Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কৃষ্ণা কুন্তী এবং কৌন্তেয় – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী এক পাতা গল্প1105 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুন্তী – ১০

    ১০

    কৃষ্ণ যখন কৌরব-সভায় শান্তির দূত হয়ে এলেন, তখন তিনি সভায় যাবার আগে একবার কুন্তীর সঙ্গে দেখা করেছিলেন, আবার সভা ব্যর্থ হবার পরেও একবার দেখা করেছিলেন। প্রথমবার যখন কুন্তীর সঙ্গে কৃষ্ণের দেখা হয়, তখন কুন্তী একবার বলেছিলেন—আমার ভাশুরের ছেলেদের এবং আমার ছেলেদের কোনওদিনই আমি আলাদা চোখে দেখিনি—ন মে বিশেষো জাতু আসীদ্‌ ধার্তরাষ্ট্রেষু পাণ্ডবৈঃ। এই কথার মধ্যে হয়তো সত্য কিছু নিশ্চয়ই আছে, নইলে দিনের পর দিন বঞ্চনা সহ্য করে কুন্তী এত ধৈর্য ধরলেন কী করে! কিন্তু এই সত্যের চেয়েও আরও গভীর এক বিষণ্ণ সত্য আছে, যার জন্য দুর্যোধনের ব্যাপারে ধৈর্য ধরেছেন কুন্তী। সেই সত্য হয়তো কর্ণ, যাঁকে দুর্যোধন পালনে-পোষণে এবং মন্ত্রণায় এমনই এক পৃথক মর্যাদা দিয়েছেন যা কুন্তীর অপরাধী মনে অন্যতর ধৈর্যের জন্ম দিয়েছে।

    দিনের পর দিন অস্থির অহঙ্কারী দুর্যোধনের সঙ্গে পড়ে নিজের একান্ত-জাত সন্তানকে একেবারে অন্য রকম হয়ে যেতে দেখলেন কুন্তী। অস্ত্রশিক্ষার আসরে দুর্যোধন যখন তাঁকে অঙ্গরাজ্য দান করে রাজার পদবীতে স্থাপন করেছিলেন তখন দুর্যোধনের ওপর কুন্তীর চেয়ে বেশি খুশি বোধ হয় কেউ ছিলেন না। কিন্তু কুন্তীর সেই খুশি একটু একটু করে ভেঙে যেতে থাকল। তিনি দেখলেন, দুর্যোধনের সঙ্গে মিশে মিশে, তার সমস্ত অন্যায়ের অংশভাগী হয়ে কেমন করে তাঁর কন্যাগর্ভের পুত্রটি একেবারে বয়ে গেল। কর্ণ যেদিন উন্মুক্ত রাজসভার মধ্যে দ্রৌপদীর বস্ত্র হরণ করার আদেশ দিয়েছিলেন দুঃশাসনকে—সে খবর কি কুন্তীর কানে যায়নি? গিয়েছিল। দুর্যোধনের ওপর খুশি থাকার এই বুঝি শেষ দিন, আপন কুক্ষিজাত পুত্রকে ক্ষমা করার পক্ষেও বোধহয় সেই দিনটি ছিল চরম দিন। কৃষ্ণের কাছে কথা বলতে গিয়ে বারংবার যখন দ্রৌপদীর প্রতি কৌরবদের অন্যায়ের প্রসঙ্গ আসছিল, তখন কর্ণকেও কুন্তী সমানভাবে দায়ী করেছেন—দুঃশাসনশ্চ কর্ণশ্চ পুরুষাণ্যভ্যভাষতাম্‌। পুত্র বলে তার অন্যায় অনুক্ত রাখেননি কুন্তী।

    কিন্তু আজ কী হবে? দুর্যোধন শান্তির প্রস্তাব উড়িয়ে দিলেন এক ফুঁয়ে। যুদ্ধের উদ্যম শুরু হয়ে গেল সশব্দে, সোচ্চারে। বিদুর এসে কুন্তীকে বললেন—তুমি তো জান, ঝগড়া-ঝাঁটি এড়িয়ে শান্তি বজায় রাখার ব্যাপারটা আমি কীরকম পছন্দ করি। কিন্তু এত চ্যাঁচাচ্ছি, তবু দুর্যোধন কিছুই শোনে না। ওদিকে ধর্মাত্মা যুধিষ্ঠির, তাঁর ভীমার্জুন, কৃষ্ণ এবং অন্যান্য সহায়-শক্তি থাকা সত্ত্বেও দুর্বলের মতো শান্তি-শান্তি করে যাচ্ছেন—কাঙক্ষতে জ্ঞাতি-সৌহার্দাদ্‌ বলবান্ দুর্বলো যথা। মহারাজ ধৃতরাষ্ট্র, তিনি বুড়ো হয়ে গেলেন, তবু তিনি থামবেন না—বয়োবৃদ্ধো ন শ্যামতি। ছেলের কথায় মত্ত হয়ে অন্যায়ের রাস্তা ধরেছেন তিনি, আর এই জ্ঞাতিভেদ সৃষ্টির কাজে বুদ্ধি জুগিয়ে যাচ্ছে জয়দ্ৰথ, কর্ণ, দুঃশাসন আর শকুনিরা।

    এই যুদ্ধোদ্যোগের মুহূর্তে বিদুর যখন সমস্ত রাজনীতিটার ‘পারস্‌পেক্‌টিভ’ বুঝিয়ে দিচ্ছেন কুন্তীকে, ঠিক সেই মুহূর্তে আবারও কর্ণের নাম কুন্তীকে বুঝি শেষবারের মতো উচ্চকিত করে তুলল। বিদুর, ধর্মময় বিদুর বলেছিলেন—যদি ধার্মিক সুজনের প্রতি এত অধর্ম করবে, তবে কোন মানুষটা বিষিয়ে না যাবে—কো ন সংজ্জরেৎ? কৃষ্ণের শাস্তির কথাতেও যেখানে কাজ হল না, সেখানে কৌরবদের অন্যায়-অধর্মে যে বহু বীরপুরুষই মারা পড়বে, তাতে সন্দেহ কী? এইসব ভেবে ভেবে দিনে রাতে দুশ্চিন্তায় আমার ঘুম হয় না।

    বিদুরের যেমন ঘুম হয় না, তেমনই কুন্তীরও ঘুম হয় না। বিদুরের রাজনৈতিক ভাষ্যে কর্ণ যুদ্ধ লাগবার অন্যতম কারণ, আর সে যুদ্ধ যদি লাগে তবে অনেক বীরপুরুষই মারা যাবে—সে ভীমও হতে পারে, অর্জুনও হতে পারে, কর্ণও হতে পারে। এই একটু আগে কৃষ্ণের মাধ্যমে বীর পুত্রদের যিনি যুদ্ধের জন্য উত্তেজিত করেছেন, তিনি ওই ভবিষ্যৎ বীরনাশে এত উদ্বেলিত হয়ে উঠলেন কেন? হ্যাঁ এই যুদ্ধের দোষ অনেক, কিন্তু যুদ্ধ না করলে সেই চিরকালীন নির্ধনতা, অপমান আর বঞ্চনা। একদিকে নির্ধনতার যন্ত্রণা অন্যদিকে জ্ঞাতিক্ষয়ের মাধ্যমে জয়লাভ—দুইই তাঁর কাছে সমান সমান—অধনস্য মৃতং শ্রেয়ঃ ন হি জ্ঞাতিক্ষয়ো জয়ঃ। কুন্তী এসব বোঝেন, এমনকী পাণ্ডব-কৌরবদের এই জ্ঞাতিযুদ্ধে প্রত্যেক সমরনায়কের রাজনৈতিক অবস্থিতিটাও তিনি ভালভাবেই জানেন।

    কুন্তীর মতে এই যুদ্ধে ভয়ের কারণ তিন জন—পিতামহ ভীষ্ম, আচার্য দ্রোণ এবং কর্ণ। তিনজনই দুর্যোধনের জন্য লড়াই করবেন। তবু এর মধ্যে তাঁর সান্ত্বনা এবং স্থির বিশ্বাস যে, আচার্য দ্রোণ প্রিয় শিষ্যদের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হতে চাইবেন না। আর পিতামহ ভীষ্মই বা কী করে পাণ্ডবদের ব্যাপারে সম্পূর্ণ স্নেহমুক্ত হবেন? আর বাকি রইলেন শুধু কর্ণ। হায়! কুন্তী কী ভাবে বোঝাবেন নিজেকে। কৌরব পক্ষে এই কর্ণই হলেন একমাত্র ব্যক্তি, কুন্তীর মতে যার ভবিষ্যতের দৃষ্টি নেই কোনও। দুর্যোধনের পাল্লায় পড়ে মোহের বশে কেবলই সে কতগুলি অন্যায় করে যাচ্ছে, পাণ্ডবদের তো সে চোখেই দেখতে পারে না—মোহানুবর্তী সততং পাপো দ্বেষ্টি চ পাণ্ডবান্‌।

    মুশকিল হল, যত অনর্থই ঘটাক এই কর্ণ, তার শক্তি এবং ক্ষমতা সম্বন্ধে কোনও প্রশ্ন ওঠে না। কুন্তী ভাবেন—ওই অসামান্য শক্তি নিয়ে কর্ণ যে শুধু তাঁর অন্য ছেলেগুলির বিপদ ঘটাতেই ব্যস্ত রইল—এই মর্মান্তিক বাস্তব তাঁকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে খাক করে দিল—তন্মে দহতি সম্প্রতি। আজ যখন এই মুহূর্তে কৌরব আর পাণ্ডবদের যুদ্ধ অনিবার্য হয়ে উঠল, তখন দুর্ভাবনায় হতাশায় হঠাৎই ঠিক করে বসলেন—যাব আমি। ঠিক যাব। কন্যা-জননীর লজ্জা ত্যাগ করে আমার জ্যেষ্ঠপুত্রের কাছে গিয়ে জানাব যথাযথ সব কথা। জানাব—কেমন করে দুর্বাসার কাছে মন্ত্র পেয়ে কুন্তিভোজের ঘরে বসেই আহ্বান করেছিলাম তার পিতাকে। জানাব—একই সঙ্গে আমার কন্যাত্ব এবং স্ত্রীত্ব—এই পরস্পরবিরোধী আবেগ কী রকম ব্যাকুল করে তুলেছিল আমাকে—স্ত্রীভাবাদ্‌ বালভাবাচ্চ চিন্তয়ন্তী পুনঃ পুনঃ। একদিকে পিতার মর্যাদা রক্ষা অন্যদিকে কৌতূহল আর অজ্ঞানতার বশে সূর্যের আহ্বান—কুন্তী ঠিক করলেন—এক এক করে সব কর্ণকে জানাব আমি। কন্যাবস্থায় হলেও সে আমার ছেলে, আমার ভাল কথাটা কি সে শুনবে না, ভাইদের ভালটা কি সে বুঝবে না—কস্মান্ন কুর্যাদ বচনং পশ্যন্ ভ্রাতৃহিতং তথা। কুন্তী ঠিক করলেন—আজ আমি কর্ণের কাছে গিয়ে সব কথা বলব, তারপর চেষ্টা করব তার মন যাতে পাণ্ডবদের দিকে ফিরে আসে—আশংসে ত্বদ্য কর্ণস্য মনো’হং পাণ্ডবান্‌ প্রতি।

    কুন্তী রওনা দিলেন। তিনি জানেন এই সময়ে কর্ণ গঙ্গার তীরে পূর্বমুখ হয়ে বসে থাকেন। জপ করেন বেদমন্ত্র। দ্বিপ্রহর কাল অতিক্রান্ত বটে, কিন্তু সূর্যের তাপ প্রচণ্ড। রোদে কুন্তীর শরীর যেন পুড়ে যাচ্ছে। সূর্য কি শাস্তির মতো কোনও কিরণ বিকিরণ করছেন আজ! ভাগরথীর তীরে এসে কুন্তী দেখলেন—পুব দিকে মুখ করে ঊর্ধ্ববাহু হয়ে তপস্যায় বসে আছেন কর্ণ। তাঁর মুখ দিয়ে উদগীর্ণ হচ্ছে বেদমন্ত্রের নিস্বন—গঙ্গাতীরে পৃথাশ্রৌষীদ্‌ বেদাধ্যয়ন-নিস্বনম্‌। পশ্চিম দিক থেকে অলসগমনে আসা তাপার্তা কুন্তীকে কর্ণ দেখতে পাননি। পুত্রের জপ-ধ্যান-বেদমন্ত্র—কিছুর মধ্যেই মায়ের সহজ ভাব নিয়ে নিজেকে ঘোষণা করতে পারলেন না কুন্তী। তিনি অপেক্ষা করতে লাগলেন। সূর্যাতপে তপ্ত হয়ে নিজের চারদিকে ঘনিয়ে নিলেন আপন উত্তরীয়ের ছায়া, হয়তো প্রথম স্বামীর কাছে লজ্জায়। দেখে মনে হল পদ্মের মালা যেন শুকিয়ে যাচ্ছে—পদ্মমালেব শুষ্যতী।

    কর্ণের জপ-ধ্যান শেষ হতে হতে বেলা গড়িয়ে গেল। পুব দিক থেকে কর্ণ এবার দৃষ্টি সরিয়ে আনবেন পশ্চিম আকাশে। বিদায় দেবেন প্রায় অস্তগামী সূর্যকে। এই দিক বদলের মুহূর্তেই চোখে পড়ে গেলেন কুন্তী! এই নির্জন নদীতীরে হঠাৎ এই প্রৌঢ়া মহিলাকে একলা দেখেই হাত জোড় করে এগিয়ে এলেন কর্ণ। কতবার তিনি এঁকে দেখেছেন দূর থেকে। অভিমানী বীর কর্ণ সৌজন্যে আনম্র হয়ে সস্মিত ভাষে নিজের পরিচয় দিলেন—আমি কর্ণ, ‘অধিরথসূতপুত্র রাধাগর্ভজাত’-রাধেয়ো’হম্‌ আধিরথিঃ কর্ণস্ত্বমভিবাদয়ে।

    কুন্তীর মুশকিল হল—তিনি জানতেন না যে, কর্ণ সব ব্যাপারটাই জানেন। যে পুত্রের জন্মের বৃত্তান্তে কালিমা থাকে, সে নিজের গবেষণাতেই প্রথমত নিজের পরিচয় জানবার চেষ্টা করে। লোকের কথায় আরওই সে জেনে যায় কে সে, কোথা থেকে এসেছে, বিশেষত এখানে এই খানিক আগেই স্বয়ং কৃষ্ণ কর্ণকে একা রথে উঠিয়ে নিয়ে চলে গিয়েছিলেন অন্যত্র। কৃষ্ণ তাঁকে পরিষ্কার জানিয়েছিলেন—দেখো ভাই, তুমি কুন্তীর ছেলে অতএব চলে এসো পাণ্ডবের দিকে, ঝামেলা মিটে যাবে, দুর্যোধন ট্যাঁফো করতে পারবে না। কর্ণ রাজি হননি—সে অন্য কথা, কিন্তু ভাইপো কৃষ্ণ যেখানে পিসি কুন্তীর কন্যাগর্ভের কথা জানে, সেখানে কর্ণ সেটা জানতেন না, তা আমরা ঠিক বিশ্বাস করতে পারি না। তা ছাড়া যদি আগে নাও জেনে থাকেন, তা হলেও অন্তত কুন্তী যখন তাঁর কাছে এসেছেন, তার আগে তো তিনি কৃষ্ণের মুখেই সব শুনে নিয়েছেন।

    এই নিরিখে দেখতে গেলে বলতেই হবে যে, কর্ণের সঙ্গে কথা বলার ব্যাপারে কুন্তীর যে সলজ্জ সংশয় ছিল, কর্ণের দিক থেকে তা ছিল না। ফলত প্রথম অভিবাদনের মুখেই কর্ণ তাঁর সারা জীবনের কলঙ্ক-অভিমান, একত্রিত করে দাঁত শক্ত করে নিজের পরিচয় দিয়েছেন—আমি ‘অধিরথসূতপুত্র রাধাগর্ভজাত’—রাধেয়ো’হম্ আধিরথিঃ।

    সেকালের অভিবাদনে এই রকমই নিয়ম ছিল। অভিবাদনের সময় নিজের নাম বলতে হত, অপরিচিত হলে কখনও বা পরিচয়ও দিতে হত। অপর পক্ষ সম্মানে বা বয়সে বড় হলে অভিবাদিত ব্যক্তি নাম ধরেই আশীর্বাদ করতেন। কিন্তু কর্ণ, হয়তো ইচ্ছে করেই কুন্তীর মনে জ্বালা ধরানোর জন্য নিজের নাম বলার আগে নিজের পিতৃ-মাতৃ পরিচয় বিন্যাস করে সগর্বে নিজের নাম বলেছেন—আমি অধিরথসূতপুত্র রাধাগর্ভজাত।

    ‘গর্ভ’ কথাটা শুনেই কুন্তীর মনে অন্য এক প্রতিক্রিয়া হল। সেই যেদিন পুত্রকে জলে ভাসিয়ে দিয়ে কুন্তী বলেছিলেন—যিনি তোমায় পালন করবেন সেই ভাগ্যবতী রমণী অন্য কেউ—সেই রমণী আজ শুধু পুত্র পালনের গুণে কর্ণের কাছে গর্ভধারণের অধিকার লাভ করছে। ‘আমি রাধেয়’—কথাটা শোনামাত্রই কুন্তীর মুখে তাই তীব্র প্রতিবাদ ঝরে পড়েছে—না না, বাছা তুমি মোটেই রাধার ছেলে নও। তুমি আমার ছেলে, তুমি কুন্তীর ছেলে, সূত অধিরথ মোটেই তোমার পিতা নন—কৌন্তেয় ত্বং ন রাধেয়ো ন তবাধিরথঃ পিতা। সারথির ঘরে তোমার জন্ম নয়। আমি যখন বাপের বাড়িতেই ছিলাম তখন কন্যা অবস্থায় আমারই পেটে জন্মেছিলে তুমি। তুমি আমার ছেলে, তুমি পার্থ। স্বয়ং স্বপ্রকাশ সূর্যদেব তোমার বাবা।

    মহাভারতের সামান্য সংলাপকে কেন্দ্র করে যে কবি কর্ণের সারা জীবনের অভিমান এবং কুন্তীর সারা জীবনের পুত্রস্নেহ একত্র মন্থন করে ‘কর্ণ কুন্তী সংবাদ’ রচনা করেছিলেন, তাঁর পক্ষে মনস্তত্ত্বের অপূর্ব প্রসার ঘটিয়ে কর্ণকে সত্য, নিষ্ঠা এবং নীতিপরায়ণতার একান্ত ভূমিতে প্রতিষ্ঠা করাটা অসম্ভব ছিল না। অসম্ভব ছিল না কর্ণকে বঞ্চনা এবং হতাশার তিলক পরিয়ে তাঁকে মহান করে দিতে। বিংশ শতাব্দীতে বসে মহাকাব্যের এক অন্যতম প্রতিনায়ককে জীবন-যন্ত্রণার চরমে পৌঁছে দেওয়া এবং তাঁকে মর্যাদার তত্ত্বে বিভূষিত করাটা নিঃসন্দেহে অন্য এক মাত্রা দিয়েছে। তবে মহাকাব্যের কবির এই দায় ছিল না। বিশাল মহাকাব্যের পরিসরে যে মানুষ নিজেই নিজের কাছে করুণার পাত্র, সেই কুন্তীকে দিয়ে তিনি আর কীই বা করাতে পারতেন এই মুহূর্তে? পুত্রের মনোযন্ত্রণার মূল্যে তিনি জননীর মনোযন্ত্রণা লঘু করে দেখেননি। বিংশ শতাব্দীতে কর্ণের মনস্তত্ত্বের জটিল আবর্ত তাঁকে শেষ পর্যন্ত মহান করে তুললেও মহাকাব্যের কবির কাছে সরলতার দায় ছিল বেশি।

    কুন্তী বলেছিলেন—আমি কর্ণকে সব খুলে বলব। বলব—আমার নিজের চরিত্রের কথা ছেড়েই দাও, আমার পালক পিতার চরিত্র রক্ষার জন্য আমাকে এই কাজ করতে হয়েছে—দোষং পরিহরন্তী চ পিতুশ্চারিত্ররক্ষিণী। যে রমণী বালিকা অবস্থায় আপন পিতার স্নেহে বঞ্চিত হয়ে পালক পিতার ইচ্ছা অনুসারে মানুষ হয়েছেন, পালক পিতার সুনাম রক্ষার জন্য যাঁকে নিজের সন্তান ভাসিয়ে দিতে হয়েছে জলে, জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়ে যাঁকে প্রজনন শক্তি-রহিত একটি পতি বরণ করতে হয়েছে, উপরন্তু শ্বশুরবাড়িতে যাঁর নিজের স্থিতিই অত্যন্ত শঙ্কাজনক, সেই অভাগা রমণী নিজেই নিজের কাছে এত বড় করুণার পাত্র যে, তাঁর পক্ষে আপন কন্যাবস্থার পুত্র নিয়ে জীবনে টিকে থাকা কঠিন ছিল।

    আজ সেই কন্যাবস্থার পুত্রের সঙ্গে সংলাপে কুন্তী প্রথমেই ধাক্কা খেলেন। যে গর্ভ ধারণের জন্য এতকালের এত মানসিক চাপ—সেই গর্ভ ধারণের যন্ত্রণাটাই অস্বীকার করছে তাঁর পুত্র। হ্যাঁ, বালিকার প্রগল্‌ভতায় পুত্রের প্রতি সুবিচার তিনি করেননি ঠিকই, কিন্তু তাই বলে ছেলে তার গর্ভধারিণীর ভূমিকাটাই অস্বীকার করবে? জননীর মুখের ওপর ছেলে বলবে—না তুমি জননী নও? কুন্তী যত কথা বলবেন বলে ভেবে এসেছিলেন, সেসব কিছুই তিনি বলতে পারেননি। আচমকা নিজের গর্ভধারিণীর ভূমিকা প্রতিষ্ঠা করার জন্য অপ্রস্তুতের মতো আগে বলতে হয়েছে—না-না তুমি রাধার ছেলে নও, তুমি আমার সবার বড় ছেলে, তুমি রাধেয় নও, তুমি পার্থ!

    সব গুলিয়ে গেল। ভেবেছিলেন—গুছিয়ে গুছিয়ে দুবাসার কথা বলব, সূর্যদেবের কথা বলব, নিজের সমস্যার কথা বলব—কিছুই সেভাবে বলা হল না কুন্তীর, সব গুলিয়ে গেল। এই অবস্থায় নিজেকে সপ্রতিভ দেখানোর জন্য কুন্তীকে নিজের বিশাল জীবনসমস্যার কথা খুব তাড়াতাড়ি বলে ফেলতে হল। কুন্তী বললেন—আলোকদাতা সূর্যদেব আমারই কুক্ষিতে তোমার জন্ম দিয়েছিলেন। এইরকমই সোনার বর্ম, কানের দুল তোমার জন্ম থেকে। আমার বাবা কুন্তিভোজের অন্দর মহলে তোমার জন্ম দিয়েছিলাম আমি।

    কুন্তী খুব তাড়াতাড়ি—কর্ণের দিক থেকে কোনও প্রতিবাদ, কোনও বিরূপতার আগেই বলে ফেললেন—সেই তুমি আমার ছেলে হয়েও নিজের মায়ের পেটের ভাইদের চিনতে পারছ না। উলটে কোন এক অজানা মোহে ধৃতরাষ্ট্রের ছেলেদের তুমি সেবা করে যাচ্ছ। এই কি ধর্ম বাছা? যে পৃথিবী, যে ধন-সম্পদ অর্জুন জিতে এনেছিল অসাধু লোকেরা সেসব লুটেপুটে নিল, এখন তুমি বাছা আবার সেসব জুটিয়ে এনে নিজেই সব ভোগ করো। লোকে দেখুক—কর্ণ আর অর্জুন এক জায়গায় জুটলে কী হয়, কেমন মাথা নুয়ে যায় সবার—সন্নমস্তামসাধবঃ। কুন্তী ভবিষ্যতের এক অসম্ভবের প্রতিচ্ছবি দেখতে পেয়ে সোৎসাহে বলে উঠলেন—কর্ণ আর অর্জুন এক জায়গায় হলে, ব্যাপারটা দাঁড়াবে ঠিক বলরাম আর কৃষ্ণের মতো! তোমাদের দু’জনের সংহত শক্তি রুখবে, এমন বুকের পাটা কার বাছা? পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে তোমার শোভা হবে যেন দেবতাদের মধ্যে ব্রহ্মা। তুমি বাপু আর সারথির ছেলে কথাটা মুখেই এনো না—সূতপুত্রেতি মা শব্দঃ পার্থত্ত্বমসি বীর্যবান্—তুমি আমার ছেলে, তুমি পার্থ।

    প্রায় প্রগলভ জননীর ভাষণে কর্ণ একটুও টললেন না। ‘তুমি কুন্তী অর্জুনজননী’—এত সব কবিতার পরিণত শ্লেষ মহাভারতে নেই। তবে উতোর-চাপান এখানেও কিছু কম হল না। কর্ণ কুন্তীকে সম্বোধন করলেন মায়ের ডাকে নয়, বললেন—‘ক্ষত্রিয়ে’। কথাটার মধ্যে সাংঘাতিক সত্য আছে, পরে আসব সে-কথায়। কর্ণ বললেন—আমাকে জন্মকালেই বিসর্জন দিয়ে যে অন্যায়টি আপনি করেছেন তাতে আর অন্য কোন শত্রু আপনার চেয়ে আমার বেশি অপকার করবে—ত্বৎকৃতে কিন্নু পাপীয়ঃ শত্ৰুঃ কু্র্যান্‌ মমাহিতম্। যে অবস্থায় আমি ক্ষত্রিয়ের সংস্কার লাভ করে মেজাজে থাকতে পারতাম, সেই অবস্থায় আপনি মায়ের কাজ এতটুকু করেননি, এখন নিজের স্বার্থে আপনি আমাকে খুব ছেলে-ছেলে করছেন—সা মাং সংবোধয়স্যদ্য কেবলাত্মহিতৈষিণী।

    কুন্তী এই গালাগালি হজম করে যাচ্ছেন, একটি কথাও তিনি বলছেন না। আর কথাগুলি তো ঠিকই। কর্ণ বললেন—আজ যদি আমি সব ছেড়ে পাণ্ডবদের পক্ষে যাই, লোকে আমাকে ভিতু বলবে না? কোনওদিন আমার ভাই বলে কেউ ছিল না, আজ যদি এই যুদ্ধকালে হঠাৎ পাণ্ডবদের আমি ভাই বলে আবিষ্কার করি, তবে ক্ষত্রিয়জনেরা আমাকে কী বলবে—অভ্রাতা বিদিতঃ পূর্বং যুদ্ধকালে প্রকাশিতঃ। কর্ণ দুর্যোধনের অনেক গুণ-গান করলেন। কত সম্মান তিনি দিয়েছেন, কত ভোগসুখ—সবই একে একে বললেন। আর বলতেই বা হবে কেন কুন্তী সেসব জানেন, তিনি তাতে সুখীও ছিলেন। পুত্রের প্রতি মাতার কর্তব্য করা হয়নি বলেই, কর্ণের প্রতি দুর্যোধনের প্রশ্রয়-গৌরবে তিনি সুখীই ছিলেন। কিন্তু আজ কী হবে? যুদ্ধ যে লাগবেই, তিনি তা চানও।

    ক্ষত্রিয়া রমণীর এই কঠিন হৃদয় কর্ণ জানেন। তিনি বলেছেন—যুধিষ্ঠিরের বাহিনীর মধ্যে অন্য চার ভাইয়ের সঙ্গে আমার যুদ্ধ হবে না, আমার যুদ্ধ শুধু অর্জুনের সঙ্গে। হয় সে মরবে আমার হাতে, নয় আমি তার হাতে। তবে আপনার তাতে ক্ষতি নেই কোনও। আপনি পঞ্চপুত্রের জননী, তাই থাকবেন আপনি, আপনি নিরর্জুনা হলে কর্ণ আপনার থাকবে, আর আপনি অকর্ণা হলে অর্জুন আপনার থাকবে—নিরর্জুনা সকর্ণা বা সার্জুনা বা হতে ময়ি।

    কুন্তী শুনলেন, কর্ণের সব কথা শুনলেন, অন্যায়-ধিক্কার সব শুনে জননীর দায়-প্রত্যাখ্যান—তাও শুনলেন। ক্ষত্রিয় পুত্রদের জননী হিসেবে কুন্তী বুঝলেন কর্ণকে তার শেষ বক্তব্য থেকে নড়ানো যাবে না। ভবিষ্যতের পুত্রশোক তাঁর হৃদয় গ্রাস করল। তিনি আস্তে আস্তে কর্ণের কাছে এলেন। কর্তব্যে স্থির অটল, অনড় কর্ণকে তিনি সারা জীবনের প্রৌঢ় বাসনায় আলিঙ্গন করলেন—উবাচ পুত্রমাশ্লিষ্য কর্ণং ধৈর্যাদকম্পনম্‌! হয়তো আর হবে না। সেই বালিকা বয়সে পুত্রের জন্মলগ্নে জননীর যে স্নেহ প্রথম ক্ষরিত হয়েছিল, নিরুপায়তার কারণে জলে ভাসিয়ে দিতে হয়েছিল বলে যে শিশুপুত্রটিকে তিনি সজোরে কোলে চেপে ধরেছিলেন, আজ এতদিন পরে সেই ছেলেকে আবারও জড়িয়ে ধরলেন কুন্তী। বুঝলেন—জীবনের ধারায় জননীর কর্তব্য-বন্ধন মুক্ত করে একবার পুত্রকে ভাসতে দিলে সে ভেসেই চলে, সারা জীবন আর তাকে ধরা যায় না, ধরতে চাইলেও, না। কুন্তী তাই জড়িয়ে ধরলেন কর্ণকে। আর দেখতে পাই কি না পাই। হয় অর্জুন, নয় কর্ণ—একজন তো যাবেই, যদি কর্ণ যায় তবে সামনা-সামনি একতম পুত্রের সঙ্গে এই শেষ দেখা। কুন্তী কর্ণকে জড়িয়ে ধরলেন দ্বিতীয়বার।

    ক্ষত্রিয় পুত্র যেমন তার সত্য থেকে চ্যুত হল না, ক্ষত্রিয়া রমণীও তেমনই তাঁর ভবিষ্যৎ ভাবনা থেকে সরলেন না। কর্ণাকে বললেন—কৌরবদের বিনাশ যাতে হয়, তুমি সেই খেয়ালটা রেখো, বাছা। আমি এত করে তোমায় বোঝালাম, কিন্তু কিছুই হল না। কপালে যা আছে হবে—দৈবন্তু বলবত্তরম্‌। অর্জুন ছাড়া তাঁর অন্য চার ছেলের দুর্বলতা কুন্তী জানেন, অতএব যুদ্ধকালে এই চারজনের যাতে ক্ষতি না হয়, সে কথা তিনি আবারও মনে করিয়ে দিলেন কর্ণকে; কেন না, কর্ণও কথা দিয়েছিলেন তিনি অর্জুন ছাড়া আর কারও ক্ষতি করবেন না। মহাভারতের কর্ণ-কুন্তী-সংবাদ শেষ হল অদ্ভুত সৌজন্য-বিনিময়ের মধ্য দিয়ে। কুন্তী বললেন—মঙ্গল হোক তোমার বাছা, সুস্থ থাকুক তোমার শরীর। উত্তরে কর্ণও বললেন একই কথা। যে আবেগ সারা জীবন ধরে কুন্তী জমা করে রেখেছিলেন কর্ণের জন্য, তা উপযুক্ত ভাবে মুক্ত হল না পাত্রের কাঠিন্যে। কুন্তী যখন জড়িয়ে ধরলেন কর্ণকে তখন ব্যাস তাঁর বিশেষণ দিয়েছেন ‘অকম্পনম্‌’। হয়তো কর্ণের এই বিশেষণ তাঁর অনড় অকম্প স্বভাবের জন্যই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাল্মীকির রাম ও রামায়ণ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    Next Article মহাভারতের প্রতিনায়ক – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    Related Articles

    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    কথা অমৃতসমান – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    মহাভারতের ভারতযুদ্ধ এবং কৃষ্ণ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    কলিযুগ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    মহাভারতের অষ্টাদশী – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    চৈতন্যদেব – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    দেবতার মানবায়ন : শাস্ত্রে সাহিত্যে ও কৌতুকে – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }