Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কীর্তিহাটের কড়চা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1956 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কীর্তিহাটের কড়চা – ১.৩

    ৩

    পরের দিন এলেন—মিস চন্দ্রিকা মালহোত্রা। মিশ্রিত রক্তের যে লাবণ্য লাল কালোয় মেশানো পপি ফুলে থাকে সেই লাবণ্যে লাবণ্যময়ী। দীর্ঘাঙ্গী। বড় চোখ। পুরু ঠোঁট। বাপ ছিলেন আর্মিতে ডাক্তার-লেফটেনান্ট কর্নেল।

    জীবন কেটেছে ভারতবর্ষের বাইরে প্রথম দিকটায়। চন্দ্রিকার মা ছিলেন আসামের খাসিয়া ক্রীশ্চান মেয়ে, ওঁর অধীনে নার্স ছিলেন হংকংয়ে। বিয়ে হয়েছিল সেখানে। তারপর ১৯১৪ সালের যুদ্ধের সময় ইন্ডিয়ান আর্মির সঙ্গে গিয়েছিলেন ফ্রান্সে। তখন চন্দ্রিকা এবং তার মা ছিল দেরাদুনে। চন্দ্রিকা পড়ত সেখানে। দেরাদুন থেকে পাস করে এসেছিল কলকাতায়। ওদিকে তখন যুদ্ধ শেষ হয়েছে। মালহোত্রার ইচ্ছে হয়েছিল হোমে বাস করবে। নিয়ে গিয়েছিল স্ত্রী-কন্যাকে। চন্দ্রিকা বিলেতে গিয়েছিল ১৯১৯-এ। বয়স তখন উনিশ কুড়ি। কলকাতায় থাকতেই সে নিজের গায়ের রং বিচার করে ফ্রক ছেড়ে শাড়ী ধরেছিল। এবং শাড়ী পরেই গিয়েছিল ইংল্যান্ড। সে শাড়ী পরা সেখানে গিয়েও ছাড়েনি। তার সঙ্গে চুল শ্যাম্পু করা—মুখ রঙ করার আর্টেও দক্ষ হয়ে মুর্তিমতী পূর্ব-পশ্চিমের মিশ্র সৌন্দর্যের প্রতীক হয়ে উঠেছিল। অন্তত ওর ভক্তগণ বলতো তাই। তার মধ্যে ঔপনিবেশ-স্বপ্নাতুর ইংরেজ সন্তানও ছিল।

    ওদিকে ডাক্তার মালহোত্রা তখন শ্বেতপুষ্পে কালো ভ্রমরের মত মধুলোলুপ হয়ে উঠেছেন। এবং জুয়াতে মদে রেসের ঘোড়ার মতো দৌড়াতে আরম্ভ করেছেন। তার ফলে একদা পড়লেন জালে জড়িয়ে। জুয়ার সঙ্গে জালিয়াতির এবং সুরার সঙ্গে নারীর সম্পর্ক আঙ্কিক হিসেবে নিবিড়। ওদেশে ডিম যেমন নিরামিষ—তেমন বিচারে ওদেশে এ দুটোর মধ্যেই এক ধরনের আধানিরিমিষ সততা আছে, সেটা এদেশী মালহোত্রার পক্ষে বজায় রাখা সম্ভবপর হয়নি, সুতরাং জালিয়াতির দায়ে এবং অ্যাডালট্রির প্যাঁচে প্রায় একসঙ্গে পড়ে গেলেন। নিঃস্ব হয়েও যখন বাঁচবার সম্ভাবনা রইল না—তখন প্রায় পাগল হলেন। এই সময়েই এই ক্ষুদ্র করদরাজ্যের মহারাজটির সঙ্গে মালহোত্রা পরিবারের হল আলাপ। বয়স্ক ব্যক্তি। চন্দ্রিকার বাপ, কন্যাকে সামনে রেখে এই মহারাজাকে ধরেছিলেন পরিত্রাণের আশায়। তার ফল ভালো হয়নি; তার মা দাঁড়িয়েছিল পথরোধ ক’রে। পাগল আর্মি অফিসার, তাঁর পক্ষে এই পথের বাধা অপসারণে দিশেহারা হবার কথা নয়, পিস্তল বের করে স্ত্রীকে হত্যা করেছিলেন। এবং তারপরই মাথা ভাল হয়েছিল, তিনি নিজেও আত্মহত্যা করেছিলেন। চন্দ্রিকা একাকিনী। সে পথ খুঁজতে গিয়ে দেখেছিল, হয় হোটেলে বাসন ধুতে হয়, নয় ওয়েট্রেস হতে হয়, নয়—। কিন্তু সেখানেও প্রতিদ্বন্দ্বিনী অনেক—যুদ্ধের পর ফ্রান্স জার্মানি রাশিয়া থেকে অনেক মেয়ে ইংলন্ডে এসে আশ্রয় নিয়েছে। বিয়ের বাজার থেকে পথে ঘাটে হোটেলে সর্বত্র দাম পড়ে গেছে মেয়েদের। সুতরাং মহারাজা যখন তাকে স্পেশ্যাল প্রাইভেট সেক্রেটারির পদ দিলেন তখন সে নিতে দ্বিধা করেনি। সেই পদ নিয়ে সে মহারাজার সঙ্গে দেশে ফেরে। মহারাজা তার প্রতি অনুগ্রহে অকৃপণ। সে বিলিতী নাচ কিছু শিখেছিল—এখানে এসে তিনি তাকে গান বাজনা শিখিয়েছেন। বন্দুক ছুঁড়তেও শিখিয়েছেন। মহারাজার সঙ্গে গল্ফ খেলায় সে সঙ্গিনী। টেনিসেও তাকে দক্ষ করে তুলেছেন। মহারাজা এখন টেনিস খেলেন না, আগে ক্রিকেট টেনিসেও দড় না হলেও তাঁর মহারাজত্বের গুরুত্বের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারত। তবে পোলোতে কখনও কখনও এখনও শখ যায়। গোটা কয়েক দেশী ভাষাতেও চন্দ্রিকাকে তালিম নিতে হয়েছিল—তার মধ্যে হিন্দী বাংলা ওড়িয়া অন্যতম। বাংলা সে কিছু আগে থেকেই বুঝত।

    এই হল চন্দ্রিকা।

    হেমলতা তাকে অভ্যর্থনা ক’রে এনে ঘরে বসিয়ে স্বামীকে ডেকেছিল।

    —এসো একবার। আমার বান্ধবী এসেছে!

    —বান্ধবী? কালকের সেই মহারাজার নর্মসহচরী—বেগ ইওর পার্ডন প্রাইভেট সেক্রেটারি সুন্দরী!

    বসেছিলেন তিনি ঢিলেঢালা একটা আলখাল্লার মত জামা আর কোঁচানো ধুতি পরে। তাই পরেই যাচ্ছিলেন। হেমলতা বলেছিলেন—ও কি?

    —কেন?

    —পোশাক বদল কর। ও কি? ওই জামাটা—

    —পোশাক? কি বিপদ! বলে পোশাক বদলের ঘরে গিয়ে নিজের স্যুটে হাত দিয়ে সরিয়ে নিয়েছিলেন। তারপর আলনা থেকে হেমলতার একখানা বেনারসী চাদর টেনে নিয়ে গলায় ঝুলিয়ে নিয়ে বেরিয়ে এসেছিলেন।

    হেমলতা বলেছিলেন—ওকি?

    কেন? শোনাতে হবে বাজনা-এটা কি তার পক্ষে বেমানান হল? খারাপ লাগছে?

    তা বলতে পারেননি হেমলতা। বলতে কি চমৎকার দেখাচ্ছিল যোগেশ্বরকে। রায়বাড়ির পুরুষদের চেহারার জন্য খ্যাতি আছে। লম্বা চেহারা, মাজা রঙ, টিকালো নাক, বড় চোখ, ফ্রেঞ্চকাট দাড়ি, সুচলো করে পাকানো গোঁফ, তার সঙ্গে লুটিয়ে পড়া কোঁচানো ধুতির সঙ্গে ওই ঢিলেঢালা ধবধবে সাদা মখমলের আলখেল্লার মত জামায় চমৎকার মানায় যোগেশ্বরকে। শৌখিন মানুষটি এসব করেন খেয়াল বলে নয়, অনেক হিসেব করে মানিয়ে দেখে। এখন তার উপর বেনারসী চাদরটার দুটো প্রান্ত গলায় বেড় দিয়ে দুপাশে পা পর্যন্ত ঝুলে পড়তেই মনে হল–বাঃ—এই যোগেশ্বরই আসল যোগেশ্বর, যার পিতামহ প্রপিতামহ জরি মখমলের পোশাক এবং পাগড়ি পরে আর্টিস্টের সামনে বসে অয়েলপেন্টিংয়ের সিটিং দিয়েছিলেন।

    হেমলতাকে নিরুত্তর দেখে যোগেশ্বর বলেছিলেন—কি, চুপ করলে যে? হেমলতা হেসে বলেছিলেন—তোমাকে প্রণাম!

    —কেন?

    —এতও আসে মগজে।

    —ভালো লাগছে তো?

    —ওয়ান্ডারফুল! কালই বেনারসীর চাদর কিনে আনব!

    —রঙিন এনো। সাদা না! চল!

    শ্যাম্পুকরা চুল—রঙকরা মুখ—পালিশকরা নখ; জর্জেট-পরা দীর্ঘাঙ্গী চন্দ্রিকা মালহোত্রা- সিগারেট খেতে-খেতে দেওয়ালের ছবি দেখছিল। ১৯২৪ সালের চৈত্র মাস। তখন অবনীন্দ্রনাথের পরে নন্দলাল অসিত হালদার এঁরা এসেছেন; যামিনী রায় তখনও ঠিক আসেননি। অবনীন্দ্রনাথ নন্দলালের ছবির দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে ছিল চন্দ্রিকা, হাতের আঙুলে সিগারেট পুড়ছিল!

    —মিস মালহোত্রা—

    ফিরে তাকিয়ে মিস মালহোত্রা সবিস্ময়ে চোখ বড় করে তাঁর দিকে তাকিয়েছিলেন। একেবারে কোমর থেকে ভেঙে নুয়ে বাউ করেছিলেন যোগেশ্বর।—গুড আফটার-নুন!

    হেমলতা বলেছিলেন—আমার স্বামী!

    হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল চন্দ্রিকা এবং বলেছিল- ও! হাউ ওয়ান্ডারফুল ইউ লুক! আমি ভেবেছিলাম—

    —এ বাজাওলা উস্তাদ ফ্রম ইউ পি অর পাঞ্জাব—

    খিল-খিল করে হেসে উঠেছিল চন্দ্রিকা। বারবার বলেছিল-নো-নো-নো—আমি ভেবেছিলাম মুরশিদাবাদি নবাব শাহীর কোন তনখা-পানেওলা আমীর—

    —এই দাড়ির জন্যে? তা বলতে পার। কিন্তু আমরা হলাম পুরনো জমিদার। এই যে আলখাল্লাটা দেখছ এটা আমাদের বৈরাগীদের পোশাক। কোঁচানো ধুতি আর এই চাদর দিয়ে ভোগ এবং বৈরাগ্যের সমন্বয় হয়েছে।

    —কি সুন্দর ব্যাখ্যা করলে তুমি। ওয়ান্ডারফুল। ওয়ান্ডারফুল। জান তোমার লেখার ভক্ত আমি। মহারাজাকে কাগজ পড়ে শোনাতে হয় আমাকে। কিন্তু লেখাতে তো তোমার এ পরিচয় নেই? সেখানে তো তুমি তলোয়ার খেল খাঁটি ইংরিজী ঢঙে।

    হেমলতা বলেছিলেন—বসে কথা বললে ভাল হয় না?

    —নিশ্চয়ই। আমি দুঃখিত—তোমাকে আমি দাঁড় করিয়ে রেখেছি।

    বসে কথাবার্তা শুরু হয়েছিল। সুরেশ্বর এসে বসেছিল। হেমলতা শুনছিলেন কিন্তু সুরেশ্বর চুপ করে শোনেনি, সে মধ্যে মধ্যে কথার মধ্যে কথা বলেছিল। এবং বেমানান ভাবে বলেনি, বেশ মানানসই করে বলেছিল।

    মিস মালহোত্রা বার বার তারিফ করেছিলেন সুরেশ্বরের কথায়। সে যা বলেছে তা আবোল তাবোল নয়, হয়তো বলার ভঙ্গিটা ছেলেমানুষের প্রকাশ চেষ্টায় আবোল-তাবোল মত শুনিয়েছিল। ঈশ্বর নিয়ে তর্ক হচ্ছিল। যে তর্ক জগতে সব থেকে বেশি হয় এবং যে তর্কে নেই বললেও হারে না, আছে বললেও হারে না-তারই মাঝখানে হেমলতা এক সময় বলেছিলেন—কেন এ সব তর্ক করছ বলো তো? সে থেকেও তোমাকে দিক করে না, না থাকলেও তোমার বৃদ্ধি হয় না, তাকে নিয়ে কেন চায়ের পেয়ালায় তুফান তুলছ?

    সুরেশ্বর বলে উঠেছিল—God is nothing but botheration.

    হো-হো করে হেসে উঠেছিলেন সকলে। মিস মালহোত্রা বলেছিলেন—Wonderful.

    সুরেশ্বর অপ্রতিভ হয়নি। বলেছিল—তার থেকে তুমি বেহালা বাজাও না বাবা, মা বলছিল তুমি আজ বাজাবে!

    —আন, তাই আন। কিন্তু কি বাজাব? আপ ফরমাইয়ে!

    —আমি? না-না-না—যা খুশি তোমার।

    —সন্ধে হয়ে আসছে, পুরবী বাজাও বাবা!

    হেমলতা বলেছিলেন—না, তা হলে আর কিছু জমবে না এরপর।

    ছড়ি টেনেছিলেন যোগেশ্বর। একটু বাজাতেই সুরেশ্বর বলেছিল—বসন্ত, না বাবা? ছড়ি টানতে টানতেই ঘাড় নেড়ে সায় দিয়েছিলেন যোগেশ্বর।

    * * *

    মিস মালহোত্রা চলে গেলে যোগেশ্বর বলেছিলেন-এদের কেন ডাক?

    —কেন?

    নাঃ। এরা হল আলাদা জাত- এদের হল আলাদা ধাত!

    একটু ক্ষুণ্ণ হয়েছিলেন হেমলতা। কিন্তু পরের দিনই মহারাজার পুরুষ সেক্রেটারী এসে যোগেশ্বরকে নিমন্ত্রণ করেছিলেন লাউডন স্ট্রীটের বাড়িতে। একলা নয়—স্ত্রী-পুত্র সমেত যোগেশ্বরকে নিমন্ত্রণ করেছিলেন চায়ে। চায়ের নিমন্ত্রণ শেষ করতে প্রায় ডিনারটাইম হয়ে গিয়েছিল। আগের কথায় বংশপরিচয় থেকে শুরু করে খেলা-শিকার-সঙ্গীত থেকে পলিটিক্স পর্যন্ত। এরই মধ্যে মহারাজা হঠাৎ বলেছিলেন, মিস্টার রয়, তোমার সঙ্গে আমার কিছু প্রাইভেট কথা ছিল। যদি আপত্তি না থাকে তবে এস না, আমরা আধঘণ্টার জন্যে ওঘরে কথা বলে নিই। চন্দ্রিকা, তুমি মিসেস রয় এবং মাস্টার রয়কে দেখাও না সব।

    ঘরে নিয়ে গিয়ে মহারাজা বলেছিলেন—দেখো রয়, তোমার লেখা আমি পড়ি। তা ছাড়া আমি চন্দ্রিকার কাছে তোমার কথা শুনে দু-চারজনের কাছে পরামর্শ নিয়েছি। তারা তোমার কলম সম্পর্কে উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছে। আমার স্টেট সম্পর্কে প্রজারা এই সব কংগ্রেসী লিডারদের উস্কানিতে সহায়তায় নানান নিন্দার কথা অশাসন-কুশাসনের কথা ভেন্টীলেট করছে, দরখাস্ত পাঠাচ্ছে। পলিটিক্যাল এজেন্ট এতে আমার উপর সুবিধে নিতে চাচ্ছে। আমি চাই আমি কি করেছি—সেই কথা প্রকাশ করতে। তুমি আমাকে হেল্প কর। কাজটার ভার নাও।

    গম্ভীর হয়ে গিয়েছিলেন যোগেশ্বর। এ যোগেশ্বর জার্নালিস্ট যোগেশ্বর। যে যোগেশ্বর দেশের সুলভ মতামত উপেক্ষা করে দীর্ঘদিন ইংরেজ রাজত্বকে সমর্থন করে এসেছেন। যে যোগেশ্বর উনিশশো একুশে চাকরি ছেড়েছেন। যে যোগেশ্বর নন কো-অপারেশন মুভমেন্টের ব্যর্থতায় হিন্দু শাস্ত্র সংহিতা পড়ে সিদ্ধান্তে উপনীত হয়ে উচ্চ কণ্ঠে বলেছেন—“অহিংসা একটি মনোরম রোমান্টিক স্বপ্ন—প্রায় ঈশ্বরের মত। বাস্তবের সম্পূর্ণ বিরোধী। অবাস্তব বললেও যথেষ্ট বলা হয় না। মানবসমাজ এবং সভ্যতাকে ক্ষীণবল করে এতকালে বহুকষ্টে অর্জিত মনুষ্যত্বের বিকৃতি ঘটায় ক্লীবত্বে অর্থাৎ সভ্যতার বংশধারা বা স্রোতোধারায় ছেদ টেনে দেয়। এমন কি যদি সব দেশের সব মানুষ অহিংস হয়েই বসে, যুদ্ধও আর না হয়, তবে সেদিন দলবদ্ধভাবে বনের বাঘ সিংহ হিংস্র জন্তুরা মানুষকে আক্রমণ করে পরমানন্দে পশু-রাজত্বের সৃষ্টি করবে।”

    এ লিখেও নিন্দাকে সমালোচনাকে ভয় করেননি যে যোগেশ্বর সেই যোগেশ্বর। তিনি বলেছিলেন—মহারাজা, এ ভার নিচ্ছি এ কথা তো বলতে পারব না। যতক্ষণ সব না জেনেছি। বেশ, তোমাকে আমরা সব তথ্য দিচ্ছি। ফুল স্ট্যাটিস্টিক্‌স্ দিয়ে দেব আমি। হেসে যোগেশ্বর বলেছিলেন—স্ট্যাটিস্টিক্স আর সত্য এক নয় মহারাজ।

    —বেশ, তুমি এস আমার স্টেটে। দেখ সব!

    —পূর্ণ স্বাধীনতার মধ্যে দেখব সব?

    —নিশ্চয়!

    —ভেবে বলব কাল।

    —আমি তোমাকে বিলেতের কাগজে যে পেমেন্ট করে, তাই করব। এবং সব খরচ আমি বহন করব। যদি মাইনে নিয়ে কাজ করতে চাও—

    —না। ওদিকে আমি প্রথমটাতে রাজী! তবে ভেবে দেখব!

    —তুমি একবার স্টেটে এসে সব দেখো রয়। প্লিজ। ফার্স্টক্লাস বাংলো-মোটর-এভরিথিং। তুমি মিসেস রয়কে নিয়ে চলো, দেখো।

    —কাল বলব মহারাজা!

    পথে ভাবতে ভাবতে এসেছিলেন, কথাটা হেমলতাকেও বলেছিলেন। হেমলতা বলেছিলেন—দেখ!

    —কি?

    —কাল বলছিলে চন্দ্রিকার জন্যে যে ওকে কেন আনলে?

    —হুঁ। বলেছিলাম।

    —এখন?

    —এখন?

    —হ্যাঁ এখন?

    —বলতে পারছি না! ভেবে দেখি।

    ***

    কাজ নিয়েছিলেন যোগেশ্বর। চন্দ্রিকা নিজে এসেছিল মত জানতে। মত তিনি দিয়েছিলেন। হেমলতা বলেছিলেন—এবার বল!

    —কি?

    —ডেকে ভাল করেছিলাম কি না?

    —কর্মের একটা চক্র আছে হেম!

    হেসে হেমলতা বলেছিলেন—তবু বলবে না যে ভাল করেছিলাম!

    —নিশ্চয় বলব। তা বলব। যা ঘটবার তাই যখন ঘটে তখন সেই ভালো। যা ঘটবার নয় তা ঘটাতে গেলে বা ঘটালে পৃথিবীতে যতিভঙ্গ হয়—সুর কাটে। আমার মত জার্নালিস্টের পক্ষে এইটেই ঘটবার। আমি জমিদারের বংশধর। জার্নালিস্ট হয়েছি। ওই কংগ্রেসী সুরে সুর মেলাতে গেলে বেসুর বলতাম। সংসারে যারা বেসুর বলে এ যুগে তাদের বলে বিদ্রোহী। তারা জিতলে দেবতা হয় হারলে অসুর নাম পায় ইতিহাসে। সে রিস্ক আমি নিতে নারাজ!

    এক বছর পর হেমলতাকে বসে থেকে যোগেশ্বর যে চিঠি লিখেছিলেন তার গোড়াতেই এই কথাটার উল্লেখ করেছিলেন—তিনি চন্দ্রিকাকে নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছেন ইউরোপ।

    গোড়াতেই লিখেছিলেন—তোমাকে এই চন্দ্রিকা পর্বের গোড়াতেই বলেছিলাম তুমি ওকে কেন আনলে? তুমি জিজ্ঞাসা করেছিলে–কেন? দোষ কি হল? বলতে সেদিন পারিনি, আজ লিখে জানাচ্ছি—দোষ তোমার নয়, দোষ আমার, আমি ওকে দেখে এক মুহূর্তে ক্লোরোফর্ম করা মানুষের মত চেতনা হারিয়ে ফেলেছিলাম। ওর রূপসজ্জা, ওর ভঙ্গি, ওরা শ্যাম্পুকরা চুলের গন্ধ সত্যিই যেন ক্লোরোফর্মের মিষ্টি গন্ধের সঙ্গে একমাত্র তুলনীয়। তবু আমি প্রাণপণে লড়াই করে চেতনাকে জাগিয়ে রেখেছিলাম অনেকদিন। তুমি জানো পরদিন চন্দ্রিকা এসেই আমার মত আদায় করে ছেড়েছিল। কি বলেছিল জান—বলেছিল—রয় প্লিজ, প্লিজ তুমি অমত কোরো না। প্লিজ! আমার চোখে নেশার ঘোর ছিল। সেই ঘোরের মধ্যেই বলেছিলাম, কেন? আমাকে নেবার জন্য এত ব্যস্ত কেন? মহারাজাকে তুমি এত ভালবাস। সে বলেছিল—উল্টো! ঠিক উল্টো রয়। তুমি যদি স্টেটের রঙ্গমঞ্চে আবির্ভূত হও তবে আমি পরিত্রাণ পাই। আমার নিশ্চিত ধারণা আমি পরিত্রাণ পাব। জিজ্ঞাসা করেছিলাম—মানে কি বল তো। সে বলেছিল—রয়, আমাকে মহারাজা আসলে কিনেছে। আমার বাবা আমাকে বিক্রি করেছিল। আমি একটা সাংঘাতিক দলিলে সই করেছি। এক লক্ষ টাকা অ্যাডভান্স নিয়েছি—আমার চাকরির উপর। আমার এ থেকে পরিত্রাণ নেই। তুমি যদি এস রয়—আমি তোমাকে অনেক ফ্যাক্টস্ দেব প্রমাণ দেব, তার দাবিতে তখন হয়তো মুক্তি পেতে পারব। আমি বলেছিলাম—কিন্তু মহারাজা তো তোমাকে খুব সুখে রেখেছেন চন্দ্রিকা! চন্দ্রিকা বলেছিল- তার থেকে মৃত্যু ভাল। কিন্তু মরতে আমার ভয় করে। আমি নিজে উপরে দরখাস্ত করতে পারি না—আমাকে গুলী করে মেরে দেবে! তুমি এদের জান! তবু আমি বলেছিলাম, কিন্তু আর কি এখান থেকে মুক্তি নিয়ে সাধারণ জীবনে ফিরে যেতে পারবে? সে বলেছিল—রয়, আমি তখন সাধারণ মেয়ের মত সাধারণ মানুষের কাছে নিজেকে বিক্রী করেও বাঁচতে পারব। আমি আর আত্মসম্বরণ করতে পারিনি, বলেছিলাম-আমার ফার্স্ট অফার রইল। চন্দ্রিকা বলেছিল-আমি নিজেকে ইন অ্যাডভান্স তোমাকে দিয়ে রাখলাম। এনগেজমেন্টও করে গিয়েছিল : সেটা একটা বড় হোটেলে। মহারাজার সেদিন ডিনারে নেমন্তন্ন ছিল গভর্নমেন্ট হাউসে।

    থাক ওসব কথার বিশদ বিবরণে প্রয়োজনও নেই, আমার নিজেরও অপরাধবোধ মরে যায়নি। হেম, এ বোধহয় একটা ব্যাধি। এ বোধহয় নিয়ে জন্মেছিলাম। কারণ তার সংক্রমণের সূত্র আমি দেখতে পাচ্ছি আমার জন্মদাতার জীবন থেকে। তোমাকে বিবাহের পূর্বে এ ব্যাধি আমাকে প্রায় বাঁধা বন্য-জন্তুর মত বা জোতা-ঘোড়ার মত এই মুখে চালাচ্ছিল। চলতে তো আমার বাধা ছিল না। অর্থ ছিল। তার উপর সমাজের যেটা তাড়না বা ভয় তাতেও ছিলাম বেপরোয়া। কিন্তু বাবার একটা মেসেজ ছিল-আমার কাছে। দাদার কাছেও ছিল। সেটা সীল-করা কভারে তিনি দিয়েছিলেন—আমাদের অ্যাটর্নীকে। সেটা তাঁর উইলের সঙ্গে পেয়েছিলাম। লেখা ছিল-’পিতার যদি কোন অধিকার থাকে পুত্রকে উপদেশ দেবার তবে উপদেশ রইল নারী-বিলাস থেকে দূরে থেকো। যদি তা সম্বরণ করতে নাই পার, তবে বিবাহ করে সংসারী হয়ো না।’ কারণটা অজানা ছিল না। আমার বাল্যকালে আমার এক মেম গভর্নেস ছিল। তিনি তাঁর প্রেয়সী ছিলেন। আমাকে চড় মারার জন্য আমার দাদা তাকে ঘোড়ার চাবুক দিয়ে মেরেছিলেন! তারপর মেমসাহেব গেল চলে, বাবা তাকে অনুসরণ করে এসেছিলেন কলকাতায়। এটা প্ৰত্যক্ষভাবে জানতাম। তখন আমার পিতামহ বেঁচে। তখন থেকেই আমরা তাঁর থেকে স্বতন্ত্র বাস করেছিলাম। পিতামহের মৃত্যুর পরও বাবা স্বতন্ত্র থেকেছিলেন কিছুদিন। তারপর তিনি অন্য মানুষ হতে চেয়েছিলেন। সে আত্মনির্যাতন আমি দেখেছি। এবং তখন আভাসও পেয়েছি—তাঁর প্রথম জীবনের উদ্দাম গতির বিচিত্র কথার। সেই কারণেই আমি দীর্ঘদিন বিবাহ করিনি—এবং উদ্দাম গতিতে ছুটতে গিয়েও ভয়ে নিজেকে সংযত রেখেছি। তারপর তুমি এলে জীবনে। তুমি দেখেছ প্রমাণ পেয়েছ আমি কি হয়েছিলাম বা হতে চেষ্টা করেছিলাম। ইদানিং ভাবতাম আমি সব সংকট পার হয়ে এসেছি। কিন্তু না।

    পিতামহ ছিলেন পুণ্যবান পবিত্র চরিত্র মানুষ। অন্তত চরিত্রের দিক থেকে। বিষয়ী হিসেবে তাঁর দোর্দণ্ডপ্রতাপের পরিচয় চোখে দেখেছি। জীবনযাপনের ধারা দেখেছি। এ যুগে আমার শিক্ষানুযায়ী তাঁর জীবনকে বলব আত্মনির্যাতন। অর্থহীন আত্মনির্যাতন। তিনি আমাদের শিখিয়ে ছিলেন—একটা কথা। শিখিয়েছিলেন সংসারে মানুষের জীবনে নারীর সঙ্গে সম্পর্ক দুটি। দুটি সম্পর্কের একটি ভেঙে আবার দুটি হয়েছে। এক পুরুষ আর প্রকৃতি। মানুষের জীবনে এই সম্পর্ক একটি পুরুষের সঙ্গে একটি নারীর। অন্যটি মাতা আর পুত্র। সেটা বয়সভেদে হয় কন্যা আর পিতা। এইটেই জগৎজোড়া। এর অন্যথায় তুমি স্বর্গ নরক মানলে নরকে পড়বে, না মানলে তোমাকে ফিরতে হবে জন্তু জীবনে। অথবা তাকে হতে হবে সেই পুরুষ যাকে পাপপুণ্য দেশ সমাজ কিছু স্পর্শ করতে পারবে না—তার নাগাল পাবে না।

    কথাটা সত্য। চন্দ্রিকার সঙ্গে জীবনের গ্রন্থি লাগল। সেটা যদি মা বা কন্যার মন্ত্রে গ্রন্থি পড়ত! কিন্তু না, তা পড়ল না। আজ একটা বছর আমি নানান অজুহাতে মহারাজার স্টেটে কাটিয়েছি ঘুরেছি সে কেবল চন্দ্রিকার জন্য। যখন চন্দ্রিকাকে জীবনে জড়িয়েছি তখন চেষ্টা করেছি এই রকম পুরুষ হতে; পাপপুণ্যের দেশসমাজের ঊর্ধ্বের পুরুষ। কিন্তু তা পারিনি। সে সহজ নয়। সহজ সাধারণের মত অবস্থায় পড়লাম। ওদিকে মহারাজা, এদিকে তুমি এবং সুরেশ্বর। একদিকে ভয়, অন্যদিকে নিদারুণ অপরাধবোধ। মহারাজা জানতে পারলে গুলি ক’রে মারত! এদিকে তুমি জানলে কি হত তা কল্পনাও করতে পারিনি। ফলে জন্তুর অধম চোরের মত তার সঙ্গে মিশেছি। আমার সম্পদ আমার সহায়তা করেছে। বাঘের নখ আর দাঁতের মতো মানুষের এই সম্পদ আর প্রতিষ্ঠা। কিন্তু আর গোপন রইল না। মহারাজা জেনেছেন। সুতরাং শিকারীর বনভাঙার শব্দে ভীত জন্তুর মত চন্দ্রিকাকে নিয়ে বিদেশ পালানো ছাড়া আমার গত্যন্তর নেই। আজই জাহাজ ছাড়বে। বম্বে থেকে চলে যাচ্ছি চন্দ্রিকাকে নিয়ে। ব্যাঙ্কের পাস বইয়ে তিন লক্ষ টাকা মজুত আছে। তার দু-লক্ষ আমি নিলাম। এক লক্ষ টাকার চেক কেটে বাড়ীঘর সম্পত্তির দলিল তোমাদের নামে করে দিয়ে বম্বের অ্যাটর্নীকে দিলাম—তারা যথাসময়ে তোমাদের কাছে পৌঁছে দেবে। সম্পত্তি যা পৈতৃক তা সুরেশ্বরের রইল-এ অধিকার ওর জন্মগত। তবে শর্ত রাখলাম যতদিন তুমি বাঁচবে ততদিন সব কাজে তোমার মত নিতে হবে। তোমাকে আমার ব্যক্তিগত সম্পত্তি। আর এক লাখ টাকার অর্ধেক পঞ্চাশ হাজার নির্বঢ় স্বত্বে।

    মার্জনা করতে বলব না। বলব অভিসম্পাতই দিয়ো। অন্য দেশের মত ডাইভোর্স নেই। থাকলেও আমি বলতে পারতাম না। তোমাকে আমি আজও ভালোবাসি। কিন্তু বিশ্বাস কর, আমার কোন শক্তি আজ নেই, আমি ভেসে যাচ্ছি একটা দুর্দান্ত আকর্ষণে। কি মোহ এই মেয়েটার! ওঃ!

    সুরেশ্বরকে বাঁচাতে চেষ্টা করো। কিন্তু তাকে বন্ধনেও বেঁধো না। মানুষ কেউ কাউকে বাঁচাতে পারে না হেম। মানুষ বাঁচে নিজে। তার বীজ থাকে তার চরিত্রে। সে চরিত্র আপনি গড়ে। অন্যে যেটা গড়ে দেয় সেটা খড়ের কাঠামোর উপর চাপানো মাটি আর রঙ। কালে ফাটে—জলে গলে। ইতি—

    যোগেশ্বর রায়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসরস গল্প সমগ্র – তারাপদ রায়
    Next Article তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় সাহিত্যের সেরা গল্প

    Related Articles

    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    গল্পসমগ্র – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    হাঁসুলী বাঁকের উপকথা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    রাইকমল – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    চৈতালী-ঘূর্ণি – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    ধাত্রী দেবতা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    গণদেবতা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }