Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কৃষ্ণগহ্বর, শিশু মহাবিশ্ব ও অন্যান্য রচনা – স্টিফেন হকিং

    স্টিফেন হকিং এক পাতা গল্প213 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৬. আমার অবস্থান

    ০৬. আমার অবস্থান*

    [*১৯৯২ সালের মে মাসে কীজ কলেজের (Caius College) শ্রোতাদের কাছে এই বক্তৃতাটি দেওয়া হয়েছিল।]

    এই প্রবন্ধটি আমি ঈশ্বরে বিশ্বাস করি কি না সে বিষয়ে নয়। তার বদলে আমি আলোচনা। করব মহাবিশ্বকে কি করে বোঝা যায়। সে বিষয়ে আমার অগ্রসর হওয়ার পদ্ধতি : মহান ঐক্যবদ্ধ তত্ত্বের (grand unified theory) অর্থই বা কি, অবস্থানই বা কোথায়? মহান ঐক্যবদ্ধ তত্ত্বকে বলা যায় সর্ববিষয়ব্যাপী একটা তত্ত্ব। এক্ষেত্রে একটা সত্যিকারের সমস্যা রয়েছে। এই জাতীয় প্রশ্ন নিয়ে গবেষণা এবং তর্ক করা উচিত দার্শনিকদের। কিন্তু তাদের অধিকাংশেরই তাত্ত্বিক পদার্থবিদ্যার আধুনিক বিকাশ সম্পর্কে অবহিত থাকার মতো যথেষ্ট গাণিতিক যোগ্যতা নেই। একটা উপজাতি আছে তার নাম বিজ্ঞানের দার্শনিক। তাঁদের শিক্ষার মান আর একটু ভাল হওয়া উচিত। কিন্তু তাঁদের ভিতরে অনেকেই বিফলকাম পদার্থবিদ। তারা দেখলেন নতুন তত্ত্ব আবিষ্কার করা তাঁদের পক্ষে অসম্ভব। তার বদলে তারা পদার্থবিদ্যা আর দর্শন নিয়ে লেখা শুরু করলেন। অপেক্ষাবাদ এবং কণাবাদী বলবিদ্যার মতো এ শতাব্দীর প্রথম দিকে আবিষ্কৃত বৈজ্ঞানিক তত্ত্বগুলো নিয়ে তারা এখনও তর্ক করে চলেছেন। পদার্থবিদ্যার বর্তমান সীমান্তের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ নেই।

    হয়ত দার্শনিকদের সম্পর্কে আমি একটু রূঢ়। কিন্তু তারাও আমার সঙ্গে খুব সহৃদয় ব্যবহার করেননি। আমার পদ্ধতিকে বলা হয়েছে অতি সরল (naive) এবং স্বল্পবুদ্ধিমনের প্রকাশ। আমার নানা বিশেষণ দেওয়া হয়েছে–সংজ্ঞাবাদী (nominal ist), যন্ত্রবাদী (instrumentalist), দৃষ্টবাদী (positivist), বাস্তববাদী (realist) এবং নানারকমবাদী। পদ্ধতিটা হল, কলঙ্ক আরোপ করে একটা মতকে খণ্ডক করা। যদি আমার মতবাদের উপরে একট মার্কা (Label) লাগিয়ে দিতে পারেন তাহলে ভুলটা কোথায় সেটা আর বলার প্রয়োজন হয় না। ঐ সমস্ত মতবাদের মারাত্মক ভুলগুলো নিশ্চিতভাবে সবারই জানা।

    তাত্ত্বিক পদার্থবিদ্যায় যারা সত্যিকারের প্রগতিসাধন করেন, পরবর্তীকালে বিজ্ঞানের দার্শনিক এবং ঐতিহাসিকরা তাদের যে শ্রেণীতে ফেলেন, ঐ আবিষ্কারই বৈজ্ঞানিকরা কিন্তু সে সব শ্রেণীর কথা ভাবেন না। আমি নিশ্চিত আইনস্টাইন, হাইসেনবার্গ এবং ডিরাক এঁরা কখনোই নিজেরা বস্তুবাদী কিংবা যন্ত্রবাদী, তা নিয়ে মাথা ঘামাননি। তাঁদের চিন্তার বিষয় ছিল–তখনকার তত্ত্বগুলো পরস্পরের সঙ্গে খাপ খাচ্ছিল না। তাত্ত্বিক পদার্থবিদ্যায় অগ্রগতির ক্ষেত্রে যৌক্তিক সঙ্গতির অনুসন্ধান সবসময়ই পরীক্ষামূলক ফলের চাইতে বেশি গুরুত্ব লাভ করেছে। পর্যবেক্ষণ ফলের সঙ্গে অমিল হওয়ার জন্য অন্য দিক থেকে অতি সুন্দর, অতি চমৎকার অনেক তত্ত্ব পরিত্যক্ত হয়েছে কিন্তু শুধুমাত্র পরীক্ষালব্ধ ফলের ভিত্তিতে কোন গুরুত্বপূর্ণ তত্ত্ব প্রস্তাবিত হয়েছে এরকম কোন ঘটনা আমি জানি না। সবসময়ই তত্ত্বই এসেছে প্রথম। সে তত্ত্বের প্রস্তাবনার অর্থ ছিল সুন্দর এবং সঙ্গতিপূর্ণ একটা প্রতিরূপ তৈরি করা। তত্ত্ব তারপর ভবিষ্যদ্বাণী করে। পর্যবেক্ষণের সাহায্যে সে ভবিষ্যদ্বাণীর সত্যতা পরীক্ষা করা যায়। পর্যবেক্ষণফলের সঙ্গে যদি ভবিষ্যদ্বাণীর ঐক্য হয় তাহলেও তত্ত্বটা প্রমাণিত হয় না। কিন্তু তত্ত্বটি আরও ভবিষ্যদ্বাণী করার জন্য বেঁচে থাকে। সে ভবিষ্যদ্বাণীগুলোও যাচাই করা হয় পর্যবেক্ষণ ফলের নিরিখে। পর্যবেক্ষণ ফল যদি ভবিষ্যদ্বাণীর সঙ্গে না মেলে তাহলে তত্ত্বটা পরিত্যাগ করা হয়।

    কিংবা বলা যায় ঐ রকমই হওয়ার কথা। যে তত্ত্বের পিছনে অনেক সময় এবং শ্রম ব্যয় করা হয়েছে, কার্যক্ষেত্রে মানুষ সে তত্ত্ব পরিত্যাগ করতে চায় না। পর্যবেক্ষণফলের নির্ভুলতা নিয়ে প্রশ্ন করে তারা শুরু করে। তাতে না হলে তারা তত্ত্বের একটা সাময়িক পরিবর্তন করতে চেষ্টা করে। শেষ পর্যন্ত তত্ত্বটা হয়ে দাঁড়ায় একটা বিশ্রী নড়বড়ে প্রাসাদ। তারপর কেউ একটা নতুন তত্ত্ব প্রস্তাব করেন। সে তত্ত্বে পর্যবেক্ষণ ফলের গোলমেলে ব্যাপারগুলো সুন্দর এবং স্বাভাবিকভাবে ব্যাখ্যা করা হয়। এর একটা উদাহরণ ১৮৮৭ সালের মিচেলসন-মালিং (Michelson-Morley) পরীক্ষা। এই পরীক্ষায় দেখা গেল আলোর উৎস কিংবা পর্যবেক্ষক যেভাবেই চলমান হোক না কেন আলোর দ্রুতি সবসময় একই থাকে। ব্যাপারটা হাস্যকর মনে হয়েছিল। কেউ যদি আলোকের উৎসের অভিমুখে গমন করতে থাকে তাহলে আলো যেদিকে চলমান সেদিকে যে চলছে তার তুলনায় প্রথম লোকটির মনে হবে আলোর দ্রুতি বেশি। কিন্তু পরীক্ষায় দেখা গেল দুজন পর্যবেক্ষকই মাপনে দেখবেন আলোর গতি নির্ভুলভাবে অভিন্ন। তার পরের আঠারো বছর হেনরিক লোরেঞ্জ (Hendric Lorentz) এবং জর্জ ফিটজারাল্ড (George Fitzgerald) স্থান এবং কাল সম্পর্কে সবার গৃহীত ধারণার ভিত্তিতে পরীক্ষা ফলকে মানিয়ে নিতে চেষ্টা করেছেন। তারা কতগুলো তদর্থক (adhoc) স্বীকৃতি উপস্থিত করলেন। যেমন, তাঁরা প্রস্তাব করলেন বস্তুপিণ্ডগুলো যখন অধিক দ্রুতিতে চলমান হয় তখন তাদের দৈর্ঘ্য হ্রস্বতর হয়ে যায়–এই প্রস্তাব। পদার্থবিদ্যার কাঠামোটাই কুশ্রী এবং গোলমেলে হয়ে দাঁড়াল। তারপর আইনস্টাইন উপস্থিত করলেন অনেক বেশি আকর্ষণীয় একটি দৃষ্টিভঙ্গি। এতে বলা হল কাল সম্পূর্ণ স্বনির্ভর এবং বিচ্ছিন্ন নয়, তার বদলে তিনি স্থানের সমন্বয়কারী একটা চারমাত্রিক বস্তু তৈরি করেন, তার নাম দিলেন স্থান-কাল। আইনস্টাইন তত্ত্বের দুটি অংশের সঙ্গতিপূর্ণ সমন্বয়ে যতটা উৎসাহী ছিলেন, পরীক্ষার ফলগুলো তাঁকে এই চিন্তাধারার ব্যাপারে ততটা উৎসাহিত করেনি। দুটি অংশের একটা হল যে বিধিগুলো বৈদ্যুতিক এবং চুম্বকক্ষেত্রগুলো শাসন করে এবং আরেকটা হল যে বিধিগুলো বিভিন্ন বস্তুগুলোর গতি শাসন করে।

    আমার মনে হয় না, ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন কিংবা আর কেউ অপেক্ষবাদ অতটা সরল এবং সুন্দর–সেটা বুঝতে পেরেছিলেন। এই তত্ত্ব স্থান-কাল সম্পর্কে আমাদের চিন্তাধারায় সম্পূর্ণ একটা বিপ্লব এনে দেয়। বিজ্ঞানের দর্শনে বাস্তববাদী হওয়া কতটা কঠিন, অপেক্ষবাদ আবিষ্কার তার একটা উদাহরণ। কারণ আমরা যাকে বাস্তব বলি সেটা নির্ভর করে কোন্ তত্ত্ব আমরা সমর্থন করি তার উপর।

    আমি নিশ্চিত যে, লোরেঞ্জ আর ফিটজারাল্ড নিজেদের বাস্তববাদী মনে করতেন। তারা আলোকের দ্রুতি সম্পৰ্কীয় বৈজ্ঞানিক পরীক্ষাকে নিউটনের পরম (absolute) কাল এবং পরম স্থানের বাগ্বিধিতে ব্যাখ্যা করেছেন। মনে হয়েছিল স্থান এবং কাল সম্পর্কে এই ধারণাগুলো সাধারণ বুদ্ধি এবং বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খায়। তবুও আজকাল যারা অপেক্ষবাদে বিশ্বাস করেন (যদিও তারা জনতার অতি ক্ষুদ্র এবং সংখ্যালঘু অংশ হওয়ার ফলে আমি উদ্বিগ্ন হই) তাদের দৃষ্টিভঙ্গি অন্যরকম। স্থান এবং কাল সম্পর্কেও মূলগত ধারণা সম্বন্ধে আধুনিক বোধ আমাদের জনসাধারণকে জানানো উচিত।

    আমরা যাকে বাস্তব বলি সেটা নির্ভর করে আমরা যাকে তত্ত্ব বলি তার উপরে, তাহলে আমরা বাস্তবতাকে কি করে দর্শনের ভিত্তি করব? আমি বলব সামনে একটা মহাবিশ্ব রয়েছে এবং সেটা অপেক্ষা করছে তার সম্পর্কে অনুসন্ধান করার জন্য এবং তাকে বোঝার জন্য এই অর্থে আমি একজন বাস্তববাদী। আত্মজ্ঞানবাদীদের (Solipsist) মত সব বস্তুই আমাদের কল্পনার সৃষ্টি। আমার ধারণা এরকম কল্পনে শুধুমাত্র সময় নষ্ট করাই হয়। এই ভিত্তিতে কেউই কাজ করে না। মহাবিশ্বের বাস্তবতা কি, তত্ত্ব ছাড়া সেটা আমরা বুঝতে পারি না। সেজন্য আমার মত–পদার্থবিদ্যার তত্ত্ব পর্যবেক্ষণফলের বর্ণনা দেওয়ার জন্য একটা গাণিতিক প্রতিরূপ মাত্র। অনেকে এজন্য আমাকে স্বল্পবুদ্ধি কিংবা অর্বাচীন বলেন। একটা তত্ত্ব যদি গঠনে সুন্দর হয়, যদি বহু পর্যবেক্ষণ ফল ব্যাখ্যা করতে পারে এবং নতুন নতুন পর্যবেক্ষণ ফল সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারে তাহলে আমরা বলি তত্ত্বটা উত্তম। এর বাইরে তত্ত্বটা বাস্তবানুগ কিনা সে প্রশ্ন করার অর্থ হয় না। তার কারণ তত্ত্বনিরপেক্ষ বাস্তবতা কি আমরা জানি না। বৈজ্ঞানিক তত্ত্বসম্পর্কীয় এই দৃষ্টিভঙ্গির ফলে আমাকে যন্ত্রবাদী কিংবা দৃষ্টবাদী (positivist) বলা হতে পারে, এ কথা আমি আগে বলেছি। আমাকে দুরকমই বলা হয়েছে। যিনি আমাকে দৃষ্টবাদী বলেছিলেন, তিনি তার সঙ্গে এ কথাও যোগ করেছিলেন যে, দুষ্ট আজকাল অচল, এ কথা সবার জানা। কলঙ্ক আরোপ করে যুক্তি খণ্ডন করার এটা আরেকটা উদাহরণ। ব্যাপারটা সেকেলে হতে পারে, কারণ এটা ছিল অতীতের বৌদ্ধিক খেয়াল। কিন্তু যারা মহাবিশ্বের বিবরণ দান করার জন্য নতুন পদ্ধতি খুঁজছেন তাদের পক্ষে আমি দৃষ্টবাদের যে বিবরণ দিয়েছি সেটা গ্রহণ করা ছাড়া গত্যন্তর নেই। বাস্তবতার নামে আপিল করে কোন লাভ নেই, কারণ বাস্তবতা সম্পর্কে আমাদের কোন অন্য নিরপেক্ষ প্রতিরূপ নেই।

    আমার মতে একটা অন্য নিরপেক্ষ বাস্তবতা সম্পর্কে অব্যক্ত বিশ্বাসই বিজ্ঞানের দর্শনের পক্ষে কণাবাদী বলবিদ্যা এবং অনিশ্চয়তাবাদ নিয়ে অসুবিধার কারণ। শ্রয়েডিংগার এর বেড়াল নামে একটা বিখ্যাত বৈজ্ঞানিক চিন্তন পরীক্ষার গল্প রয়েছে। একটা বন্ধ বাক্সে একটা বেড়ালকে পুরে দেওয়া হল। বেড়ালটার দিকে একটা বন্দুক তাক করে আছে। যদি কোন তেজস্ক্রিয় কেন্দ্ৰক (radio active nucleus) ক্ষয়প্রাপ্ত হয় (decays) তাহলে বন্দুকটা থেকে গুলি বেরোবে। এরকম হওয়ার সম্ভাবনা শতকরা পঞ্চাশ ভাগ। (আজকালকার দিনে এরকম প্রস্তাব করতে কেউ সাহস করবেন না। এমন কি শুদ্ধ-চিন্তন-পরীক্ষার উপরও নয়। কিন্তু শ্রয়েডিংগারের সময় জন্তুদের মুক্তির কথা কেউ শোনেননি।)

    বাক্সটা কেউ খুললে বেড়ালটাকে হয় জীবিত নয় মৃত দখবেন। কিন্তু এ বাক্সটি খুলবার আগে বেড়ালটার কণাবাদী অবস্থান হতে মৃত বেড়ালের অবস্থা এবং জীবিত বেড়ালের অবস্থার একটা মিশ্রণ। অনেক বিজ্ঞানের দার্শনিকের এ ব্যাপারটা মেনে নেওয়া কষ্ট। তাদের বক্তব্য বেড়ালটা অর্ধেক গুলি খাওয়া এবং অর্ধেক গুলি না খাওয়া হতে পারে না। ঠিক যেমন একজন মহিলা অর্ধেক গর্ভবতী হতে পারেন না। তাঁদের অসুবিধা হল বাস্তবতা সম্পর্কে তাদের ধারণার ভিতরে নিহিত রয়েছে চিরায়ত চিন্তাধারা। সেই চিন্তনে একটা বস্তুপিণ্ডের একটাই নির্দিষ্ট নিশ্চিত ইতিহাস রয়েছে। কণাবাদী বলবিদ্যার মূল বক্তব্যই হল বাস্তবতা সম্পর্কে তার দৃষ্টি অন্যরকম। এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুসারে একটা বস্তুপিণ্ডের একটামাত্র ইতিহাসই নেই, আছে সম্ভাব্য সর্বপ্রকার ইতিহাস। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বিশেষ একটামাত্র ইতিহাস থাকার সম্ভাবনা এবং সামান্য পৃথক কোন ইতিহাস থাকার সম্ভাবনা পরস্পরকে বাতিল করে দেবে। কিন্তু কোন কোন ক্ষেত্রে প্রতিবেশী ইতিহাস থাকার সম্ভাবনা পরস্পরের শক্তি বৃদ্ধি করে। একটা বস্তুপিণ্ডের ইতিহাসে আমরা পর্যবেক্ষণ করি শক্তি বৃদ্ধি করা হয়েছে (reinforced) এরকম আরেকটা ইতিহাস।

    শ্রয়েডিংগারের বেড়ালের ক্ষেত্রে রয়েছে দুটি ইতিহাস–যাদের শক্তি বৃদ্ধি করা হয়েছে। একটা ইতিহাসে বেড়ালটিকে গুলি করা হয়েছে, অন্যটিতে সে বেঁচে আছে। কণাবাদী বলবিদ্যায় দুটি সম্ভাবনার অস্তিত্ব একত্র থাকতে পারে কিন্তু কোন কোন দার্শনিক প্যাঁচে পড়ে যান, কারণ তাদের অন্তর্নিহিত অনুমান হল বেড়ালের একটা ইতিহাসই থাকতে পারে।

    আমাদের পদার্থবিদ্যা সম্পকীয় তত্ত্বের বাস্তবতা সম্পর্কে আমাদের কল্পন নির্ধারণ করার আর একটা উদাহরণ কালের ধর্ম। কালের প্রবাহ অন্য কোন ঘটনা নিরপেক্ষ এবং চিরন্তন, এ তথ্যকে আগে ভাবা হত স্বতঃপ্রতীয়মান। কিন্তু অপেক্ষবাদ স্থান এবং কালকে সংযুক্ত করে ঘোষণা করল মহাবিশ্বের পদার্থ এবং শক্তি, স্থান এবং কাল দুটিকেই বিকৃত করে দিতে পারে। কালের ধর্ম সম্পর্কে আমাদের অনুভূতি আগে ছিল এ ধর্ম মহাবিশ্ব নিরপেক্ষ কিন্তু সে ধারণা পরিবর্তিত হয়েছে। এখন মনে করা হয় মহাবিশ্ব কালের ধর্মের রূপ দান করে। তখন এরকম চিন্তন সম্ভব হল যে, অতীতে একটা বিশেষ বিন্দুর পূর্বে কালের সংজ্ঞা দেওয়া সম্ভব নয়। অতীতে গমন করল এমন একটা অনতিক্রমনীয় বাধা অর্থাৎ অনন্যতার (Singularity) মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা। সে বাধা অতিক্রম করা সম্ভব নয়। তাই যদি হয় তাহলে বৃহৎ বিস্ফোরণ কি করে হল কিংবা সে বিস্ফোরণ কে ঘটাল সে প্রশ্ন করার কোন অর্থ হয় না। সৃষ্টি কিংবা কারণ সম্পর্কে আলোচনায় এ অনুমান নিহিত তাকে যে, বৃহৎ বিস্ফোরণের অনন্যতার আগেও একটা কালের অস্তিত্ব ছিল। পঁচিশ বছর হল আমরা জানি আইনস্টাইনের ব্যাপক অপেক্ষবাদ অনুসারে পনের হাজার কোটি বছর আগে একটা অনন্যতায় কাল শুরু হয়েছিল। কিন্তু দার্শনিকরা এখনো এই চিন্তনের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারেননি। এখনো তাদের চিন্তা কণাবাদী বলবিদ্যার ভিত্তি নিয়ে। সে ভিত্তি স্থাপিত হয়েছে পঁয়ষট্টি বছর আগে। পদার্থবিদ্যার সীমান্ত যে এগিয়ে চলেছে এটা তারা বোঝেন না।

    আরও মন্দ হল কাল্পনিক কালের গাণিতিক কল্পন। এই কল্পনে আমি আর জিম হার্টল Jim Hartle) প্রস্তাব করেছিলাম মহাবিশ্বের হয়ত কোন শুরু কিংবা শেষ নেই। কাল্পনিক কাল সম্পর্কে বলার জন্য একজন বিজ্ঞানের দার্শনিক আমাকে বর্বরভাবে আক্রমণ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন-কাল্পনিক কালের মতো একটি গাণিতিক চাতুরির বাস্তব মহাবিশ্বের সঙ্গে কি সম্পর্ক থাকতে পারে? আমার মনে হয় গাণিতিক প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত কথা। বাস্তব আর কাল্পনিকের সঙ্গে সাধারণ দৈনন্দিন ভাষায় ব্যবহৃত বিষয়ের এটা একটা উদাহরণ। তত্ত্ব কিংবা ব্যাখ্যা করার মতো কোন প্রতিরূপ (model) না থাকলে আমরা কি করে জানব কোনটা বাস্তব? মহাবিশ্বকে বুঝবার সমস্যা বোঝানোর চেষ্টায় আমি অপেক্ষবাদ এবং কণাবাদী বলবিদ্যা থেকে উদাহরণ ব্যবহার করেছি। আপনি যদি অপেক্ষবাদ এবং কণাবাদী বলবিদ্যা না বুঝতে পারেন তাহলেও কিছু এসে যায় না। এমন কি তত্ত্বগুলো ভুল হলেও কিছু আসে যায় না। আশা করি আমি দেখতে পেরেছি, তত্ত্বকে একটা প্রতিরূপ হিসেবে ব্যবহার করা যায় এরকম কোন দৃষ্টবাদী (positivist) পদ্ধতি, অন্ততপক্ষে একজন তাত্ত্বিক পদার্থবিদের পক্ষে মহাবিশ্বকে বুঝবার একমাত্র উপায়। আমি আশা করি, মহাবিশ্বের সবকিছুর বিবরণ দেওয়া যায় এরকম একটা সঙ্গতিপূর্ণ প্রতিরূপ আমরা আবিষ্কার করতে পারব। তা যদি আমরা করি তাহলে সেটা হবে মানবজাতির একটা সত্যিকারের জয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – স্টিফেন হকিং
    Next Article কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    স্টিফেন হকিং

    কালের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – স্টিফেন হকিং

    December 8, 2025
    স্টিফেন হকিং

    ব্ল্যাকহোল – স্টিফেন হকিং

    December 8, 2025
    স্টিফেন হকিং

    মাই ব্রিফ হিস্ট্রি (আত্মস্মৃতি) – স্টিফেন হকিং

    December 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }