Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কুলের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প90 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুলের কাঁটা – ৩

    ৩

    মাস তিনেকের ভিতরে গোকুল সত্যই অন্ধ হয়ে গেলেন। আরও মাসতিনেক পরে অবিনাশ ‘দুর্লভ-নিকেতন’ ছেড়ে নিজের শালার কাছে ফিরে এলেন। দুর্জনে বলে তিনি নাকি বৃদ্ধের অন্ধত্বের সুযোগে তাঁর সব খাতাপত্র তন্ন তন্ন করে হাতড়ে দেখেছেন। গুপ্তধনের কোনো সন্ধান তো দূরের কথা ইঙ্গিতও পাননি। ব্যাঙ্কের পাস বইয়ে তার হদিশ নেই, বাক্সে ড্রয়ারে কোনো শেয়ার, ক্যাশ সার্টিফিকেট, বা সম্পত্তির দলিল খুঁজে পাননি। রাতারাতি এত টাকা তাহলে কোথায় সরিয়ে ফেললেন বৃদ্ধ? এর কিছুদিন পরেই অবিনাশ সস্ত্রীক রাজগিরে চলে যান, বাতগ্রস্তা সহধর্মিণীর চিকিৎসা করাতে।

    শনিচরী ফিরে আসার আগেই রওনা হলেন ওঁরা। আরাধনা বেশ উপকার পাচ্ছিলেন, তবু কি জানি কেন তিনিও বাড়ি ফেরার জন্য উদ্‌গ্রীব। লছমী তো উঁচিয়ে আছে কলকাতা শহর দেখার লোভে। হিসাবপত্র মিটিয়ে অবিনাশ পাণ্ডাজিকে বললেন, আর একটা কথা। বলি বলি করেও কথাটা আপনাকে এতদিন বলিনি। আমার স্বর্গগতা ভগ্নীর একটি কন্যাকে চোদ্দো বছর আগে ডাকাতে ধরে নিয়ে যায়। আমাদের সেই হারানো নাতনির সঙ্গে লছমীর চেহারায় বেশ মিল আছে। আমার বৃদ্ধ ভগ্নীপতি জীবিত। কিন্তু তিনি অন্ধ। আমি স্থির করেছি, লছমীকে নিয়ে গিয়ে বলব, তাঁর হারানো নাতনিকেই আমি নিয়ে এসেছি। অন্তত শেষ জীবনের বাকি কটা দিন অন্ধ বৃদ্ধ কিছু শান্তি পাবেন।

    স্তম্ভিত হয়ে গেল পাণ্ডাজি। আমতা আমতা করে বলল, তাঁকে কী বলবেন? কোথায় কেমন করে মেয়েটিকে পেলেন?

    —বলব যে আজ থেকে চোদ্দো বছর আগে আপনি –রাজগিরের পাণ্ডা শ্রীরামপ্রসাদ শর্মা—কাশীর দশাশ্বমেধ ঘাটে একটি দশ বছরের মেয়েকে কাঁদতে দেখে তাকে কুড়িয়ে এনে কন্যার মতো মানুষ করেছেন।

    বাদ বাকি সত্যি কথা বলব—অর্থাৎ লছমীর এগারো বছর বয়সে বিয়ে হয়, তারপর দ্বিরাগমনের সময় তার নামে মিথ্যা বদনাম দিয়ে-

    বাধা দিয়ে পাণ্ডাজি বলে, এতে পাপ হবে না বাবুজি?

    —না, হবে না! আপনি তো গীতা পড়েছেন। ফলের আকাঙ্ক্ষাই হচ্ছে পাপ। আমার উদ্দেশ্য কী? একটা মরণোন্মুখ অন্ধ বৃদ্ধকে সান্ত্বনা দেওয়া।

    —কিন্তু আজ থেকে চোদ্দো বছর আগে আমি তো কাশী যাইনি?

    —সেটা কীভাবে প্রমাণ হবে বলুন? ঐ চোদ্দো বছরের কথাই বলতে হবে। না হলে চার-পাঁচ বছরের ফাঁক থাকলে অনেক বাধা-আপত্তি দেখা দেবে। আত্মীয়-স্বজনরা কেমন মানুষ তা তো জানেনই। হয়তো তারা বলে বসবে, ঐ কয় বছর মেয়েটি ঘৃণিত জীবন যাপন করেছে। তাহলে আমাদের নিষ্ঠাবান গোঁড়া পরিবারে—বুঝতেই তো পারছেন।

    পাণ্ডাজি বলল, মেয়েকে যখন আপনার হাতে তুলে দিলাম তখন ভালমন্দর ভারও আপনার। আমার তো হাত-পা ধোওয়া।

    —না পাণ্ডাজি। প্রথমত, লছমীকে আপনি এখন কিছু বলবেন না। সে হয়তো ঘাবড়ে যাবে। দ্বিতীয়ত, এর পর কেউ কখনও যদি আপনার কাছে খোঁজ নিতে আসে তবে আপনি বলবেন, সে আপনার পালিতা কন্যা। কাশীতে তাকে কুড়িয়ে পেয়েছেন। রাজি?

    পাণ্ডাজি তার টাকে হাত বুলোতে থাকে নীরবে।

    অবিনাশ একশ টাকার পাঁচটা নোট ওর হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলেন, মিথ্যাভাষণের জন্য যদি কোনো পাপ হচ্ছে মনে হয়, তবে একটা পুজো টুজো চড়িয়ে দেবেন।

    পাণ্ডাজি বজ্রাহত হয়ে গেল।

    ট্রেন ছাড়তে লছমী বললে, একী? এ গাড়ি তো পশ্চিমুখো যাচ্ছে।

    আরাধনা বলেন, হ্যাঁ রে আমরা আগে কাশী যাচ্ছি। কাশী ঘুরে কলকাতা ফিরব।

    লছমী বলে, কেন মাইজি?

    —মাইজি নয়, তুই আমাকে রাঙাদিদা বলে ডাকবি। মিন্টু আমাকে ঐ নামেই ডাকত।

    লছমী অবাক হয়ে বলে মিন্টু! মিন্টু কে?

    রেলগাড়িতে বসেই আরাধনা লছমীকে তাঁদের পরিকল্পনার কথাটা শোনালেন। আসল কথাটা অবশ্য ভাঙলেন না। গোকুলচন্দ্র যে লক্ষপতি এবং তাঁর সঞ্চিত অর্থের সন্ধানই যে মূল লক্ষ্য এ তথ্যটা গোপন থাকল। সে শুনল –একজন মরণোন্মুখ অন্ধ বৃদ্ধকে সান্ত্বনা দিতে তাকে কিছু অভিনয় করতে হবে। আদ্যন্ত শুনে লছমী শিউরে উঠেছিল— মাপ করবেন মাইজি। ও আমি পারব না পারব না, কিছুতেই পারব না।

    আরাধনা চাপা ধমক দিয়ে ওঠেন, মর ছুঁড়ি। মাইজি কিরে? রাঙাদিদা নয়?

    অবিনাশ পাকা লোক। একেবারে গোড়া বেঁধে কাজে নামতে চান। কাশীতে একটি ধর্মশালায় উঠলেন। প্রথমেই বাজার থেকে কিনে আনলেন—শাড়ি ব্লাউজ সায়া থেকে রোল গোল্ডের চুড়ি দুল মালা। লছমীর এত সাধের এক হাত কাচের চুড়ি ভেঙে ফেলতে হল। দু-পায়ে যে রূপার চুটকি ছিল তা গেল। মায় আরাধনা ওর তেল মাখা পর্যন্ত বন্ধ করে দিলেন। —এক বেলা ধরে শ্যাম্পু ঘষলেন মাথায়। মোটকথা লছমীর অপমৃত্যু ঘটল, নবজন্ম পেল মিনতি রায়চৌধুরী।

    দুর্গাবাড়ি ছাড়িয়ে চোদ্দো পনেরো বছর আগে যে নির্জন বাড়িতে মিনতির বাবা থাকতেন সেই ঘনবসতি অঞ্চলে হাজির হলেন। সে বাড়ির নতুন বাসিন্দা কাশী বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচারার অশোক মেহতা অবাক হলেন। এ বাড়িতে একটি ডাকাতি হয়েছিল। তা তিনি জানতেনই না। তিনি অবাক হচ্ছিলেন এ কথা ভেবে ডাকাতি যদি হয়েই থাকে, সেটা এমন কিছু সুখস্মৃতি নয় যে, সেই নৃশংস ঘটনা কোথায় ঘটেছিল তা দেখতে এঁরা আসবেন। যা হোক তবু অবিনাশের অনুরোধে তিনি সবকিছু ঘুরিয়ে দেখালেন।

    লছমীকে যতটা বোকা ভাবা গিয়েছিল আসলে সে কিন্তু অতটা বোকা নয়। রাত্রে সে আরাধনাকে ধরে বসল, রাঙাদিদা একটা কথা আমাকে বুঝিয়ে বলুন তো। আপনি বলছেন, একজন অন্ধ বুড়োকে ধোঁকা দেবার জন্য আমাকে নিয়ে যাচ্ছেন। তাহলে আমাকে এ ভাবে সব কিছু চিনিয়ে দিচ্ছেন কেন? সেই অন্ধ বুড়ো তো আমাকে জেরা করবে না?

    —বুড়ো না করুক, আর পাঁচজন করতে পারে। বুড়োর আত্মীয়স্বজন—

    —তাদের খোলাখুলি সত্যি কথা বলে দিলেই হয়? তাঁরা যদি বুড়োর কাছে ব্যাপারটা গোপন রাখেন তাহলেই তো আনাদের উদ্দেশ্য সফল হবে? সকলের কাছে এ মিথ্যা কথা বলার কী দরকার?

    আরাধনা জবাব দিতে পারেন না। স্বামীর দিকে বিহ্বলভাবে তাকান। জবাব দিলেন অবিনাশ—একটা কথা তোমাকে বলা হয়নি। বুড়োর অনেক টাকা। তার কোনো ওয়ারিশ নেই। ওঁর আত্মীয়-স্বজনেরা ওত পেতে বসে আছে— কবে বুড়ো মরে। গোকুলবাবু যদি তোমাকে নাতনী বলে মেনে নেন, তাহলে হয়তো তাঁর সব সম্পত্তি তোমাকেই দিয়ে যাবেন।

    লছমী উঠে দাঁড়ায়। বলে বাবুজি, এতদিনে আপনাদের অভিসন্ধি আমি ঠিকমত বুঝে উঠতে পেরেছি। আমি এ তঞ্চকতার মধ্যে নেই। আপনারা দয়া করে আমাকে রাজগিরে নামিয়ে দেবেন, কলকাতা ফেরার সময়ে।

    অবিনাশ বিচিত্র হাসলেন শুধু।

    .

    দিন সাতেক কাশীবাস করে অবিনাশ ফিরে এলেন কলকাতায়। বলা বাহুল্য ফেরার পথে লছমীকে রাজগিরে নামিয়ে দেননি। মেয়ে মানুষের ভাগ্যটাই যে ঐ রকম। ঘরের বাইরে আসা সহজ, ঘরে ফিরে যাওয়া কঠিন। অবিনাশ ধীরে ধীরে ওকে তালিম দিচ্ছিলেন—কখনও মিষ্টি কথায়, কখনও ধমক দিয়ে।

    কলকাতায় ফিরে সরাসরি ‘দুর্লভ নিকেতনে’ গেলেন না কিন্তু। এসে উপস্থিত হলেন নিজের বাসায়। আরাধনার ভাই সুরজিৎ অবাক হল লছমীকে দেখে। বললে, এ মেয়েটি কে দিদি?

    আরাধনা বলেন, ভাল করে দেখ তো তাকিয়ে, চিনতে পারিস?

    সুরজিৎ পূর্ণযৌবনা মেয়েটিকে ভাল করে দেখল। দেখল, মেয়েটিও অসঙ্কোচে তাকে দেখছে। সুরজিৎ অবাক হয়ে বললে, মিন্টু! কিন্তু তা কেমন করে হবে?

    আরাধনা সে কথার জবাব না দিয়ে লছমীকে বলেন, কি রে চিনতে পারছিস না? তোর সুরজিৎদা।

    লছমী এতক্ষণে নতনেত্র হল। রাম-গঙ্গা কিছুই বলল না। সুরজিৎ রীতিমতো অবাক হয়েছে। মিনতিকে তার স্পষ্ট মনে আছে। থাকারই কথা; মিনতিকে সে শেষ যখন দেখে তখন মিনতির বয়স দশ-বারো; ওর নিজের আঠারো-উনিশ। কিন্তু মেয়েটির দৃষ্টিতে পূর্ব পরিচয়ের আভাসমাত্র ছিল না। কাজলকালো দুই চোখে ছিল শুধু বিস্ময়। এবারে সে নিজেই প্রশ্ন করে, আমাকে চিনতে পারছ না মিন্টু?

    নতনেত্রেই মাথা নাড়ে লছমী না, সে চিনতে পারছে না।

    অবিনাশ এ সম্ভাবনার কথাও ভেবে রেখেছেন। বললেন, তোমাকে সব কথা পরে বলব সুরজিৎ। সে অনেক কথা।

    সময় ও সুযোগমতো যে আষাঢ়ে গল্পটা সুরজিতকে শোনালেন অবিনাশ, সেই গল্পটাই আবার আরাধনা শোনালেন লছমীকে। এ ছাড়া উপায় ছিল না. এ না হলে যে-কোনো মুহূর্তেই সমস্ত পরিকল্পনাটার বনিয়াদ ধসে যেতে পারে

    আজ থেকে চোদ্দো বছর আগে সেই ভয়াবহ রাত্রের ঘটনাই। মিনতির মাথায় নাকি একজন ডাকাত লাঠির আঘাত হেনেছিল। সে সংজ্ঞা হারায়। কতদিন অজ্ঞান হয়েছিল সে জানে না। জ্ঞান হলে দেখে একজন পাণ্ডার বাড়িতে সে শুয়ে আছে। সমস্ত পূর্ব অভিজ্ঞান নাকি সে হারিয়ে ফেলে মায় নিজের নাম এবং পরিচয়। চিকিৎসাশাস্ত্রে একে বলে ‘প্যারামনেশিয়া’ বা স্মৃতিভ্রংশ। পাণ্ডাজি সে জন্যই পুলিশে খবর দেননি। মেয়েটি যখন তার পূর্বজীবনের কথা কিছুই স্মরণ করতে পারছে না তখন পুলিশ তাকে অনাথ আশ্রমে পাঠাত। পাণ্ডাজি ছিলেন নিঃসন্তান। তিনি তাই তাকে কন্যার স্নেহে মানুষ করেছেন। এতদিনে মেয়েটির কিছু কিছু পূর্বস্মৃতি ফিরে আসছে বটে, তবু অনেক কিছুই সে মনে করতে পারে না।

    সুরজিৎ এ গল্প শুনে বলেছিল, অদ্ভুত ঘটনাচক্র। রীতিমতো নাটকীয়। ভালো সিনেমার প্লট।

    লছমী সে কথা বলেনি। আরাধনার কাছে গল্পটা শুনে সে লুটিয়ে পড়েছিল তাঁর পায়ে। বলেছিস, এ আমি পারব না, কিছুতেই পারব না। আপনারা আমাকে দয়া করে ছেড়ে দিন মাইজি।

    —আবার বলে ‘মাইজি’!

    চোখের জল মুছে লছমী বলেছিল, হ্যাঁ হ্যাঁ রাঙাদিদা। কিন্তু এবারে আপনারা আমাকে রেহাই দিন। আমি ঠিক ধরা পড়ে যাব।

    —যাবি না। যাতে না যাস তাই তো তোর রাঙাদাদু এ গল্প ফেঁদেছে। শোন্ এই দ্যাখ আমাদের ফটো অ্যালবাম। আয় তোকে সব চিনিয়ে দিই। এই তোর আসল, মানে নকল দাদু–গোকুলচন্দ্র রায়চৌধুরী, এ হল তার বাড়ির চাকর শিবনাথ, আর শিবনাথের পাশে তার বউ দুর্গামণি। বুঝলি? এই বাঘের মতো কুকুরটার নাম ডেভিল। এবার তো সব চিনে গেলি; ভয় কী?

    অবিনাশের গোড়া বেঁধে কাজ। স্মৃতিভ্রংশতার অজুহাত সর্বক্ষেত্রে চালালে সন্দেহ হবে। সুরজিতের বিস্ময়টা তিনি ভুলতে পারেননি। তাই প্রথমেই তিনি লছমীকে নিয়ে গেলেন ভবানীপুরের শাঁখারিপাড়া লেনে।

    কৈশোরে মিনতি এখানকার একটা বাসায় ভাড়া থাকত, গোকুলের সংসারে। বাড়িটা পাড়াটা লছমীর চিনে রাখা ভাল।

    লছমীকে নিয়ে সে পাড়ায় একটা বাড়িতে উপস্থিত হলেন অবিনাশ। কড়া নাড়তেই দরজা খুলে দিল একজন যুবক। বছর চৌত্রিশ বয়স। বললে, কাকে খুঁজছেন।

    —হরিবিলাস সরকার মশাই আছেন?

    যুবকটি ওদের আপাদমস্তক ভাল করে দেখে নিয়ে বলল, তিনি তো বছর আট দশ আগে স্বর্গলাভ করেছেন। আপনারা কোথা থেকে আসছেন?

    অবিনাশ বলেন, সরকার মশাই গত হয়েছেন। দশ বছর! কী আশ্চর্য আমরা কোনো খবরই রাখি না।

    ছেলেটি বললে, আসুন, ভিতরে এসে বসুন। রাস্তায় দাঁড়িয়ে কেন?

    বৈঠকখানায় জাঁকিয়ে বসলেন অবিনাশ। বললেন আমাকে আপনি চিনবেন না, আচ্ছা আপনি কি অধ্যাপক গোকুলচন্দ্র রায়চৌধুরীর নাম শুনেছেন?

    ছেলেটি বিদ্যুৎস্পৃষ্টের মতো চমকে ওঠে। অবিনাশের কথার জবাব না দিয়ে সরাসরি নতমুখী মেয়েটিকে বলে ওঠে, কিছু মনে করবেন না, আপনি কি মিনতি?

    অবিনাশ আটখানা! কিন্তু সে আহ্লাদ ক্ষণস্থায়ী। লছমী কিছুতেই স্বীকার করতে পারল না। মাথা নিচু করে বসেই রইল। অবিনাশ বলেন, তবে তো চিনতেই পেরেছেন।

    ছেলেটি এবারও সে কথা কানে নিল না। পুনরায় লছমীকে বললে, কী আশ্চর্য! তুমি আমাকে চিনতে পারছ না মিন্টু? আমি রঞ্জন, তোমার রঞ্জুদা!

    নতমুখী লছমী এবারেও জবাব দিল না। মাথা নেড়ে জানালো–না!

    কোনো মানে হয়? শুনছিস্ তোরা যে বাড়িতে ভাড়া ছিলি তারই দোতলার বাড়িওয়ালার ছেলে। নামও তো শুনলি? এখন ঘড়ির পেণ্ডুলামের মতো ঘটঘট করে মাথা নাড়ার কোনো মানে হয়? ভগবান এমন সুযোগ পাইয়ে দিলেন অথচ মেয়েটার ঐ নিরেট মাথায় একটু ঘিলু দিতে পারলেন না?

    রঞ্জন অনেক কথা বক্‌বক্ করে বকে গেল। মিনতিকে উদ্দেশ করে। অবিনাশকে সে গ্রাহ্যের মধ্যেই আনছে না। তাতে তাঁর দুঃখ নেই। তিনি মনে মনে অঙ্কের হিসাব কষছেন। রঞ্জনের বর্তমান বয়স চৌত্রিশ-পঁয়ত্রিশ। তার মানে চোদ্দো বছর আগে তার বয়স ছিল কুড়ি-একুশ। মিনতির তেরো চোদ্দো। বাড়িওয়ালার ছেলে আর ভাড়াটের মেয়ে একতলা আর দোতলা। অতনু কি অহৈতুকী কৌতুকে দু-একটি বাণ ছুড়েছিলেন? কাফ্ ল্যভ! না হলে মিনতির রঞ্জুদা এমন চুলবুল করছে কেন? কিন্তু মেয়েটা হাবার বেহদ্দ। ক্রমাগত তাঁতের মাকুর মত মাথাটা দুদিকে দোলাচ্ছে না পুজোপ্যান্ডেলে জলসার কথা, মায়া, শেফালী বালু, সুখেন –কারও কথা তার মনে নেই

    অবিনাশ শেষ পর্যন্ত বিরক্ত হয়ে বলেন তোমার মা? তিনি

    —হ্যাঁ মা এখানেই আছেন। এস মিণ্টি, মায়ের সঙ্গে দেখা করবে এস-

    লছমী দশ মিনিটের ভিতরেই মিন্টি হয়ে গেল। অথচ রঞ্জন ‘রঞ্জুদা’ হবার কোনও লক্ষণ নেই। গোঁয়ার আর কাকে বলে!

    মেয়েটি সব কিছু অস্বীকার করা সত্ত্বেও রঞ্জন এবং তার মা অসঙ্কোচে মেনে নিলেন মিনতিকে। অবিনাশ জনান্তিকে রঞ্জনকে শুনিয়ে দিলেন মিনতির স্মৃতিভ্রংশতার আষাঢ়ে গল্পটা। রঞ্জন বললে, মিনতির হারিয়ে যাওয়ার ঘটনা সে ভালভাবেই জানে। গোকুলচন্দ্রকে সে ঘনিষ্ঠভাবে চেনেনা, চিনত নয়, চেনে। এখন মাঝে মাঝে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করে আসে। কারণও আছে। রঞ্জন ইতিহাসের এম. এ.। সে যখন য়ুনিভার্সিটিতে পড়ত তার আগেই অবশ্য গোকুল অবসর নিয়েছেন, তবু ইতিহাসের ঐ প্রগাঢ় প্রাক্তন অধ্যাপকটির স্নেহধন্য ছিল সে। মাস কয়েক আগেও সে গিয়েছিল দুর্লভ নিকেতনে। তবে ইতিমধ্যে তিনি যে অন্ধ হয়ে গেছেন এ খবর রঞ্জন জানত না।

    রঞ্জন ওদের বড় রাস্তার বাস-স্টপ পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে গেল। বললে, মিটি কাল-পরশুর মধ্যে একদিন যাব তোমাদের বাড়ি। মানে দুর্লভ নিকেতনে!

    লছমী এতক্ষণে অনেকটা সহজ হয়েছে। বললে, আমি আপনাকে আদৌ চিনতে পারলাম না, তবু আপনি যাবেন?

    —সেটা তোমার দোষ নয় মিণ্টি। ও একটা অসুখ। ক্রমে ক্রমে সবই তোমার মনে পড়বে। আমি মনে পড়িয়ে দেব।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleউলের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল
    Next Article ঘড়ির কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }