Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমি নকুবাবু – সুশীলকুমার চট্টোপাধ্যায়

    January 17, 2026

    বিশ্বমনা : রবীন্দ্রনাথ – সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়

    January 17, 2026

    গল্পে বারভূঁইয়া – সতীশ চন্দ্র গুহ

    January 17, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কৃষ্ণসাধিকা মীরাবাঈ – পৃথ্বীরাজ সেন

    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা এক পাতা গল্প210 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মীরাবাঈকে নিয়ে কিংবদন্তী

    রাজপুতানা অঞ্চলে মীরাবাঈয়ের জনপ্রিয়তা আজও এতটুকু কমেনি। সেখানকার ভাট বা চারণ কবিরা মুখে মুখে মীরাকে নিয়ে নানা পদ রচনা করেন। এই পদগুলি এখনও তাঁরা ভক্তি—শ্রদ্ধা সহকারে উদ্ধৃত করেন। আর এইভাবে মীরার জীবন সম্পর্কে কিছু বিকৃত ঘটনা চারপাশে প্রচারিত হয়েছে। কিছু কিছু কিংবদন্তী লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। যদি আমরা ইতিহাসের আলোকে সেগুলি বিশ্লেষণ করি, তাহলে বুঝতে পারব এই ঘটনাবলি কখনও ঘটেনি।

    এই অধ্যায়ে আমরা মীরাবাঈ সম্পর্কিত এইসব প্রবাদগুলির ওপর আলোচনা করব। কারণ এইসব প্রবাদ লোকমুখে প্রচারিত হতে হতে মীরাবাঈ সম্পর্কে কোনও কোনও মানুষের মনে বিকৃত ধারণা সৃষ্টি করেছে। অথচ ইতিহাসের কষ্টিপাথরে বিচার করলে এদের ভিত্তিশূন্য এবং সামঞ্জস্যবিহীন বলেই মনে হয়।

    প্রথমে আমরা মীরার বিয়ে সংক্রান্ত সংবাদের ওপর আলোকপাত করব। কেউ কেউ বলেছেন, মহারাণা কুম্ভজির সঙ্গে মীরার বিয়ে হয়েছিল। মীরা যখন কৈশোর অতিক্রম করেন, তখন তাঁর পিতা উদয়পুরের রাণা কুম্ভের সঙ্গে তাঁর বিয়ের সম্বন্ধ স্থির করেছিলেন। কুম্ভজি সাজসজ্জা করে বরযাত্রীদের সঙ্গে নিয়ে মীরার পিতৃগৃহে এসে উপস্থিত হলেন। ধীরে ধীরে তিনি এলেন বিবাহমণ্ডপে। বিবাহলগ্ন উপস্থিত হল। মীরা কিন্তু কোনওভাবে সেখানে যেতে রাজি হননি। তিনি বলেছিলেন, প্রথমে গিরিধারীলাল সভায় যাবেন, আমি তাঁকে অনুসরণ করব।

    মীরার বাবা—মা তাঁর অদ্ভুত আবদার শুনে খুবই কষ্ট পেয়েছিলেন। কিন্তু তখন আর বাকবিতণ্ডা করা উচিত নয় মনে করে গিরিধারীলালকে বিবাহ সভায় নিয়ে এলেন। মীরা তাঁকে অনুসরণ করলেন। বিয়ের কাজ সুসম্পন্ন হল। কন্যা সম্প্রদান শেষ হল। তখন বর—কনে অগ্নি প্রদক্ষিণ করছিলেন। মীরা গিরিধারীলালকে সঙ্গে নিয়েই প্রদক্ষিণ করতে থাকেন। বিয়ের কাজ শেষ হবার পর তিনি তাঁর শোবার ঘরে চলে যান।

    মীরার মা মেয়ের এহেন আচরণে খুবই ব্যথা পেয়েছিলেন। এমনকি তিনি তাঁকে যথেষ্ট ভর্ৎসনা করেন। মীরা বলেছিলেন—মা, গোপাল আমাকে স্বপ্নে বিয়ে করেছেন। রাতে হলদে রঙের চুরি পরে, মেহদি দিয়ে হাত রাঙিয়ে রসালো পান খেয়ে আমার বিয়ে হয়েছে। আমি আবার নতুন করে কাউকে স্বামীত্বে বরণ করতে পারি কি? আমার কাছে এখন সমস্ত জগৎই জঞ্জাল বলে মনে হচ্ছে।

    সঙ্গে সঙ্গে মীরা একটি দোহাঁ বা ভজন মাকে শুনিয়ে দিয়েছিলেন। মীরা বলেছিলেন—

    ”মাঈ ম্হাঁ কো সপনে মে, পরণ্যো গোপাল।

    রাতী পীলী চুনরী পহিরী, মেঁহদী পান রসাল।।

    কাঁঈ ঔর কী ভরো ভাঁররে, ম্হাঁ কো জগ জঞ্জাল।

    মীরা প্রভু গিরধরলাল সোঁ, করী সগাঈ হাল।।”

    এবার মীরাকে বাপের বাড়ি ছেড়ে শ্বশুরবাড়িতে যেতে হবে। মীরা গেলেন তাঁর মা—বাবার কাছে। মা—বাবা মীরাকে বলেছিলেন—তোমার যা কিছু প্রয়োজন, তুমি এই সময় চেয়ে নাও। এরপর তো তুমি আর সহজে আমাদের দেখা পাবে না।

    মীরা তখন বললেন—মা, এখন তুমি আমাকে আমার গিরিধারীলাল দাও। আমি একমাত্র আমার প্রিয়র চরণ আকাঙ্ক্ষা করি। আমার কোনও অলঙ্কার, মণি—মাণিক্যের দরকার নেই। বন্ধু—বান্ধব, আত্মীয়—স্বজন পারিবারের সকলকে আমার যমসদৃশ মনে হচ্ছে। মীরা তাঁর প্রভু গিরিধারীলালের মূর্তি দেখে এমন পূর্ণ মনোরথ হয়েছেন, যে তাঁর মন আর কিছুই চায় না।

    এই প্রসঙ্গে মীরা যে গানটি গেয়েছিলেন সেটি হল এইরকম—

    ”দেরী অব মাঈম্হাঁকো গিরধরলাল।

    প্যারে চরণ কী আনি করত হৌ, ঔর ন দে মণিমাল।।

    নাত সগো পরিবারোঁ সারো, মনে লগৈ মনোকাল।

    মীরা প্রভু গিরধরলাল কী, ছবি লখি ভঈ নিহাল।।”

    মীরার এই বাসনার কথা শুনে মা—বাবা আবার দুঃখ পেলেন। শেষ পর্যন্ত একটি পালকিতে গিরিধারীলালকে বসিয়ে দেওয়া হল। মীরা নিজে ডুলিতে বসলেন। গিরিধারীলালের পালকির সঙ্গে তাঁর ডুলি এগিয়ে চলল উদয়পুরের দিকে। বর—কন্যা সহযাত্রী সকলে উদয়পুরে পৌঁছোলেন। এগিয়ে এলেন মীরার শাশুড়ি। এই বংশের রানিরা কুলপ্রথা অনুসারে দ্বারপূজা করেন। তারপর নববধূকে ভেতরে আমন্ত্রণ জানান। মীরাকে কুলদেবতার মন্দিরে যেতে হবে। এখানেও মীরা অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি সর্বজনসমক্ষে বলেছিলেন যে, তাঁর কুলদেব, ইষ্টদেব সবকিছুই গিরিধারীলাল। গিরিধারীলাল ছাড়া অন্য কোনও দেবমূর্তির সামনে তিনি কখনও মাথা নত করবেন না। অন্য কারও পুজো তিনি করবেন না।

    রানি নববধূর এহেন আচরণে খুবই দুঃখ পান। তাঁরা মীরাকে অনেকভাবে বুঝিয়েছিলেন। মীরা কারও কথায় কর্ণপাত করেননি। শেষ অবধি তাঁরা ব্যর্থ মনোরথে রাণার কাছে এলেন। রাণা কুম্ভের কাছে সব কথা খুলে বললেন।

    রাণার মা বলেছিলেন—এ কেমন পুত্রবধূ আনা হল? সে এত নির্লজ্জ যে, কারও উপদেশ শুনতে চায় না। এমনকি যে কুলদেবতাকে আমরা বংশ পরম্পরায় পুজো করেছি, মীরা তাঁকেও পুজো করতে রাজি হচ্ছে না।

    কুম্ভজি এই কথা শুনে খুবই দুঃখ পেয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন—মীরাকে তোমরা ভূতমহলে পাঠিয়ে দাও। আপনিই সব ঠিক হয়ে যাবে।

    মীরার স্থান হল ভূতমহলে, তবুও তাঁর মনের কোনও পরিবর্তন হল না। গিরিধারীলালের প্রতি তাঁর ভক্তি একইরকম আছে। শেষ পর্যন্ত রাণা কুম্ভ নিরুপায় হয়ে অন্য বিবাহ করেছিলেন।

    চিতোরে দুটি মন্দির ছিল—একটি কুম্ভস্বামীর, অন্যটি আদি বরাহর। ছোটোটি স্থাপন করেছিলেন তাঁর স্ত্রী মীরাবাঈ। রাণা কুম্ভ এবং রানি মীরাবাঈ সম্পর্কে অনেক গল্প এবং লোকগাথা রাজপুতানায় প্রচলিত আছে। কর্ণেল টড এইসব গল্প অবলম্বন করে তাঁর বিখ্যাত বই ‘দি অ্যানালশন অ্যান্টিকুইটি রাজস্থান’ লিখেছিলেন। জনশ্রুতির ওপর নির্ভর করেই তিনি বলেছেন যে, মীরা কুম্ভজির রানি। পরবর্তীকালে অনেক লেখক তাঁর গ্রন্থকে প্রামাণ্য গ্রন্থের স্বীকৃতি দিয়েছেন এবং এই তথ্য প্রচার করেছেন। কিন্তু এটি ঠিক নয়। কারণ মীরা যে মেড়তার রাজকুমারী ছিলেন, তা আমরা সকলেই জানি। দুদাজি ১৪৬২ খ্রিস্টাব্দে মুসলমানদের পরাস্ত করে মেড়তা অধিকার করেন। সেখানে নতুন রাজ্য স্থাপন করেন। দুদাজির বড়ো ছেলে বীরমদেবজি ১৪৭৮ খ্রিস্টাদে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। মীরাবাঈ হলেন বীরমদেবজির ছোটো ভাইয়ের কন্যা। ১৪৯৯ সালে তাঁর জন্ম হয়। আর ১৪৬৯ খ্রিস্টাব্দে মহারাণা কুম্ভের মৃত্যু হয়েছে। এতেই প্রমাণিত হয় যে, কুম্ভের মৃত্যুর সাত বছর পরে মেড়তা রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আর মীরার জন্ম হয় কুম্ভের মৃত্যুর তিরিশ বছর পরে।

    সুতরাং ইতিহাসের তথ্য বিচার বিশ্লেষণ করে আমরা অনায়াসে বলতে পারি যে, মীরাবাঈ কখনও কুম্ভের পত্নী ছিলেন না। তাই এই বিষয়টি এখন পরিত্যাগ করা উচিত।

    চিতোর ধ্বংস হবার পর রাজা উদয়সিংহের নামানুসারে উদয়পুর রাজধানী প্রতিষ্ঠিত হয়। উদয়সিংহ হলেন মহারাণা কুম্ভের প্রপৌত্র। কুম্ভজি যখন মহারাজা ছিলেন তখন উদয়পুর শহরের কোনও অস্তিত্বই ছিল না। অথচ কর্ণেল টড লিখেছেন যে, ”নব—বিবাহিতা বধূকে নিয়ে কুম্ভজি উদয়পুর অভিমুখে যাত্রা করেছিলেন।”

    বিবাহ—বিবরণে দেখা যায়, রাণা কুম্ভজি বিয়ে করার জন্য মীরার পিতৃভবন কুড়কী গ্রামে এসেছিলেন। বিয়ের সময় মীরার সঙ্গে তাঁর মায়ের বাদানুবাদ হয়েছিল। কিন্তু আমরা জানি, মীরার বয়স যখন খুব কম তখন তাঁর মায়ের মৃত্যু হয়। মীরার পিতামহ দুদাজি তাঁকে কুড়কী থেকে মেড়তায় নিয়ে যান। দুদাজির মৃত্যুর পর তাঁর বড়ো ছেলে বীরমদেবজি রাজা হয়েছিলেন। তিনি ভোজরাজের সঙ্গে মীরার বিয়ে দিয়েছিলেন।

    মেড়তা এবং মেবার সম্পর্কে যেসব প্রাচীন ইতিহাস লিপিবদ্ধ আছে, সেগুলি পড়েও আমরা এই সিদ্ধান্তে আসতে পারি।

    মীরা সম্পর্কে আরও কয়েকটি জনপ্রিয় কাহিনি প্রচলিত আছে। এই কাহিনি অনুসারে বলা হয়, যখন মীরা বিক্রমজিতের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন, তখন তিনি বিশিষ্ট কবি এবং সাহিত্য—সাধক গোস্বামী তুলসীদাসকে একটি চিঠি লিখেছিলেন। এই চিঠির মাধ্যমে তিনি তাঁর দৈনন্দিন দুঃখ—জ্বালা—যন্ত্রণার কথা তাঁকে খুলে বলেছিলেন। মীরা বলেছিলেন—

    ”শ্রীতুলসী সুখ—নিধান, দুখ—হরণ গুসাঈ।

    বারহিবার প্রণাম করূঁ, অবহরো সোক সমুদাঈ।।

    ঘরকে স্বজন হমারে জেতে, সবন উপাধি বঢ়াঈ।

    সাধু সংগ অরূ ভজন করতে মোহিঁ, দেত কলেস মহাঈ।।

    বালপন তেঁ মীরা কীনহীঁ, গিরধরলাল মিতাঈ।

    সো তৌ অব ছুটত নহিঁ ক্যোঁ হূঁ, লগী লগন বরিয়াঈ।।

    মেরে মাত পিতা কে সম হৌ, হরিভক্তন সুখদাঈ।।

    হমকো কথা উচিত করিবো হৈ, সো লিখিয়ো সমুঝাঈ।।’

    —হে সুখনিধান, দুঃখহারী শ্রীতুলসী গোঁসাই, আপনাকে আমি বার বার প্রণাম নিবেদন করছি। আপনি আমার সমস্ত শোক হরণ করুন। আমার ঘরের যাবতীয় আত্মীয়স্বজন আমার ওপর অত্যাচার করছেন। আমি সাধুসঙ্গ করি এবং ভজন করি বলে তাঁরা আমাকে বিদ্রুপ করছেন। মীরা বাল্যকাল থেকেই গিরিধারীলালের সঙ্গে সখ্যের সম্পর্ক স্থাপন করেছেন। সেই মিত্রতা এখন কিছুতেই বিনষ্ট হতে পারে না। কারণ তা অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে আমার মনের সঙ্গে লেগে আছে। আপনি আমার পিতামাতার সমান, আপনি হরিভক্তদের সুখদায়ক, আমি যে কথা লিখলাম, তা অবিলম্বে বিচার বিবেচনা করুন। এই অন্ধকার জগৎ থেকে আমাকে বাঁচান।

    তুলসীদাস মীরার এই পত্রের উত্তরে দুটি চিঠি লিখেছিলেন। এই চিঠির মাধ্যমে তিনি মীরাকে সান্ত্বনা দিয়েছিলেন। প্রথম চিঠিটি ছিল এইরকম—

    ”জা কে প্রিয় ন রাম বৈদেহী।

    তজিয়ে তাহি কোটি বৈরী—সম, যদ্যপি পরম সনেহী।।

    তজ্যোপিতা প্রহ্লাদ, বিভীষণ বংধু ভারত মহতারী।

    বলি গুরু তজ্যো, কংত ব্রজ—বনিতা, ভয়ে সব মঙ্গলকারী।

    না তো নেহ রামসোঁ মনিয়ত, সুহৃদ সুসেব্য জহাঁ লোঁ।

    অঞ্জন কহা আঁখ জো ফুটে, বহুতক কহোঁ কহাঁ লৌঁ।।

    তুলসী সো সব ভাঁতি পরম জিত, পূজ্য প্রাণ তেঁ প্যারো।

    জ্যা সোঁ হোয় সনের রামপদ, এতো মতো হামারো।।”

    —রাম—সীতা যার প্রিয় নয়, সে পরম স্নেহশীল হলেও কোটি শত্রুর ন্যায় তাকে পরিত্যাগ করবে। প্রহ্লাদ পিতাকে ত্যাগ করেছিলেন, বিভীষণ ভাইকে, ভরত মাকে, বালি গুরুকে এবং ব্রজবনিতারা স্বামীকে ত্যাগ করে মঙ্গল লাভ করেছিলেন। যাঁরা রামের প্রতি অটল ভক্তি প্রদর্শন করেন, তাঁরাই সুহৃৎ। তাঁদের সেবা করা উচিত। যে কাজল চোখে লাগালে অন্ধ হতে হয়, তা লাগিয়ে লাভ কি? অনেক কথাই বললাম, আর অধিক কি বলব? তুমি বুদ্ধিমতী, আশা করি আমার কথার আসল অর্থ বুঝতে পারছো। তুলসী বলে, যার রামপদে ভক্তি আছে, সে—ই সর্বপ্রকারে পরম মঙ্গলকারী, সে—ই পূজ্য এবং প্রাণাপেক্ষাও প্রিয়। এই হল আমার মত।

    দ্বিতীয় চিঠিখানিতেও তাঁর সেই প্রাণের আকুলতা প্রকাশ পেয়েছে। তিনি যে কত বড়ো রামভক্ত ছিলেন তার পরিচয় পাওয়া যায় এই চিঠিখানির মধ্যে। এই চিঠিখানিতে লেখা হয়েছিল—

    ”সো জননী সো পিতা সোঈ ভ্রাতা,

    সো ভামিন সো সুত সো হিত মেরো।

    সোঈ সগো সো সখা সোঈ সেবক,

    সো গুরু সো সুর সাহিব চেরো।।

    সো তুলসী প্রিয় প্রাণ সমান,

    কহাঁ লৌঁ বতাই কহোঁ বর্হুতেরো।

    জো তজি গেহ কো দেহ কো নেহ,

    সনেহ সোঁ রাম কো হোয় সবেরো।।”

    —সেই রামই আমার জননী, তিনিই পিতা, তিনিই ভ্রাতা, তিনিই স্ত্রী, তিনিই পুত্র, তিনিই আমার হিতকারী। তিনি আত্মীয়, তিনিই সখা, তিনিই সেবক, তিনিই গুরু, তিনিই দেবতা, তিনিই প্রভু, তিনিই দাস, তিনিই তুলসীর প্রাণের সমান প্রিয়। কত আর বলব রাম মাহাত্ম্যের কথা। অনেক তো বললাম। দেহ এবং গৃহের মমতা ত্যাগ করে যে রামের প্রতি অটল ভক্তি প্রদর্শন করে, সে রামের একান্ত আপন হয়ে ওঠে।

    এই পত্র বিনিময় কি সত্যিই হয়েছিল? এখন ইতিহাসের পাতায় চোখ রাখা যাক। ১৫৩৩ খ্রিস্টাব্দে বিক্রমজিৎ যখন রাণা পদে অধিষ্ঠিত হন, তার এক বছর আগে তুলসীদাসের জন্ম হয়েছিল। তুলসীদাসের প্রামাণ্য জীবনীকাররা এই কথা বারবার বলে গেছেন। তাই রাণা যখন মীরার প্রতি অত্যাচার করেন, তখন তুলসী ছিলেন নেহাতই এক বালক। তখনও পর্যন্ত তাঁর অধ্যাত্ম জীবন শুরু হয়নি। এই অবস্থায় তিনি কীভাবে মীরাকে সাহায্য করবেন? এমনকি ১৫৪৭ খ্রিস্টাব্দে যখন মীরার মৃত্যু হয়, তখন তুলসী ছিলেন মাত্র পনেরো বছরের কিশোর। তাই আমরা অবশ্যই বলতে পারি যে, এটি হল এক অলীক কল্পনা।

    মীরাবাঈ সম্পর্কে আর একটি রটনা যথেষ্ট জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। অনেকে বলে থাকেন যে, মীরাবাঈয়ের কবি প্রতিভার খ্যাতি নাকি স্বয়ং সম্রাট আকবরের কানে পৌঁছে গিয়েছিল। আকবর ছদ্মবেশে মীরার সঙ্গে দেখা করতে এলেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সঙ্গীত সাধক তানসেন। বাদশাহ আকবর ধর্মনীতি ও রাজনীতি বিষয়ে নানা প্রশ্ন মীরাকে করেছিলেন। মীরার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছিল না। কিন্তু অসাধারণ প্রজ্ঞাবতী ছিলেন তিনি। তিনি বাদশাহ আকবরের সমস্ত প্রশ্নের যথাযথ জবাব দিয়েছিলেন। সম্রাট মীরার উত্তর শুনে খুশি হয়েছিলেন। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে, গিরিধারীলালের সংস্পর্শ এবং সংস্রব মীরাকে এতখানি জ্ঞানী করে তুলেছে।

    এবার তানসেন সঙ্গীততত্ত্ব বিষয়ক দুরূহ প্রশ্ন মীরাকে করেন। তানভেদ, রাগভেদ, তালভেদ প্রভৃতি কি, তা জানতে চান। মীরা অবলীলাক্রমে তানসেনের সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিয়েছিলেন। এক—একটি রাগ—রাগিনীর লক্ষণ কি, তা বিশেষভাবে বুঝিয়ে বলেন। শুধু তাই নয়, কোন ঋতুতে এবং কোন সময়ে কোন রাগ বা রাগিনী গাওয়া উচিত এবং কেন গাওয়া উচিত, সে—বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেছিলেন। বাদ্যযন্ত্রের উৎপত্তি এবং বাজনার বিবরণ সম্পর্কেও তাঁর যথেষ্ট জ্ঞান ছিল। সঙ্গীত বিষয়ে মীরার এই জ্ঞানের সীমা দেখে তানসেন খুবই খুশি হয়েছিলেন। মীরা সম্রাটকে রাজনীতি এবং দর্শন সম্পর্কে নানা উপদেশ দেন।

    শুধু তাই নয়, সম্রাটের সঙ্গে আলাপচারিতা শেষ করে মীরা সঙ্গে সঙ্গে গিরিধারীলালের দিকে তাকিয়ে একটি পদ কীর্তন করতে থাকেন। এই পদে তিনি বলেছিলেন—

    ”মাঈরী মৈঁ সঁরলিয়া জান্যো নাথ।

    লেন পরিচয়ো আকবর আয়ো, তানসেন লে সাথ।।

    রাগ তান ইতিহাস শ্রবণ করি, নায় নায় মহি মাথ।

    মীরাকে প্রভু গিরিধরনাগর, কীনহ্যো মোহিঁ সনাথ।।”

    —মা, আমি তো শ্যামকেই আমার নাথ বলে জানি। আমার পরিচয় নেবার জন্য স্বয়ং সম্রাট আকবর তানসেনকে সঙ্গে করে নিয়ে এসেছেন। আমার মুখে রাগ, তান এবং তার ইতিহাস জেনে আকবর বারবার মাটিতে মাথা নোয়ালেন। হে মীরার প্রভু গিরিধারী নাগর, তুমি আমাকে সনাথ করো।

    এই ঘটনা বাস্তবে ঘটা সম্ভব নয়। কারণ আকবর ১৫৪২ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সম্রাট পদে অভিষিক্ত হন। যখন মীরার মৃত্যু হয় ১৫৪৭ খ্রিস্টাব্দে আকবর ছিলেন মাত্র পাঁচ বছরের বালক। তাই এটিকেও আমরা এক অনৈতিহাসিক তথ্য হিসাবে গ্রহণ করব।

    ভাবতে অবাক লাগে, যাঁরা মীরার প্রামাণ্য জীবনী গ্রন্থ রচনা করেছেন তাঁদের অনেকে এই সব ভ্রান্ত কিংবদন্তীকে সত্য বলে স্বীকার করেছেন। এভাবেই তাঁরা মীরার চরিত্রে জনপ্রিয়তা এবং অলৌকিকত্ব আনতে চেয়েছেন। ভারতেন্দু হরিশ্চন্দ্রের মতো এক ব্যক্তিত্ব এই ঘটনাগুলিকে সত্য বলে ধরে নিয়েছেন। আর এর জন্য তিনি মীরার মৃত্যুকাল ঘোষণা করেছেন ১৫৭৪ খ্রিস্টাব্দ। কেউ কেউ আবার মীরার জন্ম ১৬১৯ খ্রিস্টাব্দ বলে অনুমান করেছেন। তাঁরা বলেছেন, মীরা ছিলেন রাঠোর সর্দার জয়মলের কন্যা।

    মীরার পিতৃপক্ষের বংশ পরিচয় থেকে আমরা জানতে পারি যে, জয়মল ছিলেন মীরার জ্যেষ্ঠতাত বীরমদেবজির পুত্র।

    মীরার নামে অসংখ্য পদ প্রচলিত আছে। এগুলি হয়তো মীরার রচনা নয়। এর মধ্যে এমন কিছু ভাব এবং ভাবনা আছে যা মীরা লিখেছেন বলে মনে হয় না। মীরা ছিলেন উচ্চশ্রেণীর সাধিকা। তিনি কখনও কদর্য ভাষা ব্যবহার করেননি। তাই এই পদগুলি তাঁর নামে উল্লিখিত না হওয়াই উচিত। এগুলি হল প্রক্ষিপ্ত পদ। কোনও কোনও পদে মীরার স্বামী ভোজরাজকে মহারাণা বলা হয়েছে। আবার কোথাও বলা হয়েছে যে, মীরা তাঁর স্বামীকে অত্যন্ত অশ্রদ্ধা করতেন।

    এমন একটি পদ এখানে উল্লেখ করা হল—

    ”মীরা মহল সূঁ ঊতরী রাণা পকের‍্যাে হাথ।

    হথলেরাকে সায়নে ম্হাঁরে ঔর ন দূজী বাত।।

    ম্হাঁরো কহো হোঁ মানো রাণা বরজৈ মীরাবাঈ।।

    জো তুম হাথ হমারো পকরো খবরদার মন মাহী।।

    দেস্যূঁ স্রাপ সাঁচে মন সোঁ জল বল ভস্ম হোই জাঈ।।

    জন্ম জন্ম কে পতি পরমে সুর থাঁরী নহীঁ লুগাঈ।।

    থাঁরো ম্হাঁরো ঝুঠো সনেসা গারৈ মীরাবাঈ।।”

    —মীরা যখন নিজের মহল থেকে নেমে আসছিলেন, সেই সময় রাণা তাঁর হাত চেপে ধরলেন। মীরা ক্রোধ ভরে বলেছিলেন, হাত ধরেছো ক্ষতি নেই, কিন্তু আর দ্বিতীয় বাক্য বলো না। রাণা, মীরাবাঈ তোমাকে সাবধান করছে। তুমি আমার কথা মেনে চলো। তুমি যে আমার হাত ধরলে, মনে মনে হুঁশিয়ার হও। হয়তো আমার এই পবিত্র মন থেকে তোমাকে অভিশাপ দেবো, তুমি জ্বলে—পুড়ে ছাই হয়ে যাবে। পরমেশ্বরই আমার জন্ম—জন্মান্তরের পতি। তুমি আমার কেউ নও। মীরাবাঈ মুক্ত কণ্ঠে বলছে, তোমার আর আমার মধ্যে যে সম্পর্ক, তা একেবারে মিথ্যা।

    মীরা তাঁর স্বামীর প্রতি যথেষ্ট সদয় ছিলেন। তিনি যথাসম্ভব স্বামীকে দেখাশুনা করতেন। তাই তিনি যে স্বামীকে উদ্দেশ করে এমন একটি ঘৃণিত পদ রচনা করবেন তা কখনও ভাবা যায় না।

    এই প্রসঙ্গে আরও একটি অদ্ভুত গল্প প্রচলিত আছে। রাণা ভোজরাজের দুর্ব্যবহারে অতিষ্ঠ হয়ে মীরা চিতোর পরিত্যাগ করতে কৃতসঙ্কল্প হলেন। তিনি বৃন্দাবনে গিয়ে সাধুসঙ্গে বসবাস করতে থাকেন। কিছুদিন বাদে রাণা মীরার কাছে গিয়ে তাঁর এহেন আচরণের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। আর মীরা যাতে চিতোরে থাকেন, সেজন্য চেষ্টা করেন।

    মীরা বলেছিলেন—আমি নিজেই ভিক্ষুক, আমার কাছ থেকে কী ভিক্ষা প্রত্যাশা করো?

    রাণা উত্তরে বলেছিলেন—আমি যা চাই, তা দেবার শক্তি তোমার আছে। তখন তিনি ছদ্মবেশ পরিত্যাগ করে মীরার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। স্বামীকে চোখের সামনে দেখে মীরা যথেষ্ট অনুতপ্ত হয়েছিলেন এবং তিনি স্বামীর হাত ধরে চিতোরে ফিরে আসেন।

    এটিও একটি গল্প। কারণ আমরা জানি স্বামীর মৃত্যুর পর মীরা বৃন্দাবনে গিয়েছিলেন। অনেকে মীরার স্বামীকে রাণা বা মহারাণা বলেন। এটিও ঠিক নয়। কারণ তিনি যুবরাজ অবস্থাতেই দেহত্যাগ করেছিলেন। আবার অনেকে মীরাবাঈয়ের একটি পদ বিশ্লেষণ করে তাঁকে চৈতন্যদেবের শিষ্য বা ভক্ত বলেছেন। সেই পদটি হল এইরকম—

    ”অব তৌ হরী নাম লৌ লাগী।

    সব জগ কো য়হ মাখন চোরা, নাম ধর‍্যাে বৈরাগী।।

    কিত ছোড়ী রহ মোহন মুরলী, কঁহ ছোড়ী সব গোপী।

    মূঢ় মুঢ়াই ডোরিকটি বাঁধী, মাথে মোহন টোপী।।

    মাত জসো মতি মাখন কারণ, বাঁধে জা কে পাঁর।

    স্যাম কিসোর ভয়ো নবগোরা, চৈতন্য জাকো নাঁর।।

    পীতাংবর কো ভার দিখারৈ, কটি কৌপীন কসৈ।

    গৌরকৃষ্ণ কী দাসী মীরা, রসনা কৃষ্ণ বসৈ।।”

    —এখন তো হরিনামেই আমার ধ্যান লেগেছে। জগতে যাঁকে সকলে মাখনচোর বলে, সে এখন বৈরাগী নাম ধরেছে। তোমার সেই মোহনমুরলী তুমি কোথায় রেখে এসেছো? গোপীদের কোথায় রেখেছো? দেখছি, তুমি এখন মাথা মুড়িয়ে, কোমরে দড়ি বেঁধে, মাথায় সুন্দর টুপি দিয়েছো। মাখন চুরি করার কারণে মা যশোমতী যার পা বেঁধে রেখেছিলেন, সেই কিশোর শ্যাম এখন নবগৌর হয়েছে। এখন তার নাম চৈতন্য। পীতাম্বরের ভাবে আবার কৌপীন পরেছে। মীরা গৌর—কৃষ্ণের দাসী, তার রসনায় কৃষ্ণনাম লেগেই আছে।

    এটিও একটি প্রক্ষিপ্ত পদ। এই পদটি বোধহয় অন্য কোনও কবির লেখা কারণ মীরা এ ধরনের পদ লিখেছেন বলে মনে হয় না।

    ১৫৫৭ খ্রিস্টাব্দের ফাল্গুন মাসে যোধপুরের মালদেবজি মেড়তা আক্রমণ করেন। তিনি মেড়তার সবকিছু একেবারে ধ্বংস করে দেন। রাজপ্রাসাদ ভগ্নস্তূপে পরিণত হয়। শুধু থেকে যায়, ভগবান চতুর্ভুজজির মন্দির আর রাজপ্রাসাদের কিয়দংশ। এই অংশ এখনও পর্যন্ত সুরক্ষিত আছে। এখানে একটি ছোট্ট প্রকোষ্ঠ আছে। স্থানীয় জনশ্রুতি অনুসারে বলা হয়, এটাই মীরার ভজন মন্দির। সেখানে এখনও গিরিধারীলালের বিগ্রহ আছে। মীরার মাহাত্ম্য—প্রভাবে মালদেবজি রাজপ্রসাদের ওই অংশটি ধ্বংস করতে পারেননি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগীতবিতান ছুঁয়ে বলছি ১ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article পাকদণ্ডী – লীলা মজুমদার

    Related Articles

    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা

    আমি নকুবাবু – সুশীলকুমার চট্টোপাধ্যায়

    January 17, 2026
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা

    বিশ্বমনা : রবীন্দ্রনাথ – সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়

    January 17, 2026
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা

    গল্পে বারভূঁইয়া – সতীশ চন্দ্র গুহ

    January 17, 2026
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা

    সাদা আমি কালো আমি (১ম খণ্ড) – রুণু গুহ নিয়োগী

    January 17, 2026
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা

    বিদ্যাসাগর-জীবনচরিত – শম্ভুচন্দ্র বিদ্যারত্ন

    January 17, 2026
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা

    পাকদণ্ডী – লীলা মজুমদার

    January 17, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমি নকুবাবু – সুশীলকুমার চট্টোপাধ্যায়

    January 17, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমি নকুবাবু – সুশীলকুমার চট্টোপাধ্যায়

    January 17, 2026
    Our Picks

    আমি নকুবাবু – সুশীলকুমার চট্টোপাধ্যায়

    January 17, 2026

    বিশ্বমনা : রবীন্দ্রনাথ – সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়

    January 17, 2026

    গল্পে বারভূঁইয়া – সতীশ চন্দ্র গুহ

    January 17, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }