Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কৃষ্ণগহ্বর, শিশু মহাবিশ্ব ও অন্যান্য রচনা – স্টিফেন হকিং

    স্টিফেন হকিং এক পাতা গল্প213 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০২. অক্সফোর্ড ও কেমব্রিজ

    বাবার খুব ইচ্ছা ছিল আমি অক্সফোর্ড কিংবা কেমব্রিজে পড়ি। তিনি নিজেও অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি কলেজে পড়েছেন। তাই তিনি ভেবেছিলেন আমারও সেখানে ভর্তির চেষ্টা করা উচিত, কারণ, আমার সেখানে ভর্তি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি ছিল। সেই সময় ইউনিভার্সিটি কলেজে গণিতশাস্ত্রের কোন ফেলো (fellow) ছিল না। আমাকে রসায়নশাস্ত্র পড়তে বলার সেটাও একটা কারণ ছিল। গণিতশাস্ত্রে চেষ্টা না করে আমি প্রকৃতি বিজ্ঞানে (Natural science) স্কলারশিপের জন্য চেষ্টা করতে পারতাম।

    পরিবারের আর সবাই একবছরের জন্য ভারতে চলে গেলেন। কিন্তু আমি রয়ে গেলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশিকা পরীক্ষা এবং A লেভেল A level) পরীক্ষার জন্য। আমার হেডমাস্টারমশাইয়ের মতে অক্সফোর্ডে চেষ্টা করার পক্ষে আমার বয়স খুবই কম ছিল। কিন্তু আমি ১৯৫৯ সালের মার্চ মাসে আমাদের স্কুলে আমার উপরের ক্লাসের দুটি ছেলের সঙ্গে স্কলারশিপ পরীক্ষা দিতে গেলাম। আমার বিশ্বাস ছিল আমার পরীক্ষা খুবই খারাপ হয়েছে। প্র্যাকটিকাল পরীক্ষার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচারাররা অন্য সবার সঙ্গে কথা বলতে এলেন কিন্তু আমার সঙ্গে কথা বললেন না। তারপর অক্সফোর্ড থেকে ফেরার কয়দিন পরে টেলিগ্রাম পেলাম আমি একটা স্কলারশিপ পেয়েছি।

    আমার বয়স তখন ১৭ বছর। অন্য সব ছাত্রই সামরিক বাহিনীতে কাজ করার পর ভর্তি হয়েছিল। তারা বয়সে ছিল আমার চাইতে অনেক বড়। আমার সেখানে খুব একা লাগত। শুধুমাত্র তৃতীয় বছরে সেখানে আমার ভাল লেগেছে। তখনকার দিনে অক্সফোর্ডের দৃষ্টিভঙ্গি ছিল অত্যন্ত কর্মবিরোধী। সবাই চাইত, আপনি খুব মেধাবী (brilliant) হবেন কিন্তু খাটবেন না কিংবা আপনি নিজের ক্ষমতার সীমা মেনে নিয়ে একটা চতুর্থ শ্রেণীর ডিগ্রী নিয়ে বেরোবেন। ভাল ডিগ্রীর জন্য কঠিন পরিশ্রম করাকে মনে করা হত রূপালি মানুষের (বৃদ্ধ) লক্ষণ। অক্সফোর্ডের শব্দভাণ্ডারে এটাই ভিল সবচাইতে খারাপ বিশেষণ।

    সেসময় অক্সফোর্ডের পদার্থবিদ্যার পাঠক্রম এমনভাবে সাজানো হয়েছিল যে খাটুনি করা ছিল অত্যন্ত সহজ। উপরে উঠবার আগে আমি একটা পরীক্ষা দিয়েছিলাম। তারপর তিন বছর আমি অক্সফোর্ডে পড়েছি এবং তারপর ফাইনাল পরীক্ষা দিয়েছি। একবার হিসাব করে দেখেছিলাম ওখানে যে তিন বছর ছিলাম সেই তিন বছরে আমি কাজ করেছিলাম প্রায় এক হাজার ঘণ্টা। অর্থাৎ গড়ে দিনে এক ঘণ্টা। এই কর্মহীনতায় আমার কোন গর্ব নেই। আমি শুধুমাত্র তখনকার দৃষ্টিভঙ্গির কথা বলছি। আমার সহপাঠী ছাত্রদের অনেকেরই এই দৃষ্টিভঙ্গি ছিল। এই দৃষ্টিভঙ্গি ছিল সম্পূর্ণ একঘেয়েমির (bore dom) আর খাটুনি করার মতো কোন কিছুরই অস্তিত্ব অস্বীকার করার। আমার অসুস্থতার একটা ফল হয়েছিল এই দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন। আপনি যদি আশু মৃত্যুর মুখোমুখি হন তাহলে উপলব্ধি করবেন বেঁচে থাকার একটা মূল্য আছে এবং আপনার অনেক কিছু করার আকাক্ষা রয়েছে।

    আমার কর্মহীনতার জন্য আমি ঠিক করেছিলাম তাত্ত্বিক পদার্থবিদ্যার সমস্যা নিয়ে কাজ করে ফাইনাল পরীক্ষা দেব এবং যে সমস্ত প্রশ্নে ঘটনাবলি সম্পর্কে জ্ঞান (factu al knowledge) দরকার সে প্রশ্নগুলো এড়িয়ে যাব। পরীক্ষার আগের রাত্রিতে উৎকণ্ঠার জন্য আমি ভাল ঘুমোতে পারিনি। সেজন্য আমি খুব ভাল করিনি। আমি ছিলাম প্রথম শ্রেণীর ডিগ্রী এবং দ্বিতীয় শ্রেণীর ডিগ্রীর মাঝামাঝি এবং পরীক্ষকদের আমি কোন শ্রেণী পাব সেটা ঠিক করার জন্য আমাকে ইন্টারভিউ (interview) করতে হয়েছিল। পরীক্ষার সময় ওঁরা আমাকে আমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে সব জিজ্ঞাসা করলেন। ওঁরা আমাকে প্রথম শ্রেণীর ডিগ্রীই দিয়েছিলেন।

    মনে হয়েছিল তাত্ত্বিক পদার্থবিদ্যায় আমার গবেষণা করার মতো দুটি মূলগত বিষয় আছে। একটা হল মহাবিশ্ব তত্ত্ব (cosmology) অর্থাৎ অতি বৃহৎ নিয়ে গবেষণা আর একটা ছিল মৌলকণা (elementary particles) অর্থাৎ অতি ক্ষুদ্র নিয়ে গবেষণা। আমি ভাবলাম মৌলকণাগুলোর আকর্ষণ কম। কারণ যদিও নতুন নতুন অনেক মৌলকণা আবিষ্কৃত হচ্ছে তবুও উপযুক্ত কোন তত্ত্ব সে সময় ছিল না। বৈজ্ঞানিকরা শুধুমাত্র কণাগুলোকে বিভিন্ন গোষ্ঠীতে সাজাতে পারতেন, যেমন করা হয় উদ্ভিদবিদ্যায় (botany)। অন্যদিকে মহাবিশ্ব তত্ত্বে ছিল একটা সুসংজ্ঞিত তত্ত্ব আইনস্টাইনের ব্যাপক অপেক্ষবাদ।

    অক্সফোর্ডে তখন মহাবিশ্ব তত্ত্ব নিয়ে কেউ গবেষণা করতেন না। কিন্তু কেমব্রিজে ফ্রেড হয়েল (Fred Hoyle) ছিলেন। তিনি ছিলেন তখনকার দিনে ব্রিটেনের সবচাইতে বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী। সুতরাং আমি ফ্রেড হয়েলের কাছে গবেষণার জন্য দরখাস্ত করলাম। কেব্রিজে আমার দরখাস্ত মঞ্জুর হল কিন্তু শর্ত ছিল আমাকে প্রথম শ্রেণী পেতে হবে। কিন্তু যখন দেখলাম ডেনিস কিয়ামা (Denis Sciama) নামে এক ভদ্রলোকের কাছে আমাকে গবেষণা করতে হবে, তিনি হয়েল নন, আমি বিরক্ত হয়েছিলাম। ডেনিস স্কিয়ামা-র কথা আমি তখনও শুনিনি। শেষ পর্যন্ত কিন্তু এটাই সবচাইতে ভাল হয়ে দাঁড়াল। হয়েল খুব বেশি বাইরে থাকতেন এবং তাঁর কাছ থেকে খুব বেশি সময় পাওয়া যেত না। অন্য দিকে কিয়ামা সেখানেই থাকতেন, সমসময় উদ্দীপনা দান করতেন। অবশ্য আমি তার চিন্তাধারার সঙ্গে সবসময় একমত হইনি।

    স্কুলে কিংবা অক্সফোর্ডে গণিতের চর্চা খুব বেশি করিনি। সেজন্য প্রথমে ব্যাপক অপেক্ষবাদ খুবই কঠিন মনে হত এবং আমি খুব এগোতে পারিনি। তাছাড়া অক্সফোর্ডের শেষ বছরে আমি লক্ষ্য করলাম আমার চলাফেরা কিরকম জবড়জং হয়ে পড়ছে। কেমব্রিজ পৌঁছানোর কিছুদিন পর আমার রোগ নির্ণয় করা হল। ইংল্যান্ডে আমার রোগটার নাম এ. এল. এস. (Amyotrophic Lateral Sclerosis ALS) কিংবা মোটর নিউরন ডিজিজ (Motor Neurone Disease), আমেরিকান যুক্তরাষ্ট্রে একে লু গেরিগের ব্যাধি (Lou Gehrig’s Disease) ও বলে। ডাক্তাররা এ রোগের নিরাময়ের কোন উপায় বাতলাতে পারেননি, এমনকি এ রোগ যে আর খারাপ হবে না এ সম্পর্কেও কোন নিশ্চয়তা দিতে পারেননি।

    অসুখটা প্রথমে খুব তাড়াতাড়ি বাড়ছে বলে মনে হয়েছিল। গবেষণার জন্য খুব পরিশ্রম করে কোন লাভ আছে বলে মনে হয়নি। তার কারণ পি. এইচ. ডি. করার মতো অতদিন বাঁচবে আশা করিনি। কিন্তু সময় যত যেতে লাগল রোগও তত ধীরগতি হতে লাগল। আমি ব্যাপক অপেক্ষবাদও বুঝতে শুরু করলাম আর আমার কাজও এগোতে লাগল। কিন্তু পার্থক্যের আসল কারণ ছিল জেন ওয়াইল্ড Jane Wilde) নামে একটি মেয়ের সঙ্গে আমার বিয়ে ঠিক হওয়া। যখন আমার এ. এল. এস. রোগ হয়েছে বলে জানা যায় মেয়েটির সঙ্গে আমার পরিচয়ও হয় প্রায় সেই সময়। বিবাহ স্থির হওয়ার ফলে আমি বাঁচার একটা উদ্দেশ্য খুঁজে পেলাম।

    বিয়ে করতে হলে একটা চাকরি দরকার আর চাকরি পেতে হলে পি. এইচ. ডি. টা শেষ করা দরকার। সুতরাং জীবনে এই প্রথম আমি কাজ শুরু করলাম। অবাক হয়ে আমি দেখলাম কাজটা আমার ভাল লাগে। একে কাজ করা বলা বোধ হয় ঠিক নয়। একজন বলেছিলেন : বৈজ্ঞানিক আর বারাঙ্গনারা যে কাজ করে আনন্দ পায়, সেই কাজের জন্য তারা পয়সা পায়।

    আমি গনভিল (Gonville) এবং কীজ (Caius) কলেজে রিসার্চ ফেলো হওয়ার জন্য দরখাস্ত করেছিলাম। আমার আশা ছিল দরখাস্তটা টাইপ করবে জেন। কিন্তু সে যখন আমার সঙ্গে দেখা করতে এল তখন তার হাতটা ভাঙা আর প্লাস্টার করা। আমার মানতেই হবে যতটা সহানুভূতি থাকা উচিত ছিল ততটা সহানুভূতি আমার ছিল না। ওর বাঁ হাতটা ভেঙেছিল সুতরাং ও ডানহাতে আমার কথামত দরখাস্ত লিখতে পেরেছিল। টাইপ করে দিয়েছিলেন অন্য একজন।

    আমার দরখাস্তে এমন দুজনের নাম দেওয়ার দরকার ছিল যারা আমার গবেষণা সম্পর্কে বলতে পারেন। গবেষণায় আমার অবেক্ষণকারী (supervisor) বলেছিলেন হারম্যান বন্ডি (Hermann Bondi)-কে অনুরোধ করতে এমন একজন হওয়ার জন্য। বন্ডি তখন লন্ডনে কিংস কলেজের গণিতের অধ্যাপক এবং ব্যাপক অপেক্ষবাদে একজন বিশেষজ্ঞ। ওঁর সঙ্গে আমার বার দুয়েক দেখা হেয়েছিল। প্রসিডিংস অফ দ্য রয়্যাল সোসাইটি (Proceedings of Royal Society) নামক একটি পত্রিকায় আমার লেখা একটা প্রবন্ধ তিনি জমা দিয়েছিলেন। কেমব্রিজে উনি একটা বক্তৃতা দেওয়ার পর আমি ওঁকে অনুরোধ করলাম। উনি আমার দিকে একটা অনিশ্চিত দৃষ্টিতে তাকিয়ে বললেন–হ্যাঁ, উনি রাজি। স্পষ্টতই ওঁর আমাকে মনে ছিল না, কারণ কলেজ থেকে যখন ওঁকে আসার সম্পর্কে জানবার জন্য চিঠি পাঠাল তখন উনি উত্তর দিলেন –আমার সম্পর্কে উনি কিছু শোনেনওনি। আজকাল আবার কলেজে এত লোক রিসার্চ ফেলোশিপ এর জন্য দরখাস্ত করে যে, কোন রেফারী যদি বলেন যে তিনি প্রার্থীকে চেনেন না, তাহলে তার আর কোন আশা থাকে না। কিন্তু তখন দিনকাল ভাল ছিল, কলেজ চিঠি লিখে আমাকে এই রকম উত্তরের কথা জানিয়ে দিয়েছিল। আমার অবেক্ষণকারী (supervisor) বডিকে ধরে তাঁর স্মৃতিটা ঝালিয়ে দিয়েছিলেন। বডি তারপর আমার সম্পর্কে এমন ভাল লিখলেন, যার হয়ত আমি উপযুক্তই নই। আমি ফেলোশিপটা পেয়ে গেলাম। তারপর থেকে আজ অবধি আমি কীজ কলেজের ফেলোই রয়ে গেছি।

    ফেলোশিপের অর্থ হল –আমি তখন বিয়ে করতে পারি। ১৯৬৫ সালের জুলাই মাসে আমরা বিয়ে করি। আমরা সাফোল্ক (Suffolk) এ হানিমুন করি এক সপ্তাহের জন্য। আমার আর্থিক অবস্থা তখন ওর চাইতে ভাল ছিল না। তারপর আমরা নিউ ইয়র্কের ভিতর দিকে কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাপক অপেক্ষবাদের উপর একটা সামার স্কুলে (Summer school) যোগদান করি। ব্যাপারটা ঠিক হয়নি। আমাদের থাকতে দেওয়া হয়েছিল বহু লোকের সঙ্গে একটা বড় হল ঘরে। সেখানে অনেক জোড়া স্বামী স্ত্রী ছিল, তাদের ছিল অনেক বাচ্চা। তারা বেজায় গোলমাল করত। ফলে আমাদের বিয়ের উপর বেশ চাপ পড়েছিল। অন্যদিক থেকে এই সামার স্কুলটা খুবই কাজে লেগেছে। ওখানে আমাদের কর্মক্ষেত্রের অনেক নেতৃস্থানীয় সহকর্মীর সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল।

    ১৯৭০ সাল পর্যন্ত আমার গবেষণা ছিল মহাবিশ্ব (cosmology) নিয়ে অর্থাৎ বৃহৎ মানে মহাবিশ্ব নিয়ে। এই সময় আমার সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা ছিল অনন্যতা (singularities) নিয়ে। দূরতর নীহারিকাগুলো নির্দেশ করে–তারা আমাদের কাছ থেকে দূরে অপসরণ করছে : মহাবিশ্বের বিস্তার বেড়ে চলেছে। এর নিহিতার্থ হল অতীতে এই নীহারিকাগুলো নিকটতর ছিল। তারপরে প্রশ্ন ওঠে : এমনকি কোন সময় ছিল যখন নীহারিকাগুলো পরস্পরের উপর চাপানো ছিল এবং মহাবিশ্বের ঘনত্ব ছিল অসীম? নাকি অতীতে আর একটি সঙ্কোচন দশা contracting phase) ছিল যখন নীহারিকারা পরস্পরকে আঘাত করা এড়াতে পেরেছিল? তখন তারা পরস্পরকে পাশ কাটিয়ে আবার পরস্পর থেকে দূরে অপসরণ শুরু করেছিল। এই প্রশ্নের উত্তর দিতে হলে নতুন গাণিতিক সাধনীর প্রয়োজন ছিল। এগুলো বিকাশ লাভ করে ১৯৬৫ থেকে ১৯৭০ সালের ভিতরে। এ কাজ করেছিলাম প্রধানত আমি আর রজার পেনরোজ। পেনরোজ তখন ছিলেন লন্ডনের বার্কবেক (Birkbeck) কলেজে, এখন তিনি আছেন অক্সফোর্ডে। ব্যাপক অপেক্ষবাদ সত্য হলে অতীতে নিশ্চয়ই একটা অসীম ঘনত্বের অবস্থা ছিল : এ তত্ত্ব প্রমাণ করার জন্য ঐ গাণিতিক প্রযুক্তি ব্যবহার করেছিলাম।

    অসীম ঘনত্বের অবস্থাকে বলা হয় বৃহৎ বিস্ফোরণ অনন্যতা। এর অর্থ হল :ব্যাপক অপেক্ষবাদ যদি নির্ভুল হয় তাহলে মহাবিশ্ব কি করে শুরু হল বিজ্ঞান সে বিষয়ে কিছু বলতে পারবে না। কিন্তু আমার আরও আধুনিক গবেষণা নির্দেশ করে কণাবাদী বলবিদ্যা তত্ত্ব অর্থাৎ অতি ক্ষুদ্র তত্ত্বের সাহায্য গ্রহণ করলে মহাবিশ্বের আরম্ভ সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী করা সম্ভব।

    ব্যাপক অপেক্ষবাদের আর একটি ভবিষ্যদ্বাণী হল : পারমাণবিক জ্বালানি ফুরিয়ে গেলে বৃহৎ ভরসম্পন্ন তারকাগুলো নিজেদের উপর চুপসে যাবে। আমার এবং পেনরোজের গবেষণায় দেখা যায় যতক্ষণ পর্যন্ত তারা অসীম ঘনত্বের অনন্যতায় না পৌঁছাবে ততক্ষণ তারা চুপসে যেতেই থাকবে। এই অনন্যতা হবে কালের সমাপ্তি, অন্ততপক্ষে ঐ তারকা এবং তার উপরে অবস্থিত যে কোন বস্তুসাপেক্ষ। অনন্যতার মহাকর্ষীয় ক্ষেত্র এত শক্তিশালী হবে যে আলোক তার নিকটবর্তী অঞ্চল থেকে বেরোতে পারবে না, বরং সেই আলোককে মহাকর্ষীয় ক্ষেত্র পিছনে টেনে রাখবে। যে অঞ্চল থেকে নিষ্ক্রমণ সম্ভব নয় তার নাম কৃষ্ণগহ্বর (black holes) এবং তার সীমানাকে বলা হয় ঘটনা দিগন্ত (event horizon)। যে কোন বস্তু কিংবা ব্যক্তি ঘটনা দিগন্ত দিয়ে এই কৃষ্ণগহ্বরে পড়লে অনন্যতায় এসে সে কালের সমাপ্তিতে পৌঁছাবে।

    ১৯৭০ সালে আমার মেয়ে লুসির জন্মের কয়েকদিন পর এক রাত্রে বিছানায় শুতে যাওয়ার সময় কৃষ্ণগহ্বরের কথা ভাবছিলাম। তখন আমি বুঝতে পারলাম আমি আর পেনরোজ অনন্যতা প্রমাণ করার জন্য যে প্রযুক্তি আবিষ্কার করেছি সেগুলো কৃষ্ণগহ্বরের ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা যায়। বিশেষ করে ঘটনা দিগন্তের এলাকা অর্থাৎ কৃষ্ণগহ্বরের সীমানা কালে কালে হ্রাস পেতে পারে না এবং দুটি কৃষ্ণগহ্বরের সংঘর্ষের পর তারা সংযুক্ত হয়ে যদি একটি কৃষ্ণগহ্বর গঠন করে তাহলে অন্তিম গহ্বরের দিগন্ত প্রাথমিক কৃষ্ণগহ্বরগুলোর দিগন্তের এলাকার (area) চাইতে বেশি হবে। সংঘর্ষে কতটা শক্তি বিচ্ছুরিত হবে তার একটা গুরুত্বপূর্ণ সীমা এর ফলে তৈরি হল। আমি এতই উত্তেজিত হয়েছিলাম যে, সে রাত্রে বিশেষ ঘুমোতে পারিনি।

    ১৯৭০ থেকে ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত আমি কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে গবেষণা করেছি। কিন্তু ১৯৭৪ সালে বোধ হয় সবচাইতে আশ্চর্যজনক আবিষ্কার করেছিলাম। কৃষ্ণগহ্বর সম্পূর্ণ কৃষ্ণ নয় ক্ষুদ্র মানে পদার্থের আচরণ বিচার করলে দেখা যায় কৃষ্ণগহ্বর থেকে কণিকা এবং বিকিরণ বের হতে পারে। কৃষ্ণগহ্বর তপ্ত বস্তুপিণ্ডের মতো বিকিরণ উৎসর্জন emit) করতে পারে।

    ১৯৭৪ সাল থেকে অপেক্ষবাদ এবং কণাবাদী বলবিদ্যার সমন্বয় করে একটি সঙ্গতিপূর্ণ তত্ত্ব করার চেষ্টা করছি। সান্টা বারবারাতে (Santa Barbara) আমি ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জিম হার্টল (Jim Hartle) এর কাছে যে প্রস্তাব উত্থাপন করেছিলাম সেই প্রস্তাবের ফুল। প্রস্তাবটা হল, কাল এবং স্থান দুটিই সীমিত। কিন্তু এদের কোন সীমানা কিংবা কিনারা নেই। তারা হবে অনেকটা পৃথিবীর পৃষ্ঠের এলাকা সীমিত। কিন্তু তার কোন সীমানা নেই। আমার সমস্ত ভ্রমণেও কখনও আমি পৃথিবীর কিনারা থেকে পড়ে যেতে পারিনি। এ প্রস্তাব যদি সত্য হয় তাহলে কোন অনন্যতা থাকবে না। এবং বিজ্ঞানের বিধিগুলো সর্বত্রই প্রযোজ্য হবে, এমনকি, মহাবিশ্বের শুরুতেও। মহাবিশ্ব কি করে শুরু হবে সেটাও স্থির করবে বিজ্ঞানের বিধি। আমার উচ্চাকাঙ্ক্ষা, মহাবিশ্ব কি করে শুরু হল সেটা আবিষ্কার করা। হয়ত সে প্রচেষ্টায় । আমি সাফল্য লাভ করতাম কিন্তু আমি এখনও জানি না কেন পৃথিবী শুরু হল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – স্টিফেন হকিং
    Next Article কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    স্টিফেন হকিং

    কালের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – স্টিফেন হকিং

    December 8, 2025
    স্টিফেন হকিং

    ব্ল্যাকহোল – স্টিফেন হকিং

    December 8, 2025
    স্টিফেন হকিং

    মাই ব্রিফ হিস্ট্রি (আত্মস্মৃতি) – স্টিফেন হকিং

    December 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }