Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কৃষ্ণপক্ষ – হুমায়ূন আহমেদ

    হুমায়ূন আহমেদ এক পাতা গল্প101 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কৃষ্ণপক্ষ – পর্ব ১০

    ॥ ১০ ॥
    রাহেলা বললেন, রাত তো অনেক হয়েছে, দশটা প্রায় বাজে খেয়ে যাও না। আবরার লজ্জিত ভঙ্গিতে বলল, জ্বি না। এখন উঠব। অনেক দেরি করে ফেললাম।
    অরু বলল, উঠব বলে তো বসেই আছেন। উঠছেন তো না।
    মীরু তাকাল শাসনের ভঙ্গিতে। চোখের ভাষায় বলার চেষ্টা – এসব কি হচ্ছে?
    রাহেলা বললেন, বাবা তুমি পা তুলে আরাম করে বস। ঘরে যা আছে তাই খাবে। আমি খাবার দিতে বলে আসি।
    মীরু বলল, আমরা কিন্তু খুব ঝাল খাই। আপনি ঝাল খেতে পারবেন তো?
    ‘চেষ্টা করে দেখি।‘
    ‘আবীরের বাবা আবার একদম ঝাল খেতে পারে না। কাঁচা মরিচ কিনতে গিয়ে দোকানদারকে কি বলে জানেন? বলে – এই যে ভাই, ঝাল নেই এমন কাঁচা মরিচ আছে?‘
    ‘উনি আছেন কেমন?‘
    ‘ভাল আছে। আজই কথা বললাম। অবশ্যি খুব ভাল বোধহয় নেই। আমার কাছে তার গলার স্বর একটু ভারি ভারি লাগল। মনে হয় ঠাণ্ডা লেগেছে। ঠাণ্ডা লাগলে গলার স্বর ভারি হয়ে যায় না?‘
    আবরার হাসিমুখে বলল, ডাক্তারী শাস্ত্রে এমন কথা পড়ি নি। তবে হতে পারে।
    ‘জানেন মাঝে মাঝে ওর গলা আমি একদম চিনতে পারি না। একদিন কি হয়েছে জানেন, সে অফিস থেকে টেলিফোন করে আমাকে বলল, মীরু, কেউ কি আমার খোঁজ করেছিল? আমি একদম গলা চিনতে পারলাম না। আমি বললাম, কে? কে কথা বলছেন? ইন্টারেস্টিং না?‘
    ‘ইন্টারেস্টিং তো বটেই।‘
    মীরু আরেকটা গল্প শুরু করতে যাচ্ছিল। রাহেলা তাকে রানড়বাঘরে ডেকে নিয়ে গেলেন। বিরক্ত স্বরে বললেন, তোর কি বুদ্ধি-সুদ্ধি একেবারেই নেই? ওকে অরুর সঙ্গে গল্প করতে দে। ও অরুর সঙ্গে কথা বলতে এসেছে। তোর বকবকানি শোনার জন্যে আসে নি। তখন থেকে আঠার মত লেগে আছিস।
    মীরু আহত গলায় বলল, আঠার মত কখন লেগে রইলাম? বাবুর শরীর খারাপ। বাবুকে দেখাচ্ছিলাম।
    ‘দেখানো তো হয়েছে। এখন চুপচাপ আমার সামনে বস।‘
    মীরু গম্ভীর মুখে বসল। তার মনটা খারাপ। আবীরের বাবা প্রসঙ্গে একটা মজার গল্প মনে হয়েছিল। গল্পটা বলা গেল না। খাবার টেবিলেও বলা যাবে না। বাবাও নিশ্চয়ই একসঙ্গে খেতে বসবেন। এইসব হালকা ধরনের গল্প বাবার সঙ্গে করা যায় না।
    রাহেলা চাকচাক করে আলু কাটছেন। ঘরে খাবার তেমন কিছু নেই। আলু ভাজি করে দেবেন। একটা পদ বাড়বে। দুপুরের মাছ আছে, রাতে ডিমের তরকারী করা হয়েছে। মাছ, ডিমের তরকারী, আলুভাজা। ডাল রানড়বা হয়নি। অনেকে আবার ডাল ছাড়া খেতে পারে না।
    একটু ডাল কি বসিয়ে দেবেন? আধ ঘণ্টার মত লাগবে। আচ্ছা লাগুক। এক রাতে একটু দেরি করে খেলে কিছু হবে না। মীরু কেমন মুখ কালো করে বসে আছে। রাহেলার মায়া লাগল, তিনি কোমল গলায় ডাকলেন, মীরু?
    ‘কি?‘
    ‘মুখ কালো করে বসে আছিস কেন? তুই কি রাগ করেছিস আমার কথায়?‘
    ‘না।‘
    ‘আচ্ছা তোর কাছে আবরার ছেলেটাকে কেমন লাগে?‘
    ‘ভাল।‘
    ‘কি রকম ভাল?‘
    ‘বেশ ভাল। ভদ্র। চেহারাও সুন্দর। অবশ্যি গায়ের রঙ শ্যামলা ধরনের। আবীরের বাবার পাশে দাঁড়ালে বেচারাকে রীতিমত কালো লাগবে। আমেরিকায় থেকে এখন নিশ্চয়ই আরো ফর্সা হয়েছে।‘
    রাহেলা বিরক্ত মুখে বললেন, ফর্সা হবারই কথা।
    ‘তুমি তোমার দুই জামাইয়ের মধ্যে কাকে বেশি পছন্দ কর মা?‘
    ‘দ্বিতীয় জন জামাই এখনো হয়নি। হোক, তারপর দেখা যাবে।‘
    ‘ধর হয়েছে। হতে বাকিও বেশি নেই।‘
    ‘বড় জামাইকেই বেশি পছন্দ করব। বড়র মর্যাদাই আলাদা।‘
    ‘তোমার বড় জামাই তোমাকে খুব পছন্দ করে। প্রতি চিঠিতে তোমার কথা থাকে। লাস্ট চিঠিতে লিখল – মা‘র শরীরের দিকে লক্ষ্য রাখবে। ব্লাড প্রেসার এই বয়সে কন্ট্রোলে রাখতে হয়। তুমি খুব খেয়াল রাখবে। মা বুড়ো মানুষ – ওষুধ খাবার কথা হয়ত মনেই থাকবে না …‘
    রাহেলা বিস্মত হয়ে বললেন, তুই কি চিঠি মুখস্থ করে ফেলেছিস না-কি?
    মীরু লাজুক গলায় বলল, অনেকবার করে পড়ি তো। মুখস্থ হয়ে যায়। এই যে ওর চিঠিটা তোমাকে পড়ে শুনালাম এর মধ্যে একটা ইন্টারেস্টিং জিনিস লক্ষ্য করেছ?
    ‘না।‘
    ‘ইন্টারেস্টিং হচ্ছে সব জামাইরা শাশুড়িকে আম্মা ডাকে। ও কিন্তু তোমাকে ‘মা‘ ডাকে। মা ডাকটা অনেক আন্তরিক না?‘
    রাহেলা কঠিন কিছু বলতে গিয়েও বলতে পারলেন না। তাঁর দাঁতব্যথা তীব্র হচ্ছে। বসে থাকতে পারছেন না।

    অরু বলল, আপনি পা তুলে আরাম করে বসছেন না কেন? পায়ে ঠাণ্ডা লাগছে না? পায়ের উপর চাদর টেনে দিন।
    আবরার বলল, তোমার মা‘র বিছানায় পা তুলে বসতে সংকোচ লাগছে।
    ‘এটা মা‘র বিছানা মোটেই না। এটা হচ্ছে গেস্ট বিছানা। বাবা-মা‘র ঝগড়া হলে মা এখানে ঘুমুতে আসেন।‘
    ‘এখন কি উনাদের ঝগড়া চলছে?‘
    ‘হ্যাঁ চলছে। সপ্তাহে তাঁরা আটবার ঝগড়া করেন। এমন সব তুচ্ছ বিষয় নিয়ে ঝগড়া যে মাঝে মাঝে তাঁদেরকে খুব ছেলেমানুষ মনে হয়। আজ কি নিয়ে তাঁদের ঝগড়া হয়েছে জানেন?‘
    ‘কি নিয়ে?‘
    ‘দাঁতব্যথা নিয়ে। মার দাঁত ব্যথা করছিল। বাবা বললেন লবণ-পানি দিয়ে কুলকুচা করতে। মা বললেন, এতে কিছু হয় না। বাবা রেগে গেলেন – তুমি কি করে দেখেছ যে হয় না? না করেই বললে, হয় না। যুক্তি এবং কাউন্টার যুক্তি চলতে লাগল। এক পর্যায়ে বাবা … থাক সেটা আর আপনাকে বলব না।‘
    অরু মিটিমিটি হাসতে লাগল। আবরার মুগ্ধ চোখে তাকিয়ে আছে। এই মেয়ের কথা বলার ভঙ্গি এত সুন্দর। চোখ ফিরিয়ে নেয়া যায় না। মেয়েটা কি বলছে সেদিকে লক্ষ্য থাকে না – কি করে কথা বলছে তাই প্রধান হয়ে দাঁড়ায়। আবরার ঠিক করে রেখেছে সে বিয়ের পর অরুকে বলবে, তুমি প্রতি রাতে এক ঘণ্টা আমার সামনে বসবে এবং ননস্টপ কথা বলে যাবে। এক মুহূর্তের জন্যেও থামতে পারবে না।
    ‘অরু।‘
    ‘জ্বি।‘
    ‘তোমরা দু‘বোন সম্পূর্ণ দু‘রকম। চেহারায় মিল ছাড়াও জেনেটিক কারণে বোনে বোনে কিছু মিল থাকে। তোমাদের তাও নেই।‘
    ‘মিল আছে। দু‘জনের কাউকেই তো আপনি ভালমত জানেন না, তাই ধরতে পারছেন না।‘
    ‘মিলটা কি বল তো?‘
    অরু শান্ত গলায় বলল, ভালবাসার ক্ষমতা আমাদের দু‘বোনেরই অসাধারণ। আমরা পাগলের মত ভালবাসতে পারি। আমার দুলাভাই প্রাণী হিসেবে খুবই নিুশ্রেনীর। তাকে যে কি পরিমান ভাল আপা বাসে তা আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না।‘
    ‘এটা কি ভাল?‘
    ‘কেন ভাল না? ভালকে তো সবাই ভালবাসে। মন্দকে ক‘জন ভালবাসতে পারে?‘
    আবরার আগের মত মুগ্ধ চোখে আবার তাকাল। সে ভেবে পাচ্ছে না তার এই মুগ্ধতা বিয়ের পরেও থাকবে কি-না। এই মেয়েটি খুব সহজ খুব স্বাভাবিক ভঙ্গিতে কথা বলছে। এটিও একটি অস্বাভাবিক ব্যাপার। যার সঙ্গে অল্প ক‘দিন পর বিয়ে হবে তার সঙ্গে এত স্বাভাবিক ভঙ্গিতে কি কথা বলা যায়? লজ্জা, দ্বিধা, সংকোচ খানিকটা হলেও তো আসবে। এই মেয়েটার মধ্যে তা আসছে না কেন?‘
    ‘অরু?‘
    ‘জ্বি।‘
    ‘প্রায় তোমকে একটা কথা জিজ্ঞেস করতে চাই, মনে থাকে না।‘
    ‘এখন নিশ্চয়ই মনে পড়েছে।‘
    ‘হ্যাঁ। তুমি খুব সহজভাবে আমার সঙ্গে কথা বল, আমার ভাল লাগে। আমি আবার কারো সঙ্গে খুব সহজ হতে পারি না। সহজ হতে ইচ্ছা করে কিন্তু পারি না। আমি যখন আমার মা‘র সঙ্গে কথা বলি তখনো খানিকটা আড়াল থাকে।‘
    ‘এইতো এখন সহজভাবে কথা বলছেন। এখন কি কোন আড়াল বোধ করছেন?‘
    ‘না করছি না।‘
    ‘তাই বলুন।‘
    আবরার ইতস্ততঃ করে বলল, তোমার সঙ্গে কি মুহিব নামের কোন ছেলের পরিচয় আছে? আমার দূর সম্পর্কের এক ভাগিড়ব দিন দশেক আগে হঠাৎ একগাদা কথা বলল …
    আবরার থেমে গেল। অরু চুপ করে আছে। তাকিয়ে আছে এক দৃষ্টিতে। আবরার অস্বস্তির সঙ্গে বলল, আমি অবশ্যি কিছুই মনে করি না। পরিচয় থাকাটাই স্বাভাবিক। ছেলে-মেয়েরা এক সঙ্গে ইউনিভার্সিটিতে পড়ছে। মেয়েদের শুধু মেয়ে বন্ধু থাকবে ছেলে বন্ধু থাকবে না তা কি
    হয়?‘
    অরু আবরারকে থামিয়ে দিয়ে বলল, আপনার ভাগিড়ব ঠিকই বলেছে। মুহিব নামের একজনের সঙ্গে আমার খুব ভাল পরিচয় আছে।
    আবরার চুপ করে আছে। প্রসঙ্গটা তোলায় সে নিজেই বিব্রত বোধ করছে। তবে অরুর মধ্যে বিব্রত বা অস্বস্তিবোধের তেমন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। অরু বলল, আর কিছু কি জানতে চান?
    আবরার বলল, এই না না, কিছুই জানতে চাই না। যে সহপাঠি বন্ধুরা একসঙ্গে ঘুরে বেড়াচ্ছে, হৈচৈ করছে – বন্ধুর মত সম্পর্ক। এটা আমার কাছে খুব হেলদি বলে মনে হয়। অরু, তুমি কখনো মনে করবে না যে বিয়ের পর আমি তোমাকে সবার কাছ থেকে আলাদা করে ক্ষুদ্র গণ্ডিতে বন্দি করে ফেলব। মনের এইটুকু ঔদার্য আমার আছে।
    অরু বলল, আমি আপনাকে একটা চিঠি লিখেছি।
    ‘আবরার বিস্মিত হয়ে বলল, কি চিঠি?‘
    ‘আমি আপনার সঙ্গে খুব সহজ ভঙ্গিতে কথা বললেও আমার এমন কিছু কথা আছে যা সহজভাবে বলতে পারছি না। এই জন্যেই চিঠি লিখেছিলাম।‘
    ‘কোথায় সেই চিঠি?‘
    ‘চিঠিটা আমার পছন্দ হয়নি। আবার নতুন করে লিখব – আজ রাতেই লিখব। কাল আপনাকে আমি নিজের হাতে দিয়ে আসব।‘
    ‘বিষয়বস্থ কি জানতে পারি?‘
    ‘কাল জানবেন।‘
    ‘অরু, কোন সমস্যা আছে কি?‘
    অরু ক্ষীণস্বরে বলল, আছে। সমস্যা আছে। বড় রকমের সমস্যা আছে।
    আবরার তাকিয়ে আছে। অরুও তাকিয়ে আছে। তবে সে তাকয়ে আছে জানালার দিকে।
    বাইরে বৃষ্টি নেমেছে। বারান্দায় বাতি জ্বলছে বলেই বৃষ্টির ফোটা চোখে পড়ছে। আলো পড়ে বৃষ্টির ফোটাগুলি মুক্তার মত ঝিকমিক করছে। অরুর কানড়বা পাচ্ছে। কানড়বা আটকে রাখতে কষ্ট হচ্ছে। মীরু এসে বলল, কি ব্যাপার, দু‘জন চুপচাপ কেন? খাবার দেয়া হয়েছে। আবরার লক্ষ্য করল, অরুর হাতে আংটি নেই। এমন কোন বড় ব্যাপার নয় তবু কেন জানি এক ধরনের অস্বস্তি বোধ হচ্ছে। হাতে আংটি নেই – অরু নিজেও কি এ-ব্যাপারটায় গুরুত্ব দিচ্ছে? হাত আড়াল করার চেষ্টা করছে কেন?
    অরু খেতে বসল না। শুকনো মুখে বলল, আমার ক্ষিধে নেই।
    রাহেলা বললেন, দুপুরেও তো কিছু খাসনি। কি ব্যাপার, জ্বর না-কি?
    ‘না জ্বর না।‘
    ‘দেখি, কাছে আয়। আশ্চর্য! জ্বর আছে তো?‘
    অরু হাসতে হাসতে বলল, এত আশ্চর্য হবার কি আছে মা? মানুষের জ্বর হয় না?
    ‘অকারণে জ্বর হবে কেন?‘
    ‘সেটা আমাকে জিজ্ঞেস করছ কেন? ডাক্তার সাহেব আছেন। তাঁকে জিজ্ঞেস কর।‘ আবরার নিঃশব্দে খাচ্ছে। মীরু তার পে−টে খাবার উঠিয়ে দিচ্ছে। অরুদের খাবার টেবিলটা বেশ বড়। এত বড় টেবিলের এক কোণায় একজন মানুষ মাত্র খাচ্ছে। দৃশ্যটা চোখে পড়ার
    মত। রাহেলা বললেন, তোমাকে একা খেতে হচ্ছে। তুমি কিছু মনে করো না বাবা। অরুর বাবা এখন খাবেন না। আমাকে তাঁর জন্যে অপেক্ষা করতে হবে। আর মীরু সন্ধ্যেবেলা দু‘টা রুটি খায়, রাতে আর কিছু খায় না।
    আবরার বলল, আমার কিছু অসুবিধা হচ্ছে না। একা খেয়ে আমার অভ্যাস আছে। বাড়িতেও আমি একা খাই।
    মীরু বলল, আমি সন্ধ্যাবেলা দু‘টা রুটি খাই কেন জানেন? আবীরের বাবার জন্যে। সে
    চিঠিতে লিখেছে – “এ দেশের মেয়েদের বেশির ভাগ পেটুক। যা পায় গব গব করে খায়। বিয়ের পর এক একজন ফুলে কোলবালিশ হয়ে যায়। তুমি খাবার-দাবারের ব্যাপারে সাবধানতা অবলম্বন করবে। তোমার মোটার ধাত।“
    অরু বলল, আপা, চুপ কর তো। পুরো চিঠি মুখস্থ বলতে হবে না। এমনিতে আপার স্মরণশক্তি খুব খারাপ কিন্তু দুলাভাইয়ের প্রতিটি চিঠি দাঁড়ি, কমা, কাটাকুটিসহ মুখস্থ।
    আবরার হাসল। রাহেলাও হেসে ফেললেন। হাসি গোপন করার চেষ্টা করেও হাসি গোপন করতে পারলেন না। মীরু কঠিন গলায় বলল, স্বামীর চিঠি মুখস্থ করা কি অপরাধ?
    ‘না অপরাধ না। তবে সেই চিঠি কবিতার মত আবৃত্তি করে সবাইকে শুনানো একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।‘
    মীরুর মুখ থমথম করছে। হয়ত সে কেঁদে ফেলবে। রাহেলা পরিস্থিতি সামলানোর জন্যে বললেন, মীরু তুই আবরারের জন্যে এক কাপ চা বানিয়ে আন। রাতে ভাত খাবার পর তুম কি চা খাও বাবা?
    ‘খাই না। তবে আজ খাব। বৃষ্টি হওয়ায় ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা লাগছে।‘
    অরু বলল, মা, আমি আর বসে থাকতে পারছি না। তুমি তোমার গেস্টকে যতড়ব করে চা খাওয়াও। আমি আমার ঘরে যাচ্ছি। শরীর খুব খারাপ লাগছে। মনে হচ্ছে খুব ভালমত জ্বর আসছে।

    মুহিবের অবস্থা মনে হয় খারাপ। একজন ডাক্তার ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট থেকে হঠাৎ ছুটে বের হলেন। দু‘জন ডাক্তার নিয়ে ফিরলেন। জেবা চুপচাপ দাঁড়িয়ে দেখছে। কাউকে কিছু জিজ্ঞেসও করছে না।
    বজলু এসে বলল, আপা ঘরে গিয়ে বসুন। বৃষ্টিতে ভিজে যাচ্ছেন।
    জেবা একটু সরে দাঁড়াল। বৃষ্টির ছাটে শাড়ির অনেকখানি ভিজেছে, খেয়ালই হয় নি।
    ‘শীত লাগছে আপা?‘
    ‘একটু লাগছে। তোমার স্ত্রী কোথায়?‘
    ‘ওকে ভাইয়ের বাসায় রেখে এসেছি। খুব কানড়বাকাটি করছিল।‘
    ‘ভাল করেছ। সবাই মিলে কষ্ট করার কোন অর্থ হয় না।‘
    ‘আপা, আপনি কি কিছু খেয়েছেন?‘
    ‘না। তোমরা খেয়েছ?‘
    ‘জ্বি। লেয়াকত টিফিন কেরিয়ারে করে বাসা থেকে খাবার নিয়ে এসেছিল। এমন ক্ষিধে লেগেছিল …‘
    ‘ক্ষিধে লাগাই স্বাভাবিক। ক্রাইসিসের সময় ক্ষিধে পায়।‘
    ‘লিয়াকত চা-ও নিয়ে এসেছে। আপনাকে একটু চা দেব আপা?‘
    জেবা স্বাভাবিক গলায় বলল, দাও। বজলু খুব অবাক হচ্ছে। কি শক্ত মেয়ে। কত সহজভাবে সমস্যা গ্রহণ করেছে। এখন পর্যন্ত একবারও কাঁদেনি। ‘বজলু।‘
    ‘জ্বি আপা।‘
    ‘মৃত্যু দেখে আমার অভ্যাস আছে। মা মারা গেলেন, বাবা মারা গেলেন, আমার ছোট একটা বোন ছিল রেবা, সেও মারা গেল। এরা তিনজনই সারারাত মৃত্যুযন্ত্রণা ভোগ করে ভোরবেলা মারা গেল। সবার প্র মে মারা গেলেন মা। মা‘র মৃত্যুতে কেঁদেছিলাম। তারপর আর কাঁদিনি। কানড়বা আসেনি।‘
    জেবা চায়ের কাপে ছোট ছোট চুমুক দিচ্ছে। তার মুখ দেখে মনে হচ্ছে চা-টা ভাল লাগছে।
    ‘আমার কি মনে হয় জান বজলু? আমার মনে হয় মা-বাবা মৃত্যুর পর পরকালে একটা সংসার পেতেছেন। এক এক করে আমাদের সব ভাইবোনকে নিয়ে যাচ্ছেন। সবার আগে নিলেন রেবাকে। কারণ রেবা ছিল বাবা-মা‘র খুব পছন্দের মেয়ে। এখন অপেক্ষা করছেন
    মুহিবের জন্যে। ‘এইসব আলোচনা থাক আপা।‘
    ‘কেন? তোমার শুনতে কি খারাপ লাগছে? আমার বলতে কিন্তু খারাপ লাগছে না। রেবার মৃত্যুর সময় কি হল শোন – খুব কষ্ট পাচ্ছিল। রাত দু‘টার সময় হঠাৎ করে যেন তার কষ্ট কমে গেল। স্বাভাবিকভাবে স্বাস নিতে লাগল। আমি তার মাথার কাছে বসে আছি। সে হঠাৎ শক্ত করে আমার দু‘হাত ধরে উত্তেজিত গলায় বলল, আপা দেখ দেখ। আম্মু এসেছে। আম্মু। সে আঙ্গুল দিয়ে দরজার দিকে দেখাতে লাগল।‘
    জেবা চায়ের কাপ বজলুর দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বলল, আমকে আরেকটু চা দাও। আপনি টুলটায় বসুন।
    জেবা বসতে বসতে বলল, আমার কি ধারণা জান বজলু? আমার ধারণা, আজও বাবা-মা, রেবা এসেছে। তারা মুহিবের খাটের পাশে বসে আছে।
    ‘এসব আলোচনা থাক আপা।‘
    ‘আচ্ছা থাক। বজলু একটা কথা বল – মুহিব তো তোমার অনেক দিনের বন্ধু -‘
    ‘জ্বি।‘
    ‘আমার সম্পর্কে নিশ্চয়ই সে অনেক কিছু তোমাদের বলতো। কি বলতো বলতো?‘
    ‘সব সময় বলত এই পৃথিবীতে আপনার মত ভাল মেয়ে অতীতে কখনো জন্মায়নি। বর্তমানে নেই – ভবিষ্যতেও জন্মাবে না।‘
    জেবার চোখে পানি এসে গেল। সে চোখ মুছতে মুছতে বলল, আমি জানতাম সে এই কথাই বলবে। তবু তোমার কাছে শুনতে চেয়েছি ভালই করেছি। অনেকক্ষণ ধরেই কাঁদতে চাচ্ছিলাম, পারছিলাম না। এখন পারছি। তুমি ভাগ্য বিশ্বাস কর বজলু?
    বজলু কিছু বলল না।
    জেবা বলল, আমি বিশ্বাস করি। এত বড় একসিডেন্ট হল। এতগুলি মানুষ গাড়িতে, কারোই কিছু হল না – মারা যাচ্ছে শুধু একজন। সেই একজন মাত্র একদিন আগে তার বিয়ে হয়েছে। মৃত্যুটা দু‘দিন আগে কেন হল না বলতো? ওর মৃত্যুর পর কি হবে জান? –চারদিক থেকে শুধু সান্ত্বনার বাণী শুনব। সুন্দর সুন্দর সব বাণী, চমৎকার সব কথা। “ইহকাল কিছুই না। ইহকাল হচ্ছে মায়া। আসল হচ্ছে পরকাল। প্রকৃতির নিয়ম-কানুন মানুষের বোঝার উপায় নেই।“ কি কি কথা শুনব সব আমি তোমাকে লিখে দিতে পারি। আগেও তিনবার শুনেছি। জেবা হয়ত আরো কিছু বলত – কথা থামিয়ে দিল। ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট থেকে দু‘জন ডাক্তার বেরুচ্ছেন। দু‘জনের মুখই জ্যোতিহীন। তাঁদের মুখের দিকে তাকিয়ে পরিষ্কার বলে দেয়া যায় – মৃত্যুর সঙ্গে যুদ্ধে এরা পরাজিত।
    জেবা উঠে দাঁড়াল। ক্লান্ত গলায় বলল, আমি ওকে দেখে আসি।
    নার্স ছাড়াও একজন ডাক্তার মুহিবের পাশে আছেন। জেবা পায়ের কাছে দাঁড়াল। ক্ষীণ স্বরে বলল, ওর নিঃশ্বাসে এ-রকম শব্দ হচ্ছে কেন? ডাক্তার সাহেব ওর কি নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট
    হচ্ছে?
    ডাক্তার সাহেব কিছু বললেন না।
    জেবা বের হয়ে এল।
    শফিকুর রহমান সাহেব এসেছেন। বাবার হাত ধরে প্রিয়দর্শিনী দাঁড়িয়ে আছে। দু‘জনই চুপচাপ বারান্দায় দাঁড়িয়ে আছে। জেবা তাদের দেখল, কিছু বলল না।
    শফিকুর রহমান সাহেব বললেন, প্রিয়দর্শিনী তার মামাকে দেখার জন্যে খুব কানড়বাকাটি করছিল। ওকে নিয়ে এসেছি।
    এই প্রথম শফিকুর রহমান তাঁর মেয়েকে প্রিয়দর্শিনী নামে ডাকলেন। নাম উচ্চারণ করলেন স্পষ্ট করে, সুন্দর করে।
    জেবা বলল, তোমার মামাকে এখন দেখে তোমার ভাল লাগবে না মা। না দেখাই ভাল।
    প্রিদর্শিনী কঠিন স্বরে বলল, আমি দেখব।
    ‘এসো আমার সঙ্গে।‘
    ‘আমি একা যাব।‘
    প্রিয়দর্শিনী ছোট ছোট পা ফেলে এগিয়ে যাচ্ছে। ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটের দরজায় হাত রেখে মিষ্টি রিণরিণে গলায় বলল, আমি কি দু‘মিনিটের জন্যে ভেতরে আসতে পারি?
    শফিকুর রহমান সাহেব ভয়ংকর অস্বস্তি বোধ করছেন। স্ত্রীর দিকে চোখ তুলে তাকাতেও পারছেন না। স্বাভাবিক থাকার প্রাণপণ চেষ্টা করতে করতে বললেন, জেবা, ওর অবস্থা কেমন?
    জেবা বলল, অবস্থা ভাল না। ডাক্তাররা কিছু বলছেন না, কিন্তু আমি বুঝতে পারছি। ওর গলা দিয়ে ঘড় ঘড় শব্দ হচ্ছে। প্রিয়দর্শিনী একা একা গিয়েছে। ও ভয় পাবে। শফিকুর রহমান বললেন, ও শক্ত মেয়ে, এতটুকুও ভয় পাবে না। আরেকটা কথা জেবা, তুমি নাকি চাও যে মেয়েটার সঙ্গে মুহিবের বিয়ে হয়েছে তাকে এখানে নিয়ে আসতে?
    ‘হ্যাঁ।‘
    ‘সেটা কি ঠিক হবে জেবা? এই ভয়ংকর ঘটনাটা মেয়ের আড়ালেই হওয়া কি ভাল না? মেয়েটাকে তো একটা নতুন জীবন শুরু করতে হবে। তাকে যদি এখন এখানে নিয়ে আস তাহলে নতুন করে জীবন শুরু করা তার জন্যে খুব সহজ হবে না। সবচে‘ ভাল হয় কি জান?
    যদি কেউ কোনদিন না জানে যে মেয়েটার বিয়ে হয়েছিল। আমি খুব প্রাকটিক্যাল কথা বললাম জেবা। লিভ হার এলোন।‘
    জেবা বলল, তুমি মুহিবের দিকটা দেখবে না? তুমি কি মনে কর না মৃত্যুর সময় স্ত্রীকে পাশে পাবার অধিকার তার আছে?
    শফিকুর রহমান জবাব দিলেন না। কোন জবাব তাঁর মাথায় এল না।

    অরু জেগেই ছিল।
    সে জানত আবরার যাবার আগে তার ঘরে একবার উঁকি দেবে। জ্বর কেমন জানতে চাইবে। কপালে হাত রেখে উত্তাপ দেখবে। সেটাই তো স্বাভাবিক। যা স্বাভাবিক আবরার তা করল না। জ্বর দেখতে চাইল না। লাজুক মুখে বলল, তোমাকে একটা কথা বলতে এসেছি –
    আজ আমার জন্মদিন। খুব ইচ্ছা ছিল তোমাকে নিয়ে বেড়াতে যাব।
    অরু বলল, আগে বললেন না কেন? বললেই হত। কোথাও বেড়াতে যেতাম।
    ‘লজ্জা লাগল।‘
    ‘তখন লজ্জা লাগল তো এখন লাগছে না কেন?‘
    আবরার বলল, বুঝতে পারছি না। একটু বসি তোমার ঘরে?
    ‘বসুন।‘
    মীরু এসে বলল, অরু তোর টেলিফোন।
    অরু বলল, কে?
    ‘জানি না কে? একজন মহিলা। বললাম তোর অসুখ। শুয়ে আছিস। তারপরেও চাচ্ছেন। খুব না-কি জরুরি।‘
    অরু উঠে দাঁড়াল। আবরারকে বলল, আপনি কিন্তু নড়বেন না। আমি এক্ষুনি আসছি।
    ‘হ্যালো, কে?‘
    ‘আমাকে তুমি চিনবে না। আমার নাম জেবা। আমি মুহিবের বড় বোন?‘
    অরু হকচকিয়ে গিয়ে বলল, স−ামালেকুম আপা।
    ‘তুমি কি এক্ষুণি, এই মুহূর্তে আসতে পারবে?‘
    ‘কোথায়?‘
    ‘ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।‘
    ‘কি ব্যাপার আপা?‘
    ‘মুহিব একসিডেন্ট করেছে।‘
    ‘অনেকক্ষণ চুপ করে থাকার পর অরু বলল, ওর কি জ্ঞান আছে?‘
    ‘না, জ্ঞান নেই।‘
    ‘অরু ক্ষীণ গলায় প্রায় অস্পষ্ট ভাবে বলল, ওর অবস্থা খুব খারাপ, তাই না আপা?‘
    ‘হ্যাঁ।‘
    ‘আমি আসছি।‘
    ‘আমি কি আসব তোমাকে নিতে?‘
    ‘আপনাকে আসতে হবে না।‘
    জামিল সাহেব শোবার আয়োজন করছিলেন। অরু এসে দরজা ধরে দাঁড়াল। জামিল সাহেব বললেন, কি হয়েছে মা? অরু ছুটে এসে বাবাকে জড়িয়ে ধরে বলল, তুমি আমাকে নিয়ে চল বাবা। আমি একা যেতে পারব না। আমি কিছুতেই একা যেতে পারব না।

    অরু হাঁটু গেড়ে মুহিবের পাশে বসে আছে। তার সমস- শরীর থর থর করে কাঁপছে। সে চাপা গলায় বলল, ডাক্তার সাহেব, আমি কি ওর হাত একটু ধরতে পারি?
    বৃদ্ধ ডাক্তার কোমল গলায় বললেন, অবশ্যই ধরতে পার মা, অবশ্যই পার।
    ‘আমি যদি ওকে কোন কথা বলি তাহলে ওকি তা শুনবে?‘
    ‘জানি না মা। কোমার ভেতর আছে, তবে মস্তিষ্ক সচল শুনতেও পারে। মৃত্যু এবং জীবনের মাঝামাঝি জায়গাটা খুব রহস্যময়। আমরা ডাক্তাররা এই জায়গা সম্পর্কে তেমন কিছু জানি না।‘
    ডাক্তার সাহেব আমি ওকে কয়েকটা কথা বলব। আপনি কি আমকে কিছুক্ষণের জন্যে ওর পাশে থাকতে দেবেন?
    ডাক্তার সাহেব ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন। ঘরে অরু একা। ছোট্ট ঘরটাকে তার সমুদ্রের মত বড় মনে হচ্ছে। মুহিবের বিছানায় সাদা চাদরের জন্যে বিছানাটাকে মনে হচ্ছে সমুদ্রের ফেনা। সেই ফেনা অবিকল ঢেউয়ের মত দুলছে।
    অরু দুহাতে মুহিবের ডান হাত ধরে আছে। সে খুব স্পষ্ট করে ডাকল, এই তুমি তাকাও। তোমকে তাকাতেই হবে। আমি সব কিছুর বিনিময়ে তোমাকে চেয়েছিলাম। তোমাকে পেয়েছি। আমি তোমাকে চলে যেতে দেব না।
    তোমাকে তাকাতেই হবে। তাকাতেই হবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমি এবং আমরা – হুমায়ূন আহমেদ
    Next Article আজ হিমুর বিয়ে – হুমায়ূন আহমেদ

    Related Articles

    হুমায়ূন আহমেদ

    বোতল ভূত – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    রং পেন্সিল – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    বিবিধ / অগ্রন্থিত লেখা – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    আজ হিমুর বিয়ে – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    আমি এবং আমরা – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }