Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কৃত্তিবাস রহস্য – বিনোদ ঘোষাল

    বিনোদ ঘোষাল এক পাতা গল্প177 Mins Read0
    ⤶

    কৃত্তিবাস রহস্য – ৩০

    ৩০

    ক্রেটকে তার ম্যানেজার ফিলিপসমেত দিল্লির একটি বিশাল হোটেল থেকে অ্যারেস্ট করতে খুব বেশি সময় লাগেনি। বড়ো বাবাজি এবং অ্যাকিন দুজনেই জানত ক্রেট কোথায় রয়েছে। তাদের কাছ থেকে সেই খবর জেনে নিয়ে সঙ্গে সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল দিল্লি পুলিশে। ওখানকার পুলিশ চূড়ান্ত তৎপরতার সঙ্গে সেই হোটেলে গিয়ে ক্রেটকে তার ম্যানেজারসমেত সাতসকালেই অ্যারেস্ট করে এবং বিকেলের মধ্যে তাকে বিশেষ পাহারার মধ্যে গৌহাটিতে পাঠানো হয়। তবে আশ্রমের খবর দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ল দেশজুড়ে। মিডিয়া, রাজনৈতিক থেকে গোটা দেশের সাধারণ জনমহল তোলপাড়। ভারতবর্ষে এমন নৃশংস ব্যবসাও যে হতে পারে তা সত্যিই অভাবনীয়। ক্রেট যেহেতু একজন আন্তর্জাতিক পরিচিত ব্যক্তি ফলে গোটা দুনিয়ায় তার এই অপরাধ নিয়ে আলোচনা এবং শাস্তির দাবি নিয়ে ঝড় বইতে শুরু করল। ক্রেটকে আপাতত কড়া নিরাপত্তায় বিশেষ গোপন কাস্টডিতে রাখা হয়েছে। তবে অ্যাকিন এবং বাবাজিকে আলাদা আলাদাভাবে জেরা করে উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। দফায় দফায় চলছে জেরা। অ্যাকিন হলো ক্রেটের ডানহাত। এই কালো ব্যবসার ম্যানেজার বলা যায়। এশিয়ার যেসব দেশগুলোতে ক্রেট এই জঘন্য ব্যবসা খুলেছে সেগুলোর ফ্র্যানচাইজিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে অ্যাকিন। অ্যাকিন থার্ল্ড ওয়ার্ল্ডের দেশগুলোয় ঘুরে ঘুরে খোঁজ করত উপযুক্ত এজেন্টের। এবং তারপর সেই এজেন্টকে দায়িত্ব দেওয়া হতো এই কারখানা বানানোর। প্রোডাক্টের ডিজাইন কেমন হবে, নতুন প্রেডাক্টের স্যাম্পল থেকে সবকিছু দেওয়া-নেওয়া অ্যাকিনের মধ্যস্থতায় হতো। ক্রেট কোনো এজেন্টের সঙ্গেই সরাসরি যোগাযোগ করত না। এবং ক্রেট যখন যে-দেশে যেত তার কয়েকদিন আগে অ্যাকিন সেই দেশে চলে গিয়ে সব ব্যবস্থা করে ফেলত। কিন্তু কখনই তারা একই হোটেলে থাকত না। এবং প্রকাশ্যে দেখাও করত না। গোপনে যোগাযোগ চলত। ভারতে কাজের চাপ যথেষ্ট বাড়ছিল এখানের মেটেরিয়ালের সাপ্লাই ভালো এবং হিউম্যান লেদার প্রোডাক্ট কেনার কাস্টমার বাড়ছিল দিনে দিনে। কিন্তু এই প্রোডাক্ট অত্যন্ত দামি এবং শৌখিন বলে এর শুরু এবং শেষ দুটোই ক্রেট নিজে দেখতেন। তাই অ্যাকিন এবং ক্রেটকে ঘনঘন ইন্ডিয়ায় আসতে হচ্ছিল, এমন ঘনঘন আসার উপযুক্ত কারণ না থাকলে দুই দেশেরই সন্দেহ হতে পারে, তাই এই দেশে তিনি তৈরি করেছিলেন বেশ কিছু বৃদ্ধাশ্রম, অনাথাশ্রম। তাদের দেখার জন্য তিনি আসতেই পারেন। কিন্তু এতগুলো দেশে ছুটোছুটি অ্যাকিনের পক্ষে একা করা সম্ভব হচ্ছিল না। তাই ক্রেট চেয়েছিলেন ইন্ডিয়াতে এমন একজন বিশ্বস্ত ও যোগ্য এজেন্ট থাকুক যে একা ইন্ডিয়ার কাজ সামলাতে পারবে। বছরকয়েক আগে অ্যাকিনের মাধ্যমে রামচরণের সঙ্গে ক্রেটের যোগাযোগ হয়। অ্যাকিন এবং ক্রেট দুজনেই বুঝেছিলেন রামচরণ সেই যোগ্য লোক যাকে দিয়ে কাজ হবে। ভারতবর্ষে ধর্ম হলো মস্ত বড়ো ব্যবসা, সঙ্গে যদি অর্থবল থাকে তাহলে এ দেশে যে-কোনো মানুষেরই ঈশ্বর হয়ে উঠতে বেশি সময় লাগে না। রামচরণের শাস্ত্রজ্ঞান এবং শয়তানি বুদ্ধি তো ছিল এছাড়া ছিল গুরুদেব হয়ে ওঠার যোগ্যতা। ফলে ক্রেটের টাকায় খুব দ্রুত একজন ধর্মগুরু হয়ে উঠতে তার খুব বেশি সময় লাগেনি। বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলে টাকাপয়সা ইত্যাদি খাইয়ে সবদিক থেকেই সে একজন গডফাদার হয়ে উঠেছিল। এবং তারপরেই নারেঙ্গির এই পবিতরার জঙ্গলে নিরাপদ একটি আশ্রম বানানোর পরিকল্পনা এবং আশ্রমের নিচে সেই ভয়ংকর ফ্যাক্টরি।

     

    আরও দেখুন
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    লাইব্রেরি
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    কৌতুক সংগ্রহ
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা সাহিত্য
    পিডিএফ
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    PDF বই

     

    সবই ঠিকঠাক চলছিল শুধু গন্ডগোল হয়ে গেল এবার। অ্যাকিন এলো, তারপর এলো ক্রেট। দুজনে আলাদা আলাদা হোটেলে উঠল। বেশ কয়েকটি নতুন ডিজাইনের প্রোডাক্টের অর্ডার ছিল। সবকটা প্রোডাক্টই দুবাইয়ে যাওয়ার ছিল। ফিনিশ হয়ে ডেলিভারি হওয়ার আগে ক্রেট নিজে জিনিসগুলো দেখবেন বলে এসেছিলেন। বাবাজির চ্যালা দুলারাম তার এজেন্ট শান্তিলালকে ফোন করে মাল নেওয়ার কথা বলল, শান্তিলাল নাম ভুলে যাওয়ার ভয়ে প্যাকিংপেপারে অ্যাকিনের আর হোটেলের নাম লিখে বিশাল ভুলটা করল। আর সেই ভুলটুকুই গড়াতে গড়াতে শেষে এত বড়ো চক্রান্ত ফাঁস।

    আগামীপরশু দিয়া আর অরণ্য ফিরে যাবে কলকাতায় এবার যে উদ্দেশ্য নিয়ে গৌহাটি এসেছিল দুজনে সেই বড়োদিন কভারেজ আর হলো না। উলটে যা হলো তাতে দেশজুড়ে তো বটেই পুরো ফ্যাশন দুনিয়ায় হুলুস্থুল পড়ে গেছে। আগামীকাল গৌহাটি গভর্নমেন্ট থেকে দিয়া আর অরণ্যকে একটি সংবর্ধনাও দেওয়া হবে। আজ দেশের প্রায় সবকটা খবরের কাগজেই এই দুর্ধর্ষ ঘটনার ফলাও খবর। এবং অবশ্যই অরণ্য, দিয়া এবং সিদ্ধার্থর ছবি।

     

    আরও দেখুন
    বই পড়ুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বইয়ের
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা অডিওবুক
    রেসিপি বই
    বই
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বইয়ের

     

    তবে দিয়া ঠিক করেছে এই অভিযানের পুঙ্খানুপুঙ্খ স্টোরি ও নিজের পেপারেই করবে। অন্য কোথাও এত ডিটেলে কিছু বলেনি। হোটেলে একবেলা রেস্ট নেওয়ার পর দিয়া ফোন করল সিদ্ধার্থকে।

    সিদ্ধার্থও তার সাফল্যে বেজায় খুশি। পদোন্নতি তার পাকা।

    বলুন ম্যাডাম। ফোন তুলে সহাস্যে সাড়া দিলেন সিদ্ধার্থ।

    একটা অনুরোধ ছিল যে। রাখা সম্ভব?

    আরে বলুন না?

    ঘণ্টাখানেক ক্রেটের সঙ্গে কথা বলতে চাই। স্রেফ আমি আর অরণ্য। ব্যবস্থা করা যেতে পারে?

     

    আরও দেখুন
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    ডিজিটাল বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    গ্রন্থাগার
    ডিকশনারি
    লেখকের বই
    কৌতুক সংগ্রহ
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই

     

    উঁ… আচ্ছা কিছু পারমিশনের ব্যাপার রয়েছে। আমি চেষ্টা করছি। কলব্যাক করছি আপনাকে।

    ফোন রাখার পর অরণ্য জিজ্ঞাসা করল কী ব্যাপার, আবার ক্রেট কেন?

    দিয়া হেসে বলল, শেষ একটা চেষ্টা। অফিসের টাকায় এসেছি, একেবারে কিছুই না করে ফিরে যাব?

    তুই মাইরি গুরুদেব। তবে মনে হয় না পারবি

    দেখা যাক। না পারলে আমার ক্যারিয়ারের ব্যর্থতা বলে ধরে নেব আর কি।

    ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই সিদ্ধার্থর ফোন এলো। হ্যাঁ ব্যবস্থা করা গেছে। একঘণ্টা তো?

    হ্যাঁ।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা কৌতুক বই
    অনলাইনে বই
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বইয়ের তালিকা
    রেসিপি বই
    নতুন বই
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বই
    বুক শেল্ফ
    বাইশে শ্রাবণ

     

    বেশ আমি গাড়ি পাঠাচ্ছি। ওখানে নিয়ে যাবে। শুধু একটা অনুরোধ রয়েছে। মানে এখন তো ক্রেট সরকারি হেফাজতে, তাই প্লিজ কিছু রেকর্ডিং করবেন না।

    আচ্ছা ঠিক আছে।

    আধঘণ্টার মধ্যেই গাড়ি চলে এলো। ওদের নিয়ে যাওয়া হলো পুলিশের একটি বিশেষ নিরাপত্তাবেষ্টিত স্থানে যেখানে ভয়ংকর আসামিদের কোর্টে তোলার আগে হেফাজতে রাখা হয়।

    অরণ্য আর দিয়াকে নিজেদের সবকিছু জমা রেখে তারপর ঢুকতে অনুমতি দেওয়া হলো যে ঘরে ক্রেটকে রাখা রয়েছে।

    ৩১

     

    আরও দেখুন
    অনলাইনে বই
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    PDF
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বই
    বইয়ের
    ডিজিটাল বই
    লেখকের বই
    কৌতুক সংগ্রহ
    বাংলা সাহিত্য

     

    ছোটো একটি ঘর। ঘরে সিঙ্গেল খাট এবং টেবিল-চেয়ার। ক্রেট খাটে শুয়েছিল। পুলিশ দরজা খুলে ওদের দুজনকে ভেতরে প্রবেশ করতে দিয়ে আবার দরজা বন্ধ করে দিলো। ক্রেট দিয়া আর অরণ্যকে দেখে উঠে বসল। ওরা ভেবেছিল এখনই বুঝি ভয়ংকর গালিগালাজ করে ওদের ঘর থেকে বার করে দেবে কিংবা ঝাঁপিয়ে পড়বে মারার জন্য। আজ অরণ্যও মনে মনে প্রস্তুত হয়ে রয়েছে, সেদিন সুযোগ হয়নি আজ ক্রেট গায়ে হাত দেওয়ার চেষ্টা করলেই এমন মার দেবে যেন সেই ব্যথা অনেকদিন থেকে যায়। কিন্তু ক্রেট সেসব কিছুই করল না, একগাল হেসে খুব স্বাভাবিক গলায় বলল হ্যাল্লো ইয়ং লেডি। আমি ভাবছিলাম তোমার সঙ্গে বুঝি আর দেখাই হলো না। প্লিজ বসো।

    ধন্যবাদ। এবার আর আমার চামড়া ছাড়িয়ে লেডিস ব্যাগ বানানো হলো না, সরি ক্রেট। তোমায় সাহায্য করতে পারলাম না।

    শুনে আবার হেসে উঠল ক্রেট। যদিও আজকের হাসির মধ্যে একটা হতাশা মিশে রয়েছে সেটা ও আড়াল করতে পারল না।

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    Books
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ

     

    হলো না। কিন্তু তোমার চামড়ার কোয়ালিটি খুবই ভালো। যদি বানানো যেত প্রচুর ভালো মানের একটা ব্যাগ আমি আমার ক্রেতাকে দিতে পারতাম। আসলে তোমাদের মানে ইন্ডিয়ানদের চামড়ার গুণমান খুবই ভালো। যাক বসো, সরি আমি এখানে তোমাদের চা অফার করতে পারছি না।

    দিয়া আর অরণ্য বসল চেয়ারে। ক্রেট বিছানাতেই বসে।

    তোমাদের তো এখন নিশ্চয়ই পৃথিবীজুড়ে নাম ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও তোমাদের সঙ্গে পরিচয় হওয়ার পর আমি তোমাদের ব্যাপারে একটু জেনে নিয়েছিলাম, তোমরা এর আগে কী কী করেছ সেটাও জানা হয়ে গিয়েছিল। তবে তোমরা যে আমাকেও খাঁচায় পুরবে সেটা সত্যিই ভাবতে পারিনি।

    হ্যাঁ পুরো ঘটনাটাই কাকতালীয় মিস্টার ক্রেট। আমাদের এখানে এসে এই রহস্যে জড়িয়ে পড়া এবং শেষে আপনাকে এভাবে পাওয়া সত্যিই অভাবনীয়। আপনি যে ঈশ্বরের ছদ্মবেশে একজন পাকা নরপিশাচ সেটা জানতে পেরে আমাদের একটুও আনন্দ হয়নি। এই জঘন্য কুৎসিত ব্যবসায় কেন নামলেন ক্রেট? ঈশ্বর তো আপনাকে কম কিছু দেননি। অর্থ, প্রতিপত্তি সবই পেয়েছেন কিন্তু তারপরেও…

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    PDF বই
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    রেসিপি বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    ডিজিটাল বই
    নতুন বই

     

    শুনে মুচকি হাসলেন ক্রেট। বললেন তুমি দেখছি আজও আমার ইন্টারভিউ নেওয়ার আশাতেই এসেছ। হাল ছাড়োনি। গুড। এজন্যই তোমাকে আমার পছন্দ। নিজের কাজ যদি মন দিয়ে করতে পারো তাহলেই বাস।

    ধন্যবাদ। আমি তো আপনাকে বলেই ছিলাম, আমি শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করে যাব আপনার ইন্টারভিউ নেওয়ার। অবশষে দেবেন কি না সেটা আপনার সিদ্ধান্ত।

    ঠিক। আমি জীবনে কখনো আলোর সামনে দাঁড়াইনি, কাউকে কখনো ইন্টারভিউ দিইনি।

    সেসব তো আগেই শুনেছি ক্রেট। কিন্তু সেদিনের অবস্থা আর আজকের অবস্থা তো এক নয়। সেদিন আপনার মনে ধরা পড়ার ভয় ছিল, তাই হয়তো নিজেকে আড়ালে রাখতে চাইতেন, আজ আর আপনার সেই ভয় নেই।

    কিন্তু আমার মতো একজন পাপী মানুষের ইন্টারভিউ নিয়ে তুমি কী করবে?

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বাংলা বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    বই পড়ুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বাংলা ই-বুক রিডার
    গল্প, কবিতা

     

    সত্যি বলতে কী, আগে আপনার ইন্টারভিউ নেওয়ার ইচ্ছে ছিল শুধু আপনার গুণের জন্য। আপনি একজন ওয়ার্ল্ড ফেমাস ফ্যাশন ডিজাইনার, অথচ অধরা, তাই আপনাকে ধরার একটা আপ্রাণ জেদ ছিল। বৃদ্ধাবাসে আপনি যখন সেই অসহায় মানুষগুলোর পাশে বসে খাওয়াদাওয়া করছিলেন তখন আপনাকে দেবতা মনে হয়ছিল, তখন কল্পনার অতীত ছিল আপনি আসলে এত ভয়ংকর, এত নৃশংস।

    একজন এত গুণীমানুষও কেন এত ভয়ংকর? কী তার অতীত, কেমন তার জীবন সেটা জানার আগ্রহ এখন আমাদের বেশি হচ্ছে। বলল অরণ্য।

    পৃথিবীর প্রতিটি জিনিয়াসই কোনো না কোনো ব্যাপারে ভয়ংকর, নির্মম। নৃশংসতা আসলে প্রতিভারই অঙ্গ। বলল ক্রেট। দেখো জীবন আমার কাছে একটা খেলা ছাড়া আর কিছু নয়। আমার কাছে দয়ামায়া ভালোবাসা এসব শব্দগুলোর কোনো অর্থ নেই। আমি ওসব বুঝিও না। কিন্তু আমি কাজ বুঝি, যারা কাজ করতে, নিজের স্বপ্নকে ছুঁতে ভালোবাসে তাদের আমি পছন্দ করি, আর সেই কারণেই আমি তোমাকে পছন্দ করি। কাল তোমরা আমার ট্র্যাপে ধরা পড়ে গিয়েছিলে, কিন্তু তোমাদের গেম স্ট্র্যাটেজি আমার থেকে স্ট্রং ছিল, আমি তোমাদের অত গুরুত্ব দিইনি, ফলে আমি গেমে হেরেছি। কাল তোমরা হারলে এতক্ষণে জবাই হয়ে তোমাদের চামড়া ছাড়িয়ে প্রসেসিং শুরু হয়ে যেত। বলে হাসলেন ক্রেট। এমন ভয়ংকর একটা কথা বলে এত সহজে হাসা কোনো সুস্থ মানুষের পক্ষে অসম্ভব।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    Books
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    অনলাইন বুকস্টোর
    PDF বই
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    ডিকশনারি
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    রেসিপি বই
    গ্রন্থাগার

     

    আর এবার আপনার ফাঁসি হবে। কথাটা বলার সময় নিজের রাগ গোপন রাখতে পারল না অরণ্য।

    অবশ্যই, আমি জীবনে যত মানুষ জবাই করিয়েছি তার হিসেব আমিও জানি না, আমাকে একবার ফাঁসি দিলেও যথেষ্ট শাস্তি হবে না। কিন্তু আমার প্রাণ একটাই। বারবার ফাঁসি দেওয়ার উপায় নেই। তবে আমার একটা শেষ ইচ্ছে রয়েছে। আমাকে মারার পর আমার শরীরের চামড়া ছাড়িয়ে যেন একজোড়া জুতো বানানো হয়।

    জুতোই বা কেন?

    কারণ, আমি জীবনে প্রথম মানুষের চামড়া দিয়ে যেটা বানিয়েছিলাম সেটা ছিল একজোড়া জুতো। এবং সেই মানুষ কে ছিলেন জানো?

    কে?

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    পিডিএফ
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বইয়ের
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বাইশে শ্রাবণ
    বাংলা বই
    নতুন বই
    অনলাইন বুকস্টোর
    বই পড়ুন

     

    আমার বাবা।

    কথাটা শুনে শিউরে উঠল দুজনেই। কী বলছেন আপনি!

    ঠিকই বলছি। বলে আবার হাসল ক্রেট। আমার বাবা ছিলেন মুচি। খুব গরিবের সংসার। দিন আনি দিন খাই। যে গ্রামে থাকতাম তার থেকে বেশ কিছুটা দূরে ছিল ঘন জঙ্গল। বাবা যখন চামড়া কিনতে পারত না, তখন জঙ্গলে যেত পশু শিকার করতে। কিছু-না-কিছু একটা মেরে নিয়ে আসত, তারপর সেটার ছাল ছাড়িয়ে দেশি পদ্ধতিতে ট্যান করে জিনিস বানাত। ছোটোবেলা থেকেই আমি কাটাকাটি রক্তারক্তি সহ্য করতে পারতাম না। রক্ত দেখলেই ভয় হতো। পালাতাম। অসুস্থ হয়ে পড়তাম। বাবা আমাকে জোর করে ওইসব পশু জবাই, ছাল ছাড়ানো দেখাত, শুধু দেখানো নয় আমাকে শিখতেও হয়েছিল সব। চামড়া ছাড়ানো থেকে ট্যানিং, কাটিং, স্টিচিং সবকিছু। আর আমার বাবার প্রতি ভয় এবং রাগ দুটোই তৈরি হতো। কিন্তু আমি কিছু বলতে পারতাম না। আমরা আর আমার এই দারিদ্র্যও ভালো লাগত না। বাবা জুতো বানিয়ে মাঝে মাঝে শহরে যেত বিক্রি করতে। আমি যখন কৈশোরে পৌঁছলাম আমাকেও সঙ্গে নিয়ে যেত। আমি সেদিন শহরের রাস্তায় রাস্তায় ঘুরতাম আর দেখতাম আমার বয়সেরই ছেলেরা কত খুশিতে, কত আনন্দে রয়েছে। ভালো পোশাক, ভালো খাবার অথচ আমার কিছুই নেই। যে স্কুলে পড়তাম সেখানে মাঝে মাঝেই যেতাম না। কারণ বাড়িতে পড়ার সময় পেতাম না, অনেক কাজ করতে হতো। কিন্তু আমার পড়তে ইচ্ছে করত। অথচ উপায় ছিল না। আমার এই অবস্থার জন্য মনে হতো আমার বাবা-মাই দায়ী। আমার রাগ বাড়ছিল। আমি যে বড়ো হচ্ছিলাম বাবা সেটা খেয়াল করত না। একদিন আমার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হচ্ছিল, বাবা আমার গালে থাপ্পড় বসিয়ে দিলো, আমার আর সেদিন মাথার ঠিক থাকল না, ঘর থেকে বাবার পশু জবাইয়ের ছোরাটা নিয়ে এসে সটান বাবার পেটেই ভরে দিলাম। বাবা মেঝেতে পড়ে গেল। আমি নিজেও বুঝতে পারলাম না এটা আমি কী করে করলাম। মা ওই দৃশ্য দেখে চিৎকার করতে যাচ্ছিল, এখনই লোকজন ছুটে আসবে এবং আমাকে মেরে ফেলবে এই ভয়ে আমি মায়ের পেটেও ছোরাটা গেঁথে দিলাম। আমার পায়ের সামনে ওরা দুজনেই পড়ে রইল। উত্তেজনায় হাঁপাতে হাঁপাতে আমিও ওদের পাশে বসে পড়লাম। বারবার দুটো রাস্তা মনে পড়ছিল। এক, আমিও আত্মহত্যা করি অথবা এখনই এখান থেকে পালাই। বডিদুটোকে ঘরে রেখে একবেলা আমি ভাবলাম। তারপর মনে হলো আমি পালাবও না, মরবও না। আমি বরং ওদের দুজনের হাত থেকে মুক্তি পেলাম। তাহলে বডিদুটোকে নিয়ে কী করব? হঠাৎ মাথায় এলো বাবা যেভাবে নিরীহ পশুগুলোকে মেরে ছাল ছাড়িয়ে ব্যাগ, জুতো, জ্যাকেট ইত্যাদি বানাত আমিও তাই করব। যেভাবে একটা জংলি ভেড়া কিংবা বুনো খরগোশকে মেরে তার ছাল ছাড়াত বাবা আমিও সেই পদ্ধতিতে আমার নিজের হাতে বাবার শরীরের চামড়া ছাড়ানো শুরু করলাম। এবং অবাক হচ্ছিলাম যে আমার এতটুকুও কষ্ট হচ্ছে না। বরং ভালো লাগছে। আমার মনের ভেতর জমে ওঠা অনেক রাগ ওই রক্তের সঙ্গেই ধুয়ে যাচ্ছে। প্রায় সারাদিন চেষ্টা করে আমি আমার বাবার শরীরের চামড়া কাটলাম। তারপর মায়ের। এবং দুটো শরীরকেই খণ্ড খণ্ড করে কেটে দুটো কয়েকটা ছোটো ব্যাগে ভরলাম। এবং পরের কয়েকদিন ধরে রোজ দুটো করে ব্যাগ জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে ফেলে আসতে থাকলাম। কয়েকদিনের মধ্যেই আমার জীবন থেকে মা এবং বাবা পুরোপুরি উধাও হয়ে গেল। গ্রামের মানুষ জানল বাবা আর মা বাড়িতে অশান্তি করে দুজনেই যে যার মতো ভেগে গেছে। আমাদের গ্রামের মানুষ এতই গরিব ছিল যে সকলেই নিজেদের পেট চালানোর জন্য ব্যস্ত থাকত। তাছাড়া ঘরে ঘরে অশান্তি লেগেই থাকত, তাই কেউ কারও সংসারে কী হচ্ছে তাই নিয়ে বিশেষ মাথা ঘামাত না। পুলিশও কখনো আসত না আমাদের গ্রামে। ফলে আমার ঘরে পড়ে রইল দুটো চামড়া। আমি কী করব দুদিন ভাবলাম। তারপর মনে হলো বাবার চামড়া দিয়ে একজোড়া জুতো বানিয়ে আমি সেটা পরব। তাহলে আমার সঠিক প্রতিশোধ নেওয়া হবে। আমার মায়ের প্রতি অত রাগ ছিল না, মায়ের ইচ্ছে ছিল তার শখের বাইবেলটি যেন চামড়ায় বাঁধিয়ে দেওয়া হয়। আমি ঠিক করলাম সেটাই করব। প্রায় এক মাস লেগে গেল আমার ওই দুটো জিনিস বানাতে। বাবার চামড়া দিয়ে বানানো জুতো পরে কয়েকদিন ঘুরলাম। মায়ের চামড়া বাঁধানো বাইবেল তুলে রাখলাম যত্ন করে। ঘরে জমানো যে কটা টাকা আর খাবার মজুত ছিল তাই দিয়ে কিছুদিন চলল তারপর ঠিক করলাম আমাকে পেটের ধান্দায় নামতে হবে। চলে গেলাম শহরে। তারপর এখানে-ওখানে টুকটাক কাজ। মাথায় ছিল বুদ্ধি, আর নতুন নতুন ডিজাইন বানানোর ক্ষমতা এবং আগ্রহ। বাস। একে একে জীবনে সুযোগ এলো আর প্রতিটা সুযোগ কাজে লাগাতে লাগাতে একটা সময় ক্রিস্টোফার হয়ে উঠল ফ্যাশন দুনিয়ার ক্রেট। বলে থামলেন ক্রেট।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    Books
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বাইশে শ্রাবণ
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বাংলা হস্তলিপি কুইল

     

    কিন্তু আপনি কি বরাবর মানুষ মেরেই তার চামড়া দিয়ে জিনিস বানিয়ে গেছেন?

    নাঃ। একেবারেই নয়। বরং বলা ভালো বাবা আর মাকে খুন করে তাদের চামড়া দিয়ে ওই জিনিসদুটো বানানোর পর আমি কোনোরকম চামড়ার জিনিসই বানাতাম না। আসলে আমি বরাবর পশুপ্রেমী। ওই অবলা প্রাণীগুলোকে খুন করে তাদের চামড়া দিয়ে জুতো, জ্যাকেট, ব্যাগ বানাতে আমার কোনোদিনই ইচ্ছে করত না। কিন্তু আমি মানুষকে ঘৃণা করতাম। পৃথিবীর প্রতিটি মানুষকে আমি ঘৃণা করতাম, এখনো করি।

    মানে মিসঅ্যানথ্রোপ?

    হুঁ বলতে পারো। মানবজাতির প্রতি আমার কোনো মায়াদয়া নেই। কোনো ভালোবাসা নেই। কোনো প্ৰেম নেই।

    তাহলে যে এত অনাথাশ্রম, বৃদ্ধাবাস?

    হাহাহা শেষে তুমি এমন একটা বোকার মতো প্রশ্ন করে বসলে? অরণ্যকে উত্তর দিলো ক্রেট। ওগুলো সবই আসলে আমার গোডাউনও বলতে পারো বা পোল্ট্রি। যদি রাস্তা থেকে মেটেরিয়াল তুলতে কখনো সমস্যা হতো তখন আমরা আমাদের ওইসব গোডাউন থেকে মাল নিতাম।

    উফ্! আপনি মানুষ নয় ক্রেট। আপনি একটা সাক্ষাৎ শয়তান।

    একদম ঠিক বলেছ তুমি। আমি মানুষ হতেও চাইনি কখনো। আজও আমার কোনো অনুতাপ নেই। আসলে জীবনের প্রতি আমার কোনো ভালোবাসাই নেই।

    বেশ তারপর কী করলেন? জিজ্ঞাসা করল দিয়া।

    তারপর…তারপর ওই চলতে থাকল আর কি। ফ্যাশন দুনিয়ায় আমি হয়ে উঠলাম সম্রাট। আমার তৈরি গার্মেন্টস, ফ্যাশন একসেসরিজ হয়ে উঠল আধুনিক ফ্যাশনের স্টেটমেন্ট। গোটা দুনিয়ার ধনকুবের থেকে সেলিব্রিটিরা আমার ডিজাইনের জিনিস ব্যবহার করা শুরু করল। কিন্তু বারবার আমার কাছে অনুরোধ আসতে থাকল আমি কেন লেদারের জিনিসপত্র করছি না। সত্যি বলতে করার ইচ্ছেও ছিল না।

    আপনি অবিবাহিত, তাই না?

    হ্যাঁ। বিয়ে করার প্রশ্নই নেই। তবে শরীরের চাহিদা তো ছিলই। ইচ্ছে হলে নারীশরীর ভোগ করতাম। অবশ্যই শুধু শরীরটুকুই আমার চাহিদা ছিল। একবার একটি মেয়ে আমার প্রেমে পড়ল। মেয়েটির নাম ছিল স্টেলা। ফ্যাশন মডেল। চমৎকার তামাটে রঙের চামড়া ছিল তার। মসৃণ। একেবারে তোমাদের ইন্ডিয়ানদের মতো টাইপ ফোর স্কিন। আমার ভালো লাগত ওর চামড়া, কিন্তু সে আমাকে ভালোবাসতে শুরু করল। একসঙ্গে থাকার জন্য ঘ্যানঘ্যান শুরু করল। তার সঙ্গে আমি মাঝে মাঝে থাকতাম কয়েকঘণ্টা কিন্তু বিয়ে, প্রেম একসঙ্গে থাকার কথা স্বপ্নেও ভাবিনি। একবার ক্রিসমাসের রাতে স্টেলা সেদিন আমার কাছে ছিল। আমাকে জোর করতে লাগল বিয়ে করার জন্য। আমি ওকে চলে যেতে বলছিলাম, কিন্তু ও ছিল নাছোড়। বলছিল আমাকে না পেলে ও মরে যাবে। ও আমাকে ভালোবাসে ইত্যাদি। হয়তো সত্যিই ভালোবাসত। কিন্তু আমাকে সব সময়ের জন্য পাওয়া অসম্ভব। তাই ওর ইচ্ছেই পূর্ণ করলাম আমি। মেরে ফেললাম। তারপর… তারপর আবার বহুদিন পর বসলাম নিজের ছুরি কাঁচি নিয়ে। ওর লোভনীয় চামড়াটা মাটির নিচে পচে নষ্ট হবে সেটা আমার কাছে খুবই যন্ত্রণাদায়ক হতো, তাই ওর চামড়াটা ছাড়িয়ে নিয়ে বডিটাকে পাঠিয়ে দিলাম মাটির নিচে। আবার বহুকাল পরে নিজের হাতে তৈরি করলাম ডিজাইন। স্টেলা নানারকমের হ্যান্ডব্যাগ ব্যবহার করতে ভালোবাসত, তাই ওর স্মৃতিতেই বানালাম একটি লেডিস ব্যাগ। না একটা নয় দুটো। একটা নিজের কাছে রাখলাম। আরেকটা পাঠালাম আমার ডিস্ট্রিবিউটরের কাছে। তারা ব্যাগের কোয়ালিটি এবং মেটেরিয়াল দেখে অবাক। ছুটে এলো আমার কাছে। তার কাছে আমার গোপন করার কিছু ছিল না। বললাম একটি মৃত মানুষের চামড়া দিয়ে বানিয়েছি। সে আমাকে বলল, এই জিনিস যদি আমি নিয়মিত তাদের সাপ্লাই দিতে পারি তাহলে ইউনিকনেসের দিক থেকে ক্রেট হয়ে উঠবে তামাম ফ্যাশন দুনিয়ার এক নম্বর। আর আমার এটাই ইচ্ছে ছিল। আমি হব ফ্যাশন সাম্রাজ্যের প্রধান সম্রাট। প্রতিমুহূর্তে নতুন নতুন কিছু করার আগ্রহ আমার ভেতরে ছটফট করত। আমি রাজি হয়ে গেলাম। শুরু হয়ে গেল কাজ। কয়েকজন বিশ্বস্ত কর্মচারী নিলাম শুধু এই কাজের জন্য। তারাই বিভিন্ন জায়গা থেকে আমার জন্য এনে দিতে থাকল মেটেরিয়াল। আমি এই আইটেমের জন্য স্পেশাল সব ডিজাইন করতে থাকলাম। প্রথমে ভেবেছিলাম এই জিনিস বিক্রি হবে না। কিন্তু এই দুনিয়ায় সবকিছু কেনারই খরিদদার রয়েছে। বিক্রিও হতে শুরু করল। তবে গোপনে। চাহিদা আরও বাড়তে থাকল। আমি বুঝলাম আমাকে এবার নিজেই ফিল্ডে নামতে হবে। তাই করলাম। আমার ডিস্ট্রিবিউটরও ততদিনে এই জিনিসের স্বাদ পেয়ে গেছে। সে আলাদা ব্যবসা শুরু করল আমি আলাদা। ও একটা ওয়েবসাইটও করেছিল যার মাধ্যমে কাস্টমার ধরত কিন্তু আমি সেটা করিনি। ডাইরেক্ট এজেন্টের মাধ্যমে কেনাবেচা করতাম।

    কারা কিনত এসব?

    যাদের হাতে বিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার রয়েছে এবং প্রকৃত শৌখিন। তা সে হলিউডের মস্ত কোনো স্টার বা আরবের কোনো ধনকুবের। অথবা আমেরিকার কোনো বিজনেস টাইকুন। কিন্তু আমার দেশে এই কাজ করতে বেশ কিছু সমস্যা তৈরি হলো। একে তো জ্যান্ত মানুষ বারবার উধাও করা বেশ কঠিন এবং কবরখানা থেকে সদ্য কবর দেওয়া মৃত শব গায়েব করাও বেশ কঠিন, কারণ আমাদের দেশে আইনশৃঙ্খলা কঠোর, জনসংখ্যা কম। আর তার থেকেও বড়ো কথা হলো কোয়ালিটি। বলে আবার মুচকি হাসলেন ক্রেট। দেখলেন ছেলেমেয়েদুটো হাঁ করে ওর দিকে তাকিয়ে রয়েছে। এই প্রথমবার অনর্গল নিজের জীবনকে কারও কাছে বলছেন তিনি। আরাম লাগছে। মনে হচ্ছে দীর্ঘযুগ ধরে জমে থাকা এক বরফের পাহাড় আছড়ে ভেঙে পড়ছে জলে। হালকা হচ্ছে অন্তর। বোতল থেকে দুটোক জল খেলেন, তারপর আবার বললেন, মানুষের চামড়া আমি যে-কোনো স্কিনস্পেশালিস্টের থেকে ভালো বুঝি। মানুষের সাধারণত চার রকমের চামড়া হয়, এদের মধ্যে বেস্ট হলো টাইপ ফোর মানে যেটা সব থেকে বেশি দেখতে পাওয়া যায় সেন্ট্রাল এবং মধ্য-এশিয়ার দেশগুলোতে। অর্থাৎ ইন্ডিয়া, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ ইত্যাদি দেশে। এই টাইপ ফোর হলো বেস্ট কোয়ালিটির চামড়া।

    কেন? জিজ্ঞাসা করল দিয়া।

    এসব দেশগুলোর মানুষের শরীরে সূর্যের আলো পড়ে বেশি। এবং এদের চামড়া এই আমাদের মতো ইউরোপিয়ানদের চামড়ার মতো বার্ন হয়ে না। ট্যান হয়। ফলে চামড়ার রং বাদামি বা কালচে হলেও গুণগত দিক থেকে তোমাদের চামড়ার কোয়ালিটি আমাদের থেকে অনেক বেশি ভালো।

    যাব্বাবা! এ কী কথা শুনলাম! চিরকাল তো কালো চামড়া বলে আমাদের হেয়ো করে এসেছেন আপনার মতো সাহেবরা। মানুষ বলেই মনে করেননি, আগেও না এখনো অনেকাংশে না।

    হ্যাঁ, রঙের দিক থেকে আমরা উন্নত হলেও গুণের দিক থেকে তোমরাই সেরা। বললেন ক্রেট। আর একেবারে পাকা রং। চট করে নষ্ট হয় না। আমার চোখ পড়ল তখন এই দেশগুলোয়। প্রথমত, তোমাদের চামড়ার কোয়ালিটি; আর দ্বিতীয়ত, তোমাদের মতো দেশগুলোর আর্থসামাজিক অবস্থা। এখানের মেটেরিয়াল পাওয়া সোজা। এত জনসংখ্যা, এত দারিদ্র্য, এত হিসেবের বাইরে মানুষ রয়েছে যে রোজ দু-দশটা মানুষ ফুটপাত থেকে বস্তি থেকে উধাও হয়ে গেলেও কেউ তাদের খোঁজ নেবে না। আর এই ভাবনাটা মাথায় আসার পর আমি আর সময় নষ্ট করিনি। জাস্ট শুরু করে দিলাম আমার প্রোজেক্ট। যে-দেশের যেটা সব থেকে বড়ো সেন্টিমেন্ট সেটাকেই ঢাল বানিয়ে কাজ শুরু হলো। আমাকে সব থেকে বেশি প্রফিট দিত তোমাদের দেশ, ইন্ডিয়া। আমার ডিস্ট্রিবিউটরও প্যারালালি এই কাজে নেমে পড়েছিল। কিন্তু ও কাজ করত ইউরোপিয়ানদের চামড়া দিয়ে। তার কোয়ালিটি খুব ভালো হতো না। তাছাড়া ওই যে বললাম ওইসব দেশে জ্যান্ত মানুষ চুরি করা বেশ কঠিন। গতবছর ও পুলিশের কাছে ধরা পড়ে গেল, ওর সাইটও সিজ করে দিলো পুলিশ। কিন্তু আমার কে আর ব্র্যান্ডকে কেউ আটকাতে পারেনি।

    কে আর?

    ইয়েস এটা আমার এই প্রোডাক্টের কোড। কে আর ফর ক্রেট।

    ওঃ তাইতো। আমরা কে আর মানে ভেবেছিলাম কৃত্তিবাস।

    হাহাহা ভুল ভেবেছিলে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত জিতলে তোমরাই। যাহোক, ইয়ং লেডি, শেষ পর্যন্ত খেলায় যখন তুমিই জিতলে আমার এই সাক্ষাৎকার তোমার জেতার পুরস্কারস্বরূপ তোমাকে দিলাম। তুমি হলে প্রথম এবং শেষ সাংবাদিক যে ক্রেটের সাক্ষাৎকার নিতে পারলে। বলে আবার হাহা করে হেসে উঠল ক্রেট।

    দিয়া আর অরণ্য অবাক হয়ে যাচ্ছিল এই মানুষটার মধ্যে কোনো অনুতাপ নেই, কোনো মৃত্যুভয় নেই।

    এবার তোমরা আসতে পারো। আমি একটু ঘুমোব। বহুদিন আমি ঠিক করে ঘুমোই না। শেষ একবার চেষ্টা করি। বাই দা ওয়ে তোমাদের যেটা অনুরোধ করেছিলাম, আমার চামড়া দিয়ে যদি…

    ভারতবর্ষকে আপনি চেনেননি ক্রেট। এই দেশে সব থেকে নির্দয় নির্মম মানুষটির বিচারও আদালত সম্মানের সঙ্গে করে। আমি জানি না কোন দেশে আপনার বিচার হবে, যদি এই দেশে আপনার বিচার হয় এবং ফাঁসিও হয় তাহলেও আপনার মৃতদেহের প্রতি এতটুকু অসম্মান করা হবে না। আমাদের দেশ ভারতবর্ষ। এ দেশের শত্রুর লাশও সসম্মানে ফেরত পাঠানো হয়। গুডবাই।

    ঘর ছেড়ে বেরিয়ে এলো দিয়া আর অরণ্য। দম যেন আটকেছিল দুজনের। একটা মানুষরূপী জন্তুর কথা শুনতে শুনতে ভেতরটা অস্থির হয়ে উঠছিল।

    পুলিশের সঙ্গে কথা বলে ওরা দুজনে রাস্তায় নামল। আজ ঝলমলে রোদ। চারদিকে দোকানপাটগুলো নানা রঙে সেজে উঠেছে। সাধারণ মানুষ খুশির মেজাজে। ছোটো ছোটো ছেলেমেয়েরা মাথায় লাল রঙের সান্তাটুপি পরে ঘুরছে।

    আজ পঁচিশে ডিসেম্বর জানিস? বলল অরণ্য।

    জানি।

    আজ থেকে দুই হাজার বছর আগে একজন মানুষ পৃথিবীর মানুষের কল্যাণ চেয়ে নিজে ক্রুশবিদ্ধ হয়ে প্রাণ দিয়েছিলেন। আজও গোটা পৃথিবী

    তাকে ভালোবাসে।

    হুঁ। আর কিছু বলল না দিয়া। গাড়িতে উঠে বসল। অরণ্য বসল ওর পাশে। দিয়ার হাতের ওপর নিজের হাত রাখল। নরম স্নিগ্ধ স্পর্শ। গাড়ি ছুটে চলল গন্তব্যের দিকে।

    ***

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনূহর নৌকা – বাণী বসু
    Next Article ডানাওলা মানুষ – বিনোদ ঘোষাল

    Related Articles

    বিনোদ ঘোষাল

    রূপনগরের পিশাচিনী – বিনোদ ঘোষাল

    November 3, 2025
    বিনোদ ঘোষাল

    ডানাওলা মানুষ – বিনোদ ঘোষাল

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }