Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কৃত্তিবাস রহস্য – বিনোদ ঘোষাল

    বিনোদ ঘোষাল এক পাতা গল্প177 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কৃত্তিবাস রহস্য – ১৫

    ১৫

    ভিনিতার বিশাল ডাইনিং হলে বসে লাঞ্চ করছিল অরণ্য, দিয়া আর ক্রেট। এলাহি ব্যবস্থা। ক্রেট নিজে ভেজিটেরিয়ান। খাবার টেবিলে বসে এই তথ্যটি যখন অরণ্য জানল তখন ও আর কৌতূহল চেপে রাখতে পারেনি। সরাসরি প্রশ্ন করে ফেলেছিল?

    আপনি কি ছোটোবেলা থেকেই নিরামিষাশী?

    বলতে পারো। অনেক ছোটো বয়েসেই আমাকে এত বেশি পশুকাটা দেখতে হয়েছে যে আমি মাছ-মাংস খাওয়া ছেড়ে দিই।

    তাই! কী ঘটনা স্যার? জিজ্ঞাসা করেছিল দিয়া।

    ক্রেট বললেন এক আশ্চর্য ঘটনা। একবার ক্রেটের বাবা তার বাড়িতে একটি ছোটো অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে তিনি কিনে নিয়ে এসেছিলেন একটি জ্যান্ত শুয়োর। সেই শুয়োরকে দুপুরে মারার সময় যে নৃশংস পদ্ধতি নিয়েছিলেন বাবা এবং শুয়োরটির হৃদয়বিদারক চিৎকার শুনে অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিল ক্রেট। তারপর বেশ কয়েকদিন সে অসুস্থ ছিল এবং তারপর থেকেই মাছ-মাংসের প্রতি অরুচি জন্মাতে থাকে ক্রেটের।

    আসলে কী জানো মাছ, মাংস দেখলেই আমি সেই শুয়োরটার চিৎকার শুনতে পেতাম। আমার বমি আসত। আসলে আমি খুব ছোটোবেলা থেকেই ভীতুপ্রকৃতির। কোনোরকম মারামারি কাটাকুটি আমি সহ্য করতে পারতাম না। আমার শরীর খারাপ করত। কিন্তু আমার মা এবং বাবা দুজনেই ছিলেন খুব শক্ত মনের মানুষ। তারা দুজনেই আমার ভবিষ্যৎ নিয়ে খুব চিন্তিত ছিলেন কারণ এত ভীতু, এত নরম মনের যে কোনোরকম নৃশংসতা আমি সহ্য করতে পারতাম না। বাবা চেষ্টা করতেন যাতে আমি ধীরে ধীরে শক্ত মনের পুরুষ হয়ে উঠি সেজন্য তিনি মুরগি, হাঁস, বাছুর কিংবা শুয়োর বাড়িতে এনে জবাই করতেন এবং আমাকে সেই সময় সামনে দাঁড় করিয়ে রাখতেন আর আমি প্রায় প্রতিবারই হয় বমি করতাম অথবা অজ্ঞান হয়ে যেতাম। পরে এই অজ্ঞান হয়ে যাওয়া আমার ঘনঘন হতে শুরু করে, আমি শারীরিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হতে শুরু করি। আমি স্বপ্নেও দেখতাম ওইসব রক্তাক্ত ঘটনা। ভয়ে আমার ঘুম ভেঙে যেত, কখনো ঘেমে উঠতাম, কখনো জ্বর এসে যেত— তখন ডাক্তার বলেন আমাকে সেসব নৃশংসতা থেকে রেহাই দিতে। বাবা আমাকে রেহাই দেন। আর আমিও তারপরেই পুরোপুরি নিরামিষাশী হয়ে যাই।

    মানে ডিমও খান না?

     

     

    নাঃ ডিম আমি কিছুদিন খেয়েছি, তারপর সেটাও ছেড়ে দিয়েছি, মনে হতো ডিমের ভেতরে হয়তো একটা হাঁসের কিংবা মুরগির ছানা জ্যান্ত রয়ে গেছে।

    অরণ্য আর দিয়া দুজনেই অবাক হয়ে গিয়েছিল। কী অদ্ভুত লোক! খাবার অর্ডার দেওয়ার সময় অরণ্য বলল স্যার আজ আমরাও আপনার সঙ্গে নিরামিষই খাই।

    উঁহুঁ তা হওয়ার নয়। আজ তোমরা আমার অতিথি। তোমাদের যা খুশি তাই খাবে। আর আমার সামনে কেউ কিছু খেলে আমার কোনো প্রভাব পড়ে না। আমি তো আর শিশু নই তাই না? সেজন্য কোনোরকম ইতস্তত কোরো না তোমরা।

    আপনাকে স্যার যত দেখছি ততই অবাক হচ্ছি। সত্যি আমাদের সৌভাগ্য যে আপনার মতো একজন মানুষের সঙ্গে আমাদের পরিচয় হলো।

    কেন ভাই আমাকে কি তোমাদের মহাপুরুষ বলে মনে হচ্ছে?

     

     

    না স্যার, মহাপুরুষ তো কোনোদিন চোখে দেখিনি, তবে ভালোমানুষও খুব কম দেখেছি। আপনি সেই সামান্য ভালোমানুষদের মধ্যে একজন যারা অন্যের জন্য বাঁচেন। যাদের মন অনুভূতি এখনো পাথর তো হয়নি, এত ব্যস্ত তার মধ্যেও আপনি অসহায় মানুষের কথা ভাবেন, শুধু তাই নয় তাদের জন্য এত কাজ করেন এটা সত্যিই যে…

    দেখো তোমাকে একটা কথা বলি, আমি যে সামান্য কাজটুকু করি সেটা আমার দায়িত্ব মনে করেই করি। আমার এটুকুই সাধ্য। আসলে নিজে ছোটোবেলায় দারিদ্র্য, কষ্ট ঢের দেখেছি, তাই ইচ্ছে হয়, পৃথিবীর মানুষ যেন কষ্টে না থাকে। তবে আমার আর সাধ্য কতটুকু বলো? আরও কিছু বলতে গিয়েও নিজেকে সামলে নিলেন ক্রেট। দিয়ার দিকে তাকিয়ে বললেন, শর্ত মনে রয়েছে আশা করি? কোনো সাক্ষাৎকার নয় কিন্তু।

    না না স্যার কোনো সাক্ষাৎকার নিচ্ছি না। বলে হেসে উঠল দিয়া।

    আমার ইচ্ছে রয়েছে বেশ কিছু হাসপাতাল তৈরি করার। পৃথিবীর কত মানুষ চিকিৎসার অভাবে মারা যান। এটা হতে পারে না। দেখি শেষ পর্যন্ত পারি কি না। হাসপাতাল বানানোর খরচ তো বিপুল।

     

     

    নিশ্চয়ই পারবেন স্যার। ঈশ্বর আপনাকে দিয়ে করিয়ে নেবেন!

    শুনে মুচকি হেসে ক্রেট ধন্যবাদ দিলেন অরণ্যকে।

    মিলিয়ে মিশিয়ে খাবারের অর্ডার দেওয়া হলো। নিরামিষ আমিষ দুই প্রকারই। খাবার এলো। ক্রেট খুবই স্বল্পাহারী। অবশ্য দিয়া আর অরণ্যও যে প্রচুর পরিমাণে খায় তা নয়। অরণ্যর মোবাইলে টুং করে শব্দ হলো মেসেজ আসার।

    বাঁহাত দিয়ে মোবাইল বার করে দেখল সিদ্ধার্থ মেসেজ করেছেন। ডক্টর মানস বোরার ঠিকানা। ঠিক তিনটের সময়ে ওখানে পৌঁছতে হবে। অরণ্য রিপ্লাই করল, ডান।

    ১৬

    ডক্টর বোরার ফ্ল্যাটের ড্রয়িংরুমে বসে রয়েছে অরণ্য, দিয়া আর সিদ্ধার্থ। মানসবাবুর বয়স চুয়ান্ন-পঞ্চান্ন হবে। সাদা ব্যাকব্রাশ করা চুল। সাদা ফতুয়া আর পায়জামা পরে। ড্রয়িংরুমটা চমৎকার সাজানো। নানারকমের লোকশিল্পের নিদর্শন ঘরে শোভা পাচ্ছে। দুটো দেওয়ালজোড়া আলমারিতে অসংখ্য বই। ড্রয়িংরুমে ঢুকলেই বাড়ির কালচার সম্পর্কে একটা প্রাথমিক ধারণা তৈরি হয়ে যায়। ডক্টর বোরা দিব্যি বাংলা বলতে পারেন। অসমিয়া এবং বাংলা ভাষার মধ্যে খুব দূরত্ব নেই। একটু মনোযোগ দিয়ে শুনলে বা পড়লে মোটামুটি ভাষার ভাব বুঝে ফেলা যায়। অরণ্য এবং দিয়ার সঙ্গে পরিচিত হয়ে তিনি খুবই খুশি। পশ্চিমবঙ্গ তার খুবই প্রিয় স্থান, বহুবার তিনি গিয়েছেন কখনো বেড়াতে, কখনো কাজের সূত্রে। কলকাতা তো বটেই, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, হুগলি ইত্যাদি জেলাতেও তিনি একাধিকবার গিয়েছেন। অনেক বন্ধুও রয়েছেন তাঁর পশ্চিমবঙ্গে। বেশ কিছুক্ষণ গল্পগুজব হলো তারপর সিদ্ধার্থ মূল বিষয়ে এলেন। স্যার আপনার কাছে যে কারণে এসেছি সেটা এবার বলি। একটা কেসের ব্যাপারে আপনার কাছে কিছু ইনফরমেশন দরকার।

     

     

    বলুন কীভাবে সাহায্য করতে পারি?

    সিদ্ধার্থ বললেন, স্যার গৌহাটি বা আসামে সূর্যমন্দির কোথায় রয়েছে কি আপনি জানেন? গোয়ালপাড়ায় সূর্যপাহাড় রয়েছে জানি, কিন্তু সেখানে তো সূর্যমন্দির কিছু নেই।

    মিস্টার বোরা সামান্য গলাখাঁকারি দিয়ে বললেন আসলে সূর্য পাহাড় নামটার মধ্যেই সূর্যের কথা লুকিয়ে রয়েছে।

    অরণ্য বলল আচ্ছা সূর্যপাহাড়ের ব্যাপারটা আমাকে একটু বলবেন?

    বোরা বললেন, সূর্যপাহাড় হলো গৌহাটি থেকে প্রায় দেড়শো কিলোমিটার দূরে গোয়ালপাড়া জেলার একটা অঞ্চল। খুবই প্রাচীন এক জায়গা। অনেক পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে এখানে। নামটা থেকেই আন্দাজ করতে পারছ যে পুরাকালে এখানে সূর্যের উপাসনা হতো। কালিকাপুরাণেও সূর্যের উপাসনা কেন্দ্র হিসেবে এই অঞ্চলের নাম রয়েছে। একটা সময়ে এই স্থান হিন্দু, বৌদ্ধ এবং জৈনধর্মের মিলনস্থল হয়েছিল। এই তিন ধর্মেরই নানা নিদর্শন ছড়িয়েছিটিয়ে রয়েছে সূর্যপাহাড়ে।

     

     

    মানে আসামে শুধু কামাখ্যা বা মাদুর্গার মন্দিরই প্রধান নয় বলছেন?

    না না একেবারেই নয়। সিদ্ধার্থর প্রশ্নের উত্তরে বললেন বরং একটা সময় এই রাজ্যে সূর্যের উপাসনাই হতো সব থেকে বেশি। আপনি মার্কন্ডেয় পুরাণের ১০৯ নম্বর অধ্যায় খুলে দেখুন সেখানে লেখাই রয়েছে কামরূপ হলো সূর্য উপাসনার সর্বশ্রেষ্ঠ স্থান। তাছাড়া কালিকাপুরাণ, যোগিনীতন্ত্র, এমনকি পুরোনো অসমিয়া সাহিত্যেও আপনি সূর্যদেবের অনেক উল্লেখ পেয়ে যাবেন। আসলে এই ব্রহ্মপুত্র উপত্যকাজুড়েই এক সময় সূর্যের উপাসনা হতো। এই যে তেজপুর এর আসল নাম হলো সৌর তেজপুর। এই নামটার মধ্যেও তো সূর্যদেবই রয়েছেন। তারপর আসামের পূর্বদিকে দিক্করবাসিনির কথা ভাবুন, দিক্কর শব্দের অর্থও সূর্য। অর্থাৎ আসামের পুবদিকেও এক সময় সূর্যপুজো হতো। মানে পুরো আসামেই এক সময় সূর্যপুজোর যথেষ্ট প্রচলন ছিল। দেবীপুজোর অনেক আগে।

    অরণ্য বুঝতে পারল ডক্টর বোরা ইতিহাসের একজন অথেন্টিক পার্সন। প্রচুর জ্ঞান রয়েছে। ও জিজ্ঞাসা করল আচ্ছা স্যার সূর্যপাহাড়ে কি এখনো সূর্যমন্দির রয়েছে? মানে আমি বলতে চাইছি পুজোআচ্ছা নিয়মিত হয় এমন মন্দির…

     

     

    না নেই।

    তাহলে?

    হুঁ…তাহলে…তাহলে বলতে বলতে বোরা একটি সিগারেট ধরালেন। দেখুন এই বড়ো রাজ্যে কোথায় কোন মন্দির রয়েছে তা কারও একার পক্ষে জানা সম্ভব নয়। ভারতবর্ষের হিন্দুদেরই তেত্রিশ কোটি দেবতা এবং অলিগলিতে মন্দির। কটার হদিসই বা আমরা জানি? প্রাচীন মন্দির হলে তবু সামান্য আমার নলেজে রয়েছে কিন্তু নতুন মন্দির হলে তা বলা কঠিন } সূর্যমন্দির বললেন তাই না?

    হ্যাঁ স্যার এবং সেখানে সারাক্ষণ সূর্যের স্তবগান চলে। মানে মোস্টপ্রোবাবলি সিডিতে, এইরকম কোনো মন্দির…?

    সূর্যের স্তবগান চলে? আচ্ছা? কী যেন চিন্তা করলেন বোরা। তারপর টেবিলের ওপরে রাখা মোবাইল তুলে কাকে যেন রিং করলেন। ওপারে রিং রিসিভ হওয়ার পর অসমিয়া ভাষায় বোরা তার সঙ্গে কথা বলতে শুরু করলেন। অরণ্য আর দিয়ার বুঝতে অসুবিধা হলো না সেই কথোপকথন। ফোন রেখে বোরা বললেন আমি একটি ছেলেকে জিজ্ঞাসা করলাম। আমার স্টুডেন্ট। এখন মন্দির নিয়েই গবেষণা করছে। ওর এসব ব্যাপারে ভালো খোঁজখবর রয়েছে। যদি পারে ওই পারবে। দেখি।

     

     

    আরও বেশ কিছুক্ষণ কথাবার্তা হওয়ার পর সকলে উঠল। বাইরে বেরিয়ে সিদ্ধার্থ বললেন, কেসটা কোনদিকে যাচ্ছে ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। মিস্টার বোরা যদি সন্ধান না দিতে পারেন তাহলে কী করা যেতে পারে কিছু ভেবেছেন?

    দিয়া উত্তর দিলো, এই মুহূর্তে কিছু মাথায় আসছে না। দেখা যাক বোরা স্যার কোনো হদিস দিতে পারেন কি না। না হলে আবার নতুন কিছু ভাবতে হবে।

    সিদ্ধার্থর মোবাইল বেজে উঠল। ফোন রিসিভ করলেন। হ্যাঁ বলো।…হুঁ আবার! …আচ্ছা…কী…এসপি সাহেব…এই রে…আচ্ছা ঠিক আছে আমি আসছি। হুঁ…।

    মোবাইল পকেটে ভরে সিদ্ধার্থ বলে উঠল পুলিশের চাকরির যে কত জ্বালা!

    অরণ্য হেসে বলল, তা ঠিক।

    আর বলবেন না, এটুকু শহরেও যে কত ঝামেলা! এসপি সাহেব ফোন করে আমাকে খুঁজছেন। ওর কান পর্যন্ত এই কেসটা পৌঁছল কীভাবে সেটাই ভাবছি।

     

     

    কোনটা স্যার? এই ব্যাগের কেস?

    না না এটা আবার পুরো ডিফারেন্ট ইসু।

    আচ্ছা।

    সিদ্ধার্থ বললেন, আসলে গৌহাটিতে…শুধু গৌহাটিতে নয় অবশ্য আসামের আরও দু-একটা জায়গা থেকে এমন কমপ্লেন এসেছে। মানে দু- চারজন ফুটপাতবাসী মিসিং হয়েছে। তার বেশিও হতে পারে। তবে এদের তো মিসিং ডায়ারি হয় না জেনারেলি…কে আর খোঁজ রাখে?

    সেই গরিবের দেশ আমাদের অথচ গরিব মানুষেরই খোঁজ রাখার জন্য কেউ নেই।

    সিস্টেমটাই এমন ম্যাডাম। দিয়ার কথায় উত্তর দিলেন সিদ্ধার্থ। তবে এই ঘটনাটা ঘটছে। কী ব্যাপার কে জানে…

    শুধুই কি ফুটপাতবাসী?

     

     

    আমার এরিয়া থেকে একটাই রিপোর্ট পেয়েছিলাম। বেশ কিছুদিন ঐ ফুটপাতবাসীদেরই একজন এসেছিল জানাতে। সত্যি বলতে রিটেন রেকর্ড করিনি। কিন্তু এসপি সাহেবের কানে খবরটা পৌঁছল কীভাবে সেটাই ভাবছি। বেশ চিন্তায় পড়ে গেল সিদ্ধার্থ।

    কেন মিসিং ডায়ারি নেননি?

    আসলে এদের তো কোনো ডকুমেন্টস নেই। কোনো আইডেন্টিটি নেই। এরা এই দেশে থেকেও দেশের নাগরিক নয় রকমের ব্যাপার। এদের জন্মমৃত্যু কোনোকিছুরই রেকর্ড থাকে না। তাই আর কী অত গুরুত্ব দিইনি।

    হুঁ…দেখুন কী হয়। বাই দা ওয়ে অ্যাকিনের কোনো খবর পেয়েছেন কি?

    নাঃ এখনো পাইনি। তবে দেশ ছেড়ে বেরোয়নি এটুকু শিয়োর।

    কথা বলতে বলতেই দিয়া আর অরণ্য গাড়িতে উঠল। সিদ্ধার্থ ওদের হাত নেড়ে বিদায় জানিয়ে জিপে চড়লেন।

     

     

    অরণ্য আর দিয়া আজ সন্ধেটা এমনিই ঘোরার প্ল্যান করেছে।

    ১৭

    সিদ্ধার্থর ফোন এলো রাত আটটা নাগাদ। অরণ্য আর দিয়া তখন একটা রেস্টুরেন্টে বসে ডিনার করছিল। এই রেস্টুরেন্টের ঠিকানাটা সিদ্ধার্থই দিয়েছিলেন, এখানে আসামের ট্র্যাডিশনাল ডিশ পাওয়া যায়। কাঁসার থালা এবং অজস্র ছোটো ছোটো বাটিতে নানা রকমের আইটেম। অনেকগুলোই অচেনা। দিব্যি খেতে। বেশ তরিজুত করেই খাচ্ছিল দুজনে। ছিমছাম ফ্যামিলি রেস্তোরাঁ। প্রতিটি টেবিলই ভরতি। খেতে খেতেই ফোন রিসিভ

    করল অরণ্য।

    হ্যাঁ স্যার বলুন।

    সিদ্ধার্থ অরণ্যর রিপ্লাই শুনে বুঝতে পারলেন অরণ্যর মুখে খাবার। বললেন ডিনারের সময় বিরক্ত করলাম বোধহয়।

     

     

    না না কোনো ব্যাপার না, বলুন। খাওয়া শেষ।

    মিস্টার বোরা ফোন করেছিলেন।

    সিদ্ধার্থর কথা শুনতে শুনতে চোখমুখ উজ্জ্বল হয়ে উঠল অরণ্যর। কথা শেষ করে দিয়ার দিকে তাকিয়ে বলল, গ্রেট!

    ১৮

    বিশাল এলাকাজুড়ে রামচরণ সেবাশ্রম। তারই ভেতরে এখন অরণ্য আর দিয়া। পুরো এলাকাটাই মস্ত উঁচু পাঁচিলে ঘেরা। তেমনই উঁচু ফটক। ভেতরে ঢুকলে মনে হয় যেন বৈদিক যুগে পিছিয়ে এসেছে এই অংশটুকু। আশ্রমটি খুব বেশিদিনের পুরোনো নয়, মাত্র বছর পাঁচেক হবে। তবে এই কয়েকবছরের মধ্যেই বিশাল আকার ধারণ করেছে। আজ ভোরবেলাতেই অরণ্য আর দিয়া গাড়িতে রওনা হয়েছিল আশ্রমের দিকে। গৌহাটির পুবদিকে চন্দ্রপুরের বিখ্যাত পবিতরা জঙ্গল। সে জঙ্গলের মধ্যেই আশ্রম। প্রায় ঘণ্টা দুয়েকের রাস্তা। বেশ সুন্দর রাস্তা। পথে নারেঙ্গির আর্মি ক্যাম্প, পরিত্যক্ত রেললাইন, চড়া পড়ে থাকা ব্রহ্মপুত্র আর সারি সারি পাহাড়ের শোভা উপভোগ করতে চলেছিল ওরা। ভারি সুন্দর লাগছিল। ড্রাইভার গুলাব সিং-এর কাছে জানল এই অঞ্চলে শীতকালে প্রচুর পিকনিক হয়। যদিও পবিতরার ঘন জঙ্গলে কাউকে অ্যালাউ করা হয় না, কারণ ওই জঙ্গলে বাঘ রয়েছে।

    বাঘ! বলো কী!

    হ্যাঁ স্যার শের রয়েছে। তবে রাস্তায় বেরোয় না।

    গুলাব সিং-এর বয়স বছর ত্রিশ। শিখ। সিদ্ধার্থ কলিতার খাস লোক। পেশায় ড্রাইভার হলেও সিদ্ধার্থর নানা গোপন খবর আদানপ্রদানে সাহায্য করে। কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ থাকলেই গুলাবের ডাক পড়ে, যেমনই বুদ্ধিমান তেমনই দুঃসাহসী। আপাতত ওর কাজ হলো কয়েকদিন অরণ্য আর দিয়া ম্যাডামের সাহায্য করা। ঘন জঙ্গলের মধ্যে প্রায় একশো একর জমি নিয়ে বিরাজমান এই রামচরণ সেবাশ্রম। বিশাল ফটক, চারদিকে উঁচু পাঁচিল। পাঁচিলের ভেতরে এলাহি ব্যবস্থা। খানিকটা মায়াপুরের ইস্কনের কথা মনে পড়ে যায়। যদিও আকারে ঠাটে অত বড়ো নয় তবু ছোটো আকারে ওইরকমই। এখানে অনেক আশ্রমিক, সকলের পরনে সাদা ধুতি লুঙ্গির মতো করে পরা এবং গায় হাফহাতা সাদা ফতুয়া। গতকাল রাতেই সিদ্ধার্থর কাছে এই আশ্রম সম্পর্কে বেশ কিছু ইনফরমেশন পেয়ে গিয়েছিল অরণ্য আর দিয়া। এই আশ্রমটির প্রতিষ্ঠাতা রামচরণ বাবাজি। তিনি খুবই বিখ্যাত, আসামে তো বটেই দেশের নানাপ্রান্তে তার ভক্ত ছড়িয়ে রয়েছে। প্রতি সপ্তাহের একটি নির্দিষ্ট দিনে নির্দিষ্ট চ্যানেলে তিনি আধ্যাত্মিকতা নিয়ে নানা উপদেশ ইত্যাদি দেন। তবে ধর্মগুরু হলেও রামচরণবাবাজি নানা সামাজিক সেবামূলক কাজে জড়িত। আশ্রমের মূল মন্দিরটিতে শ্রীরামচন্দ্র, লক্ষণ এবং সীতামায়ের শ্বেতপাথরের বিশাল মূর্তি তার নিচে ধ্যানমগ্ন রামচরণবাবাজির মস্ত ফটো। এছাড়াও আশ্রমচৌহদ্দির মধ্যে আরও কয়েকটি ছোটোখাটো মন্দির রয়েছে। এই আশ্রমে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভক্তরা বাবাজির কাছে আসেন। কেউ আসেন বাবাজির শিষ্যত্ব নিতে, কেউ আশীর্বাদ নিতে, কেউ বাবাজির উপদেশামৃত শুনতে। মন্দিরচত্বরে অনেকক্ষণ ঘুরতে ঘুরতে বেশ হতাশই হয়ে পড়ছিল অরণ্য আর দিয়া। অত বড়ো এলাকা ঘণ্টাকয়েকের মধ্যে ঘুরে দেখা অসম্ভব, তবু অরণ্য আর দিয়া আলাদা আলাদাভাবে আশ্রম এলাকার বিভিন্ন দিকে খুঁজে বেড়াচ্ছিল। শ্রীরামচন্দ্রের মন্দির, কৃত্তিবাস মন্দির, মাধব কন্দলী মন্দির, চণ্ডীদেবীর মন্দির, শংকরদেবের মন্দির। মূল মন্দিরটি মস্ত বড়ো কিন্তু বাকিগুলো আকারে যথেষ্টই ছোটো এবং একটি অন্যটির থেকে অনেকটা দূরে ছড়িয়েছিটিয়ে। আশ্রমটির ভেতরেও যথেষ্ট পরিমাণে গাছপালা থাকার কারণে সবটা একবারে নজরে আসে না। অরণ্য আর দিয়া এলোপাথাড়ি ঘুরছিল আর যে কারণে এখানে আসা সেটা খুঁজে চলেছিল। নাঃ নেই। অবশ্য মিস্টার বোরা সিদ্ধার্থকে বলেই ছিলেন খবরটা তার শোনা, উনি নিজে চোখে দেখেননি ফলে কতটা সঠিক তা বলতে পারবেন না। অরণ্য ক্লান্ত হয়ে বসে পড়ল একটা গাছের নিচে বাঁধানো বেদিতে। তখনই দিয়ার ফোন, এই শোন জাস্ট পেয়ে গিয়েছি। শিগির আয়। দিয়ার গলায় উচ্ছ্বাস ফেটে পড়ছে।

    দিয়ার কথা শুনে সঙ্গে সঙ্গে উঠে দাঁড়িয়ে পড়ল অরণ্য। সত্যি বলছিস!

    ইয়েস ডার্লিং। শিগগির আয়।

    কোন দিকে বল?

    মেইন মন্দিরের ঠিক ডানপাশের রাস্তা ধরে সোজা হেঁটে আয়। বাঁদিকে একটা দোতলা বেশ বড়ো সাদা রঙের গেস্ট হাউজ মতো দেখতে পাবি। ওর পাশ দিয়ে একটা রাস্তা পেছনদিকে গেছে সেখান দিয়ে সোজা হেঁটে আয়, ওখানেই দেখতে পাবি। আমি দাঁড়িয়ে রয়েছি।

    ও কে বলে ফোন পকেটে গুঁজে হনহন করে দিয়ার বলা নির্দেশমতো হাঁটতে শুরু করল অরণ্য। হাঁটতে হাঁটতে পৌঁছল যেখানে একটা ছোটো মন্দিরের সামনে দিয়া দাঁড়িয়ে।

    এই যে এদিকে আয়।

    অরণ্য গেল।

    দিয়া চাপা গলায় খুব উত্তেজিতভাবে বলল এই দেখ পেয়ে গেছি।

    অরণ্য মন্দিরের দিকে ভালো করে তাকিয়ে দেখার আগেই ওর কানে যে স্তবগানটি পৌঁছল তাতেই ডানহাত মুঠি পাকিয়ে ‘ইয়েস’ বলে উঠল।

    এবার মন্দিরের ভেতরে উঁকি দিয়ে দেখে আয়।

    মন্দিরটা আকারে খুব বড়ো না হলেও দালান বেশ উঁচু নিচে দাঁড়িয়ে ভেতরে দেখার উপায় নেই। খান কুড়ি সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠে তারপর মন্দিরের ভেতর ঢোকা যায়।

    মিলেছে?

    পুরো।

    চল আরেকবার দেখি।

    নিচে জুতো খুলে দুজনেই উঠল মন্দিরের দালানে। দালান পেরিয়ে মন্দিরের দরজা। সাউন্ডবক্সে গুনগুন করে চলছে-

    ওং ঘূণিঃ সূর্যাদিত্তম
    ওং ঘৃণিঃ সূর্য আদিত্য শ্ৰী
    ওং হ্রাং হ্রীং হৌং সঃ সূর্যাং নমঃ
    ওং হ্রীং হ্রীং সূর্যায় নমঃ

    মন্দিরের ভেতর সোনার রঙের এক দেবতার মূর্তি। দেবতা বসে রয়েছেন একটি রথে সেই রথের সামনে সাতটি সাতরঙের ঘোড়া ছুটছে। সাতটি ঘোড়ার রাশ ধরে বসে রয়েছে এক সারথি। মূর্তিটির উচ্চতা কম করে ছয় ফুট হবেই। ঝকঝক করছে। দেখে মনে হয় যেন এইমাত্র পালিশ করা হয়েছে। মূর্তির সামনে বসে রয়েছেন একজন মাঝবয়সি সেবাইত। তার পরনেও সাদা ধুতি আর গেরুয়া পাঞ্জাবি। তিনি মূল মন্দিরের দরজার সামনেই বসে রয়েছেন, সামনে একটা থালায় অনেক কুচো ফল।

    অরণ্য আর দিয়াকে ইশারায় কাছে ডাকলেন তিনি। দুজনে এগিয়ে গেল। তিনি অল্প ফলপ্রসাদ তুলে ওদের দুজনের হাতে দিলেন। প্রসাদ মুখে দিয়ে অরণ্য লোকটিকে জিজ্ঞাসা করল আপনি কি পূজারি?

    লোকটা হিন্দিতে উত্তর দিলো হ্যাঁ।

    এই মূর্তি কি সূর্যদেবের?

    হ্যাঁ সূর্যদেবের। তবে এই পৌষমাসে ওঁর নাম বিষ্ণু।

    মানে বিষ্ণু তো আলাদা দেবতা।

    পূজারি মৃদু হেসে বললেন সূর্যের এক এক মাসে এক একটি নাম হয়, বলে ইশারায় ওদের দুজনকে বসতে বললেন। শীতের সকালে শ্বেতপাথরের মেঝে যথেষ্ট ঠান্ডা, তার মধ্যেই বসে পড়ল দুজনে।

    পূজারিজি বললেন, আসলে সূর্যদেব বিবাহ করেছিলেন বিশ্বকর্মার কন্যা সংজ্ঞাকে। কিন্তু বিয়ের পর সূর্যের তেজ কিছুতেই সহ্য করতে পারছিলেন না সংজ্ঞা, তাই বাবাকে জানালেন নিজের দুঃখের কথা। তখন বিশ্বকর্মা সূর্যকে মোট বারোটি ভাগে ভাগ করে ফেললেন। সেই বারোটি অংশ ভিন্ন ভিন্ন নামে ভিন্ন ভিন্ন মাসে উদিত হয়। যেমন বৈশাখের অংশ হলো তপন, জ্যৈষ্ঠর অংশ ইন্দ্র, আষাঢ়ের রবি, শ্রাবণের গভস্তি, ভাদ্রমাসে যম, আশ্বিনে হিরণ্যরেতাঃ, কার্তিক মাসে উদিত হয় দিবাকর, অগ্রহায়ণে চিত্র, এই পৌষে বিষ্ণু, মাঘে হবেন অরুণ, ফাল্গুনে নাম হবে সূর্য আর শেষে চৈত্রে বেদজ্ঞ।

    অরণ্য আর দিয়া দুজনেই অবাক। সূর্যেরও যে এত নাম থাকতে পারে তা ওদের আইডিয়ার বাইরে ছিল।

    আপনারা কোথা থেকে এসেছেন?

    দিয়া বলল কলকাতা থেকে।

    পূজারি বললেন ওখানে কালীঘাট রয়েছে মাকালীর মন্দির, আমি বহুকাল আগে মাকে দর্শন করতে গিয়েছিলাম। তারপরেই জিজ্ঞাসা করলেন আপনারা কি বাবাজির শিষ্য?

    অরণ্য চট করে বুঝে গেল বাবাজি মানে এই আশ্রমের প্রধান রামচরণবাবাজির কথাই বলতে চাইছেন তিনি। ও সঙ্গে সঙ্গে বলল না এখনো হইনি। তবে হওয়ার ইচ্ছে রয়েছে। সেই কারণেই এখানে আসা।

    হয়ে যান। আজ হলো শুক্রবার, প্রতি মঙ্গলবার বাবাজি দীক্ষা দেন।

    দিয়া বলল, আচ্ছা একটা কথা জিজ্ঞাসা করব?

    হ্যাঁ বলুন মা।

    এই আশ্রম কতদিনের পুরোনো?

    খুব বেশি পুরোনো নয় মা, বছর পাঁচেক। আমি এসেছি দুবছর হলো।

    মানে এখানে যে মন্দিরগুলো দেখছি সবই নতুন?

    হ্যাঁ।

    আচ্ছা পূজারিজি এখানে দীক্ষা নিতে গেলে কী করতে হবে?

    সে কি আপনারা কিছুই জেনে আসেননি? তাহলে এসেছেন কী কারণে? কার কাছে জেনেছেন?

    জেনেছি আমার এক বন্ধুর কাছে। আমার ওই বন্ধু বাবাজির ভক্ত। ওর কাছে বাবাজির অনেক কথা শুনেছি তাই ইচ্ছে হলো আমরা দুজনে মিলে বাবাজির কাছে দীক্ষা নিই।

    আপনারা কি…

    আমরা স্বামী-স্ত্রী। এই সদ্য বিয়ে হয়েছে আমাদের।

    অ। বলে দিয়ার দিকে ভালো করে দেখলেন উনি। বিবাহিতা মেয়ের কোনো চিহ্ন নেই দেখে বেশ অবাক হলেন।

    দিয়া বলল আমাদের রিসেন্ট রেজিস্ট্রি হয়েছে শুধু। অনুষ্ঠান করে বিয়ে নেক্সট মাসে হবে, তার আগে দুজনে বাবাজির কাছে দীক্ষাটা নিয়ে নিতে চাইছি। কী করতে হবে একটু বলবেন?

    বেশ বেশ খুব ভালো। সম্পর্কটা রেজিস্টার্ড শুনে মনে মনে খুশি হলেন তিনি। বললেন তাহলে টিকিট করে নিন। দেখবেন রামমন্দিরের ঠিক ডানদিকে অফিসঘর রয়েছে, ওখান থেকে টিকিট পাবেন। পাঁচশো টাকা করে প্রণামি। আর যদি গেস্ট হাউজে থাকতে চান তার জন্য আলাদা ঘর নিতে পারেন।

    আরেব্বাস এখানে থাকার ব্যবস্থা রয়েছে গ্রেট! উত্তেজিত হয়ে হাঁটুতে থাপ্পড় মারল অরণ্য।

    হ্যাঁ, অনেক দূরদূরান্ত থেকে মানুষ বাবাজির কাছে দীক্ষা নিতে আসেন তারা থাকবেন কোথায় তার জন্য গেস্ট হাউজের ব্যবস্থা। দেখুন ফাঁকা থাকলে পেয়ে যাবেন।

    খুব ভালো, আমরা আজ এখন উঠছি পূজারিজি, বুকিংটা করে নিই। পরে আবার আসছি আপনার কাছ থেকে অনেককিছু জানার রয়েছে। বলল দিয়া। উঠে দাঁড়াল দুজনেই। হাঁটা শুরু করল অফিসঘরের দিকে। দিয়া বলল, গুরু এ তো মেঘ না চাইতেই জল! বুকের ভেতর উত্তেজনায় টিপটিপ শব্দ করছে। অফিসরুমে গিয়ে আগে আগামীকাল থেকে একটা রুম বুক করে ফেলল। স্বামী-স্ত্রী পরিচয়। দিয়া অফিসরুমে ঢোকেনি বাইরে দাঁড়িয়েছিল। বাঙালি স্ত্রীর ড্রেসআপ করে না এলে সন্দেহ হতে পারে, ডিটেল জানতে চাইলে মুশকিল হবে। যদি রুম পাওয়া যায় তাহলে পরের দিন পুরো রেডি হয়ে আসতে হবে। একটু পরেই অরণ্য অফিসঘর থেকে বেরিয়ে হাসিমুখে ইশারায় বুড়ো আঙুল উঁচিয়ে দেখাল। মানে রুম মিলে গেছে। এবার শুরু হবে নতুন অভিযান।

    ১৯

    দুই তলার মোট তিনটে বিল্ডিং। প্রতি ফ্লোরে চারটে করে এক কামরার ফ্ল্যাট। এই ফ্ল্যাটগুলো শুধু বাবাজির কাছে যারা ভিনরাজ্য থেকে দীক্ষা নিতে আসেন তাদের জন্য। দিনকয়েক থাকার অনুমতি মেলে। নামমাত্র ঘরভাড়া। দুবেলা ভোগপ্রসাদ খাওয়ার খরচও খুব কম। অরণ্য আর দিয়া ফিরে গিয়েছিল হোটেলে। তারপর রাতে হোটেলের রুমে সিদ্ধার্থর সঙ্গে বসেছিল মিটিং। সূর্যমন্দির এবং সেই স্তবগান মিলে গেছে, কিন্তু এটুকুই ক্লু যথেষ্ট নয় এবং গভীরে তদন্ত করতে হলে ওখানে থাকতেই হবে। হয়তো শেষ পর্যন্ত কিছুই পাওয়া যাবে না, কিন্তু একটা হদিস মিলেছে যখন তার শেষ দেখতেই হবে।

    সিদ্ধার্থ অরণ্য আর দিয়ার কাছে ওদের স্ট্র্যাটেজিটা মোটের ওপর শুনে নিয়েছিলেন এবং যথেষ্ট খুশি হয়ে বলেছেন এগিয়ে যেতে, তার কাছ থেকে সবরকমের সহায়তা পাবে।

    কীরকম সহায়তা পাব স্যার?

    সবরকমের। নিশ্চিন্তে আপনারা এগিয়ে যান। বাই দা ওয়ে আপনাদের কাছে কি কোনো ওয়েপন রয়েছে?

    না স্যার।

    সিদ্ধার্থ একটু ভেবে বলেছিলেন ঠিক আছে দরকার নেই। ওসব থাকলে সমস্যা হতে পারে। আচ্ছা ওখানে চেকিং কেমন?

    নাঃ চেকিং তো কিছু নেই দেখলাম।

    গুড। আপনাদের কয়েকটা জিনিস সঙ্গে দেবো, প্রয়োজনে কাজে লাগবে বলে একটা ছোটো ব্যাগ থেকে বেশ কিছু জিনিস বার করেছিলেন উনি। নাইট ভিশন মাইক্রো স্পাই ক্যামেরা, ওয়্যারলেস স্পাই ক্যামেরা, আরও বেশ কয়েকটি উন্নত প্রযুক্তির ইলেকট্রনিক গ্যাজেট যেগুলো তদন্তের ক্ষেত্রে এবং নিজেদের সুরক্ষার জন্যও যথেষ্ট সাহায্য করবে। প্রতিটা গ্যাজেটের ব্যবহার প্রণালিও বুঝিয়ে দিয়েছিলেন উনি। অরণ্যের মোবাইলটা নিয়ে তাতে একটা বিশেষ সফটওয়্যারও ডাউনলোড করে দিলেন উনি। তারপর আরও কিছু প্ল্যানিং, স্ট্র্যাটেজি ইত্যাদি নিয়ে কথা সেরে সিদ্ধার্থ চলে গেলেন। দিয়া অফিসের অঞ্জনদাকে ফোন করে পুরো ডিটেল জানিয়েছিল, অঞ্জন সব শুনে বলেছিল তোদের অনুমান যদি সত্যিই হয় তাহলে কিন্তু সিংহের গুহায় ঢুকতে যাচ্ছিস, খুব সাবধান। জায়গার যেমন ডেসক্রিপশন দিচ্ছিস তাতে পাঁচিলের বাইরে চারদিকে ঘন জঙ্গল কথাটা বেশ চিন্তার। বিপদে পড়লে ওখান থেকে পালানোর উপায়ও পাবি না। আমি ডিসকারেজ করছি না কিন্তু ভেবে দেখিস। দিয়া শুধু উত্তর দিয়েছিল, ব্যাপারটা এতই সিরিয়াস আর ভয়ংকর যে পেছনে ফেরার উপায় নেই অঞ্জনদা। এর শেষ আমরা দেখতে চাই। তুমি শুধু একটু সাপোর্ট দিয়ো বাস।

    অঞ্জন বলেছিল তথাস্তু। আমার সবরকম আশীর্বাদ রইল।

    আজ সকালে হোটেল ছেড়ে গুলাব সিং-এর গাড়িতে এখানে আবার চলে আসা। আজ অবশ্য দিয়া একেবারে টিপিক্যাল বাঙালি বউয়ের বেশে। হাতে শাঁখা-পলা না পরলেও সিঁথিতে হালকা সিঁদুর ছুঁইয়ে নিয়েছে। আয়না দেখে কপালের ওপরে সিঁদুর দেওয়ার সময় অরণ্য বলেছিল কিরে নিজেই নিজেকে বিয়ে করে নিলি, আমার জন্য একটু অপেক্ষা করতে পারলি না। চাকরিটা আমি পেয়ে গিয়েছি বেলা শুনছ…

    তুই আর চাকরি পেয়েছিস…আমাকেই খাওয়াতে হবে আজীবন বুঝে গিয়েছি। পালটা উত্তর দিয়েছিল দিয়া।

    তারপর দুজনেরই হাসি।

    বেলা দশটার মধ্যে গুলাব এসে পৌঁছে দিলো ওদের। যাওয়ার আগে বলে গেল, কোনোরকম দরকার লাগলে যখন খুশি যেন একবার ফোন করে গুলাব ঠিক হাজির হয়ে যাবে।

    গুলাব চলে গেল। ওরা দুজনে গিয়ে উঠল ওদের জন্য অ্যালটেড রুমে। ছোটো একটা ঘর। অ্যাটাচ বাথরুম রয়েছে। ঘরের মধ্যে একটা ডবল বেড আর একটা স্টিলের আলমারি বাস। আর কিছু নেই। আজ শনিবার। মঙ্গলবার বাবাজি দীক্ষা দেন। বুধবার সকালের মধ্যে রুম ছেড়ে দেওয়ার নিয়ম। মানে হাতে রয়েছে মাত্র শনি, রবি, সোম আর মঙ্গলবারের রাত। তার মধ্যেই এই বিশাল জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে আদৌ কিছু আছে কি না তা জানতে হবে। হয়তো কিছুই নেই। পুরোটাই ফালতু পরিশ্রম করতে হবে কিন্তু উপায় নেই। মন্দির যখন পাওয়া গেছে তখন সেখানে দেবতা রয়েছে কি না তাও উঁকি দিয়ে দেখা দরকার।

    খাটের ওপর দুজনে বসল কৌশল সাজাতে।

    দিয়া জিজ্ঞাসা করল কীভাবে শুরু করবি?

    শোন আমাদের সকালে একরকমের কাজ আর রাতে আরেকরকমের কাজ করতে হবে। আজ সকালে শুধু দুজনে আলাদাভাবে পুরো এরিয়াটা চষে ফেলি। এবং যে জায়গাগুলো সন্দেহজনক মনে হবে সেগুলো স্পট করে মোবাইলে ছবি তুলব। এবং যদি সেইরকম খুব ইম্পর্ট্যান্ট কিছু মনে হয় তাহলে আমাদের দুজনের কাছেই স্পাই ক্যামেরা রয়েছে সেটা ইউজ করব। ও কে?

    ও কে বস। আমার সিঁথির সিঁদুরের দিব্যি, এখানে একটা কিছু পাবই পাব।

    দিয়ার কথায় হো-হো করে হেসে উঠল অরণ্য। তারপর শুরু হলো ওদের অভিযান। আশ্রমের মেইন গেটের সামনেই একটা ম্যাপ রয়েছে। সেটা দেখে বোঝা যায় পুরো আশ্রমচত্বরটি গোলাকার। এবং কোন মন্দির কোথায় রয়েছে সেটাও ম্যাপে উল্লেখ করা রয়েছে। ওই ম্যাপের একটা ছবি মোবাইলে আগেই তুলে নিয়েছিল দিয়া। সেটা দেখে দুজনে ঠিক করে নিল অরণ্য মন্দিরের উত্তর-পশ্চিমভাগে দেখবে আর দিয়া দেখবে দক্ষিণ-পূর্বদিক।

    প্ল্যানমাফিক দুজনে দুদিকে চলে গেল। অরণ্য যেদিকে গেল সেদিকে সূর্যমন্দির, হনুমান মন্দির, বাল্মীকি আর মাচণ্ডীর মন্দির রয়েছে। দিয়ার দিকে রয়েছে মাধব কন্দলী, কৃত্তিবাস, রাধেশ্যাম আর শংকরদেবের মন্দির। প্রতিটা মন্দিরে ঢু দিতে হবে। তাছাড়াও পুরো এলাকায় কোথাও সন্দেহজনক কিছু রয়েছে কি না তা দেখতে হবে।

    শুরু হলো তদন্ত। দিয়া আর অরণ্য যতই ঘুরছিল ততই অবাক হচ্ছিল আশ্রমটিকে দেখে। এই ঘন জঙ্গলের মধ্যে বিশাল উঁচু পাঁচিলের ভেতরে এক আশ্চর্য জগৎ বটে এই রামচরণবাবাজির আশ্রম। আশ্রমের ভেতরেও এত বড়ো বড়ো গাছ যে পথ হারিয়ে ফেলার সম্ভাবনা প্রবল। দিয়া আর অরণ্য দুজনেই মোবাইলে ম্যাপের ছবি দেখে এগোতে থাকল। আশ্রমের মানুষজন, রাস্তা, কর্মকাণ্ড। অনেককিছু। আশ্রমের ভেতরে সবজি এবং ভেষজ চাষ হয়, মস্ত বড়ো গোয়াল রয়েছে। তাছাড়া ফুল-ফলের বাগান, পক্তিভোজনের জায়গা যেখানে দুই-একশো মানুষ অনায়াসে মাটিতে বসে খেতে পারে। পাকশালাটিও স্বাভাবিকভাবে বিশাল বড়ো। অন্তত জনা পনেরো মানুষ সেখানে বিশাল বিশাল হাঁড়ি-কড়াইতে রান্নায় ব্যস্ত। এখানে প্রতিদিন গড়ে একশো মানুষ দুবেলা খায়। তাদের রান্নার আয়োজন নেহাত কম নয়। ওরা যত দেখছিল ততই অবাক হচ্ছিল।

    প্রায় ঘণ্টা দুয়েক দুজনে মিলে ঘুরল। আলাদাভাবে সন্দেহ করার মতো কিছুই চোখে পড়ল না। তবে প্রতিটা মন্দিরে আলাদা আলাদা স্তবগান বাজছে সেটা দুজনেই খেয়াল করল। এই আশ্রমে যারা আশ্রমিক তারা যে শুধু অসমিয়া তা নয়, বরং হিন্দিভাষী অনেক রয়েছেন। আর দীক্ষা নেওয়া অথবা বাবাজির দর্শন করতে যারা আসেন তাদের চেহারা কথাবার্তা দেখলে আন্দাজ করা যায় খুব উচ্চবিত্ত বা একেবারে নিম্নবিত্ত কেউ নয়, সকলেই মিডলক্লাস ফ্যামিলির। এবং নর্থ ও সাউথ ইন্ডিয়ার ভক্তই বেশি। তবে এ কথা স্বীকার করতেই হবে, এমন জঙ্গলের মধ্যে প্রাকৃতিক পরিবেশকে প্রায় নষ্ট না করেই এমন চমৎকার একটা আশ্রম বানানো সত্যিই কোনো পাকা মাথার কাজ। এমনভাবে পুরোটা ডিজাইন করা যেন মনে হয় প্রকৃতির মধ্যেই স্বাভাবিকভাবে গড়ে উঠেছে এই আশ্রমটি। প্রতিটি মন্দিরই শ্বেতপাথরের। এবং এত মানুষ থাকলেও কোনো কোলাহল নেই। আশ্রমিক যারা রয়েছেন তারা তো রোবটের মতো চুপচাপ নিজেদের কাজ করে চলেছে আর যারা বাবাজির ভক্ত তারাও কেউ হইহই করছে না। আশ্রমের প্রবেশদ্বারে সাইনবোর্ডে যে নির্দেশাবলি লেখা রয়েছে তার মধ্যে দ্বিতীয় পয়েন্টেই লেখা ছিল নীরবতা ও শান্তি বজায় রাখবেন। বেলা একটা থেকে এখানে দুপুরের ভোগ খাওয়ানো শুরু হয়। আড়াইটা পর্যন্ত চলে। তার মধ্যেই খেতে হবে। অরণ্য দেখল হাতে এখনো ঘণ্টাখানেক রয়েছে। শীতের দুপুর থেকে সন্ধে নামতে খুব বেশি সময় নেয় না। ফলে তার আগেই আজকের ঘোরাঘুরি শেষ করতে হবে। দিয়াকে ফোন করল ও।

    দিয়া উত্তর দিলো, কৃত্তিবাস মন্দিরে রয়েছি। খুব ইন্টারেস্টিং কেস।

    তাই নাকি? কিছু পেলি? বলছি গিয়ে।

    তুই কোথায়? আমার ঘোরাঘুরি প্রাথমিকভাবে শেষ। এবার খিদে পেয়েছে। চলে আয়, বলল অরণ্য।

    ও কে। কোথায় আছিস?

    সরাসরি খাবারের জায়গায় আয়। ওখানেই যাচ্ছি।

    বেশ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনূহর নৌকা – বাণী বসু
    Next Article ডানাওলা মানুষ – বিনোদ ঘোষাল

    Related Articles

    বিনোদ ঘোষাল

    রূপনগরের পিশাচিনী – বিনোদ ঘোষাল

    November 3, 2025
    বিনোদ ঘোষাল

    ডানাওলা মানুষ – বিনোদ ঘোষাল

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }