি হতেন না। মধ্যে মধ্যে সোফিয়া বলত—মেরি মালিক!

    —বাতাও।

    —হুকুম দাও তো বাঁদী একটা কথা বলে।

    —বল। বল। দো চার দশ বিশ যত তোমার দিল চায় বাতাও!

    —এ যে তুমি তোমার শরীরকে বিলকুল বরবাদ করছ মালিক। এমন করলে শরীর তোমার ক’দিন টিকবে?

    —যত দিন ঢেঁকে।

    —যদি বেমারি হয়! যদি ভেঙে পড়ে যাও।

    —তো জহর পিকর মর যাউঙ্গা। বলে হা হা করে হেসে উঠেছিলেন। তারপর বলেছিলেন –কি তুমি মথকে গেছ?

    ক্লান্তভাবে হেসেছিল সোফিয়া। রায় বলেছিলেন—তা হ’লে বল তোমার সঙ্গে আরও একজন দু’জনকে আনি!

    সোফিয়া বলেছিল—না। কিন্তু রায় মানেন নি, সন্ধ্যার আসরে সোফিয়ার সঙ্গে নিত্যনূতন একজনকে আনবার ব্যবস্থা করেছিলেন। জীবনে প্রচুর সম্পদ পেয়েছেন তিনি এবং জেনেছেন নারী শুধু ভোগেরই সামগ্রী, —ভালবাসা একনিষ্ঠা ওসব মিথ্যা মিথ্যা মিথ্যা। সুতরাং ভোগের বিষয়ে তিনি উন্মত্ত হয়ে উঠেছিলেন। রাত্রি তিনটের আগে তাঁর দেহমন ক্লান্ত হত না। উঠতে দেরী হত, দশটার আগে নয়, বারোটাও হয়ে যেত এক-একদিন। আজ সকালে উঠতে হয়েছিল রাণীজীর মন্দিরপ্রতিষ্ঠার নিমন্ত্রণরক্ষার জন্য। ফিরে এসে খেয়ে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছিলেন। হঠাৎ ঘুম ভাঙল গানের সুরে। ঘুমের ঘোরের মধ্যে কয়েক মুহূর্ত তিনি ঠিক বুঝতে পারছিলেন না। তারপরই মনে হল পাগলের কথা। এ সেই পাগল গাইছে। সেই কণ্ঠস্বরই বটে। কিন্তু আজ আর সেই গান অর্থাৎ রামপ্রসাদী সুরে মনের কথার গান নয়। ঘরের দরজা জানালা বন্ধ ছিল, টানা পাখা চলছে, কিন্তু তাতেও যেন অসহ্য গুমোট। দেহে অবসাদ, চোখের পাতায় ঘুমের জড়িমার সঙ্গে মদের ঘোর রয়েছে। পাগলের সুরের খেলা মৃদুধ্বনিতে কানে আসছে; ধীরে ধীরে তিনি বুঝলেন—মিয়া-কি-মল্লারে আলাপ করছে পাগল। পাগলেরও বোধ হয় এই গুমোট গরম অসহ্য বোধ হয়েছে। ৩১শে মে—জ্যৈষ্ঠের অর্ধেক চলে গেছে। আজ কুড়িদিন বিন্দুবর্ষণ হয় নি, মেঘ ঝড় উঁকি মারে নি। পৃথিবী যেন পুড়ছে, ঝলসাচ্ছে। তবু বিকেলে একটা ঝড়ো হাওয়া বয়, ঠাণ্ডা জলো ভারী হাওয়া। তাও দু’দিন থেকে বন্ধ। পাগল মিয়া-কি-মল্লার সাধছে বোধ হয় মেঘ জলের জন্য। একটু হাসলেন বীরেশ্বর। কিন্তু সে হাসি শেষ হতে না-হতে তিনি চমকে উঠলেন একটা দীপ্তিতে। বদ্ধ দরজা-জানালা ঘরেও একটা রূঢ় তীব্র আলোর আভাস চকিতে ফুটে উঠে মিলিয়ে গেল। সঙ্গে সঙ্গে বিকট গর্জনে মেঘ ডেকে উঠল। তিনি উঠে পড়লেন বিছানা থেকে। উঠে গিয়ে পশ্চিমদিকে রাস্তার ধারের জানালাটা খুলে দিলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসরস গল্প সমগ্র – তারাপদ রায়
    Next Article তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় সাহিত্যের সেরা গল্প

    Related Articles

    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    গল্পসমগ্র – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    হাঁসুলী বাঁকের উপকথা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    রাইকমল – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    চৈতালী-ঘূর্ণি – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    ধাত্রী দেবতা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    গণদেবতা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }