Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কীর্তিহাটের কড়চা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1956 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কীর্তিহাটের কড়চা – ৩য় খণ্ড – ১৮

    ১৮

    এই অন্নপূর্ণা দেবী সুলতা। ১৯৩৭ সালেও তিনি বেঁচে, বয়স তখন তাঁর পঁচাত্তর। এখনো এ-বাড়ীর সর্বময়ী তিনি। তিনি দীক্ষা নিয়েছিলেন পরমহংসদেবের কাছে। গোটা বাড়ীটাই বেলুড়মঠের শিষ্য। ভবেনবাবু নিজে স্বামীজী বিবেকানন্দের সঙ্গলাভ করেছেন।

    অন্নপূর্ণা দেবীর উপর কথা নেই।

    আজও এস্টেট তাঁর নামে। গোটা সংসারের খরচ, খাওয়াপরা, ছেলেদের লেখাপড়া, কাপড়চোপড়, চিকিৎসা এসব তাঁর হাতে। ছেলে ভবেন্দ্র মারা গেছেন পঞ্চাশ বছর বয়সে। নাতিরাও সেই নিয়মে চলে। নাতিদের উপার্জন থেকে একটা করে টাকা তাঁকে দিতে হয়। সেটা জমা হয় এস্টেটে। এখনো নিত্য তরকারি কোটার বঁটি নিয়ে বসেন। পাশে বসেন তিন নাতবউয়ের একজন এবং বিধবা বউ। তিনি বলে দেন—এই রান্না হবে, এই কোটো। আলু এত বড় করে কুটো না। দু ভাগ নয় চার ভাগ কর।

    সুলতা বললে—দুর্দান্ত মহিলা।

    সুরেশ্বর বললে—হ্যাঁ তা বটে। তিনি খবর পেয়েই আমাকে ডেকে পাঠালেন। নগেনকাকা নিজে উপরে উঠে গিয়ে ঠাকুমার সঙ্গে দেখা করে বললেন—চল, ওপরে চল। ঠাকুমা ডাকছেন।

    আমি তাঁর পিছনে পিছনে পেলাম।

    তিনি সেই ফটোটা হাতে দাঁড়িয়ে, দেওয়ালে টাঙানো ভবানী দেবীর অয়েল পেন্টিংয়ের সঙ্গে মিলিয়ে দেখছিলেন। একেবারে যেন তন্ময় হয়ে গিয়েছিলেন।

    নগেন কাকা গলার সাড়া দিয়ে ডাকলেন—ঠাকুমা।—

    শুনতে পেলেন না তিনি। আবার ডাকলেন নগেন কাকা—ঠাকুমা।—

    মুখ ফেরালেন তিনি। দেখলুম পুরু চশমার অন্তরাল থেকে দুটি জলের ধারা নেমে এসেছে। তিনি কাঁদছেন।

    সুরেশ্বর বললে-অর্চনার ফটোর সঙ্গে নিজের মায়ের অয়েল-পেন্টিংয়ের এমন সাদৃশ্য দেখে এত অভিভূত হয়ে গিয়েছিলেন যে, ঘুরে আমাকে দেখে বললেন-এস। তারপর আবার একবার ছবির সঙ্গে ফটোটা মিলিয়ে দেখে একটা গভীর দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেললেন। তারপর একটু হাসলেন। সে-হাসির অর্থ ঠিক বুঝলাম না। শুধু হাসি নয়, ঘাড় নাড়লেন, যেন বললেন—হায় হায়! নাতির দিকে একবার চাইলেন। এবং সঙ্গে সঙ্গে বললেন—এই ফটোর সঙ্গে মেয়েকে একবার মিলিয়ে দেখব, বুঝলে বাবা। যদি ঠিক এমনি হয়, তবে এ-মেয়ে আমি নিলাম।—কার মেয়ে বলছ?

    এমনটা আমি ভাবতে পারিনি। অর্থাৎ এত সহজে এক কথায়! তারপর বললেন —নগেন? আমি তো বললাম—তুই—

    —ঠাক্‌মা, আজ একথা কেন বলছ?

    —বলছি। তুই হাজার হলেও ছেলের বাপ। বলে আবার একটু হাসলেন। বললেন—দেখ, ভবেনকে বাপের সঙ্গে কোন সম্পর্ক রাখতে দিইনি। আমিও রাখিনি। কিন্তু ভবেনের বিয়ের সময় তোর মাতামহকে বলেছিলাম—তাঁর কাছে যাও। তুই ছেলের বাপ, মনে মনে হবে যে, ঠাকুমা-বুড়ী মরেও মরে না—বাহাত্তুরে ধরেছে। একবার আমার মতটাও চাইলে না। তারপর—। কার মেয়ে বললে?

    আমি বললাম—জগদীশ্বরকাকার মেয়ে।

    —জগদীশ্বর? শিবেশ্বরের মেজ ছেলে? যেটা গাঁজা খায়, মদ খায়, একটা বাঘ মেরেছিল, সেইটের?

    তাঁর মুখ দেখে কথা শুনে ভয় পেয়ে গেলাম। বললাম-আজ্ঞে শুনেছি, খান। আপনার কাছে মিথ্যে কি করে বলব?

    —তাহলে তো টাকা-পয়সা খরচের ক্ষমতাও তার নেই।

    —বড়মা, আমি একটা কথা বলব?

    —কি বললি? বড়মা? হুঁ। যোগেশ্বর সাহেবের ছেলে হয়ে শিখলি কি করে রে? অ্যাঁ!—কে শিখিয়েছিল—মা? তা তোর মায়ের শ্রাদ্ধের সময় একবার খবর দিলিনে তুই হারামজাদা?

    চুপ করে রইলাম। কিন্তু ভারী মিষ্টি লাগছিল। বললেন—বল, কি বলবি?

    বললাম—অর্চনার বিয়ের ভার আমি নিয়েছি বড়মা। যা চাইবেন আমি দেবো।

    —এ-মেয়ের বিয়ের ভার তুই নিয়েছিস?

    —হ্যাঁ বড়মা, টাকার জন্যে মেয়েটিকে একজন দোজবরে পুলিশ দারোগার হাতে দেবার ঠিক করেছিলেন ওর বাবা। আমাকে মেজঠাকুমা জেলে যাবার আগে বলে গিয়েছিলেন—তুই ওর বিয়ের ভারটা নিস। ভাল ঘর-বর দেখে বিয়ে দিস।

    —মেজ-বউমা মানে শিবেশ্বরের তৃতীয় পক্ষের স্ত্রী, যে জেলে গেছে?

    নগেনকাকা বললেন—হ্যাঁ ঠাকুমা, রায়বাহাদুর রত্নেশ্বর রায়ের কীর্তিহাটের জমিদারী কেল্লার ফাটল দিয়ে দেশের হাওয়া ঢুকেছে। মেদিনীপুর তো। অতুলেশ্বর—শিবেশ্বরকাকার দ্বিতীয় পক্ষের ছোট ছেলে, একটা স্বদেশী কেসে ধরা পড়েছে। তার সঙ্গে খুড়ীমা গেছেন। ছেলেটিকে তিনি মানুষ করেছিলেন, সে রিভলবার রাখতে দিয়েছিল মাকে।

    —ওরে আর দুখানা আসন দে তো! দাঁড়িয়ে থেকে কোমর ধরেছে। আমি আসনে বসছি—ওরা তো ওপরে বসবে না!—

    আসনে বসে আমার কাছে সব শুনে বললেন আশ্চর্য। বংশের প্রায়শ্চিত্ত করলে শিবেশ্বরের এক ছেলে! যার বড় ছেলে মাতাল, মেজটা গাঁজাল-মাতাল, সেজটা ছিল জোচ্চোর। তার ছোট ছেলে। একটা খবর দিলিনে রে নগেনকে?

    —না ঠাকুমা। ও খুব বড় ব্যারিস্টার দিয়েছিল।

    —তা দিক। তুই যেতিস। আমি খুশী হতাম।

    আবার একটা দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলে বললেন–বোস্‌, আমি আসছি।

    নগেনকাকা বললেন—কাল সকালেই একবার এস। রথীনের সঙ্গে দেখা করে যাবে। তাকে একবার দেখাও হবে, আলাপ করেও যাবে। তার ঘরে তোমার আঁকা একখানা ছবি আছে। তোমার মায়ের শ্রাদ্ধের পর ছবির একবিজিশন করেছিলে, সে দেখতে গিয়েছিল—ইনকগনিটো অবশ্য, আলাপ করেনি। একখানা ছবি সে কিনে এনেছিল।

    আমি লজ্জিতও হলাম, আবার খুশীও হলাম।

    ইতিমধ্যে বাড়ীর ভিতর দিক থেকে অন্নপূর্ণা দেবীর রূঢ় কণ্ঠস্বর ধ্বনিত হয়ে উঠল-বউমা, তোমারও কি আক্কেল-বুদ্ধি সব গেছে। সব হারিয়েছ? যোগেশ্বরের ছেলে এসেছে। তুমি একবার বের হলে না। এখনো জলখাবার পাঠাও নি। ছি-ছি-ছি!

    —এই তো যাচ্ছি মা! আমি একা যে বাড়ীতে।

    —কেন, নাত-বউরা গেল কোথায়? আমার নগেন্দ্রাণী কোথায়? বাড়ীর বড়বউ-

    —তারা আজ থিয়েটার দেখতে গেছে মা।

    —থিয়েটার দেখতে? তারপরই বললেন—ও, হ্যাঁ। আমাকে বলেছিল বটে! হ্যাঁ, বলেছিল। সুরেন নিয়ে গেছে তো!

    —হ্যাঁ।

    —ওই আমার আর সব মনে থাকে না। তা তোমার হল?

    —এই যে।

    তারপরই পায়ের শব্দ পেলাম। এবং ঘরে এসে ঢুকলেন অন্নপূর্ণা দেবী আর তাঁর বিধবা পুত্রবধূ, সম্পর্কে আমার ঠাকুমা–ভবেন্দ্রনাথের স্ত্রী। থান কাপড় পরা, মাথার চুল ছোট করে কাটা, ছোটখাটো মানুষটি। এককালে সুন্দরী ছিলেন। পিছনে ঝি, তার হাতে জলের গ্লাস। আমার সামনে নামিয়ে দিয়ে বললেন—ভাল আছ ভাই?

    আমি সসম্ভ্রমে উঠে তাঁকে প্রণাম করলাম। তিনি বললেন—চিনতে পারছ আমাকে? বললাম—হ্যাঁ। আপনি আমাকে একটা ভারী সুন্দর পুতুল দিয়েছিলেন। মার্বেলের ভেনাস। সেটা ঠাকমা আমার এখনো আছে।

    —আছে? কি বলেছিলাম বল তো?

    —বলেছিলেন—এই তোমার মেম বউ! বড়মা বকেছিলেন।

    কথাটায় বাধা দিলেন অন্নপূর্ণা দেবী। বললেন —থাক।

    সঙ্গে সঙ্গে আবহাওয়াটা থমথমে হয়ে গেল। আমি ভেবেছিলাম বাবার কথা।

    ওঁরা কি ভেবেছিলেন তা বলতে পারব না। পরে বুঝেছিলাম—তা পরেই বলব। একটুখানি স্তব্ধতার পর অন্নপূর্ণা দেবী বললেন—রথীনের জন্যে এই মেয়ে আমি নিলাম বউমা।

    —এতে আর আমি কি বলব?

    —নগেনও তাই বলেছে।

    —বলবে বইকি। তাছাড়া এ তো দেখছি উনিই একেবারে।

    —হ্যাঁ। তবে বাপ গরীব হয়ে গেছে। তা এ-ছোঁড়াটা তো বড়লোকের বেটা বড়লোক, বলছে টাকাকড়ি ও-ই দেবে। আগের কাল হলে কান মুলে দিতুম। শোন—বিয়ের খরচ তুই করবি, বরযাত্রী খাওয়ানো আর পাত্রাভরণ। ওটা তুই দিবি। মেয়ে আমি সাজিয়ে নেব।

    আমি ভুমিষ্ঠ হয়ে প্রণাম করলাম। মুখ তুলতেই তিনি আমার চিবুকে হাত দিয়ে হঠাৎ জ্বলে গেলেন। বললেন—হ্যাঁরে, তখন থেকে বলব বলব করে বলতে ভুলছি—কথার পিঠে কথা এসে পড়ছে। বলি একি রে? এই জঙ্গুলে দাড়ি রেখেছিস কেন রে? বাপ রেখেছিল ফ্রেঞ্চছাঁট, তুই রেখেছিস লম্বা-দাড়ি। একমুখ জঙ্গল। কেন?

    তাঁর পুত্রবধূ আমার ঠাকুমা—নগেনবাবুর মা হেসে বললেন—নাতি খুব খেয়ালী মা। ওর যখন যেটা খেয়াল হয়।

    —আমি তো জানি গো সব। ওরা খবর রাখে না- আমি খবর রাখি। মহাবীর দারোয়ান এই তো বছর কয়েক মারা গেছে। মহাবীর তো মধ্যে মধ্যে আসত। দিদি বলত আমাকে। তারপরও খবর নিই। জানবাজারে লোক পাঠাই। কীর্তিহাটের দয়াল আমার থেকে ছোট। শিবেশ্বরেরও ছোট। কীর্তিহাটে যখন যেতুম কালীপুজোর সময় তখন তাঁকে পাঁচ-ছ’ বছরের দেখেছি। কলকাতার এ বাড়ীতে প্রথম প্রথম দয়াল আসত। প্রথম এসেছিল তাঁর মেয়ের বিয়ের সময়; সেকালে তো বিয়ের পণ হয়েছিল বারশো টাকা। তা কীর্তিহাটের বাড়ী থেকে ওকে পাঁচশো টাকা দিয়েছিল। দেবেশ্বর আড়াইশো, শিবেশ্বর আড়াইশো, রামেশ্বর তো তখন বিলেতে। দয়ালের নিজের ছিল শ-চারেক টাকা; বাকীটার জন্যে আমার কাছে এসেছিল, তখন তো ভবেনের খুব নাম! আমি দয়ালকে আড়াইশো দিয়ে বলেছিলাম—পণ ছাড়াও তো খরচ আছে দয়াল। তা দেখ, দয়াল সে-আমলের লোক তো, মিথ্যে বলতে বাধত, বলেছিল—দিদি মিথ্যে বলব না, সে আমার আছে; মাছ-কাঠ এ পাব তোমাদের বাড়ী থেকেই। আমার অভাব একশো টাকার। আর মেয়ের ইচ্ছে একখানা বালুচরের রেশমী শাড়ীর। তার দাম আর কত। ওই বিশ টাকাতেই খুব ভাল হবে। আমার কাছ থেকে একশো পঁচিশের বেশী নেয়নি।

    নগেনবাবুর মা বললেন—আমি তাঁকে দেখেছি মা। কী ভাল গান গাইতেন! আর কী আমুদে লোক ছিলেন—সেই গানটা আমার আজও মনে আছে মা! সেই যে যেবার হাতে জুতো নিয়ে ছাতা মাথায় বোশেখ মাসের দুপুরবেলা এসেছিলেন, দারোয়ান ঢুকতে দিচ্ছিল না—।

    হেসে উঠলেন অন্নপূর্ণা দেবী, বললেন—হ্যাঁ হ্যাঁ, ভাগ্যে আমি বারান্দায় বেরিয়েছিলুম। হ্যাঁ, আমি বললাম—ওকি, দয়াল জুতো হাতে কেন? বললে—পায়ে ফোস্কা পড়েছে। গান গেয়ে বলেছিল।

    —আমার সে-গান আজও মনে আছে। আপনি বললেন—ওকি রে, জুতো হাতে কেন? তো সঙ্গে সঙ্গে গান বেঁধে কেত্তনের সুরে গেয়ে বললেন—

    “ভাস্করেরই করো, অতীব প্রখরো,
    ফোসোকা পড়িল পায়।
    দারোয়ানে দ্বার, রুখিয়া হুঙ্কার
    ভয়েতে পরাণ যায়!”

    —হ্যাঁ-হ্যাঁ-হ্যাঁ। তোমার তো খুব মনে আছে বউমা। আমরা খুব হেসেছিলাম। নতুন জুতো কিনে দিতে চেয়েছিলাম, তা চটি ছাড়া নেয়নি। বলেছিল—দিদি, কীর্তিহাটের মাটিতে হাঁটি খালি পায়ে, ফাটা চরণ, এতে কি জুতো চলে-দেবে তো চটি দাও।

    সুরেশ্বর বললে—সুলতা! দয়াল-বৃদ্ধকে দেখেছি, তাঁর কাছে গল্প শুনেছি, তিনি আমার জ্বরের সময় হাত দেখতে এসে সোমেশ্বর রায়ের বজরার আসরের গল্প বলতেন। তাঁর শোনা গল্প। চিরকাল রায়বাড়ীর কাছে কৃতজ্ঞ। যদুরাম রায়ের স্বাক্ষর করা ছাড়পত্র তাঁর কাছে দেখেছি। এই বিমলেশ্বর কাকার গ্রেপ্তারের দিনও এসে কেঁদে গেছেন, কিন্তু এমন পরিচয় পাইনি। সম্ভবত বয়সের সঙ্গে হারিয়ে গেছে।

    তাই সবিস্ময়ে শুনছিলাম, তাঁর আর এক কালের আর এক রূপের কথা!

    সেদিন অন্নপূর্ণা দেবী বললেন—“দয়াল এখনো চিঠি দিলে উত্তর দেয়, তার কাছে খবর পাই। শিবেশ্বরের আমলে একবার ওর তৃতীয় পক্ষের বিয়ের খবর পেয়ে আমি শিবেশ্বরকে খুব কড়া করে চিঠি লিখেছিলাম। গালাগাল দিয়েছিলাম। লিখেছিলাম—“দয়ালের পত্রে সংবাদ পাইলাম যে, তুমি আবার এই বয়সে দুই পক্ষের ছয়-ছয়টি পুত্র এবং পাঁচটি কন্যা থাকিতেও আবার বিবাহ করিয়াছ একটা পুরুতের মেয়েকে। পৌত্র হইয়াছে, পৌত্রী হইয়াছে, কয়েকগণ্ডা দৌহিত্র-দৌহিত্রীও হইয়াছে। তৎসত্ত্বেও এই মতিচ্ছন্ন তোমার কেন হইল তাহা জানি না। রায়বংশকে ভিক্ষুক করিয়া ছাড়িলে তুমি।”

    শিবেশ্বর উত্তর দেয়নি। দয়াল দিয়েছিল পত্র। লিখেছিল, ‘দিদি, আপনি আমার নাম করিয়া মেজ-রায়কে পত্র দিয়াছেন, তাহাতে আমার আর লাঞ্ছনার বাকী নাই। অতঃপর আপনাকে আমি নিয়মিত সংবাদ দিয়া খবরাদি দিব। আমাকে আপনি পত্র দিবেন না বা মেজ-রায়কে পত্র দিবেন না। তাহা হইলে আমাকে গ্রাম ত্যাগ করিতে হইবে।” দয়াল আমাকে পত্র দেয়। তোর খবরও আমি জানি! তুই সেটেলমেন্টে গোচর বাস্তু নাখরাজ দিয়েছিস, তুই গোয়ানদের গোয়ানপাড়া নিষ্কর দিয়েছিস, তাও লিখেছে। লিখেছে—’দিদি, যোগেশ্বরের পুত্র এই সময় আসিয়া রায়বংশের সরোবরের পঙ্কোদ্ধার করিয়াছে। চারিদিকে রায়বংশের নাম উজ্জ্বল হইয়াছে নহিলে শিবেশ্বরের সেই দৈত্যের মত পাগল পুত্রের কীর্তির পর রায়বংশ- সরোবর নরককুণ্ড আখ্যা পাইয়াছিল।’

    গম্ভীর হয়ে গেলেন অন্নপূর্ণা দেবী। বোধহয় সেই ঘটনা মনে পড়ল তাঁর। তারপর বললেন—সবই কর্মফল আর অদৃষ্ট, তাছাড়া আর কি? আমার মাতামহের ওই যন্ত্রণা ওই তপস্যা সব ভস্মে ঘি ঢালা হয়েছিল তাঁর জীবনে। আমি ভাবি কি জানিস? আমি ভাবি—ওই আমার মাতামহের ওই পাপ… ওই শিবেশ্বরের ছেলেটা হয়ে এসেছিল।

    এরপর সবাই স্তব্ধ হয়ে গেলেন। সঙ্গে সঙ্গে আমিও চুপ হয়ে গেলাম। কিছুক্ষণ পর নগেনবাবু মনে করিয়ে দিলেন সময়ের কথা। বললেন আমাকে। বললেন—রাত্রি তো অনেক হয়ে গেল, শীতকাল সাড়ে ৮টা বাজল। তা সুরেশ্বর তুমি আজ এখানেই খেয়েদেয়ে যাও। ঠাকুমা—

    যেন দুঃস্বপ্নের ভঙ্গ হল তাঁর। তিনি বললেন-তাই তো যাবে। এর আর নেমন্তন্ন করতে হবে নাকি? ঘরের ছেলে!

    নগেনবাবু আবহাওয়াটা গরম করতেই বোধহয় বললেন—তা আজ ওকে ঘরের ছেলে বললে হবে না ঠাকমা।

    —কেন? কুটুম্ব?

    —তাই বা কেন? ও আজ তোমার নাতির বিয়ের সম্বন্ধ এনেছে, দেশজুড়ে কনে দেখে পছন্দ হচ্ছে না যখন, তখন এমন কনে ও এনেছে যে, তুমি যে-মেয়েটি চাচ্ছিলে, ঠিক তাকেই এনেছে। ওকে নেমন্তন্ন কর। খাতির কর।

    হঠাৎ দুহাতে আমার গালদুটি চেপে ধরে বললেন অন্নপূর্ণা দেবী-শুধু তাই নয় নণ্ড, এর চেহারা আর আমার দেবুর চেহারা এক, একরকম। ঠিক যেমন এই মেয়েটি–কি নাম-

    —অৰ্চনা। তা বেশ নাম। ভালো নাম। অর্চনা মানে পূজা। বললেন নগেনবাবুর মা!

    —হ্যাঁ। অর্চনা আর আমার মায়ের চেহারা যেমন একরকম, ঠিক সেইরকম। ছেলেবেলায় তাই মনে হত। ওকে আমি ভেলভেটের জরিওয়ালা পোশাক-পাগড়ি পরিয়ে সাজিয়ে দেখেছি আর কেঁদেছি।

    চোখের জল মুছে বললেন—শোন রে, পিসির কথা শোন। তুই আমাকে বড়মা বলবিনে। বলবি অন্নপিসি। তা না পারিস তো বলবি বড়পিসি। দেবু কীর্তিহাটে প্রথম মানুষ হয়েছিল, আমাকে পিসিমা বলত না, বলত অন্নপিসি। শোন, আজ খাবি তো এখানে নিশ্চয়। কাল সকালে উঠে দাড়ি কামিয়ে ফেলবি। নও, আমি তো পুজোয় থাকব ভাই। তুই দাঁড়িয়ে ওর দাড়ি কামিয়ে দেওয়াবি, কেমন? তারপর আমি উঠে ওকে দেখব। তারপর বাড়ি যাবে।

    নগেনবাবুর মা বললেন—ও ভারটা আমাকে দিন মা। কিন্তু ওর চুলগুলো? ওই যে লম্বা বাবরি মতন? ওতে কিন্তু ওকে খুব ভাল দেখাচ্ছে।

    এরই মধ্যে বাড়ীর যাঁরা থিয়েটারে গিয়েছিলেন, তাঁরা ফিরলেন। তাঁদের সঙ্গে অর্থাৎ নগেনবাবুর ভাই সুরেনবাবু এবং বীরেনবাবুর সঙ্গে আলাপ হল। পরিচয়ে জানলাম -সুরেনবাবুর স্ত্রী আমার মায়ের পিসতুতো বোন।

    পরিবারটিকে বড় ভাল লাগল।

    সবশেষে এলেন পাত্র রথীনবাবু। মেডিকেল কলেজের নাম-করা ছাত্র। এই সুন্দর সুপুরুষদের বংশের মধ্যে এই ছেলেটিই যেন সবথেকে উজ্জ্বল এবং পৃথক। চেহারায় পার্থক্য আছে। কথায়-বার্তায় আছে, আচারে-আচরণেও আছে।—

    আমাকে দেখে বিস্মিত হয়ে বললেন—আপনি এ-বাড়ীতে!

    অন্নপূর্ণা দেবী তাঁকে ডেকে পাঠিয়ে আনিয়েছিলেন। নইলে ডাক্তার রাত্রে চেম্বার এবং . নার্সিংহোম থেকে ফিরে নিজের ঘরে ঢোকেন। নিচের তলায় তাঁর ঘর। সেখানে বিশেষ রকম বন্দোবস্ত। দরজার সামনে সিঁড়িতে ব্লিচিং পাউডার ছড়ানো থাকে। তাই মাড়িয়ে ঢোকেন। পোশাক সব খুলে স্নান করে কাপড়-চোপড় পরে তবে উপরে আসেন।

    বেশ একটু অসুখ ও অসুখের সংক্রামকতা সম্পর্কে বাতিক আছে। স্নান করে এলেও ডেটল-জাতীয় ডিস্‌ইনফেকটেন্টের গন্ধ ওঠে।

    আমার উত্তর অন্নপূর্ণা ঠাকুমাই দিলেন। বললেন—তোর জন্যেই এসেছে রে। বসে আছে।

    —আমার জন্যে?

    এবার আমি বললাম—হ্যাঁ, আপনার জন্যেই।

    অন্নপুর্ণা ঠাকুমা বললেন—দেখ তো এই ফটোখানা!

    —ফটো? কার?

    —দেখে বল তো কার?

    হেসে সে বললে—একটি মেয়ের।

    —হ্যাঁরে, হ্যাঁ, বাঘিনীর নয়, গণ্ডারনীর নয়, এ তো সবাই জানে।

    —তাই তো বলছি।

    আমার ভাল লাগল। অন্নপূর্ণা দেবীর সঙ্গে এমনভাবে কাউকে কথা বলতে শুনিনি।

    অন্নপূর্ণা দেবী বললেন—তুই মস্ত ত্যাঁদড়।

    —বাঁদরও বলতে পার। তোমার কথার উপর কথা কয় কে বল?

    —তুই হারামজাদা সে তুই বলিস। দেখ তো আমার মায়ের অয়েলপেন্টিংয়ের দিকে তাকিয়ে! রথীন এবার ভবানীদেবীর অয়েলপেন্টিংয়ের দিকে তাকিয়ে সত্যই বিস্মিত হল। বেশ ভাল করে দেখে যেন মিলিয়ে মিলিয়ে দেখে বললে—তাই তো! আশ্চর্য মিল তো! অবিকল মিলে যাচ্ছে। বলতুম এটা ওই অয়েলপেন্টিংয়ের ফটো কিন্তু সাজগোজে মিল নেই, এত গয়না নেই। কার ফটো এ, মামণি?

    —তাই তো বলতে বলছি। বল?

    রথীন হেসে বললে—মঙ্গলবারের কথায় বলতে—সেটা আমার মনে আছে। মঙ্গলচণ্ডীর আসন টলল, মুকুট নড়ল; মা বললেন—দেখ তো জয়া, দেখ তো বিজয়া খড়ি পেতে, আসন কেন টলে, মুকুট কেন দোলে? অমনি জয়া-বিজয়া গুণেগেঁথে বলতো—মা তোমার ভক্ত বিপদে পড়েছে। আমি তো ঠাকুর নই, দেবতা নই, কি করে বলি বল? তুমিই নয় খড়ি পেতে গুণেগেঁথে বলে দাও—এ-ফটো কার?

    —ওই জন্যেই তোকে ভালোবাসীরে ছোঁড়া। তোর এসব মুখস্থ। চমৎকার করে বলিস। শোন, এ ফটো হচ্ছে সুরেশ্বরের খুড়তুতো বোনের। শিবেশ্বরের মেজ ছেলে জগদীশ্বর রায়ের বড় মেয়ে। বাপটা গাঁজা খায়, মদ খায়, লোককে মারপিট করে বেড়ায়। তার মেয়ে। একটা দোজবরে দারোগা ধরে মেয়েটাকে জলে ফেলে দিতে যাচ্ছে। সুরেশ্বর এসেছে আমার কাছে। তোর জন্যে।

    —আমার জন্যে? মানে আমাকে বিয়ে করতে হবে?

    —হ্যাঁ। আমাদের সবারই মত হয়েছে। ইচ্ছে তাই।

    —আমাদের বলে লাভ কি? বল তোমার মত হয়েছে। তোমার মায়ের মত দেখতে, অমনি তোমার মন গলে গেছে। কেমন?

    —তবু তোকে হ্যাঁ বলতে হবে তো।

    একটু চুপ করে থেকে রথীন বললে—ভেবে দেখতে সময় দাও মামণি। আমাকে ভেবে দেখতে হবে।

    সে একটা আশ্চর্য ব্যাপার ঘটে গেল। রথীন এক মুহূর্তে আর এক রথীন হয়ে গেল। কণ্ঠস্বর আলাদা, মুখ-চোখ আলাদা, সব আলাদা।

    এবং সঙ্গে সঙ্গে গম্ভীর কণ্ঠে নগেনবাবু বলে উঠলেন—রথীন!

    পিতৃত্বের শাসন, ক্ষোভ, অধিকার একসঙ্গে যেন মিলিত গর্জনে ধ্বনিত হয়ে উঠল তাঁর কণ্ঠস্বরে। কিন্তু রথীন বিচলিত হল না। সে বলল –বলুন!

    নগেনবাবু বললেন-এমন কথা তুমি ঠাকুমাকে বলতে সাহস কর আমাদের সামনে?

    রথীন বললে—কথাটা কি অন্যায় বলেছি? আমি বিবাহ করব। আমি ভেবে দেখব না?

    -–ঠাকুমা কথা দিয়েছেন জেনেও তুমি বলছ ভেবে দেখতে হবে?

    নগেনবাবু উঠে দাঁড়ালেন, বললেন—দাঁড়াও। এ বাড়ীতে বাবার থেকে শুরু করে তোমার ছোটকাকা পর্যন্ত সকলের বিবাহ কখন হবে, কোথায় হবে, সে-সবই স্থির করেছেন উনি, আজ—

    অত্যন্ত ধীরকণ্ঠে রথীন বললে-আজ সে-কাল পাল্টে গেছে বাবা—এই কথাটা আপনি বুঝে দেখবেন না?

    অন্য সকলে স্তব্ধ হয়ে বসেছিলেন—নগেনবাবুর মা, রথীনের মা, সুরেনবাবু, ধীরেনবাবু তাঁদের স্ত্রীরা দুজন। অন্নপূর্ণা দেবী পাথরের মত বসেছিলেন। আমি অবাক বিস্ময়ে দেখছিলাম রথীনকে।

    দেখলাম, অন্নপূর্ণা দেবীর অজ্ঞাতসারে তাঁর বংশধারা গঙ্গা থেকে পদ্মা ভাগীরথীর মত দুভাগে কখন ভাগ হয়ে গেছে, তা তিনি জানতে পারেননি। অথচ দুভাগ হয়ে গেছে নিঃসংশয়ে। অন্নপূর্ণা দেবী বললেন-সুরেশ্বর, বাড়ি যা বাবা। এখানে বিয়ে হবে না। তুই খরচ করবি বলছিস, মেয়ে সুন্দরী—পাত্রের অভাব হবে না। তুই বাড়ী যা। তারপর রথীনকে বললেন—আমার ভুল হয়েছে রথীন, তুই স্বাধীন হবার আগে তোর বিয়ে না দেওয়া। আজ তুই স্বাধীন।

    রথীন আর দাঁড়াল না। সে ঘর থেকে বের হয়ে চলে গেল।

    আমি বললাম খেয়ে যাব বড়মা। আমার খাবার কথা আছে যে!

    ***

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসরস গল্প সমগ্র – তারাপদ রায়
    Next Article তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় সাহিত্যের সেরা গল্প

    Related Articles

    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    গল্পসমগ্র – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    হাঁসুলী বাঁকের উপকথা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    রাইকমল – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    চৈতালী-ঘূর্ণি – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    ধাত্রী দেবতা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    গণদেবতা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }