Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কৃত্তিবাসী রামায়ণ (কৃত্তিবাস ওঝা)

    কৃত্তিবাস ওঝা এক পাতা গল্প1039 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৬১. শ্রীরাম কর্ত্তৃক হরধনু ভঙ্গ এবং শ্রীরাম লক্ষ্মণ, ভরত ও শত্রুঘ্নের বিবাহ

    ধনুকের ঘরে রাম গেলেন যখন।
    ধনুক তোলহ রোম বলে সর্ব্বজন।।
    যত যত রাজা আছে ভাবিল অন্তরে।
    দেখিব কেমনে শিশু ধনুর্ভঙ্গ করে।।
    বিস্মিত হইয়া সবে করে নিরীক্ষণ।
    ধনুক তোলহ রাম বলে সর্ব্বজন।।
    লক্ষ্মণ বলেন শুন জ্যেষ্ঠ মহাশয়।
    ঘুচাও ধনুক ধরি সবার বিস্ময়।।
    শ্রীরাম বলেন শুন গাধির নন্দন।
    আজ্ঞা কর করিব কি ধনুক ধারণ।।
    এতেক বলিয়া রাম সহাস্য বদনে।
    ধনুক ধরেন করে, দেখে সর্ব্বজনে।।
    ধনুক তুলিয়া রাম বলেন লক্ষ্মণে।
    ভাঙ্গিব শিবের ধনু, ভয় হয় মনে।।
    ধনুকে অর্পিয়া গুণ বলেন মুনিরে।
    তাহা করি, যাহা আজ্ঞা করিবে আমারে।।
    মুনি বলিলেন, রাম কোথাও কৌতুক।
    মনোরথ পূর্ণ করে ভাঙ্গিয়া ধনুক।।
    আজ্ঞা পেয়ে শ্রীরাম দিলেন গুণে টান।
    মড় মড় শব্দে ধনু হৈল দুইখান।।
    সভায় সকল লোক হারাইল জ্ঞান।
    ত্রিভুবন সঘনে হইল কম্পমান।।
    হইলেন জনক ভূপতি হরষিত।
    বাদ্য বাজে মিথিলানগরে অগণিত।।
    গলে বস্ত্র দিয়া রাজা অতি সমাদরে।
    নিমন্ত্রণ একে একে সবাকারে করে।।
    সুমন্ত্র ব্রাহ্মণ রামে লয়ে গেল ঘরে।
    সুমন্ত্রের ব্রাহ্মণী কৌশল্যা নাম ধরে।।
    কৌশল্যার তুল্য কেহ নহে ভাগ্যবতী।
    মা মা বলি যাঁরে স্বয়ং ডাকেন শ্রীপতি।।
    সুমন্ত্র মুনির ঘরে রাখিয়া রামেরে।
    বিশ্বামিত্র গেলেন যে জনকের পুরে।।
    সীতাদেবী বন্দিলেন মুনির চরণ।
    আনন্দিত হইল জনক যশোধন।।
    জনক বলেন, প্রভু করি নিবেদন।
    সীতার বিবাহ জন্য কর শুভক্ষণ।।
    এ কথা শুনিয়া মুনি গাধির নন্দন।
    অমনি আইল যথা শ্রীরাম লক্ষ্মণ।।
    মুনি বলিলেন, রাম এই আমি চাই।
    বিবাহ করিয়া ঘরে যাহ দুই ভাই।।
    শ্রীরাম কহেন, প্রভু নিবেদি তোমারে।
    আমা দোঁহে লয়ে চল অযোধ্যা-নগরে।।
    বহুদিন আসিয়াছি তোমার সহিত।
    বিলম্ব হইলে পিতা হবেন চিন্তিত।।
    চারি ভাই জন্ম লইয়াছি এক দিনে।
    সে সবারে ছাড়ি করি বিবাহ কেমনে।।
    এ চারি ভ্রাতাকে যেই কন্যা দিবে চারি।
    চারি ভাই বিবাহ করিব ঘরে তারি।।
    এই বাক্য নিঃসরিল শ্রীরামের তুণ্ডে।
    আকাশ ভাঙ্গিয়া পড়ে কৌশকের মুণ্ডে।।
    দুঃখিত হইয়া মুনি গেলেন তখন।
    জনকের নিকটে দিলেন দরশন।।
    জনক বলেন প্রভু করি নিবেদন।
    সীতার বিবাহ দিন কর শুভক্ষণ।।
    বিশ্বামিত্র বলেন শুনহ নরপতে।
    রামের মনস্থ নহে বিবাহ করিতে।।
    কহিলেন, বহুকাল ছাড়িয়াছি ঘর।
    বিলম্ব হইলে পিতা হবেন কাতর।।
    যে চারি ভায়েরে চারি কন্যা সমর্পিবে।
    তাঁর ঘরে রামচন্দ্র বিবাহ করিবে।।
    শুনিয়া ভাবেন রাজা করি হেঁট মাথা।
    সীতা বিনা কন্যা নাই আর পাব কোথা।।
    এতেক ভাবিয়া রাজা বিষণ্ন বদন।
    শতানন্দ পুরোহিত কহিছে তখন।।
    কেন রাজা হইয়াছে বিচলিত মন।
    তব ঘরে চারি কন্যা হইবে ঘটন।।
    তোমার কনিষ্ঠ ভাই, কুশধ্বজ নাম।
    তাঁর দুই কন্যা আছে রূপগুণ-ধাম।।
    তোমার দুহিতা দুই পরমা-সুন্দরী।
    চারি ভায়ে সমর্পণ কর কন্যা চারি।।
    শ্রীরামের যে বাসনা হবে সেই মত।
    তাঁহারে জানাও গিয়া সমাচার যত।।
    হরষিত হইয়া মুনি গাধির কোঙর।
    বার্ত্তা গিয়া দেন তবে রামের গোচর।।
    শুন রাম, নাহি দেখি ইহাতে বাধক।
    চারি ভায়ে চারি কন্যা দিবেক জনক।।
    রাম বলিলেন, প্রভু করি নিবেদন।
    সব ভাই হেথা নাই, করিব কেমন।।
    ইহাতে বাধক আরো আছে মুনিবর।
    বিবাহ করিতে নারি পিতৃ-অগোচর।।
    আমারে বিবাহ দিতে যদি আছে মন।
    অযোধ্যাতে মনুষ্য পাঠাও একজন।।
    এতেক শুনিয়া গিয়া গাধির নন্দন।
    কহিলেন জনকেরে সর্ব্ব বিবরণ।।
    শুনিয়া আনন্দে রাজা ভাবে গদ গদ।
    বচন মনের অগোচর এ সম্পদ।।
    মুনি বলিলেন, শুন জনক রাজন।
    আনিবারে রাজাকে পাঠাও একজন।।
    রাজা বলিলেন মুনি করি নিবেদন।
    তোমা ভিন্ন কে যাইবে অযোধ্যা ভুবন।।
    এ কথা শুনিয়া মুনি ভাবিলেন মনে।
    ঘটক হইয়া যাই অযোধ্যা-ভুবনে।।
    এই যশ আমার ঘুষিবে ত্রিভুবনে।
    বিবাহ দিলাম আমি শ্রীরাম লক্ষ্মণে।।
    এতেক ভাবিয়া মুনি করিল গমন।
    সিদ্ধাশ্রমে প্রথমতঃ দিল দরশন।।
    সুধায় সকল মুনি কি শুনি কৌতুক।
    রাম নাকি ভাঙ্গিয়াছে হরের ধনুক।।
    মুনি বলে করিবারে সীতার কল্যাণ।
    শিবধনু আপনি হইল দুইখান।।
    বিশ্বামিত্র সিদ্ধাশ্রম পশ্চাৎ করিয়া।
    গঙ্গার কূলেতে মুনি উত্তরেন গিয়া।।
    গঙ্গা পার হইয়া চলেন মুনিবর।
    অহল্যা যেখানে ছিল হইয়া পাথর।।
    অহল্যার তপোবন পশ্চাৎ করিয়া।
    পবনের জন্মভূমি উত্তরেন গিয়া।।
    পবনের জন্মভূমি থুয়ে কত দূর।
    তাড়কার বনে যান কাছে সরযূর।।
    করিলেন সরযূর নীর সংস্পর্শন।
    দূরেতে থাকিয়া দেখে অযোধ্যার জন।।
    আসিয়া যে মুনিরাজ রামে লয়ে গেল।
    একা মুনি আসিতেছে, রাম না আইল।।
    এ কথা কহিল গিয়া দশরথ প্রতি।
    বজ্রপাত সম জ্ঞান করেন ভূপতি।।
    কান্দিয়া বাহিরে আসি অজের নন্দন।
    রামে না দেখিয়া কহে কাতর বচন।।
    একা যে আইলা মুনি, রাম মোর কোথা।
    হইল প্রত্যক্ষ বুঝি অন্ধকের কথা।।
    কোথা রাম কোথা বা লক্ষ্মণ গুণবিধি।
    দরিদ্রেরে দিয়া নিধি হরিলেন বিধি।।
    যজ্ঞরক্ষা হেতু লয়ে গেলা নিজ বাস।
    ছলেতে করিলা মুনি মম সর্ব্বনাশ।।
    রাক্ষস বধের হেতু লইয়া কুমার।
    কে জানে বধিবা মুনি পরাণ আমার।।
    বার্ত্তা পেয়ে আইল রাজার যত রাণী।
    ডম্বুর হারায়ে যেন ফুকারে বাঘিনী।।
    কৌশল্যা সুমিত্রা রাণী হাহাকার করে।
    প্রমাদ পড়িল আজি অযোধ্যানগরে।।
    অষ্ট বৎসরের রাম দশ নাহি পূরে।
    হেন রামে খাইল কি বনে নিশাচরে।।
    আকুল হইল রাজা অজের কুমার।
    বিশ্বামিত্র ভাবিলেন একি চমৎকার।।
    রাজারে বুঝায় যত পাত্রমিত্রগণ।
    হেনকালে আইলেন বশিষ্ঠ ব্রাহ্মণ।।
    বশিষ্ঠ বলেন, কহ গাধির নন্দন।
    রামের মঙ্গল শুনি জুড়াক জীবন।।
    এই কথা শুনিয়া কহেন তপোধন।
    ভাল মন্দ না শুনিয়া কান্দ কি কারণ।।
    বশিষ্ঠ বলেন, মুনি কহ কি আশ্চর্য্য।
    রামে না দেখিয়া কার মন নহে ধৈর্য্য।।
    রাম ধ্যান রাম জ্ঞঅন রাম সে জীবন।
    রাম বিনা অন্ধকার অযোধ্যা- ভুবন।।
    লোটায়ে পড়েন রাজা মুনি-পদতলে।
    কোথায় লক্ষ্মণ কোথা রাম সদা বলে।।
    বিশ্বামিত্র বলেন, শুনহ যশোধন।
    পুত্রের বিক্রম- কথা করহ শ্রবণ।।
    তাড়কাকে মারিলেন কৌশল্যা-নন্দন।
    অহল্যার করিলেন শাপ বিমোচন।।
    কৈবর্ত্তকে কৃতার্থ করিলেন শ্রীরাম।
    রাক্ষস মারিয়া পূর্ণ করিলেন কাম।।
    জনক করিয়াছিল ধনুর্ভঙ্গ পণ।
    তাহাতে হারিয়া গেল যত রাজাগণ।।
    শঙ্করের ধনুক করিয়া দুইখান।
    লক্ষ্মীরূপা কন্যা রাম পাইলেন দান।।
    চারি কন্যা দিবেক জনক চারি ভায়ে।
    চল মহারাজ শীঘ্র দুই পুত্র লয়ে।।
    এ কথা শুনিয়া রাজা আনন্দ বিহ্বলে।
    প্রণতি করেন মুনি-চরণ-কমলে।।
    অযোধ্যাতে তখন পড়িয়া গেল সাড়া।
    লক্ষ লক্ষ হস্তী সাজে লক্ষ লক্ষ ঘোড়া।।
    নানারূপে রথ সাজে অতি সুশোভন।
    ডাকিয়া আনিল রাজা ভরত শত্রুঘ্ন।।
    ত্বরা করি সবারে করিল নিমন্ত্রণ।
    অযোধ্যার লোক সব করিল সাজন।।
    অগ্রে রথে চড়িলেন যতেক ব্রাহ্মণ।
    চড়িলেন রথে রাজা সহ পুত্রগণ।।
    বলেন কৌশল্যা দেবী সুমিত্রা দেবীরে।
    না পাই হরিদ্রা দিতে রামের শরীরে।।
    সুমিত্রা বলেন, দিদি কেন ভাব আর।
    রামের নামেতে করি মঙ্গল আচার।।
    লক্ষ লক্ষ পদাতিক চলিলেক সঙ্গে।
    চক্রবর্ত্তী চলিলেন সৈন্য চতুরঙ্গে।।
    রায়বার পড়ে ভাট, বেদ বিপ্রগণ।
    মিথিলার এবে কিছু শুন বিবরণ।।
    সীতারূপে লক্ষ্মী স্বয়ং তথায় জন্মিল।
    মিথিলানগর ধনে পূর্ণিত হইল।।
    ঘৃত দুগ্ধে জনক করিল সরোবর।
    স্থানে স্থানে ভাণ্ডার করিল মনোহর।।
    চাল রাশি রাশি, সুমিষ্টান্ন কাঁড়ি কাঁড়ি।
    স্থানে স্থানে রাখে রাজা লক্ষ লক্ষ হাঁড়ি।।
    হেথা সৈন্যগণ লয়ে অজের নন্দন।
    সরযূ নদীর তীরে দিয়া দরশন।।
    সরযূ নদীতে রাজা কির স্নান দান।
    মিষ্টান্ন ভোজন করে, মিষ্ট জলপান।।
    ত্বরিতে সরযূ নদী উত্তীর্ণ হইয়া।
    তাড়কার বনেতে প্রবেশিলেন গিয়া।।
    কৌশিক বলেন শুন অজের নন্দন।
    এই বনে তাড়কা হইল নিপাতন।।
    শুনিয়া বলেন রাজা অজের নন্দন।
    তাড়কা দেখিব প্রভু তাড়কা কেমন।।
    তাড়কার নিকটে গেলেন দশরথ।
    দেখেন পড়িয়া আছে আগুলিয়া পথ।।
    তাড়কা দেখিয়া রাজা ভাবিলেন মনে।
    ইহারে বালক রাম মারিল কেমনে।।
    তাড়কার বন রাজা পশ্চাৎ করিয়া।
    পবনের জন্মভূমি দেখিলেন গিয়া।।
    পবনের জন্মভূমি পশ্চাৎ করিয়া।
    অহল্যার আশ্রমেতে উত্তরিল গিয়া।।
    অহল্যার তপোবন পশ্চাৎ করিয়া।
    গঙ্গাতীরে উপনীত হইলেন গিয়া।।
    যে কৈবর্ত্ত শ্রীরামেরে পার করেছিল।
    সে রাজার নাম শুনি নৌকা সাজাইল।।
    নৌকাতে হইল পার যত সৈন্যগণ।
    সিদ্ধাশ্রম দর্শন করেন যশোধন।।
    ভূপতি বলেন, মুনি নিবেদন করি।
    কত দূর আছে আর মিথিলা নগরী।।
    বিশ্বামিত্র বলেন, শুনহ নৃপবর।
    আছে আর তিন ক্রোশ মিথিলা নগর।।
    মুনিপত্নী সবে বলে রাজা পূর্ণকাম।
    যাঁর ঔরসে জন্ম লইলেন রাম।।
    সিদ্ধাশ্রম দশরথ পশ্চাৎ করিয়া।
    মিথিলার সন্নিকটে দেখিলেন গিয়া।।
    আহ্লাদিত প্রজা সব আর সৈন্যগণ।
    নানাজাতি অস্ত্র খেলে বাজায় বাজন।।
    দূত গিয়া বার্ত্তা দিল জনক রাজারে।
    অনুব্রজে লও রজা অজের কুমারে।।
    রথ হৈতে নামিলেন অযোধ্যার পতি।
    করিলেন জনক আদরে বহু স্তুতি।।
    জনক বলেন রাজা যদি কর দয়া।
    তব চারি পুত্রে দেই চারিটি তনয়া।।
    দশরথ বলিলেন শুন হে জনক।
    সম্বন্ধ হইল স্থির তবে কি বাধক।।
    উভয়ে হইল শিষ্টাচার সম্ভাষণ।
    বিদায় হইয়া রাজা করেন গমন।।
    যেই ঘরে বসিয়া আছেন রঘুবীর।
    সেই ঘরে চলিলেন দশরথ ধীর।।
    পিতার উদ্দেশ পেয়ে হইয়া বাহির।
    বন্দিলেন পিতৃপদদ্বয় রঘুবীর।।
    লক্ষ্মণ বন্দিল গিয়া পিতার চরণ।
    রামের চরণ বন্দে ভরত শত্রুঘ্ন।।
    লক্ষ্মণ বন্দিল গিয়া ভরতে তখন।
    শত্রুঘ্ন আসিয়া বন্দে সোদর লক্ষ্মণ।।
    চারি ভ্রাতা পরস্পর করে আলিঙ্গন।
    সুখে পুলকিত অঙ্গ অজের নন্দন।।
    ঘাটেতে উতরে কেহ, উতরে বা মাঠে।
    কেহ পাক করি খায় সরোবর-ঘাটে।।
    খাও খাও, লহ লহ, এই শব্দ শুনি।
    অন্নে পরিপূর্ণ যেন হইল মেদিনী।।
    গেলেন বশিষ্ঠ মুনি জনকের ঘর।
    সভা করি বসেছেন জনক নৃপবর।।
    বশিষ্ঠে দেখিয়া রাজা করে অভ্যর্থন।
    পাদ্য অর্ঘ্য দিল আর বসিতে আসন।।
    কহিতে লাগিল রাজা জনক তখন।
    সীতার বিবাহ লগ্ন করে শুভক্ষণ।।
    বশিষ্ঠ সভার মধ্যে জ্যেতিষ মেলিল।
    পুনর্ব্বসু কর্কটেতে কন্যা লগ্ন হৈল।।
    তাহাতে বিবাহ-বিধি হইলে ঘটন।
    স্ত্রী-পুরুষ বিচ্ছেদ না হয় কদাচন।।
    সেই লগ্ন করিল যে যত বন্ধুজন।
    স্বর্গে থাকি যুক্তি করে যত দেবগণ।।
    স্ত্রী-পুরুষে বিচ্ছেদ না হয় কালান্তরে।
    কেমনে মারিবে তবে লঙ্কার ঈশ্বরে।।
    করহ মন্ত্রণা এই বলি সারোদ্ধার।
    লগ্ন ভ্রষ্ট কর গিয়া শ্রীরাম সীতার।।
    নর্ত্তক হইয়া তবে যাও শশধর।
    নৃত্য কর গিয়া তুমি জনকের ঘর।।
    তব নৃত্য দেখিলে ভুলিবে সর্ব্বজন।
    অতীত হইবে তবে কর্কট লগন।।
    শুভলগ্ন করিয়া বশিষ্ঠ মুনিবর।
    বার্ত্তা লয়ে দিলেন যে ভূপতি গোচর।।
    আনন্দিত হইলেন অজের নন্দন।
    আয়োজন করিলেন সর্ব্ব আভরণ।।
    ভারে ভারে দধি দুগ্ধ ভারে ভারে কলা।
    ভারে ভারে ক্ষীর ঘৃত শর্করা উজ্জ্বলা।।
    সন্দেশের ভার লয়ে গেল ভারিগণ।
    অধিবাস করিবারে চলেন ব্রাহ্মণ।।
    সভা করি বসেছেন জনক ভূপতি।
    সেইখানে গেলেন বশিষ্ঠ মহামতি।।
    দ্রব্যের যতেক ভার এড়িলেক গিয়া।
    বসেন বশিষ্ঠ কুশ আসন পাতিয়া।।
    ঘট সংস্থাপন করে যেমন বিধান।
    উপরেতে আম্রশাখা নীচে দুর্ব্বা ধান।।
    বেদধ্বনি করিতে লাগিলেন ব্রাহ্মণ।
    সীতারে আনিল দিয়া নানা আভরণ।।
    বসিলেন সীতাদেবী সুবর্ণের পাটে।
    বেদমন্ত্রে দিল গন্ধ সীতার ললাটে।।
    চারিজনের অধিবাস করিল তখন।
    বস্ত্র পরাইল আর নানা আভরণ।।
    জলধারা দিয়া কন্যা লইলেক ঘরে।
    জনক ভূপতি সর্ব্ব দ্রব্য ব্যয় করে।।
    অধিবাস দ্রব্য লৈয়া চলিল ব্রাহ্মণে।
    শ্রীরামের অধিবাস করে শুভক্ষণে।।
    বশিষ্ঠ কহেন দশরথে সম্বোধিয়া।
    চারি তনয়ের কর অধিবাস-ক্রিয়া।।
    রাজা বলে, শুনহ বশিষ্ঠ তপোধন।
    অযজ্ঞোপবীতী এই চারিটি নন্দন।।
    ক্ষৌরকর্ম্ম করিলেন চারিটি নন্দন।
    আর যজ্ঞোপবীত হইল চারিজনে।।
    রামচন্দ্র বসিলেন বাপের নিকটে।
    চন্দন দিলেন চারি পুত্রের ললাটে।।
    চারিজনের অধিবাস করিল রাজন।
    বসন পরায়ে দিল নানা আভরণ।।
    নান্দীমুখ করিলেন যেমন বিধান।
    নান্দীমুখ উপলক্ষ্যে করিলেন দান।।
    কৌশল্যা ব্রাহ্মণী আর যত সখী লৈয়া।
    আনন্দ করেন সবে রামকে দেখিয়া।।
    হরিদ্রা মাখায় চারি করে কুতূহলে।
    অঙ্গেতে পিঠালি দিল সখীরা সকলে।।
    তোলা জলে স্নান করাইল চারি বরে।
    মঙ্গলসূতা বান্ধি দিল তাহাদের করে।।
    মঙ্গল করিয়া বসিলেন চারি জন।
    দেখিয়া সকলে ভাবে এ চারি জন।
    দেখিয়া সকলে ভাবে এ চারি মদন।।
    বান্ধিল অপূর্ব্ব পাগ মস্তক-মণ্ডলে।
    মনোহর মুক্তাহার শোভে বক্ষঃস্থলে।।
    অঙ্গুলে অঙ্গুরী, করে অঙ্গদ বলয়।
    কর্ণেতে কুণ্ডল দিল শোভে অতিশয়।।
    দিব্যবস্ত্র পরিধান ভাই চারি জন।
    অপর অঙ্গেতে দিল নানা আভরণ।।
    ক্ষত্রিয় বিবাহ করে চতুর্দ্দোলাপরে।
    সাজাইতে চতুর্দ্দোল কহে নৃপবরে।।
    চতুর্দ্দোল সাজাইল অতি সে রূপস।
    উপরে তুলিয়া দিল সুবর্ণ কলস।।
    চারিদিকে দিল রানা সুবর্ণের বারা।
    ঝলমল করে গজমুকুতার ঝারা।।
    গঙ্গাজলি চামর দিলেক ঠাঁই ঠাঁই।
    চতুর্দ্দোল সাজাইল হেন আর নাই।।
    আপনার সুসাজ করেন দশরথ।
    পরিধান পরিচ্ছদ যত মনোমত।।
    রথোপরে চড়িলেন হাতে ধনুঃশর।
    শুভযাত্রা করিলেন সানন্দ অন্তর।।
    ভাটে রায়বার পড়ে, নাচে নটগণ।
    বাজনা বাজায় কত, না যায় গণন।।
    দামামা দগড় বাজে বেয়াল্লিশ বাজনা।
    চতুর্দ্দোল আরোহণ করে চারিজনা।।
    ঢাক ঢোল বাজিতেছে,ডম্ফ কোটি কোটি।
    চারিদিকে উঠিল বীণার ছট ছটি।।
    কত ঠাঁই বাজাইছে যোড়া যোড়া সানি।
    কাঁশি বাঁশী যত বাজে নিয়ম না জানি।।
    ঢালি পাইক যার সে খাঁড়ার চিকিমিকি।
    কত শত অশ্বারোহী কত বা ধানুকী।।
    চন্দ্র নৃত্য করিছেন জনক-সভায়।
    হেনকালে দশরথ গেলেন তথায়।।
    তাঁরে অনুব্রজিয়া লইলেন জনক।
    দ্বারে ঠেলাঠেলি করে উভয় কটক।।
    প্রথমেতে উভয়ে হইল ঠেলাঠেলি।
    ঠেলাঠেলি হইতে হইল গালাগালি।।
    চন্দ্র-নৃত্য দেখিতে ভুলিল সর্ব্বজন।
    তাহে মগ্ন, কোথা লগ্ন কে করে গণন।।
    আগে আইলেন রাম পশ্চাতে লক্ষ্মণ।
    শতানন্দ বলে কন্যা কর সমর্পণ।।
    ভাল মন্দ কেহ কারো না শুনে বচন।
    অতীত হইল লগ্ন সবে বিস্মরণ।।
    লয়ে গেল সকলেরে বিবাহের স্থলে।
    চারি ভাই বৈসে ছায়া-মণ্ডপের তলে।।
    প্রণাম করেন সবে সকল ব্রাহ্মণে।
    বরণ করিল রামে বসন চন্দনে।।
    নারীগণ করিলেক বরণ বিধান।
    পায়ে দধি দিলেন মাথায় দূর্ব্বা ধান।।
    বরণ করিয়া গেল যত সখীগণ।
    দুই পুরোহিত কহে কথোপকথন।।
    শতানন্দ বলেন, বশিষ্ঠ মহাশয়।
    সূর্য্যবংশ কি প্রকার দেহ পরিচয়।।
    বশিষ্ঠ বলেন, মুনি হোক বোঝাবুঝি।
    কহ দেখি, তুমি চন্দ্রবংশের কুলজি।।
    শতানন্দ মুনি বলে সভার ভিতর।
    শুন চন্দ্রবংশের বিস্তার মুনিবর।।
    দেবাসুরে মন্থন করিল সিন্ধু-নীর।
    তাহে লক্ষ্মী জগন্মাতা হইল বাহির।।
    সাগর মথনেতে জন্মিল শশধর।
    চন্দ্র নাম হইল তাঁহার মনোহর।।
    হইল চন্দ্রের পুত্র বধু মতিমান।
    পুরুরবা নামে তাঁর হইল সন্তান।।
    পুরুকৃষ্ণ নামে হৈল তাঁহার কুমার।
    শতাবর্ত্ত নামে পুত্র বিদিত সংকার।।
    আর্য্যাবর্ত্ত নামে হৈল তাঁহার তনয়।
    সেপদী নামেতে তাঁর পুত্র মহাশয়।।
    বাণ নামে পুত্র হৈল জানে সর্ব্বজন।
    রেত নামে তাঁর পুত্র অতি বিচক্ষণ।।
    ধ্রুব নামে তাঁর পুত্র বিদিত ভূতলে।
    স্বর্গ নামে পুত্র তাঁর সর্ব্বলোকে বলে।।
    পুত্র স্বর্গ রাজার সে সর্ব্ব নামধর।
    হৈহয় নামেতে তাঁর পুত্র মনোহর।।
    হৈহয়ের নন্দন অর্জ্জুন নাম ধরে।
    নিমি নামে তাঁর পুত্র তুলনা অমরে।।
    নিমির কীর্ত্তিতে ব্যাপ্ত সকল সংসার।
    মিথি নামে তাঁহার হইল যে কুমার।।
    সকলে মিলিয়া তাঁর মথিল শরীর।
    তাহাতে জন্মিল পুত্র মিথি নামে বীর।।
    সেই বসাইল এই মিথিলা নগর।
    জনক ও কুশধ্বজ তাঁহার কোঙর।।
    বশিষ্ঠ বলেন, শুনিলাম বিবরণ।
    আমি কথা কহি তবে, তাহে দেহ মন।।
    আদি পুরুষের নাম হৈল নিরঞ্জন।
    ব্রহ্মা বিষ্ণু মহেশ্বর পুত্র তিন জন।।
    তিন পুত্র হইল তনয়া এক জানি।
    সকলে তাহার নাম রাখিল কন্দিনী।।
    জরুৎকারু মুনি পুত্র, নারদ বীণাপাণি।
    তাহাকে বিবাহ দিল কন্দিনী ভগিনী।।
    সবে গীত গায়, নারদ বাজায় বেণু।
    তাহাতে জন্মিল কন্যা নাম তার ভানু।।
    তাহাকে বিবাহ দিল জামদগ্ন্য বরে।
    এক অংশে নারায়ণ জন্মিল তাঁর ঘরে।।
    ব্রহ্মার কাছেতে তার পড়িলেক বীজ।
    তাহাতে জন্মিল পুত্র নামেতে মরীচ।।
    মরীচের পুত্র হৈল নামেতে কশ্যপ।
    তাঁহার তনয় সূর্য্য প্রচণ্ড উত্তাপ।।
    সূর্য্যের হইল পুত্র মনু নাম তাঁর।
    মনুর নামেতে সর্ব্ব ব্যপিল সংসার।।
    মনুর হইল পুত্র সুষেণ নামেতে।
    প্রষেণ তাঁহার পুত্র বিদিত জগতে।।
    প্রষেণের পত্রি যুবনাশ্ব নাম ধরে।
    রাজা হয় যুবনাশ্ব অযোধ্যানগরে।।
    যুবনাশ্ব রাজার কহিব কিবা কথা।
    তাঁহার জন্মিল পুত্র, নামে যে মান্ধাতা।।
    মান্ধাতার পুত্র হৈল মুচুকুন্দ নাম।
    ধুন্ধুমার তাঁর পুত্র রূপ গুণধাম।।
    তাঁহার হইল পুত্র ইলা নাম ধরে।
    তাঁর পুত্র শতাবর্ত্ত অযোধ্যা-নগরে।।
    আর্য্যবর্ত্ত নামে তাঁর হইল নন্দন।
    ভরত তাহাঁর পুত্র জানে সর্ব্বজন।।
    ভরত রাজার আর কি কব আখ্যান।
    যাঁর নামে পৃথিবীতে ভারত পুরাণ।।
    তাঁর পুত্র হইল ইক্ষ্বাকু নরপতি।
    বশিষ্ঠ পুরোধা যাঁর সুমন্ত্র সারথি।।
    তাঁহার ভূধর নামে হইল নন্দন।
    খাণ্ড নামে তাঁর পুত্র অযোধ্যা-ভূষণ।।
    হইল খাণ্ডের পুত্র দণ্ড নাম ধরে।
    যে প্রজার কামিনীগণে বলাৎকার করে।।
    তাঁর পুত্র হইল হারীত নাম ধরে।
    হরিবীজ তাঁর পুত্র বিদিত সংসারে।।
    হরিবীজ রাজা হয় পরম আনন্দ।
    তাঁহার হইল পুত্র নাম হরিশ্চন্দ্র।।
    যাঁর দান লইলেন গাধির নন্দন।
    বিকাইয়া আপনি যে শুধিল কাঞ্চন।।
    হরিশ্চন্দ্র রাজ্য করে পূর্ণ অভিলাষ।
    তাঁহার হইল পুত্র নাম রুহিদাস।।
    সে রুহিদাসের পুত্র নাম মৃত্যুঞ্জয়।
    ত্রিশঙ্কু তাঁহার পুত্র জানিহ নিশ্চয়।।
    তাঁর পুত্র রুক্মাঙ্গদ অযোধ্যা-নিবাসী।
    দ্বাদশ বৎসর কাল করে একাদশী।।
    রুক্মাঙ্গদ জন্মাইল ধর্ম্মাদ তনয়।
    তাঁর পুত্র হইল মরুৎ মহাশয়।।
    অনারণ্য তাঁর বেটা জানে সর্ব্বজন।
    তাঁহাকে মারিয়া গেল লঙ্কার রাবণ।।
    তাঁহার হইল পুত্র বাহু নৃপবর।
    শিবভক্ত নাম তাঁর হইল সগর।।
    অসমঞ্জ নামে তাঁর হইল নন্দন।
    তাঁর পুত্র অংশুমান ধর্ম্মপরায়ণ।।
    অংশুমান রাজা রাজ্য করিয়া যৌতুকে।
    মরিলেন তাঁর বংশে আর নাহি থাকে।।
    ভগীরথ তাঁর পুত্র অযোধ্যা-নগরে।
    গঙ্গা আনি উদ্ধারিল দেব দৈত্য নরে।।
    বিতপত নামে তাঁর হইল নন্দন।
    বিকর্ণ তাঁর পুত্র অযোধ্যা-ভূষণ।।
    তাঁহার হইল পুত্র অমর্ষি রাজন।
    দিলীপ তাঁহার পুত্র জানে সর্ব্বজন।।
    দিলীপের সুত রঘু বড় বলবান।
    রঘুবংশ বলি যাঁর বংশের আখ্যান।।
    রঘুর তনয় অজ পিতার সমান।
    তাঁর পুত্র দশরথ দেখ বিদ্যমান।।
    দশরথ রাজা শৌর্য্যে বীর্য্যে গুণধাম।
    তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র এই ধার্ম্মিক শ্রীরাম।।
    এতেক বশিষ্ঠ মুনি বলিল সবাকে।
    শুনি শতানন্দ মুনি হাত দিল নাকে।।
    গলে বস্ত্র দিয়া বলে জনক রাজন।
    তব পুত্রে কন্যা দিয়া লইনু শরণ।।
    দশরথ বলিলেন জনক রাজারে।
    শরণ লইনু দিয়া এ চারি কুমারে।।
    দুই রাজা উঠি তবে কৈল সম্ভাষণ।
    কন্যা আন আন বলে যত বন্ধুগণ।।
    হেন বেশ ভূষণ পরায় সখীগণ।
    যাহাতে মোহিত হয় শ্রীরামের মন।।
    সখী দেয় সীতারে মস্তকে আমলকী।
    তোলা জলে স্নান করাইল চন্দ্রমুখী।।
    চিরুণীতে কেশ আচঁড়িয়া সখীগণ।
    চুল বান্ধি পরাইল অঙ্গে আভরণ।।
    কপালে তিলক আর নির্ম্মল সিন্দূর।
    বালসূর্য্য সম তেজ দেখিতে প্রচুর।।
    নাকেতে বেসর দিল মুক্তা সহকারে।
    পাটের পাছড়া দিল সকল শরীরে।।
    চঞ্চল নয়নে কিবা কজ্জলের রেখা।
    কামের কামান যেন গুণে যায় দেখা।।
    গলায় তাহার দিল হার ঝিলিমিলি।
    বুকে পরাইয়া দিল সোণার কাঁচুলি।।
    উপর হাতেতে দিল তাড় স্বর্ণময়।
    সুবর্ণের কর্ণফুলে শোভে কর্ণদ্বয়।।
    দুই বাহু শঙ্খেতে শোভিত বিলক্ষণ।
    শঙ্খের উপর সাজে সোণার কঙ্কণ।।
    বসন পরায় তাঁরে সুন্দর প্রচুর।
    দুই পায়ে দিল তাঁর বাজন নূপুর।।
    সুবর্ণ আসনে বসিলেন রূপবতী।
    চারিদিকে জ্বালি দিল সোহাগের বাতি।।
    চারি ভগিনীতে বেশ করে বিলক্ষণ।
    তখন মণ্ডপে গিয়া দিল দরশন।।
    পুষ্পাঞ্জলি দিয়া তবে নমস্কার করে।
    প্রদক্ষিণ সাতবার করিল রামেরে।।
    অন্তঃপট ঘুচাইল যত বন্ধুগণ।
    সীতা রামে পরস্পর হৈল দরশন।।
    জলধারা দিয়া তারা কন্যা নিল পরে।
    শোয়াইল জানকীরে অন্ধকার ঘরে।।
    বরকে আনিতে আজ্ঞা করে সখীগণ।
    আসিয়া করুন রাম ষষ্ঠীর পূজন।।
    হাতে ধরি আনাইল রামেরে তখন।
    সীতা-হাত ধরি তোল বলে বন্ধুজন।।
    তখন ভাবেন মনে সীতা ঠাকুরাণী।
    পায়ে হাত দেন পাছে রাম গুণমণি।।
    করিলেন সীতা বাম হস্তে শঙ্খধ্বনি।
    হাতে ধরি সীতারে তোলেন রঘুমণি।।
    স্ত্রীলোকেরা পরিহাস করে ছল পেয়ে।
    কেহ বলে হাতে ধরে, কেহ বলে পায়ে।।
    পূর্ব্বাপর বর কন্যা এল দুইজনে।
    রোহিণীর সহ চন্দ্র যেমন গগনে।।
    কন্যাদান করে রাজা বিবিধ প্রকারে।
    পঞ্চ হরিতকী দিয়া হরিহার করে।।
    বহু দাস দাসী রাজা দিল কন্যা বরে।
    জলধারা দিয়া কন্যা বর লইল ঘরে।।
    রাজরাণী গিয়া ঘরে করিল রন্ধন।
    কন্যা-বর দুই জনে করিল ভোজন।।
    সাজায় বাসরঘর যত সখীগণ।
    রাম সীতা-তাহাতে বঞ্চেন দুইজন।।
    ঊর্ম্মিলা সহিত তথা রহেন লক্ষ্মণ।
    মাণ্ডবীর সহিত ভরত বিচক্ষণ।।
    শ্রুতকীর্ত্তি সহিত আছেন শত্রুঘন।
    এইরূপে বাসর বঞ্চিল চারি জন।।
    সানন্দ হইল সব মিথিলা-ভুবন।
    রামকে দেখিতে যায় যত নারীগণ।।
    পরিহাস করে সবে রামের সহিত।
    তুমি যে জানকী পতি এ নহে উচিত।।
    এই কথা রাম যে তোমাকে কহি ভাল।
    সীতা বড় সুন্দরী, তুমি হে বড় কাল।।
    হাসিয়া বলেন রাম সবার গোচর।
    সুন্দরীর সহবাসে হইব সুন্দর।।
    পরিহাস করিবে কি হারাইল জ্ঞান।
    শ্রীরামের চরণে মজায় মণ প্রাণ।।
    যেখানে বসিয়া আছে অনুজ লক্ষ্মণ।
    সেখানে চলিল যায় যত সখীগণ।।
    অগ্রজ যেমন, তাঁর অনুজ তেমন।
    ভুলিল রামেরে তারা হেরিয়া লক্ষ্মণ।।
    গলে ব্স্ত্র দিয়া বলে লক্ষ্মণ গুণমণি।
    রামে পরিহাস করে সে মোর জননী।।
    লজ্জাযুক্তা হইয়া ত যত সখীগণ।
    পুনর্ব্বার যায় যথা রাম নারায়ণ।।
    এইরূপে চারি স্থানে করি দরশন।
    মানিল কামিনীগণ সফল নয়ন।।
    চারি ভাই তুল্য চারি লইয়া সুন্দরী।
    নানা সুখে কৌতুকে বঞ্চেন বিভাবরী।।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124 125 126 127 128 129 130 131 132 133 134 135 136 137 138 139 140 141 142 143 144 145 146 147 148 149 150 151 152 153 154 155 156 157 158 159 160 161 162 163 164 165 166 167 168 169 170 171 172 173 174 175 176 177 178 179 180 181 182 183 184 185 186 187 188 189 190 191 192 193 194 195 196 197 198 199 200 201 202 203 204 205 206 207 208 209 210 211 212 213 214 215 216 217 218 219 220 221 222 223 224 225 226 227 228 229 230 231 232 233 234 235 236 237 238 239 240 241 242 243 244 245 246 247 248 249 250 251 252 253 254 255 256 257 258 259 260 261 262 263 264 265 266 267 268 269 270 271 272 273 274 275 276 277 278 279 280 281 282 283 284 285 286 287 288 289 290 291 292 293 294 295 296 297 298 299 300 301 302 303 304 305 306 307 308 309 310 311 312 313 314 315 316 317 318 319 320 321 322 323 324 325 326 327 328 329 330 331 332 333 334 335 336 337 338 339 340 341 342 343 344 345 346 347 348 349 350 351 352 353 354 355 356 357 358 359 360 361 362 363 364 365 366 367 368 369 370 371
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআর্সেন লুপাঁ ভার্সেস হার্লক শোমস
    Next Article ভগবানের সাথে কিছুক্ষণ – কৃষণ চন্দর
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }